Text view
ben-37
View options
Tags:
Javascript seems to be turned off, or there was a communication error. Turn on Javascript for more display options.
এখনই এসব করে কোন লাভ নাই । " জবাবদিহিতা " শব্দটা আমাদের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের বা আমলাদের অভিধানে নেই । গত নির্বাচনে বিএনপি - র ভরাডুবি দেখেও আজকে আওয়ামী লীগে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন নেই । এদের কাছে জনগণের আহাজারি অরণ্যে রোদন বৈ কিছু না ।
তবে নিয়েলসেনের গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে চলতি মাসের গোড়ার দিকে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনের কোনো মিল নেই । ইউকে অনলাইন মিজারমেন্ট কোম্পানির ( ইউকম ) ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয় , " যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে ফেসবুক ও টুইটারের জনপ্রিয়তা কমছে । "
এগুলো চালানোর জন্যও আমাদের উইন্ডোজ ব্যবহার করতে হবে , এবং যদি সফটওয়্যার পাইরেসী / চুরি এড়াতে চাই তাহলে প্রতি কম্পিউটারে এজন্য ৫০ ডলার খরচ বাড়বে । অবশ্য ভর্তূকী মূল্য পেলে আরও কমে পেতে পারি । এছাড়া এই অপারেটিং সিস্টেমের ভাইরাস এবং সিকিউরিটি জনিত সমস্যা দুর করার জন্য আমাদের ঝামেলা / খরচ এড়ানোর কোন উপায় নাই ।
- নিজের চেহারার যত্ন নিন । আপনি যদি নিজেকে নিয়ে খুশি না হন , যদি আয়নায় আপনার চেহারা দেখে আপনি বিরক্ত হন , তাহলে আপনার চেহারা নিয়ে কিছু করাটা আপনার জন্যে জরুরী । আপনার চেহারাকে সুন্দর করার চেষ্টা করুণ - চুলের একটা নতুন স্টাইল ট্রাই করুণ , একটা নতুন চশমা পরে দেখুন , নতুন জুয়েলারি , নতুন ফ্যাশনের জামা পরে দেখুন । খুব যে দামী কিছু পরতে হবে তা না , সাধারণ দামে অনেক ভালো চমৎকার পোষাক পাওয়া যায় মার্কেটে । নিজে যে ধরণের মানুষ হতে চান ঠিক করুণ সেই মানুষটি দেখতে কেমন হবে । সেই মানুষটির পোষাক কেমন হবে । সে ধরণের পোষাক পরুণ । এটা সঙ্কীর্ণতা নয় , আত্মম্ভরিতাও নয় । এতা হচ্ছে নিজেকে বদলে দেওয়া , নিজের স্বপ্নের মানুষটিতে রুপ নেওয়া । এমনকি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন আদিবাসী গোত্রও জানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে , নতুন পরিবেশে , নতুন দায়িত্বে মানুষের নতুন ধরণের সাজ - সজ্জা গুরুত্মপূর্ণ ।
লেখক বলেছেন : মিস্ত্রী শুধু রঙই করেনা গল্প করেও সময় কাটায় । একদম নির্ভাবনা ভাবনাহীন মিস্ত্রী ।
প্রজন্ম ফোরাম » দৈনন্দিন » সংবাদ বিশ্লেষন » মশা মারতে মশা !
যে কোন একটা প্রিপেইড সিম কিনে ৩ মাস ইউজ করার পর রিকোয়েস্ট করে নাম্বার পরিবর্তন করে দিবে । তার জন্য লাগবে ২০০ টাকা । সেদিন দেখলাম এই রেট ১৫০ টাকা করে ফেলেছে । তবে এসব কাজ করতে গেলে কাস্টমার ম্যানেজার খুব ভাব মারে । " করা যাবে না " । " আপনি রিকোয়েস্ট করে যান পড়ে জানানো হবে " । " এই কাজটা আমরা এখন করি না " ইত্যাদি ইত্যাদি কথা শোনা যাবে । এমন হলে অন্য বিজনেস সেন্টারে যেয়ে দেখতে পারেন । আমার মতিঝিলের শাখায় কাজ হয় নি । কিন্তু উত্তরা শাখায় ঠিকই কাজ হয়েছে ।
এই ছবি অনেক আগের । এবং সন্দেহ আছে । কোনদিন এরকম বড় বড় করে রিভলবারের নলের উপর মেড ইন অমুক লেখা দেখি নি , লেখাটাও ফুটাশপে কারুকাজ মনে হয় ।
বাংলাদেশে অ্যামেচার রেডিও - এর কার্যক্রম সর্ম্পকে জানা যাবে www . barl . org থেকে । এছাড়াও অ্যামেচার রেডিও সংক্রান্ত আরও তথ্য জানার জন্য খোঁজ নিতে পারেন নিচের সাইটগুলো থেকে
স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণে , বিশেষত উপজেলা গঠনের গুরুত্ব অপরিসীম । আমাদের সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী , ' আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক একাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে । ' অর্থাৎ সাংবিধানিক নির্দেশনা অনুযায়ী , ইউনিয়ন পর্যায়ে নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ , উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ , জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত জেলা পরিষদ এবং নগর পর্যায়ে নির্বাচিত পৌরসভা / সিটি করপোরেশন থাকা বাধ ্যতামূলক । আর সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী প্রশাসন ও সরকারি কর্মচারীদের কার্যক্রম পরিচালনা , জনশৃঙ্খলা রক্ষা , সব সরকারি সেবা বিতরণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন স্থানীয় সরকারের দায়্ত্বি - কর্তব্যের অন্তর্ভূক্ত । তাই উপজেলা নির্বাচনের মাধ্যমে একদিকে যেমন সাংবিধানিক নির্দেশনা পালিত হবে , অন্যদিকে এর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা ( যেমন , আইন - শৃঙ্খলা রক্ষা ) , নাগরিকের সেবা প্রদান ও উন্নয়ন কার্যক্রম জনগণের অংশগ্রহণে ও স্বচ্ছতা - জবাবদিহিতার সঙ্গে পরিচালিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে । নবনির্বাচিত সরকারের দিনবদলের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য যা অপরিহার্য ।
বছর কয়েক আগে ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র দফতরের তত্ত্বাবধানে ফোর্সড ম্যারেজ বা জোর করে বিয়ে দেয়ার ঘটনার বিষয়ে এক গবেষণা চালিয়েছিলেন নাজিয়া খানুম । তাতে তিনি দেখেছেন লুটনের মতো একটি ছোট শহরেই বছরে ৩০০র বেশি এরকম বিয়ের ঘটনা ঘটছে । তাঁর মতে , সারা দেশের পরিসংখ্যান যদি নেয়া হয় , সেই সংখ্যাটি হবে আঁতকে উঠার মতো ।
চবি , ৫ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : নতুন কমিটি ঘোষণার সাথে সাথে ক্যাম্পাসে ডিজিটাল আধিপত্য বিস্তার শুরু করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ( চবি ) ছাত্রলীগ । আর এ ক্ষমতা পাওয়ার সাথে সাথে নানা অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নব - নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেদ । তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ছাত্রলীগ ক্যাডাররা মাদক সেবনের জন্য সাধারণ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
সাহিত্যের তরী ভাসুক , সংস্কৃতির জোয়ার আসুক এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ফরিদগঞ্জ লেখক ফোরামের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে । গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ৩ দিনব্যাপি কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সাহিত্য আড্ডা , গল্প লেখা ও রচনা প্রতিযোগিতা , আবৃত্তি , উপস্থিত কুইজ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা । শুক্রবার বিকেলে ফরিদগঞ্জ এ আর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমএ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি ও চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ হারুনুর রশিদ সাগর । প্রতিষ্ঠার্বার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মশিউর রহমান মিঠুর সভাপ্রধানে ও রাসেল হাসান সুবর্ণের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আবুল কাশেম কণ্ট্রাক্টর , দৈনিক যুগান্তরের ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি ও চাঁদপুর কণ্ঠের ফরিদগঞ্জ ব্যুরো ইনচার্জ প্রবীর চক্রবর্তী , বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন পাটওয়ারী , উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আনিছুজ্জামান , লেখক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কে এম নজরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন । শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন লেখক ফোরামের সভাপতি নূরুল ইসলাম ফরহাদ ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির কুইজ প্রতিযোগিতা কমিটির আহ্বায়ক শামীম হাসান । প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন , জেলার অন্যতম সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন লেখক ফোরাম গ্রামের আনাচে কানাচে পড়ে থাকা ক্ষুদে প্রতিভাবান লেখকদের জড়ো করে নিয়মিত সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে যে কাজ করছে তা অনুকরণীয় । সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন ফরিদগঞ্জ উপজেলা তৈরিতে এবং সাহিত্য চর্চাসহ সংস্কৃতি অঙ্গণে ফরিদগঞ্জ উপজেলা তুলে ধরতে লেখক ফোরাম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বলে রাখবে তিনি আশা প্রকাশ করেন । এর আগে সকালে কুইজসহ অন্যান্য প্রতিযোগতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ মতিন উপস্থিত ছিলেন । - প্রবীর চক্রবর্তী
চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন : টুকুর মনে দুঃখুর শেষ নাই ।
জানা যায় , উপজেলার ভবানন্দপুর গ্রামের আসির উদ্দিনের প্রথম কন্যা হরিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী আসমাউল হুসনার সাথে একই গ্রামের জয়নালের কনিষ্ঠ পুত্র হারুনের বিয়ে ঠিক হয় । আগামী শুক্রবার এ বিয়ের দিন ধার্য্য করা হয় । বিয়ে ঠিক হওয়ায় মেয়ের অভিভাবকরা তাকে স্কুলে যেতে নিষেধ করে । লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার কথা ভেবে আসমাউল হুসনা তার এক সহপাঠীর মাধ্যমে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তাকে অবহিত করে । আজ রোববার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা হারুন - অর - রশিদ , থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির , বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইয়াছিন আলী খান , সহকারি প্রধান শিক্ষক নগেন্দ্র রায় দাস এবং প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ও বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য এমএ রশিদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন । পরে তারা ছেলে - মেয়ের অভিভাবক পক্ষকে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে অবহিত করে বিয়ে বন্ধ করে দেন । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / প্রতিনিধি / ওআর / শাসি / ১৮ . ৫১ ঘ . )
" আমরা আর সিংহের ডাক শুনতে পাই না … গতকাল তারা ৯টি সিংহকে মেরেছে । কারণ বলতে ওই একটাই , তাদের অসুস্থতা । ওরা সংক্রমিত গাধার মাংস খেয়েছিল । এই অসুস্থতাকে সারানো যেত হয়ত … সপ্তাহ দুই আগেই আমরা একটা রক্ত পরীক্ষা করি … আমি অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছি । এখন সময় সরে যাওয়ার এবং এই জায়গা ছেড়ে চলে যাবার । "
মকবুল ফিদা হুসেন ভারতের তথা বিশ্বের একজন কালজয়ী চিত্রশিল্পী । তার শিল্পকর্ম কালকে জয় করলেও কালের অমোঘ নিয়মেই ৯ জুন লন্ডনে তার জীবনের ইতি ঘটেছে ৯৫ বছর বয়সে । মকবুল ফিদার চিত্রকর্ম ছিলো বিশ্বব্যাপী সমাদৃত । ২০০৬ সালে মকবুল ফিদা ভারত ছেড়ে লন্ডনে চলে যান । এ সময় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী স্বরস্বতীর বিবসন চিত্র আঁকার কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা হয় । এমনকি তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় । ওইসময় ভারতের উগ্রবাদী দলগুলো তার চিত্রকর্মগুলো নির্বিচারে ধ্বংস করে দেয় । তার বিরুদ্ধে আদালতেও মামলা হয় । ২০০৬ সালে দেশ ছাড়েন মকবুল ফিদা । ২০১০ সালে কাতারের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন তিনি । তখন থেকে দুবাই ও লন্ডনে ছিলেন এ চিত্রশিল্পী । ১৯১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশশাসিত ভারতে তৎকালীন বোম্বে প্রেসিডেন্সি এলাকার পান্ধারপুরে জন্ম নেওয়া শিশুটি হয়েছিলেন ভারতের আধুনিক শিল্পকলার সেরা শিল্পী । হয়েছিলেন ভারতের সবচে দামি শিল্পী । এই স্বশিক্ষিত শিল্পী তার যৌবনের শুরুতে জীবনের চাহিদা মিটিয়ে ছিলেন বোম্বের সিনেমার পোস্টার এঁকে । ধীরে হলেও ক্রমাগতভাবে তিনি সাফল্যের শীর্ষে উঠতে লাগলেন । এক পর্যায়ে তিনি সারা ভারতের সবচেয়ে দামি শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে যান । ফিদা শুধু চিত্রকর্মের মধ্যেই তার কাজ সীমাবদ্ধ রাখলেন না । শিল্পী হিসেবে ভারত সরকারের কাছ থেকে তিনি পেয়েছিলেন বড় বড় পুরস্কার । ১৯৫৫ সালেই পেয়ে যান ' পদ্মশ্রী ' । সরকারি স্বীকৃতির সিঁড়ি বেয়ে তিনি আরেক ধাপ উঠে আসেন ১৯৭৩ সালে । লাভ করেন ' পদ্মভূষণ ' । ১৯৯১ সালে তিনি উঠে আসেন আরো এক ধাপ । এবার তাকে সম্মানিত করা হয় ' পদ্মবিভূষণ ' দিয়ে । মকবুল ফিদা হুসেনের অসংখ্য চিত্রকলার ভেতর উল্লেখযোগ্য হলো ' বিটুইন দ্য স্পাইডার অ্যান্ড দ্য ল্যাম্প ' , ' বীণা প্লেয়ার ' , ' গনেশ ' , ' মাদার তেরেসা ' , ' মাদার ইন্ডিয়া ' , ' দ্য ওরামা ' ইত্যাদি । এগুলোর মধ্যে ১৯৫৬ সালে আঁকা ' বিটুইন দ্য স্পাইডার অ্যান্ড দ্য ল্যাম্প ' চিত্রকর্মটি মকবুলের বেশি প্রিয় । তিনি বলেন , ' এই ছবিটিতে পাঁচজন নারী কথা বলছে । একটা রহস্য আছে এতে , কী বলছে তারা । ভয় আছে তাদের চোখে । সব মিলিয়ে ছবিটি আমাকে খুব মুগ্ধ করে । ' ' আমি ভারতীয় সংস্কৃতির নির্যাসটাকেই ক্যানভাসে তুলে ধরি , ' এমন মন্তব্য করেছিলেন যে শিল্পী , ভারতের মাটিই তার শেষ আশ্রয় হবে কি ? সূত্র : বিভিন্ন ওয়েবসাইট
পূর্ণেন্দু পত্রীর জন্ম বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার নাকোলে । পিতা পুলিনবিহারী পত্রী , মা নির্মলা দেবী । ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পারিবারিক কলহের কারণে পৈত্রিক ভিটে ছেড়ে চলে আসেন কলকাতায় । ১৯৪৯ সালে ইন্ডিয়ান আর্ট কলেজে ভর্তি হন বাণিজ্যিক শিল্পকলা বা কমর্শিয়াল আর্টের ছাত্র হিসেবে । যদিও নানা কারণে এই পাঠক্রম শেষ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি । ছেলেবেলায় বাগনানের বিশিষ্ট কমিউনিস্ট নেতা অমল গাঙ্গুলির সংস্পর্শে এসে কমিউনিস্ট পার্টির নানান সাংস্কৃতিক কাজকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন । কলকাতায় অভিভাবক কাকা নিকুঞ্জবিহারী পত্রীর চলচ্চিত্র পত্রিকা চিত্রিতা ও সাহিত্যপত্র দীপালি - তে তাঁর আঁকা ও লেখার সূচনা হয় । পঞ্চাশের দশকের শুরুতে কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় সদস্য হয়ে পড়লে রাজনীতি ও সাহিত্যচর্চা উভয়েই একসঙ্গে চালাতে থাকেন ।
ঢাকা , ২৬ জুন : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিল্পকলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নাহিদা আখতারকে অপসারণের দাবি উঠেছে । রোববার সকালে শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় অফিসে তালা লাগিয়ে দিয়েছেন । পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছেও স্মারকলিপি দেন ।
লেখক বলেছেন : জিম্প ব্যবহার করিনি । ব্যবহার করে জানাব । ধন্যবাদ ।
১১৮ বার পঠিত | ২৬ টি মন্তব্য | রেটিং + ৬ / - ০ | বাকিটুকু পড়ুন |
২১ ফেব্রুয়ারি গুলিবর্ষণের ঘটনার পর , একুশ নিয়ে প্রথম গান লেখেন আবদুল গাফফার চৌধুরী । গানটি হল , আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি , আমি কি ভুলিতে পারি । প্রথমে আবদুল লতিফ সুর দেন । পরে করাচী থেকে ঢাকা ফিরে ১৯৫৪ সালে আলতাফ মাহমুদ আবার নতুন সুর দিলেন । সেই থেকে ওটা হয়ে গেল একুশের প্রভাত ফেরীর গান । ১৯৫৪ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত একুশে সংকলনে প্রকাশিত গানটি । তৎকালীন সরকার সংকলনটি বাজেয়াপ্ত করে । জহির রায়হান তার জীবন থেকে নেয়া ছবিতে এই গানটি ব্যবহার করার পর এর জনপ্রিয়তা আরো বাড়ে । ২১শে ফেব্র " য়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাবার পর এই গানটিও আন্তর্জাতিকতা পেতে শুরু করে । ইতিমধ্যে সুইডিশ ও জাপানি ভাষার অনুদিত হয়েছে । [ ৩৭ ]
৭ডিতে এইচডিতে রেকর্ড করতে পারে ৬০fps এ । যদি SD হাইস্পিড ক্যাপাবালিটি থাকতো তাহলে নির্ঘাত ( ২৪০ * ২৪০ ) ৪৮০fps এ রেকর্ড করতে পারতো । কারণ , ঐটাতে ডুয়াল ডিজিক৪ প্রসেসর আছে ।
সাজিদ বলেছেন : আশরাফুলকে রেখে আমার মনে হয় সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে । আশরাফুল বর্তমানে আমজনতার প্রিয় খেলোয়াড় নয় । বরং বিশেষগ্গদের প্রিয় । বাংলাদেশের সব সাবেক অধিনায়কই আশরাফুলকে চেয়েছেন তাদের টিমে । তবে মাশরাফি আর অলোক দুজনকেই রাখা উচিৎ ছিল দলে । মাশরাফি এখনও বাংলাদেশের সেরা ফাস্ট বোলার ( এটলিস্ট নতুন বলে ) । তাছাড়া ওর ব্যাটিংও ভাল বাকিদের চেয়ে । রুবেল হোসেনও নাকি ট্রেনিং শুরু হওয়ার পর থেকে কোমরের ইনজুরীতে পরে এক ওভারও বল করেনি তাকে কেন টিমে রাখা হলো । মাশরাফিকে টিমে রেখে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলিয়ে দেখা যেত অথবা কয়েকটি ম্যাচ হয়ত মিস করতো । যে কোন বিবেচনাতেই তাকে টিমে রাখা উচিৎ ছিল । অলোককে টিমে না রাখার পিছনে বলা হচ্ছে সে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি । অলোক হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে হতভাগ্য খেলোয়াড়দের একজন । প্রথম যখন শ্রিলংকা টুরে কারও ( সম্ভবত দুর্জয় ) রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে টিমে আসলো প্রথম আলোতে বললো মোহামেডানে খেলে বলে বিএনপি সরকার তাকে দলে এনেছে । তারপর শ্রিলংকাতে হ্যাট্রিক করার পর তকে নিয়ে আবার উল্টা কাজ । অলোক ব্যাটিং বা বোলিং দিয়ে নাইম ইসমালের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে । সেটা সে যেসব জায়গায় সুযোগ পেয়েছে প্রমান করেছে । তাকে অবশ্যই টিমে রাখা উচিৎ ছিল ।
একবার স্বর্গের দেবতারা আর নরকের শয়তানেরা মিলে ক্রিকেট খেলবে বলে ঠিক করল । স্বর্গের দেবতারা খেলায় জিত নিয়ে খুবই আত্মবিশ্বাসী , কারণ সব ভালো ভালো ক্রিকেটাররা স্বর্গে তাদের সঙ্গেই আছেন । কিন্তু শয়তানদের এই নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত দেখা গেল না । তাদের নিশ্চিন্ত ভাবভঙ্গি দেখে এক দেবতা এক শয়তানকে ডেকে বলল , কী ব্যাপার , ভালো ভালো ব্যাটসম্যান তো সব আমাদের এখানে , কিন্তু তোমাদেরকে বিশেষ চিন্তিত মনে হচ্ছে না ! শয়তান সঙ্গে সঙ্গে দাঁত বের করে শয়তানি হাসি দিয়ে বলল , তোমাদের যতই ব্যাটসম্যান থাকুক , আম্পায়ারগুলো তো সব আমাদের এখানে !
বাংলাদেশে নেপালের জনযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি বিরাজ বিস্তারিত >
সহিংসতা : মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের তথ্য অনুযায়ী গত ১১ মাসে সারাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় ১৭০ জন নিহত এবং প্রায় ১২ হাজার আহত হয়েছেন । আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে ৩৩ জন নিহত ; অন্যদিকে বিএনপির সঙ্গে সংঘাতে ৮ জন নিহত হয়েছে । এছাড়াও পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারী পদে নিয়োগ পরীক্ষায় স্থানীয় যুবলীগ ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলার পাশাপাশি সারাদেশে সরকার সমর্থিত লোকদের সহিংসতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অধিকারের রিপোর্টে বলা হয় , এতে প্রশাসনের কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে আসবে । ১১ অক্টোবর সিরাজগঞ্জে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সভাস্থলে ট্রেনে কাটা পড়ে পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয় । যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়কের মুলিবাড়ী রেলওয়ে ক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনায় আহত হয় প্রায় অর্ধশতাধিক । নিহতরা বিএনপির কর্মী ও সমর্থক । এ ঘটনায় র্যাব , পুলিশ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষও হয় । পুলিশ মিছিলে গুলি ছোড়ে । বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রেনটিতে অগ্নিসংযোগ করে । ট্রেনে কাটা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে । এ ঘটনাকে বিএনপি পরিকল্পিত বলে অভিযোগ করেছে । নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেনা আবাসন প্রকল্পের নাম করে কম দামে জমি কেনা ও জমি দখল নিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে সেনা , পুলিশ ও র্যাবের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় মোস্তফা জামাল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় । বছরের প্রথম দিকে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র আবু বকর খুন হয় ।
আজেক আপনার সাইটা একটু ঘুেড় ফিরে দেখলাম । ভালোই লেগেছ । আমি যদিও কবিতা অনেক কম পড়ি . . . তবে আপনার লেখা পড়ে হয় তো জাপান সম্পর্েক আরো অনেক কিছু জানতে পারেবা . . . আর আপনাকে আিম আ্যাড করলাম . . . সময় পেলে এসে দেথ যাবো . . . ভালো থাকবেন । ধন্যবাদ
শরিয়ত ২ . আল্লাহ জীব - জন ' জাতিয় এমন কিছু যা ৭ম আসমানের উর্দ্ধে বাস করেন । আল্লাহকে দেখা / পাওয়া যায় । ৭ম আসমানের উর্দ্ধে বরই বাগান ( ছেদ্রাতুল মোন্তাহার ) তার উর্দ্ধে আল্লাহ আরশ ; মতান্তরে তদোর্ধে ৮টি পাঠার পিঠে আল্লাহর আরশ ইত্যাদি ।
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলায় কেন্দ্রীয় ঘোষণা অনুযায়ী বিরোধী দলের ডাকা হরতালে বিএনপির কোন নেতাকর্মীকে মাঠে দেখা যায়নি । অজানা আশংঙ্কা আর স্থানীয় আওয়ামীলীগের আতঙ্কে রাস্তায় সকাল থেকে কোন যান চলাচল না করলেও দুপুর নাগাদ কিছু ট্রলি ও মাইক্রোবাস চলতে দেখা গেছে । . . . ( পুরো সংবাদ )
অনুমতির জন্যে দেখা করার দরকার হয়না । ইমেইলেও অনুমতি নেয়া যায় । আর কপিরাইটের জন্যে পাব্লিশারের কাছ থেকেও অনুমতি নেয়া যায় । ব্যপারটা যে অসাধ্য তাও নয় । আর কোথায় যেন পড়েছিলাম তানভীরুল পারমিশনের জন্যে ইমেইল দিয়েছিল । অতএব অনুমতি নেয়ার প্রসেসের শেষ অবস্থা কী তা জানা যায় না । - ইমেইল অনুমতির কপি তানভীরুলের কাছে নেই । আর ব্যাপারটি তানভীরুলের জন্য সাধ্য বলে আমি মনে করিনা , কেননা স্টিফেন হকিংয়ের মত লেখকের বই একটি অচেনা অখ্যাত ছেলে অনুবাদ করবে , সেটি স্টিফেন হকিং বা তার পাবলিশার্স বা অন্য কোন বিচক্ষণ পাবলিশার্স অনুমোদন দেবেন না । আর ইমেইল দিলেই হবেনা , ইমেইলে অনুমতির প্রমাণও দিতে হবে । - আইনস্টাইন আর তানভীরুল এক ব্যক্তি নয় , সুকান্ত আর তানভীরুল এক ব্যক্তি নয় , আইন্সটাইন , সুকান্ত , মোজার্ট কাউকে অনুকরণ করেননি , তারা মৌলিক কিছু করে দেখিয়েছিলেন , তানভীরুল মৌলিকতার কিছুই করে দেখাতে পারেননি , অনুমতি না নিয়েই পরের লেখা অনুবাদ করেছেন , এটি এক ধরনের চৌর্যবৃত্তি । - আপনি যদি নামকরা কেউ হন , তবে আপনার কথা ১০ জন মানুষ শুনবে , আপনি অখ্যাত কেউ হলে কিন্তু প্রথমেই সেটি শুনতে চাইবে না । একটি জনসভায় আপনি গেলেন , আপনি যদি বুদ্ধিজীবী হন , তো রাস্তার মানুষ আপনার জন্য রাস্তা সাথে সাথে ছেড়ে দেবে , কিন্তু সাধারণ কেউ হয়ে গায়েও করবে না ! তানভীরুলকে কেউ চেনেনা , তাই তাকে অনুবাদ করার অনুমতি কেউই দেবেনা । তানভীরুলের এ ব্যাপারে অভিজ্ঞতা থাকলে , তানভীরুল নামকরা ব্যক্তি হলে তখন সেই অনুমতি টা পেতে পারতেন , নাও পারতেন । তাই এটি কোন কনজেকচারই নয় । - কনজেকচার বলতে সম্পাদক যেটি বুঝাতে চেয়েছেন , সেটি হলো , সমকামিতার বিষয়টি , এটি নয় । তবে সবক্ষেত্রে সুস্পষ্ট প্রমাণ লাগেনা , ব্যক্তির কার্যক্রম থেকেই বোঝা যায় , ব্যক্তি সমকামী কিনা যেটি অচীরেই অজস্র তথ্য এবং ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রমাণ করা হবে । ধন্যবাদ ।
তৃতীয় খলিফার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের শ্লোগান ছিল সম্পূর্ণরূপে গণপ্রতারণামূলক একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার । এমনকি কোন ভুল বোঝা বুঝির এখানে অবকাশ নেই । [ 21 ]
পোষ্ট করেছেন : ৯ টি মন্তব্য করেছেন : ৭২ টি ব্লগ লিখছেন ০ বছর ৬ মাস ৯ দিন ব্লগটি দেখা হয়েছে : ৬৬১ বার
এই ধরনের কথাবার্তায় আমি আসলে কোনো যুক্তি দেখিনা । আমার ধারণা এটা অপ্রয়োজনীয় এবং অতিরিক্ত আবেগ । একটা সুস্থ্য জীবনের জন্যে চিত্ত - বিনোদন খুবই দরকারী । আমরা যদি যারা টাকার অভাবে বিনোদন করতে পারছেনা তাদের কথা ভেবে আমাদের নিজেদের বিনোদন করা থেকে বিরত থাকি তাহলে আমাদের কর্মক্ষমতা এবং সৃষ্টিশীলতা কমে যাবে , এবং আমরাও দেশের অর্থনৈতিক অবনতিতে ভুমিকা রাখা শুরু করবো । দেশের দারিদ্য সীমার নিচের মানুষের সংখ্যা তখন আরো বেড়ে যাবে । এইটা একটা নেগেটিভ ফিডব্যাক লুপ । একজন দূর্বল মানুষ আরেকজন দূর্বল মানুষকে সাহায্য করতে পারেনা । অন্যকে সাহায্য করতে হলে আগে নিজেকে শক্ত হতে হবে । আর আমার ধারণা যারা মানুষকে এইসব অনুষ্ঠানে যেতে নিষেধ করে তাদের অনেকেই সুযোগ পেলে সেখানে যেতো এবং তারা নিজেরা ব্যক্তিগত জীবনে খুব বেশি উপকারী মানুষ হয় না ।
ব্রিটিশ সেই স্যারের নাম ছিল সামিউল চৌধুরী , বাঙালি । নটরডেম - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে ইউকে - তে চলে গিয়েছিলেন , পরে সেখানেই থিতু হয়েছেন । বছরখানেক আগে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাথে যুক্ত হয়ে আবার বাংলাদেশে এসেছেন । এখন উনার অফিশিয়াল নাম স্যাম চৌধুরী , স্বাক্ষরও করেন তাই ।
প্রতিযোগির নাম মোশাররফ ইয়াফি । আর এ অনুষ্ঠানে তৃ্তীয় স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশর এক মেয়ে . . . ফারজানা সাগীর শশী ।
ভাবছিলাম কি লিখব , । শব্দ গুলো এলমেলো হয়ে ছড়িয়ে আছে । সাজাতে গিয়ে আমি হিমশীম । আমার দিনলিপি লেখার অভ্যাস আছে । তবে তা খুবই সোজাসাপ্টা ভাষায় । কোন কাবি্য ঢঙে নয় । বছরের পর বছর জমে ওঠা দিনলিপি গুলো দেখলে বেশ পুলকিত বোধ করি ।
একথা শুনে স্তিমিত হয়ে যাওয়া হৈ হৈ আবার চড়ে উঠলো । নিরুপায় অহনা জানালো সে সবার সাথে তাল মিলিয়ে হয়তো নাচতে পারবে না । সে কখনো নাচ শিখেনি , জানে না নাচতে । পার্টিতে এলোমেলো নাচা আর রবীন্দ্র নৃত্যতো এক কথা নয় । তখন একজন উঠে দাড়ালো , " রাঙিয়ে দিয়ে যাওগো এবার যাবার আগে " গানটি বাজানো হলো স্টিরিওতে আর অহনাকে বলা হলো তাকে অনুসরন করতে । নগদ নগদ পরীক্ষা হয়ে যাক সে পারে কি না । দেখা গেলো দেখে দেখে অহনা ভালোই তুলছে । ব্যস , সাব্যস্ত হয়ে গেলো শাপমোচনের কমলিকার সখীদের চরিত্রের একজন সে । এবার রাজপুত্রের সখাদের পালা । তখন স্ত্রী ' র নাচের প্রতি অতি উৎসাহের দন্ড হিসেবে অর্নকেও সখাদের চরিত্র দেয়া হলো । প্রত্যেক উইকএন্ডে এর বাড়ি তার বাড়ি ঘুরে ঘুরে রিহার্সেল হতে লাগলো , সাথে আড্ডা আর খাওয়া দাওয়া । অর্ন আর অহনাকে আড্ডার নেশায় পেয়ে বসলো । সেসাথে সিনেমার ক্যসেট , গানের সিডি , বইয়ের আদান প্রদান ও হতো অনেক । বেশির ভাগ অহনাই নিতো , তারই সর্বগ্রাসী জানার ক্ষুধা , অর্নের এতো সময় নেই । অন্যপক্ষের থেকে বাংলাদেশি লেখকদের বইপত্র কিংবা গানের প্রতি আগ্রহ তেমন ছিল না । এরসাথে একটি ইতিবাচক জিনিস চলে এলো অহনার জীবনে । একাকীত্ব তার আর তেমন খারাপ লাগে না । বই , সিনেমা কিংবা নাচে নিবিষ্টভাবে নিজেকে ঢেলে দেয়ার জন্যে মনে হয় একাকীত্বই বেশি জরুরী । একাকীত্বের সাথে সারা জীবনের সখ্যতার সেই হলো শুরু । আস্তে আস্তে অনুষ্ঠানের দিন এগিয়ে এলো । চুড়ান্ত নার্ভাসনেস আর উত্তেজনা উৎকন্ঠার মধ্যে দিয়ে অহনা তার সখী চরিত্র চরিত্রায়ন করলো । পুরো নৃত্যনাট্যটি ভিডিও করা হয়েছিল । অনুষ্ঠানের শেষে সবাই একসাথে বসে ভিডিও দেখলো । অবাক হয়ে অহনা উপলব্ধি করল , তার এই নার্ভাসনেসের কিছুই ভিডিওতে আসেনি বরং সে বেশ ভালোই করেছে । নিজের পার্ফমেন্সে নিজেই মুগ্ধ হয়ে গেলো সে । অন্যদের কাছ থেকেও অনেক বাহবা পেলো ।
সোর্সফোর্জের অন্য কোন মিরর সিলেক্ট করে ডাউনলোড করুন , ডিফল্ট মিররে নয় । তাহলেই হবে । সোর্সফোর্জের ডিফল্ট মিরর ব্যবহার করে মনে হয় কোন কিছুই ডাউনলোড করা যায় না ।
রেজিস্ট্রেশন করলাম । আসলে বিভিন্ন ব্লগে রেগুলারিটি মেইনটেইন করা আমার জন্য সহজ হবেনা । ব্যাক্তিগত বহুবিধ ব্যস্ততা ইত্যাদি অন্তরায় হবে । এছাড়া এখানে সরাসরি বাংলায় লেখার পন্থা দেখতে পাচ্ছিনা । তথাপি রেজিস্ট্রেশন করলাম । দেখি কতদূর নিয়ে যেতে পারি । শুভেচ্ছা সবাইকে ।
ডিউরডান্ট শিমুল বলেছেন : আমি ভাবি , এভাবে চলতে থাকলে আমাদের মা - বোনদের দেখে রাখবে কে ! ! ! সত্যি তারা নিজেরাও জানেনা কিরকম নিরাপত্তাহিনতায় চলে যাচ্ছে ।
- এটি একটি ধর্মভিত্তিক বিশ্বাসীদের সুস্থ্যচিন্তার সত্যসন্ধানীদের ব্লগ , রাজনৈতিক কোন পোস্ট গ্রহণ / প্রদান করা হবে না ;
২ . হুমায়ুন আজাদ বিচিত্রাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে , " দেবী শব্দটি দাসীরই সুভাষন । ইসলাম ধর্মে কোন নারী পয়গম্বর রাখা হয়নি তাতে আমি খুশি হয়েছি । হলে , পুরুষাঙ্গের শক্তিমত্তা আরো বৃদ্ধি পেতো । "
মৌচাকে তারা নিজেদের থাকার জন্য এবং মধু রাখার জন্য অনেকগুলো খোপ তৈরি করে । প্রতিটি খোপ একই মাপের এবং ষড়ভুজ আকৃতির যা তারা অত্যন্ত নিপুণতা ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তৈরি করে । একই মৌচাকে ৩০ , ০০০ মৌমাছি এক সাথে বাস করতে পারে । মৌচাকের খোপগুলোর দেয়াল অত্যন্ত পাতলা কিন্তু শক্ত এবং প্রতিটি খোপের প্রতিটি দেয়াল অন্য খোপের দেয়ালের সাথে লাগানো থাকে । এতে খুব অল্প মোম দিয়ে অনেক বেশি কাজ করা যায় । শ্রমিক - মৌমাছিরা বিভিন্ন ফুল থেকে পরাগরেণু ও রস সংগ্রহ করে । পরাগরেণু মৌমাছিরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে এবং রস মৌচাকের নির্দিষ্ট খোপে রাখে । এ রসই পরে মধুতে রূপান্তরিত হয় ।
রুনার আরেক বোন সাকিনা আক্তার রত্না জানান , কিসের ঈদ জানি না । এই পৃথিবীতেতো আমাদের কেউ নেই । নতুন মাকে পেয়েছি কিন্তু তারও সঙ্গে দেখা বা কথা বলতে পারছি না । পেটে না নিলেও তিনিই আমাদের জন্মদাতা মা । মায়ের জন্য কিছু গিফট দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল । কিন্তু মায়ের অনুমতি পাচ্ছি না । কতদিন ধরেই মায়ের মুখ দেখছি না । শুধু টেলিভিশন ও পত্রিকায় দেখলেই কি মাকে বুঝা যাবে । আপনাদের মাধ্যমে মাকে বলতে চাই , আমাদের কেউ নেই । আপনিই আমাদের শেষ ভরসা । মায়ের জন্য কিছু কিনতে না পারলে নিজেদের জন্য কিছু কিনবো না । আল্লাহর রহমতে ভালো ভাবেই সংসার কাটছে ।
লেখক বলেছেন : আপনার এই মন্তব্যটির সাথে নিচের বক্তব্য মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করছি । এই আলোচনায় আপনার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন আলোচনাকে গতি দিয়েছে । কিন্তু কেন যেন মনে হচ্ছে কোথাও একটা একাডেমিক প্রপাগান্ডার মত বিষয়এসে যাচ্ছে । ধন্যবাদ ।
বিভিন্ন সময়ে প্রণীত আইনের ব্যাখ্যা নাগরিকত্বের সংজ্ঞা বিভিন্ন হতে দেখা যায় । সর্বোপরি বিদেশি সম্বন্ধীয় দেশের মূল যে আইন অর্থাৎ Foreigners Act , 1946 এবং এর আওতাধীন ১৯৬৪ Order - এর ব্যতিক্রমী কোনও আইন অন্তত একই বিষয়ে থাকতে পারে না , এমন অভিমত প্রকাশ করেই সুপ্রিমকোর্ট IMDT Act ও Rules বাতিল করেন । একই সঙ্গে মহামান্য সুপ্রিমকোর্ট অসম চুক্তি অনুসারে বিদেশি শনাক্তকরণ ও বিতাড়ন প্রক্রিয়া জনিত IMDT - এর অধীনস্থ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলাগুলি মূল Foreigners Act ও Rules মতে বিদেশি ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত করার ও চলার নির্দেশ দেন । এতে স্পষ্ট হয়ে যায় যে Assam Accord - এ IMDT সংক্রান্ত চুক্তি আইনত নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলেও অপরাপর চুক্তির গায়ে কোনও আঁচ লাগেনি । তা হলে প্রশ্ন উঠে যে ১৯৫০ সালের Immigrants ( Expulsion from Assam ) Act যা আজও নিষিদ্ধ হয়নি এবং যেখানে দেশবিভাগের ফলে , সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও প্রাণের ভয়ে যারা সর্বস্ব পাকিস্তানে ফেলে এদেশে চলে এসেছে তাদের প্রতি এই আইন প্রযোজ্য হবে না বলে যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে তার প্রাসঙ্গিকতা কতটুকু । এ ব্যাপারে আমরা অসম চুক্তির প্রেক্ষাপট যদি যাচাই করি তা হলে দেখতে পাই যে আসুর ( সারা অসম ছাত্র সংস্থা ) মূল দাবি ছিল ১৯৬৬ - কে ভিত্তি বছর ধরে হিসেবে ধরা । কিন্তু বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ বা স্বাধীনতা আন্দোলন হয় ১৯৭১ সালে । তাই ১৯৭১ সালে বা এর কিছু আগে বা পরে অসমে উদ্বাস্তুদের অনুপ্রবেশ সমস্যা এবং Immigrants ( Expulsion from Assam ) Act 1950 এর আইনকে মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৭১ - কে ভিত্তি বছর হিসেবে নিতে রাজি হয় এবং চুক্তিমূলে ০১ - ০১ - ১৯৬৬ থেকে ২৪ - ০৩ - ১৯৭১ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে অসমে আসা ব্যক্তিদের ১০ বছর ভোটাধিকার কেড়ে নিলেও পুনঃভোটাধিকার প্রদান ও দেশ থেকে তাদের বিতাড়ন না করার ব্যাপারে উভয়েই একমত হয় । দেশবিভাগ জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতির বিপাকে নাগরিকত্ব সম্পর্কে সংজ্ঞা পরিবর্তন একদিকে যেমন হয় আইনের মাধ্যমে , অপরদিকে হয় আন্দোলন ও চুক্তির মাধ্যমে এবং এর জাঁতাকলে নাগরিকরা সততই পিষ্ট হয়ে আসছেন । গৌহাটি হাইকোর্টের বিচারপতি বিকে শর্মার ২১ - ০৪ - ২০১১ তারিখের রায়ের পূর্বে মুখ্য বিচারপতি জে চেলামেশ্বর এবং বিচারপতি আই এ আনসারিকে নিয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চের ০১ - ০২ - ২০১০ তারিখের রায় এখানে প্রাসঙ্গিক , কারণ IMDT বাতিল হহওয়ার পর Foreigners Act এবং Rules এর নীতি - নিয়ম বিচারপদ্ধতি প্রভৃতি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করে অভিযোগ , অভিযোগকারী , অভিযুক্তদের ট্রাইব্যুনালে এদের অবস্থান এবং ক্ষমতা , দায়িত্ব , অধিকার প্রভৃতি সম্পর্কে এক সুচিন্তিত রায় দিয়েছে ওই ডিভিশন বেঞ্চ । এর সারাংশ নিম্নে তুলে ধরা হল । ১ ) Foreigners Act বা ১৯৬৪ Order কোনটাই দেওয়ানি আদালতের এক্তিয়ার নিষিদ্ধ করেনি । দেওয়ানি আদালত কোনও ব্যক্তি ভারতীয় কিনা বা তার আইনগত অবস্থান বিচার করতে পারে এবং তা ঘোষণা করতে পারে । ২ ) Foreigners Tribunal কেবল কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা রুজু করতে পারবে । ৩ ) অভিযোগপত্রে বহিষ্কারের কারণ অবশ্যই থাকতে হবে যে কেন অভিযুক্তকে বিদেশি বলা হচ্ছে এবং ট্রাইব্যুনালে নোটিশ পাঠানোর সময় সেই অভিযোগের কপি অভিযুক্তকে অবশ্যই দিতে হবে । ৪ ) অভিযুক্ত ব্যক্তি নোটিশ পেয়ে যদি অভিযোগ খণ্ডনার্থে সাক্ষ্যপ্রমাণ দেওয়ার জন্য এগিয়ে না আসে তবে কেন্দ্রীয় সরকারকে আইনসঙ্গতভাবে উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে তা প্রমাণ করতে হবে । আর যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি সাক্ষ্যপ্রমাণ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে সে ক্ষেত্রে কেন্দ্র সরকারকে আপত্তিজনক তথ্য বা প্রমাণ খণ্ডনার্থে সুযোগ দিতে হবে । অর্থাৎ অভিযোগ দাখিল করলেও অভিযুক্ত এগিয়ে না এলেও এমনি তাকে বিদেশি বলে আখ্যা দেয়া যাবে না । ৫ ) ট্রাইব্যুনাল বা দেওয়ানি আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ ও তথ্যভিত্তিক মতামত দেবে । সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান কেবল অভিযোগকারী মাত্র ।
লেখক বলেছেন : রাগ করিনি বেশী বেশী একটু একটু করেছিলাম ! ! এখন তো বুঝলাম আর একটু একটুও রাগ নেই ! ! ! ! কারণ তাকে আপুনি ডাকা যাবে তাই ।
হিন্দুধর্মের তেত্রিশ কোটি দেবতা ও দেবীদের কাহিনী নিয়ে শুরু করলেন বক্তৃতা এবং পরে জানালেন নিজের জীবনে নাস্তিকতার সূচনার গল্প । সূক্ষ রসবোধ আর সরল , অনাড়ম্বর বর্ণনার কারণে তা টেনে ধরে রাখে সারাক্ষণ ।
মারকারির কম্পিউটারে বিশেষ উপহার ঘোষণা করেছে সোর্সএজ লিমিটেড । এতে রয়েছে ইন্টেল ডুয়াল কোর , এক গিগাবাইট ডিডিআর৩ র্যাম , ৩২০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক ড্রাইভ , ১৫ . ৬ ইঞ্চি মনিটর ইত্যাদি । প্রতিটি কম্পিউটারের সঙ্গে রয়েছে উপহার । তিন বছরের ক্রেতাবান্ধব বিক্রয়োত্তর সেবাসহ দাম ২৬ হাজার ৯৯৯ টাকা । - বিজ্ঞপ্তি
শুধুমাত্র আল্লাহর সৃষ্ট সম্পদের বেলায় কথা আসলে বলা হয় , তা এমনিতেই সৃষ্টি হয়েছে , যার জন্য কোন স্রষ্টার প্রয়োজন নাই ! উপরের বিস্তারিত বর্ণনাগুলোই কি আল্লাহকে দেখতে - চিনতে যথেষ্ট নয় ! তার পরও কি নিজেকে অনেক বড় ও শ্রেষ্টতম ক্ষমতাবান ভাবনেন ! ? নিজেকে সেরা বুদ্ধিমান ভাববেন ! ?
ঠিক সেই মুহুর্তে লন্ডনের স্কুল অব ইকোমিক্সে অনুষ্ঠিত জামাতিদের সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে লন্ডন চলে আসেন ।
বান্দরবান , ২৭ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে রাঙ্গামাটিতে আরেক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা । রোববার রাত ১২টার দিকে বাঘাইছড়ি উপজেলার পাবলাখালী গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে জেএসএস কর্মী কালংকর . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
' দ্য জার্নাল অব বায়োলজিক্যাল কেমিষ্ট্রি ' র অনলাইনে বলা হয়েছে , গবেষণায় দেখা গেছে , ঘুমের যেকোনো ওষুধ কিংবা ভ্যালিয়াম যেভাবে কাজ করে জুঁই অথবা বেলি ফুলের সুগন্ধও এইকভাবে স্নায়ুতে এনে দেয় প্রশান্তি ৷ যা মানুষের চোখে ঘুম নামিয়ে আনতে সাহায্য করে ৷
নিউজডেস্ক , বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম ; চোটের কাছে হার মেনে এই মৌসুমে কোর্টে নামা হয়নি আর্জেন্টাইন টেনিস তারকা হুয়ান মার্টিন দেল পাত্রের । ২০০৯ সালে ইউএস ওপেন জয়ী এই তারকা জানুয়ারিতে সিডনি টেনিস প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কোর্টে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা । কব্জির চোটের জন্য গত অক্টোবর থেকেই কোর্টের বাইরে আছেন ২২ বছর বয়সী পাত্র । এই মৌসুমে কেবল তিনটি ইভেন্টে খেলতে নেমেছিলেন । রজার ফেদেরারকে হারিয়ে ইউএস ওপেন জেতা দেল পাত্র আবারও কোর্টে ঝড় তুলবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রতিযোগিতার আয়োজকরা । বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম / এমএ / এসএকে .
এই পদ্মা এই মেঘনা এই যমুনা , সুরমা নদী তটে আমার রাখাল মন গান গেয়ে যায় এই আমার দেশ এই আমার প্রেম ।
সারাদিন বলেছেন : অনেক সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন । কিন্তু আপনার এই কথাটি মানতে পারছি না । বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক - শিক্ষার্থীদের দাবি , ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সময় যেন বেশি করে ফুল গাছ লাগানো এবং পরিচর্যা করা হয় । ফুল গাছ লাগানোর যুক্তিতে ভি . সি . অনেকগুলো বৃক্ষ নিধন করেছেন । ছাত্ররা এর প্রতিবাদও করেছে । খুব বেশীদিন আগে নয় , গতবছর এর ঘটনা এটি । আপনি কি জানতেন না ? ফুল গাছ তো বাগানেও লাগানো যায় । কিন্তু বৃক্ষের প্রয়োজনটাই বেশী এখন ।
বীরপুরুষ বলেছেন : ভালো কিছু পাওয়ার আশায় আপনার মত অনেকেই ফ্লেক্সীর দোকানে হাজার হাজার টাকা বাকী করে সারারাত ধরে মোবাইলে কথা বলছে আর মোবাইল কোম্পানীগুলোর ব্যবসার উন্নতি করছে । তারাই ভাল কিছু পাচ্ছে ।
কিছু শর্ত মানতে হবে - ১ । ধাঁধাঁর উত্তর গোপন বার্তায় দিতে হবে । ২ । পোস্টে উত্তর প্রকাশ করা যাবে না । করলে মাইনাস । ( ধাঁধাঁ প্রদানকারি প্রকাশ করতে পারবে । ) ৩ । ধাঁধাঁর উত্তর গোপন বার্তায় দিয়ে পোস্টে কমেন্ট করে জানাতে হবে কোন কোন ধাঁধাঁর উত্তর দিয়েছেন । ৪ । যে কেউই ধাঁধাঁর পর্ব প্রদান করতে পারবেন । ৫ । এক সাথে একাধিক পর্ব চালো থাকতে পারবে । ৬ । ধাঁধাঁ প্রদানকারি পোস্টে উত্তর প্রকাশ করে দিলেই সেই পর্ব সমাপ্ত হয়ে যাবে । ৭ । ধাঁধাঁরুর ধাঁধাঁ এখানে দেয়া যাবেনা ।
আর স্বাধীনতার সংজ্ঞা যদি হয় … … … . . 1 . নারীর ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা , 2 . ব্যাংক লুটপাট করা , 3 . টেন্ডার বাজি করে , 4 . বাজেটকৃত টাকার 70 % টাকা আত্নসাত করে নিজের আখের গোছানো , 5 . নিরাপত্তা হীন জীবন নিয়ে ঘর থেকে বের হওয়া , এবং নিজের সন্তানটি নিরাপদে স্কুল থেকে বাড়ী ফিরার সময় বখাটেদের দ্বারা ইভটিজিং বা হয়রানী হওয়া অথবা নিখোঁজ হওয়া , 6 . নির্বাচনের আগে ভূরি ভূরি প্রতিশ্রূতি এবং পাশ করার পর নিজের আখের গোছানো , 7 . রিলিফের গম , চাল , টিন ইত্যাদি আত্নসাৎ করা , 8 . খুন করে টাকার বিনিময়ে কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে এসে আবার দ্বিগুন হারে অপকর্ম করা … … . . 9 . প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা ভিক্ষা করে , রিক্সা চালিয়ে অথবা অন্যকোন ভাবে অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করা … … … … … … আর কিছু লোক শুধুই মুক্তিযোদ্ধার নাম ভাঙ্গিয়ে এদেশের সম্পদ লুটে পুটে খাওয়া … 10 . ঘুষ ছাড়া সরকারী অফিসে কোন ধরনের সেবা না পাওয়া , 11 . দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে চাকুরী না পাওয়া , অথবা মোটা অংকের ঘুষ ছাড়া চাকুরী না হওয়া । ইতি … … … . ইত্যাদি … . . ইত্যাদি … . . তবে এরকম স্বাধীনতায় কি লাভ ?
লেখক বলেছেন : আচ্ছা ভুলে গেলাম । কষ্ট করে আবার এসে প্লাস দেবার জন্য অনেক অনেক টেনকু আরিয়ানা । আপনিও ভালো থাকুন ।
কথা : কৃষ্ণ চন্দ্র দে সুর : সমর দাস মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হল বলিদান , লেখা আছে অশ্রুজলে । । কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা , বন্দীশালার ওই শিকল ভাঙ্গা তাঁরা কি ফিরিবে আজ সু - প্রভাতে , যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে । । যাঁরা স্বর্গগত তাঁরা এখনও জানেন স্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভুমি এসো স্বদেশ ব্রতের মহা দীক্ষা লভি সেই মৃত্যুঞ্জয়ীদের চরণ চুমি । যাঁরা জীর্ণ জাতির বুকে জাগালো আশা , মৌন মলিন মুখে জোগালো ভাষা আজি রক্ত কমলে গাঁথা মাল্যখানি বিজয় লক্ষ্মী দেবে তাঁদেরই গলে ।
মুখ খুললেন সাকা , ফাঁস করলেন ষড়যন্ত্রের নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁসছেন বিএনপি - জামাতের আরো ১২ নেতা
" নূরে মুজাসসাম , হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন , আমি বাদ্য যন্ত্র , গান - বাজনা ও মূর্তি , প্রতিকৃতি ও প্রাণীর ছবি নিশ্চিহ্ন করে দিতে প্রেরীত হয়েছি । ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে যে কোন ব্যক্তির মূর্তি , প্রতিকৃতি ও ছবি তৈরী করা হারাম । আর কোন বিধর্মীর মূর্তি , প্রতিকৃতি ও ছবি দিয়ে টাকা বা কয়েন বের করা তো আরো শক্ত হারাম । আশ্চর্যের বিষয় , বাংলাদেশ হলো ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক কি করে কাট্টা ইসলাম ও মুসলমান বিদ্বেষী রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি দিয়ে কয়েন বের করার ঘোষণা দিতে পারে ? " ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে যে কোন ব্যক্তি প্রাণীর মূর্তি , প্রতিকৃতি , ভাস্কর্য , ছবি তৈরী করা বা করানো নাজায়িয ও হারাম । যা অসংখ্যা ছহীহ হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত । যেমন এ প্রসঙ্গে ছহীহ বুখারী শরীফ - এর ২য় জিলদ ৮৮০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে , হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত । নূরে মুজাসসাম , হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন , " নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে ওই ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি সবচেয়ে কঠিন শাস্তি দিবেন যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি তোলে বা আঁকে বা মূর্তি বানায় । " হাদীছ শরীফ - এ আরো উল্লেখ আছে , নূরে মুজাসসাম , হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন , " প্রত্যেক ছবি তুলনে ও তোলানেওয়ালা জাহান্নামী । " ( মুসলিম শরীফ ) হাদীছ শরীফ - এ আরো উল্লেখ আছে , হযরত আবু তালহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত । হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন , " ওই ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না , যে ঘরে প্রাণীর মূর্তি , প্রতিকৃতি , ছবি বা কুকুর থাকে । " ( বুখারী , কিতাবুল লিবাছ , বাবুত তাছাবীর , ২য় জিলদ ৮৮০ পৃষ্ঠা ) আশ্চর্যের বিষয় ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে যেখানে কোন মুসলমানের মূর্তি , প্রতিকৃতি ও ছবি তৈরি করা ও তা টাকা বা কয়েনে দেয়া হারাম । সেখানে একজন বিধর্মীর প্রতিকৃতি কি করে ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশের কয়েনে দেয়া যেতে পারে । রবীন্দ্রনাথ সে তো শুধু বিধর্মী নয় বরং কাট্টা ইসলাম বিদ্বেষী এবং ইসলাম ধর্মের চরম বিরোধিতাকারী ব্যক্তিদের একজন । তার অনেক রচনায় এর বিশেষ প্রমাণ রয়েছে । উদাহরণত উল্লেখ্য , অশ্রুমতী : জ্যোতিরিন্দ্রনাথ নাটকসমগ্র , সাহিত্য সংসদ , কলিকাতা , ২০০২ গ্রন্থে উল্লেখ আছে , রুদ্রচ - প্রকাশের দু ' বছর আগে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ১৮৭৯ তে প্রকাশিত অশ্রুমতী নাটক উৎসর্গ করে অনুজ রবীন্দ্রনাথকে । রবীন্দ্রনাথ তখন প্রথমবারের মতো বিলাতপ্রবাসী । অশ্রুমতী নাটকের বিষয় প্রেম হলেও চরিত্র এসেছে রুদ্রচ - গীতিনাটকের পটভূমির ইতিহাস থেকে । পৃথ্বীরাজ , প্রতাপসিংহ , আকবর , মানসিংহ , সেলিম , অশ্রুমতী প্রমুখ এবং যবনবিদ্বেষ যথারীতি বর্তমান । রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করা এই নাটকের সৈন্যগণ বলছে , ' আজ আমরা যুদ্ধে প্রাণ দেব চিতোরের গৌরব রক্ষা করবো মুসলমান রক্তে আমাদের অসির জ্বলন্ত পিপাসা শান্ত করবো । ' অর্থাৎ এখানে সে মুসলমানের রক্ত পান করে পিপাসা নিবারনের ঘোষণা দিয়েছে । নাঊযুবিল্লাহ ! এছাড়া নাটকসমগ্র : পটকথা , জ্যোতিরিন্দ্রনাথ নাটকসমগ্র , প্রথম খ - , সাহিত্য সংসদ , কলিকাতা ২০০২ গ্রন্থে উল্লেখ আছে , বনবিদ্বেষে সে ঐতিহাসিক আলাউদ্দিন খিলজিকে সরোজিনী নাটকে আল্লাউদ্দিন নামে অভিহিত করে সংলাপে সংলাপে আল্লাউদ্দিন - এর প্রথমাংশ শুধু ' আল্লা ' করে ফেলেছে । সরোজিনী ' আল্লা ' কে বলছে , ' নরাধম ! ওইখানে দাঁড়া , আর এক পাও অগ্রসর হোসনে । ' অর্থাৎ এখানে সে কৌশলে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ' নরাধম ' বলে গালী দিয়েছে । নাঊযুবিল্লাহ ! তাই যদি হয় তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে , শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমান দেশের সরকার কি করে তার প্রতিকৃতি দিয়ে কয়েন বের করার ঘোষণা দিতে পারলো ? বাংলাদেশ শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ । কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হচ্ছে একজন মুসলমান বিদ্বেষী যবন , ম্লেচ্ছ , অস্পৃশ্য হিন্দু মালউনকে এদেশে ' বিশ্বকবি ' র মর্যাদা দেয়া হচ্ছে । সাথে সাথে তার প্রতিকৃতি দিয়ে কয়েন বের করার পরিকল্পনা চলছে । নাউযুবিল্লাহ ! অথচ মালউন রবীন্দ্রনাথ তার বিভিন্ন সাহিত্যকর্মে প্রতিনিয়ত অসংখ্য মুসলমানদেরকে ইহানত করে অসংখ্য কথা লিখে গেছে । তাই বাংলাদেশের ৯৭ ভাগ মুসলমান কস্মিনকালেও এই যবন , ম্লেচ্ছ , অস্পৃশ্য , কাট্টা ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি দিয়ে কয়েন বের করার সিদ্ধান্ত বা পরিকল্পনা মেনে নিবেনা রাজপথে রক্ত দিয়ে হলেও তারা তা প্রতিহত করবে । ইনশাআল্লাহ ! মূলকথা হলো - ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে যে কোন ব্যক্তির মূর্তি , প্রতিকৃতি ও ছবি তৈরী করা হারাম । আর কোন বিধর্মীর মূর্তি , প্রতিকৃতি ও ছবি দিয়ে টাকা বা কয়েন বের করা তো আরো শক্ত হারাম । আশ্চর্যের বিষয় , তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক কি করে কাট্টা ইসলাম ও মুসলমান বিদ্বেষী রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি দিয়ে কয়েন বের করার ঘোষণা দিতে পারে ? তাই " কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোন আইন পাস হবে না " - এ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকারের জন্য ফরয ওয়াজিব হচ্ছে - অতিসত্বর রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি দিয়ে কয়েন বের করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয়া । নচেৎ এ দেশের ৯৭ ভাগ মুসলমান তা কখনোই মেনে নিবেনা । জীবন দিয়ে হলেও তারা তা প্রতিহত করবে । ইনশাআল্লাহ !
যেটা আপনি বুঝতে পারছেননা তা হলো এই দানব আসলে কিছুই জানেনা । এটা একটা আহাম্মক । এটা একটা তোতা পাখি ছাড়া আর কিছু নয় । অতীতে আপনার ব্যর্থতাগুলোর কথা আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া ছাড়া এর আর কনো কাজ নেই । অতীতে আপনার বাবা - মা , শিক্ষক কিংবা অন্য কেউ আপনাকে যখনি বলেছে আপনি কিছু করতে পারবেন না , তখনি এই দানব সেই কথাগুলো জমা করে ফেলেছে । এবং যখনি আপনি নতুন কিছু করতে যাবেন এই দানবটি সেই নেগেটিভ কথাগুলো আপনার দিকে ছুঁড়ে দিবে । আপনাকে পিছিয়ে দেয়াই এর লক্ষ্য ।
- প্রতিভা যেখানে মূল্যায়িত হয় প্রতিভাবান ' রা সেখানেই ছুটে । - শুধু মূল্যায়নেই তৃপ্তি থাকলে প্রতিভার মৃত্যু ঘটে । প্রতিভাব টিকিয়ে রাখতে তাই দুর্গম পথে পাড়ি দেয়া উচিত । - প্রতিভার পৃথিবীতে আত্মগরিমা মিজাইলের মত আক্রমন করে যা না ঠেকালে প্রতিভার ধ্বংসের অনিবার্য । - যার যত প্রতিভা তার তত দায়িত্ব । যারা এই দায়িত্ব পালন করতে চায় না তাদের আসলে [ . . . ]
বিশ্বজুড়ে টিকাদান বা ভ্যাকসিনেশন নাটকীয়ভাবে শিশুমৃত্যুহার কমিয়েছে । গত দু ' দশক আগেও যথাযথভাবে টিকা না দেওয়ার কারণে অনেক শিশু মৃত্যুবরণ করতো । ইপিআই সূত্রে জানা যায় , বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও টিকাদান কর্মসূচি শিশুদের ডিপথেরিয়া , হাম , পোলিও ও ধনুষ্টংকার রোগ নির্মূলের ক্ষেত্রে শতকরা ৯৫ থেকে ৯৮ ভাগ আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে শতভাগ সাফল্য এনে দিয়েছে । এ সম্পর্কে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি ( EPI ) - এর উপ - পরিচালক ডা . এ . কে . এফ মুজিবুর রহমান বলেন , দু ' দশক আগে আমাদের দেশে লাখ লাখ শিশু ডিপথেরিয়া , হুপিং কাশি , পোলিওসহ জন্মের পরপর হাজারো রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হতো । বর্তমান প্রেক্ষিতে এ রোগগুলোর তেমন কোনো অস্তিত্বই নেই । তিনি আরো বলেন , টিকাদানের সবচেয়ে বড় প্রয়োজনীয়তা হলো শিশুদের সুস্থ রাখা এবং আমরা সে বিষয়ে পুরোপুরি সফল হয়েছি ।
কেন এটি সেরা চিকিৎসাঃ প্রচলিত ওষুধ বা ক্রিমের সাহায্যে চিকিৎসার চেয়ে বিভিন্ন ক্লিনিক্যিাল ট্রায়ালে এটি ৩ গুণ বেশি কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে । তবে এর সঙ্গে স্যালিসাইলিক এসিড যোগ করেও চিকিৎসা করা যায় । চার সপ্তাহের চিকিৎসায় রোগীভেদে সর্বমোট আট বা বারটি থেরাপি নিতে হয় । ২৭ % রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায় , ৪ সপ্তাহ পরেই তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে শুরু করেছে । ৫৫ % রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসা শেষ হওয়ার ৭ সপ্তাহের মধ্যে ব্রণ নির্মুল হয়ে যায় । বাকি ১৬ % রোগীর আরোগ্য লাভ করতে ১২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে । এ চিকিৎসায় কোনোও ব্যথা হয় না , রোগীকে হাসপাতালে থাকতে হয় না , কোনো কাটাকাটি বা ত্বক ছেঁড়াছেঁড়ির প্রয়োজন হয় না ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় ধনাঢ্য ব্যক্তি জনকল্যাণ ও আর্তমানবতার সেবায় তাহাদের অর্ধেক সম্পদ দান করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করিয়াছেন । প্রভাবশালী দেশটির ৪০৩ জন বিলিওনিয়ারের মধ্যে ৩০জন বিলিওনিয়ার এরূপ মানবহিতৈষী উদ্যোগে শামিল হইয়াছেন । তাহাদের মৃতু্যর পর তাহাদের এই প্রতিশ্র & # 2497তি বাস্তবায়িত হইবে । অঙ্গীকারকারীদের প্রথম কাতারে আছেন বিশ্বের দ্বিতীয় ও তৃতীয় শীর্ষধনী বিল গেটস ও ওয়ারেন বাফেট । ইহাছাড়া এই তালিকায় রহিয়াছেন নিউইয়র্কের মেয়র মাইকেল বস্নুমবার্গ , মিডিয়া মোগলখ্যাত বেরি ডিলার ও টেড টার্নার , ওরাকলের সহপ্রতিষ্ঠাতা লেরি এলিসন , স্টার ওয়ারস চলচ্চিত্র নির্মাতা জর্জ লুকাস , জ্বালানি সম্রাট টি বোনে পিকেন প্রমুখ । গত জুন মাসে বাফেট , গেটস ও তাহার স্ত্রী মেলিন্ডা যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৭০ - ৮০জন বিলিওনিয়ারের সঙ্গে কথা বলেন । তাহারা প্রচারণার অংশ হিসাবে ' দ্য গিভিং পেস্নজ ' নামক একটি ওয়েবসাইট চালু করেন । ইহার প্রধান লক্ষ্য , মানবকল্যাণের নিমিত্ত অর্থদানে শীর্ষস্থানীয় বিত্তশালীদের অঙ্গীকার গ্রহণ ও উদ্বুদ্ধ করা । কিভাবে অর্থ ব্যয় করা হইবে তাহা সংশিস্নষ্ট ব্যক্তির সম্পূর্ণ এখতিয়ারাধীন । বিশ্ববিখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসাব মতে , ৪০ জন বিলিওনিয়ারের দান করা সম্পদের বর্তমান অর্থমূল্য ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার । সারাবিশ্বে মানবসেবায় বিল গেটস ফাউন্ডেশন যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করিয়া চলিয়াছে । গেটস ও তাহার বন্ধু বাফেটের বর্তমান উদ্যোগটিও প্রশংসনীয় আশাব্যঞ্জক ও কৌতূহল উদ্দীপক । জানা মতে , বিল গেটসের একার সম্পদের পরিমাণ ৫৩ বিলিয়ন বা ৫ হাজার ৩শত কোটি ডলার । ইহা অর্ধেক করিলে দাঁড়ায় প্রায় ২ হাজার ৬শত কোটি ডলার , যাহা বাংলাদেশের বর্তমান বাজেটের চাইতেও বেশি । বাংলাদেশের চলতি অর্থবৎসরে বাজেটের পরিমাণ ১৮ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৮শত কোটি ডলার । অর্থাৎ বিল গেটসের অর্ধেক সম্পদ দ্বারাই আমাদের ১৫ কোটি মানুষের পুরা এক বৎসরের অর্থসংস্থান সম্ভব । অনুরূপভাবে বাফেটের রহিয়াছে ৪৭ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৭শত কোটি ডলার । পৃথিবীতে সম্পদের বৈষম্য কি হারে বাড়িয়াছে তাহাও এ ধরনের হিসাব - কেতাব হইতে সম্যক উপলব্ধি করা যায় । বিশ্বের অধিকাংশ ধনী ব্যক্তিই ব্যবসায়ী এবং তাহাদের প্রধান ব্যবসাখাত হইল টেলিকম , কম্পিউটার সফটওয়ার , পেট্রোকেমিক্যালস , তেল , গ্যাস কিংবা ইস্পাত । অবশ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধনী ব্যক্তিগণ দেশে - বিদেশে প্রকাশ্য - অপ্রকাশ্য নানাভাবে সাহায্য - সহযোগিতা করিয়া চলিয়াছেন । তাহাদের এই ধরনের জনহিতকর কর্মসূচি আরও সুবিন্যস্তভাবে সম্প্রসারিত করা উচিত । বিশেষ করিয়া নিজ দেশ বা এলাকার বাহিরেও এই শুভ উদ্যোগ ছড়াইয়া দেওয়া বাঞ্ছনীয় । বিশ্বের ধনী ব্যক্তিগণ সাধ্যমত দান করার প্রবণতা অব্যাহত রাখিলে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়িয়া তোলা মোটেও অসম্ভব নহে । একজন মানুষের এক জীবনে আসলে কত সম্পদ প্রয়োজন তাহা খুবই অনুপেক্ষণীয় বিষয় । আমরা পত্রিকার খবর হইতে জানিতে পারি , বিশ্বের অধিকাংশ ধনকুবের সাধারণ এবং কেহ আবার একান্ত দীনহীন জীবন যাপনও করিয়া থাকেন । যেমন_ বাফেট পঞ্চাশ বৎসর ধরিয়া একটি সাধারণ বাড়িতে বসবাস করেন , সস্নিমের নাই নিজস্ব বিমান এবং তিনি সাধারণমানের খাবারে ক্ষুণি্ননিবৃত্তি করিতে পারিলেই বাঁচেন , সুইডেনের ধনী ইঙ্গভার ক্যাম্পরাড পাবলিক বাসে চলাফেরা করেন , আইরিশ আমেরিকান চাক ফিনি সাধারণ পোশাক পরেন , এশিয়ার সেরা ধনী মুকেশ আম্বানি নিরামিষভোজী প্রভৃতি । অর্থাৎ ঐশ্বর্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে কাঙালের ন্যায় জীবন যাপনে অভ্যস্ত । প্রকৃতপক্ষে বেশিরভাগ সময় প্রচুর ধন - রত্নে আত্মার প্রশান্তি লাভ হয় না , তাহা বিলাইয়া দেওয়ার মধ্যে পাওয়া যায় ভিন্ন ধরনের সুখানুভূতি । আমেরিকার ধনীগণ যেন তাহারই নজির স্থাপন করিতে চলিয়াছেন ।
জনাব চেয়ারম্যান ও ট্রাইব্যুনালের সদস্যবৃন্দ আপনাদের সামনে দন্ডায়মান এই মানুষটি , যে মানুষটি আদালতে অভিযুক্ত - সেই একই মানুষ এ দেশের মুক্তি ও স্বাধিনতা ছিনিয়ে আনার জন্য রক্ত দিয়েছিল , শরীরের ঘাম ঝরিয়েছিল । এমনকি নিজের কীবন পর্যন্ত পণ করেছিল । এটা আজ ইতিহাসের অধ্যায় । একদিন সেই মানুষটির কর্মকান্ড আর কীর্তির মূল্যায়ন ইতিহাস অতি অবশ্যই করবে । আমার সকল কর্মে , সমস্ত
ইনফো প্লিজ এটি এনসাইক্লোপিডিয়া , বায়োগ্রাফিক্স এবং একটি অনলাইন ডিকশনারি । এতে বায়োগ্রাফি অফ দ্য ডে এবং ত্রিশ হাজার বায়োগ্রাফি অনুসন্ধান করতে পারবেন । এর ওয়েব লিংক হচ্ছেঃ www . infoplease . com
পুরো ইউরোপের প্রত্যেকটি দেশই চরমভাবে ঋণগ্রস্থ । এ ঋণগ্রস্থতা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য তাদের অনেক চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে । ইওরোপের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকারক এমন আরেকটি ঋণ - সংকট ঠেকানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করতে ইওরোপিয় ইউনিয়নের নেতারা বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে এক বৈঠক করছেন । ইওরোপিয় ইউনিয়নের মুদ্রা - ইওরো - ব্যবহার করে ব্যাপক ঘাটতির মুখোমুখি হয় যেসব দেশ , তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে । তবে কোন কোন সদস্য দেশ আশংকা করছে যে ফ্রান্স এবং জার্মানির উদ্যোগে এসব নিয়মকানুন কঠোর করা হলে তার পথ ধরে ইউ চুক্তি পরিবর্তনের প্রশ্ন আসবে । তবে অল্প সময়ের মধ্যে এ পরিস্থিতি কাটিয়ে না উঠতে পারলে ইউরোপের প্রায় সকল দেশেই চরম দারিদ্র্যতায় নিপতিত হবে । তবে বিষেণজ্ঝরা মনে করছেন তাদের এ অবস্থা কাটিয়ে উঠার কোনই সুযোগই নেই ।
নোট : দুটি নন - রেফারেন্স নোডের মধ্যে যদি শুধু ভোল্টেজ সোর্স থাকে তাহলে সেই নোড দুটিতে কার্শহফ ' স কারেন্ট নীতি প্রয়োগ করা যায় না , যেহেতু এই নীতির ক্ষেত্রে ওহমের সূত্র প্রয়োগ করতে হয় ; আর ওহমের সূত্রের ক্ষেত্রে অবশ্যই রোধ থাকতে হবে । ফলে এই ধরণের ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে সুপারনোড ( Supernode ) পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে , অর্থাৎ দুটি নোডকে একটি নোড হিসেবে বিবেচনা করতে হবে । তবে তার আগে সুপারনোড ছাড়াই তিন / চার নোড বিশিষ্ট বেশ কিছু সার্কিট সমাধান করে নোডাল অ্যানালাইসিস সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার করতে হবে ।
অজিত বলেছেন : আমাদের কিন্তু প্রধান পরিচয় আমরা বাংলাদেশী । আপনি দেশের বাইরে গেলে কেউ যদি আপনার পরিচয় জানতে চান তবে প্রথম নিজের নাম তারপরি কিন্তু দেশের নাম বলেন । ভাষার কথা তার অনেক পরে আসে । আপনার বিশ্লেষন ধর্মী লেখাটা ভাল লাগল । আমার মনে হয় আপনার মুল বক্তব্যের সাথে আমিও একমত ।
শুধু কমেন্ট করি বলেছেন : মির্জা ফখরুল হবেন মহাসচিব
ওকে । আই এম ব্যাক । একলা মেঘ কখনো দোকলা থাকতে পারবেনা , এটাই স্বাভাবিক । সো আই এম ব্যাক আমার মন খারাপ নেই - এটা বললে খুব ভুল বলা হবে । কাজেই আমি সেটা বলছিওনা । হ্যা আমার মন খারাপ । বেশ ভালো রকমেরই খারাপ । তাই অফিসে বসে ব্লগ লিখছি । আর ভাবছি - আমার মন ভালো নেই । শেষ কয়েকটা মাস কেমন রোলার কোস্টারের মত ধুমধাম এসে ধুমধাম করে চলে গেলো । আর আমি থমথমে মুখ নিয়ে সে কথাই ভাবছি : ঢ কাল বই মেলা গেলাম । কারণ ভাল্লাগছিলোনা । এবিসি থেকে পাঁচটার সময়ই বেরিয়ে গেলাম । মেলাতে জামান , সামিয়া ছিলো আগে থেকেই । পরে লিংকন এসে ভীড়লো । শুরুতেই বটতলায় দেখা নুপূর ভাবীর সাথে । তারপর একেএকে অনেকের সাথে দেখা হলো । তারেক ভাই , বণিক দা , আশরাফ ভাই , শাতিল আপু , তানভীর ভাই , এক্স ওয়াই জেড , ব্লা ব্লা ব্লা । ও হ্যা , সাড়ে সাতটার দিকে আসলো আন্দালিব ভাই , তানজীলা , আর পৃথা । তারপর আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ কথা বললাম । কিছুক্ষণ এদিক ওদিক ঘুরলাম । ফাঁকে ফাঁকে আমি সামিয়াকে ওয়াও টাইপের সব আইডিয়া দিয়ে কনসালটেন্সী ফী হিসেবে ৩০টাকা কামিয়ে ফেললাম । অবশ্য আসার সময় টাকাটা চেয়ে আনতে ভুলে গেছি । তারেক ভাই একটা বই কিনলো বাংলা একাডেমি থেকে যেটার দাম ছিলো বিশটাকা , আর ১০ টাকা কনসেশনে দাম পড়লো দশটাকা । সেটা শুনে আমি কিছুক্ষন খুব মনযোগ দিয়ে ভেবে হিসেব করে দেখলাম আমার মেলা পর্যন্ত আসতেই খরচ হয়েছে বিশটাকা ।
রেজাউল করিম সুমনের একার পক্ষে সম্ভব নয় সব চোরাদের ধরে ধরে তাদের সাহিত্যকীর্তি পাঠপূর্বক দেখানো , এ এখান থেকে " মেরেছে " , ও ওখান থেকে " মেরেছে " ।
ঢাকা , ৩ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : বাংলাদেশ ব্যাংকের দৃঢ় অবস্থানের কারণেই বিশ্ব মন্দার পরও দেশের অর্থনীতিতে বড় কোনো বিপর্যয় আসেনি বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড . আতিউর রহমান । . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
@ Anonymous , ভাই / বোন , এটা তো দেশপ্রেমের মতো জাতীয়তাবাদী কোন বিষয় নয় । পৃথিবীটা তো একটাই । আর আমরা সবাই এই একটি পৃথিবীরই নাগরিক । কিন্তু আগামী প্রজন্মকে কি আপনি মহাকাশের সুদূর কোনে পাঠাতে চাননা । তারা কি গবেষণার জন্য মহাবিশ্বের সুদূর বিন্দুতে ছুটে যাবে না । আগামী তথা ভবিষ্যৎ মহাকাশ গবেষণাকে এগিয়ে নেয়ার বা মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন করে তুলবার জন্য এটা নাসার ছোট্ট একটা প্রচেষ্টা মাত্র । আর একটি চিপে সারা পৃথিবীর মানুষের নাম যোগ হয়েও আরও বিলিয়ন বিলিয়ন নাম সংযুক্ত করা সম্ভব । এখানে নাম না দেয়ার কি আছে । দিলেই যে আপনাকে মঙ্গলগ্রহে জোর করে ধরে নিয়ে যাবে তাও তো নয় । যা হোক , নাম দিবেন কি দেবেন না , এটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার । আমি শুধু খবরটি সবাইকে জানাতে চেয়েছি মাত্র । ভ্রমণ করার জন্য ধন্যবাদ ।
চট্টগ্রাম বোর্ড নাম জিপিএ পৃথক পাঠদান সহশিক্ষা ১ . চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ৩৪৬ বালক ২ . ডা . খাস্তগীর গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ২২৯ বালিকা ৩ . গভর্ণমেন্ট মুসলিম হাই স্কুল ১৯৬ বালক ৪ . বাংলাদেশ মহিলা সমিতি গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজ ১৯১বালিকা ৫ . নাসিরাবাদ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল ১৮৫ বালক / বালিকা ৬ . নৌ বাহিনী হাই স্কুল এন্ড কলেজ ১৫৫ বালক / বালিকা ৭ . চট্টগ্রাম গভর্নমেন্ট হাই স্কুল ১৩৮ বালক ৮ . চট্টগ্রাম পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ১১২ পৃথক পাঠদান ৯ . চট্টগ্রাম গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ৯৮ বালিকা ১০ . ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ৮৭ বালক / বালিকা
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধোত্তরকালে প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের পর যারা স্বাধীনতা লাভ করেছে সেই দেশগুলিকে বিভিন্ন সাম্রাজ্যবাদী মহল থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় । আসলে সাম্রাজ্যবাদের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণে কঠিনভাবে আবদ্ধ থাকার ফলে এই দেশগুলিতে উন্নয়নের পরিবর্তে অনুন্নয়নই ঘটে থাকে । কারণ পুরাতন ও প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শোষণের পরিবর্তে লগ্নিপুঁজি , বাণিজ্য , শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কারিগরি বিদ্যা সরবরাহ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্ . . .
সকলেই নীরবে গৃহতলে সমাসীন । সকলেই গম্ভীর চিন্তায় নির্বিষ্ট । মৌনতা ভঙ্গ করিয়া সহসা শাহজী বলিলেন , " বৎস শিবা ! অকারণে রাজ - বিদ্রোহিতা মহাপাপ । আমরা বিজাপুরের সোলতানের অধীনে বেশ আরাম ও স্বচ্ছন্দে দিন গুজরান করছি । রাজ্যের সর্বত্র শান্তি বিশেষ রূপে প্রতিষ্ঠিত । চোর - দস্যুর উৎপাত একেবারেই নাই । ব্যবসায় - বাণিজ্য ও শিল্প - কৃষি অসাধারণ উন্নতি লাভ করেছে । জাতিবর্ণনির্বিশেষে সকলেই তুল্যভাবে শাসিত এবং পালিত হচ্ছে । মুসলমান শাসনে ব্রাহ্মণ শূদ্রের বিচারে কোনও পার্থক্য নাই । উচ্চ রাজকার্যে হিন্দু - মুসলমান সকলেরই সমান অধিকার । তারপর বিজাপুরের সোলতান , শুধু আমাদের রাজাই নহেন ; আমাদের প্রভু এবং অন্নদাতা । আমি , যে রাজার একজন অমাত্যের মধ্যে গণ্য , সেই রাজার বিরুদ্ধাচরণ করা পাপ - মহাপাপ ! ধর্ম এ পাপ কখনও সইবে না । এতে কেবল ধ্বংস ও অকীর্তিই আনয়ন করবে ।
ঢাকা , ২৭ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : সরকারের শেষ ৩ মাসে জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা এড়াতে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত বিলে নতুন একটি ' উপদফা ' যুক্ত করা হচ্ছে । এ উপদফায় জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য ওই ৩ মাসে সংসদ অধিবেশন আহ্বান না করার শর্ত রয়েছে । আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে আইন , বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৪১তম বৈঠকে এ উপদফা যুক্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে । সংবিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৬০ দিনের বিরতিতে সংসদ অধিবেশন আহ্বান করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও এই উপদফা যুক্তের ফলে সরকারের মেয়াদের শেষ ৯০ দিনে সংসদের কোনো বৈঠক বসবে না । ২৫ জুন সংসদে উত্থাপিত পঞ্চদশ সংশোধনীর ওই বিলে সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব রেখে বলা হয়েছে , ' সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে - ক ) মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভাঙিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাঙিয়া যাইবার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে এবং খ ) মেয়াদ অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভাঙিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাঙিয়া যাইবার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ' প্রতিস্থাপিত হবে । সেক্ষেত্রে শর্ত দিয়ে বলা হয়েছে , এ দফার ( ক ) উপদফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিরা , সংসদের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংসদ সদস্য হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করতে পারবেন না । জানা গেছে , এ শর্তের জায়গায় ( খ ) উপদফা যুক্ত করে বলা হবে , মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভাঙিয়া যাইবার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন আহবান করার বাধ্যবাধকতা থাকবে না । নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বিলোপের আগে এ প্রসঙ্গে সংবিধানের ৫৮ ( খ ) ( ১ ) অনুচ্ছেদে বলা ছিল , সংসদ ভেঙে দেয়ার বা মেয়াদ অবসানের কারণে ভঙ্গ হওয়ার পর যে তারিখে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কার্যভার গ্রহণ করেন সেই তারিখ থেকে সংসদ গঠিত হওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী তার পদের কার্যভার গ্রহণ করার তারিখ পর্যন্ত মেয়াদে একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকবে । এদিকে এ নতুন উপদফা প্রসঙ্গে কমিটির সদস্য আব্দুল মতিন খসরু বলেন , ওই উপদফা যুক্ত করে বিলের ত্রুটি দূর করা হয়েছে । এর ফলে নির্বাচনের সময় সরকার থাকলেও তারা কোন আইন প্রণয়ন করতে পারবে না । মূলত ওই শেষ ৩ মাসে রুটিন কাজের বাইরে সরকার কিছুই করতে পারবে না । ওই সময় সমস্ত কিছু নির্বাচন কমিশনের নির্দেশেই পরিচালিত হবে । এ প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন , বিষয়টি সংবিধান সংশোধনের সময় ভেবে দেখা হয়নি । এখন নতুন একটি শর্ত যুক্ত করে এ সমস্যার সমাধান করার বিষয়ে কমিটির সদস্যরা একমত হয়েছেন । এর ফলে সরকারের মেয়াদ শেষের আগের ৩ মাস সংসদ অধিবেশন আহ্বান করার বাধ্যবাধকতা থাকবে না । প্রসঙ্গত , গত ২৫ জুন এই ' সংবিধান ( পঞ্চম সংশোধন ) বিল - ২০১১ ' পরীক্ষা - নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয় । এরপরই সরকারের শেষ ৩ মাসে সংসদের কাজ কী হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে । এরই প্রেক্ষিতে বিলে নতুন উপদফা তথা শর্ত যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / এসকে / এইচএফ / এআই / ১৭ . ৪৫ঘ )
গোয়েন্দা সূত্র জানায় , সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে সাধারণভাবেই ডিবি হাজতে রাখা হয়েছে । তিনি সংসদ সদস্য হলেও তার জন্য বাড়তি কোন ব্যবস্থা নেই হাজতখানায় । হাজতে যেভাবে সাধারণ বন্দীরা আছেন সেভাবেই রাখা হয়েছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে । সাধারণ হাজতিরা যে খাবার খাচ্ছেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ওই খাবারই সরবরাহ করা হচ্ছে । তার বাসা থেকে খাবার সরবরাহের কথা বললে ডিবি কর্মকর্তারা তা প্রত্যাখ্যান করেন ।
পাবনা , ৯ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের উপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে পাবনা জেলা বিএনপি ও ছাত্রদল । আজ শনিবার দুপুর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাবনা জেলা বিএনপি ' র উদ্যাগে শহরে এ কর্মসূচি পালন করা হয় ।
শহীদ মিনার মূল নিবন্ধ : কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ২৩ ফেব্রুয়ারির রাত শেষে শহীদ মিনার তৈরির কাজ শুরু করে । কাজ শেষ হয় ২৪ ফেব্রুয়ারির ভোরে । শহীদ মিনারের খবর কাগজে পাঠানো হয় ঐ দিনই । শহীদ বীরের স্মৃতিতে - এই শিরোনামে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ছাপা হয় শহিদ মিনারের খবর । [ ১৩ ] ।
লেখক বলেছেন : কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি দাইফ ভাই । অনেক অনেক ভালো থাকবেন । শুভেচ্ছা
পার্বত্য চট্টগ্রামের নারী আসন নিয়ে পাহাড়ের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি সুনীল কান্তি দে - পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রেক্ষিত ভিন্ন । দেশের এক দশমাংশ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও এখানকার জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে এখানে মাত্র তিন জেলায় তিনজন এমপি । এই তিন জেলার নারীদের কথা জাতীয় সংসদে তুলে ধরার জন্য এই জেলাগুলো থেকেই একজন নারীকে সংসদে মহিলা আসনে নির্বাচিত করা উচিত । কিন্তু অতীতে আমার দেখেছি যেসব জেলায় অনেকজন পুরুষ এমপি আছেন তারা আমাদের এই পার্বত্য জেলাগুলোকে বাদ দিয়ে মহিলা এমপি পদ নিয়ে যান । এবার আশা করি সরকার বিষয়টি বিবেচনায় নিবে এবং পার্বত্য এই তিন জেলা থেকেই একজনকে মহিলা সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেবে ।
শিশুদের জন্য বাজেটে প্রত্যক্ষ বরাদ্দ গত কয়েক অর্থবছর ধরে একই পর্যায়ে রয়েছে উল্লেখ করে আগামী অর্থবছরে এর . . .
সুতরাং এইসব খবর জেনে বাল হবে । আপ্নারা পড়বেন আর আঙুল চুষবেন । আপ্নাদের মত ধর্ষিত জনগনের জন্য আসলে আরো ধর্ষনই দরকার । এই আপ্নারাই তারেক জিয়া জিন্দাবাদ বলে জিয়া এয়ারপোর্ট গরম করবেন ।
ওঁর ডেস্কে একটি সামান্য পিতলের ঘটিকে উনি ফুলদানি করে ব্যবহার করতেন । কতদিন কোনো সাহেব আসবার খবর পেলে আমি লুকিয়ে সেটিকে সরিয়ে বিলিতি রঙিন কাচের ফুলদানিতে ফুল সাজিয়ে রেখেছি ।
গীত রচনা , কাব্য , উপন্যাস , জীবনি অনুবাদ সহ বাংলা সাহিত্যের সকল শাখায় তার পদচারণা ছিল । ১৯১৩ সালে দশম শ্রেণীর ছাত্র থাকাবস্থায় ' মাসিক মোহাম্মদী ' পত্রিকায় তার প্রথম লেখা ' আদ্রিয়ানোপল উদ্ধার ' কবিতা প্রকাশিত হয় । কবি গোলাম মোস্তফা ' মুসলিম রেনেসাঁর কবি ' হিসাবে বাংলা সাহিত্যে বিশিষ্টতার দাবিদার । তার কাব্যে মুসলিম জাতীয়তাবদী চেতনার প্রকাশ পায় । সহজ সাবলিল শিল্পসম্মত প্রকাশ ও ছন্দ লালিত্যে ভরপুর তার কাব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য । কবি গোলাম মোস্তফার অন্যতম গদ্য সাহিত্য ' বিশ্বনবী ' গ্রন্থখানি শ্রেষ্ঠ অবদান । ১৯৪৭ সালের প্রকাশিত হয় ইসলাম ও জ্বেহাদ , ইসলাম ও কম্যনিজম গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে । এছাড়া ১৯৪২ সালে ' মরু দুলাল ' এবং ' বিশ্বনবী ' ও এসময় প্রকাশিত হয় । এছাড়াও বেশ কয়েকটি নাটক ও বই রয়েছে তার রচিত ।
আপডেট : অবশেষে ব্লগ - ফেসবুক এবং রাজপথ এই ত্রিমুখী আন্দোলনে পরিমলকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ । বুধবার দুপুর ১২টার দিকে কেরাণীগঞ্জে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে পরিমল জয়ধরকে গ্রেপ্তার করা হয় । পরিমলের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের বসুন্ধরা দিবা শাখার দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মঙ্গলবার একটি মামলা হয় । আভিভাবকদের প্রতিবাদ ভিকারুননিসা নূন স্কুল একটি নাম একটি ইতিহাস । বাংলাদেশের যে কয়টি গর্ব করার মত শিক্ষা প্রতিষ্টান আছে সবার একেবারে উপরের দিকেই অবস্থান ভিকারুননিসা নূন স্কুল & কলেজের । প্রতিবছর অসংখ্য মেধাবী এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করে ঈর্ষনীয় সাফল্যের সাথে । অনেক রাজনৈতিক নেতা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধি অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সাফল্য অর্জনের জন্য ভিকারুননিসা নূন স্কুলকে ফলো করতে বলেন । কিন্তু সেই গৌরবের আর অহংকারের ভিকারুননিসা নূন স্কুলের উপর শকুনির ছায়া এসে পড়েছে । নানা অনিয়ম - দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি যেখানে এতদিন ভিকারুননিসা নূন স্কুলের জন্য কলংক ছিল সেখানে আজ কফিনের বুকে শেষ পেড়াক ঠোকার মত এক কলংক এসে পড়েছে । আর সেটা হল দেশের এই স্বানামধন্য প্রতিষ্ঠানের একশ্রেণীর শিক্ষক নামের পশু কর্তক ছাত্রীর উপর পাশবিক নির্যাতন এবং টা মোবাইলে ধারন করে বাজারজাতকরনের মত অমানবিক হুমকি । যেভাবে ঘটনার সুত্রপাতঃ ঘটনার সুত্রপাত গত মে মাসে । যখন ভিকারুননিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা শাখার দশম শ্রেণীর এক ছাত্রী তার সোনালি ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে পরিমল নামে শিক্ষকরুপি এক জানোয়ারের কাছে পড়তে গিয়ে পৈশাচিক আক্রমনের শিকার হয় । মেয়েটি স্কুলের বাইরেও কোচিংয়ে ওই স্কুলেরই বাংলা বিভাগের শিক্ষক পরিমল জয়ধরের বাসায় গিয়েও নিয়মিত পড়ত । আর সেটাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে । একদিন একাকীত্বের সুযোগে পরিমল মেয়েটির হাত - পা ও মুখ বেঁধে ফেলে শিক্ষক নামের পশুটি । নগ্ন করে ওই ছাত্রীর ছবি তোলে এবং ভিডিও করে পরিমল । এরপর শুরু হয় ছাত্রীর ওপর নির্যাতন । হতবিহ্বল হয়ে যায় মেয়েটি । নির্যাতন একসময় শেষ হয় । এরপর শুরু হয় হুমকি - ধমকি , যদি এই তথ্য সে কাউকে জানায় তাহলে নগ্ন ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে । এ রকম ভয় দেখিয়ে এর পরও চলতে থাকে মেয়েটির ওপর পাশবিক অত্যাচার । অবশেষে একদিন মেয়েটি তার বন্ধুদের ঘটনাটি জানায় । বন্ধুদের পরামর্শে মেয়েটি স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো . লুৎফর রহমানের কাছে অভিযোগ করলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মেয়েটিকে সুবিচারের আশ্বাস দেন । তবে আশ্বাসেই বাকি সময় অতিবাহিত হয় কিন্তু বিচার আর হয়নি । এরপর সহপাঠী শিক্ষার্থীরা মিলে অভিযুক্ত পরিমল জয়ধরের বিরুদ্ধে একটি লিখিত আবেদন জমা দেয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে গত ২৮ জুন । এর পরও বিচার বা তদন্তের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি । এতে খেপে যান অভিভাবকরা । প্রধান শিক্ষক হোসনে আরার গত ৩ জুলাই ভিকারুননিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা শাখায় যাওয়ার কথা ছিল বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য । তবে শেষপর্যন্ত তিনি না যাওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয় । আর এ থেকেই আস্তে আস্তে সৃষ্ট হয় গনবিষ্পোরন । অভিভাবকরা নেমে আসেন রাস্তায় জানান প্রতিবাদ । উল্লেখ্য পরিমল এর আগে রাজউক মডেল স্কুলে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ঐ স্কুলেও যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তার চাকরি চলে যায় । শুধু এক পরিমল একা নইঃ শুধু এক পরিমলই নয় , ওই স্কুলের আরো পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন অভিভাবকরা । সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া ওই শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বরুণ চন্দ্র বর্মণ , বিষ্ণুপদ বড়াই , বাবুল ও অভিজিৎ । অভিযুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে বরুণ চন্দ্র বর্মণের বিরুদ্ধে বাণিজ্য বিভাগের দশম শ্রেণীর ছাত্রীরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে গত ২৭ জুন । ওই লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে , ' বরুণ চন্দ্র বর্মণ ক্লাসে অশ্লীল - কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার ও বাজে ধরনের ইঙ্গিত দেন ছাত্রীদের । ' তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত বরুণ চন্দ্র বর্মণের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি । আরো অভিযোগ রয়েছে একটি বিশেষ এলাকার লোক হওয়ায় এবং প্রভাবশালীদের সুপারিশে এরা শিক্ষক হওয়ায় এরা বরাবর থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাহিরে । উল্টো যারা এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতো তাদেরকেই শায়েস্তা করা হত । উল্লেখ্য অভিযুক্ত ছয় শিক্ষকেরই বাড়ি গোপালগঞ্জ এবং এই কারনে পুলিশ কোনো তৎপরতা দেখাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা । আভিভাবকদের প্রতিবাদ আন্দোলনে অভিভাবক - শিক্ষার্থীঃ এতদিন এই আন্দোলনে অভিভাবকরা থাকলেও এবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে স্কুলের সাধারন ছাত্রীরা । তারা আগামী নয় জুলাই স্কুল অভিমুখে রোড মার্চ কর্মসুচি হাতে নিয়েছে । যার জন্য তারা ইতিমধ্য ফেসবুকে ইভেন্ট ক্রিয়েট করেছে । অনেকে সেখানে উপস্থিত হবার জন্য ইতিমধ্য তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে । এখন আমাদেরকে আগামী প্রজন্মের এসব প্রতিনিধিকে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম নির্বিগ্ন করতে এগিয়ে আসা কি উচিত নয় ? আমাদের ব্লগ থেকেইতো আজমেরি বাঁচিয়ে আনার মত কাজ হয়েছিল , ইভটিজিং নিয়ে একটা কার্যকর আন্দোলন গড়ে উঠেছিল , হয়েছিল কলমদাদির মত এক অসহায় মুক্তিযোদ্ধা পাশে দাঁড়ানোর মত বিষয় , সুতারাং আসুন আমরা আবার একসাথে নেমে পরি নতুন এই আন্দোলনে । যার উদ্দেশ্য হল আমাদের বোনদের ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিতকরন । এখন পর্যন্ত ভিকারুননিসা নূন স্কুলের অভিভাবক এবং ছাত্রীরা যেসব দাবী উন্থাপন করেছে সেগুলো হল - = > অবিলম্বে অভিযুক্ত পরিমলসহ আরো পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে । = > গার্লস স্কুল থেকে পুরুষ শিক্ষক প্রত্যাহার করতে হবে । = > প্রধান শিক্ষক এবং স্কুলের ম্যানেজমেন্ট কেন ঘটনা জানার পরও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি তার কারণ দর্শানোসহ স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজমেন্ট এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন । = > পরিমলকে অবৈধ উপায়ে নিয়োগ এবং তাকে বিশেষ সুবিধাদানের জন্য কলেজের অধ্যক্ষ হোসনে আরার পদত্যাগ দাবী । = > ভিকারিন্নেসাকে নিয়ে সাম্প্রতিক বিভিন্ন নেতিবাচক খবর এর জন্য দায়ীদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা । গ্রেপ্তার হয়নি পরিমল : গতকাল শিক্ষক পরিমল জয়ধরকে আসামি করে স্কুলটির দশম শ্রেণীর নির্যাতিত ঐ ছাত্রী মামলা করেছে । তবে পুলিশ ভিকারুন নিসা নূন স্কুলের শিক্ষক পরিমল জয়ধর গ্রেপ্তার করতে পারেনি এখনো । এনিয়ে গতকাল দিনভর গ্রেপ্তারের গুজব চললেও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানায় , যৌন হয়রানিকারী শিক্ষক পরিমল জয়ধর পলাতক । গ্রেপ্তার এড়াতে গা - ঢাকা দিয়েছে । তবে অভিযুক্ত পরিমলসহ ছয় শিক্ষকেরই বাড়ি গোপালগঞ্জ হওয়ায় পুলিশ কোনো তৎপরতা দেখাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা । পরিশেষে আপনাদের সুবিধার জন্য ছাত্রীটির অভিযোগের চিঠিটি হুবুহু তুলে দিলাম - সবিনয় নিবেদন এই যে , আমি ( নাম ) । জন্ম ১৮ / ১১ / ১৯৯৬ । আমি ভিকারুন নিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা দিবা শাখার একজন নিয়মিত ছাত্রী । আমি ছাত্রী হিসেবে ভাল ফলাফলের জন্য প্রতি বিষয়েই স্কুলের শিক্ষকদের কাছে কোচিং করি । যেমন লুৎফর রহমান স্যারের কাছে গণিত , মাহবুবুল হক স্যারের কাছে ইংরেজি , জাহাঙ্গীর আলম স্যারের কাছে পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন , জিনাতুন্নেছা আপার কাছে জীববিজ্ঞান এবং পরিমল জয়ধর স্যারের কাছে বাংলা । অত্র স্কুলে আমি চতুর্থ শ্রেণী থেকেই পড়ে আসছি । পরিমল জয়ধর স্যার স্কুলে বাংলা বিষয় পড়ান বলে আমি তার কোচিংয়ে গত মে ২০১১ থেকে ১০ জনের ব্যাচে পড়া শুরু করি । আনুমানিক ২০ - ২৫ দিন পরে কোচিং ক্লাসে পড়তে যাওয়ায় আমার একটু বিলম্ব হয় । দেরিতে যাওয়ায় যেটুকু পড়ায় আমি অনুপস্থিত ছিলাম সেটুকু পড়া স্যার আমাকে বুঝিয়ে দেবেন বলে দেরি করতে বলেন । সবাই চলে যায় কিন্তু আমি রয়ে যাই । সবাই চলে গেলে আমি আগের পড়াটুকু পড়তে থাকি । স্যার মূল দরজা বন্ধ করে রুমে এসে রুমের দরজা বন্ধ করে দেন এবং আমি কিছু বুঝার আগেই আমার মুখ বেঁধে ফেলেন । মুখ বাঁধা থাকায় আমি কিছু বলতে পারিনি । হাত ছোড়াছুড়ি করতে যাওয়ায় তিনি আমার ওড়না দিয়ে আমার হাত পেছনে বেঁধে ফেলেন । হাত বেঁধে সে আমাকে ভীষণ মারধর করে । মারধর করে সে আমাকে উলঙ্গ করে ফেলে এবং আমার ছবি তোলে । ছবি তোলার পর সে আমাকে শারীরিক নির্যাতন করে । ঘটনার আকস্মিকতায় আমি হতভম্ব হয়ে যাই এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি । এরপর সে আমার বাঁধন খুলে দেয় এবং সাবধান করে দেয় যে ঘটনা কাউকে বললে , নিয়মিত তার ক্লাস না করলে সে আমার ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে এবং আমাকে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেয় । এতে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি এবং দিশাহারা হয়ে যাই । এরপর জুন ১৭ তারিখ লুৎফর স্যারের ব্যাচ থেকে পড়ে আমি পরিমল স্যারের ব্যাচে পড়তে যাই । তখন অন্য ব্যাচ পড়ছিল । স্যার আমাকে পাশের রুমে বসতে বলেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাচ ছুটি দিয়ে সদর দরজা বন্ধ করতে যান । তখন আমি দৌঁড়ে গিয়ে তাকে দরজা বন্ধ করতে বারণ করি । তখন সে আমাকে ধাক্কা দেয় এবং মাথা দেয়ালে লাগায় আমি মাথায় ব্যথা পাই । তখন সে আমাকে ধমক দেয় যে , ' তোকে বলেছি আমার ইচ্ছার বাইরে যাবি তো তোকে জানে মেরে ফেলবো ' । এরপর সে আমাকে শারীরিক নির্যাতন করে । জুন ১৮ তারিখ সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ১৯ জুন তারিখে ঘটনাটি আমার সহপাঠীদের অবহিত করি । তারা আমাকে ঘটনাটি শাখা প্রধানকে ( লুৎফর রহমান ) জানাতে বলে । তারা আমাকে পরামর্শ দেয় যে , শাখাপ্রধান এ বিষয়টির সুষ্ঠু বিচার করতে পারবেন । সেদিন আমি আমাদের শাখাপ্রধান লুৎফর রহমান স্যারকে ব্যাপারটি বলতে যাই । কিন্তু তিনি ব্যক্তিগত বা স্কুলের কাজে স্কুলে ছিলেন না বিধায় তাকে ওইদিন ঘটনাটি জানাতে পারিনি । জুন ২০ তারিখ স্যার স্কুলে অনুপস্থিত ছিলেন । জুন ২১ তারিখে তিনি স্কুলে আসেন এবং আমি তাকে সুযোগ বুঝে ব্যাপারটি জানাই । তিনি আমাকে বললেন যে , তিনি ঘটনাটি দেখবেন । লুৎফর রহমান স্যারকে ঘটনা জানানোর পরও ২২শে জুন পরিমল স্যার স্কুলে এলে আমি লুৎফর স্যারকে পুনরায় ব্যাপারটি বলি । তিনি আমাকে ব্যাপারটি ভেবে দেখছেন বলে আশ্বস্ত করেন । জুন ২৩ তারিখে স্কুলে অভিভাবক মিটিং ছিল যেখানে আমাদের স্কুলের অধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগমও উপস্থিত ছিলেন । সেদিন পরিমল স্যারকে আমরা স্কুলে দেখিনি । এরপর ২৬ ও ২৭শে জুন তারিখ অসুস্থতার কারণে আমি স্কুলে উপস্থিত হতে পারিনি । জুন ২৮ তারিখে স্কুলে গেলে আমাদের দশম শ্রেণীর সব ছাত্রী পরিমল স্যারের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় আমরা আলোচনায় বসি । আলোচনায় তার সম্পর্কে আরও কিছু কুরুচিপূর্ণ কথা উঠে আসে । তখন আমরা সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেই যে , আমরা অধ্যক্ষকে এ ব্যাপারে অবহিত করবো । তাই আমরা পরিমল স্যারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে আবেদনপত্র তৈরি করি । আবেদনপত্রটি ক্লাসে পড়ে শোনালে স্বেচ্ছায় সবাই এতে নিজ নিজ নাম স্বাক্ষর করে । এরপর আবেদনপত্রটি শাখা প্রধান জনাব লুৎফর রহমান স্যারের মাধ্যমে অধ্যক্ষ বরাবর পৌঁছে দেয়ার অনুরোধ জানাই । উল্লেখ্য যে , আমি স্কুলে অনুপস্থিত থাকাকালীন ২৭শে জুন ঘটনাটি স্কুলে জানাজানি হয়ে যায় । অতএব , এ ব্যাপারটি আপনার সুবিবেচনায় এনে আমার ওপর পরিমল স্যার যে বর্বরোচিত , অমানবিক , অনৈতিক , ঘৃণিত আচরণ করেছেন তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বিচারের দাবি জানাচ্ছি । " \ \ / / শিক্ষকতার মত এমন মহান পেশাকে যারা কলংকিত করেছে তাদের কাছ শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করা এখনি প্রয়োজন । তাছাড়া শিক্ষকের থেকে এমন আচরণ লজ্জাজনক । অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে । সুতারাং অবিলম্বে পরিমলসহ দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করা হোক । পৈশাচিক এই ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত শান্তিপুর্ন " রোড মার্চ " এবং অবস্থান কর্মসুচির সময় এবং স্থানঃ তারিখঃ ৯ জুলাই রোজ শনিবার সময়ঃ বেলা ২ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত স্থানঃ ভিকারুননিসা নূন স্কুল & কলেজ , বেইলী রোড , ঢাকা এর সম্মুখে । জয়েন ফেসবুক ইভেন্টঃ Road - March ভিকারুন্নেসার ভর্তি বানিজ্য নিয়ে লেখা স্মমানিত ব্লগার আশীফ এন্তাজ রবি ভাইয়ের লেখা সেই পোষ্ট - দুই লাখ ষাট হাজার টাকা এখন আমি কোথায় পাবো ?
হুম বুঝলাম । আপনি বড়ই কর্মঠ এবং এশিয়ার বাইরের লোক । আর আমি ও যারা ক্রিকেট দেখে তারা সব অকর্মঠ বা অকর্মার ঢেঁকি ।
লিখেছেন খালিদ হাসান সময়ঃ ২৩ / ০৪ / ২০১১ · 13 টি মতামত
৭ . যেহেতু পুঁজিবাজার একটি সংবেদনশীল বিনিয়োগ স্থান সেহেতু , পুঁজিবাজারের মূখপাত্র হবেন একমাত্র এস . ই . সি কর্তৃপক্ষ । নিয়ন্ত্রক সংস্থা এস . ই . সি . এর উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ ডি . এস . ই / সি . এস . ই কর্তৃপক্ষ এবং বিনিয়োগকারী এসোসিয়েশনের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে এস . ই . সি . এর মনোণীত প্রতিনিধি একমাত্র বাজার সম্পর্কে মিডিয়াতে কথা বলবে অন্য কেউ নয় । কোন সেমিনার , সিম্পোজিয়াম , টেলিভিশন চ্যানেল , পত্রিকায় পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পরে এই ধরনের তথ্য প্রচার না করা ।
আজম খানের বড় মেয়ে ইমা খান বাংলানিউজকে জানান , দুপুরের দিকে তার শারিরিক অবস্থা খারাপ হলে দ্রুত সিসিইউতে নেওয়া হয় । সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্ট দিয়েই বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে ।
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পূর্বে অভিভাবক - শিক্ষার্থীদের যতটা উদ্বেগ - উত্কণ্ঠা ছিল , এখন কলেজে ভর্তি নিয়ে তারা আরো বেশি উত্কণ্ঠিত । উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর অভিভাবকরা জানান , দিন - রাত পরিশ্রমের পেছনে দুটি কারণ ছিল , পরীক্ষায় ভালো ফল করা এবং এই ভালো ফলের মাধ্যমে কোন ভাল কলেজে ভর্তি হওয়া । ভালো কলেজে ভর্তি হওয়া নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় আছি । ভালোমানের কলেজ না থাকার পেছনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ধুরন্ধর ধর্মব্যবসায়ী জামাতের প্রধান মাওলানা মওদুদী বাংলাদেশ আন্দোলনের ফলাফল সম্পর্কে পূর্ব - পাকিস্তানের মুসলমানদের সতর্ক করে দিয়ে বলে যে , যদি পূর্ব - পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয় তবে মুসলমানরা তাদের স্বাধীনতা হারাবে । তারা হিন্দুদের নিম্নতম দাসে পরিণত হবে । আর তাই সে পূর্ব - পাকিস্তানের মুসলমানদের প্রতি আহবান জানায় তথাকথিত ' বাংলাদেশ ' আন্দোলনকে ধ্বংস করে দেয়ার । সে সশস্ত্র বাহিনীর কার্যকলাপকে সঠিক ও সময়োপযোগী বলে আখ্যায়িত করে । সেই সঙ্গে জানায় , কোন সেনাবাহিনীই বিদ্রোহীদের প্রশ্রয় দিতে পারে না । ( তথ্যসূত্র : দৈনিক পূর্বদেশ , ধর্মব্যবসায়ী ঘাতক জামাতীদের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম ৭ , ৮ , ১২ এপ্রিল , ১৯৭১ ঈসায়ী । )
রেডিও তেহরান : ইমাম খোমেনী শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই ছিলেন না , তিনি একজন বড় আলেম এবং আধ্যাত্মিক নেতা । আপনি নিশ্চয়ই আপনি শুনে থাকবেন যে , বাংলাদেশে উনাকে অনেকেই ' জামারানের পীর ' বলে আখ্যায়িত করেছেন । উনার ব্যক্তিত্বের এই আধ্যাত্মিক দিকটি নিয়ে যদি কিছু বলেন । অধ্যাপক আব্দুর রহমান সিদ্দিকী : হ্যাঁ আপনি ঠিকই বলেছেন , বাংলাদেশের মানুষের কাছে উনি ' জামারানের পীর ' হিসেবে বহুল পরিচিত । ইমাম খোমেনী ( রহ . ) একাধারে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব , একই সঙ্গে তিনি একজন খুব বড় মাপের আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব । ইসলামের প্রতি ইমাম খোমেনীর যে অনুরাগ , ইসলাম সম্পর্কে তাঁর যে দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গী ও ব্যাখ্যা - তাঁর সময়কালে তিনি এ বিষয়ে ছিলেন অতুলনীয় । আর এটি কিন্তু তাঁর আধ্যাত্মিক সত্ত্বার একটি চিত্র । আর এ বিষয়ে বলব , ইরানের ধর্মীয় নগরী কোমে তিনি খুব বড় বড় শিক্ষাগুরুর কাছ থেকে শিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছিলেন এবং পরে তিনি নিজেও অনেক বড় মাপের আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বে নিজেকে অধিষ্ঠিত করেছিলেন । তিনি সেখানে শিক্ষক হিসেবে যে সুনাম ও পরিচিতি পেয়েছিলেন - তা সত্যিই বিস্ময়কর । এক্ষেত্রেও তাঁর আধ্যাত্মিকতার বিষয়টি ফুটে ওঠে । ফলে আমরা মনে করি ইমাম খোমেনী একাধারে আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং মজলুম মানুষের নেতা । ইমাম খোমেনীর আধ্যাত্মিকতার পরশে অনেক মানুষ তাঁর সান্নিধ্যে এসে খাঁটি মানুষে পরিণত হয়েছিলেন । এ প্রসঙ্গে আয়াতুল্লাহ মুর্তজা মোতাহারির কথা বলা যায় ।
নাস্তিকরা এ পর্যন্ত তাদের বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের স্বপক্ষে স্বতন্ত্র কোন তত্ত্ব দাঁড় করাতে সক্ষম হয়নি । এই অস্বস্থিকর অবস্থা এড়াতে তারা বিজ্ঞানের মধ্যে মাথা গোঁজা শুরু করেছেন । অর্থাৎ বিজ্ঞানকে স্রষ্টার ' বিকল্প তত্ত্ব ' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে উঠে - পড়ে লেগেছেন । কিন্তু তারা যেটা বুঝতে চায় না সেটা হচ্ছে বিজ্ঞান নিজে যেমন ' বিকল্প স্রষ্টা ' নয় তেমনি আবার বিজ্ঞানীরা স্রষ্টা নিয়ে কাজও করেন না ! তাছাড়া বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার যত বেশী হবে , যত বেশী জটিল হবে , যত বেশী বিস্ময়কর হবে , সেটা তত বেশী স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রতিই দিক নির্দেশ করবে , অনস্তিত্বের দিকে নয় ! ফলে প্রত্যেকটি বিস্ময়কর আবিষ্কার স্রষ্টার অস্তিত্বের সাগরে একেকটি মূল্যবান বিন্দু । কারণ প্রত্যেকটি আবিষ্কার একেকটি তথ্য বহন করে । এই মহাবিশ্বে তথ্যের পরিমাণ যত বেশী হবে , সেটা তত বেশী একজন স্বজ্ঞাত সত্তার প্রতিই দিক নির্দেশ করবে , অকস্মিক ঘটনার দিকে নয় ! তাছাড়া NAS ( National Academy of Sciences ) - এর বিজ্ঞানীরা কী বিশ্বাস করলেন তাতে যে কিছুই যায় আসে না সেটা এতক্ষণে বুঝতে পারছিস নিশ্চয় । বিজ্ঞানীদের মধ্যে নাস্তিকতার প্রবণতা বেড়েছে মূলতঃ চার্চের সাথে বিজ্ঞানীদের সঙ্ঘর্ষ ও তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে ।
দীর্ঘদিন যাবত অল্পবেতনে কাজ করে কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার আবেদন করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না । নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দাম বৃদ্ধির সাথে সমন্বয় করে নতুন পে - স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন কর্মবিরতি পালনকারি ডাক্তার , কর্মকর্তা - কর্মচারিরা ।
বিক্ষোভ ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন বিক্ষোভকারী কারাম মোহাম্মদ ।
সেইটাই । আওয়ামীলীগ একটা কামের কাম করছে । ইতিহাস এই অবদান ভুলবেনা ।
আপনি অঙ্গুলি নির্দেশটা শেষ পর্যন্ত ব্লগের এডমিন প্যানেলের দিকে করলেন বিধায় , উত্তর টা দিতে বাধ্য হচ্ছি । আপনি ঠিক যতটা নিষ্পাপ ভাবে বললেন -
( বিজয় মজুমদার ) ঘুম আসে না । গানের কথায় বাক্যটি কতোই না মনোহর । অথচ যাদের রাতে ঘুম আসে না তাদের জন্য ব্যাপারটি কিন্তু অনেক যন্ত্রণাদায়ক । শারীরিক এবং মানসিক উভয় ধরনের স্বাস্থ্যহানি হতে পারে যদি রাতে ঠিকমতো ঘুম না আসে ।
কংক্রিট এর মধ্য ধারাবাহিকতা বা সমসত্ত্বতা যাচাই এর জন্য এই পরীক্ষা করা হয় । এই পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা হয় যে , কংক্রিট এর কার্যউপযোগীতা কতটুকু । স্ল্যাম্প এর পরিমান অবশ্যই নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকবে ।
দেশে বিদেশে ব্যাপক আলোচনার ঝড় ওঠে ওই প্রামাণ্যচিত্র প্রচারের পর । এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে সরকারদলীয় কয়েকজন নেতা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইউনূসের সমালোচনায় মুখর হন ।
কক্সবাজার পলিটেকনিক কলেজে শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৮ ছাত্রলীগ কর্মীকে ভর্তি বদলী করায় কলেজে ভাংচুর , বিক্ষোভ ও কক্সবাজার - টেকনাফ মহাসড়কে যান চলাচল ১ ঘণ্টা বন্ধ রাখে কলেজ ছাত্ররা । এসময় কলেজ অধ্যক্ষসহ শিক্ষকদের ৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে কলেজ ছাত্রলীগ ও বহিরাগতরা । রোববার সকাল থেকে দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা তান্ডব চলার পর দুপুর ২টায় পুলিশ ও র্যাব গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে । সম্প্রতি এক পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে ' র এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও মারধর করার অভিযোগ তদন্ত করে ৮ ছাত্রকে অন্য পলিটেকনিকে বদলী করা হয় । এ সংক্রান্ত অফিস আদেশটি গতকাল ক্লাসে পড়ে শোনানোর সময় অভিযুক্ত ছাত্ররা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে । ওই ৮ ছাত্র ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হওয়ার পাশ্ববর্তী কক্সবাজার কলেজসহ অন্যান্য বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মীদের নিয়ে কলেজে ভাংচুর এবং কক্সবাজার - টেকনাফে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে । এসময় কলেজ অধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষকদেরও অফিসে অবরুদ্ধ করে রাখে ছাত্ররা । পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে । বিক্ষোব্ধ ছাত্ররা মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল প্রদর্শন করে ।
হ্যা MS SQL সহ ইন্সটল করেছিলাম । ডাটাবেস + C # নিয়ে পড়াশোনা করতে । কোর্সে থাকলে কি আর করা । আর আপনার তো Core2Quad 2 . 4 GHz + 4GB DDR2 । আর আমার পেন্টিয়াম ৪ + 512MB DDR1 নিয়ে এটা চালানোর দুঃসাহস দেখাই কয়েকদিনের ভেতর একজনের কাছ থেকে পুরোনো 1GB DDR1 ( বাজারে সহজে পাওয়া যায় না + পেলে দাম শুনলে কেনার ইচ্ছা থাকে না ) র্যাম কিনব । কে জানে পুরো পিসিটাই আপগ্রেড করতে হয় নাকি ?
নতুন কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা - কর্মীরা মধুর ক্যান্টিন , কলাভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কাছে অবস্থান নেন । এ গ্র " পের নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় সহ - সভাপতি শহীদুল ইসলাম বাবুল , হায়দার আলী লেনিন , বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ , কেন্দ্রীয় সহ - সাধারণ সম্পাদক জাভেদ হাসান স্বাধীন , সাইদুর রহমান , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক নাসির ।
মিন্টু বলেছেন : এই সব দালালগুলারে ধইরা ধইরা সব তাদের দেশে পাঠানো দরকার , ভাদাগুলা আমাদের দেশের খাইয়া আরেক দেশের গুনগান করে । অন্তরের অন্তস্থল থেকে তাদের জন্য ঘৃনা ।
আলী যাকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এশিয়াটিক এমসিএল
ফলে ২০০৭ সালের ১২ এপ্রিল থেকে লাফার্জকে কোয়ারী থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ করে দিতে হয় । ফলে কোম্পানীতি সিমেন্ট উৎপাদন অনেকটাই কমে যায় । ঐ সময়ে লাফার্জ কর্তৃপক্ষের আবেদনে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় চুনাপাথর আমদানী । প্রথম দফা ধাক্কা সামলে নিলেও ভারতের পরিবেশ মন্ত্রনালয় একই অজুহাতে পূনরায় কোয়ারী থেকে পাথর উত্তোলনে নিষেধাঞ্জা জারী করলে আবারো ২০১০ সালে ১৩ এপ্রিল লাফার্জকে পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে হয় । এর পর থেকে স্থানীয় ভাবে চুনাপাথর সংগ্রহ করে সিমেন্ট উৎপাদন চালু রাখা হয় ।
বাকী ৯৯ , ৯০০ / - টাকাই মাইরা দিবেন ? ভালোই তো ধান্ধা ধরছেন ! তার চাইতে বাটি নিয়া বসেন মিয়া ( মা . খা . জা . না . ) ।
এতো ধৈর্য্য ধরে দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ । গাড়ির নিরবিচ্ছিন্ন চলার ব্যাপারে আপনার সাথে আমি একমত । আপনার পরবর্তী পর্বে আপনার এই তথ্যটা ব্যবহার করতে চাই । আমি কি ব্যবহার করতে পারি ?
রেটিং : ০ / + ৬ , পোষ্টটি ৫০ বার দেখা হয়েছে , মন্তব্য : ৬
অনুরূপ আর একটি তথ্য পাওয়া যায় - " একবার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবৃত্তি প্রতিযোগিতার জন্য মোহিতলাল বেছে দিয়েছিলেন ' ফাতেহা - ই - দোয়াজ - দহম ' কবিতা ।
গণিতের জগতেও নিউটনের জুড়ি মেলা ভার । নিউটন এবং লাইবনিজ যৌথভাবে ক্যালকুলাস নামে গণিতের একটি নতুন শাখার পত্তন ঘটান । এই নতুন শাখাটিই আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে বিপ্লব সাধনে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে । এছাড়া নিউটন সাধারণীকৃত দ্বিপদী উপপাদ্য প্রদর্শন করেন , একটি ফাংশনের শূন্যগুলোর আপাতকরণের জন্য তথাকথিত নিউটনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন এবং পাওয়ার সিরিজের অধ্যয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখেন ।
লেখক বলেছেন : এখন অবস্থা হয়তো ভালো , কিন্ত আমার ধারনা চেষ্টা করলে এই সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও আরো ভাল করা যায় । দরকার একটা ভাল পরিকল্পনা আর তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন - - কোন ছাড় না দিয়ে । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।
তছাড়া এইসব বালছাল ধর্ম , টর্মকে অনেক সম্মান করা হয়েছে । কোটি কোটি মানুষ একটা জিনিস বিশ্বাস করলেই সেটা সম্মানজনক হয় না , ১০০ কোটি মানুষ গনেশরে পূজা করলেই গণেশের ঘটনা সত্য হয় না , দেড়শো কোটি মানুষ আল্লাহু বলে অজ্ঞান হয়ে গেলেও আল্লাহ সত্যি হয়ে যায় না , ৫০ কোটি নিগ্রো পাথর পূজা করলেও পাথর ইশ্বর হয় না , তাই কোন বিশেষ ধর্ম ' র প্রতি সহানূভূতিশীল হলে নাগরিকের মডুদের শিশু ভাবা ছাড়া আমার কোন পথ খোলা থাকবে না ।
ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মতি দিয়েছে । তবে পে - পল এর মাধ্যমে টাকা এলে তা রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে যার ফলে সরকারও এ খাত থেকে লাভবান হবে ।
লিস্টে থাকা কতগুলো একসাথে ডাউনলোড চলবে তা নির্বাচন করে দেয়ার সুবিধা ।
সব কিছুর একটা সীমা আছে । আমিনীদেরও বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে । এদের জিজ্ঞেস করলে এরা ঠিক মতো বলতে পারে না ঠিক কোন জায়গায় এদের আপত্তি । শুধু বলবে সেই মুখস্থ বুলি । এটা ইসলাম বিরোধী নীতি । কোন জায়গায় ইসলাম বিরোধী কথা বলা আছে সেটা আর বলতে পারে না । তখন চুপ হয়ে যায় । সাংবাদিকদের সামনে কিছু না বলতে পেরে বলে আপনারা পইড়া নিয়েন । আমিনী নিজের মাদ্রাসার ছাত্রদের ও তার অনুসারীদের কিভাবে ও কি বলে শুক্রবার এলেই মাঠে নামায় সেটা জানি । আর বেশি কিছু বলছি না ।
আসলেই আরেকটু ইনফো বাড়াতে পারলেন লেখায় । গুনতে গেলে দেখা যাবে কাটায় কাটায় ৫০ শব্দ !
আফ্রিকার জন্য ন্যাটোর বিশেষ বিভাগ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান কমান্ড বা আফ্রিকমের সদর দফতর এখন জার্মানিতে । চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবে বিরক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব এখন আফ্রিকমের একটি ঘাঁটি আফ্রিকায় স্থানান্তরে মরিয়া । গাদ্দাফি এক সময় লিবিয়া থেকে পশ্চিমাদের সামরিক ঘাঁটি তুলে দিয়েছিলেন , সেই লিবিয়াতেই তারা ঘাঁটি স্থাপন করতে তৎপর এবং এ জন্য তাদের লক্ষ্য তথাকথিত বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত তেলসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চলের কেন্দ্র বেনগাজি । কৌশলগত দিক দিয়ে লিবিয়ার অবস্থানটিও লক্ষণীয় । ইউরোপ ও সাব সাহারান আফ্রিকার মাঝে লিবিয়া ভূমধ্যসাগরের উপকূলীয় দেশ । এর নিয়ন্ত্রণের অর্থই হচ্ছে ভূমধ্যসাগরকে ' ন্যাটো হৃদে ' রূপান্তর । সম্প্রতি গাদ্দাফি আফ্রিকান ইউনিয়নের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছিলেন । তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার মুদ্রা ডলারের পরিবর্তে ভিন্ন মুদ্রা প্রচলনের প্রবক্তা হিসেবে আবির্ভূত হন । লিবিয়ার তেলসম্পদ সে দেশের জনগণের মালিকানায় নিয়ে আসছিলেন । ফলে পশ্চিমা বহুজাতিক তেল কোম্পানিগুলোর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হচ্ছিল এবং ঘুষের বিনিময়ে আমলাদের বশ করে তেলের মালিকানা লাভ অসম্ভব হয়ে পড়ে । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব শংকিত হয়ে পড়ে নতুন করে জাতীয়করণের আশঙ্কায় । এ জন্যই দেখা যায় লিবিয়ার এক সময়ের ঘুষবাণিজ্যে স্ফীত শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা বিদ্রোহীদের দলে ।
লেখক বলেছেন : আমিও ইনস্ট্রুমেন্টাল এর দারুন ভক্ত !
সুতরাং এখন ? কি করবেন আপনি ? ব্যাপারটা এমন একটা অবস্থায় যে থীম ব্যবহার নিষেধ আমি বা কেউই কাউকে করতে পারে না । আপনার সারাক্ষণের সঙ্গী কম্পিউটারকে একভাবে দিনের পর দিন , বছরের পর বছর দেখাটা আসলে রীতিমতো অসম্ভব । তাহলে কিভাবে কি করা যেতে পারে সেটা নিয়ে কিছু কথা বলব এবার ।
হল্যান্ড এখন আর ' টোটাল ফুটবল ' খেলে না , ওরা এখন ' হলুদ ফুটবল ' খেলে । তারপরও শান্তি এই হলুদ ফুটবলের করতলগত হয়নি বিশ্বকাপ । অবশ্য হতে পারত স্পেনের স্ট্রাইকারদের ' ভেদবুদ্ধি ' র অভাবে হয়েও যেতে পারত , ধন্যবাদ ইনিয়েস্তা - ফাব্রেগাস । তাহলে স্পেনই ! ! la campeona ! ! পড়ুন এখানে ও এখানে ।
সকালে , খুব ভোরে উঠে তৈরী হতে হয় । গন্তব্য সেন্ট মার্টিনস । হোটেল থেকে ব্যাবস্থা করা হয়েছে । সেখানে একদিন এক রাত থেকে তারপর আবার কক্সবাজার । এটা অবশ্য ঢাকা থেকে ঠিক করা হয়েছে । আমাদের কলিগ মারিয়া সব পাকা ব্যাবস্থা করেছে । এই সব অরগানাইজিংয়ে সে তুখোড় । মাইক্রো চলে এসেছে । সেটাতে করে টেকনাফ সেখান থেকে লঞ্চে সেন্ট মার্টিন । আমরা কিছু মালপত্র হোটেলে রেখে এসেছি । ফিরে এখানেই উঠবো । এত তাড়াহুড়া করে সকালে তৈরি হলাম
অসামাজিক বলেছেন : সহমত জানালাম , পোষ্টে প্লাস + + +
ঢাকা , ২৬ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডেস্ক ) : সাংবাদিক নিপীড়নের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কিউবা ও ইরান । যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন ' কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস ' এর সামপ্রতিক এক সমীক্ষার ফলাফলে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে । গত এক বছরে ৬৭ জন সাংবাদিক রাষ্ট্রীয় পীড়নের শিকার হয়েছে বলেও তাদের তথ্যে উঠে এসেছে । সংগঠনটি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে , বিশেষ করে যেসব দেশে গণতন্ত্রের পরিস্থিতি তেমন সুবিধা নয় সেসব দেশের সাংবাদিকদের অবস্থার খবরাখবর রাখে । প্রয়োজন হলে তাঁদের হয়ে কথাও বলে । এই কমিটিরই সামপ্রতিক রিপোর্টে বলা হয়েছে , ইরান আর কিউবা , এই দুটি দেশ গত বারো মাসের মধ্যে ১৮ জন করে সাংবাদিককে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে । প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা গেছে , ইরান আর কিউবার ৩৬ জন সাংবাদিক ছাড়াও বাইরে মধ্যপ্রাচ্য আর পূর্ব এবং উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে ২২ জন সাংবাদিককে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে । এ ছাড়া এশিয়া থেকে ৬ জন আর মধ্য এশিয়া থেকে একজন সাংবাদিককে নির্বাসন দেয়া হয়েছে গত বছরে । কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস তাদের রিপোর্টে সাফ জানিয়েছে , তাদের কাছে গত এক বছরে মোট ৬৭ জন সাংবাদিকের তথ্য এসে পৌঁছলেও , বাস্তবে নির্যাতিত এবং দেশত্যাগী সাংবাদিকের সংখ্যা আরো বেশি । যে সমস্ত সাংবাদিকের তালিকা তারা প্রকাশ করেছে , তারা একাধিক প্রচেষ্টা স্বত্ত্বেও স্বদেশে আর ফিরতে পারেননি । কেমন পরিস্থিতিতে তারা দেশ ছেড়েছেন তার বিস্তারিত বর্ণনাও রিপোর্টে দেয়া হয়েছে । সেই বর্ণনা থেকে দেখা যাচ্ছে , সরকার কিংবা প্রশাসনের দুর্নীতি বা অনিয়ম বা রাজনৈতিক ভ্রষ্টাচার নিয়ে বিপোর্টিং বা মতপ্রকাশ করায় অনেক সাংবাদিককে জেলবন্দি করা হয়েছিল । পরে জেল থেকে ছাড়া মাত্রই তাদের কয়েকজনকে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল । অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এইসব সাংবাদিক । কারো কারো ক্ষেত্রে তাদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে সপরিবারে । কেউ আবার সে সুযোগটুকুও পাননি । অনেকেই চরম অসুস্থ অবস্থায় দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন শুধুমাত্র প্রশাসনিক চাপে । বিদেশে গিয়ে অধিকাংশ সাংবাদিকই চরম বিপর্যয়ের শিকার হচ্ছেন । চরম আর্থিক দুর্দশায় পড়ছেন । সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস এর বক্তব্য , গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলাটা অন্যায় - ২০১১ সালেও বিশ্বের বহু এলাকায় সেটাই ধ্রুব সত্য । এতকিছুর পরও সৎ সংবাদকর্মীদের বিশ্বাস অটুট রয়েছে । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / জেডআর / ০৭ . ১১ঘ . )
আমি আপনার সাথে একমত । পত্রিকায় সেন্সর আরোপ করলে দেখা যায় সবাই বাক স্বধীনতা গেল , গণতন্ত্র গেল বলে রব করে । এখন দেখছি অনলাইন পত্রিকার ব্লগে ও সেন্সর শীপ আছে । গতকাল ধর্ম ও শান্তি নামে একটা পোষ্ট দিছিলাম , সেটা ছাপে নাই । বিষয় টা খুবি আহত করছে আমাকে । কোন ব্লগের কাছে এটা কাম্য না । গালি গালাজ বা অশ্লীল শব্দ কে তারা মডারেট করতে পারে । কিন্তু পুরো মতামত তথা লেখাকেই ছাপলো না ।
শ্রেণীকক্ষে গিয়ে দেখা যায় , তিন শ্রেণীর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণীতে তিনজন , সপ্তম শ্রেণীতে আট জন এবং ৮ম শ্রেণীতে তিন জন ছাত্রী শ্রেণীতে উপস্থিত আছেন । সহকারি শিক্ষক উমেদা বেগম , মাছুমা জেসমিন এবং অফিস সহকারি ডিএম কামরুলকে পাওয়া যায়নি । প্রধান শিক্ষক নুরুন নাহার বেগম তাদের কোন ছুটির অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি । তবে সহকারি শিক্ষকদ্বয় মৌখিকভাবে বলেছেন তারা বিদ্যালয়ে আসতে পারবে না বলে জানান তিনি ।
পুরান বলেছেন : বিদেশ থেকে চাকরি হারিয়ে হাজার হাজার বাংলাদেশী নিঃস্ব হয়ে ফিরে আসছে । বিদেশে জনশক্তি প্রেরণের হার ইতিমধ্যেই প্রায় ৩৫ শতাংশ কমেছে । এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোনো উদ্বেগ কিংবা উদ্যোগ নেই । দেশী - বিদেশী বিনিয়োগ স্থবির হয়ে গেছে । প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে সে সম্পর্কেও থেকেছেন নিশ্চুপ । প্রিয় ভাই - বোনেরা , বিরোধী দলের ওপর জুলুম - নির্যাতন এবং নিষ্ঠুর দলীয়করণের চিত্রও আজ আর তুলে ধরতে চাইনা । বলতে চাই না বিরোধীদলের নেতাদের ধরে নিয়ে মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায়ের উদ্দেশ্যে পৈশাচিক নির্যাতনের করুণ কাহিনী । আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার নিয়েও আমি আজ বেশি কিছু বলবো না । শুধু একটি কথা বলবো । তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল : ' ক্ষমতাধরদের বার্ষিক সম্পদ বিবরণ দিতে হবে । ' তারা এই ম্যানিফেস্টোতে অঙ্গীকার করেছিলেন : ' প্রধানমন্ত্রী , মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সম্পদের হিসাব ও আয়ের উৎস প্রতিবছর জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে । ' দেশবাসী জানতে চান , এই অঙ্গীকার গত দুই বছরে প্রতিপালন করা হয়নি কেন ? আগেরবার ক্ষমতায় এসে নিজেরা দেশকে বিশ্বের এক নম্বর দুর্নীতিগ্রস্থ দেশে পরিণত করেছিলেন । এবার ক্ষমতায় এসে নিজেদের দুর্নীতির সব মামলা খারিজ করাচ্ছেন বা তুলে নিচ্ছেন । আর আমাদের বিরুদ্ধে দিচ্ছেন নতুন নতুন মামলা । এই অবিচার ও বৈষম্যের বিচার কোনোদিনই হবে না বলে কি নিশ্চিত হয়েছেন ? বর্তমান সরকারের আমলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ঐতিহ্যবাহী বিডিআর ধ্বংস হয়েছে । নিহত হয়েছেন সেনাবাহিনীর ৫৭ জন মেধাবী চৌকষ অফিসার । নারীরা নির্যাতিত হয়েছেন । তাদের কান্না আজো থামেনি । সেই রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি । সেই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার আজও হয়নি । প্রকৃত অপরাধীরা অনেকেই ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে । জ্বলন্ত নানান প্রশ্নের কোনো জবাব দুই বছরে মেলেনি । ন্যায্য প্রশ্ন তোলার দায়ে অনেকে নির্যাতিত হয়েছে , চাকরি হারিয়েছে । সরকারের ২ বছর পূর্তি উপলক্ষে সেই প্রশ্নগুলো আমি আজ আবারো দেশবাসীর সামনে তুলে রাখলাম । সাংবাদিক বন্ধুগণ , আপনারা জানেন , শাসক দল আজ সমঝোতা সৌহার্দ ও জাতীয় ঐক্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে । ঘৃণা , বিদ্বেষ , বিভাজন এবং প্রশ্নবিদ্ধ বিচারের নামে তারা রক্ত পিপাসা মেটাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে । জাতীয় স্বার্থ , নিরাপত্তা , মর্যাদা আজ ভূলুণ্ঠিত । জাতীয় মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি আজ বিপন্ন । ধর্মপ্রাণ নাগরিকরা আক্রান্ত । এই পরিস্থিতিতে দেশ বাঁচাতে , মানুষ বাঁচাতে , আমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে গণমানুষের সার্বিক ঐক্য ও প্রতিরোধ । চরম এই দুঃসময়ে আমি সকল দেশপ্রেমিকের কাছে সেই নিবিড় ঐক্য গড়ে তোলার উদাত্ত্ব আহ্বান জানাচ্ছি । সকলকে ধন্যবাদ । আল্লাহ হাফেজ , বাংলাদেশ জিন্দাবাদ ।
৪৭ ৷ ( ১ ) কর্পোরেশনের দৈনন্দিন এবং অন্যান্য সেবামূলক কার্য পরিচালনা নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে সরকার , কমিশনের সহিত পরামর্শক্রমে , কর্পোরেশনের এলাকা , প্রয়োজন অনুযায়ী , অঞ্চলে বিভক্ত করিতে পারিবে ৷
আমি চা খাওয়া আরম্ভ করি ১৯৪৫ সালে এবং আমার চা খাওয়ার হাতে খড়ি ঘটে আমার নানার হাত ধরে । পচাশি বছরের নানার মুখে শুনেছি শহরের কাছাকাছি মোড়ে বিশাল পানির ট্যাংকের সম্মুখের মাঠটিতে বৃটিশ কোম্পানীর মানুষেরা বিনা পয়সায় গরম চা খাওয়ায় । তিনি প্রতিদিন
নরসিংদী , ৩০ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন ও বিভিন্ন অপরাধে নরসিংদী শহরের ৭টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে । আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ - সচিব মো . রেজাউল করিম শেখ , কঞ্জুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ক্যাব ) এর প্রতিনিধি মো . মোফাজ্জল হোসেন , র্যাব - ১১ এর এএসপি কাজী আহসান হাবিব , নরসিংদী চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো . নিজাম উদ্দিন ও নরসিংদী সদর থানার উপ - পুলিশ পরিদর্শক কাশিফ সানোয়ার যৌথ অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করেন ।
ত্বকের যত্ন নেওয়া উচিত সারা বছর । তবে রোদ - বৃষ্টির মাতামাতিতে তা যেন আরও বেশি দরকার । কখনো বৃষ্টি , কখনো রোদের দাপটে হার মানছে হচ্ছে আমাদের ত্বক । হারমনি স্পার রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা জানালেন , এই সময়ে হাত - পায়ের যত্ন নেওয়ার কিছু উপায় । বৃষ্টির কারণে ফাংগাল ইনফেকশন হয় । এ জন্য খুব ভালো করে হাত - পা পরিষ্কার করা উচিত । সপ্তাহে একদিন স্ক্রাব করলে ভালো হয় । চালের গুঁড়ার সঙ্গে শসার রস , গাজরের রস ও মসুর ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করলে ভালো হবে । গরম পানির মধ্যে আধ চামচ শ্যাম্পু , একটু লবণ দিয়ে পা ডুুবিয়ে রাখতে পারেন ১০ - ১৫ মিনিট । ব্রাশ দিয়ে এরপর পা ঘষে নিন । বাজারে মাটির ঝামা কিনতে পাওয়া যায় , সেটা দিয়ে গোড়ালির নিচের অংশটুকু ঘষে নিন । মরা চামড়া উঠে যাবে । বাজারে মেনিকিউর , পেডিকিউর কিট কিনতে পাওয়া যায় । এতে নখ পরিষ্কার করার সামগ্রীও থাকে । এগুলো ব্যবহার করতে পারেন । নখে একটু ভ্যাসলিন লাগিয়ে নখের চারপাশ পরিষ্কার করে নিন । লেবুর রসও খুব ভালো পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে । সবশেষে ময়শ্চারাইজার লাগাতে হবে । সপ্তাহে দুবার এভাবে যত্ন নিলে হাত পা দুটি ভালোই থাকবে । তবে নরম ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে । লেবু যাতে ত্বকে খুব একটা না লাগে সেদিকটায় খেয়াল রাখতে হবে । কারণ অনেকের ত্বকে এতে জ্বালাপোড়া করে । কনুইয়ের অংশে অনেক সময় কালো ছোপ পড়ে যায় । মধু ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে আলতো করে ঘষুন । কালো ছোপ কমে যাবে । ফাংগাল ইনফেকশনের কারণে অনেকের হাত - পায়ে ছোপ ছোপ দাগ পড়ে যায় । দুধ , মধু , লেবুর রস , মসুর ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে একটু ঘন পেস্টের মতো করে লাগিয়ে নিন । প্রতিদিন ব্যবহারে সুফল পাবেন । এ ছাড়া তিলের পেস্ট , কাঠ বাদাম ও ময়দা মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন । তৈলাক্ত ত্বক ছাড়া প্রায় সব ধরনের ত্বকের জন্যই এটি ভালো । তেঁতুল ও মধুর মিশ্রণ লাগাতে পারেন তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা । যাঁরা এ সময় শুষ্কতায় ভুগছেন , তাঁরা ঘরোয়া ময়শ্চারাইজার বানাতে পারেন । তিলের তেল , গ্লিসারিন ও গোলাপ জল একসঙ্গে মিশিয়ে লাগালে শুষ্ক ভাব কমে যাবে । এ সময় ত্বক যেন অনেক সময় ধরে ভেজা না থাকে , সেদিকেও খেয়াল রাখুন ।
নগর বালকে মাঝে মাঝে যাই . . আর রেডিও মেট্রো নিয়মিত শুনি । দোয়া করি আপনাদের লক্ষ পূরন হোক . .
আমি এখনো শুনিনাই যে তোমারে কেউ বোকা বলছে , তাই তুমি এখনো বোকা হও নাই ।
এদিকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয় । কেননা , বহু মার্কিন সৈনিক হেরোইন আসক্ত হয়ে ঘরে ফিরে । এখনো কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর পাশের রাজ্যগুলোতে হেরোইনসেবীর সংখ্যা বেশি । এ ছাড়া এশিয়ার মার্কিন ডিইএর উপস্থিতিতেও অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে সর্বাধিক ।
বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় শতক হলেও বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম । এছাড়া একদিনের ক্রিকেট জীবনে এটি তার সর্বোচ্চ রান । এর আগে তার সর্বোচ্চ রান ছিল ১৪৬ । এই রান করেন তিনি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০০৯ সালে রাজকোটে ।
( ৫ ) সালিশী পরিষদের অনুমতি ছাড়া কোন ব্যক্তি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে তাকে -
কৌশিক বলেছেন : তূর্যের সাথে সহমত , - ) যাননা চলে যান , সেটাই আপনাদের যথার্থ স্থান । ফারাক্কা দিয়ে পানি শোষণ , বাংলাদেশ ' কে মরুভুমি বানানো , সীমান্তে বিএসএফ কতৃক নির্বিচারে বাংলাদেশীদের হত্যা , কাটাতারে ফেলানীর লাশ , বিনাশুল্কে ট্রানজিট , সাংস্কৃতিক আগ্রাসন এতো কিছুর পর ' ও যদি ভারত ভারত শ্লোগান দিতে মন চায় তাহলে আপনাকে ভাদা না বলে আর কিইবা বলা যায় ? ? ? ? ? ? ? ? ? ? ? ? ? ? ? ?
সৃষ্টির পরপরই বুধ গ্রহে বিপুল পরিমাণ ধূমকেতু এবং গ্রহাণু আঘাত হানে । আঘাতের এই সময়টি " লেট হেভি বম্বার্ডমেন্ট " ( late heavy bombardment ) নামে পরিচিত । আজ থেকে প্রায় ৩ . ৮ বিলিয়ন বছর পূর্বে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে । এ সময় বুধের পুরো ভূতল আক্রান্ত হয় । উপরন্তু এর কোন বায়ুমণ্ডল না থাকায় আঘাতের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায় । তখন গ্রহটি আগ্নেয়ভাবে সক্রিয় ছিল । বুধের অনেকগুলো অববাহিকা যেমন ক্যালরিস অববাহিকা তখন গ্রহের ভিতর থেকে বের হয়ে আসা ম্যাগমা দ্বারা পূর্ণ ছিল । এর ফলে গ্রহে সুষম তলের সৃষ্টি হয় যা অনেকটা চাঁদের সাগরের মত ।
গানে - কবিতায় আড্ডায় - আলোচনায় পালিত হলো কবি সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক শাহীন রেজার ৪৯ তম জন্মদিন । এ উপলক্ষে ২৯ মে রোববার বিকেলে বেইলী রোডস্থ ' বৈচিত্র ' পত্রিকার কার্যালয় পরিণত হয়েছিল . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
তুরস্কের চলচ্চিত্র পরিচালক ইলমাজ গু ' নে জন্মগ্রহণ করেন ১ এপ্রিল , ১৯৩৭ সালে , আদানা শহরের দক্ষিণে ইনিস গ্রামের ভূমিহীন কৃষক পরিবারে । তাঁর পিতা ছিলেন তুরস্কের দক্ষিণপূর্বের জাজা জনগোষ্ঠীভুক্ত আর মা ছিলেন কুর্দ । তাঁরা আদানার তুলা খেতে কাজ করতেন । ছোটবেলা থেকে তুরস্কের গ্রামীণ শ্রমজীবী দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রামের সাথে বেড়ে ওঠা পরবর্তীতে গু ' নে কাজের প্রেক্ষাপট ও ভিত্তি তৈরী করে দেয় । তিনি আইন ও অর্থনীতি বিষয়ে আঙ্কারা ও ইস্ত . . .
ঠিকই বলেছেন , প্রশ্নটি আমি প্রজন্ম ফোরামেও দিয়েছিলাম । একই উত্তর পেয়েছি ।
( চ ) এই আইনের বিধান অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস - চ্যান্সেলর নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বিলুপ্ত কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক , ভাইস - চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করিবেন ; এবং
ডিউরডান্ট শিমুল বলেছেন : ভাই , এর চেয়ে নৃশংস ঘটনা কি হতে পারে জানিনা - - -
বরং , সেখানে সদর্পে পদচারণা করছে সামরিকবাহিনীর অন্য আরেকটি প্রতিষ্ঠান - আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ৻
কুড়িগ্রাম , ১০ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : ইসলামী দলগুলোর ডাকা ৩০ ঘণ্টা হরতালের প্রথম দিন আজ রোববার কুড়িগ্রামে শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হচ্ছে । সকাল থেকেই শহরের অধিকাংশ দোকানপাট ছিল বন্ধ । দূরপাল্লার কোনো যানবাহন ছেড়ে যায়নি । অফিস - আদালত ও ব্যাংক - বীমা খোলা থাকলেও আগন্তুকদের সংখ্যা ছিল কম ।
> > নোটিফিকেশন এরিয়াতে Customize - এ ক্লিক করুন । কন্ট্রোল প্যানেলের নোটিফিকেশন এরিয়া আইকন সেটিংস ওপেন হবে ।
এদিকে টেকনোলজি ব্লগ টেকক্রাঞ্চ আরও জানিয়েছে , ফেইসবুক ইতোমধ্যেই প্লেসবুক নামের একটি সাইটকে নাম পরিবর্তন করে ট্রিপটেস বানানোর জন্য নোটিশ দিয়েছে । একইসঙ্গে টিচার্সবুক নামের নতুন একটি কমিউনিটি সাইট , যেটি কেবল শিক্ষকদের জন্য তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে , তারও নাম বদলের নোটিশ দিয়েছে ফেইসবুক । নাম না বদলালে আদালতে যাবে ফেইসবুক , এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে । তবে তাদের এই নোটিশ প্রেরণের পর টেকক্রাঞ্চ আরও প্রায় ১০টি সাইটের নাম উল্লেখ করেছে যেগুলোর নাম ' ফেইসবুক ' শব্দটির আদলেই রাখা হয়েছে ।
অনেক আগেই ব্লগে লিখেছিলাম , আমরা পোষা প্রানী . . . আমরা পুষতে ভালোবাসি । আমরা দূঃখ পুষি , কস্ট পুষি , সুখ পুষি , আবার নিরিহ প্রানী পুষি . . . হিংস্র জন্তু পুষি । আমরা মানুষরুপি পশুও পুষি । পত্রিকা খুললেই দেখি , শিশু একটা বাচ্চাকে ভিক্ষে নামানোর জন্য , লিঙ্গ কেটে বিকলাঙ্গ করা হয় । হাত পা কেটে ভিক্ষায় নামানো হয় । আমরা এমন নিস্পাপ ভিক্ষুকও পুষি । আমরা ৭১ এর জগন্য রাজাকার পুষি দুধ কলায় . . . হিংস্র সাপ পুষি দরবার হলে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সামরিক অফিসারদের হত্যাকান্ড ঘটানোর জন্য । একটা বিষাক্ত সাপ কখনো এতোগুলো মানুষকে ছোবল দেবেনা । খাবেনা একটা হিংস্র জন্তু এতোগুলো মানুষের লাশ . . . হয়তো বনের অতি হিংস্র জন্তুটাও আতকে উঠবে । আমরা কিছু হিজড়া পুষি . . . যারা কিনা ক্ষমতায় বসে আছেন । তারা রেগুলার আমাদের পুটকি মেরে নির্মল আনন্দ আর হালকা চিনচিনে ব্যাথার আওয়াজ . . . আহা উহু শব্দ টুকু উপহার দিয়ে যান নিত্য । আমরা বড়ই পুষারু জাতি . . . আহা গর্বিত ।
নিউজিল্যান্ডের জাতীয় রাগবি টিমের সুপারস্টার সনি বিল উইলিয়াম ইসলাম গ্রহণ করেছেন । সনি বিল উইলিয়াম নিউজিল্যান্ডের জনপ্রিয় রাগবি খেলোয়াড় । ইসলাম গ্রহন করে তিনি নিয়মিত নামাজ আদায় করেন এবং রমজানের রোজা রাখেন । গত রমজানে তিনি রোজা রেখে জাতীয় লীগে খেলেছেন । ইসলাম গ্রহণ করার পর সনি বিল উইলিয়াম হালাল খাবার গ্রহণ করছেন । তার জন্য হালাল খাবারের ব্যবস্থা করা হয় । তার ইসলাম গ্রহণে তার কোচ ও অন্য খেলোয়াড়রা ভাল ভাবেই গ্রহন করেছেন । সনি বিল উইলিয়াম একজন পেশাদার মুষ্টিযোদ্ধাও । তিনি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মুষ্টিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে থাকেন ।
নির্বাচন কমিশনের তরফে গৌতমমোহন চক্রবর্তীকে সরানোর কথা বলা হয়েছিল . কমিশনের বিধি অনুযায়ী পুলিশের কোনও ফিল্ড অফিসার যদি তিন বছরের বেশি একই পদে থাকেন তাহলে নির্বাচনের সময় তাঁকে সরাতে হবে ৷ এই নিয়মের উল্লেখ করেই সাড়ে তিন বছর পুলিশ কমিশনার পদে থাকা গৌতমমোহনকে সরানোর কথা বলে কমিশন . তবে গৌতমমোহনকে কমিশনার পদে রাখার পক্ষে সওয়াল করেছিল রাজ্য . মুখ্যসচিব বলেছিলেন , নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ কমিশনার অন্য পুলিশ অফিসারদের মতো বদলির আওতায় পড়েন না . তবে পাশাপাশি মুখ্যসচিবের তরফে কমিশনের কাছে এও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল যে , একান্তই গৌতমমোহনকে সরাতে হলে স্পেশাল কমিশনার হিসেবে কর্মরত আর কে পচনন্দা তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন . নির্বাচন কমিশন মুখ্যসচিবের প্রথম প্রস্তাবটি খারিজ করলেও পচনন্দাকে কমিশনার হিসাবে নিয়োগের প্রস্তাবটি মেনে নেয় . এ ব্যাপারে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীকের কাছে আজ চিঠিও পাঠিয়েছে কমিশন ৷
পোস্ট করা হয়েছে : মঙ্গল এপ্রিল ২৭ , ২০১০ ১ : ৫৩ অপরাহ্ন
রাজ বলেছেন : মূল কাহিনীতে ডুকবার চাই . . . তবে দারুন হইছে শুরুটা ।
এদিকে রাউজান বিদ্যুত্ কেন্দ্রের দুইটি ইউনিট ওভারহলিংয়ের কারণে গত নয় মাস যাবত্ বন্ধ । চট্টগ্রাম বিদ্যুত্ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী বিমল কুমার হাওলাদার ইত্তেফাককে জানান , এক নম্বর ইউনিটের ওভারহলিং কাজ শেষ হয়েছে । ২ / ১ দিনের মধ্যে উত্পাদন শুরু হবে । এতে দৈনিক ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করা যাবে । ২ নম্বর ইউনিটের মেরামত কাজ চলতি জুলাই মাসে শেষ হবে । নতুন পুরনো বিদ্যুত্ কেন্দ্রগুলো চালু হলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে চট্টগ্রামে বিদ্যুত্ পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হবে । পিডিবি ' র চট্টগ্রাম জোনে চট্টগ্রাম , কক্সবাজার , তিন পার্বত্য এলাকায় বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা প্রায় ৬৩০ মেগাওয়াট , বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ মেগাওয়াট ।
গল্প : " একটি দুঃস্বপ্নের মৃত্যু " ১৬৮ ভোট | ৬২ মন্তব্য | ৬১২ দর্শন
এরকম বহুমাত্রিক টানাপোড়েনের সমান্তরালে লেখক নিখুঁত রেখায় একেঁছেন সমাজের চিত্র , আর ব্যক্তি কর্নেলের সার্বক্ষণিক লড়াই , নিজের সাথে নিজের । যিনি প্রতিনিয়ত অনুভব করেন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে । কর্নেলের দারিদ্র্যটুকু বেশ প্রকটভাবেই ফুটে উঠে প্রথম লাইনে যখন লেখক বলেন ,
প্রজন্ম ফোরাম » তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি » কোন সার্ভিস প্রোভাইডার থেকে কম খরচে ডোমেইন নেম সার্ভিস প্রদান করে ?
করাচীর আওরাঙ্গি অঞ্চলের একটি বাড়ীতে বোমা তৈরীর সময় বিস্ফোরণে শিয়া হত্যাকারী চার সন্ত্রাসী হতাহত হয়েছে ।
এ , বি , এম , আল - আমীন চৌধুরী বলেছেন : ধন্যবাদ আমার ব্লগ বাড়ীতে আসার জন্য ।
তির্যক বলেছেন : আপনার বয়স কি তখন বোঝার মত ? যদি তাই হয় তবে আপনার চোখে ৭১কে আরো নিরপেক্ষ ভাবে দেখতে চাই । পারবেন কি কোন দলের উর্ধে উঠতে ? তবে আমাদের এ প্রজন্মের জন্য ধারবাহিক ভাবে লিখার জন্য অনুরোধ করছি ।
১ . বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পরপরই যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে , দালাল আইনের আওতায় । এর মান নিয়ে কোনও আপত্তিই ওঠেনি তখন , বরং সেটি ছিল আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত । কিন্তু ১৯৭৫ - এর ১৫ আগস্টে সংগঠিত সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে নতুন সরকার আসার পর পর্যায়ক্রমে এ বিচারের কাজ বাতিল করে দেয়া হয় । দালাল আইন এবং এর আওতায় বিচার কার্য বাতিল করে দেয়া হলেও ১৯৭৩ সালের ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইবুনাল এ্যাক্টটি তখনো বলবত ছিল । স্বাধীনতার ইতিহাসকে উল্টে দেয়ার এজেন্ডা নিয়ে যারা তখন ক্ষমতায় এসেছিল , এবং তাদের যে সব অনুসারীরা পরে ক্ষমতায় এসেছে , তারাও কেউই এই আইনটিকে কখনোই সংশোধন করেননি , এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কোনও প্রশ্নও তোলেননি , বাতিল তো করেইনি । যদিও , তারা বিচারের আইনগত এবং নৈতিক দায়িত্বে অবহেলার মধ্য দিয়ে অপরাধের শিকার অসংখ্য মানুষকে আশাহত করেছেন । আপনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে সামান্য একটু দৃষ্টি দিলেই বুঝতে পারবেন , আজ যারা এ আইনটিকে পুঁজি করে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে লবিং করছে , আইনটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে , তারাই তখন বিচারের কাজ বাতিল করেছিল । তারা কখনোই চিন্তা করেনি , বাংলাদেশের মানুষ একদিন মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠবে - যদি চিন্তা করত , তা হলে নিশ্চয়ই তারা এ আইনটিও বাতিল করে দিতো । আপনাদের আজ কষ্ট করে এই সেমিনার করতে হতো না ।
কালকের খেলার পর আসি , পার্টিটা জমবে ভাল ; কি বল সাদিব !
বীরগঞ্জ ( দিনাজপুর ) সংবাদদাতা : বীরগঞ্জে গতকাল বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে মাওলানা আজিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বীরগঞ্জ উপজেলা উপদেষ্টা ও বীরগঞ্জ পৌর মেয়র মাওলানা মো . হানিফ । এ দিকে বীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্দ্যেগে মে দিবস উদযাপিত হয় । বৈরাগী বাজার রিকশা - ভ্যান ও কুলি শ্রমিক ফেডারেশন মে দিবস পালন করে ।
আব্দুল মোমেন বলেছেন : এখানে শান্তি অছে । আপনাকে ধন্যবাদ ।
" না " গুর্ডজিয়েফ ধমকে বলেন " মাত্র একটা গাছ হলেও হতে পারে , হয়তবা একটাও নয় । "
প্রজন্ম ফোরাম » বিবিধ » হাসির বাক্স » একটু হাসেন না প্লিজ !
এক . আরশোলার ঠোটে চুমু খেতে চেয়ে কাল সারা বিকেল এবং রাত ওত পেতে বসেছিলাম তাহার পাশে । আরশোলা কেবল এদিক ওদিক ঘুরে ফেরে আবিষ্কারের নেশায় । কখনো তামাম বছরের গায়ে দিয়াশলাই ঘর্ষণে জ্বলে উঠেছে আগুণ । গুনগুন গান গেয়ে আরশোলা উড়েছে আগুণের শিখায় শিখায় । আরশোলারে পোষা পাখি ভেবে আমি তার প্রেমে পড়ে গেছি , কখনো ভাবি নাই আগুণ পাখি ছাড়া আর কেউ দীপ্তিমান উড়ে . . .
ফাইয়াজ বীরশেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ রাইফেলস পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র এই ছেলে । চশমা চোখে ছোটখাটো নাদুসনুদুস চেহারার ছেলেটি মায়ের অতি বাধ্যগত । পড়াশুনার পাশাপাশি চলছে ড্রামস চর্চা ।
DBBL এর একাউন্ট থেকে মানিবুকার্সের মাধ্যমে টাকা তোলা যায় । এজন্য DBBL এ প্রথমে একাউন্ট খুলতে হবে , এরপর মানিবুকার্স একাউন্টে আপনার ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করতে হবে ।
আমরা শিক্ষকদের দায়িত্বে অবহেলা বলতে শুধুমাত্র পাঠদানে অবহেলা করার বিষয়টা বুঝে থাকি । কিন্তু যদি শিক্ষক কোয়ালিটি কন্ট্রোল ঠিকমত না করেন , এবং সমাজ এবং নিয়োগকারী / উচ্চতরা শিক্ষাব্যবস্থাকে উপযুক্ত কর্মী / শিক্ষার্থী বেছে নিতে সাহায্য করার মত ফলাফল না দেন , তবে সেটাও সমাজের প্রতি চরম দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত বলে মনে করি । এই প্রসঙ্গে গণহারে এস . এস . সি . তে A গ্রেড পাওয়ার ব্যাপারটা উল্লেখযোগ্য মাত্রার দৃষ্টিকটু লাগে . . . মনে হয় কোনো কারখানায় প্রোডাক্ট উৎপন্ন হওয়া মাত্র সর্বোচ্চ মানের বলে নিশ্চয়তা দেয়া হচ্ছে ।
ঢাকা , ১০ জুলাই : মোবাইল ফোন অপারেটরদের হিসাব নিরীক্ষায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ প্রশ্নে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের ওপর স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে । একইসঙ্গে আগামী ১৪ জুলাই লিভ টু আপিলের ওপর শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ।
' জ্ঞানানন্দ সংগ্রামী ' থেকে মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । তিনি ছিলেন বাবা - মার পঞ্চম সন্তান । তাঁর বাবা মফিজ উদ্দিন আহমদ ছিলেন ইংরেজ আমলে সরকারি জরিপ বিভাগের একজন কর্মকর্তা । শহীদুল্লাহর মাতা হরুন্নেছা খাতুনের শিক্ষার প্রতি ছিলো প্রচণ্ড আগ্রহ । তিনি বাড়িতে তাঁর পরিবার ও পেয়ারা গ্রামের অন্যান্য মহিলাদের শিক্ষা দিতেন । প্রথম দিকে মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম রাখা হয় মুহম্মদ ইব্রাহীম । কিন্তু পরবর্তী সময়ে পিতার পছন্দে আকিকা করে তাঁর নাম পুনরায় রাখা হয় মুহম্মদ শহীদুল্লাহ । পরিবারে তিন বোন ও চার ভাইয়ের মধ্যে শহীদুল্লাহ ছোটোবেলায় ছিলেন দারুণ আমুদে ও আত্মভোলা । বাড়ির সবাই আদর করে তাঁকে ডাকতেন ' সদানন্দ ' বলে । গ্রামের পাঠশালায় পণ্ডিত মশাইরা তাঁকে ডাকতেন ' সিরাজ দৌলাহ ' নামে । কিন্তু তিনি নিজের নাম রেখেছিলেন ' জ্ঞানানন্দ সংগ্রামী ' ।
ট্যাক্সিওয়ালা যথারীতি স্প্যানিশভাষী ' অ্যামিগো ' । আমরা বাংলায় কথা বলছি । আমাদের কথোপকথন থেকেই ব্যাটা কার না কী তা ঠাওর করে ফেলল । একটু পরে ব্যাটা ইমণকে জিজ্ঞাসা করল , " ইমণ । অরল্যান্ডো কেমন লাগছে ? "
l আদিবাসী মহিলা স্বশক্তিকরণ যোজনা : অনগ্রসর শ্রেণী বিভাগের অধীন পশ্চিমবঙ্গ তফসিলী ও আদিবাসী উন্নয়ন বিত্ত নিগম পরিচালিত এই প্রকল্পে আদিবাসী মহিলারা সর্বাধিক ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ পেতে পারেন । সুদের শতকরা হার ৩ টাকা । চলতি আর্থিকবর্ষে ২৫০০ জনকে প্রায় ৫ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে ।
তারমানে কি পরিচালক স্বাধীনতা বিরোধিদের কাতারের কেউ বা এ ছবি তাদেরই কোনো গোপন প্রজেক্ট ?
১৯৭৬ সালের ৪ জুন তাহেরের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা মামলার এজাহার আদালতে জমা দিতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত ।
ঝড় শুরু হলেই আমি রাস্তায় নেমে যাই । প্রকৃতিদেবীর এই উপহারটির সঙ্গে আসলে কোনোকিছুর তুলনা চলে না । এখন আবার মনে আরেকটা ইচ্ছা তৈরী হয়েছে । একটা ভীষণ ঝড়ের মধ্যে রমনা পার্কে গিয়ে বসে থাকবো । সোহরাওয়ার্দী পার্কের প্রতি বর্গইঞ্চি চিনি । ঝড়ের সময় কি হয় , কে কই আশ্রয় নেয় , কোন দিকে তাকিয়ে বাতাসের কীর্তিকলাপ দেখে মুগ্ধ হয় ; সব জানি । অথচ ঠিক উল্টোদিকেই রমনা । তার কিচ্ছু চিনি না !
অভিনয়ঃ ভানু বন্দোপাধ্যায় , রুমা গুহঠাকুরতা , জহর রায় , রবি ঘোষ , তরুন কুমার , মনোজ চক্রবর্তী
এসব মূর্তির অনুসরণে অল্পকালের মধ্যে হেজাযের সর্বত্র শেরকের আধিক্য এবং মূর্তি স্থাপনের হিড়িক পড়ে যায় । বলা হয়ে থাকে যে , একটি জিন আমর ইবনে লোহাইয়ের অনুসারী ছিলো । সে আমরকে জানালো যে , নূহের জাতির মূর্তি অর্থাৎ ওয়াদ্দা , সূরা , ইয়াগুজ , ইয়াউক এবং নাসর জেদ্দায় প্রোথিত রয়েছে ।
ব্রাউজার বন্ধ করে সচলায়তন লোড করে দেখুন সমস্যার সমাধান হয়েছে কিনা ।
আমাদের এই নীল আকাশটা অনেকগুলো চাদরের সমষ্টি । একটার পর একটা বিছানো । আমাদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য । এই চাদরগুলো না থাকলে পৃথিবীটা একদিনেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারতো । প্রতিনিয়ত আমাদের উল্কাপাত থেকে রক্ষা করছে এই চাদর । আবার এই আকাশ আমাদের সূর্যের প্রচন্ড তাপের হাত থেকেও রক্ষা করছে , অতিবেগুনী রশ্মিকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে ।
এই ছওয়াব - রোজগারী কাজের মাধ্যমে অর্থ রোজগারও চলছে । মাসে সাত ডলার । বছরে পঞ্চাশ । আর পুরো পদ্ধতিটি কীভাবে কাজ করে , এখানে জেনে নিন ।
তবে সবথেকে বড় কথা , কেউ যদি দরজা খুলে ঘুমায় তাহলে তো চুরি ডাকাতি হতেই পারে সবার উচিৎ নিজের সিকিউরিটির দিকটা তত্বাবধান করা ।
Recycle Bin বলে ডিস্কে কিছু খুঁজে পাবেন না , এটা শুধুমাত্র ডেস্কটপ বা উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে একটি ভার্চুয়াল লিংক ( এর টেকনিকাল নাম হলো " নেইমস্পেস " ) হিসাবে থাকে । Recycle Bin - এর কন্টেন্টগুলো Recycler ( বা কোনো সিস্টেমে Recycled ) নামের ফোল্ডারে ডিস্কে জমা থাকে । Recycle Bin ক্লিয়ার করলে এই ফোল্ডার থেকেই ফাইলগুলো ডিলিট হবে ।
ব্লগ টিম আশা করছে , ব্লগাররা সকলেই পোস্টে ও প্রয়োজনে মন্তব্যে যথাযথ রেফারেন্স / তথ্যসূত্র প্রদান করবেন ।
বড়দরগা হাইওয়ে পুলিশের সার্জন দুরুল হুদা জানান , দুপুরে রংপুর থেকে ঢাকাগামী একটি বাস বৈরিগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রংপুর - ঢাকা মহাসড়কে খাদে পড়ে যায় । এতে ২০ জন আহত হয় । তবে এখন পর্যন্ত কেউ নিহত হয় নি । ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে ।
আশা জাগানিয়া কথাও আজকাল ভাল ঠেকিতেছে না । এই সকল কথা শুনিলে মনে হয় গালে হাত দিয়া দিগন্তের দিকে ( মনে মনে ) চাহিয়া থাকি । রাত্রিকালে ঢাকা শহরের রাস্তায় পরিভ্রমণ আমার ভালো লাগিত । এইখানেও বিপত্তি বাধাইল আমাদের বাড়িয়ালা মহোদয় । " রাত্র এগার ঘটিকায় গেট বন্ধ হইয়া যাইবে " - কটিদেশে হস্তযুগল স্থাপন করিয়া উচ্চকণ্ঠে তিনি উহা বর্ণনা করিয়াছেন । অবশ্য তিনি নিজে কর্মক্ষেত্র হইতে প্রত্যাবর্তন করেন রাত্র দেড় ঘটিকায় । বাড়ির সম্মুখের রাস্তায় খবরের কাগজ বিছাইয়া রাত্রি যাপন করিয়াছেন - এইরূপ নজিরও নাকি বিদ্যমান শুনিয়াছি ।
মধ্যপ্রাচ্যে জনপ্রিয় জেসমিন বিপ্লবে শঙ্কিত চীনা শাসকরা । দেশটিতে বিক্ষোভের ডাক দেওয়ায় ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ । এরই মধ্যে কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার কর্মীকে জেলখানা থেকে গুপ্ত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে । সেন্সর আরোপ করা হয়েছে কয়েকটি ওয়েবসাইটের ওপর । খবর এএফপি ও এপি অনলাইনের । ওয়েবসাইটে বেইজিং , সাংহাই , গুয়াংজু ও অন্য ১০টি বড় শহরে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয় । বিক্ষোভকারীদের ' আমরা খাবার চাই , আমরা কাজ চাই , আমরা ঘর চাই , আমরা ন্যায়বিচার চাই , স্বাধীনতা দীর্ঘজীবী হোক , গণতন্ত্র দীর্ঘজীবী হোক ' বলে স্লোগান দেওয়ার আহ্বান জানানো হয় । কয়েকটি ওয়েবসাইটে রাজনৈতিক সংস্কার ও একদলীয় শাসনের অবসানেরও দাবি জানানো হয় । প্রথমে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয় চীনা ভাষার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বক্সান ডটকমে । বাকি ওয়েবসাইটগুলো নির্বাসিত চীনা রাজনীতিকদের । গতকাল রোববার চীনা মানবাধিকার কর্মীরা জানান , ১৫ জনের মতো মানবাধিকার আইনজীবীকে শনিবার থেকে জেলখানায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না । শহরের রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ । কয়েকটি ওয়েবসাইটের ওপর সেন্সর আরোপ করা হয়েছে । রাজধানী বেইজিংয়ের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক কেন্দ্র ওয়াংফুজিংয়ে গতকাল বিক্ষোভ করার জন্য জমায়েত হওয়ার আহ্বান জানানো হয় । সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ছিল । তবে ব্যস্ততম এলাকা হওয়ায় তারা বিক্ষোভ করতে এসেছিলেন কি - না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি । সেখান থেকে দুজনকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে । তাদের একজন শাসকদের সমালোচনা করছিলেন । অপরজন খাবারের জন্য চিৎকার করছিলেন । এছাড়া সাংহাই , হারবিন , গুয়াংজু ও চেংগুতেও কিছুসংখ্যক বিক্ষোভকারী উপস্থিত হয় । ওই এলাকাতেও বিপুল সংখ্যক পুলিশ ছিল । তবে কেউ গ্রেফতার হয়েছেন কি - না তা জানা যায়নি । শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার আইনজীবী লি জিনসং বলেন , এ বিক্ষোভের ডাককে আমি তেমন গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি না । এখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ থাকায় কেউ সত্যিকার অর্থে বিক্ষোভ করতে পারবে বলে আমি মনে করি না । তবে এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন চীন সরকার । পুলিশের ব্যস্ততায় তা - ই মনে হয় । মধ্যপ্রাচ্যের জেসমিন বিপ্লবের ঢেউয়ে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে কমিউনিস্ট শাসিত চীনে । বিক্ষোভের ডাক দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপুল সংখ্যক ভিন্ন মতাবলম্বী রাজনীতিক ও আইনজীবীকে পুলিশ আটক করে । অন্যদের গৃহবন্দি করা হয়েছে । তাদের টেলিফোন ও মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে । প্রখ্যাত মানবাধিকার কর্মী তেং বিয়াবো , জু জিয়াং ও জিয়াং তিয়াংইয়ংয়ের মোবাইল ফোনে বারবার ফোন করেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি । চীনের মাইক্রো ব্লগ ওয়েইবো ও বাইদুতে সার্চ করে কোনো রেজাল্ট পাওয়া যাচ্ছে না । বাইদুতে বলা হচ্ছে , সরকারি বিধিনিষেধের কারণে কোনো রেজাল্ট নেই । চীনের প্রেসিডেন্ট হু জিনতাও সামাজিক অস্থিরতার কথা স্বীকার করে সামাজিক নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন । ইন্টারনেটের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করার কথাও বলেছেন তিনি ।
কান্তিচন্দ্রের বয়স অল্প , তথাপি স্ত্রীবিয়োগের পর দ্বিতীয় স্ত্রীর অনুসন্ধানে ক্ষান্ত থাকিয়া পশুপক্ষী - শিকারেই মনোনিবেশ করিয়াছেন । দীর্ঘ কৃশ কঠিন লঘু শরীর , তীক্ষ্ণ দৃষ্টি , অব্যর্থ লক্ষ্য , সাজসজ্জায় পশ্চিমদেশীর মতো ; সঙ্গে সঙ্গে কুস্তিগির হীরা সিং , ছক্কনলাল , এবং গাইয়ে বাজিয়ে খাঁসাহেব , মিঞাসাহেব অনেক ফিরিয়া থাকে ; অকর্মণ্য অনুচর - পরিচরেরও অভাব নাই ।
বদমাশ বলেছেন : অর্ণবদা আপনি কি কারণে রবি ঠাকুর আর ভারতের পেছনে লেগেছেন বুঝছি না । যাহোক অনেক সাহসী এই পোস্টে বাস্তবতা ফুটে ওঠানে পেলাচ । উপরে আপনার ই একটা পোস্ট স্টিকি আছে । তাই কি বলা যায় দেখাযাক মডারেশন বোর্ড কি করেন । অনেক ধন্যবাদ । এই ধরণের আলো লেখার প্রত্যাশায় । । আর সেই সাথে আমার ব্লগ ঘুরে আসার আমন্ত্রণ ।
তানিম বলেছেন : বেশ সুন্দর একটা পোস্ট । আপনাদের সবাইকে আমার নববর্ষের শুভেচ্ছা এবং আমার ব্লগবাড়িতে নিমন্ত্রন নববর্ষের কবিতা পড়বার জন্যে । আমি এই ব্লগে নতুন কিন্তুক । না গে ল রাগ করুম ।
বাংলাদেশে খুব গরিব যারা তারা অভাবের কারণে চাকুরী করতে বাধ্য হন । কিন্তু পেপার পত্রিকায় দেখা যায় তারাও ইভটিজিং সহ নানাধরণের শাররিক এবং মানসিক নির্যাতনের শিকার হন ।
3100 টা নতুন মডেল , রাইট ? আমি আপনাকে ভুলে অন্য একটা পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরার কথা বলে ফেলেছি , স্যরি এ্যাবাউট দ্যাট ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ঢাকা , রবিবার , ২৬ জুন ২০১১ : তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর বিলসহ বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের . . বিস্তারিত
জনমনে প্রত্যাশা ছিল , সাংসদদের গণতন্ত্র চর্চার ক্ষেত্র বিকশিত করতে ৭০ অনুচ্ছেদের প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে । কিন্তু যে সংশোধনী আনা হয়েছে এর সঙ্গে আগের বিধানের মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই । সরকার গঠন বা সরকারের প্রতি আস্থা - অনাস্থার ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে ভোটদানের বাধা দূর করলে সেটি হতো অধিকতর গণতান্ত্রিক । পঞ্চদশ সংশোধনী গণতান্ত্রিক অধিকার প্রসারিত করেছে এমন দাবির সুযোগ নেই । এটি মৌলবাদী ও জঙ্গিদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে , আর কেড়ে নিয়েছে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার বাহাত্তরের সংবিধান মুক্তিযুদ্ধের ফসল । দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিকশিত চেতনা ও মূল্যবোধ এতে বিধৃত হয়েছিল । রাষ্ট্র পেয়েছিল দেশ পরিচালনার যুগোপযোগী দিকনির্দেশনা । কিন্তু চতুর্থ , পঞ্চম , সপ্তম , অষ্টমসহ বিভিন্ন সংশোধনীর ছুরিতে এটি ক্ষতবিক্ষত , বিকৃত ও লক্ষ্যচ্যুত হয় ; সংবিধানের গায়ে পরানো হয় ধর্মীয় ও অগণতান্ত্রিক আলখাল্লা । দীর্ঘদিন ধরে একাত্তরের বিজয়ী জাতির দাবি ছিল বাহাত্তরের সংবিধানের মূল কাঠামোতে সংবিধানকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক । আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী বাম দলগুলো এ দাবির সঙ্গে কেবল সহমত ছিল না , এ ব্যাপারে তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকারও ছিল । এমনই একটি প্রেক্ষাপটে মহাজোট সরকারের হাতে অতিসম্প্রতি সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী পাস হলো । এখন প্রশ্ন , এ সংশোধনীর পর বাহাত্তরের সংবিধানের প্রত্যাবর্তন কি ঘটেছে ? মুক্তিযুদ্ধের চেতনা , গণতন্ত্র ও মানবাধিকার কতটুকু সমুন্নত হয়েছে ? পঞ্চদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে চার রাষ্ট্রীয় নীতিমালা সংবিধানে পুনঃস্থাপিত হয়েছে , যা বাহাত্তরের সংবিধানের অবিকল । সেটি হচ্ছে \ ' ৮ । ( ১ ) জাতীয়তাবাদ , সমাজতন্ত্র , গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা_ এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ থেকে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে । \ ' এটি নিঃসন্দেহে বাহাত্তরের সংবিধানের মূল চেতনায় প্রত্যাবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ_ এ নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই । তবে একই সঙ্গে সংবিধানের শুরুতে \ ' বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম \ ' ও \ ' রাষ্ট্রধর্ম \ ' বিধান অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে । রাজনীতির শিশুও বুঝতে পারে যে , রাষ্ট্রধর্ম ও ধর্মনিরপেক্ষতার পরস্পরবিরোধী অবস্থান । ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাখ্যায় ( যা এই সংশোধনীর মধ্য দিয়ে পুনঃসংযোজিত ) ১২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে , রাষ্ট্র কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদাদান করবে না । কিন্তু ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করায় কি বিশেষ মর্যাদা দান করা হচ্ছে না ? এখানে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা \ ' ২ । ক রাষ্ট্রধর্ম \ ' বিধানের সঙ্গে নতুন জুড়ে দেওয়া লাইনটির কথা বলছেন । বলা হয়েছে , \ ' প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম , তবে হিন্দু , বৌদ্ধ , খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন । \ ' কথাটির অর্থ হচ্ছে যে , অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্ম পালনে সমমর্যাদা ও সমঅধিকার থাকবে । কিন্তু ইসলাম ধর্ম রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আসীন , অন্য কোনো ধর্ম নয় । এটি সবারই বোধগম্য যে , সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করতে এটি করা হয়েছে । এই গোঁজামিল কোনো শুভফল বয়ে আনবে না । সংবিধানের এই ধর্মীয় প্রলেপের কারণে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ মুসলিম রাষ্ট্র , কখনও ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে । এ সংশোধনীর পর ধর্মীয় তকমা বদলাবে না । বরং এক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা ও ধেঁাঁয়াশা সৃষ্টি হবে । এটি কারও কাছে হবে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র , কারও কাছে ধর্মরাষ্ট্র , যা রাষ্ট্রের নীতিগত পরিচয়কেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে । কেবল ধর্মীয় সংখ্যালঘু নয় , জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলো না এ সংশোধনীর মাধ্যমে । ভুলে গেলে চলবে না যে , বাংলাদেশে বাঙালির পাশাপাশি চাকমা , মারমা , ত্রিপুরা , মুরং , সাঁওতাল , গারো , খাসিয়া , মণিপুরিসহ বিভিন্ন জাতি ও আদিবাসী জনগোষ্ঠী বসবাস করে । তারাও দেশমাতৃকার সন্তান । ব্রিটিশ শাসনের অবসানে বাঙালির পাশাপাশি স্বল্পসংখ্যার জাতিসত্তার জনগোষ্ঠী সাহসী ভূমিকা পালন করেছে , একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে লড়েছে । কিন্তু বাহাত্তরের সংবিধান রচনার সময় তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির বিষয়টি উপেক্ষিত হয় । সেটিই ছিল বাহাত্তরের সংবিধানের বড় ত্রুটি । বাহাত্তরের সংবিধানের প্রণেতাদের অনেকেই সেটি স্বীকার করেন । সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ড . কামাল হোসেনও একাধিকবার বলেছেন , তখন আমরা ভুল করেছি । এবার সেই ভুল সংশোধিত হবে_ এমনটাই প্রত্যাশিত ছিল । আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারেও সংখ্যালঘু জাতি ও আদিবাসীদের স্বীকৃতির বিষয়টি উলি্লখিত আছে । কিন্তু এ সমস্যার মর্যাদাপূর্ণ সমাধান হয়নি । বরং ৬ অনুচ্ছেদে নতুন সংশোধনী এনে \ ' নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন \ ' - এর স্থলে প্রতিস্থাপিত হয়েছে \ ' বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন \ ' । এই বিধানটির মধ্য দিয়ে অন্যান্য জাতিসত্তার জনগোষ্ঠীকে উপেক্ষা করা হয়েছে । আবারও বাঙালি বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে কি - না , সেই প্রশ্ন এসে যায় । আমাদের মনে রাখা দরকার , বাংলাদেশ কেবল বাঙালির রাষ্ট্র নয় , অন্যান্য জাতিরও রাষ্ট্র । একইভাবে বাংলাদেশ কেবল মুসলমানের রাষ্ট্র নয় , অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরও রাষ্ট্র । সংবিধানকে বাঙালিকরণ ও ইসলামীকরণ দুই - ই সংখ্যালঘুদের অধিকারের লঙ্ঘন , আধিপত্যবাদী মানসিকতাপ্রসূত । এর ফলে বাংলাদেশে বাঙালি - মুসলমানের একচেটিয়া আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত হবে ; যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী । আমরা কি একাত্তরে ধর্মভিত্তিক দেশ পাকিস্তানের কবরের ওপর আরেকটি ধর্মভিত্তিক দেশ গড়ার জন্য যুদ্ধ করেছি ? না , আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি_ ধর্মনিরপেক্ষ , শোষণহীন বাংলাদেশ ছিল আমাদের লক্ষ্য । এ সত্য কি বিস্মৃত হওয়া সম্ভব ? এ সত্যের প্রতিফলন থাকতে হবে সংবিধানে এবং সব রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে । এখানে ধর্ম হবে যার যার , রাষ্ট্র সবার । এই সত্য অনুধাবনেই রাষ্ট্রের সংহতি , উন্নয়নের শক্তি । বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন , আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়া । বাস্তবতা মেনে নিয়েই এবার সাধ এবং সাধ্যের সম্মিলন ঘটানো যায়নি । এখন প্রশ্ন হচ্ছে , চার নীতির পাশাপাশি বিসমিল্লাহ এবং রাষ্ট্রধর্মকে ৭ খ । অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সংশোধন অযোগ্য বলে বিধান করার পর এ সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় ঘটানো কখনও কি সম্ভব ? পঞ্চম সংশোধনীর ওপর আদালতের রায়ে সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদের পুনরুজ্জীবনের মধ্য দিয়ে নাগরিক পরিচয় বাংলাদেশি স্বীকৃত হওয়ায় পুরনো বিতর্কের সমাধান মিলেছিল ; যেখানে প্রয়োজন ছিল ৯ অনুচ্ছেদে বাঙালির পাশাপাশি অন্যান্য জাতিসত্তা ও আদিবাসীদের কথা উল্লেখ করা । সেটি না করে সব জাতি ও আদিবাসীদের বাঙালি বানানোর ভ্রান্ত তত্ত্ব আবার আওয়ামী লীগ উপস্থাপন করল ; এর ফলে সংহতির ভিতে নতুন করে ফাটল দেখা দেবে কি - না তা কি তারা ভেবে দেখেছেন ? আদালতের রায়ে পুনরুজ্জীবিত ৩৮নং অনুচ্ছেদের সংশোধন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে । এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ । আমরা পাকিস্তানের ২৪ বছরে ধর্মের নামে শোষণ - বঞ্চনা - নিপীড়নের শিকার হয়েছি । একাত্তরে ধর্ম রক্ষার নামে জামায়াতে ইসলামী , নেজামে ইসলামসহ ধর্মের ধ্বজাধারীরা নির্মম গণহত্যা , নারী ধর্ষণ , লুটপাট করেছে । সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বাহাত্তরের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাজনৈতিক উদ্দেশ্যসম্পন্ন বা লক্ষ্যানুযায়ী কোনো সাম্প্রদায়িক সমিতি বা সংঘ কিংবা অনুরূপ উদ্দেশ্যসম্পন্ন বা লক্ষ্যানুযায়ী ধর্মীয় নামযুক্ত বা ধর্মভিত্তিক অন্য কোনো সমিতি গঠন , সদস্যপদ লাভ বা এমন তৎপরতায় অংশ নেওয়া যাবে না । এটি সংশোধন করে মৌলবাদী ও জঙ্গি দলগুলোকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়ায় জাতিকে এর খেসারত আবার নতুন করে দিতে হবে বলে মনে হয় । সমাজতন্ত্র পূর্ণ অবয়বে ফিরে এলেও রাষ্ট্রীয় নীতি ও কর্মকাণ্ডে তার প্রতিফলন কতটুকু হবে ? জানি না সমাজতন্ত্রকে কেতাববন্দি করে মুক্তবাজারের যে চর্র্চা চলছে সেটিকে অব্যাহত রাখা হবে কি - না । আর তা হলে সেটি হবে আত্মপ্রতারণারই শামিল । মহাজোট সরকারের বড় দাবি , এ সংশোধনীর ফলে অবৈধ ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ হয়েছে । অবৈধভাবে সংবিধান বাতিল ও স্থগিতকরণের ব্যাপারে সংবিধানে নতুন অনুচ্ছেদ সংযোজন গুরুত্বপূর্ণ । নতুন সংযোজিত বিধানে বলা হয়েছে , \ ' ৭ক । সংবিধান বাতিল , স্থগিতকরণ ইত্যাদি অপরাধ । _ ( ১ ) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায়_ ( ক ) এই সংবিধান বা ইহার কোন অনুচ্ছেদ রদ , রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করিলে বা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে , কিংবা ( খ ) এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিক আস্থা , বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে_ তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে । ( ২ ) কোন ব্যক্তি ( ১ ) দফায় বর্ণিত ( ক ) কোন কার্য করিতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করিলে ; কিংবা ( খ ) কার্য অনুমোদন , মার্জনা , সমর্থন বা অনুসমর্থন করিলে_ তাহার এইরূপ কার্যও একই অপরাধ হইবে । ( ৩ ) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে । \ ' এটি একটি যৌক্তিক সংযোজন । কিন্তু আইন করে অবৈধ ক্ষমতা দখলের খেলা ঠেকানো যায় কি - না সে প্রশ্ন তোলা যায় । জনমনে প্রত্যাশা ছিল , সাংসদদের গণতন্ত্র চর্চার ক্ষেত্র বিকশিত করতে ৭০ অনুচ্ছেদের প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে । কিন্তু যে সংশোধনী আনা হয়েছে এর সঙ্গে আগের বিধানের মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই । সরকার গঠন বা সরকারের প্রতি আস্থা - অনাস্থার ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে ভোটদানের বাধা দূর করলে সেটি হতো অধিকতর গণতান্ত্রিক । পঞ্চদশ সংশোধনী গণতান্ত্রিক অধিকার প্রসারিত করেছে এমন দাবির সুযোগ নেই । এটি মৌলবাদী ও জঙ্গিদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে , আর কেড়ে নিয়েছে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার । সামরিক ও স্বৈরশাসকের হাতে ধর্মীয় ও অগণতান্ত্রিক বিধানগুলো সংবিধানে সংযোজিত হয়েছিল । উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে ধোঁকা দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল । পঞ্চদশ সংশোধনীর পরিহাস হলো জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগেই সেগুলো নতুন করে বৈধতা পেল । আবু সাঈদ খান : সাংবাদিক ask_bangla71 @ yahoo . com www . abusayeedkhan . com
" অথচ দুঃখের বিষয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সুযোগ পেলেই গ্রামীণ ব্যাংকের অবদান এবং ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী সব প্রতিষ্ঠানকে ঢালাওভাবে অত্যন্ত অসৌজন্যমূলক এবং পদমর্যাদার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ভাষায় অবমূল্যায়ন করে যাচ্ছেন । "
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আগামী ১২ আগস্ট হোয়াইট হাউজে আনুষ্ঠানিকভাবে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ বিশিষ্টজনকে ' প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম ' এ ভূষিত করবেন ।
( ২ ) ছুটি , অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে কোষাধ্যক্ষের পদ সাময়িকভাবে শূন্য হইলে সিন্ডিকেট অবিলম্বে চ্যান্সেলরকে তত্সম্পর্কে অবহিত করিবে এবং চ্যান্সেলর কোষাধ্যক্ষের কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য তখন যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন মনে করিবেন সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন ৷
শাহীন মোমতাজ একদিন কথাকীর্তনের রাতে ' র উৎসর্গ কবিতা . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . ঝাপসা স্মৃতির দাহ , দহনক্ষমতা আর নির্বাপণ , বন্যা আর নদীজড়তার দ্বিধাদ্বন্দ্বময় তোমার প্রস্থান , চোরাবালি আর অবদমনের মতো মানুষের যাপিত সংসার । ডাকবাক্স . . . . . . . . মধ্যরাতে জনসমাগম থেমে গেলে , একা একটি ডাকবাক্স অধীর তৃষ্ণায় মুখ খুলে বসে থাকে । আমি মাঝে মাঝে তার কাছে যাই , তার লাল দেহে হাত রেখে অভিযোগ করি , বলি , ' আমার সকল পত্র তাঁর নামে তাঁর জন্যে অপেক্ষায় ডাকঘর খুলে বসে থাকি , তবু অনীহায় অবিবেচনায় তিনি দূর থেকে রহস্য পাঠান । ' রহস্যে কাতর হই , দিকনির্দেশনাহীন হই , তারপর একদিন সতৃষ্ণ ডাকবাক্স , তার পাশে ডাকবাক্স হই । পেঁপেগাছ . . . . . . . কারা দিল সরল বৃক্ষের মতো ভঙ্গিমায় ভরিয়ে আমাকে ? এই বৃক্ষে চিররাত্রিদিন , যেন বা সকল বাক্য নিদ্রাকুসুমের মতো ফুটে আছে । এইরূপ ফুল ও সংবাদ নিয়ে পেঁপেগাছ । যাদের যোগ্যতা নিয়ে রাত্রিভর এত আলোচনা , অথচ কোকিল ছিল গাছে গাছে ; নিরুপম রুপা ও নারীর ভাগ্য জ্যামিতির প্রতিপাদ্য বলে মেনে নিই ; অলক্ষ্যে হাসেন তিনি , যিনি মোর দ্বিধাদ্বন্দ্বে সমতা রাখেন । আমি রাখি ভূমিহীন , প্রতিমূর্তিহীন হয়ে যথেচ্ছ আচার আমাদের জন্মগত প্রাণ , সবকিছু একদা গচ্ছিত ছিল পেঁপেবীজে - এসব স্মরণে এলে বড় ভয় , হীনম্মন্যতার । ডায়েরি . . . . . . সাদামাটা ডায়েরির পলেস্তারা থেকে উঠে আসছে আমাদের উচ্ছ্বাসবেষ্টিত হাসি , বিবেচনাবোধ । যে রাখাল আমাদের তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে , মরুভূমিপথে , তার নিজেরই কোনো আচ্ছাদন নাই , দেশ নাই - ( তার পিছে অন্য এক অতিরাখালের হাসি শোনা যায় ) লাঠি হাতে দুপুরের বিষণ্ন আবহ থেকে ধীরে ধীরে অবয়ব ফিরে পাচ্ছে যে রাখাল , তার মতো পৃথিবী সংকেতময় এই তথ্য আমিও জেনেছি । ২ . মনে হয় ঝড় ওঠে আর তার বিপদসংকেত প্রচারিত হয় । সেই সংকেতের মানে বোঝে এ জেলার একজন মেয়ে , সে তার শাড়ি জামা খুলে ঝড়ের মুহূর্তটিতে আয়নায় সাজতে বসেছে । দেহতত্ত্ব . . . . ১ . এ দেহ মরীচিকা অত্র বিবাহের প্রবাহে ঝরঝর বর্ষা গান গোধূলি প্রাপ্তির তাড়না বহমান শঙ্খ বাজে কেন ঘোষপাড়ায় দুগ্ধফলবতী গাভী ও বৃক্ষের চর্চা করি চলো রৌদ্রে আজ চিত্র অনুভূত জন্মতন্ত্রের বিস্মরণে আর মুগ্ধতায় । ২ . শারীরবিদ্যায় যারা এইমাত্র প্রবেশ করেছে তারা জানে কোনো কিছু সংস্থিত নয় কোনো কিছু সূক্ষ্ম শরীরে আর বিরাজ করে না । এই কথা অধর্মসম্মত বলে ভীত নই । ভীতির কারণ ছিল জলাশয়ে নীত । এবার হেমন্তকালে সেই ব্যথা , জলাশয় , স্নায়ুবিকলন দেখি আমাকে মুমূর্ষু আর মুখাপেক্ষী করে রাখে পুনরায় হীনম্মন্যতার । নাটক . . . . . মধ্যবিরতির আগে যে নাটকে নিখোঁজ সংবাদ হলো রামানন্দ রায় , সেই নাটকের শেষে তোমাকে উজ্জ্বলতম দেখা গিয়েছিল - রচয়িতা তোমাকেও ভালোবাসে বুঝি । বীজ . . . বীজের ও যাবতীয় চাষ - প্রকৃতির কথা তুল্যমূল্য হলে একদিন কৃষিসমাজের কাছে কিছু দায় জন্ম নিয়েছিল । এইসব বীজ আর বাণিজ্য - বাসনা নিয়ে ভাবপ্রবণতাহীন , তার ফলে , ছুটে চলে যাই । হাটবাজারের কাছাকাছি এলে কোনো বীজে ঘটে যায় প্রাণসঞ্চারণ ; সেইসব গুণবতী বীজ আমি হাতের তালুতে নিয়ে দেখি ; দেখি আর ক্রমে ক্রমে বুদ্ধিমান হয়ে ওঠে চাষি - সম্প্রদায় । ধর্মনারায়ণ . . . . . . ধর্মনারায়ণ বলে এক লোক ছিল হ্রদের কিনারে বসে , মাছ - সমস্যার কোনো কিনারা হলো না এই ভেবে তিনি , ধর্মনারায়ণ ( জাতিতে ব্রাহ্মণ নন ) জাল ও জীবিকা নিয়ে অপেক্ষা করেন । এই অপেক্ষার কালটুকু বাদ দিলে তাঁকে নিয়ে পৃথিবীর কোনো শাস্ত্রে সপ্রমাণ আলোচনা নাই । তাঁকে সমুদ্রের যাবতীয় প্রাণিকুল জাতি ও প্রজাতিভেদে বিভক্ত করার হেতু গণ্য করা হয় । যেহেতু মাছের প্রতি ছিল তাঁর অনিবার টান তাই তাঁকে কোনো কোনো উপকূলে মাছের দেবতারূপে অর্চনা করা হয়ে থাকে । বাতাস ও নদীর নাব্যকথা . . . . . . . . . . . . . . . একদিন সমস্ত শুকিয়ে গিয়ে পড়ে থাকে কাদা আর কাদাখোঁচা পাখি । এবার নদীতে গান - বিভিন্ন ঠাকুর এসে গেয়ে যান , উপলক্ষ হরিত্ব - সাধন । আমাদের প্রভু নাই , সাধনার কত যে পদ্ধতি ছিল ভুলে গেছি ; শুধু ধানের মৌসুম ছেড়ে বাতাসের উড়ে যাওয়া দেখি , এ বাতাস একদিন সামান্য ঢেউয়ের তোড়ে মৃদুমন্দ লেগেছিল গায়ে । বনভোজন . . . . . . . . . . বনভোজনের কথা এইমাত্র হারিয়ে ফেলেছি । তারপর , কী করি এখন ? স্মরণখোলার প্রভু বাউলের জলসা বসিয়েছে , প্রশ্ন করি শুধু আর বনভোজনের কথা কেউই বলে না । তাই আমি - চিন্তা করো মন , যদি না প্রকাশ তবে কোথায় গোপন বিবরণ - বলে লাফ দিই হতভম্ব , জলে । এইসব দেখেশুনে মুগ্ধ হতে চেয়েছিল যারা , তাদেরও গোপন কথা ছড়িয়ে গিয়েছে ঝোড়ো বাতাসের আগে । তোমাকে উদ্দেশ করি . . . . . . . . . . . . . . তোমাকে উদ্দেশ করি । এই প্রাণ , বয়ঃসন্ধিকাল , বালিকণিকার মধ্যে খুঁজে পাওয়া ব্রহ্মাণ্ড বিষয় , পতিত জমির জন্য শস্য ও খড়ের এই ব্যাকুলতা - এ সবকিছুই আজ তোমাকে উদ্দেশ করে রচিত হয়েছে । প্রায় - অন্ধকারে বসে বিরহসন্তাপ তুমি পাঠ করো । দেখো এই দিনে , পতঙ্গ ও পশুপ্রজাতির মধ্যে পড়ে থেকে বেড়ে উঠছে আমাদের চরিতমানস । আর এই বৃক্ষ রচিত হবার আগে একবার পারিপার্শ্বিকতা নিয়ে , জলীয় বাষ্পগাথা , পানিসেচ পদ্ধতির ত্রুটি ও বিচ্যুতি নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল । তারপর পুনরালোচনা । তারও পরে কতদিন তোমার সংলাপ আমি নিজ কানে করি না শ্রবণ । তুমি দেখো , আমাদের বিগত জীবন , রীতি , গান - মূলত যেগুলি ছিল বাস্তবতা - নীতিবিবর্জিত নয় , নৈকট্যরহিত নয় কোনো কিছু । তোমাকে উদ্দেশ করি । পৌরাণিক , তোমাতে জন্মের সারসত্য কথা হারিয়ে ফেলেছি আমি মাত্র গতকাল । কোনো উপলক্ষ নেই . . . . . . . . . . . . . . . . কোনো উপলক্ষ নেই , কে যেন দুপুরবেলা ডেকে বলে , ' ভালো হয়ে যা । ' তবে আমি জ্যোৎস্নাজারিত দেহে চলে যাব যেখানে - সেখানে । একদিন শাস্ত্র দেখা দিলে , দলে দলে লোকজন পালিয়েছে বিভিন্ন প্রকারে । সংগত হবে না জেনে এইসব ইতিহাস এইসব পলায়নকথা , কত কী সিন্দুকে রেখে চাবি ছুড়ে দিয়েছি জঙ্গলে ; তবুও দুপুরবেলা কেন যে গোপনে এসে বলে যায় ভালো ভালো কথা ! ধর্মের কাহিনী . . . . . . . . . . একদা বিস্ময়চিহ্ন মুছে ফেলে ধর্ম চুরি করেছিল যে জন দিবসে , বিভায় কাতর আমি কোনদিকে মন বলো তার দেখা পাই ? সেই এক মধ্যযুগে নেচে নেচে বিভিন্ন নগরে , কাদের সমুদ্র থেকে নিয়ে এলে মাণিক্যসঞ্চয় ? আর কোনদিকে দেখা দাও , কোনদিকে নদীবর্তী ঠিকানাসমূহ খুঁজে পৌঁছে যাও শতধা ধারায় ? এসবই জানার কথা , জেনে যাব আগামী বছরে । তবুও জন্মের গল্প শোনা হলো রাত্রি জেগে জেগে ; জানা গেল , জন্মান্তরিত হয়ে পুনরায় ফিরে আসে চোর । তুলসীর মাঠে বসে আমি আরো একবার সেই গল্পে মোহিত হলাম । পাতা ও রাজকন্যা . . . . . . . . . . . . . . . . গাছের পাতারা , দেখা গেল মাঝে মাঝে নিজেদের মতো করে ঝরে । একদিন পাতারা যেই একটু হলুদ হয়েছে কি , অমনি বিড়াল দৌড়ে তার পুলিপিঠা নিয়ে পালিয়ে গেল অন্ধকারে ; রাজকন্যা তো মরেই ভূত ভয়ে আর বিস্ময়ে ! যে গ্রামে রাজকন্যা থাকে , তার তিন বর্গমাইলের মধ্যে পাতা ঝরে না । তাই দেখে অন্য দেশের পুত্ররা বিবাহপ্রস্তাব নিয়ে আসে । রাজকন্যা জানে যে এই সকল প্রস্তাবে কখনোই বিবাহ থাকে না । শুধু বাগান বানানো দেখে দেখে তার নিয়মিত পুলক সঞ্চার । এদিকে বিড়াল - অভিমুখী রাজ্যের যাবতীয় ভিক্ষা - উপজীবী , সংক্ষেপে বর্ণনা করে গ্রামে গ্রামে পাতার মহিমা । চন্দ্রগ্রহণ . . . . রায়বংশ রাজাদের বাড়ি থেকে এক মাইল দূরে থাকে টিবি হসপিটাল । পক্ষপাত ক্ষয়রোগে তোমাকে ভোগায় - একপক্ষে মরে যাও ধুঁকতে ধুঁকতে , পরপক্ষে রায়বংশ রাজাদের সাদা বাড়িটার মতো , বাড়িটার মারবেল পাথরে ঢাকা সিঁড়িটার মতো দেখা যেতে থাকে তোমাকে আবার । দেশে বড় চোরের প্রকোপ , নচেৎ এই মহামূল্য সিঁড়ি থেকে কোথায় হারিয়ে যাবে ইতালি - টাইলস্ ? ( মধু স্যানিটারি এর ডামি নিয়ে দোকান খুলেছে ) গতকাল , মধুপূর্ণিমার রাতে বিশ শতকের শেষ চন্দ্রগ্রহণ ঘটে গেল । সারা বাংলাদেশ থেকে এই দৃশ্য দেখা গেল , আর যারা ছিল জনসাধারণ , তারা যে গরিব , তারা টেলিস্কোপ রাহুকেতু কিছুই জানে না , তাই খাদ্যগ্রহণ নিয়ে দ্বিধায় কাটিয়ে দিল রাত । ট্রেন . . . . ট্রেন , তার সব চাকা আর পাটাতন কাঁপাতে কাঁপাতে এই পার হলো মদনমোহন । ডিগ্রি কলেজের মাঠে রাত্রিবেলা পড়ে আছে হিম । বাংলা পড়াতেন যিনি , কফিল মাস্টার , তার দিন তো চলে না , চলে রেলগাড়ি , কুয়াশায় ; জীবনে প্রথম এই কুয়াশায় ট্রেন - চলাচল দেখে আমি পুলকিত । তারু বাবুকে নিয়ে লেখা আমার প্রথম কবিতা . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . তারু বাবু , কিন্তু তিনি লোকসমাজের চোখে তারু বাবু । কালোমতো ফরসামতো রমণী দেখছেন । যথাসাধ্য দূরে বসে চোখে রাখছি দৃশ্যগত বেদনার ভার । হৃদয়ে ধারণ করছি ক্ষণ - দুর্বলতা । বসন্তকালের কথা । তবু আমি ঢেউ গুনছি । ঢেউয়ে ঢেউয়ে উঠে আসছে বংশলতা , লালিত্য মাখানো রূপ , ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পে নদীবর্তী শোক , তাপ , আনন্দ - উদ্ভাস । বাঁশি বাজে ! যে বাজায় সে তারুবাবু ; তাকে নিয়ে আরো কটি কবিতা লেখার আগে প্রস্তুতিমূলক এই বাক্যনিচয়ের আমি স্বয়ং প্রণেতা । তোমাকে ইঙ্গিতে আমি . . . . . . . . . . . . . তোমাকে ইঙ্গিতে আমি বহুবার করেছি গোপন কেন জন্মপ্রকরণ তবু ভুলে গিয়ে হেমন্তের বিশুষ্ক বাতাসে আমি অসবর্ণ বিবাহে উন্মুখ ? আমাদের দিনগুলি এত বেশি আলস্যসূচিত বলে জলমগ্নতার কথা মনে হয় ; মনে হয় , কোথাও কুণ্ডলী আছে , জন্মলাভ আছে । নিতান্ত আগ্রহবশে এই সব প্রতারণা , গুপ্ত আলোচনাগুলি গোপন চাবির কাছে জমা রেখে উপনয়নের দিকে চলে যাব , দ্বিজত্বপ্রাপ্তির দিকে চলে যাব আমি কখনো তোমার সঙ্গে দেখা হলে বইপত্রে , চিকিৎসাবিদ্যায় । আলস্যবেদনা . . . . . . . . . . একান্ত পুরোনো দিনে ফিরে গিয়ে বৃক্ষ , তাপ , সালোক - সংশ্লেষ আর মানুষের অদূরদর্শিতা নিয়ে ভাবি ; তোমাকে বন্ধুর মতো মনে হলো , সেই কথা ভাবি । অলসতা , বিনীত সূর্যের দিনে তুমি আসো জাদুমন্ত্রে জাগাতে শরীর । ২ . অনুপ্রেরণার মতো তোমাকে আপন আর ততোধিক কাম্য বলে মনে হলো সন্ধ্যাগোধূলিতে ; বিগত বাঁশের বনে , শিহরণে , অঙ্গুলিসংকেত আমি টের পাই যা শুধু তোমার দিকে বয়ে যাওয়া বোঝাতে সক্ষম । আমি যে বন্ধুর কথা মনে করি , সে তার সমস্ত কিছু , ছায়া , উপশম একান্তে ফিরিয়ে নিয়ে চলে গেছে , দূরে । রূপমনোহর রাতে , আলো ও আঁধারময় যে আমি রয়েছি বসে , অলসতা , তার জন্য দাঁড়াবার অনুমতিপত্র তুমি জারি করে দাও । তোমার ইশকুলে আমি ভর্তি হতে এসেছি যখন . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . তোমার সকাশে এই দিন , রাত্রির অধিক দীর্ণ মলিনতাময় গ্রীষ্মকাল । তুমি বাল্যপ্রেমিকার কথা ভাবো তো এবার ; উনিশ শো তিরাশি সালে যার কথা একবার ফাঁস হয়েছিল । এই দেশে বিবিধ সংকট - মুদ্রাবাজারের গতি ক্রমহ্রাসমাণ - আরো নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা আছে , তার পরও আমাদের তারল্য - সংকট ঘোচে না তো ! এসব দুর্দশা নিয়ে , তোমার ইশকুলে আমি ভর্তি হতে এসেছি রে মন । আমার মফস্বলবাসের ইতিহাস . . . . . . . . . . . . . . . . . . . আমরা যারা কখনো গ্রামে থাকিনি কিংবা গ্রাম বলতেই যাদের মনে ছোট ছোট দৃশ্যময় ছড়াকবিতার স্মৃতিরোচক আবেদনের কথাই ভেসে ওঠে , এই গদ্যে আমি প্রথমেই তাদেরকে সাবধান করে দিতে চাই । আমাদের দেশের হাজারে হাজার গ্রামে হাজারে হাজার বৈচিত্র্যময় কাণ্ড তার ডাল - পাতাসহ বিকশিত হয়ে চলেছে যে কত প্রকারে , কেবল জগদীশ বিজ্ঞানী এই তথ্যটি জানতেন । জানতেন , কিন্তু প্রকাশ করেননি । তাঁর প্রকাশমাত্রই বৈজ্ঞানিক কিংবা নিদেনপক্ষে দার্শনিক , এই কথা এ কালে সাহিত্যচর্চা করতে আসা ভুক্তভোগীরা অবশ্যই জানেন । আর তাঁর সমস্ত অপ্রকাশ আমাদেরকে এক অতি আরামদায়ক ফলফলাদিবৃক্ষসমৃদ্ধ গ্রামভাবনার দিকে পরিচালিত করে এবং যার অস্তিত্বপ্রমাণ নিছক দীর্ঘ আলোচনাসাপেক্ষ । সে প্রসঙ্গ বাদ । কেননা জগদীশ বিজ্ঞানী সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না । আমি গ্রাম - সম্পর্কিত আমার তিন পুরুষের অনভিজ্ঞতার কথাই কেবল জানি । তাঁরা ছোট ছোট মফস্বল শহরগুলিতে বসবাস করে এসে কেবল এই ধারণাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন যে , শহর হচ্ছে খুব বেশি শহরপ্রবণ আর গ্রাম খুবই গ্রাম্য । তাঁদের ভারসাম্যের নীতি আমরা মানি বা না মানি , মধ্যবর্তীরা সব সময়ই নিরাপদ থেকেছে । আমার মফস্বলবাসের ইতিহাস এ - ই । ২ . গ্রাম সম্পর্কে আমাদের আরো বেশি জানা দরকার । শীতকালের গ্রাম আর গরমকালের গ্রামের মধ্যেকার পার্থক্যগুলি আমার আর কোনো দিনই জানা হয়ে উঠবে না । কেননা পৃথিবীর কোনো গ্রামই এখন আর প্রকৃতপক্ষে গ্রাম হয়ে নেই । যে গ্রামে ফ্যাক্টরিতে তৈরি ম্যাচবাক্স টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয় সেই গ্রাম কতখানি গ্রাম ? আমাদের হাজার বছরের আদি ও অকৃত্রিম গ্রামগুলি সামান্য ম্যাচবাক্সের বদৌলতে চারিত্রসংকটের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে । এ হলো আফসোসের কথা । ৩ . আমি আপ্লুত হই এই ভেবেচিন্তে যে , শহরের রাস্তায় আর গলিতে গলিতে বিচরণ করে কোথাও বিবৃত হতে পারি নাই । আমার এই সমস্ত ব্যর্থতাকে আমি মহান বলি , কারণ ইতিহাসবিচ্যুতির ফলে লাস্য ও কলহাস্যমুখরিত শহুরে জীবন ভেঙে যাওয়া বৈবাহিক চিহ্নের মতো শরীরে ধারণ করে গুপ্তপথে এইমাত্র ব্যাবিলনের বাইরে এসে দাঁড়িয়েছি । আমার আর কতটুকু জানা প্রয়োজন ? আমার যেসব সন্ধ্যা . . . . . . . . . . . . আমার যেসব সন্ধ্যা , সায়াহ্নসমূহ অপস্রিয়মাণ বহু দূরবর্তী সৌরশলাকার ঘাতে একেবারে পর্যুদস্ত হলো , হয়ে পড়ে থাকল খুবই পরিচিত এই মাঠে , আমাদের পূর্বপরিচিত এই রৌদ্রদগ্ধ মাঠে , আর যে সকল রাত্রিবেলা ক্রমপরম্পরাহীন বাতাস বহন করে নিয়ে আসলো শীতকালে , গাছের পাতার মতো চুলে আর অন্ধকারে , ফাঁকে ও ফোকরে , সেসব সন্ধ্যার কথা সেসব রাত্রির কথা দুপুরবেলাতে বসে ভাবি । এ কবিতা লেখা হচ্ছে . . . . . . . . . . . . . . . . . . [ এ কবিতা লেখা হচ্ছে যামিনীতে , মধ্যযামিনীতে । যেহেতু কবিতা , তাই লেখা হচ্ছে যামিনীতে , গদ্য হলে রাতের বেলাই হতো উপযুক্ত লেখার সময় । ] একটা সহজ অঙ্কে কাটা পড়ে এ মহাজগৎ । আহা এ সায়াহ্নে বুঝি মোক্ষ জল , ফুল - পাতা - ফল । দেখো , গদ্যকবিতার যুগ ফিরে ফিরে আসে । ফিরে আসে মধ্যযাম , কবিতা লেখার । লিখি অঙ্কে ও কথায় , তার পরিণাম ঘটনাপ্রবাহ ; আর প্রবহনে ভেসে যেতে যেতে ঐ মাথা তুলছে অঙ্ক - কবিতার শিরোনাম । ২ . উদাহরণের চেয়ে মিথ্যা বলে মনে হয় সবকিছু , গদ্যকবিতা । দিগন্তরেখার পাশে উঁচু উঁচু তালগাছে সদানন্দ প্রহরী বসানো , তার ফাঁক ও ফোকর দিয়ে মিটিমিটি দেখা যাচ্ছে ও মহাজগৎ ; আমি এই পারে বসে উদাহরণের চেয়ে সত্য বলে নিজেদের প্রতিপন্ন করি । সত্য নিয়ে আলোচনা . . . . . . . . . . . . . . . যেকোনো দিনের শেষে , যেকোনো তারিখে দেখি ফরসা হচ্ছে , ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে আমাদের অনুবর্তমান । চিরকাল আমরা যে দেহমনস্কতা নিয়ে জেগে উঠি , আপন পায়ের চিহ্ন কেন্দ্র করে গোল হয়ে বসি মধ্যরাতে - তা - ই সত্য । ২ . সত্য নিয়ে যাবতীয় আলোচনা লিখিতই ভালো । যথা - দক্ষিণায়নের কালে শীত আসে - ভূগোলে পঠিত এই সত্য কথা তোমার পুস্তকে নাই । আমার বন্ধুর নাম সত্যপ্রকাশ ধর - এও যথা । অযথার্থ বৃষ্টিপাতে আপন বন্ধুর মুখ ভুলে যাচ্ছি - যথা । ৩ . তীব্র চোরাচালানের দিনে , কোনো এক দীর্ঘ বিকালে আমি বসে আছি তীর ঠেলে উঠে আসা চকচকে বালুসমাগমে , সীমান্তনদীর । ওই যুদ্ধে কে ছিল নায়ক ? হিতাকাঙ্ক্ষী বিডিআর ধরে ফেলছে সমস্ত সংকেত , গুহ্য , চোরাচোখ চোরাচালানির । সন্ধ্যাবেলা , তারিণীচরণ . . . . . . . . . . . . . আমাদের তারু বাবু , বসে থাকে নদীর এ পাড়ে , ভাবে । ' কী ভাব হে তারু বাবু ? ' - প্রশ্ন করি ; ' দেখেন চে , সব নদী মিলায় সাগরে , সব পাখি , চিল , মুখোমুখি বসিবার সমস্ত প্রস্তুতি আজ তার হাতে । ' আকাশের ওপারে আকাশ ভেবে আমি বলি , ' তারু বাবু , সব সত্য প্রকাশ কোরো না । ' আলস্য ও স্বপ্নবিষয়ক বিবেচনা . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . চক্ষুনিমীলনে জাগে উদ্দীপনা , বায়ুপ্রভাবিত আর বৃষ্টিবহনকারী মেঘ উড়ে আসে । অঘোর বর্ষার দিনে বৃষ্টিকবলিত হয়ে বসে থাকা আমাদের চূড়ান্ত বিকাশ । ২ . স্বপ্ন , যাকে নৈশকল্পনার সাথে অর্থবিনিময়ে আমি রাজি করিয়েছি । নৈশকল্পনায় আমি চোর দেখি , সিঁদকাঠি দেখি , প্রধানত জ্বরের সময় । আর জ্বর হলে আয়না দেখি না । আয়নার ভিতর দিয়ে একদিন বহুদূর বিস্তারিত নিকষ বনের মধ্যে ভূত আর প্রেতের চিৎকার শুধু শোনা যেত ; এখন সেখানে শোনো মধ্যদুপুরের গীতকথা , এখন সেখানে চোর , সিঁদকাঠি চিকিৎসার মতো এসে শিয়রে দাঁড়ায় । তাঁর চিকিৎসাপ্রবণ মন খাতা - কলমের মধ্যে উপনীত আমাকে বেষ্টন করে আষ্টেপৃষ্ঠে , জ্বরতপ্ত আমাকে বেষ্টন করে … এই সব স্বপ্নে , তথা নৈশকল্পনায় ঘটে থাকে । বৃক্ষ . . . আমাদের সবার মাথায়ই চুল থাকে । যদিও আদিতে আমরা গুচ্ছ খানেক চুলসমেত ( বলাবাহুল্য দন্তহীন ) ভূমিষ্ঠ হই এবং আমাদের শরীর মৃত প্রোটিন উৎপাদনে কিছুকালের মধ্যেই পারদর্শিতা অর্জন করে । আমরা বিকশিত হই । এটা ঠিক যে , আমাদের চুল সালোক - সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না , তথাপি , বৃক্ষশ্রেণীও চুল নিয়ে জন্মগ্রহণ করে । আর তারা অনর্থক চুলে বিনুনি করে সময় নষ্ট করে না , বরং বায়ুপ্রবাহের কালে দেহের উক্ত অংশটিকে আন্দোলিত করে থাকে । এতে তাদের শরীর আমাদের তুলনায় সমর্থ হয় এই প্রকারে যে , তারা নিজেদের খাদ্য নিজেরাই তৈরি করে নিতে শেখে । বলা বাহুল্য , বৃক্ষশ্রেণীও দন্তহীন । পতঙ্গ . . . জোনাকি পতঙ্গদেহ আলোবাহী রেখাময় উপাঙ্গ - সংকুল । আলোকমথিত হলে সেই দেহ সূতিকামণ্ডল ; দিকে দিকে ভাসমান কন্ঠস্বর , চর্বিকণা , চিরুনিবিমুখ কেশদাম ; হরিণদ্যুতির ছটা তেজোময় দিকে ও অদিকে । আমি অদিকের সম্ভাবনা টের পেয়ে যাই । ইঙ্গিতে সারিয়ে ক্ষত কত জীব , কত কত প্রাণ আরো প্রাণবন্ত করে , ধুলাতে লুটাই মরদেহ ; দেহ থেকে দেহাত্মবাদের কথা শূন্যে উড়ে যায় । ভ্রমণ ১ . . . . . . . আমাদের সব জমি বর্গা দিয়ে ফিরেছি এখানে ; অভেদ সাধন হবে এমত বিশ্বাসে যাবতীয় রহস্যপুরাণ আজ সবিনয়ে নিবেদিত হলো । লতা গজানোর কাল শুরু হলে জেলায় জেলায় , জীবাণুজীবন নিয়ে হরিনারায়ণ রায় কোথায় বসতি ? ২ . এই কার্য বিকাশের মৃদু মৃদু মন্ত্র শোনা যায় গ্রামে ও অগণ্য নদী , শীতনদী কুলকুল - ধ্বনি - শরীরের নিচে রেখে দেয় মদ আর মাছের কঙ্কাল । ধর্মচারিণীর চুলে ঘাই মেরে , চুল নিয়ে পালিয়েছে নাপিতের ছোট দুই ছেলে । সে চুলের লোভে সন্ততিবিচ্ছেদ আর মাৎসর্য - প্রণালী বেয়ে গেয়ে গান উজানে উজানে । ভ্রমণ ২ . . . . . . যেমন সরল বীজ জড়ত্বের জ্ঞান মেনে চলে শুনি তার নিখাদ ভণিতারীতি তেমনি সরল গুণে মৃত কাঠে জ্বেলে গেল পত্র - সম্ভাষণ । তবে এই স্বয়ম্ভর অভ্রপুচ্ছ শিয়রে ধারণ করে হা ' আমি কেমন করে মর্তবাসী হই ? ধুলা - পাহাড়ের কাছে যাত্রীবহনের গরু ধূলিকাভক্ষণ , আর কেন জানি বহুবর্ণ চোর এসে তার সাদা চামড়া ছাড়িয়ে নিয়ে ফেলে গেছে মৃতদেহখানি । খসে গেছে শৃঙ্গভয় ; তাই বৃক্ষমোচনের দিনে , কাঠুরিয়া , আহা কাঠুরিয়া , শৃঙ্গ বিভাজিত করে আজ তবে রসনায় চিত্তের বিকাশ । এই বিকাশনা দূরান্তবাসীর কাছে পৌঁছে যাচ্ছে অতি অপলকে । আমি সংগীতে অসূয়াবোধে সেই পথে পালিয়ে গিয়েছি । ভ্রমণ ৩ . . . . . [ ঘুম গেছে যার সমান্তরাল ধর্মাধর্ম যুক্ত আড়াল দিচ্ছে যেমন দিচ্ছিল সংবাদ পাত্রে জাগে সেই মনোবল ঘোর পাপে যার কণ্ঠ বিকল কী উপায়ে দিচ্ছিল সংবাদ ? ] এই সাড়াশব্দহীন উল্কাপতনের পাশাপাশি , অন্ধকার কক্ষ থেকে কত দ্রুত ছুটে যাচ্ছে ঘুম । ' কে দেবে এমন পুণ্য ' - বলে যেই প্রসারিত হাত , দেখি তার সংখ্যাগণনার মতো বেড়ে ওঠে প্রবাদ বয়স । তারপর বৃষ্টি ধারাপাত । ঘুমের বিস্ময় থেকে যতিচিহ্ন তুলে নিচ্ছ কারা ? সেইহেতু , স্বপ্নমাহাত্মের কাছে কোনো এক গভীর রাত্রি রেখে চলে গেছি বিশ্বভ্রমণে । গৃহ . . . আজ গোত্রবিবাদের বাক্যরীতি লেগে আছে চতুর্দেয়ালে । এই বেলা , তপোজীর্ণ অরণ্যভূমির মেয়ে , কত নদী , কত পুষ্করিণী ছুঁয়ে ফিরে গেছে কয়লাখনিতে । তবে যারা ছেলে চুরি করেছিল নির্ধারিত ভ্রমণের মাসে , তারা রীতিসিদ্ধ , তাই বিবাদ পারেনি শিখে নিতে । তবু যাবতীয় সম্ভাবনা একদিন জ্বলে উঠেছিল এই সৌরকলামগ্ন পৃথিবীতে । ২ . আরো একদিন যদি পরী - ভাষা শিখে নিয়ে গৃহমগ্ন হয়ে থাকা যেত ! একদিন কথাকীর্তনের রাতে . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . এখন জঙ্গলপর্ব ; মধ্যমাঠে হঠাৎ গজিয়ে উঠি একা একা আগাছাসমেত । দূরের প্রতিমামুগ্ধ লোকালয় থেকে আসে ঘ্রাণ আর সেই সূত্রে পল্লীবিমুখতা জেগে ওঠে । যে সকল ভাগচাষি ভোরবেলা চাষকর্মে নিয়োজিত হলো , সন্ধ্যা হলে , যাবতীয় কর্ম রেখে চলে গেল বাতাসের দিকে । আহা কী আশ্চর্য দেখো , সন্ধ্যা হলে পাখিরা ডাকে না । সন্ধ্যা হলে বাঁশ চুরি করে ফেরে গ্রামে গ্রামে বিভিন্ন মানুষ । ভূতেরও প্রশ্রয়লিপ্সা জেগে ওঠে , একদিন কথাকীর্তনের রাতে যদি সন্ধ্যা হয় । যে পথে নিবিষ্ট হয় . . . . . . . . . . . . . . . . আর তুমি নদী , প্রতিটি রাত্রির শেষে কুয়াশা মাখানো মুগ্ধতাকে পেছনে ছড়িয়ে দিয়ে অম্লধারণায় ফিরে গেছ । যে পথে নিবিষ্ট হয় প্রথাপার্বণের দিনে শ্রুতিনিষ্ঠ মন , একদিন , তোমাকে আমার মধ্যে প্লাবনসংকেত নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখে আমি সেই পথ , নদী , জনসম্মুখে হারিয়েছি । আরো কিছু জল , আরো জাহাজডুবির কথা জেনে যাওয়া বড় বেশি প্রয়োজন ছিল । লগবুক ১ . . . . . . . . . . . ১ . দেখা যাচ্ছে , কোনোরূপ প্রচেষ্টা ছাড়াই জীবনধারণ করা সমীচীন । কিছু আগাছা - কুগাছা ঘেঁটে আমাদের চিকিৎসাবিজ্ঞান এই গোপন রিপোর্ট এনে দিল । মেডিকেল কলেজগুলিতে কীরকম লেখাপড়া হয় , এ ব্যাপারে ছাত্ররাই বলতে পারবেন , কারণ তাদের জন্য সরকারি বরাদ্দ রয়েছে । খানাতল্লাশি থেকে নিজে রেহাই পেলেও কোমরে দড়ি বেঁধে আমাকেই নিয়ে যাচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী - এই স্বপ্ন কেন দেখো ভাই ? আমি ভদ্রলোক , যেকোনো স্বপ্নেই আমি ভয় পেয়ে পলায়ন করি । কোমরে খাগড়াই বেঁধে নিয়ে যাবে , তোমার বারান্দা থেকে এই দৃশ্য দেখা যাবে ; জানি শূন্যে উড়ে গেলে মন আরো কিছু বাকি পড়ে থাকে , তবে তোমার সম্মানে আমি একটি পালকমাত্র রেখে যাব । তবু যদি কখনো আগ্রহ জন্মে পৌরাণিক বিষয় - আশয়ে ! ২ . কীভাবে মনুষ্যজাতি সভ্য হলো এ সভার এটা হোক আলোচ্য বিষয় ; কেননা দেখাই যাচ্ছে লেজ নেই , মাছিদেরও নেই - এসব বিষয় নিয়ে কিছুক্ষণ গল্প করুন মহোদয় ! ৩ . এবারে প্রেমের কথা বলি । জলে না ডোবাল তারে না ডোবাল কুলের কালিমা । মহত্তম ব্যক্তিদের সৃজনশীলতা নিয়ে ভাবনা হয় প্রতি সন্ধ্যাবেলা - তবু , কবিতা লেখার জন্য কাগজের নিত্য প্রয়োজন । ৪ . আমাদের মধ্যে যার বয়স একটু বেশি , তিনি বিবাহিত । তাই শ্রদ্ধা - অবনত হয়ে তাঁর কথা আলোচনা করি । বিগত শীতের কথা , অগ্নিমান্দ্য , কলেরা কীভাবে গত শতকের প্রাণসংহার করেছিল , এবং নিদ্রার কথা ; নিদ্রাযাপনের মতো ভালো কাজ আছে পৃথিবীতে ? ৫ . প্রতিদিন অবিশ্বাস করি । এই যে জীবিত আছি তিন বেলা , খাদ্য খাই , ডিম খাই - সে তোমারই ব্যবস্থাপনায় । চর্বির ভেতরে থাকে হৃদরোগ ; দয়াময় , কেন তবু একে তুমি সিদ্ধ করেছিলে ? ৬ . আমার বন্ধুকে আমি দেখতে যাব কাল ; তার স্বামী ইঞ্জিনিয়ার , তার দুটি ফুটফুটে শিশু , যমজ সন্তান । তোমার পুরোনো বন্ধু . . . . . . . . . . . . . . . . তোমার পুরোনো বন্ধু প্রাচীন শ্যাওলায় ঢাকা দেয়ালে বিদ্যুচ্ছবির মতো দেখা দিয়ে পুনরায় আরো কত অস্তিময় শৈবালচিত্রের মধ্যে ডুবে গেল । তাকে দেখে নিয়ে তুমি দুপুরের খরদাহ ব্যর্থ করে চলে যাচ্ছ , যেখানে যাবার কথা ছিল । একটি ডাকঘর আজ পথে পড়ে ; তার দিকে কিছুমাত্র দৃষ্টিক্ষেপণ করে পুনঃগমনের দিকে , সুতরাং , পৃথিবী বেদনাময় - এই বাক্য প্রমাণিত হলো । দূরত্বের কথা তুমি ভাব । বিভিন্ন হাওয়ার মধ্যে যান - চলাচল খুবই দুরূহ ব্যাপার বলে মনে হয় । তবু চৈতন্যদেবের মন্ত্রে নয়দিকে ভেসে উঠছে তোমার বন্ধুর স্মৃতিকথা । একটি দিকের কথা গোপনে রাখাই বুঝি ভালো ; যেন সবকিছু প্রকাশিত হলে যেন পরিণত মানুষের দেহাবয়ব নিয়ে গৃহমুখে চলে যেতে হবে । যে দেবতা মদ ভরে দিয়েছিল নারীদেহে , তাঁর কথা এইমাত্র পৌরাণিক অভিধানে পাই ; তাঁর কথা সকলে জানে না শুনে তৃতীয় বারের মতো অবিন্যস্ত হয়েছিলে তুমি একদিন । ভ্রমণ বিষয়ে আরো একটি কবিতা . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . চৈত্রকুল , এই নামে তোমাকে ডাকছি যাব অন্নদানগর , আজ সারা দিন গত বছরের মতো বৃষ্টি হোক তাতে কোনো অসুবিধা নাই । যাব অন্নদানগর , যদি টিকিট চেকার এসে মাঝপথে নামিয়ে না দেয় । ২ . ভবানী জংশন ! রাত তিনটায় আমি ভবানী জংশন দেখে ঘুমিয়েছি তবে কোনো স্বপ্ন দেখিনি । তবে তার জন্য মন আমি সদাই খারাপ করে রাখি । এই মন - খারাপের মধ্যে জাগে টান , বাস ভ্রমণের স্মৃতি - যাকে পদার্থবিদ্যায় ফেলে পুনরায় বিবেচনা করা যেতে পারে । ৩ . রসায়নে প্রভূত আনন্দ তুমি পাও ; বলো তো আমার এই দেহসদাশয় কোন জৈবঘটিত ফলাফল ? বেঁকে যাওয়া মেরুদণ্ড , দন্তবিকাশনা - এ সবই উল্লেখযোগ্য বলে মনে করি ; কবিতায় এসব উল্লেখ করা সাধুতা ও কিঞ্চিৎ নৈতিক বলে মনে করি । কারণ ভ্রমণ নিয়ে এর বেশি কথা বলা ধর্মে নিষেধ । কম্যুনিটি সেন্টারে , বিবাহসন্ধ্যায় . . . . . . . . . . . . . . . . . . সকলের মনের মধ্যে ' যাত্রা ' শব্দটি ধ্বনি তোলে । ' দূরের যাত্রায় ' - এই শব্দসমষ্টিও অতিথিসকলের মনের মধ্যে গুঞ্জরিত হয় । কিন্তু আমি জানি , কোন জাতীয় টানাপোড়েন মানুষকে তার আদিধর্মে স্থিত রাখতে বদ্ধপরিকর । সকালবেলার সিদ্ধান্ত খুব মজবুত আর সহনশীল নয় । মাঝে মাঝে খাদ্যরুচি , পোশাকচেতনা আর হৃদয়দৌর্বল্য তার গোড়া ধরে নাড়াচাড়া দেয় । তাকে হীনম্মন্য করে । তাই , বরপক্ষের জন্য নির্ধারিত খাবারঘরটির দরজায় দাঁড়িয়ে তারু বাবু কেবল তৃষ্ণাদেবীর কথাই ভাবছেন , কোমল পানীয় সহযোগে । তাঁর চোখেমুখে গভীর প্রত্যয় । কারণ ' তৃষ্ণা নিবারিত হলো ' শিরোনামে যে কবিতা তিনি প্রায়শ লিখে থাকেন , তার প্রথম বাক্যেই আছে - দুর্ঘটনা । এখন কম্যুনিটি সেন্টারের বাইরে সন্ধ্যা নামছে । কাকপক্ষীও ঘরে ফিরে যাচ্ছে । আর শব্দদূষণের মধ্যে থেকে সন্তর্পণে উঠে আসছে বার্তাবাহকেরা । দেখো , কোমল পানীয় সহযোগে দেখো বর এল কি না । মেঘ ও বৃষ্টির কথা . . . . . . . . . . . . . . . . যত দূর দৃষ্টি দিলে মেঘ ও বৃষ্টির কথা বিষয়ভাবনা হয়ে ওঠে , তারও চেয়ে দূরে কোনো ডাকপিয়নের কথা মনে করো । নৈশ বিদ্যালয়ে আর তুমি যে সায়াহ্নে থাক সেইখানে এইমতো বৃষ্টিপাত ঘটে । ঘটে যাওয়া এসব বৃষ্টির মধ্যে ' পরার্থপরতা ' , ' রূপ ' প্রভৃতি শব্দের অর্থে ধীরে ধীরে নানা অর্থ প্রতিভাত হয় , ধ্বনিগত ভেদাভেদও ঘটে । এসব ধ্বনির মধ্যে আরো কত প্রকরণ , সিদ্ধ - ব্যাকরণ এসে লুকিয়েছে একে একে তা - ও তুমি লিখে রাখছ নোটবুকে , মুষলধারায় । রিটার্ন লেটার অফিস . . . . . . . . . . . . . চিঠিপত্র সব সময় ঠিকানায় উল্লিখিত প্রাপকের উদ্দেশে নির্ধারিত ডাকমাশুল প্রদানসাপেক্ষে প্রেরিত । কিন্তু যেসব চিঠির প্রাপক নিরুদ্দেশ কিংবা বনবাসী , তাঁদের কথা সব সময় চিন্তা করেন এরকম একজন সুহৃদ সরকারি বিধিমোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত হন । প্রতিটি খামবন্দি চিঠি আমাদের নিকট রহস্যবিষয়ক অমীমাংসা আরো অধিক জাগিয়ে তোলে । একজন বেতনভোগী ডাক - কর্মচারীর মনে এরূপ রহস্যের অনুভূতি দীর্ঘ চাকরিজীবনের একঘেয়ে কর্মপরিকল্পনার ছত্রচ্ছায়ায় তীব্র হয়ে উঠতে কখনোই পারে না । তবে একজন সুহৃদ আমাদের পক্ষে ঈর্ষণীয় একটি পদে অধিষ্ঠিত থেকে পত্রলেখকদের মৌলিক চিন্তাভাবনা ও জ্ঞান গভীর মনঃসংযোগে অধ্যয়ন করেন । শোকপত্রগুলি আনন্দপত্রসমূহের বিপরীতে শর্টিং করা হয় কি না - শুধুমাত্র এটি ছাড়া আর কোনো বিষয়ে কৌতূহল প্রকাশ করবার অনুমতি কর্তৃপক্ষ কাউকে প্রদান করেন না । কঠোর গোপনীয়তার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত বেওয়ারিশ দর্শনপত্রগুলি তাই ভষ্মীভূত করে ফেলা হয় । ইতিহাস . . . . . . ইতিহাসের ক্রমপরম্পরা বিঘ্নিত হয় মূলত মানুষের , রাজাদের দায়িত্বজ্ঞান ও সময়নিষ্ঠার অভাবহেতু । কারণ , পূর্বনির্ধারিত ঘটনা সংঘটনের কালে তাঁরা যথাযথ প্রতিক্রিয়া দেখাতে ব্যর্থ হন । আমাদের ইতিহাসবেত্তাগণ তাঁদের নিজ নিজ দেহমধ্যস্থ প্রবাহিত রক্তধারাকে পানি করে ( পুনরায় সেই পানিকে রক্তে পরিণত করে ) হারানো সূত্রগুলি উদ্ধারে তৎপর হন । যেহেতু ইতিহাসের মধ্যে সত্যের কিঞ্চিৎমাত্র অপলাপ সহ্য করা হয় না , তাই সংগত কারণে মহামতি আকবরের ছেলেবেলাকার ব্যক্তিত্ববিষয়ক চিন্তাভাবনাগুলি ইতিহাসের কোনো ক্লাসের বইয়েই স্থান পায়নি । এ বিষয়ে এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ইতিহাসের মেধাবী ছাত্র জনাব আবুল ফজলও তাঁর জ্ঞানের স্বল্পতা আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন , লজ্জাসহকারে । শোয়া , বসা , দাঁড়ানো . . . . . . . . . . . . . . . সরল কথোপকথনের মধ্যেও বিবিধ জটিলতা বিদ্যমান । কখনো কখনো সম্বোধনের ক্ষেত্রে যে বিস্ময়বোধক চিহ্নটি লেখ্যরীতিতে ব্যবহৃত হয় , সেই চিহ্নের মতো করে উদ্দিষ্ট মানুষটিকে চিন্তা করা সকলের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না । শোয়া বসা ও দাঁড়ানো - মানুষের এই তিনটি অবস্থানকে একটিমাত্র চিহ্নে প্রকাশ করা নীতিবহির্ভূত ও অসম্ভব । স্বতঃসিদ্ধ এই যে , কেবলমাত্র দণ্ডায়মান ব্যক্তিটিকে তার পরিপার্শ্ব সম্পর্কে সচেতন করা সমীচীন নয় । কেননা গ্রামবাংলায় জীব ও জড়সকল অনুভূমিক - জীবনযাত্রা ও চিন্তাভাবনায় এই মতের প্রাধান্য ও সত্যতা লক্ষ্য করা যায় । সমাজজীবনে , পারিবারিক এমনকি ব্যক্তিগত জীবনেও মানুষ ত্রিবিধ বিঘ্ন অতিক্রম করে চলতে পারে না । সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষ মূলত এই তিন শ্রেণীতে বিভক্ত হয়ে আছে । ভালো ও মন্দ . . . . . . . . . . ভালো ও মন্দ - এই দুই ধরনের চেতনা বিদ্যমান । নীতিবাক্যগুলি যে সকল সময় ব্যাকরণ মেনে চলে না , তা লক্ষণীয় । এই বিষয়ে গ্রাম্য পণ্ডিত তাঁর বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া উনিশ শতকীয় টোল স্মরণ করে যে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন , তার উত্তাপ আমরা বহু বছর পরেও টের পেতে থাকব । তবে আমাদের কিছুতেই মনে পড়বে না যে , ত্রেতাযুগের আধিপত্যবাদ বিষয়টি নিয়ে কারো কোনো থিসিস লিখবার প্রয়োজন হয়েছিল কি না । এখন , বর্তমানে , সকল বিষয়ই মূর্ত - এই কথা তুমি আমি কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারি না । অমূর্ত বিষয়ের প্রতি , তার অন্তর্গত রহস্যের প্রবল প্রতিপত্তির প্রতি কবিদের লোভ চিরন্তন । এই লোভের বশবর্তী হয়ে কবিতা লিখে কবিরা খ্যাতি অর্জন করেন । বৃষ্টি . . . বসে আছি প্রাথমিক বৃষ্টি - ব্যাকুলতা থেকে অংশত বিচ্ছিন্ন হয়ে রাত্রিবেলা , একা । অন্ধকার তরঙ্গিত করে দিয়ে কোনো শব্দ নাই , আন্তনগর ট্রেন ফেল করা গন্তব্যরহিত যাত্রীসকলের আর্তনাদ ছাড়া । ২ . ইশকুল পালানো খুদে ছাত্রটির মনে আজ মেঘবৃষ্টি ; আসন্ন কাদায় মাখা দেহ নিয়ে প্রত্যাবর্তনের কথা ভাবা তো যাবে না । ভিজে যাওয়া বইপত্রে শিক্ষকপ্রদত্ত যত নির্দেশনা , গুরুবাক্যসমুচ্চয় রসসিক্ত হয়ে যাচ্ছে ক্রমে । ৩ . অসুস্থতা উঠে আসে গোপন শক্তির মতো অগোচরে , ভিন্ন পরিচয়ে ; তবে তার বারিপতনের নাম কেলাসন , অদ্রবীভবন । ৪ . কহতব্য যা কিছু তোমার কাছে , একটি সুরেই নিবেদিত তোমারই প্রেষণে গীত কোমল নিষাদ । আয়না . . . . ১ . আমি জাদুকার্পেটের কথা , চোরাগোপ্তা খুন আর সফল শিকার নিয়ে লেখা গল্প তোমাকে জানিয়ে যেতে চাই , আর ব্যাকরণে নিপাতনে সিদ্ধ বলে কথা আছে - সেই কথা তোমাকেই বলা প্রয়োজন । ২ . কেন পাশের বাড়িতে কেন মাঝরাতে আলো জ্বলে ওঠে ? আর প্রত্যেকটি বিদায়পর্ব ভোরবেলা অনুষ্ঠিত হয় ? আর সন্ধ্যাবেলা অন্ধকার হয়ে আসে সূর্য ডুবে গেলে ? এরকম জন্মসফলতা নিয়ে কেটে যাচ্ছে খ্রিষ্টীয় শতক । ৩ . জন্ম বিষয়ে আমি আরো কিছু কথা বলি শোনো - তোমাকে সংশয়বাদী বলে মনে হয় , মনে হয় আয়না তোমাকে । মহাবরিষন . . . . . . . . . . . . . বর্ষাবিগলিত হয়ে দেখো চেয়ে নদীর বিস্তার ; ব্রিজের ওপর থেকে ফুলে ওঠা , দুলে দুলে ওঠা ; প্রথম সাক্ষাতে দেখো ভিজে যাওয়া , কাকে বলে মহাবরিষন । তুমি তারও চেয়ে বেশি ভেজা কৃষ্ণাঙ্গ শিবিরে বসে ধ্যান করো মন , করো কাকুতি মিনতি তুমি ' এই ভিজে মেঘের দুপুরে ' । ২ . পথিপার্শ্ব এলোমেলো করে দিয়ে বৃষ্টিবাতাসের তোড়ে ভেসে যাচ্ছে একমাত্র চিঠি ; চিঠির প্রাপক জানে কাকে বলে মহাবরিষন । গার্হস্থ্য . . . . . . এখনো নিজের মধ্যে , পূর্বতন অভিনিবেশের মধ্যে , নিম্নস্বর , সমস্ত সংবাদ , স্মৃতি , বিশ্বকোষ পার হয়ে চলে যেতে চাই । ক্রমান্বয়ে ঋতুবিভ্রাটের দিনে , শীতোষ্ণ পৃথিবীপথে দেখা হলে চকিতে সম্ভব হবে স্বগৃহপ্রবেশ । তোমাকে দুর্বল আর চৈতন্যরহিত ভেবে কাজে নামি । যদিও নিজের মধ্যে প্রবেশের পথ করে নিতে নিতে বার্তাসূচকের কাঁটা কেঁপে ওঠে , দেখায় মধ্যাহ্নস্বর , জলদগম্ভীর । তারবার্তা . . . . . . . . . . . তুমিও তো রচয়িতা , তারবার্তা , তুমিও নিবন্ধকার । গোপন সংকেতে , চিহ্নে ভরে তোলো আমাদের বর্ণপরিচয় । ২ . অতটা বছর আগে , গ্রামান্তরে প্রথম টক্কায় সকলের মুখে মুখে দূরবর্তী স্বজনের শোক আর আনন্দ - উদ্ভাস । ৩ . দূরের সম্পর্কসূত্রে বন্ধুপরিজন নিভে যাওয়া আলো নিয়ে দেখা দিল সতেরো পৃষ্ঠায় । ৪ . লিখেছি সরল বাক্যে নদীবর্তিনীর নাম নদী তবু প্রবাহিত হয় । লগবুক ২ . . . . . . . . সররাচর আয়নায় আমরা যে প্রতিবিম্ব দেখি তা অসদ্ - এ কথা বিজ্ঞানমাত্র স্বীকার করে থাকে । একজন অন্যমনস্ক পাঠক তার ব্যাকরণজনিত জ্ঞানে আস্থাশীল থেকেও ভুল বাক্যে চিন্তা করে বসতে পারেন । তার এই চিন্তা তথা জ্ঞানপ্রকরণকে যথাযোগ্য মর্যাদা প্রদান করেন কেবল কবি । কবিরা জানে , একদা গর্জনশীল চল্লিশা বলে এক ভয়ঙ্কর সমুদ্রসংঘাত এসে উপস্থিত হয়েছিল পালতোলা জাহাজের সামনে । জাহাজের কাপ্তান আর তার অনুসারী নাবিকবৃন্দ ভয়বিহ্বলতা কাটিয়ে উঠে কীভাবে আবার সেই জাহাজকে শান্ত সমুদ্রের দিকে ধাবিত করেছিল , তা - ও আজ ইতিহাসের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে । তাদের শরীরে লবণাক্ত বাতাসের স্পর্শে জেগে উঠেছিল দেড় হাজার বছরের ক্রন্দন আর হতাশ্বাস । আর তারও মধ্যে থেকে অনুসন্ধানের দায় , আবিষ্কৃতি , যদিও বা পাঠকের এ বিষয়ে তৎপরতা লক্ষণীয় নয় , হঠাৎ সামনে এসে আমাদের ব্যতিব্যস্ত করে । আমরা নাবিকবৃন্দ , আবারও আয়নার সামনে প্রতিবিম্বটির দিকে তাক করে আমাদের সমস্ত কম্পাস নিয়ে বসি । কোনো দিকনির্দেশনা , পাল তোলা , বহু পূর্ব - পশ্চিমের এই বিশ্বে ঘটে যায় যদি ! যাত্রা . . . [ প্রথমত , যাত্রার কথাই মনে আসে । যাত্রাই প্রকাশযোগ্য গমনশীলতা ] নিষ্কৃতির জমাট পাহাড়ে দৃষ্ট , রুক্ষতর মাথার উপরে চাঁদ ঢেকে যাচ্ছে সাদা - কালো মেঘে । দূর থেকে ভালো বোঝা যাচ্ছে না শরীর নিয়ে একটু একটু বোঝা যাচ্ছে এ রকম অবস্থানে দাঁড়াচ্ছে সবাই । তাদের সাক্ষী রেখে যে - কেউ বিশ্বাস করবে এরকম মতবাদ আজ আমি পেশ করতে চাই । সর্বজনাব , এই মধ্যমাঠে , কুয়াশায় শ্বাস নিতে নিতে আমাদের সকলেরই ক্ষুণ্ন্নিবৃত্তির কথা মনে হচ্ছে । মনে হচ্ছে চাঁদ বুঝি অসময়ে উদিত হলেন । আমাদের কথা তাঁর মনে ছিল । মনে ছিল কার্তিক মেঘের মধ্যে ডুবে যাচ্ছে এই তথ্য , মেঘের সুষমা । জমাট পাহাড়ে দৃষ্ট , রুক্ষতর মাথার ওপরে চাঁদ ঢেকে যাচ্ছে সাদা - কালো মেঘে আর ক্ষুধা নিয়ে আমাদের নিরন্ন কবির দল যাত্রা সবে শুরু করেছেন । তাঁদের যাত্রায় আমি বিবেকের পার্ট নিতে বহুক্ষণ ভোলা মন ভোলা মন বলে গলা সাধি । এবে , যাত্রা হলো শুরু । গ্রামের সমীপে . . . . . . . . . এখন গ্রামের মধ্যে বসে থাকা অনেক সহজ যে নদীর তীর ধরে হেঁটে যাচ্ছে গুণধর মাঝি ঘুম আর প্রকৃতিজগৎ নিয়ে এখনো যাদের চিন্তা মনোহর সেই নদী , সেই উপজগতের মধ্যে খুঁজে নিচ্ছি প্রকৃত প্রস্তাব । হোক রাত্রি , গ্রামের রাস্তায় যদি দেখা দিচ্ছে বিকলিত মন - যা শুধু তোমার সঙ্গে বোঝাপড়া হবে না বলেই বাঁধে শিশুশিক্ষা খুলে বসে থাকি । ২ . পৃথিবীর ধ্যানধারণার চেয়ে শিক্ষকতা ভালো । ততোধিক ভালো এই বেচাকেনা , পাপক্ষালনের রীতি , পরহস্ত ধন । তোমার বিক্রয়মূল্যে ভর করে আছে বিস্মরণ ; বিকালবেলার আলো , মুদ্রাবিনিময় আর প্রচারণা তোমারই দোকান । পণ্যভারাক্রান্ত হয়ে অধীর আগ্রহে এই চেয়ে থাকা তুলনারহিত । জীবনযাপন . . . . . . . . . ধর্ম নিয়ে আমাদের চিন্তা ছিল । চিন্তা ছিল কীভাবে প্রথম ছত্রে রোদ বৃষ্টি সবকিছু আসে । আমাদের চিন্তাপ্রণালী নিয়ে আপনি যে বিদ্রূপবাক্য , উপদ্রব এইসব পাঠিয়েছিলেন তার সবকিছু ভাবাচ্ছে এমত । ' সেহেতু জীবন নিয়ে কী করিব ' - উত্তর প্রসঙ্গে কোনো প্রস্তাবনা নাই । ধর্মগত প্রাণ নিয়ে রেললাইনের পাশে বসে আছি । ট্রেন যায় , মালগাড়ি , দেখি । আমরা দেখনদার । চিন্তা করে অন্য কোনো জন । মধ্যরাতে , নিদ্রাযাপনের কালে সেই চিন্তাবিদ এসে কীভাবে তাকায় ! উপজীবকের মতো কিছুটা সংকীর্ণ হয়ে , উবু হয়ে গভীর খাদের দিকে তাকাচ্ছ তাকাও , তবে লম্ফ দিয়ো না । বাংলা কবিতার সম্ভাবনা . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . বিগত পথের পাশে পড়ে থাকা পাথরের লোভ আমি ত্যাগ করতে পারিনি মহেশ । ( এখানে মহেশ কোনো ব্যক্তি নয় , শিব ) এখনো ঘুমের মধ্যে শব্দ তুলে অতিকায় রেলগাড়ি গন্তব্যে পৌঁছায় । তার বহুবিধ যন্ত্র আর যন্ত্রণার সাফল্যে নিহিত শেষ হাসিটাই প্রণিধানযোগ্য বলে মানি । এখনো ঘুমের মধ্যে নেশা হয় , রাজনীতি নিয়ে ভাবি । সম্ভাবনা এখনো রয়েছে তবে বাংলা কবিতার ! বর্ষার রাজনীতি . . . . . . . . . . . গভীর সংকট থেকে উত্তরণে ব্যস্ত আছে গদ্যরচয়িতা । এই ফাঁকে পালাচ্ছি হে শব্দ থেকে , উৎপন্ন ধোঁয়ার কালো কুণ্ডলীর বাঁচামরা থেকে । অন্যতর অভিনিবেশের দিকে আমাদের আচমকা প্রস্থান তুমি কলহাস্যসহযোগে আরো বেশি বর্ষণসম্মত করে গড়ে তোলো , আমাদের সম্মিলিত পতনের এমত উচ্ছ্বাস , প্রীতিভাজনেষু , ততোধিক বরষামণ্ডিত করে দিয়ে চলে যাও । প্রেম . . . . . . গ্রহণেরও আগে ঘটে সম্প্রদান । রাত্রি গভীর হয় । নৈশপ্রহরীর চোখ ক্লান্তি আর ঘুমে আরো ঘোলা হয় । তথাপি রাতের দৃশ্যে তাকে দেখে উৎফুল্ল হলাম । স্বপ্ন থেকে এইমাত্র পালিয়েছে যে সাফল্য , দুর্বলতা নামে কোনো তস্করের পিছনে পিছনে , তাকে পুনরায় অর্ধসমাপ্ত স্বপ্নে ফিরিয়ে আনার জন্য আবার ঘুমাতে চাই , প্রভু । ২ . রাত্রিজাগরণ তবু সম্ভব হবে না , কেন বইপত্রে মনঃসংযোগহেতু তোমার কথাই শুধু , ঘুরেফিরে মনে জাগছে দু - একটি বুদ্বুদ । ৩ . শিখা সমাদ্দার তার বাক্স গুটিয়ে নিয়ে চলে গেছে , যে দিন বিগত তার পিছে পিছে , সম্মেলনকেন্দ্র থেকে ততোধিক পিছে পিছে চলে গেছে রাষ্ট্রপ্রধানের গাড়ি , পতাকা হারিয়ে । সমস্ত শনাক্তচিহ্ন , উপহাস . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . আসঙ্গলিপ্সায় আমি সমুদ্রের কাছাকাছি এসেছি এবার । সন্ধ্যাকে রাত্রির মধ্যে সমর্পিত হতে দেখে বহু বছরের প্রথা ব্যর্থ হলো , ব্যর্থ হলো জেনারেটরের আলো , বৈদ্যুতিক পাখার দ্যোতনা । এই সূর্যাস্তকালীন মন , মনোবিকলন আমি অবরুদ্ধ করে দিয়ে উপবাগানের দিকে আপাতত ফিরে যেতে মনস্থ করেছি । ঢেউ এসে মালিন্য হরণ করে নিয়ে যায় কোনো এক রৌদ্রকরোজ্জ্বলতার নিচে , শিশুবাগানের পাশে তার প্রেম ব্যর্থ করে প্রাপ্তবয়সের হাসি ছড়িয়ে দিয়েছি পথে পথে । তাকে মনে পড়ে কি পড়ে না - এই দ্বিধাকল্পে গত জীবনের সব হাসি - কান্না লীন হয়ে আছে । ঢেউ তার সমস্ত শনাক্তচিহ্ন , উপহাস দ্রবীভূত করে দিয়ে ফিরে যাচ্ছে এক সম্ভাবনা থেকে অন্য কোনো রশ্মিবাগানের দিকে , দ্রুত । ট্রেন . . . নিয়ে যাচ্ছে রাত্রির ভিতর দিয়ে ততোধিক গ্রামের সমীপে এই ট্রেন । উপগ্রহের ছায়া যতটুকু পাওয়া যাচ্ছে - নদীতে , ব্রিজের নিচে - ততটুকু - রেলগাড়ি তত অন্ধকার দীর্ণ করে দিয়ে আমার গরিমাসহ ছড়াচ্ছে এ দেশে , এই গ্রামের সমীপে । ২ . রেললাইনের থেকে ঠিকরে ওঠা চাঁদের কলঙ্ক নাই , শুধু তার রেলপ্রবাহের সঙ্গে শব্দহীন প্রতিযোগিতার মতো ছুটে যাওয়া আছে । অপ্রকৃত গতির রহস্য থেকে মুক্ত হয়ে প্রকৃত বস্তুর দিকে এইরূপ দিগ্ভ্রান্তি অনুভব করি । সম্পর্ক . . . . . ১ . সকল বাক্যই থাকে অন্তরালে , তোমাদের সমস্ত গরল । তবু শান্তি পাই এই মনোভূমিকার কথা চিন্তা করে একা , সন্ধ্যাবেলা । পৃথিবীর সকল বিবাহ আজ হয়ে গেছে , নির্বাপিত সমস্ত সংশয় , তবু একটি সকাল আর পুনর্জন্ম বিষয়ের গল্পগাছাগুলি তুমি এখনো বয়ন করো দেখে ভালো লাগে । ২ . পুরাতন ফ্রিজবি খেলার মাঠে আমাদের হতে পারত পুনরায় দেখা । ডুমুরগাছের ডালে , পাতা ও ফলের বাঁকে তোমাদের হাস্যকাতরতা ফুটে ওঠে ; বিবাহিত মেয়েদের হাসি আর মনস্কামনা জেনে বড় হই , প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠি সন্ধ্যাবেলা । ৩ . এবারে নদীর গল্প শেষ হবে । ছলাৎকার বন্ধ করে দিয়ে যাব সর্বোপরি তোমার বাগানে ; ঘাসলতাপাতামুগ্ধ চোখে আমি তাকাব তোমার অভিযোজনার দিকে । সাইরেন বাজাতে বাজতে যাবে অ্যাম্বুলেন্স , ' আমাকে কোথায় নিয়ে যাবে ওরা ? কোথায় রক্ত নেবে ? ' - আজন্ম প্রদাহ নিয়ে , মরা নদীটির তীরে তোমার বিস্তৃত বালুসমাগমে বসে আমি এই কথা ভাবি । ৪ . এই চোখ , এর কোনো উপযোগ নেই , জগতের নারীপুরুষের দিকে অবিশ্বাসে চেয়ে থাকা ছাড়া । নিজের ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধে নামি । প্রতি বসন্তের শেষে আমার নিজস্ব ছায়া আমাকেই পরিত্যাগ করে ! আমাদের মনস্তত্ত্ব যৌথ ভাবাবেগ আমাদের রক্তমাংস হলুদ কঙ্কাল , সব সবকিছু সামান্য কথায় কত সহজেই দীর্ণ হয়ে যায় । সামান্য কথায় আর অসামান্য গ্রীষ্মকালে ছায়া কি স্মৃতির সঙ্গে দ্বৈরথে নামি ; সমস্ত বিভ্রম , সুরসংগতির সংগত বাসনা , সব সবকিছু কত বেশি সারল্যমথিত ! ৫ . বস্তুপৃথিবীর আলো ক্ষীণ হয়ে আসে - মৃত্যু , ঘাম , চর্বিতচর্বণ । কে আমাকে নিয়ে যাচ্ছে ? কে আমাকে ধরে রাখছে , আবার ফিরিয়ে দিয়ে যাচ্ছে রে তোতা পাখি , যাচ্ছে ধনেশ ?
Download XML • Download text