Text view
ben-34
View options
Tags:
Javascript seems to be turned off, or there was a communication error. Turn on Javascript for more display options.
৬ । 1 GB সাপোর্ড মোবাইলের জন্য 512 MB , 2 GB সাপোর্ড মোবাইলের জন্য 512 MB / 1 GB , 4 GB সাপোর্ড মোবাইলের জন্য 2 GB / 4 GB মেমরি কার্ড ব্যবহার করা ভাল । এতে মোবাইল ফোন সহজে হ্যাং হয়না এবং ধীর গতীর হয় না ।
মাগো তুমি কোন আলেয়ায় আলো ? কেন তোমাকে এতো লাগে ভাল । মাগো তুমি আমার পশ্চিমের কাবাঘর , চিরদিন তোমার পদতলে রেখ আমায় করো না পর । মাগো তুমি আমার লক্ষ্মী জননী , আরবের অতিমূল্যবান জমজম এরই পানি । তোমার কোলে মাথা রেখে যেন আমি মরি , মাগে তুমি যে আমার ডানাকাটা পরি । পৃথিবীর কারো সাথে নেই তোমার তুলনা , তোমায় ছাড়া এই পৃথিবীতে আমি কিছুই ভাবতে পারি না । মাগো তুমি না থাকলে যে আমার কি হবে , তোমার মতো ভালবাসবেনা কেউ এই ভবে । মাগো তুমি আমার জন্য করেছো কতইনা কষ্ট , তুমি ছাড়া অন্য কেউ হলে হতো শুধু অতিষ্ঠ । খোদা তোমাকে জানাই কোটি কোটি শুকরিয়া , আমি অনেক গর্বিত আমার লক্ষ্মী মাকে পাইয়া । মাগো তুমি যে আমার পবিত্র জায়নামাজ , তোমার মনে কষ্ট দিয়ে করবো না কোন কাজ । আমাকে না খাইয়ে খাওনা তুমি অন্ন , তোমার কোলে জন্ম নিয়ে হলাম আমি ধন্য ।
আমার সবচেয়ে অশালিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশে গম্ভীর কোরাসে অশ্রুজল ফেলতে মা , স্ত্রী বা বন্ধু কেউই আসেনি - গ্রামের মাতমকারীরাও না ।
কী জানি কি ভুল হয়েছে . . অনেক না ; এক - চুল হয়েছে . . তাতেই এমন গোমড়া_ গুমোট মনে আনন্দ নেই ব্যথার কাজল - ভোমরা !
চলে গেলেন বরেণ্য বাকশিল্পী , সংবাদপাঠক এবং ' ৭১ - এর মুক্তিযুদ্ধের শব্দসেনা দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় । কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ না দিলেও যৌবনে ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘে কাজ শুরু করেছিলেন । আর এভাবে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বাংলার প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের একটি উজ্জ্বল নাম ।
কাকেরা রোজ ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে অন্য একটা কাকের মৃত্যু , নিজের খাবারের অংশ বাড়বে এই প্রতীক্ষায় : : খাবারে ভীষণ টান নতুন নতুন আইন , নতুন ব্যবস্থা রাস্তা - উঠোন ধুয়েমুছে রাখে সব্বাই ; দূর্ভিক্ষ না এসে যায় এবার - বলে সবচেয়ে বয়েসি কাকটা সেবারের মত , সেই সেবার . . . . . গল্পে কান দেয়না কেউ দূরে আরেকটা জটলা , কোনও মৃত্যু , খাবারের ভাগাভাগি অথবা কোন বিবাদ প্রথমটা হলে কোনও লাভ নেই যদিও আজকাল কাকের মৃত্যু খাবারের বরাদ্দ বাড়ার কোন নিশ্চয়তা দেয় না ।
সার্বিক সহিষ্ণুতা থেকে মতবৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য ও হিন্দুধর্মের রক্ষণশীল উদারতা ধ্রুপদী পাশ্চাত্য চিন্তাধারায় এই ধর্মের সংজ্ঞা নিরুপণের প্রধান বাধাস্বরূপ । [ ২২ ] হিন্দুধর্ম মূলত একটি ব্যবহারিক ধর্মচেতনা । একাধিক প্রথা , সংস্কার ও আদর্শ এতে সন্নিবেশিত । তাই অনেকের মতে এই ধর্মের একটি সংজ্ঞা নির্ধারণ করা বেশ অসুবিধাজনক । [ ২৩ ] সেই কারণে ' রিলিজিয়ন ' বা ধর্ম অপেক্ষা ' রিলিজিয়াস ট্র্যাডিশন ' বা ধর্মসংস্কার হিসেবেই একে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সংজ্ঞায়িত করা হয় । [ ১ ] এই বৈশিষ্ট্য হিন্দুধর্মকে বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মবিশ্বাসের পাশাপাশি বিশ্বের সর্বাধিক বৈচিত্র্যপূর্ণ ধর্মের শিরোপাও দান করেছে । [ ২৪ ] [ ৬ ] [ ২৫ ] [ ২৬ ] অধিকাংশ ধর্মীয় সংস্কার পবিত্র ধর্মশাস্ত্র বেদ হতে সঞ্জাত । যদিও এর ব্যতিক্রমও দুর্লভ নয় । কোনো কোনো সংস্কার অনুসারে মোক্ষ বা পারত্রিক মুক্তিলাভের জন্য কিছু প্রথানুষ্ঠান অপরিহার্য । যদিও এই ব্যাপারেও মতানৈক্য বিদ্যমান । কোনো কোনো হিন্দু দার্শনিক মহাবিশ্বের সৃষ্টি , স্থিতি ও প্রলয়ের পশ্চাতে এক অস্তিবাদী পরাসত্তার সন্ধান করে ফেরেন , আবার কোনো কোনো হিন্দু নাস্তিকতার চর্চা করে থাকেন । হিন্দুধর্ম কর্মফলের ভিত্তিতে পুনর্জন্মবাদে বিশ্বাস রাখে । মোক্ষ এই ধর্মে জন্ম ও মৃত্যুর চক্রাকার বৃত্ত থেকে মুক্তিরই অপর নাম । যদিও হিন্দুধর্মের ক্ষেত্রের বাইরে বৌদ্ধ ও জৈনধর্মও এই মতবাদে বিশ্বাস রাখে । [ ২৩ ] এই কারণে হিন্দুধর্মকে মনে করা হয় বিশ্বের জটিলতম ধর্মবিশ্বাসগুলির অন্যতম । [ ২৭ ] এই জটিলতা ব্যতিরেকেও হিন্দুধর্ম যে শুধুমাত্র একটি সংখ্যাগতভাবে সুবৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মচেতনা তাই নয় , প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে প্রচলিত এই ধর্মবিশ্বাস পৃথিবীর অধুনা বর্তমান ধর্মগুলির মধ্যে প্রাচীনতমও বটে । [ ২৮ ]
কি বলেন ? আপনাদের অবস্থাতো মারাত্মক দেখা যাচ্ছে । আমি একবারেই বুঝেছি টাইফয়েড কি জিনিস শরীরটা একদম কাহিল করে ফেলেছিল । সাইফ ভাই তোমার দ্রুত সুস্থতা কমনা করছি ।
আলিম আল রাজি বলেছেন : আহারে ! আপনার জন্য সমবদনা
ফটোশপে রিসাইজ করে নিতে পারে . . তাতে কিছুটা মান কমে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে । তার চেয়ে যেটা আপনার পছন্দ সেটার নাম দিয়ে এখানে সার্চ করে দেখতে পারেন । আমি এগুলোর প্রাই বেশীর ভাগ ই এখান থেকে সংগ্রহ করেছি । মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও ধইন্যা ।
কুমারখালী হট নিউজ : কুমারখালীতে ব্র্যাক ব্যাংক কুমারখালী শাখার উদ্যেগে দরীদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার কুন্ডুপাড়াস্থ ব্র্যাক কার্যালয়ে এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । অনুষ্ঠানে প্রায় ১১ জন দরদ্রি ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ৪ হাজার ৭শ ৭৫ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয় । বৃত্তি প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংক কুমারখালী শাখা ব্যবস্থাপক সুনীল স্বর্ণকার , এরিয়া ম্যানেজার নিখিল চন্দ্র সরকার , কুমারখালী ডিগ্রী কলেজের ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক টুটুল , বাংলা বিভাগের অধ্যাপক জিল্লুর রহমান মধু , ব্র্যাক কর্মি শুকুমার বিশ্বাসসহ ব্র্যাকের অন্যান্য কর্মিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।
অল্প কথায় এবং যথাসম্ভব সহজবোধ্য কিন্তু কার্যকরী tutorials এর মাধ্যমে আমার এই ব্লগ এ চেষ্টা করবো আপনাদের কাছে মাইক্রোসফট এর অসাধারণ গেম স্টুডিও Microsoft XNA কে তুলে ধরতে | এই ব্লগ সেইসব বাংলাদেশীদের জন্য যারা তাদের জীবনে কখনো একবারের জন্য হলেও ভিডিও গেমস তৈরী করবার স্বপ্ন দেখেছেন কিন্তু হয়তো সেই পথে যাওয়া সম্ভব হয়নি সঠিক development tools এবং গেম তৈরী ' র শিক্ষামূলক resources এর অভাব এর কারণে |
দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতোই ঘোড়ার অভাবে ছাগল দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজন করে নববর্ষ উদযাপন করলো মাগুরার শ্রীপুর থানার টুপিপাড়া গ্রামের মানুষ । পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে টুনিখালির ঘাটে স্থানীয় টুপিপাড়া যুবসংঘ এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করে । দৌড়ে অংশ নেয় অর্ধ শতাধিক ছাগল । দৌড়ের তালে তালে উল্লাস - করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে সংলগ্ন এলাকা । তৈরি হয়
এই নিয়মের একটু ব্যতিক্রমও আছে । সেটা হচ্ছে etc , include আর src ফোল্ডারসমূহ । সিস্টেম ও এপ্লিকেশন উভয় প্রকার প্রোগ্রামই এই ফোল্ডারগুলো শেয়ার করে । etc সরাসরি রুট ফোল্ডারে থাকে , include ও src ফোল্ডারগুলো / usr এর ভেতর থাকে ।
লেখক বলেছেন : গুড ! তাহলে তো আমার স্কুলটা তোমার খুব কাছাকাছিই । তাড়াতাড়ি চলে আসো ভাইয়া ।
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ১২টি ইউনিয়নের ৭৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী , সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৯৭ . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
দেশের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক বলে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন । তার মতে , বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক । অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা ব্যাপক তত্পর বলে প্রায় সময়ই দাবি করেন তিনি । একইভাবে ডিএমপি কমিশনার বেনজির আহমেদেরও দাবি পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে ।
ফুল - বাগানে ফুলের কুঁড়ি ফুল হয়ে যাও রাতে আতর আতর খুশবু ছড়াও পাপড়ি খোলার সাথে জীনের বাদশা দাও পাহ্রা সপ্ত - আকাশ জুড়ে পাহ্রা বসাও পাতাল নগর এবঙ সমুদ্দুরে
বিবিসি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে , সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর মুসলিম ব্রাদারহুডসহ সব বিরোধী পক্ষ …
সেই ছোট বেলা থেকে একটা বদ অভ্যাস হয়ে গেছে নিয়মিত খবরের কাগজ পড়া । বাসায় পড়তাম একটা । জতীয় দৈনিক হিসেবে জনকন্ঠ ছাড়া বাকি সবগুলো পেপার বাসায় আসতো ১১ টার পর । স্কুল থেকে ফিরেই পেপার নিয়ে বসতাম জামা কাপড় ছাড়ার আগেই । খেতে খেতেও খবরের কাগজে চোখ বুলাতাম । বহদ্দারহাটে অনেকগুলো নিউজপেপারস্ট্যান্ড ছিল । বিশেষ
নরেন্দ্র যেমন অর্থ ব্যয় করিতে লাগিল , তেমনি ঋণও সঞ্চয় করিতে লাগিল । সে নিজে এক পয়সাও সঞ্চয় করিতে পারে নাই , টাকার উপর তাহার তেমন মায়াও জন্মে নাই , তবে এক - - পরিবারের মুখ চাহিয়া লোকে অর্থ সঞ্চয়ের চেষ্টা করে , তা নরেন্দ্রের সে - সকল খেয়ালই আসে নাই । একটু - আধটু করিয়া যথেষ্ট ঋণ সঞ্চিত হইল । অবশেষে এমন হইয়া দাঁড়াইয়াছে যে , ঘর হইতে দুটা - একটা জিনিস বন্ধক রাখিবার প্রয়োজন হইল ।
মজা করার জন্য বলেছেন হয়ত । আবার এটাকিং ভাষাও হতে পারে . . যেমন টা তিনি এটা দিয়ে বুঝিয়েছেন
@ কলম কবির ভাই ১৩০০ টাকা নিল । ১ জিবি কিনছি ।
একজন নতুন বিপ্লবী নেতার জন্ম নেয়া দরকার , খুবি দরকার ।
হেলাল এম রহমান বলেছেন : এমন মন খারাপ করা চেহারা এখন না তাকালেও দেখতে পাওয়া যায় ।
নিউজডেস্ক , বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলকে সংসদে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন । তিনি রবিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে তার সাম্প্রতিক রাশিয়া - বেলজিয়াম ও জাপান সফর সম্পর্কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন । প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থকে জাতীয় স্বার্থের চেয়ে বড় করে না দেখতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন , ধ্বংসাত্নক কার্যকলাপ চালিয়ে জনগণকে কষ্ট দেবেন না । দেশের সম্পদ নষ্ট করবেন না । শেখ হাসিনা বিরোধী দল বিএনপির উদ্দেশে বলেন , জাতীয় স্বার্থে সব বিষয়ে আপনারা সংসদে এসে যা খুশি বলুন , আপনাদের কেউ বাঁধা দেবে না । বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম / এসএ .
আমার কাজের যায়গায় প্রচুর নিগ্রো আছে । তাদের আদর করে নিগা ডাকা হয় । তবে তারা যখন আশে পাশে থাকে না তখনই ডাকা যায় । দুর্ঘটনাবসত কোন নিগ্রো যদি শুনতে পায় তাকে নিগা হয়ে হয়েছে তাহলে সে মুখে হাত দিয়ে " আবাবাবাবাবাবা " ধরনের শব্দ করে বল্লম নিয়ে দৌড়ানি দিবে । তাই নিগাদের থেকে সর্বদা সাবধান । আমার কাজের যায়গায় একটা নিগা খুবই ভালো স্বভাবের যা একটি অচিন্তনীয় ব্যাপার । গতক ' দিন ধ ' রে ভাবছি আমার কলিগ একটা নিগাকে মানুষের
সময় পেলে উড়োপথের বিবরণ লিখব - আকাশযাত্রীর ভারতীয় চোখে পশ্চিমদেশ দর্শন । কি আরামে ঘুরেছিলাম কি বল্ব ! এখন এই বাল্টিকের ছোট্ট জাহাজও বেশ লাগছে - এর কবিত্ব অন্য রকম । এক পৃথিবীর জীবনে কতখানি ধরে !
সংখ্যায় যাঁরা বেশি , তাঁদের বাহুতে জোর বেশি । তবে তাঁদের বুদ্ধিও বেশি তার কোনো গ্যারান্টি নেই । কাঁচাবুদ্ধিসম্পন্ন বিপুলসংখ্যক মাথা যোগ দিলে একটা প্রকাণ্ড বুদ্ধির সমাবেশ ঘটে না । আমার মতো কোটি কোটি লোকের মাথা যোগ দিলেও একটি আইনস্টাইন বা নিউটনের মাথা হবে না ।
প্রতিবেশী গ্রহ মঙ্গলের বুকে গভীর ফাটলের সন্ধান পেয়েছে ইউরোপীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা তথা ইএসএ ' র মহাকাশযান মার্স এক্সপ্রেস । বৃহত্ ইসিডিস ইমপ্যাক্ট বেসিনের কাছে নিলি ফোসা এলাকায় ওই গভীর ফাটল খুঁজে পাওয়া যায় । এটি ৫০০ মিটারেরও বেশি গভীর বলে অনুমান করা হচ্ছে । নিলি ফোসা এলাকায় আরও অনেক ফাটল রয়েছে । বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা । তাই ওই এলাকাটি তাদের গবেষণার জন্য আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে । যারা মনে করেন এক সময় মঙ্গল গ্রহে পানি ছিল , এই ফাটল তাদের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে । গ্রহটি নিয়ে এমনিতে অনেক মতভেদ রয়েছে । বিশেষ করে সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল বা আছে কিনা তা নিয়েই চলছে মূল বিতর্ক । তাই গ্রহ বিজ্ঞানীরা সেখানে জীবন থাকার জন্য সবচেয়ে প্রযোজনীয় উপাদান পানির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে আসছেন । পানির অস্তিত্ব নিশ্চিতভাবে না পেলেও তারা এর মধ্যেই গ্রহটির এমন কিছু বিরল ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছে যা থেকে ইঙ্গিত মেলে যে , গ্রহটিতে হয়তো কোনো একদিন প্রবহমান পানি ছিল । যেমনটি রয়েছে আমাদের পৃথিবীতে । মার্স এক্সপ্রেসের সদ্য প্রকাশ করা ছবির নিচে ডান দিকে দেখা যাচ্ছে , বড় ধরনের ফাটল । এটির ব্যাস অন্তত ১২ কিলোমিটার । বাম দিকের ফাটলটি ছোট । এর ব্যাস সাড়ে ৩ কিলোমিটার । নিলি ফোসায় এক সময় প্রবল পানি প্রবাহ এবং ভূমিক্ষয়ের কারণে বহু ফাটল তৈরি হয় বলে গ্রহ বিজ্ঞানীরা মনে করেন । ওই এলাকায় মিথেন রয়েছে বলেও বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন । এখনও সেখানে হয়তো মিথেন গ্যাস উত্পাদন অব্যাহত রয়েছে বলে তারা মনে করেন ।
@ বন্দনা , আপু কিন্তু গভীর জলের মাছ তুলে আন্তে পারেন ! ! ! হে হে ! ! অন টপিক : ঢাকায় কেন সারা বাংলাদেশে এইসব নির্যাতন হচ্ছে প্রতিনিয়ত ! ! কয়টা মানব্বন্ধন করবেন ? কিসের মানব বন্ধন ? মানব বলতে দুনিয়ায় কেউ আছে ? ? ?
Posted on রবিবার , ৮ মার্চ , ২০০৯ by ভাঙ্গা পেন্সিল
ইমাম হাসান কবার ওপরের দিকে তাকালেন মুহিত । এভারেস্টের চূড়া থেকে মাত্র ১০০ মিটার নিচে তিনি । একটু আগেই একজন পর্বতারোহীর মৃতদেহ দেখেছেন । এভারেস্ট শৃঙ্গে ওঠার আগেই লোকটি মারা গেছেন । মুহিতের শরীরে ক্লান্তি এসে ভর করেছে । পা আর চলছে না । এখন কী করবেন মুহিত ? তাহলে কি নেমে যাব নিজের কাছে মুহিতের প্রশ্ন । সঙ্গে সঙ্গে মনে পড়ে গেল , রওনা দেওয়ার আগে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের শেষ কথাটি , ' মরার আগে মরলে চলবে না । ' এই কথাটিই মুহিতের ক্লান্ত শরীরে শক্তি এনে দিল । ' শক্তি ফিরে পেলাম । আবার এগিয়ে চললাম । অবশেষে ২১ মে সকাল সাতটার সময় পৌঁছালাম রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে অপেক্ষা করা এভারেস্টের চূড়ায় । মনে পড়ছিল টাইটানিকের নায়ক জ্যাকের সেই সংলাপটি , ' আই অ্যাম আ কিং ইন দ্য ওয়ার্ল্ড ' ভাবেই এভারেস্ট জয়ের কথা শোনাচ্ছিলেন এভারেস্ট বিজয়ী দ্বিতীয় বাংলাদেশি মোহাম্মদ আবদুল মুহিত । দুই ছোটবেলা থেকে পুরান ঢাকায় বেড়ে ওঠা এই ছেলেটি সারাক্ষণ মেতে থাকত বন্ধুদের নিয়ে বাসার ছাদে নানা রকম খেলায় । চৈত্রসংক্রান্তিতে তো ঘুড়ি ওড়ানো আর ঘুড়ি সংগ্রহ করা ছিল তার একমাত্র কাজ । স্কুল ছুটিতে সবার সঙ্গে গ্রামের বাড়ি গেলে মুহিতকে আর খুঁজেই পাওয়া যেত না । সারা দিন মেতে থাকত ডাংগুলি বা ফুটবল খেলায় । গাছে চড়ার বাতিক ছিল মুহিতের । দূর থেকে দৌড়ে এসে হঠাৎ করে নদীতে লাফিয়ে পড়ে সাঁতরে ছাড়িয়ে যেত সবাইকে । দেখে বোঝাই যেত না সে শহুরে ছেলে । মাঝিকে উঠিয়ে দিয়ে নিজেই নৌকা বেয়ে চলত মনের আনন্দে । তবে টাকা ঠিকই দিয়ে আসত মাঝিকে । দাদা একবার জিজ্ঞেস করেছিলেন , ' তোর এত আকাশের দিকে নজর কেন রে ? ' উত্তরে মুহিত জানায় , ' আমি ওই আকাশের মতো উঁচুতে উঠতে চাই । আমার মন সব সময় ওপরের দিকেই যেতে চায় । ' দাদা হেসে বলতেন , ' তুই পারবি । ' ' সারা দিন দস্যিপনা করলেও লেখাপড়ায় মুহিত ছিল যথেষ্ট ভালো । নিজের পড়া নিজেই শেষ করত । ঘরের কাজ গুছিয়ে রাখে সব সময় । তাই ওকে বকাঝকা করার সুযোগ পেতাম না । ' জানান মুহিতের মা আনোয়ারা বেগম । পোগোজ স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে ১৯৮৫ সালে মুহিত ভর্তি হন নটর ডেম কলেজে । বাণিজ্যের শিক্ষার্থী হওয়ায় বেছে নেন বিজনেস ক্লাব । কিন্তু কলেজ ছুটি হলেই বন্ধুদের নিয়ে চেপে বসতেন ট্যুরিস্ট বাসে , শহরের আশপাশটা ঘুরে দেখতে । এতে করেই আশপাশের সব দর্শনীয় এলাকা চষে বেড়াতেন । প্রিয় বই ছিল অ্যাডভেঞ্চারের । সিটি কলেজ থেকে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে চাকরির প্রতি তেমন মনোযোগী হতে পারেননি । ছেলের বিজয়ে আনন্দাশ্র " বাবা মনোয়ার হোসেনের চোখের কোণে । ' ছেলে আমার বারবার ছুটে যেত পাহাড়ের টানে । সারা দিন মাথার মধ্যে ছিল একটাই চিন্তা । তাই আর বাধা দিতাম না । সে যে আমার ছেলে , এটা ভেবে এখন গর্বে বুকটা ভরে উঠছে । ' এমন ছিল সন্তানের আনন্দে বাবার অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ । সাত ভাইবোনের মধ্যে ভাইদের দিক থেকে মুহিত বড় । ভাইয়ের সাফল্যে বোন রাবেয়া বেবীর আনন্দ ছিল আরও বেশি , কারণ প্রায় ১০ বছর ঈদের দিনটিতেও কাছে পায়নি ভাইটিকে । পাবে কী করে ? ছুটি পেলেই তো সে চলে যায় পাহাড়ে । হোক না সে ঈদের দিন । এবার নিশ্চয় পাবে । তিন মুহিত প্রথম জয় করে সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় ১৯৯৭ সালে । এর আগে তো একবার কুমিল্লায় পিকনিকে গিয়ে ছোট ছোট টিলাকেই সে পাহাড় ভেবে বসে । দৌড়ে গিয়ে উঠেও আসে কয়েকবার । এরপর নেশায় পেয়ে বসে পাহাড়ে ওঠা । এ পর্যন্ত ছয় হাজার মিটারের পাঁচটা এবং আট হাজার মিটার উচ্চতার দুটি পর্বতে ওঠা শেষ । গায়ে শক্তি থাকা পর্যন্ত পাহাড় - পর্বত ছেড়ে এক পা নড়তে নারাজ মুহিত । ' গত বছর হিমালয়ের একটা চূড়া জয় করার পর তার নাম দিই নেপাল - বাংলাদেশ মৈত্রী শিকল । আমার তো ইচ্ছা , আমাদের দেশের তরুণেরা একের পর এক পর্বতে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরবেন । আর বদলে দেবে বাংলা অভিধানের ' ঘরকুনো ছেলে ' নামটি । ' দৃঢ়তার সঙ্গে মুহিতের উচ্চারণ । এভারেস্ট জয়ের নেশায় ২০০৩ সালে গড়ে তোলা বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং ট্র্যাকিং ক্লাবের ( বিএমটিসি ) সদস্য হিসেবে মুহিত জয় করেন এভারেস্ট । গত বছরও তিনি এভারেস্ট জয়ের চেষ্টা করেছিলেন , কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে ফিরে এসেছিলেন । ক্লাবের সভাপতি ইনাম আল হক উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে জানান , ' মুহিতের মধ্যে একনাগাড়ে লেগে থাকার প্রবণতা ছিল । ও বছরের দুটি সময়কেই কাজে লাগাত । আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সার্থক করেছে মুহিত । সুতরাং এ ভালো লাগা পরিমাপের নয় । ' চার এভারেস্টে ওঠার বর্ণনায় মুহিতের মুখে শোনা গেল ভয়ংকর সেই ২৯টি দিনের কথা । ' এভারেস্ট যাত্রা মানেই মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় নিয়ে অভিযাত্রা । দুই দিক দিয়ে ওঠা গেলেও আমি বেছে নিয়েছিলাম তিব্বত অংশ । এই অংশে পাথরের ওপর দিয়ে হাঁটা অনেক কঠিন ছিল , তার ওপর ঠান্ডা তো আছেই । ৭০০ মিটার উঠে পড়লাম ঝড়ের কবলে । যাত্রায় একটু বিরতি দিলাম । আমার সঙ্গে ছিলেন পাঁচজন শেরপা এবং আর একজন আরোহী । প্রতি পদক্ষেপ চলেছি সাবধানে । ক্লান্তি শরীরে ভর করলেও মনের কোণে ঘেঁষতে দিইনি মুহূর্তের জন্য । অনেক লাশের দেখা পেলেও বোধ কাজ করত না । মাথায় তখন একটাই চিন্তাচূড়ায় উঠতেই হবে । হাল ছাড়া মানেই মৃত্যুকে আপন করে নেওয়া । এভাবেই ২১ মে সকাল সাতটায় উঠে গেলাম এভারেস্টের চূড়ায় । বেশ কিছুক্ষণ চূড়ার ওপরে ছিলাম । নামতে গিয়ে দেখলাম , ওঠার থেকে নামাটা বেশি কঠিন । তবে বিজয়ের আনন্দ তখন সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল । মনে পড়ছিল দেশের কথা , মায়ের মুখ , আমার গুরু ইনাম আল হকের মুখ । সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে শেষে ২২ মে নেমে এলাম অ্যাডভান্স বেস ক্যাম্পে । এখানে এসেই কথা বললাম আমার গুরু এবং মা - বাবার সঙ্গে । আনন্দে চোখ ভিজে গেল । ২৪ মে বিকেলে সার্টিফিকেট পাওয়ার পর মনে হলো , আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার সনদ হাতে পেলাম , যে অর্জন দেশের জন্য । ' পাঁচ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পর্বত জয় করা হলেও মুহিতের অভিযান থেমে থাকবে না । এ বছরই ক্লাবের অন্য কয়েকজনের সঙ্গে আবার নতুন পর্বতে যাওয়ার ইচ্ছা আছে তাঁর । আয়োজন করবেন স্কুল - কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে নানা কর্মশালা । তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন চিন্তা আছে তাঁর , ' আমার মনে হয় , ধূমপান বা অসামাজিক কাজের পথে না গিয়ে তারুণ্যের প্রকাশ ঘটুক অ্যাডভেঞ্চারে , নব নব আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে যেসব আবিষ্কার দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে । '
সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়া ও এর উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু থেকেই একটি বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা অব্যহত রয়েছে । কোন দেশে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হলে বির্তক সৃষ্টি হবে না তা নয় । কিন্তু চলমান বিতর্ক সৃষ্টির রন্ধনশালার প্রধান রাঁধুনী ধর্মাশ্রয়ী এবং ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল । ইমেজ ও অস্তিত্ব সংকটে থাকায় জামাত নিরব তবে বিএনপি সরব । আর মুফতি ফজলুল হক আমিনীর আচরণ তো নতুন করে উল্লেখের প্রয়োজন পড়ে না । ধর্মকে পুঁজি করে দেশে অনাকাক্সিক্ষত উত্তেজনা সৃষ্টিতে তার দক্ষতার জুড়ি নেই । তার মত ধর্মীয় পুঁজিপতিরা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিগত কয়েক শতক ধরে ' ইসলাম গেল ' ধরনের স্লোগান তুললেও ইসলাম আজ অবধি বহাল তবিয়তেই আছে । অবশ্য বিএনপি শুধু তার ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণে নয় , তাদের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দর্শন হুমকীর মুখে পতিত হবার আশঙ্কাতেই একটি বিরোধী অবস্থান দলটি নিয়েছে । এমন অবস্থান নেয়া ছাড়া দলটির সামনে ভাল কোন বিকল্প আছে বলেও মনে হয়না । কারণ সংবিধানের যত পরিবর্তন তার একটা বড় অংশ সম্পাদিত হয়েছে তাদের দ্বারাই । অবশ্য বিরোধী দলের বিরোধী অবস্থান যে সব সময় মন্দ তাও নয় । এতে কখনো কখনো সরকারের উপর এক প্রকার গণতান্ত্রিক চাপ সৃষ্টি হয় যার ফলে সরকার সর্বাত্মক আচরণ থেকে নিজেকে নিবৃত করার তাগিদ অনুভব করে । কিন্তু এধরণের বিরোধীতা হতে হবে যুক্তিনির্ভর । সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিএনপির যে অবস্থান তা যে শতভাগ অযৌক্তিক তা বলার সুযোগ নেই কিন্তু যুক্তিপূর্ণ অবস্থান পাকাপোক্ত করার স্বার্থেই দলটির উচিত ছিল তাদের আপত্তিগুলো লিখিতভাবে সংসদীয় কমিটির কাছে উপস্থিত করা । এতে ভিন্নমত যেমন প্রকাশ পেত তেমনি সংসদীয় ব্যবস্থায় সংসদীয় আচরণের ধারাবাহিকতাও বজায় থাকতো । সংসদ একটি প্রতিষ্ঠান আর যেকোন প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকার সুফল ভবিষ্যতের জন্য মজুদ থেকেই যায় । কিন্তু বিএনপি বোধ হয় সেই ভবিষ্যত সুফল থেকে বঞ্চিতই হলো । তবে রাজনীতি মানেই কূটনীতি , কৌশল । এই নীতিতে যে পারদর্শী সেই জয়ী হয় । সর্বশেষ বিএনপি যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছিল তখন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলতেন যে , কৌশলগতভাবে বিএনপি এগিয়ে আছে । আর আওয়ামী লীগ নানা দুর্বলতায় তাদের সাথে পেরে উঠছেনা । কিন্তু বর্তমানে সেই কৌশলের খেলায় আওয়ামী লীগই এগিয়ে আর বিএনপি পেছনে ।
মিলবে যেখানে মুন্নু সিরামিক , শাইনপুকুর সিরামিকের নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্র ছাড়াও এলিফ্যান্ট রোড , নিউমার্কেটে আর চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটে ক্রোকারিজের দোকানে মিলবে পছন্দের সিরামিকের তৈজস । কিছুটা ভিন্ন ডিজাইনের তৈজস পেতে হলে চলে যেতে পারেন আড়ং এবং ঢাকার সানরাইজ প্লাজার ক্লে ইমেজ - এ ।
ঢাকা , ২৪ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডেস্ক ) : ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে সন্ত্রাসী সংগঠন আল কায়েদার নতুন নাম রাখার কথা ভেবেছিলেন ওসামা বিন লাদেন । পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের বাড়িতে পাওয়া তার লেখা শেষ চিঠিতে এমন তথ্য পাওয়া যায় । ওই চিঠিটি বিশ্লেষণ করে মার্কিন কর্মকর্তারা জানায় , লাদেন বুঝেছিলেন তার দল অনেক মুসলমানকেও হত্যা করেছে । যা দলটির ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছিল । আর পশ্চিমারা এটিকে ব্যবহার করেছে সাধারণ মানুষের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে । এছাড়া তার পুরনো সঙ্গীরা মারা যাবার ফলে তিনি তাদের স্থলে নতুন নেতৃত্বের কথাও ভেবেছিলেন । প্রাপ্ত চিঠিতে দেখা যায় যে , আল কায়েদার নতুন নাম রাখার কথা ভাবছে লাদেন । যেমন - তাইফাত আল তাওহিদ ওয়াল জিহাদ । যার অর্থ একেশ্বরবাদী জিহাদি গ্রুপ । বা জামাত আইদাত আল খিলাফত আল রাশিদা । যার অর্থ খিলাফতবাদী দল । আল কায়েদা নাম পরিবর্তনের কারণ হিসেবে তার মনে হয়েছিলো আমেরিকা বা পশ্চিমা বিশ্বের প্রতি পবিত্র যুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের আকর্ষণে এটিতে তেমন বেশি উপাদান নেই । লাদেনের এই চিঠিটিতে কোনো তারিখ দেয়া ছিলো না । লাদেন হত্যা অভিযানে অংশ নেয়া মার্কিন নেভি সিল সদস্যরা এই চিঠিটি ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করে । চিঠিটিকে খুব গুরুত্ব সহকারেই নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন । কারণ , তারা মনে করছে চিঠিতে পাওয়া তথ্যগুলো ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / সুম / টিএইচ / ১৫ . ২৮ঘ . )
আপনারা আলোচনা করেন , আমি দেখি , মাঝে মাঝে কমেন্ট দেই , এই আর কি । ( পিছলাইলাম )
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : ঢাকা ১৯ , এপ্রিল ২০১১ : আদালতে বিচারাধীন মামলার মহিলা , শিশু ও কিশোরী ভিকটিমদের মামলা চলাকালীন সময়ে নিরাপদ আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য গাজীপুরের ভাষান সড়ক মোগরখালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এক একর জমির উপর নির্মাণ করা হয়েছে দেশের প্রথম মহিলা , শিশু ও কিশোরী হেফাজতীদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র । মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের . . .
আমাদের সমাজে ঐতিহাসিক সূত্রে খ্রীষ্টান শাসকের ( ব্রিটিশ ) আইন কানুন কখনো ইসলামের নামে বাঙালীর লেবাসে রাস্ট্রীয় অধ্যায় পার হতে শাসককূল ভেলা হিসাবে ব্যবহার করে থাকে । প্রাচীন লুটের কাঠামো সমাজকে এমনভাবে আষ্ঠেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে নবীন রিপাবলিককে পরিসমাপ্তি ঘটাতে । বর্তমানে সমাজের মহাজনি কারবারিরা ধারাবাহিক মুনাফা ( সুদের হার ) কে পৃথিবী ব্যাপী আলোচনার বিষয় হিসাবে চিহৃিত করেছে গত শতাব্দীর শেষ দিকে । মুনাফা হার পাশ্চাত্যের খ্রীষ্টান বিশ্বকে চঞ্চল করে তোলার জন্য কাজ করছে । দারিদ্র বিমোচণের নামে জগৎ খ্যাত মহাজন ডঃ ইউনুস প্রমাণ করেছেন আমাদের এই ভাংড়ি বাজারে বিশ থেকে ত্রিশ ভাগ মুনাফা ( সুদ ) নিরানববই ভাগ মূলধনসহ সমাজের হত দরিদ্রদের মাঝে গণবিতরণের পর ফেরত পাওয়া সম্ভব । অর্থাৎ সমাজের বর্তমান কাঠামোর মধ্যে সুদের বিশ থেকে তিরিশ ভাগ উৎপাদন সম্ভব হয় বছরে । তাহলে সহজেই মেনুফ্যাকচারিং বা প্রসেসিং ইন্ডাষ্ট্রীতে মুনাফা হবে পঞ্চাশ ভাগএবং অটোমেশণ ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করলে ১০০ ভাগের অধীক মুনাফা হতে বাধ্য । ফলে আধিক মুনাফার জন্য যে কোন পূঁজি বিনিয়োগকারী বৈধ পথের পাশাপাশী অবৈধ ব্যবসার পথ অবলম্বণ করবে এটাই স্বাভাবিক , কারণ আমাদের দেশে প্রথমত দেখার লোক নেই বা যারা বেতন নেয় তারাও নগদনারায়ণের ধান্ধায় ব্যস্ত । তাইতো গাঁও গ্রামের মানুষরা বলে কাপড় খোলা পেলেতো মারবেই ।
পুঁজিবাদী পত্রিকাগুলো কর্তৃত্বাধীন আচরণে দলীয় পদ থেকে জনমতকে বিভ্রান্ত ও নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করে । বহমান ঘটনার পাতে কিছুদিন খই ছিটিয়ে সমসাময়িক সাম্প্রতিক বিষয়াদিতে নিমগ্ন হয়ে পড়ে । পত্র পত্রিকার আন্দোলন কখনোই কোন চুড়ান্ত এন্ড পয়েন্টের দেখা পায় না , সাময়িক অক্সিজেনের আভাসে অর্ধ পূর্ণ ফুসফুস নিয়ে আবার ডুব দিয়ে সেই কালো পানির অতলে । মাঝি মাল্লারা যেভাবে বাতাসের দিকে আঙ্গুল চুষে দিক বুঝে পাল খাটিয়ে দেয় , কলমচাষীরা সমসাময়িক ইস্যুতে নিমগ্নতার অজুহাতে ক্ষনিক জয়ের স্বাদ জিহ্বায় নিয়ে নতুন কোন খাবারে মুখ ভর্তি করে ফেলে । যে কোন মিডিয়ার ক্ষেত্রেও তাই বলা যায় , এমনকি ব্লগও । সীমিত পরিসরে এসে ঠেকে যাওয়া এই আন্দোলন ব্যপৃত হতে পারে না , মূলস্রোত থেকে হারিয়ে ব্যক্তি - শ্রেনী - কিংবা গোষ্ঠীকেন্দ্রিক হয়ে উঠে এক সময় । আর এই সামাজিক আন্দোলন কোন এই রকমই কোন ব্যক্তি - গোষ্ঠি - শ্রেনীর অনুপস্থিতিতে বা পুর্ণস্থাপনে তার গতি হারায় সহসাই ।
টাইপিং এ স্ট্রং হওয়ার জন্য হুজুর সার্ভিসিং সেন্টার আছে তো বস্ । আর আপনারা যদি ইসলামের দাওয়াত দিতে আসা পোস্ট গুলাতেও একটু হাজিরা দিয়া এইরাম জ্ঞান দিতেন তাইলে দিল খুশ থাকতো ।
লেখক বলেছেন : ঈর্ষা করেন ? আমি আসলে খুব সরল টলটলে ভাষায় লিখে যাতে মানুষের ঘিলুতে সহজে ঢোকে . . . . . বেশী গভীর ব্যাখ্যা করতে গেলে " বুদ্ধিজীবি " মার্কা " গিয়ানঘর্ভ " পোস্ট হয়ে যাবে , মানুষ বিরক্ত হবে , আওয়ামীরা আরো বেশী ত্যানা প্যাচানোর সুযোগ পাবে . . . . . ধন্যবাদ নেট পোকা
১০৯ বার পঠিত | ১২ টি মন্তব্য | রেটিং + ৩ / - ০ | বাকিটুকু পড়ুন |
ঢাকা , ১১ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা বলেছে , সামনে আরো হরতাল আসবে । পাশাপাশি গণমিছিল হবে । সরকার পতনে বিএনপি আন্দোলনের অনেকগুলো ধাপ অতিক্রম . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
কোন এক নিঃসঙ্গ দুপুর বেলায় স্মৃতিরা ডানা মেলে যদি মেঘের ভেলায় বুঝে নিও ভালোবাসি তোমায় ।
লেখক বলেছেন : নিতে তো কোন সমস্যা নাই তবে অপরাজিতা আপু যদি জানে আমি আপনেরে হিমালয়ে ভাগায় নিয়া যাইতেছি তাইলে আপনের সাথে আমারেও রাম দা দিয়ে দৌড়ানি দিবে
যে জাতি পরাধীন কিন্তু স্বাধীনতার সংগ্রাম করছে তারা আসলে স্বাধীনই ।
ঢাকা ডেস্ক : পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশি ( আইসিবি ) প্রস্তাবিত পাচঁ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন ( ওপেন এন্ডেড ) মিউচ্যুয়াল ফান্ড আজ ( বুধবার ) অনুমোদন দেয়া হয়েছে । আজ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে ( এসইসি ) বৈঠক শেষে এ বিষয়টি সাংবাদিকদের জানানো হয় ।
পোষ্ট করেছেন : ৫ টি মন্তব্য করেছেন : ১৬২ টি ব্লগ লিখছেন ০ বছর ৪ মাস ৮ দিন ব্লগটি দেখা হয়েছে : ৩৪৭ বার
প্রজন্ম ফোরাম » তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি » টিউটোরিয়াল , টিপস এন্ড ট্রিকস » ডোমেইন নিয়ে একটা প্রশ্ন
আপনার ' মত ' যদি ইসলামের বিধানের সাথে না মিলে তাহলে আপনার ' মতের ' কোন মূল্য নেই । নিজের চিন্তাভাবনা আপনি ইসলামের উপর চাপিয়ে দিতে পারেন না । যেটা সম্পর্কে তেমন জানা নেই সেটা সম্পর্কে ' মত ' না দেয়াটাই উচিত নয় কি !
অভিনন্দন ইলিয়াস ভাই , পলাশ ভাই ও জুবায়ের ভাই . . .
বিভিন্ন অনলাইন ডিকশনারি অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ডিকশনারি লক্ষ্য করা যায় । অনলাইনে সাধারন বিষয় ছাড়াও বিষয়ভিত্তিক ডিকশনারি বিদ্যমান । এখানে আমরা বিভিন্ন অনলাইন ডিকশনারি নিয়ে আলোচনা করছি ।
প্রজন্ম ফোরাম » দৈনন্দিন » সংবাদ বিশ্লেষন » রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকেন কারীতে ইন্দুরের মাথা , জাতি হিসাবে গেল মাথা
প্রজন্ম ফোরাম » বিবিধ » বটগাছ » " খারাপ হতে চাও তবে কবি হয়ে যাও ! ! ! ! "
মোবাইল ফোনের ধারণা প্রথম আসে ১৯৪৭ সালের দিকে । তারপর বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে এটি পৌঁছেছে বর্তমান পর্যায়ে । মজার বিষয় হল আজ আমরা খুব সহজেই হাতের তালুতে যে যন্ত্রটি নিয়ে ঘুরছি , মাত্র ৩০ বছর আগেও তা একটা অফিসের পুরো একতলা ছাড়া জায়গা হত না । মোবাইল ফোন আসার আগে যাদের সার্বক্ষনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা দরকার ছিল তাদের জন্য অন্য এক রকম ব্যবস্থা ছিল । তাদের গাড়িতে থাকত শক্তিশালী একরকম যন্ত্র । শহরের কোন উচু ভবনে থাকত একটি কেন্দ্রীয় এন্টেনা । সেই এন্টেনা থেকে শক্তিশালী তরঙ্গ শহরের সবদিকে পাঠানো হত । কিন্তু এই ব্যবস্থায় খুব অল্প সংখ্যক মানুষ এ সুবিধা পেত ।
মৌলভীবাজার , ৮ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : ফেসবুক এখন সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম । তরুণ - তরুণীসহ সব বয়সের মানুষ ফেসবুকের মাধ্যমেই সম্পর্কের উন্নয়ন করেন । আজকাল ফেসবুকের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে আন্দোলন - সংগ্রামের ঘটনাও ঘটছে । তবে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেম - বিয়ে . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
বইয়ের দোকানের বর্ষপূর্তি ঢাকার শান্তিনগরে বইয়ের দোকান পিবিএস পালন করল তাদের বর্ষপূর্তি । তিনতলা এ স্টোরে পাওয়া যায় নানা বিষয়ের ওপর লেখা বৈচিত্র্যময় সব বই ।
Posted in আবদুল হাই , মানবজমিন , মুন্সীগঞ্জ , শাহ মোয়াজ্জেম
গত রাতে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সভায় বকরের মৃত্যুতে শোক ও নিন্দা প্রকাশ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয় । সহ - উপাচার্য হারুন - অর - রশিদকে আহ্বায়ক করে নয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয় ।
১৮ মার্চ ( রেডিও তেহরান ) : সৌদি আরবের কাতিফ শহরে আজ সরকার বিরোধী বিক্ষোভ - মিছিলে পুলিশ হামলা চালিয়েছে এবং এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে । আজ শুক্রবার বাদ জুমা দেশটিতে রাজনৈতিক সংস্কার ও রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে যে ' মিলিয়ন ম্যান মার্চ ' বা লাখো মানুষের সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল তার অংশ হিসেবে ওই বিক্ষোভ - মিছিল অনুষ্ঠিত হয় । বিক্ষোভ শুরু হলে তা ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছোঁড়ে । তবে , প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ কেউ জানিয়েছেন , পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর তাজা গুলি ও টিয়ারগ্যাস ছুঁড়েছে । সৌদি আরবের আরো কয়েকটি শহরে একই ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে । গতকালও কাতিফ শহরে অন্তত চার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে বিক্ষোভ - মিছিল হয় । বিক্ষোভকারীরা বাহরাইন থেকে সেনা ফিরিয়ে আনার দাবি জানায় । এ সব বিক্ষোভ - মিছিল ঠেকাতে আগে থেকেই কাতিফ শহরে সেনাবাহিনী ও ট্যাঙ্ক মোতায়েন করা হয়েছে ।
এদিকে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে ।
মোশারফ হোসেন বলেছেন : বিল্ডিং এ ক্রিকেট খেলাটা ভালো লেগেছে ।
এটা একান্তই ব্যাক্তিগত এক অনুভুতির কচ কচানি । ভালো লাগেনি এ কথাটা জানানোর জন্য একবার পড়েছেন তো , তাতেই আমার আনন্দ । আমি একে বারেই কবি নই । আশা করি কখনও সুখ এনে দিতে পারবো ।
ভাই রাস্তা ঘাটে বের হোন না ? বাংলাদেশের সব তথ্য ই কি নেটে থাকে নাকি ? অন্তত আপনার প্রতি অনুরোধ মৎস ভবন এর ডানে রমনার প্রবেশ মুখে ইহা বিরাট এক সাইন বোর্ড এ PHP নাম টা আছে । কথা অনেক সাংঘাতিক ব্যাপার লিখার বা বলার আগে একটু ভেবে নেবেন আশা করি ।
পর্যবেক্ষকরা একটি বিষয়ে খুব অবাক হয়েছিলেন , নিউট্রন তারাগুলো ছায়াপথের মধ্য দিয়ে এতো দ্রুত চলাচল করে কেন ? কেন্দ্র বিধ্বংসী তারার আধুনিক সিম্যুলেশনের মাধ্যমে এর একটি ব্যাখ্যা দাড় করানো সম্ভব হয়েছে , এ ধরণের অতি নবতারার বিস্ফোরণের সময়কার অন্তর্মুখী অপ্রতিসাম্যের ভিত্তিতে এই ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে ।
জীবন যাপনে কতো মানবিক , কবিতায় কতোটা মানুষ , পরিপাটি নির্দোষ সন্ত্রাস নিয়ে আমি কতো বিনীত বিদ্রোহী , পাখিকে জিজ্ঞেস করো সব জেনে যাবে অবিকল আমার মতন করে কবুতর নির্ভুল জানাবে ।
শেরপুর , ১ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের ভীমগঞ্জ গ্রামে নূরজাহান বেগম ( ২৮ ) নামে এক গৃহবধূকে হত্যা করে ল্যাট্রিনের ট্যাংকিতে লাশ ফেলে দিয়েছে স্বামী মো . শফিকুল ইসলাম ( ৩০ ) । হত্যার ১৯দিন পর আজ শুক্রবার দুপুরে সদর থানার পুলিশ তার গলিত লাশ উদ্ধার করেছে । ঘাতক শফিকুলকে আটক করা হয়েছে । পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় , আজ শুক্রবার সকালে ওই এলাকায় পচা দুর্গন্ধ বের হলে এলাকাবাসী শফিকুলের বাসায় গিয়ে তাদের ল্যাট্রিনের ঢাকনা খুলে গৃহবধূর গলিত লাশ দেখতে পায় । পরে এলাকাবাসী তাকে আটক করে সদর থানায় খবর দেয় । দুপুর ১টার দিকে সদর থানার পুলিশ গিয়ে ওই গলিত লাশ উদ্ধার করে এবং স্বামী শফিকুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে । ঘাতক শফিকুল পুলিশের কাছে স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যা করে ওই ট্যাংকিতে লুকিয়ে রেখেছিল বলে স্বীকার করেছে । ঘাতক শফিকুল জানায় , ১ বছর আগে তিনি গোপনে প্রেম করে তার গ্রামের পাশের গ্রাম বড়ই তলাতে মৌসুমী নামে এক মেয়েকে বিয়ে করলে পারিবারিক অশান্তি শুরু হয় । ২ / ৩ মাস পরে সে ওই মেয়েকে ১ লাখ টাকা দেনমোহর পরিশোধ করে তালাক দেয় । তাছাড়া গত ২ / ৩ মাস আগে তার শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে ২০০ টাকা চুরি করে ধরা পরে সে । ওই চুরির ঘটনা এবং পূর্বের স্ত্রীর বিষয় নিয়ে তার স্ত্রী নূরজাহানের সাথে প্রায়ই ঝগড়া হতো তার । এরই জের ধরে ১১ জুন ভোর রাতে শফিকুল ঘুমন্ত অবস্থায় গলা টিপে স্ত্রীকে হত্যা করে । শফিকুল আরো জানায় , ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য তার শ্বশুর বাড়িতে নূরজাহানকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে খবর দেয় । তারা বিভিন্ন আত্মীয় - স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুজি করে এবং ঘটনার ১২ দিন পর গত ২৫ জুন শফিকুল তার শাশুড়িকে নিয়ে শেরপুর সদর থানায় একটি জিডি করেন । শফিকুলের ২ কন্যা সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে সুমি ( ৯ ) তার শ্বশুর বাড়ি পাকুরিয়া ইউনিয়নের চক পাড়াতে থেকে ক্লাস থ্রিতে পড়াশোনা করছে । অপর মেয়ে সুলতানা ( ১৮ মাস ) তাদের সাথে থাকতো বলে জানা গেছে । এ বিষয়ে সদর থানার ওসি আক্রাম হোসেন জানান , এলাকাবাসীর খবরে আমরা প্রথমে ওই গ্রামে গিয়ে ল্যাট্রিনের ট্যাংকি থেকে লাশের কংকাল উদ্ধার করি । পরে শফিকুলকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তার স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে । তারপরও আমরা আরো তদন্ত করে দেখবো এ হত্যার সাথে অন্য কেউ জড়িত বা অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে কি না । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / প্রতিনিধি / ওআর / শাসি / ২২ . ৩৬ ঘ . )
সেমিঅফটপিক : বিবেক একটা সেমি মূর্খ ছাগু । এইটা গলায় তাবিজ না পৈড়া হাতে পড়ছে ।
বিএনপির কর্মসূচি : এহেন পরিস্থিতির প্রতিবাদ স্বরূপ প্রধান বিরুধী দল বিএনপির নেতৃত্বাধিন চারদলীয় জোটও কঠোর আন্দোলনে যাবে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে । ইতিমধ্যে চারদলীয় জোটের অন্যতম শরীক জামায়াত বিএনপিকে কঠোর আন্দোলনে যাবার জন্য পরামর্শ জানিয়েছে । তাছাড়া বিএনপিও তাদের অস্তত্বের তাগিদে কঠোর আন্দোলনে যাবে এটাই অনুমেয় । আগামী সপ্তাহের কোন এক সময়ে দলটি তাদের কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষনা করবে বলে শুনা যাচ্ছে । ইতিমধ্যে আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির চ্যায়াপর্সন বেগম খালেদা জিয়া এরকমই আভাস দিয়েছেন । সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন , " আওয়ামী লীগ তাদের দলীয় স্বার্থে যখন যে প্রস্তাব ও ফর্মুলা নেয়া প্রয়োজন , তখন সেটাই গ্রহণ করেছে । পরে প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে তারা নিজেদের ফর্মুলার বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছে । দেশ - জাতির স্বার্থ তাদের কাছে কখনো বড় হয়ে দেখা দেয়নি । সবসময় সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থে তারা কাজ করেছে । এবারও তারা একই ঘৃণ্য নজির স্থাপন করল ।
মামলায় বিবাদি হিসেবে রাখা হয়েছে পরিকল্পনা সচিব , অর্থ সচিব , নৌ - পরিবহন সচিব , যোগাযোগ সচিব ও পানিসম্পদ সচিবকে । তাছাড়া বিআইডব্লিউইটিএ ' র চেয়ারম্যান , ভূমি জরিপ অধিদপ্তর ও পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক , ঢাকা , গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসকদেরও মামলায় অভিযুক্ত করা হয় ।
হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সংক্রান্ত নানান রকম সমস্যায় আমাদের প্রায়ই পড়তে হয় । তবে প্রায় সব সমস্যারই সমাধান রয়েছে । হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ট্রাবলশ্যূটিং ধারাবাহিকভাবে লিখার ইচ্ছা আছে এবং আজকের পর্বে আজ আমরা দেখবো পিসি রিস্টার্ট বা বন্ধ আরও পড়ুন …
টেকটিউনস . . . বাংলাদেশের প্রযুক্তিপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় মিলনমেলা । এলেক্সা অনুযায়ী দেশের ৪ নং দেশীয় সাইট এবং বাংলাদেশে ১৫নং সাইট । হয়তো এর পাশাপাশি আরো অনেক টেকনোলজী ভিত্তিক সাইট আছে এবং হচ্ছে . . . কিন্তু এখন অবধি তাদের মধ্যে কোনটিই . . .
বড় হচ্ছে ভার্চুয়াল পৃথিবী । উন্নত বিশ্বের কথা না হয় বাদই দিলাম , অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার দেশ বাংলাদেশেও এর প্রসার বাড়ছে হু হু করে । সে দিন বোধহয় খুব একটা দুরে নয় যেদিন কোটি টাকা ব্যয়ে পল্টন ময়দানে বি - শা - ল জনসভায় মহান নেতা - নেত্রীদের রাজনৈতিক বয়ান মাঠে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নেবে । পোস্টার , ফেস্টুন , ব্যানার , বিরামহীন প্রচারণা আর একবেলা উদরপূর্তির ফাঁদে ফেলে রাজপথে লাখ মানুষের ঢল নামানোর সংস্কৃতিতে কিছুটা হলেও ভাটা নামবে যখন বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে হানা দেবে ভার্চুয়াল উৎপাত । অনেক দিন আগের একটা ঘটনা । তৃতীয় একটা ভাষায় লেখাপড়া করার কারণে ইংরেজিটা ভাল করে রপ্ত করা হয়নি । চাকরিতে ঢুকে এর কুফল উপলদ্ধি করতে খুব একটা সময় লাগেনি । আদাজল খেয়ে চেষ্টা করছি ইংরেজি শেখার । এক পর্যায়ে নিজের জ্ঞান পরীক্ষা করার জন্যে ঢাকার একটা ইংরেজী সাপ্তাহিকে দু ' চার লাইন লেখার চেষ্টা করছি । লিখি আর নিজের লেখা ছাপানো অক্ষরে দেখে নিজেই মুগ্ধ হই । এসব করতে গিয়ে এক ফাঁকে ঝামেলায় জড়িয়ে যাই অনেকটা অনিচ্ছায় । হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ নামের একটা সন্ত্রাসী গ্রুপের ( অন্তত আমার দৃষ্টিতে ) প্রধান জেনারেল সি আর দত্তের একটা লেখার উপর মন্তব্য করতে গিয়ে গ্যাঁড়াকলে আটকে যাই । লেখার শেষে নিজের নাম ও আসল ঠিকানা থাকার কারণে কোন এক কাক ডাকা ভোরে হাজির হয় গুরুর দুই চামুণ্ডা । দু মাসের জন্যে নিখোঁজ হয়ে যাই প্রিয় শহর হতে । আর ইংরেজি গবেষণায় টানতে হয় অকাল ইতি । কত দ্রুত বদলে গেছে সে দুনিয়া ! দেশ হতে হাজার হাজার মাইল দুরে পৃথিবীর কোন এক অখ্যাত কোনায় বসে শুধু সি আর দত্ত কেন , তার তাবৎ চামুন্ডাদের পশ্চাৎদেশে তৈলাক্ত বাশ ঢোকালেও অধমের টিকিটা ছুঁতে পারবেনা হারাধনের দল । এটাই আজকের বাস্তবতা । পরিসংখ্যান বলে , আমরা যারা ব্লগে লেখালেখি করি পৃথিবীর প্রায় ৫০ - ৬০টা দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা প্রায় নিয়মিত পড়তে আসেন এ আড্ডায় । এর জন্যে প্রয়োজন হয়না ' ভাইসব , আসছে শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে অমুক দলের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে বি - শা - ল এক জনসভা ' এ জাতীয় প্রচারণা । মাসে ২০ ডলার খরচ করে ৫০টা দেশের বাংলাদেশিকে বিনা নোটিশে একত্র করে দেশের আর্থ - সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে তর্ক বিতর্ক করার এই অভাবনীয় সুযোগ কি পাঁচটা বছর আগে কল্পনা করা যেত ? দেশের বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধান নিয়ে রাজনীতিবিদ গন যতই তাড়াহুড়া করবেন নিজেদের গলায় ফাঁস লাগানোর ব্যবস্থা ততই বোধহয় দ্রুত করবেন । হুমকি , ধামকি আর ইশারা দিয়ে কিবোর্ড হতে হাত দুরে রাখার প্রেসক্রিপশন আবিস্কার করতে দেশিয় নেতাদের আরও হাজার বছর অপেক্ষা করতে হবে হয়ত । ততদিনে ধ্বস নামতে পারে পারিবারিক রাজত্বে । আর চামুণ্ডা পাঠিয়ে সুদূর নিউ মেক্সিকোতে কাউকে শায়েস্তা করে ক্ষমতা আকড়ে থাকার সাংস্কৃতি হবে হঠাৎ দেখা দুঃস্বপ্নের মত । বিদ্যুৎ প্রবাহে দৈন্যতা কাটিয়ে উঠা গেলে বাংলাদেশের প্রতি ঘর হবে পল্টন মাঠ , যা মিনিটে মিনিটে কেঁপে উঠবে গোলার আঘাতে । অপেক্ষায় রইলাম সে দিনের ।
জীবনমূখি গানের তরুণ কণ্ঠশিল্পি তিতাসের একক এ্যালবাম ' মুছে যায় আকাশ ' গানের সিডির মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে । চুয়াডাঙ্গা - ২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগর জীবননগরে অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানে এ সিডির মোড়ক উন্মোচন করেন । তিনি মোড়ক উন্মোচন শেষে তরুণ কণ্ঠশিল্পী তিতাসের গানের ভুয়সি প্রসংশা করে তার শিল্পী জীবনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন । আয়না বন্ধু , এলোরে বৈশাখ , মুছে যায় আকাশ , বলছো না কেন , গরু , দুঃখ , দুরে চলে গিয়েও , যদি এমন হয় , চলো মানুসের সাথে , রঙিন মেয়েগুলো গান শ্রোতা প্রিয় হয়েছে । লেজার ভিশন এ সিডিটি বাজারে এনেছে । গানগুলো লিখেছেন এবং সুর করেছেন , অতনু তিয়াস , গুঞ্জন চৌধুরি , হাসান মারুফ আহমেদ , আল নোমান জুয়েল , আজাদ , কুটি মুজাহিদ ও কাজল ।
লেফ্ট ফর ডেড টু তে এবারে থাকছে ৫টি ক্যাম্পেইন ম্যাপ । গেমটির ক্লেভার ডিজাইন কনসেপ্ট গেম খেলার সময় কীভাবে এগোতে হবে তার পরিষ্কার ধারণা দিবে গেমারকে । এছাড়াও গেমটির পরিবেশ গেমারকে গেমটির মূল ঘটনা জানতে সাহায্য করবে । গেমটিতে ভূত মারার জন্য আপনি বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র পাবেন । তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য অস্ত্রগুলো হলো - পিস্তল , শটগান , সাবমেশিন গান এবং অ্যাসল্ট রাইফেল । এছাড়াও গেমার ফায়ার এ্যাক্স , ক্রোবার , ক্রিকেট ব্যাট , ফ্রাইং প্যান প্রভৃতি ভূত মারার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন । গেমটি ভার্সাস এবং রিয়েলিজম - এই দুই মোডে খেলা যাবে ।
নিঝুমদা ' মনে করেন আমি আপনার ঘনিষ্ট একজন । আপনার বাসায় আমার যাতায়াত অবাধ - ই বলা চলে - এখন আমি যদি এখন আপনার কাছে গিয়ে হঠাৎ গিয়ে বলে বসি - " আপ্নের বেডরুমের পাশের রুমটা তো কোনো কামেই লাগে না - আমি ওইটা ভাড়া নিতে চাই ! "
লেখিকা তসলিমা নাসরিন ব্যক্তিগতভাবে কি এবং কেমন তা কারো জানার কথা নয় ; তিনি স্বেচ্ছায় স্ব - অকর্ম প্রকাশ না করলে জনসাধারণ তাকে ঘৃণা করতো না । কিন্তু তার ৪ স্বামী গ্রহণের দাবিটি যুক্তিসঙ্গত বলেই শরিয়ত তা খন্ডন করতে ব্যর্থ হয়ে অন্যায়ভাবে জন্মভূমি থেকে বিতাড়িত করে কুফুরীতূল্য অপরাধ করেছে । তারা ইহাই প্রমান করছে যে , বাংলাদেশ বা মুসলমান অধ্যুষিত দেশগুলি আল্লাহর , সুতরাং এখানে তার অবস্থান আপত্তিকর ! পক্ষান্তরে অন্য জাতির দেশগুলি আল্লাহর নয় সুতরাং সেখানে থাকায় শরিয়তের আপক্তি নেই ! রাছুলে জীবনে এমন নিখুঁত ঘটনার নজির ছিল বলে জানা নেই । আইন আদালত আপন হাতে নিয়ে এমন কুফুরী ঘটনা শরিয়ত অহরহ ঘটাচ্ছে । কোরান যখন সর্বশ্রেষ্ট গ্রন্থ ; উহার যুক্তি - বিধান যখন মানুষের অষন্ডনীয় ! তখন তাদের উচিৎ শান্তিপূর্ণভাবে ( ইসলাম রক্ষা করে ) আলোচনা - সমালোচনার মাধ্যমে সন্দেহ ও বিতর্কের স্থায়ী অবসান করা ; প্রকৃত মোসলেমদের এমন দৃঢ় ঈমান ও সৎ সাহস থাকা জরুরী । কিন্তু এমন সৎ সাহস তাদের নেই । বরং একাধিক স্ত্রী গ্রহণের স্থায়ী বিধান তৈরি করে পুরুষ মোসলেমদের প্রকাশ্য পতিতাবৃত্তি বলবৎ করেছেন । সেখানে তসলিমা নাসরিনের ব্যক্তিগত বিষয় ঘৃণ্য বটে কিন্তু তুলনায় তুচ্ছই বলা যায় । এক্ষণে শরিয়ত তার চার বিবি সক্রান্ত অশ্লীল আইনটি রহিত করে প্রকাশ্যে তওবা করলে , তসলিমা নাসরিন অবশ্যই চার স্বামী গ্রহণের দাবিটি যে প্রত্যাহার করবেন , তাতে সন্দেহ থাকার কথা নয় ।
এবারের মৌসুমটাই কেমন কাঠফাটা রোদ্দুর আর ভ্যাপসা গরমের মৌসুম ছিল । গরমের সাথে তাল মিলিয়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং । ফ্যানের অভাব যতোটা না ভোগায় , তার চাইতে কম্পু - ছাড়া বেকার সময়টা বেশি ভোগায় । যাই হোক , তারপর অনেকদিন বৃষ্টি আসি আসি করলো , কিন্তু আসলো না । মাঝে গিয়েছিলাম কক্সসবাজার । প্রথম দিনের বিকালেই সাগরপাড়ে প্রচণ্ড বাতাস । চাঁদ ঢেকে দেয়া মেঘ , - এই বুঝি বৃষ্টি হবে । রাত বারোটার দিকে যখন এঞ্জেলড্রপ থেকে হোটেলে ফিরবো , তখন এক কি আধ ফোঁটা টুপটাপ পড়লো . . . তারপরে শুরু হলো বালুঝড় । ভাবছিলাম , বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে হোটেলে ফিরবো , বালুতে মাখামাখি হয়ে ফিরে এলাম । বৃষ্টি আর হলো না ।
ঢাকা , ১২ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : সজল সিদ্ধান্ত নেয় সে বিয়ে করবে না । কিন্তু বাবা আমজাদ হোসেন ছেলেকে তার পছন্দ করা মেয়ের সাথে বিয়ে দেবেনই । এমনই ঘটনা নিয়ে নির্মিত নাটক আমি বিয়ে করব না । রচনা ও পরিচালনা করেছেন সোহেল আরমান । নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোহেল আরমান , মম , চিত্রলেখা গুহসহ অনেকে । নাটকের গল্পে দেখা যাবে ধনী পরিবারের একমাত্র সন্তান সজল । ফুফু চিত্রলেখা গুহের অত্যন্ত আদরের । অন্যদিকে কৃপণ বাবা আমজাদ হোসেন ছেলের ভবিষ্যত নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন । ছেলের সঙ্গে যেসব মেয়ে মেলামেশা করে তাদের কাউকেই ছেলের বউ হিসেবে ভাল লাগে না তার । তাই গ্রাম থেকে বন্ধুর মেয়েকে নিয়ে আসে সজলের সাথে বিয়ে দেবার জন্যে । বিয়েতে রাজি না হওয়ার কারণে সজলকে হাত - পা বেঁধে রুমের ভেতর আটকে রাখা হয় । এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে সজল । তার সেবা - যত্নের ভার নেয় মম । এভাবে নাটকের গল্প এগিয়ে যায় । একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে নাটকটি ঈদে প্রচারিত হবে । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / এমএইচ / এস / ১৯ . ৫৯ ঘ . )
ঢাকা , ৬ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : বিএনপি - জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতালের ১ম দিনে সূচক ও সার্বিক লেনদেন বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন । আজ বুধবার গত তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে । গত ১১ এপ্রিলের পর আজ ডিএসইতে সর্বোচ্চ এ লেনদেন হয় । ওইদিন বাজার লেনদেন হয় সাড়ে ১২শ কোটি টাকা । আজ বাজারের লেনদেন সাড়ে ১১শ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে । লেনদেনের এ পরিমাণ গত কার্যদিবসের চেয়ে ২৮৩ কোটি টাকা বেশি । সাম্প্রতিক মন্দাভাব কাটিয়ে গত ৩ জুুুলাই বাজার ১ হাজার টাকা অতিক্রম করে । ওইদিন ১ হাজার ১শ ৩৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল । আজ ডিএইতে সূচক গেল কার্যদিবসের চেয়ে ৭৮ পয়েন্ট বেড়েছে । হরতালের ১ম দিনে আজ নির্দিষ্ট সময়ে শুরু হয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন । সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে ডিএসইর তালিকাভুক্ত ১৫৯টি ব্রোকারেজ হাউজ লেনদেনের জন্য লগইন করে । কোরাম পূর্ণ হওয়ায় সকাল ১১টায় যথানিয়মে বাজারের লেনদেন শুরু হয় । শুরু থেকেই আজকের বাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখী ধারায় । সূচকের সে ঊর্ধ্বমুখী ধারা দিনের লেনদেন শেষ হওয়া পর্যন্ত বহাল ছিল । গতকালের ৬ , ১৬৫ . ২৬ পয়েন্ট থেকে ৭৮ . ০৭ পয়েন্ট বেড়ে ৬ , ২৪৩ . ৩৩ এ দাঁড়িয়েছে । হরতালের কারণে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি ছিল কম । মতিঝিল এলাকা ছিল অনেকটা জনশূন্য । বিনিয়োগকারীরা মোবাইলের মাধ্যমে তাদের শেয়ারের লেনদেন করেছে বলে জানিয়েছে ব্রোকারেজ হাউজগুলো । ডিএসইতে আজ মোট লেনদেনের পরিমাণ ১১৫৮ কোটি ৬৩ লাখ । যা আগের দিনের চেয়ে ২৮৩ কোটি ৩ লাখ টাকা বেশি । গতকালের লেনদেন ছিল ৮৭৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা । আজ লেনদেনকৃত ২৬০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২০৫টির , কমেছে ৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টির । লেনদেনে শীর্ষ ১০টি কোমপানি হলো বেক্সিমকো লিঃ , উত্তরা ব্যাংক লিঃ , ওয়ান ব্যাংক লিঃ , এমআই সিমেন্ট , আইএফআইসি , ন্যাশনাল ব্যাংক লিঃ , ইউসিবিএল , সিটি ব্যাংক লিঃ , এবি ব্যাংক লিঃ ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ । দর বাড়ার শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিঃ , গ্রামীণ স্কীম - ২ , আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক ১ম মি . ফান্ড , ট্রাস্ট ব্যাংক লিঃ , ১ম প্রাইম ফাইন্যান্স মি . ফান্ড , আইএফআইসি , উত্তরা ব্যাংক লিঃ , পিএইচপি মি ফান্ড - ১ , ডাচ বাংলা ব্যাংক লিঃ ও রূপালী ব্যাংক লিঃ । দাম কমার শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো সাভার রিফ্রাক্টরিজ , ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস্ , পূরবী জেনারেল ইন্সুরেন্স , বীচ্ হ্যাচারী , পাওয়ার গ্রীড , মিরাক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ , মুন্নু জুটেক্স , বিডি অটোকারস্ , ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ ও আনোয়ার গ্যালভানাইজিং । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / এএস / এমএইচ / ১৭ . ১০ঘ . )
শাংহাই সহযোগিতা সংস্থা গঠনের সময় থেকে বিগত ১০ বছর দেখিয়েছে যে , রাষ্ট্রগুলির স্ট্র্যাটেজিক নির্বাচন ছিল সঠিক এবং দূরদর্শিতাপূর্ণ . শাংহাই সহযোগিতা সংস্থা গড়ে উঠেছে বিশ্ব স্বীকৃতি পাওয়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহয়োগিতার ক্ষেত্রে মর্যাদাসম্পন্ন সংস্থা হিসেবে . এ সম্বন্ধে বলেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ আস্তানায় সংস্থার দশম জয়ন্তী শীর্ষ সাক্ষাতে . →
* ঢাবি হলে দখল ও লুটের অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে Wed , Dec 31st , 2008 11 : 13 pm BdST ঢাকা , ডিসেম্বর ৩১ ( বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ) - নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে কক্ষদখল ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
এবার পরপর নিচের ধাপ গুলি অনুসরন করতে হবে । বোঝার সুবিধার জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমি আমার নিজের ডিভাইসটির জন্য টারমিনালে যেমন লেখা এসেছে সেটি দিয়েছি ; আপনাদের ক্ষেত্রে এটি ভিন্ন হতে পারে । ১ . প্রথমে ব্লুটুথ ডিভাইসটির ম্যাক এড্রেস করুন । এজন্য নিচের কমান্ডটি ব্যবহার করতে হবে
রাশিয়ার মেরু অঞ্চলেই ঘোরাফেরা করত নিয়ানডার্থাল দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক বৃহস্পতিবার | ১৯ মে ২০১১
মেঘের ফাকে চিক মিক রৌদ্দুর । মেঘের ঘন ঘটা বৃষ্টি আসার উপক্রম । চেয়ে আকাশের পানে খুজে ফেরা অসম সংকেত । উদাস তাকিয়ে থাকা । আশাতুর বুকে অগ্নি দহন । আর তোমার সম্মোহন । পাতা হতে পাতার রন্দ্রে । বিন্দু হতে বিন্দুর কেন্দ্রে । মনের মধ্য আকা ছবি । মিলিয়ে দেখা জীবন
ভাড়াটিয়া উচ্ছেদঃ বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৮ নং ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে , ১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বা ১৮৭২ সনের চুক্তি আইনের বিধানে যাই থাকুক না বেন , ভাড়াটিয়া যদি নিয়মিতভাবে ভাড়া পরিশোধ করতে থাকেন এবং বাড়ি ভাড়ার শর্তসমূহ মেনে চলেন তাহলে যতদিন ভাড়াটিয়া এভাবে করতে থাকবেন ততদিন পর্যন্ত উক্ত ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে না । এমনকি ১৮ ( ২ ) ধারা মতে বাড়ির মালিক পরিবর্তিত হলে ও ভাড়াটিয়া যদি আইনসম্মত ভাড়া প্রদানে রাজি থাকেন তবে তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না । তবে আইনসম্মত ভাড়া দেয়ার পরও যেসব কারণে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে - ১ . ০ কোন চুক্তির অবর্তমানে ভাড়াটিয়া বাড়ি মালিকের অনুমতি ব্যতীত বাড়ি বা বাড়ির কোন অংশ উপভাড়া প্রদান করলে বা ২ . ০ ভাড়াটিয়া যদি এরূপ কোন আচরণ করেন যা পার্শ্ববর্তী বাড়ি দখলকারীদের জন্যে বিরক্তিকর বা উৎপাতজনক হয় অথবা ৩ . ০ ভাড়াটিয়া যদি বাড়িটি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেন বা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়ে থাকেন অথবা ৪ . ০ বাড়িটির নির্মাণ পুনঃনির্মাণ অথবা বাড়ি মালিকের বা তার লোকজনের প্রকৃতপক্ষে প্রয়োজন হয়ে পরে যা আদালতের কাছে সঙ্গত বলে প্রতীয়মান হয় তাহলে উক্ত ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে । এ ক্ষেত্রে ভাড়াটিয়া বাড়ি ছেড়ে দেয়ার পরবর্তী দুমাসের মধ্যে বাড়িওয়ালা যদি নির্মাণ , পুনঃনির্মাণ বা মেরামতের কাজ শুরু না করেন অথবা সাবেক ভাড়াটিয়া বাড়ি ছেড়ে দেয়ার ছয় মাসের মধ্যে যদি বাড়িওয়ালা অন্য কোনো ভাড়াটিয়ার কাছে বাড়ি ভাড়া দেন তবে আদালত বাড়িটি সাবেক ভাড়াটিয়ার দখলে দেয়া বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়া বা উভয়ই দেয়ার জন্য বাড়িওয়ালাকে আদেশ দিতে পারেন । ৫ . ০ চুক্তিতে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে বা এ রকম কোন চুক্তি না থাকলে মাসিক ভাড়া পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে যদি ভাড়াটিয়া পরিশোধ না করেন তাহলে উক্ত ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে । এছাড়াও ৬ . ০ যদি ভাড়াটিয়া ভাড়া নেয়ার সময় যে অবস্থায় বাড়িটি পেয়েছেন তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হন , বাড়ির অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করেন এবং বাড়িওয়ালা এ রকম ক্ষতির ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করে নোটিশ দেয়ার তিন মাসের মধ্যে ক্ষতি মেরামত না করেন । অথবা ৭ . ০ বাড়িওয়ালার লিখিত সম্মতি ছাড়া ভাড়াটিয়া যদি বাড়ির কোনো স্থায়ী অবকাঠামোর ক্ষতি করেন ।
মাহমুদ হাসান বলেছেন : কোবতে ল্যাখলাম আমি , আর সমবেদনা পলি আন্টির জন্য ? ? ? পুলাপাইন বিরাট বদ ।
অনলাইনে মুশকিল আসান করে অর্থ উপার্জনের সুযোগ করে দিলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক ব্যবহৃত সার্চ ইঞ্জিন গুগল । আর কোনো ধরনের . . . বিস্তারিত »
রোজা রেখে হাঁটার ' কুফল ' সেদিন বেশ ভাল বুঝেছিলাম । নিজেকে বেশ মুসাফির মুসাফির লাগছিল । সঙ্গে আরো দু ' জন বন্ধু ছিল । মাঝে মাঝে গাছতলায় / দোকানতলায় জিরিয়ে নিচ্ছিলাম ! সেদিন গুলশান - ১ থেকে ভয়াবহ জ্যাম লেগেছিল , আমার দেখা ঢাকার সবচেয়ে দীর্ঘতম জ্যাম ! কোন কিছুই যেতে রাজী হয়না । ফলে বাধ্য হয়েই পদব্রজেই হন্টন !
লেখক বলেছেন : জেডা তুমাদের মতো বন্ধুদের মারা যাওয়ার পরেও মুনায় ভোলা সম্ভব না . . . যদি কেয়ামতের আগ পর্যন্ত বলগানির সুযোগ থাকত . . . তাইলে কব্বরেও বলগাইতাম আমার এতো আপন বন্ধুগো লগে . . .
আসলে BIT এবং CIS এর মধ্য তেমন কোন পার্থক্য নেই । ৮০ % মিল রয়েছে সাবজেক্ট গুলোতে ।
লেখক বলেছেন : ঠিক অরণ্য . . . আগে নিজে ঠিক হই . . . আমাদের চিন্তাচেতনার দূর্ভিক্ষ কাটুক . . . ভালো থাকো
তিনি আমার বন্ধু । একজন কথাসাহিত্যিক । আমরা দুই অসমবয়সী নারী রোজদিন , রাত - রাত মোবাইলে এসএমএস বিনিময় করি , বলি ঘোরময়তার কথা , স্বপ্নের কথা , ভালোবাসা - বেদনার কথা । বৃষ্টি , রাত , গাছ এমনি কত কত ভালোলাগা যে আমাদের মিলে যায় । এক বিকেলে উনার ' বুনোপাখি ' নামের বাসায় যাই । গেইটের সামনেই হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে ফুলে ফুলে ভরা কৃষ্ণচূড়া গাছ , ভেতরে পা রাখতেই দেখি সবুজ পোশাকের কদম গাছ । কানে আসে পাখির কিচির মিচির । চোখ ফেরাতেই দেখি , বাড়ন্ত আতাগাছের ডালে ডালে বসে আছে অনেকগুলি পাখি । মনে পড়ে গেল স্কুলবেলার কবিতা , জানো মা , পাখিরা না বড় বোকা . . . ।
তৈয়বুর রহমান টনি নিউইয়র্ক থেকেঃ নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকাতে ( বানি সেন্টারে ) নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহ্বায়ক মিছাবাহ আহমদ । অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ আলম । অনুষ্টানের শুরূতেই শহীদের স্ররনে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয় ।
অপরদিকে বেসরকারি দুধ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ ডেইরি লিমিটেড আগে প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার লিটার দুধ ক্রয় করত । এখন ৫ হাজার লিটার ক্রয় করছেন , দামও কমানো হয়েছে লিটার প্রতি ৬ টাকা । প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনও কমিয়ে দেয়া হয়েছে । মিষ্টি উৎপাদনকারীরা বর্তমানে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত গুঁড়ো দুধ দিয়ে তাদের কাজ সারছে । আর তাই খাঁটি দুধের আর কদর নেই তাদের কাছে । ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়া পাঁচশতাধিক খামারি এ নিয়ে মহাবেকায়দায় পড়েছে । তারা প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার দুধ বিক্রি করতে না পেরে রাস্তায় ঢেলে দিচ্ছে ।
বিভিন্ন খাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে দেশের মানুষের মাঝে । এরই ধারাবাহিকতায় উন্নত দেশগুলোর মতো আমাদের দেশেও চালু হলো প্রচলিত ছাপা পাঠ্যপুস্তকের পরিবর্তে ই - বুক । হ্যাঁ , জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রণীত যেসব বইকে আমরা বোর্ডের বই হিসেবেই জানি , সে বইগুলো এখন ই - বুক আকারে পাওয়া যাচ্ছে ইন্টারনেটে । সরাসরি ইন্টারনেট থেকেই পড়ার সুবিধা রয়েছে এ বইগুলো । পাশাপাশি রয়েছে ডাউনলোড করে পিসি বা যে কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে সংরক্ষণ করার সুবিধা । জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ( এনসিটিবি ) এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইউএনডিপি ' র অর্থায়নে পরিচালিত অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন ( এটআই ) এর উদ্যোগে এটি বাস্তবায়িত হয় ।
পোস্ট করা হয়েছে : শনি আগস্ট ২২ , ২০০৯ ৭ : ৪৩ অপরাহ্ন
হযরত আবু সাঈদ খুদরী ( রাঃ ) হতে বর্ণিত আছে যে , হযরত রাসূলে করীম ( সাঃ ) ইমাম মাহদী সম্পর্কে বলেছেন , কোন একজন লোক তার নিকট এসে বলবে হে মাহদী । আমাকে দাও , আমাকে দাও , আমাকে দাও । তারপর তিনি ঐ ব্যক্তির কাপরের ভিতর এমন দান ছড়িয়ে দিবেন যা সে বহন করে যেতে সক্ষম হয় । ( তিরমিজী শরীফ )
খবরে বলা হয়েছে , রোববারের এ সংঘর্ষে অন্তত দুইজন বিরোধী নিহত হয়েছেন । তবে বিরোধীরা দাবি করেছে , উভয়পক্ষের সংঘর্ষে সরকারপক্ষের অনেক হতাহত হয়েছে । কিন্তু এসব দাবির কোনোটাই যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি ।
প্রশ্নঃ ৪০ . সরকার যদি আইন ভঙ্গ করে , তাহলে সে ব্যাপারে কমিশনের কিছু করার আছে কি ? উত্তরঃ সরকার বলতে কোন একক ব্যক্তি বা অফিসকে বুঝায় না । সরকার হচ্ছে দেশপরিচালনার একটি সামগ্রিক বিষয় । তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তথ্যপ্রদানসংক্রান্ত আইন ভঙ্গ করলে এই আইনের বিধান অনুযায়ী তথ্য কমিশন প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত প্রদান করতে পারে । প্রয়োজনবোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জরিমানা করতে পারে । এমনকি কোন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তথ্য কমিশন অনুরোধ জানাতে পারে ।
মাসুদের লেখা একজন পরিমলই হোক দৃষ্টান্তমুলুক সাজার অনন্য উদাহরণ . . আসুন ছোট এই বোনদের পাশে দাড়াই , লেখাটি ইতিমধ্য " প্রথম আলো ব্লগ " , " আমার বর্ণমালা ব্লগ " এবং " সোনার বাংলাদেশ ব্লগ " এ স্টিকি করা হয়েছে । অথচ এত দাবীর পরেও সামু মডু এটাকে স্টিকি করছেনা । স্টিকি না করলেও ইতিমধ্য লেখাটি ১৬৬ টি . . .
নাছির উদ্দিন শোয়েব ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলমের পর এবার ১২ দিন ধরে নিখোঁজ শিবির নেতা গোলাম মুর্তজা ( ৩০ ) । দু ' জনের নিখোঁজ হওয়ার ধরন প্রায় একই । চৌধুরী আলমকে পুলিশ পরিচয়ে এক মাস আগে আটক করা হয় ইন্দিরা রোড থেকে । এখন পর্যন্ত তার খোঁজ নেই । অন্যদিকে মুর্তজাকেও ডিবি পুলিশ হাতকড়া পরিয়ে আটক করে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর থেকে । তারও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না । মুর্তজা বেঁচে আছে , নাকি মারা গেছে জানে না পরিবার । ডিবি পুলিশ পরিচয়ে গত ১৪ জুলাই আটক করে মাইক্রোবাসে নিয়ে যায় সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা । প্রিয় ছেলের সন্ধান না পেয়ে গুম , হত্যার আশঙ্কায় মুর্তজার বাবা - মার ঘুম নেই । তার ফেরার অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছে উদ্বিগ্ন পরিবারটি । আত্মীয়স্বজনরা ডিবি , সিআইডি , র্যাব ও ধানমন্ডি থানায় গিয়ে খোঁজ করেছেন । কেউ সন্ধান দিতে পারেনি । কী কারণে তাকে আটক করা হয়েছে ? কোথায় রাখা হয়েছে তারা জানতে চান । এ ব্যাপারে আত্মীয়স্বজনরা হাইকোর্টে রিটও করেছেন । আদালত স্বরাষ্ট্র সচিব ও পুলিশকে এক সপ্তাহের মধ্যে মুর্তজাকে আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দেন । কিন্তু এখনও কোনো সংস্থা মুর্তজাকে আটক করার কথা স্বীকার করেনি । মুর্তজার বাবা - মা ছেলের চিন্তায় ব্যাকুল । মুর্তজা বেঁচে আছে কিনা জানেন না । বেঁচে থাকলে কেন তাকে আদালতে হাজির করা হচ্ছে না । ছেলের খোঁজে বাবা আবদুল লতিফ ও মা গুলনাহার রাজশাহী থেকে ঢাকা এসে বিভিন্ন স্থানে খুঁজছেন । উপায়ন্তর না দেখে গত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন । তারা বলেন , আমাদের ছেলের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো অভিযোগ নেই । কোনো থানায় মামলা নেই । তাকে কী কারণে আটক করা হলো ? কারা আটক করছে আমরা কিছুই জানি না । সে কোনো অপরাধ করে থাকলে আইনের হাতে তুলে দেয়া হোক । যেভাবে আটক হয় : গত ১৪ জুলাই সন্ধ্যায় গোলাম মুর্তজা তার বন্ধু আবদুল্লাহ সাবিতকে নিয়ে পুরানা পল্টন থেকে মোটরসাইকেলে কলাবাগান যাচ্ছিল । সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তারা রবীন্দ্র সরোবরে মাগরিবের নামাজ পড়ে । সেখান থেকে মোটরসাইকেলে ওঠার সময় সাদা পোশাকধারী ৬ / ৭ জন লোক মুর্তজাকে ঘিরে ধরে । তারা টানাহেঁচড়া করে মুর্তজাকে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে তুলে । সাবিত ওই ব্যক্তিদের পরিচয় জানার চেষ্টা করলে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়া হয় । একপর্যায়ে মাইক্রোবাসটি আবাহনী মাঠের দিকে চলে যায় । প্রত্যক্ষদর্শী সাবিত জানান , মুর্তজাকে তুলে নেয়া মাইক্রোবাসের পেছনে ' ডিবি ' লেখা ছিল । সে গাড়িটির নম্বর দেখার জন্য মোটরসাইকেলে পিছু নেয় । সাবিত পেছনে ছুটতে থাকলে একপর্যায়ে মাইক্রোবাস থামিয়ে অস্ত্রধারী দু ' জন লোক ধাওয়া করে সাবিতকে । সাবিত জানায় , ভয়ে সে আর সামনে এগোয়নি । থানায় জিডি নেয়নি : মুর্তজার বড় ভাই প্রভাষক আবু কাউছার মোঃ শামসুজ্জামান জানান , ভাইয়ের সন্ধানে পরের দিন তিনি ঢাকায় আসেন । বিকালে ধানমন্ডি থানায় এ বিষয়ে একটি জিডি করতে গেলে ডিউটি অফিসার জিডি নেয়নি । ওসি টেলিফোনে শামসুজ্জামানকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে । তিনি বলেন , ওসি হুমকি দিয়ে বলে তোর ভাই কী করে ? তুই কী করোস ? শালা তোরা সন্ত্রাসী , ক্যাডার । শামসুজ্জামান আরও বলেন , ওসি জিডি গ্রহণ না করে উল্টো তাকে আটক করার হুমকি দেয় । তিনি একঘণ্টা থানার বারান্দায় ঘুরাঘুরি করেন । পরে আটক হওয়ার ভয়ে থানা থেকে চলে আসেন । তিনি বলেন , আমার ভাইকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না । তাকে কারা অপহরণ করে নিল এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ পর্যন্ত দিতে পারলাম না । তিনি বলেন , থানায় এ বিষয়ে কোনো কথাই বলতে দিল না পুলিশ । সঠিক তথ্য দেয়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী : মুর্তজার আরেক বন্ধু আলমগীর হোসাইন বলেন , ঘটনার পরদিন ১৫ জুলাই তিনি মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের সামনে মুর্তজাকে খুঁজতে যান । ডিউটি অফিসারের কাছে মুর্তজা নামে কাউকে আটক হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ওই পুলিশ সদস্য ফোনে ডিবির এক কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানান । পরে ডিউটি অফিসার বলেন , আপনি যাকে খুঁজছেন তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে । আলমগীর দ্রুত আদালতে যান । সেখানে গিয়ে খোঁজাখুঁজির পর জানতে পারেন এই নামে কাউকে সেদিন আদালতে পাঠানো হয়নি । আলমগীর সন্ধ্যায় আবার ডিবি কার্যালয়ে ফিরে গিয়ে বলেন , আদালতে তো মুর্তজাকে পাঠানো হয়নি । ডিবির ডিউটি অফিসার এবার তাকে জানায় , এ নামে কাউকে আটক করা হয়নি এবং ভেতরে এমন কেউ নেই । হতাশ হয়ে ফিরে আসেন তিনি । আলমগীর বলেন , এরপর উত্তরা র্যাব - ১ , সিআইডি ও এসবিতে গিয়ে খোঁজা হয় । কিন্তু কেউ সন্ধান দিতে পারেনি । উদ্বিগ্ন স্বজনরা : মুর্তজার বাবা - মা বলেন , ১২ দিন পার হলেও তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি । অথচ নিয়ম অনুযায়ী যে কাউকে গ্রেফতার করা হলে কোর্টে হাজির করা হয় । কিন্তু সেটিও করা হয়নি , যা মানবাধিকারের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন । আমরা তার বর্তমান অবস্থা নিয়ে খুবই শঙ্কার মধ্যে আছি । তিনি বলেন , মুর্তজা কোনো অপরাধ করেনি । তার বিরুদ্ধে কোনো মামলাও নেই এবং সাদা পোশাকধারী যারা গ্রেফতার করেছে তারা গ্রেফতারি পরোয়ানা পর্যন্ত দেখায়নি । তাকে রাস্তা থেকে হঠাত্ করে জাপটে ধরে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয় তার সন্ধান চাওয়ার পরও কোনো গোয়েন্দা বাহিনী কিছু জানাতে পারেনি । একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তাকে কী অবস্থায় রাখা হয়েছে , তার সন্ধান দেয়া সাংবিধানিক নাগরিক অধিকার , যা থেকে তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে । হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়ার পরও কোর্টে কিংবা জনসম্মুখে এখনও তাকে হাজির করা হয়নি । তাই অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি , গোলাম মুর্তজাকে কোথায় কীভাবে রাখা হয়েছে , তার বর্তমান অবস্থা কী সে সম্পর্কে জানানোর জন্য বা তাকে কোর্টে হাজির করার জন্য । তারা আরও বলেন , মুর্তজা একজন মেধাবী ছাত্র । রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে ২০০৭ সালে মাস্টার্স পাস করে গ্রামের বাড়ি বামনদীঘি , চারঘাট , রাজশাহী থেকে ২০০৮ সালে ঢাকায় এসে এলএলবিতে ভর্তি হয়েছিল । ঢাকায় চাকরি খুঁজছিল । পাশাপাশি শিবিরের কার্যকরী পরিষদের সাংস্কৃতিক ও সমাজকল্যাণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিল । সে থাকত ধানমন্ডির ৯১ / এ , বশিরউদ্দিন রোড কলাবাগানে । প্রশাসনকে আদালতের নির্দেশ : নিখোঁজ গোলাম মুর্তজাকে ৭ দিনের মধ্যে আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট । তাকে কেন আইন অনুযায়ী আটক করা হয়নি এর ব্যাখ্যাও আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে । গত ১৮ জুলাই মুর্তজার ভাই শামসুজ্জামান হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাস রিট দায়ের করলে আদালত এই আদেশ দেয় । একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্র সচিব , আইজিপি , ডিএমপি কমিশনার , র্যাব ডিজি , ডিসি ডিবি , ঢাকার ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট ও ঢাকার সিএমএমকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে । বিচারপতি মোঃ আবদুল ওয়াহাব মিঞা ও বিচারপতি কাজী রাজা - উল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন । গতকাল মুর্তজার মা গুলনাহার বলেন , আদালতের নির্দেশের পরও ৫ দিন পার হলো । এখন পর্যন্ত আমরা কিছু জানি না । এ ব্যাপারে ডিবির ডিসি মনিরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলার জন্য গতকাল সন্ধ্যায় তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি । http : / / www . amardeshonline . com / pages / details / 2010 / 07 / 25 / 36013
ইচ্ছে করে দেয়াল ভেঙ্গে লাফিয়ে পড়ি মাঠে বাঘের লড়াই দেখবো আমি মন বসে না পাঠে । আমার দেশের সোনার ছেলে এই খেলাতে হারবে না বাঘের সাথে লড়াই করে পারবে না কেউ পারবে না । নামবে মাঠে রয়েল বেঙ্গল উঠবে তারা গর্জে জানিয়ে দেবো বিশ্বকে ভাই আমরা সবার সেরা যে ।
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানের ( পূর্ব বাংলা হিসেবেও পরিচিত ) বাংলাভাষী ৪ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষ ৬ কোটি ৯০ লাখ জনসংখ্যা বিশিষ্ট নবগঠিত পাকিস্তানের নাগরিকে পরিণত হয় । কিন্তু পাকিস্তান সরকার , প্রশাসন এবং সামরিক বাহিনীতে পশ্চিম পাকিস্তানীদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল । [ ৯ ] ১৯৪৭ সালেই করাচীতে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষা সম্মেলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাপত্রে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের সুপারিশ করা হয় এবং প্রচারমাধ্যম ও স্কুলে কেবলমাত্র উর্দু ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয় । তাৎক্ষণিকভাবে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা ও প্রতিবাদ জানানো হয় । ঢাকার ছাত্রসমাজ আবুল কাসেম এর নেতৃত্বে মিছিল করে , যিনি ছিলেন তমদ্দুন মজলিস নামক একটি বাঙালি ইসলামীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনের সম্পাদক । ওই সমাবেশে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা এবং পূর্ব পাকিস্তানে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের প্রবল দাবী উত্থাপন করা হয় । কিন্তু পাকিস্তান পাবলিক সার্ভিস কমিশন বাংলাকে তাদের অনুমোদিত বিষয়তালিকা হতে বাদ দেয় এবং সাথে সাথে মুদ্রা ও স্ট্যাম্প হতেও বাংলা অক্ষর লুপ্ত হয় । কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমান উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা বানানোর জন্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেন । পূর্ব পাকিস্তানে জনরোষের সৃষ্টি হয় এবং ১৯৪৭ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বাঙালি ছাত্রদের একটি বিশাল সমাবেশে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দানের আনুষ্ঠানিক দাবী উত্থাপন করা হয় । দাবী আদায়ের লক্ষ্যে ছাত্ররা ঢাকায় মিছিল , মিটিং ও র্যালির আয়োজন করে ।
খো ন্দ কা র আ শ রা ফ হো সে ন মানুষ মানুষকে কেউ ধারণ করতে পারে না না নিসর্গ না ঈশ্বর না প্রেম না ঘৃণা মানুষের হাতে নীল বেলুন তার চোখে দুই কালো মাছি মানুষকে কেউ ধারণ করতে পারে না , মানুষের কোনো জন্মদাতা নেই , তার কটির উত্তাল যৌবন কারো উত্তরাধিকার নয় । মানুষকে কেউ ধারণ করতে পারে না না নিসর্গ না ঈশ্বরের দিগন্ত - প্রসারী আলখাল্ল ¬ া না নদী না জন্মভূমি । মানুষের কোনো উপমা নেই , রূপকল্প নেই , ব্যতিহার বহুব্রীহি নেই , স্বরলিপি ব্যাকরণ নেই শাসনতন্ত্র , অর্থ - অভিধান চর্যাচর্য নেই । মানুষ আত্মভেদী , আত্মনাশী নীল পতঙ্গ একদির সে পাঁজরের হাড় দিয়ে গড়েছিল এ পৃথিবী একদিন মানুষই ধ্বংস করবে তাকে । না ঈশ্বর না দেবতা না পাষাণ মৃদঙ্গ না প্রভাত না মধ্যরাতে নিমগ্ন বালিশ না ফোয়ারা না যোনী না কবন্ধ রাত্রির ঘুম কোনো কিছু না । শুধু মানুষই পারে কোনো কিছু ভাঙতে । যেমন সাজাতে । আমি সেই ভঙ্গুর ভঙ্গপ্রিয় ত্রিভঙ্গ মুরারির জন্যে আমার কবিতা রেখে যাই । আর কেউ নয় , আর কারো জন্যে আমার দীর্ঘশ্বাস নেই , না গ্রন্থ না সুহৃদ না পলাতক ভ্রমর গুঞ্জন না নারী না নিশ্চল বসন্ত বাহার . . . আমি মানুষকে ভালবাসি কেননা সে একদিন নিজহাতে নিজেকে পোড়াবে । নিজের কবিতা নিয়ে কথা বলা খানিকটা অশোভন এবং অনেকটা বিপজ্জনকও বটে । কারণ একে আত্মপ্রচারণা ভাবতে পারে কেউ , আবার কোনো - কোনো সমালোচক - ইতিহাসকার একে ভবিষ্যতে ব্যবহার করতে পারে সহজ - খেয়া হিসেবে , অনুধাবনের শ্রম বাঁচাবার জন্য । কিন্তু আমি মনে করি , কবিকে তাঁর কিছু কথা বলতে দেওয়া উচিত , কেননা প্রায়শ অপসমালোচক ও নির্বোধ ব্যাখ্যাকাররা ক্ষতি করে থাকে কবি ও কবিতার । আর আমি রোলাঁ বার্তের কথার সাথেও পুরোপুরি একমত নই , আমি মনে করি না কবিতা রচনার সাথে সাথে রচয়িতা - কবির মৃত্যু ঘটে । আমার নিজের প্রিয়তম কাব্যগ্রন্থ জীবনের সমান চুমুক । প্রথম কবিতা ' মানুষ ' পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে , কিন্তু কী আশ্চর্য , আমি তাকে পরিহার্য ভেবেছিলাম - গ্রন্থপ্রকাশের সময় ওকে স্থানই দিতে চাইনি । জীবনের সমান চুমুক - এর পাণ্ডুলিপি সাজাচ্ছিলাম যখন , কবিতাটি তাতে দেব কি দেব না এ নিয়ে দ্বিধা ছিল । পাশে বসা ছিলেন তখনকার তরুণ কবি , একবিংশ - র প্রথম সহকারী সম্পাদক বদরুল হায়দার । তিনি বললেন , ' মানুষ ' কবিতাটি শুধু গ্রন্থভুক্ত করবেন তা নয় , ওটিকে দিতে হবে প্রথমে । আমি তার কথা মেনে নিই । আজ বুঝি , যথার্থ পাঠকের অন্তর্দৃষ্টি তার ছিল বলে কবিতাটি রক্ষা পেয়েছে । প্রসঙ্গত , কবি সবসময় নিজের কবিতার শ্রেষ্ঠ বিচারক না - ও হতে পারেন , তার সেই নির্মোহতার দূরত্ব না - ও থাকতে পারে । কী আছে ঐ কবিতায় ? প্রথমবার পড়লে মনে হবে কিছু স্টেটমেন্টের সমাহার , মানুষকে সংজ্ঞায়নের প্রচেষ্টা , কিছু মর্মবস্তুর সমাপতন যার মাধ্যমে মানুষ নামের প্রাণীটি সম্পর্কে আমার প্রতীতি বিধৃত । কিন্তু কী এমন নতুন কথা তাতে আছে যা আগে কেউ বলেনি ? মানুষ নামের এক রহস্যময়তার সামনে অভিভূত লালন ফকির গান বেঁধেছিলেন - ' সহজ মানুষ ভেবে দেখ না , যাবে অচেনারে চেনা । ' শেক্সপীয়রের হ্যামলেটের উক্তি : ÔWhat a piece of work is man ! How noble in reason , how infinite in faculty . . . ' কিন্তু মানুষকে কেউ পুরোপুরি বোঝেননি । মানুষ নামক অপরিজ্ঞাত ও অপরিজ্ঞেয় রহস্য আমাকে উদ্দীপিত করেছে সবসময় । তবে কবিতাটি কোনো সচেতন মানবপ্রশস্তি নয় , বরং আমার অবচেতনা থেকে উঠে - আসা একটি অবাঙমানসগোচর অনুভূতি । মনে আছে , এক ঝকঝকে সকালবেলা একরকম ঘোরের মধ্যে কবিতাটি লিখেছিলাম , অথবা আমার ভেতরের অন্য কেউ আমাকে দিয়ে লিখিয়ে নিয়েছিল । আমি আজো জানি না কার অদৃশ্য হাত বেজে উঠেছিল শব্দ হয়ে । আমার ভেতর - বাসিন্দা হয়তো তিনি , আমার কাব্যনিয়ন্তা । ' আমি মানুষকে ভালবাসি কেননা সে একদিন নিজ হাতে নিজেকে পোড়াবে ' - এ কথাকে এ্যাপক্যালিপ্টিক বা প্রফেটিক যাই মনে হোক না কেন , মানুষের অবিনশ্বরতায় আমার আস্থা অপরিসীম । একে মানবতান্ত্রিকতার পুরোনো বাচনও ভাবতে পারে কেউ , কিন্তু মানুষের বিধ্বংসী প্রবণতার নান্দীপাঠ আর কেউ করেছে বলে আমার জানা নেই । মানুষকে কেউ ধারণ করতে পারে না , কেননা মানুষ মানুষের কল্পনাসীমাকেও স্ফারিত করে দিয়ে যায় । কিছুটা ধরতে পেরেছিলেন ওঅল্ট হুইটম্যান : তার বিশ্বাতিক্রমী চেতনায় মানুষের আত্মার যে বিপুল - বিশালতার জয়গান তার তুলনা পাওয়া ভার । Do I contradict myself ? Well then I contradict myself . I contain multitudes . এই বিপুল মহাবিশ্ব , এই অন্তহীন কালপরিধি এই স্তবকের পর স্তবক সজ্জিত নীহারিকাপুঞ্জ সব কিছু আমাকে - মানুষকে - জন্ম দিয়েছে লক্ষ কোটি বছরের সাধনায় , আমারই ভ্রƒণকে লালন করেছে পরম মমতায় , যাতে অতি - শৈত্য অতি - আতপে নষ্ট না হয়ে যায় , অমিতকায় সরোয়েডরা মুখে করে বহন করেছে সে - ভ্রƒণ , আমি আসব বলে লক্ষ কোটি বছর তপস্যা করেছে মহাপৃথিবী । একমাত্র হুইটম্যানের প্রচণ্ড রোমান্টিক কল্পনায়ই মূর্ত হতে পেরেছিল মানুষের সেই অধিজাগতিক রূপমহিমা । বাংলা কবিতায় নজরুল ইসলামের ' মানুষ ' কবিতাটির পেছনে দূরবর্তী প্রভাব হুইটম্যানের , নিকট প্রণোদনা মার্কস । সবার উপরে মানুষ সত্য , তাহার উপরে নাই - চণ্ডীদাসের এই মহৎ উচ্চারণের নবায়ন নজরুলের কবিতায় : ' গাহি সাম্যের গান / মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই , নহে কিছু মহীয়ান । ' আমার কবিতা তার পাশে সামান্যই ; তবে কবিতাটি পাঠকের মনোযোগ পেয়েছে জেনে আমি আনন্দিত । কোনো কোনো অপরিণতমনস্ক পাঠক এর ভিন্নরকম পাঠের চেষ্টাও করেন বলে শুনেছি । ঈশ্বরের আলখাল্ল ¬ াও মানুষকে ধারণ করতে পারে না - এ উচ্চারণ বিব্রতকর ঠেকে তাদের কাছে যারা মরমিয়াতত্ত্বের আস্বাদ কখনো পায়নি , জানে না স্রষ্টাও এক অর্থে সৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল - কারণ সৃষ্টিই তাকে সংজ্ঞায়িত করে । তবে সুফিতত্ত্ব আমজনতার জন্য নয় ।
নতুন বার্তা ব্যানার পোস্ট সমস্যা ও সমাধান হার্ডওয়্যার পিসি বিভাগ টেকবার্তা পর্ব Microsoft প্রি - ভিউ Office 2010 PDF ধারাবাহিক ট্যালি মোবাইল টিউটোরিয়াল
বীর মুক্তিযোদ্ধা , মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫নং সেক্টর কমান্ডার , সাবেক মন্ত্রী লেফটেন্যান্ট জেনারেল ( অব . ) মীর শওকত আলী বীরোত্তম আর নেই । শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় গুলশানের নিজ বাসায় তিনি ইন্তেকাল করেন ( ইন্নালিল্লাহি ঃ রাজিউন ) । তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিম্ফোমায় ( এক প্রকার ক্যান্সার ) ভুগছিলেন । বাসায় থেকেই সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের ( সিএমএইচ ) চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর । তিনি স্ত্রী , তিন মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন । পরিবারের সদস্যরা সবাই লন্ডনে আছেন । তাই তার নামাজে জানাজা ও দাফনের বিষয়টি জানা যায়নি । তার লাশ সিএমএইচের মরচুয়ারিতে রাখা হয়েছে । পরিবারের সদস্যরা দেশে আসার পর দাফনের সিদ্ধান্ত …
যা হোক , আমার মনে হয় * ০ . ৯৯৯৯৯ পুনপৌনিক - এই সংখ্যাটাকে কোন ভগ্নাংশ দিয়ে প্রকাশ করা যায় না । করতে গেলেই দেখবেন এটা = ১ হয়ে যাবে . . . এত কষ্ট করে সমীকরণ বানিয়ে দেখানোর কি দরকার ! ! ০ . ৯ ( পুনপৌনিক ) = ৯ / ৯ = ১ ১৫ . ৯ ( পুনপৌনিক ) = ( ১৫৯ - ১৫ ) / ৯ = ১৪৪ / ৯ = ১৬
শিক্ষার্থী এবং অবিভাবকরা শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে দুটো বিষয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে , প্রথমত জ্ঞানের বিকাশ , দ্বিতীয়ত এটি শেষ করে যেনো চাকরি পাওয়া যায় তার নিশ্চয়তা । আর এই পরিকল্পনা সবচেয়ে বেশি করতে হয় সেকেন্ডারি লেভেল পাশ করার পর । যে কারণে এসএসসি , এইচএসসি পাশ করে শিক্ষার্থী এবং অবিভাবক সবাই চিন্তিত হয়ে পড়েন এর পর সময়োপযোগী কোন শ্রেণীতে তারা ভর্তি হবে । আর এ ক্ষেত্রে ডিগ্রি এবং কোর্স করতে হলে এমন বিষয়গুলো নিয়ে পড়ালেখা করা উচিত যার শিক্ষা ব্যয় কম এবং ডিগ্রি অর্জন করার পর বসে থাকতে না হয় । এমন সব এভিয়েশন সংশ্লিষ্ট কোর্স নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কলেজ অব এভিয়েশন টেকনেলজি । এভিয়েশন খাতে চাহিদাসম্পন্ন বিভিন্ন পেশায় উচ্চ আয়ের চাকরি পেতে ক্যাটেক অত্যন্ত কম খরচে প্রদান করছে ফিবার আওতাভুক্ত এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টের উপর এমবিএ , বিবিএ এডেক্সেল এর আওতাভুক্ত এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর ন্যাশনাল ডিপ্লোমা এবং হায়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোমা যাদের কোড নম্বর ৯৩১৪২ এবং কারিগরী বোর্ডের আওতায় সর্ট কোর্স কেবিন ক্রু , এয়ার হোস্টেজ , ট্রাভেল , ট্যুরিজম এন্ড টিকেটিং কোর্স সহ বিভিন্ন ডিগ্রি । এসব কোর্স এক সময় বিদেশ থেকে সম্পন্ন করে আসতে হলেও প্রতিষ্ঠানটি শর্ট কোর্সের পাশাপাশি এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টে চার বছর মেয়াদী আট সেমিস্টারের বড় ডিগ্রি পরিচালনা করছে । এই ডিগ্রির সার্টিফিকেট দেওয়া ফাউন্ডেশন ফর ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস এক্রিডেশন এসোসিয়েশন থেকে । যাদের কলেজ কোড ০৯ / ০৩৩ । এপর্যায়ে নরমাল বিবিএ ' র ক্ষেত্রে ৬৪ ক্রেডিট এবং স্পেশালাইজড এভিয়েশনে ৭৬ ক্রেডিট করতে হয় । যেখানে শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে - এয়ারপোর্ট ডিজাইন প্ল্যানিং , এয়ারক্রাফট লিজিং , সেলিং , এয়ারলাইন্স কস্ট ম্যানেজমেন্ট , এইচআর , ওবি , এয়ারক্রাফট লিজিং , কাস্টমার হ্যান্ডেলিং , এয়ারপোর্ট অপারেশন , কার্গো হ্যান্ডেলিং এন্ড ক্লিয়ারিং , গ্রুমিং এবং এয়ারলাইন্স প্রোগ্রামিং প্রভৃতি । অনেকেরই হয়তো জানা আছে এমিরেটস , কাতার এয়ার , গালফ এয়ার , জেট এয়ার , কিংফিসার এর মত প্রায় ৩০টি বিদেশী এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে অপারেট করছে এবং এই সকল এয়ারলাইন্সের বাংলাদেশী অফিসগুলোতে নিয়োগ দিচ্ছে শুধু বাংলাদেশীদেরকেই । এছাড়া বাংলাদেশী এয়ারলাইন্সগুলোতো রয়েছেই । এখান থেকে পাশ করে ট্রাভেল এজেন্সীগুলোতে কাজ করার সুযোগ রয়েছে । শুধুমাত্র ঢাকা শহরেই রয়েছে পাঁচশ ' র বেশী ট্রাভেল এজেন্সী । এখান থেকে পাস করে শুধু দেশেই নয় বিদেশেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে । এসব বিষয়ে শিক্ষা দেবার জন্যে রয়েছেন এয়ারলাইন্সে দক্ষ এবং অবসর প্রাপ্ত বিভিন্ন কর্মকর্তা । শুধুমাত্র এয়ার হোস্টেস বা কেবিন ক্রুই নয় , এভিয়েশন সেক্টরের অন্যান্য ক্ষেত্রগুলোও চ্যালেঞ্জিং ও গ্ল্যামরে ভরা । এটি বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের প্রথম অনুমোদিত , যার কলেজ কোড ৫০৩৮৯ । এই কোর্সগুলোতে গ্রুমিং , এয়ারক্র্যাফট সেফটি , প্যাসেঞ্জার হ্যান্ডেলিং , কার্গো হ্যান্ডেলিং ছাড়াও আরও অনেক ইন্টারেস্টিং বিষয় পড়ানো হয় । বিগত বিভিন্ন ব্যাচের কোর্স সমাপ্তকৃতদের প্রায় সবাই এখন বিভিন্ন এয়ারলাইন্সে কর্মরত । এসব ক্ষেত্রে পড়ালেখার খরচ যে কোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম । তবে চাকরি পেতে শিক্ষাগত যোগ্যতার সাথে কিছু বাড়তি যোগ্যতা থাকতে হয় যেমন , বডি ল্যাংগুয়েজ , বাচন ভঙ্গী , ধৈর্য ক্ষমতা , বুদ্ধিমত্তা প্রভৃতি । আরো জানতে যোগাযোগ - ০১৭১৭৭১৯৬৩৩ , ০১৯৩৭১৮২৪৭০ , ০১৯২৬৩০২৯৪০ ০০ মোহাম্মদ শাহ আলম
স্ত্রী রাজলক্ষ্মীকে নিয়ে দাম্পত্য জীবনের ৫০ বছর পেরিয়ে এলেন রাজ্জাক । গত বুধবার ছিল তাদের বিবাহবার্ষিকী । এ দিনে ঢাকায় গুলশানের রাজলক্ষ্মী ভবনে তাদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন চলচ্চিত্রাঙ্গনের অনেকেই । ছবি : জাকির
পুরান বলেছেন : মন্ত্রীরা এসি রুমে বসে অনেক গল্প শোনাতে পারেন । বাস্তবতা ভিন্ন ।
গত সপ্তাহে টেলিফোনে আড়িপাতার অভিযোগ ওঠার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কাগজটি বন্ধ করে দিতে হলো । পত্রিকাটির বয়স হয়েছিল ১৬৮ বছর ৷
বদমাশ বলেছেন : অসাধারণ পোস্ট । আমার বর্ণমালার মডারেশন বোর্ডকে আমি এই কারেনে ধন্যবাদ দেব যে তারা যৌক্তিক ভাবে একটি পোস্টকে স্টিকি করলো । আর লেখককে ধন্যবাদ দিয়ে আমি ছোট করবো না । তবে অনুরোধ করবো এই ধরণের পোস্ট আরও বেশি বেশি লেখার জন্য ।
এই কবিতার জন্যে কতোবার বদ্ধ উন্মাদের মতো ঘুরলাম রাস্তায় রাস্তায় কতোবার আগুনে দিলাম হাত , প্রবল তুষারপাত নিলাম মাথায় ; এই কবিতার জন্যে পঞ্চপাণ্ডবের মতো আবদ্ধ হলাম জতুগৃহে শুধু এই কবিতাকে ভালোবেসে কতোবার দাঁড়ালাম পরমানু বোমার বিরুদ্ধে কতোবার একা বুক পেতে দাঁড়ালাম আণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সম্মুখে , কবিতাকে ভালোবেসে এই পৃথিবীকে কতোবার বাঁচালাম যুদ্ধ ও ধ্বংসের হাত থেকে । কবিতার প্রতি এই তীব্র ভালোবাসা ছাড়া এমন বিরূপ আবহাওয়া ও জলবায়ুতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কখনো সম্ভব নয় বাঁচা ; এই কবিতার জন্রে কতোবার দাঁড়ালাম বিপদের মুখোমুখি ট্রাফিক সঙ্কেত ভুলে পথের ওপরে , কতোবার প্রমত্ত ঝঞ্ঝার মুখে , স্রোতের আবর্তে এই কবিতার জন্যে খোয়ালাম পিতৃপুরুষের ভিটেমাটি যা কিচু সম্বল কানাকড়ি । এই কবিতার জন্রে আমিও রিলকের মতো গোলাপের দংশনেই হলাম আহত আমও বুদ্ধের মতো জরামৃত্যুব্যাধি দেখে হলাম ব্যাকুল ; কতোবার এই কবিতার জন্যে সেই কৈশোর থেকেই তছনছ করেছি জীবন এই কবিতার জন্যে আমি আপাদমস্তক ছিন্নভিন্ন এমন ফতুর ভাঙা শিরদাঁড়া , পোড় - খাওয়া একটি মানুষ এই কবিতার জন্যে যীশুর মতোই আমি ক্রুশবিদ্ধ । এই কবিতার জন্যেখনো শিশুর মতো কাঁদি , দুঃখ পাই এখনো আগের মতোই ঠিক কবিতার জন্যে হই গভীর ব্যথিত , মণঃক্ষুণ্ন কিংবা উত্তেজিত ; এই কবিতার জন্যে এখনো দাঁড়াই এসে অনায়াসে সকল ঝুঁকির মুখে আমি এই কবিতার জন্যে জীবনকে এখনো আমি এতো ভালোবাসি , এতো ঘৃণা করি ।
লেখক বলেছেন : খেকযয . . . ওইডা আমি নিজ হস্ত দিয়া রান্না কইরা আনসিলাম ।
শেষ ব্যাপারটা কনফিউজিং - মোহাম্মদকে যদি সারা পৃথিবীর জন্যই পাঠানো হবে তিনি কেবল আরবভূমির সংস্কারে গন্ডায় গন্ডায় আয়াত নাজিল করিয়ে নিয়ে আসেন কেন খোদার কাছ থেকে ? আমাদের হেডমাস্টার দশবছর স্কুলে চাকুরী করে গেলেন - কিন্তু কোন দিন আমাদের রুমে ঢুকে একবার ঢু মেরেও গেলেন না , সাধারন টিচারদেরও পাঠালেন বহু বহু পরে তার অধিকারের বইখানা দিয়ে । স্কুলের আয়তন বুড়ো হেডমাস্টারের পাড়ি দেবার সামর্থ্যের বাইরে ছিলো বোধহয় । কিন্তু সেখানেও আরো হাজারখানেক কোশ্চেন থেকে যায় ।
সমকাল প্রতিবেদক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আজ বুধবার গণঅনশন কর্মসূচি পালন করবে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি । রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে অনশন । ইতিমধ্যে কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল , বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবী সংগঠনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে । জানা গেছে , বিকল্পধারা , এলডিপি , জেএসডি , কৃষক . . . . .
নোয়াখালী , ১১ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : নোয়াখালী শহরতলীর মাইজদীতে অপহরণের ৯ দিন পর হিন্দু নববধূ কলেজ পড়ুয়া মিলি রানী শীলকে ( ২২ ) রোববার উদ্ধার করেছে পুলিশ । এ ঘটনায় আটক প্রেমিক কাজী মুনতাসির রোমিওকে আজ সোমবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে । স্থানীয় সূত্র জানায় , মাইজদী নাপিতের পুলের মানিক চন্দ্র শীলের মেয়ে কলেজ পড়ুয়া মিলি রানী শীলকে গত ২৯ মে তার পরিবার চট্টগ্রাম মীরসরাইয়ের সত্যজিত শর্মা নামে এক স্কুল শিক্ষকের সাথে বিয়ে দেয় । বিয়ের ১ মাস পর গত ২ জুলাই স্থানীয় লক্ষ্মী নারায়ণপুর গ্রামের আয়ুব আলীর ( সাবেক কমিশনার ) ছেলে কাজী মুনতাসির রোমিও ' র হাত ধরে পালিয়ে যায় । এ ঘটনায় রোববার মেয়ের পিতা মানিক চন্দ্র শীল বাদী হয়ে রোমিওকে আসামি সুধারাম থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন । মামলার পর রাতে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুবর্ণচরের চরবাটা রোমিও ' র বোনের বাড়ি থেকে তাদের উভয়কে আটক করে । আজ সোমবার দুপুরে রোমিও ও মুসাফিকা হোসেন মিলিকে ( বর্তমান নাম ) আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালত প্রেমিক রোমিওকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন । এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে । এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইয়াছিন জানান , হিন্দু মেয়েটি গত ৩০ জুন কোর্টে এভিডেভিটের মাধ্যমে মুসলমান হয়ে রোমিওকে বিয়ে করেছে । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / প্রতিনিধি / এইউ / আরআর / ২১ . ৩৩ ঘ . )
সংবিধান ও আইন মান্য করা , শৃঙ্খলা রক্ষা করা , নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রতেক নাগরিকের কর্তব্য । বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদ - ২১ ( ১ ) নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
শেলি১৯৮৮ বলেছেন : আসসালামু আলাইকুম । আল্লাহ আপনার বাসনা কবুল করুন ।
তিনি বলেন , " বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কনসার্ট চলার সময় কয়েকজন তরুণীকে উত্ত্যক্ত করার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায় । কয়েকজনকে উদ্ধার করে তাদের নিজ নিজ বাসায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে পুলিশ । "
ঠিকানা : ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডশেন , আলরাজী কমপ্লেক্স ( ১১ তলা ) , ১৬৬ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্মরণী , পুরানা পল্টন , ঢাকা ১০০০ ।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিশাল বিজয় হয় । শেরে বাংলা একে ফজলুল হক পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী হন । মন্ত্রিসভা গঠনে মানিক মিয়া সহযোগিতা করেন । যুক্তফ্রন্ট ভেঙ্গে গেল । সোহ্রাওয়ার্দী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হলেন । পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে মওলানা ভাসানীর সঙ্গে সোহ্রাওয়ার্দীর মতবিরোধ দেখা দেয় । দৈনিক ইত্তেফাক সোহ্রাওয়ার্দীর পররাষ্ট্র নীতির সমর্থনে ব্যাপক প্রচার করে । আওয়ামী লীগ বিভক্ত হলো । মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাপ গঠিত হয় । ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর সামরিক শাসন জারি করে জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করে । শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক নেতাকে গ্রেফতার করা হয় । দৈনিক ইত্তেফাক আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরোধিতা করে । ১৯৫৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সামরিক আইন লংঘনের অভিযোগে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়াকে গ্রেফতার করা হয় । কয়েক মাস কারাভোগরে পর মুক্তি লাভ করেন । ১৯৬২ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের নির্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দীকে করাচিতে গ্রেফতার করা হয় । সোহ্রাওয়ার্দীর গ্রেফতারের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আন্দোলন শুরু হয় । ১৯৬২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সামরিক সরকার শেখ মুজিবুর রহমান , আবুল মনসুর প্রমুখকে গ্রেফতার করে । সামরিক সরকার দৈনিক ইত্তেফাকের বিরোধী ছিল । সরকার পত্রিকার প্রচার - প্রসার পদে পদে জটিলতা সৃষ্টি করেছে । ৬ মাস কারাভোগের পর সোহ্রাওয়ার্দী মুক্তি লাভ করেন এনডিএফ গঠন করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন শুরু করেন । এ সময় ইত্তেফাক ও মোসাফির কলামের লেখনী আইয়ুববিরোধী আন্দোলনকে জনপ্রিয় করে তোলে । ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর সোহ্রাওয়ার্দী বৈরুতে মৃত্যুবরণ করেন । সোহ্রাওয়ার্দীর মৃত্যুর ফলে মানিক মিয়া অসহায় হয়ে পড়েন । গণতন্ত্রের মানসপুত্র সোহ্রাওয়ার্দী বিদেশ থেকে মানিক মিয়ার নিকট একটি পত্র লেখেন । সোহ্রাওয়ার্দীর মসি ছিলেন মানিক মিয়া এবং অসি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান । ১৯৬৪ সালের জানুয়ারি মাসে কাশ্মীরের মসজিদের হযরত বাল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দাঙ্গা শুরু হয় । ১৬ জানুয়ারি মানিক মিয়ার উদ্যোগে ইত্তেফাক অফিসে দাঙ্গা প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয় । ১৯৬৪ সালে শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগ পুনরুজ্জীবিত করেন । তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া শেখ মুজিবুর রহমানকে আওয়ামী লীগ গঠনে সার্বিক সহযোগিতা করেন । আওয়ামী লীগ ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন । ৬ দফা ছিল বাঙালিদের বাঁচার দাবি , স্বায়ত্তশাসনের দাবি , স্বাধীনতার দাবি । ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় । এ সময় মানিক মিয়া ৬ দফা আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন । ৬ দফা কি , কেন তা প্রচার করে ৬ দফা দাবি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন । ৬ দফা দাবি অঙ্কুরে ধ্বংস করার জন্য আইয়ুব খান ও গভর্নর মোনায়েম খান দমনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন । তারা আওয়ামী লীগ নেতা - কর্মীদের গ্রেফতার শুরু করে । ১৯৬৬ সালের ৮ মে শেখ মুুজিবুর রহমান , তাজউদ্দীন আহমদ , মনসুর আলী , জহুর আহমদ চৌধুরী , এম এ আজিজ প্রমুখকে গ্রেফতার করে । দৈনিক ইত্তেফাকের শিরোনাম ছিল " আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমান , তাজউদ্দীন আহমদ , নুরুল ইসলাম চৌধুরী , জহুর আহমদ চৌধুরী , মুজিবুর রহমান ও এম এ আজিজ কারা প্রাচীরের অন্তরালে । " নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও ৬ দফার দাবিতে পূর্ব বাংলাব্যাপী ৭ জুন প্রতিবাদ দিবস পালিত হয় । এদিন পুলিশের গুলিতে অনেক শ্রমিক নিহত হয় । ৭ জুনের হত্যা - নির্যাতনের সংবাদ পরিবেশন করে ইত্তেফাক ৬ দফা আন্দোলন বেগবান করে । ৬ দফা আন্দোলন স্তব্ধ করার ক্ষমতা আইয়ুব - মোনায়েমের নেই । অকুতোভয় নির্ভীক সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মোসাফির কলামে অগ্নিঝরা লেখনীতে বাঙালি জাতিকে প্রচণ্ডভাবে ঐক্যবদ্ধ করেছে । নেতারা বন্দী কিন্তু মানিক মিয়া ইত্তেফাক নেতাদের শূন্যতা পূরণ করেছে । ১৯৬৬ সালের ১০ মে দৈনিক ইত্তেফাকের মোসাফির তার রাজনৈতিক কলামে লিখলেন ।
অনেক কষ্টে পকেটের টাকা গুনিয়া দিয়া অত্যাধুনিক থিয়েটারে বসিয়া চোখে কালো চশমা পরিধান করিয়া তিন মাত্রায় বিস্তৃত ( 3D ) অস্কার তথা সারা পৃথিবী বিজয়ী চলচিত্র " আভাতার " দেখিয়া আসিলাম । অনলাইনে ফ্রীতে দেখি নাই মজা নষ্ট হইয়া যাইবে বিধায় । সাধারন সিনেমার টিকিটের থেকে বেশি মূল্যে তিন মাত্রায় বিস্তৃত সিনেমার টিকিট কিনিয়া হলে বসিয়া বসিয়া আমি পাপিষ্ঠা ভাবছিলাম ঢাকাই ফ্লিমের সাথে এটার এতো মিল মিল লাগে ক্যান ?
আমি তুহিন আল মামুন , আমার ছদ্দনাম অতৃপ্ত আত্মা । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৮ - ০৯ শিক্ষাবর্ষের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ছাত্র । আমি মানুষ হিসেবে খুব একটা সুবিধার না । আমি একটু তেল বাজ টাইপের লোক ( বান্ধবীরা বলে ) আমার খোচা দিয়ে কথা বলতে ভাল লাগে । মিথ্যা কথা বলতে ভালবাসি কিন্তু মিথ্যাকথা শুনলে ম্যাজাম গরম হয়ে যায় ।
বর্তমানে যে কোন খেলাধুলায় প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে । ক্রিকেট - ফুটবল সব জায়গাতেই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার হয়ে আসছে । কিন্তু এই মাইক্রোপ্রসেসরের যুগে , এখনো ফুটবলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে না । যা কি না অতি জরুরী । আপনার হয়তো বুঝে গেছেন ।
পাশ্চাত্য গণমাধ্যম কখনো হজরত মুহাম্মদ صلى الله عليه وسلم এর এসব আদর্শ ও মহত্বের ঘটনা প্রচার করে না । পশ্চিমারা শুধু ( তাদের মতে ) ক্রশবিদ্ধ
আমাকে সবাই থ্যাংকস দেয় , আর কিছু দেয় না ।
এটি একটি অপরিহার্য অডিও / ভিডিও ম্যানেজমেন্ট এক্সটেনশন । এটি প্রায় সব ধরনের মিডিয়া ফাইল চালাতে পারে । পাশাপাশি Youtube , Metacafe , Vimeo - এর মতো জনপ্রিয় সাইটের ভিডিও জুমলায় যুক্ত করতে পারে ।
পোস্ট করা হয়েছে : শুক্র অক্টোবর ০৮ , ২০১০ ১২ : ২০ পূর্বাহ্ন
আমরা ব্লগকে নতুন ভাবে কাজে লাগাতে চাই । নতুন কিছু যুক্ত হোক এখানে । দেশের জন্য বিশেষ কিছু করতে চাই আমরা ব্লগাররা । যুদ্ধাপরাধীদরে বিচার চাই আমরা সবাই । এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে আমরা সবাই এক হয়েছে । এর সঙ্গে যুক্ত হোক মৌলিক কিছু কাজ । কথ্য ইতিহাস ব্লগকে নিয়ে যাক অন্য এক মাত্রায়
ঢাকা , ১৩ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : আসন্ন রমজানে আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য সিএনজি স্টেশনগুলো আরো দু ' ঘণ্টা বন্ধ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে । বর্তমানে বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশনগুলো বন্ধ থাকে । শুধুমাত্র রমজানের জন্য এ সিদ্ধান্ত । ২৭ রমজানের পর থেকে আবার পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে । আজ বুধবার বিকেলে আসন্ন রমজানে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় । বৈঠক শেষে তিতাস গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন ও ট্রান্সমিশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন । বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড . তৌফিক - ই - ইলাহি চৌধুরী বীর বিক্রম , জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন , বিদ্যুৎ সচিব আবুল কালাম আজাদ , পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড . হোসেন মনসুর , পিডিবির চেয়ারম্যান এএসএম আলমগীর কবীরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন । বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে জাননো হয় , আসন্ন রমজানে গ্যাস সররবাহ বাড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেশি করা হবে । রমজান মাসে সারাদেশে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে । প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে এ বিষয়ে চিঠি দেয়া হবে । প্রত্যেক জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সামগ্রিক বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করবেন । এ সময় সকল আলোকসজ্জা বন্ধ থাকবে । সন্ধ্যায় ও গভীর রাতে শিল্প - কারখানার আংশিক বন্ধ রাখা হবে । এ সময় শিল্প - কারখানা বন্ধ থাকছে কিনা তা সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো নিয়মিত তদারকি করবে । বিপণী বিতানে সন্ধ্যার পর কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র চলবে না । এখনকার মতোই রাত আটটায় দোকান বন্ধ করা হবে । তবে পরবর্তীতে দোকান মালিকদের সাথে আলোচনা করে ১৫ রমজানের পরে রাত আটটায় বন্ধের বিষয় শিথিল করা হতে পারে । ঢাকায় কখন লোডশেডিং হবে তা আগে থেকে জানিয়ে দেয়া হবে । একই স্থানে ইফতার ও সেহেরির সময় দুবার যাতে বিদ্যুৎ না যায় সে উদ্যোগ নেয়া হবে । এ সময় বিদ্যুৎ সচিব জানান , রমজানে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় গড়ে পাঁচ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে । সে সময় চাহিদা ধরা হয়েছে ছয় থেকে ছয় হাজার ২০০ মেগাওয়াট । যদি ৮৯ কোটি ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যায় তবে এই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে । এর প্রেক্ষিতে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হোসেন মনসুর জানান , রমজানে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে গ্যাস সরবরাহ করা হবে । এছাড়া সে সময় কিছু গ্যাস কেন্দ্র থেকে সাময়িক উৎপাদন বাড়ানো হবে । ফলে প্রয়োজনীয় গ্যাস সররবাহ করা যাবে । উল্লেখ্য , বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে । আর সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে গড়ে সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / এইচআই / সস / ১৬ . ৪৪ঘ . )
গত কাল ভাইরাস জনিত কারনে আমার ল্যাপটপে আগের ইনস্টল কৃত উনডোজ সেভেন আনইনস্টল হয়ে যায় । তারপর আমি আবার আমার কাছে যেই উইনডোজ সেভেন ছিল সেটা ইনস্টল করি কিন্ত আগের মত পারফরমেন্স পাই না । যদিও এটা বিল্ড এডিশন মানে ' This copy of windows not genuine ' তাই চিন্তা করছি বাজার খেকে আর একটা সেভন কিনে আনব . . . আমার আগের টা ছিল ( যেটা ল্যাপটপ কিনার সময়ই ইনস্টল ছিল সেটা ছিল উইনডোজ সেভেন ultimate ) সেটাই কিনব
শেখ হাসিনা বলেন , ' তাঁর দল কিছু বিদেশি কোম্পানির কাছে গ্যাস বিক্রি করতে চায়নি বলে ২০০১ সালের নির্বাচনে বেশি ভোট পেয়েও ক্ষমতায় যেতে পারেনি । ' তিনি বলেন , ' এবার সেই একই ভুল করতে চাই না । আগামীবার ক্ষমতায় যেতে দরকার হলে জাতীয় স্বার্থের মায়ের পুটু মেরে খাল বানিয়ে সে খালে নৌকাবাইচ আয়োজন করা হবে । '
এদিকে আবুল কাশেমের হত্যার খবর পেয়ে সকাল থেকেই ব্যবসায়ীরা মাদবর বাজার এলাকায় জমায়েত হন । পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় র্যাব ও বিপুল স্যংখ্যক পুলিশ । ব্যবসায়ীরা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং সন্ত্রাসী - চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন । শত শত ব্যবসায়ী দোকানপাট বন্ধ করে অঘোষিত হরতাল পালন করেন । দুপুর ২টা পর্যন্ত ওই এলাকায় সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল । ব্যবসায়ীরা এলাকায় কালো পতাকা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ করেন । পুলিশ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেও ধর্মঘট প্রত্যাহার করাতে পারেনি । পরে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের আশ্বাস দেয়ায় দুপুরের পর ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন । এদিকে পুলিশ জানায় , হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি । ঘটনার পরই হত্যারহস্য উন্মোচন এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ তত্পরতা শুরু করে ।
রংপুর , ৪ জুন : ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ( রমেক ) অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেছে ছাত্রলীগ । শনিবার সকাল থেকে তারা এই ধর্মঘট শুরু করে । কয়েকদিন থেকেই ছাত্রলীগ কলেজের অধ্যক্ষের কাছে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দাবি করে আসছে । বৃহস্পতিবার কলেজ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে বৈঠকে বসে । কলেজের বিরাজমান পরিস্থিতিতে এখনই ছাত্রসংসদ নির্বাচন দেয়া সম্ভব নয় বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় । এছাড়া আগামী তিন মাস ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় । শনিবার দুপুরে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করে । তারা কলেজের সকল ক্লাস রুমে তালা দিয়ে প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে । কলেজের অধ্যক্ষ এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ নেতা ডা . আব্দুর রউফ জানান , কলেজে একটি মহল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে । তারাই উষ্কানি দিয়ে ছাত্রলীগকে মাঠে নামিয়েছে । কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আশফাকুল হক পুলক বলেন , " ছাত্রছাত্রীদের অধিকার রক্ষায় আমরা আন্দোলনে নেমেছি । আন্দোলন সফল না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে । ছাত্র সংসদ নির্বাচন ছাড়া ছাত্রছাত্রীদের অধিকার আদায় করা সম্ভব নয় । " বর্তমান প্রশাসন বিএনপি - জামায়াতের পেতাত্মা হওয়ায় নির্বাচন দিতে গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি । বার্তা২৪ ডটনেট / এমকে
শুধু মাত্র এই একটি দুষ্ট চক্র ভাঙতে পারলেই বাকি সবগুলোর মুখ খুলে যাবে এম্নিতেই . . . সমাজ পরিবর্তণ মানুষ - ই করে । হুমায়ূন আহমেদ - রা করে না !
৪ ) জয়নাল আবেদীন ফারুক সেখানে তুই তোয়াক্কারী করে পুলিশ কর্মকর্তাকে রাগিয়ে দিয়েছেন - " ধুরো , থো < < < ( তুই ) তোর < < < ( তুই ) একশন ।
১ / ১১ এর ঘটনার নায়কদের প্রথম দিকের কাজ কর্ম দেখে বদ্ধমূল ধারনা করেছিলাম এবং বলেছিলাম ক ' এক জায়গায় যে , এরা যদি fail করে তবে এ দেশ আর সভ্য মানুষের বসবাসের যোগ্য থাকবে না . . . . . . . খুব কম জনই সহমত পোষণ করেছিল . . . . . . . আজ যা ঘটছে এই দেশে তা খুব একটা অবাক করে না আমাকে . . . . . . . সমাজের তথা দেশের প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া জ্ঞানী - গুনি , ভদ্র , শিক্ষিত বিবেকবান মানুষদেরকে হিংস্র হায়েনার মতো ছিঁড়ে - খুঁড়ে নীচে না নামালে আমরা জাতে উঠবো কি করে ? ! ডঃ ইউনুস আর সৈয়দ আবুল মকসুদের বেইজ্জতি এটার ই ধারাবাহিকতা . . . . . . . . . অধম চলে উত্তমের সংগে , মধ্যম চলে তফাতে , কথাটা একদম ভুল এখন . . . . . . " পরমত সহিষ্ণু " কথাটা ডইনোসারদের সাথে বিলুপ্ত . . . . . . . . .
চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন : এই ডুবে যাওয়ার জন্য একমাত্র মডুরাই দায়ী । এই অপরাধে মডুদের মন্ডুপাত করা উচিত ।
লেখক বলেছেন : ধন্যবাদ । ভালো লাগলে , সাথে থাকতে চাইলে আপনার ই মেইল একাউন্টটা দিন ।
সন্তানের প্রতি পিতা - মাতার ভালোবাসা যতই আত্মিক হোক না কেন , জনক - জননী হিসেবে পিতা - মাতার অধিকার ও তাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্য পালনে যথেষ্ট দায়িত্ব পালন করে থাকেন । পরবর্তী জীবনে এই দায়িত্বের কারণেই সন্তানের ওপর পিতা - মাতার অধিকার আরো সুপ্রতিষ্ঠিত হয় । জন্মগতভাবে সন্তানের প্রতি পিতা - মাতার যে অধিকার রয়েছে তা কিন্তু অনেকের কাছ থেকে আদায় করা যায় না । কেবল সন্তানই পিতা - মাতার প্রতি তার কর্তব্য পালন করে পিতা - মাতার অধিকারকে অক্ষুণ্ন রাখতে পারে । এক্ষেত্রে সন্তানের দায়িত্বই মুলত মুখ্য বিষয় । পিতা - মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আল্লাহপাক কোরআনুল কারিমে ইরশাদ করেছেন - তোমরা তাঁকে ছাড়া কারো ইবাদত - বন্দেগি করবে না এবং পিতা - মাতার প্রতি চরম আদর ও সদ্ব্যবহার করবে । যদি তাদের একজন অথবা উভয়েই বার্ধক্যে উপনীত হন তবে মনে রেখ , তুমি তাদের প্রতি কোনোরুপ উহ্ শব্দটি বলার কারণ ঘটাবে না অর্থাৎ তাদের অন্তরে কোনো কষ্ট বা চোট লাগে এমন ব্যবহার করবে না । পিতা - মাতার সঙ্গে মিষ্টিমধুর সদালাপ কর । তাদের সামনে বড়ত্ব বা কেদদারি ভাব প্রদর্শন করবে না । তারা যেমনি অতি আদর - স্নেহে - যত্মে লালন - পালন করেছেন , তোমরা তাদের প্রতি তেমনিভাবে সদয় হও ।
২ । উদ্ধার কর্মীরা আরো লক্ষ্য করেছেন - বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার সময় সিলিং যখন কোন অবজেক্টের ওপর পড়ে একে গুঁড়িয়ে দেয় , ঠিক তার পাশেই ছোট্ট একটি খালি জায়গা বা void - এর সৃষ্টি হয় । একে তারা বলছেন ' সেফটি জোন ' বা ' ট্রায়াঙ্গল অফ লাইফ ' । তাই ভূমিকম্পের সময় বড় কোন সোফা বা বড় কোন অবজেক্ট যেটা কম কম্প্রেস করবে - এরকম কিছুর পাশে আশ্রয় নিলে বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে । মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ছোট্ট একটু void - ই যথেষ্ট । বিপন্ন অবস্থায় কুকুর , বিড়াল এবং শিশুদের একটা সহজাত প্রবৃত্তি হল কুন্ডলি করে গুটিশুটি হয়ে যাওয়া । ভূমিকম্পের সময় মানুষেরও এটা অনুসরণ করা উচিত । তাহলে বিভিন্ন অবজেক্টের পাশে গুটিশুটি করে আশ্রয় নিলে এগুলো ভূমিকম্পের সময় যে ছোট void - এর সৃষ্টি করবে তাতে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকবে ।
লেখক বলেছেন : ভাল বুদ্ধি , আমি একবার করেছিলাম , কিন্তু ৭৫ এম্প এর ব্যাটারি চার্জ হতে সারাদিন লাগতো , তাই পরে আলাদা পওয়ার সাপ্লাই দিয়ে কাজ সেরেছি । আপকি কোন ব্র্যান্ড এর ইউপিএস এ কত প্লেটের ব্যাটারি লাগিয়েছেন জানালে অন্যদের উপকার হবে ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর , ২০০৯ রাত ৩ : ৪৩
জন্মদিন - সঙ্গীতে নায়কের হাতে গিটারের বদলে দোতারা থাকলে বেশী মানাতো - - এইরকম ভাবনার সঙ্গে সঙ্গে দেখবেন গ্রামের দৃশ্য হাজির । বিড়িফোঁকা কুচকুচে ঠোঁটে কড়া লিপস্টিক মাখা নায়কের ওষ্ঠাধরের " কারুকাজ " ( ) দেখলে বোঝা যাবে ইনি ফারুক । সঙ্গে কবরী থাকলে " সব সখীরে পার করিতে নেব আনা আনা " । আর শহুরে সাজের গ্রামের মেয়ে নীপা মোনালিসা থাকলে " তুমি আমার মনের মাঝি " । বলতেই হবে , ফারুকের হাতে বৈঠাটি খুবই মানানসই বস্তু । " সারেং বউ " তে প্রোমোটেড হয়ে লঞ্চের স্টিয়ারিং পেয়ে যান তিনি ।
৯৫ । জর্জ লুকাস - স্টার ওয়ার্সই তাকে এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে । এছাড়া তিনি ইন্ডিয়ানা জোন্স সিরিজের লেখক । এন্টারটেইনার হিসেবে স্পিলবার্গের পরই লুকাসের অবস্থান । স্টার ওয়ার্সের প্রথম দিককার সিনেমাগুলোর শিল্পমূল্য লক্ষ্য করার মত - বিশেষত সেগুলোতে ডিপ ফোকাসের ব্যবহার ।
তির্যক বলেছেন : অজিত বলেছেন : দারুন বিশ্লেষন । কিন্তু আমি বরাবরি বাংলা ব্যাকরণে কাচা । তাই বিশেষ ধারনা নাই । তবে চন্দ্রবিন্দুকে অর্ধচন্দ্র না দিলে এমন কি মহাভারত অশুদ্ধ হবে ? আমি চন্দ্রবিন্দু প্রয়োজন বলেই মনে করি
প্রতিবেদনে বলা হয় , ১৯৭৪ সালে ' জোবরা ' গ্রামের সিকদারপাড়ার অভাবী নারী সুফিয়া খাতুনের হাতে ঋণ হিসাবে প্রথম ২০ টাকা তুলে দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন শিক্ষক ড . মুহাম্মদ ইউনূস । বেশি ঋণের আশ্বাস পেয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই ঋণ পরিশোধ করেন সুফিয়া । নতুন করে ঋণ পান পাঁচশ টাকা । একসঙ্গে এত টাকা পাওয়ার আনন্দে সুফিয়া সেদিন তা সারা গ্রামে জানিয়ে দেন । এর অল্পদিনের মধ্যে ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের আওতায় চলে আসে পুরো জোবরা গ্রাম । জোবরার ঘরে ঘরে তখন নগদ টাকার উৎসব । কিন্তু সেই আনন্দ মিলিয়ে যেতে বেশিদিন লাগেনি । সুদে - আসলে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন , এলাকা ছেড়েছেন রহিমা ও সায়েরা খাতুনসহ অনেকেই ।
আগে আপনি আছিলেন সিটিজেন , আজকে নাগরিক হইলেন । নিজের অধিকারের দাবীতে কন্ঠ ছাড়বেন জোড়ে এইটাই আশা ।
এই ভাষণটি প্রচারে একটু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত । ভাষনের লিখিত রূপটাই বেশী প্রচার করা দরকার । কিছু কিছু পাড়াতো অনুষ্ঠানে যেনতেন ভাবে বাজানো হয় ভাষণটা খুব দৃষ্টিকটু লাগে ।
ঢাকা , ১২ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : কথায় আছে - চল্লিশে চালসে । এই বয়সে নাকি হারিয়ে যায় মানুষের শরীর ও মনের রঙ । তবে এর ব্যতিক্রমও আছে । তেমনই একজন হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টান । যিনি কিনা ৪০ বছরে পা রাখার পর নিজেকে আগের চেয়ে আরো বেশি যৌন আবেদনময়ী মনে করেন । বলেছেন , ২০ বছর বয়সের তুলনায় এখন আমি অনেক বেশি যৌন আবেদনময়ী ও আত্মবিশ্বাসী । তার অভিনীত হরাইবল বসেস ছবিটি বৃটেনে মুক্তির ঠিক আগ মুহূর্তে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি । শুধু তাই নয় লাস্যময়ী এই অভিনেত্রী দাবি করেছেন , আত্মবিশ্বাসী আবেদনময়ী নারীর কাছে পুরুষরা ভীতসন্ত্রস্ত বোধ করে । বৃটিশ একটি পত্রিকায় দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন , আমার শরীর নিয়ে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী । আমি কে_ এই বিষয়টি ২০ বছর বয়সের চেয়ে এখন অনেক ভালো বুঝতে পারি । ওই সময়ে সবকিছুতেই আমি খুব ভীত ও অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতাম । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / এমএইচ / জেডআর / ২২ . ৩০ঘ . )
ভক্ত - দর্শকদের সঙ্গে মেলেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ( বিসিবি ) পছন্দ । যে কারণে প্রথম হয়েও সেজান লিঙ্কনের ডিজাইন করা জার্সি বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসানদের গায়ে চড়ছে না । সে সৌভাগ্য হচ্ছে বিসিবি ও গ্রামীণফোনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জার্সি উৎসবে তৃতীয় হওয়া হাবিবুল্লাহ আল ইমরানের । বিচারকদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ নম্বর পেলেও এসএমএস ভোটে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিলেন রাজশাহীর এ তরুণ । পিছিয়ে পড়েও ফিরে আসার ' লাইফলাইন ' অবশ্য ছিল । গত ৪ ডিসেম্বর ' গ্র্যান্ড ফিনালে ' অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিসিবি কর্মকর্তাদের চোখেও যে সেরার মর্যাদা পেয়েছিল তাঁর ডিজাইন করা জার্সিই । ইমরানের মতো আরো অনেকেই বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ জার্সির গর্বিত ডিজাইনার হওয়ার আকাক্সক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন প্রতিযোগিতায় । মোট ৪২৩৮টি ডিজাইন জমা পড়েছিল । সেখান থেকে প্রাথমিকভাবে এক শটি বেছে নেওয়ার পর বিচারক প্যানেল চূড়ান্ত করে পাঁচটি ডিজাইন । যে প্যানেলে ছিলেন গাজী আশরাফ লিপু ও আতহার আলী খানের মতো ক্রিকেট ব্যক্তিত্বও । অবশ্য প্রতিযোগিতার পর পুরো বিষয়টাই দেখভাল করেছেন বিসিবির সহ - সভাপতি আহমেদ সাজ্জাদুল আলম । তাঁর কাছ থেকেও সবচেয়ে বেশি মার্কস পেয়েছেন ইমরান , ' ক্যামেরায় ও টেলিভিশনে কোন জার্সিটা বেশি ভালো দেখা যাবে এবং ফুটবে , এসবও দেখার ব্যাপার । সব দিক থেকে আমাদের বিবেচনায় প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হওয়া ডিজাইনারের জার্সিটাই সেরা মনে হয়েছে । ' কিন্তু প্রতিযোগিতার বিজয়ী তো আরেকজন । এরও ব্যাখ্যা দিয়েছেন সাজ্জাদুল , ' গ্রামীণফোনের সঙ্গে আমাদের চুক্তিতে এমন কিছু ছিল না যে প্রথম হওয়া ডিজাইনারের জার্সিই বিশ্বকাপে ব্যবহার করতে হবে । সত্যি বলতে কি , ওই পাঁচটি ডিজাইনের যেকোনো একটি বেছে নেওয়ারও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই । তবুও এখান থেকেই নেওয়া হচ্ছে আমাদের বিশ্বকাপ জার্সি । ' অবশ্য বিসিবির সামনে বিকল্প পথও খোলা ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি , ' ইংল্যান্ডের এসএস কম্পানিও একটি সুন্দর ডিজাইন প্রস্তাব করেছিল । তাদের দিয়েই জার্সি বানিয়ে আনতে চেয়েছিলাম আমরা । তবে দুই দফায় সব জার্সি এসে পৌঁছাবে ফেব্র " য়ারির শেষ নাগাদ । তত দিনে বিশ্বকাপও শুরু হয়ে যাবে । এ কারণেই আপাতত আমরা বিকল্প চিন্তা বাদ দিয়েছি । জার্সি উৎসবের জার্সিই বিশ্বকাপে পরবে আমাদের ক্রিকেটাররা । ' সাকিব - তামিমদের গায়ে নিজের ডিজাইন করা জার্সি দেখে অন্য রকম ভালো লাগায় ডুবে যাবেন জানিয়ে ডিজাইনার ইমরান অভিযোগও করেছেন । সেটি জার্সি উৎসবের ব্যবস্থাপনাগত দিক দেখাশোনার দায়িত্ব পাওয়া সংস্থার বিরুদ্ধে , ' মার্কেট অ্যাকসেসের এসএমএস ভোটের প্রক্রিয়াটা স্বচ্ছ ছিল না । প্রতিযোগীরা কে কত ভোট পেয়েছে , তা তারা জানায়নি । এমনকি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে এসএমএস আহ্বান করার সময়ও আমার পরিপূর্ণ ডিজাইন উপস্থাপন করা হয়নি । ট্রাউজারের যে ডিজাইন আমি করেছিলাম , সেটির ছবি বিজ্ঞাপনে দেওয়াই হয়নি ।
শনিবারের চিঠি আলোকিতো স্বপ্নময় এক মাহাত্ম্যে পেতেছি ঈশ্বরের আঁচল ; তবুও জীবনের জন্য পড়ে থাকে শিমুল তুলোর কবরস্থান । এখানেই আলোহীন হয় দশদিক যেনো মোহনীয় প্রপাতের কাছে নীরব অন্তর্ধান । ব্লগে যোগদান করেছেন : বুধবার , ২৫ মে ২০১১ স্থান : ঢাকা
ঢাকা , ১২ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডেস্ক ) : অবশেষে নিজেদের ফিরে পেলো ম্যারাডোনার দেশ আর্জেন্টিনা । কোপা আমেরিকা আসর শুরুর পর থেকেই গোলখরা আর ড্রয়ের ফাঁদ কোনোভাবেই পিছু ছাড়ছিলো না তাদের । তবে আজ মঙ্গলবার আগের দু ' ম্যাচের আক্ষেপ অনেকটাই উশুল করে নিতে সক্ষম হয়েছে তারা । লিওনেল মেসির দুর্দান্ত নৈপূণ্য আর সের্গিও অ্যাগুয়েরোর জোড়া গোলে কোস্টরিকাকে ৩ - ০ গোলে হারিয়ে সব আশঙ্কা কাটিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা । প্রথম দু ' ম্যাচে ড্র করায় সর্বাধিক ১৪ বার আসরের চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক আর্জেন্টাইনরা শঙ্কায় ছিল প্রথম রাউন্ড থেকেই বাদ পড়ার । এ ম্যাচেও ড্র করলে গ্রুপ পর্বের সকল ম্যাচ শেষ হওয়ার পর খাতা - কলম নিয়ে বসতে হতো কোয়ার্টারে তারা যাবে কিনা সে হিসেবের জন্য । তা থেকে মুক্তি পেয়েছে তারা । কর্ডোবার মারিও কেম্পেস স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় স্বাগতিক আর্জেন্টিনা । আগের দু ' ম্যাচে বিশ্বসেরা লিওনেল মেসি নিস্প্রভ থাকলেও জ্বলে ওঠেন এ ম্যাচে । তবে কোস্টরিকাকে চেপে ধরেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না তার দল । অবশেষে প্রথমার্ধের একেবারে শেষ সময়ে সের্গিও অ্যাগুয়েরো কোস্টরিকার রক্ষণবূ্যহ ভেদ করে ঢুকে পড়েন বিপদসীমায় । ডি - বঙ্রে ভেতর থেকে জোরালো শটে তিনি পরাস্ত করেন গোলরক্ষক লিওনেল মোরেইরাকে । তবে দ্বিতীয়ার্ধে গোল পেতে বেশি কসরত করতে হয়নি আর্জেন্টিনাকে । দুরন্ত মেসি ৫২ মিনিটের মাথায়ই দলের জন্য আরো একটি গোলের সুযোগ করে দেন । মেসির দেয়া পাস থেকে অ্যাগুয়েরো নিজের দ্বিতীয় গোল করলে কোস্টরিকার সাথে অর্জেন্টিনার ব্যবধান দ্বিগুন হয় । ৬৩ মিনিটে দলের পক্ষে তৃতীয় গোল করেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া । এবারও গোলের উৎস ছিলেন মেসি । তার পাস থেকে পাওয়া বলে ১৫ মিটার দূর থেকে ডি মারিয়ার শট জালে জড়ালে শক্ত অবস্থানে চলে যায় আর্জেন্টিনা । বাকিটা সময় আর কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি । ফলে ৩ - ০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা । এ জয়ের ফলে ' এ ' গ্রুপ থেকে ৩ ম্যাচ শেষ করে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্স - আপ হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছল আর্জেন্টিনা । কোয়ার্টারে তারা ' সি ' গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের মোকাবেলা করবে । সেক্ষেত্রে চিলি , উরুগুয়ে অথবা পেরুর মধ্যে থেকে যে কেউ তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হবে । অন্যদিকে ' এ ' গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কলম্বিয়া ৭ পয়েন্ট নিয়ে ইতিমধ্যেই কোয়ার্টারে পৌঁছেছে । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / এমআর / শাসি / ১৩ . ০৫ ঘ . )
গত ৩০ নভেম্বর সমঝোতা স্মারকে ওএনজিসি ত্রিপুরা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ( ওটিপিসি ) দায়িত্ব সম্পর্কে মূলত অবকাঠামো উন্নয়নসহ প্রয়োজনীয় সংস্কারে অর্থ ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে । এ প্রতিষ্ঠানটিই ইনডিয়ার পক্ষে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে । আর ওটিপিসির অবকাঠামো নির্মাণে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হিশাবে ভারত হেভি ইলেকট্রিক লিমিটেড ( বিএইচইএল ) কাজ করবে । বিএইচইএল বাংলাদেশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধানে কাজটি করবে ।
আকার বা গঠন : Microsoft Word 2003 নথিপত্র বর্ণনা : টেস্ট আইটেম , নির্দেশকদের কাগজ ভিত্তিক মূল্যায়ণ ( অ্যাসেসমেন্ট ) তৈরীতে এবং পাঠাতে সাহায্য করে ৷ এটিতে , অন - লাইন মূল্যায়ণে এবং সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত আইটেমের সবগুলো থাকে ৷ টেস্ট আইটেম ( 1 . 25 মেগাবাইট ) ডাউনলোড করুন ৷
মেহেদী আকরাম এর প্রতিউত্তর : অগাষ্ট 27th , 2009 তারিখে 5 : 00 অপরাহ্ন ঘটিকায়
মঙ্গলবার ; ১৫ . ০৩ . ২০১১ইং সকাল পৌনে ৮টায় রেষ্টুরেন্ট থেকে প্রাতঃরাশ সেড়ে রাস্তার পাশে দাড়ালাম । এদিকে লাকী ভাই জাফলং যাওয়া - আসার উদ্দেশ্যে আমাদের জন্য সিএনজি ভাড়া করছে । ১০মিনিট পর তিনি আমাদের জানালেন ১০০০ টাকার কমে সিএনজি যেতে রাজি হচ্ছেনা । ভাইয়া উনাকে আরো ২ / ১টা সিএনজি দেখতে বললেন এর চেয়ে কম দামে যায় কিনা দেখার জন্য । এর
প্রেরিত 17 : 30 - 31 ঈশ্বর সেই অজ্ঞানতার কাল উপেক্ষা করিযাছিলেন , কিন্ত এখন সর্ব্বস্থানের সকল মনুষ্যকে মন পরিবর্তন করিতে আজ্ঞা দিতেছেন ; কেননা তিনি একটি দিন স্থির করিযাছেন , যে দিনে আপনার নিরূপিত ব্যক্তি দ্বারা ন্যায়ে জগত - সংসারের বিচার করিবেন …
সকালবেলা ডেটল সাবান দিয়ে গোসল করে , গালে জিলেট আফটারশেভ আর মুখমণ্ডলে তিব্বত স্নো মেখে , পিঠে মিল্লাত ঘামাচি পাউডার ছিটিয়ে এবং গায়ে প্রায় আধ বোতল এক্স ইফেক্ট স্প্রে করে আপনি হয়ত ভাবলেন , আজকে অফিসের সবার , বিশেষ করে সহকর্মিনীদের মাথা ঘুরিয়ে দেব ( ঠিক বিজ্ঞাপনের মত ) । কিন্তু এতসব বিচিত্র সুগন্ধি - দ্রব্যের মিশ্রণে আপনি যে বোঁটকা গন্ধবিশিষ্ট জলজ্যান্ত একটা ' রাসায়নিক [ . . . ]
আমি নামব শেষ স্টপের আগেই , ফয় ' জ লেইকের কাছে । বাইরে তখনও শেষরাতের আঁধার । বাসের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে দুহাতে মালপত্র ধরে গতিজড়তা সামলাচ্ছি ; ইলিয়াস কাঞ্চন দেখি এগিয়ে আসেছে । মিনারেল ওয়াটারের বোতল দিতে কি ? ওটা তো নেবনা । না , সে কিছু দিতেই আসছে , তবে বোতল না , কীসের যেন প্যাকেট । সর্বনাশ , ঐ আগুন - দামের চকোলেট ! ফেরো রোশের না কী নাম , চার অংকবিশিষ্ট মূল্য । আমার আপত্তি অগ্রাহ্য করে হাতে ধরা রসমালাইয়ের হাঁড়ির উপর রাখল পিরামিড আকৃতির সাদা সোনালী প্যাকেট । আমার দু ' হাতই জোড়া , ফিরিয়ে দিই কেমন করে ! কন্ডাক্টরের তাড়ায় নেমে যাই ; বাস ছেড়ে দেয় । রাস্তার একপাশে সরে যেতে যেতে শুনতে পাই , বাসের দরজায় দাঁড়ানো ইলিয়াস কাঞ্চন গলা তুলে বলছে , " চকলেট আপনার বাবুর জন্য . . . ! "
অন্য ক্যাটাগরিতে যেসব পুরস্কার পাইছে তার একটা মুভিও দেখা হয়নি । দেখতে হবে ।
প্রজন্ম ফোরাম » সাহিত্য - সংস্কৃতি » সঙ্গীত » বাংলাদেশের আঞ্চলিক ও আদিবাসীদের গানগুলো প্রয়োজন
লেখক বলেছেন : হুমম . . . এখন হয় হাত - পা গুটিয়ে বসে থাকা যায় , কিংবা ট্রাই করে দেখা যায় আসলে কথাগুলো শুনলে কোনো কাজে আসে কিনা
এরকম মোট সাতটা ভাষা ' র শব্দ তার গানে ব্যবহার হয়েছে । এই সব তথ্য বের হয়ে আসলে তো আর সেটা অশিক্ষিত বাউলদের দর্শন বলে ফেলে দেয়া যাবে না ! না কি বলেন ?
" ডেডলিস্ট " - এ র্শীষ স্থান দখলকারী ঘাতকটি হচ্ছে হৃদরোগ । প্রতিবছর ৪ লাখ পুরুষের মৃত্যু হয় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে । এদের মধ্যে প্রতি তিনজনের একজন মারা যান অকালে । " একজন যতই হৃষ্টপুষ্ট হোক না কেন , হৃদরোগ কখনো সুস্বাস্থ্য দেখে আসে না । তাই এই ঘাতকের আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে আগে থেকেই । তবে এই ঘাতক যদি হঠাৎ আক্রমণ করেই ফেলে অর্থাৎ হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা যায় সঙ্গে সঙ্গে বেদনানাশক ঔষধ গ্রহণ করলে সে যাত্রায় বেচে যেতে পারে একজনের জীবন । " এভাবেই ' ম্যানস হেলথ ' ম্যাগাজিনের সম্পাদক পিটার মুর জানালেন হৃদরোগের আকষ্মিক আক্রমণ থেকে বাচার প্রাথমিক উপায় ।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ , ২০১০ সকাল ৭ : ৩৯
রজত বলেছেন : হেলাল এম রহমান বলেছেন : রুখে দাড়াও বাংলাদেশ ! ! ! একমত
আমরা যদি কেউ কাউকে বা কেউ কারোর বিশ্বাসকে কটাক্ষ না করে , বিদ্বেষ না করে একে অপরের বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করি , একে অপরকে সম্মান করি । তাতে খারাপ নয় বরং আমাদের সবার জন্য ভাল ই হবে ।
মতাসীনরা চেষ্টা করলেও সাবেক এই প্রধান বিচারপতি কিন্তু ' কিন ইমেজ ' নিয়ে বিদায় নিতে পারেননি । বিদায়ের আগে প্রচলিত নিয়মে ' ফেয়ারওয়েল ' পাননি তিনি । গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি তাকে বরং ' গায়েবানা সংবর্ধনা ' দিয়েছে - যেভাবে সাধারণত দূরে কোথাও মৃত কোনো মুসলমানের গায়েবানা জানাযা পড়া হয় । ওই অনুষ্ঠানে কঠিন কিন্তু অতি সত্য কিছু কথা বলেছেন আইনজীবী নেতারা । প্রধান বিচারপতি থাকাকালে তো বটেই , তারও আগে হাই কোর্ট এবং আপিল বিভাগের বিচারপতি থাকাকালেও কিছু বিতর্কিত বিষয়ে রায় দেয়ার মাধ্যমে কথাগুলোর কারণও খায়রুল হকই তৈরি করেছিলেন । এরকম কয়েকটি উদাহরণ দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতারা । একটি উদাহরণ হিসেবে এসেছে মুন সিনেমা হলের মালিকানা সংক্রান্ত রায় । নেতারা বলেছেন , রায় দেয়ার আড়ালে বিচারপতি খায়রুল হক দেশের সংবিধানকেই ' লণ্ডভণ্ড ' করে ফেলেছেন । কারণ , যে ব্যক্তি মামলা করেছিলেন তিনি এখনও মালিকানা ফিরে পাননি । তাকে মালিকানা ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারেও কিছুই করেননি বিচারপতি খায়রুল হক । মাঝখান দিয়ে এই উপলে তিনি সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করেছেন এবং মূল সংবিধানের কিছু অনুচ্ছেদ পুনরুজ্জীবিত করার নির্দেশ দিয়েছেন । এর ফলে ওই রায়কে কেন্দ্র করে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে । রায়ের সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার মূল সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করতে যাচ্ছে , যার ফলে অন্য কিছুর সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাও মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে ।
ঢাকা * লিটল ম্যাগ প্রাঙ্গঁণ , ২য় তলা , আজিজ সুপার মার্কেট , ঢাকা * চেকুঠি , দোকান নং - ৪৫ নীচতলা , কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপেস্নক্স ( কাঁটাবনের বিপরীতে )
( ৩ ) উপ - ধারা ( ১ ) এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ দ্বারা কোন নিবন্ধন গ্রহীতা সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ ( ত্রিশ ) দিনের মধ্যে , আদেশটি যদি -
এরপূর্বে মানবাধিকারের পক্ষপাতী জনগণ ও সংগঠনসমূহ এদেশের আনকারা শহরে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বাহরাইনে সৌদি আরবের সামরিক অভিযান বন্ধের দাবী জানান । #
সবচেয়ে সস্তা স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক । কার্ড ফ্রী , কার্ডের বার্ষিক চার্জ ফ্রী , অ্যাকাউন্ট মেইনটেনেন্স চার্জ ৩০০ টাকা পার ইয়ার । আমার ৬ মাসের বেশী হয়ে গেছে এখনও কোনও টাকা কাটে নি । বছর শেষে কাটবে মনে হয় । শয়তানী করতে চাইলে বছরের শেষ দিনে সব টাকা তুলে ফেলে বিদায় জানানো যাইতে পারে
ratul hasan raju লিখেছেন : অামার নাম বাংলায় পিরবতর্ন করেত চাই ।
নিকট ভবিষ্যতে নানান সংঘাত ও অন্যান্য কারনে পৃথিবীর জনসংখ্যা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে বিল্ডারবার্গ গ্রুপের কিছু একটা শংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করেছেন । সেটা কিছুটা ধোয়াশাই থেকে গেলো । এ বিষয়ে ম্যালথাসের যে থিওরী সেটিও আজকাল কমই গ্রাহ্য ।
লুট করা , তিনি মনে করিয়ে দিলেন , নিয়মবিরুদ্ধ । এরপর দ্রুত আগুন ধরিয়ে দিলেন ইফতিখার । চটের জ্বলন্ত স্তূপ তিনি ছুঁড়ে দিলেন দোকানের এক কোণে , অন্য কোণে কাপড়ের বাণ্ডিল । মুহূর্তেই দোকানটি দাউদাউ করে জ্বলে উঠল । মিনিটখানেকর মধ্যেই একটি দোকান পরে তেলের দোকানে আগুন পৌঁছলে বন্ধ শাটারের পেছনে আগুনের আওয়াজ শোনা গেল । এ - সময়ে ঘনায়মান অন্ধকার দেখে রাঠোর উদ্বিগ্ন হয়ে উঠলেন । আবার আমাদের যাত্রা শুরু হল । পরদিন দেখা হতেই মেজর ইফতিখার আমাকে বললেন , " আমি মাত্র ষাটটা ঘর জ্বালিয়েছি । বৃষ্টি না এলে সবগুলোই শেষ করে করে ফেলতাম । "
লেখক বলেছেন : এই পোস্ট লেখার পিছনে তোমার উতসাহ এবং প্রেরণার কথা স্বীকার করছি ।
আমরা প্রায় সবাই - ই উইকিপিডিয়া সম্পর্কে জানি এবং বিভিন্ন সময়ে তা ব্যবহারও করে থাকি । বিশ্বকোষের তথ্য পাবার মুক্ত ভান্ডার হিসেবে উইকিপিডিয়ার তুলনা উইকিপিডিয়া নিজেই । প্রথম ভাষা হিসেবে ব্যবহার করে এমন লোকের সংখ্যা হিসেব করলে বাংলা ভাষার অবস্থান বিশ্বে ষষ্ঠ । কিন্তু সেইসাথে উইকিপিডিয়ার নিবন্ধের পরিমাণ হিসেব করতে গেলে বাংলা উইকিপিডিয়ার অবস্থান ৭৩ তম । এবং এই তালিকায় বাংলার আগে রুমানিয়ান , লিথুনিয়ান , স্লোভাক এইরকম ইউরোপিয়ান ভাষা যেমন আছে , তেমনি নেপালী ভাষা , মারাঠি , তামিলও আছে । এমনকি বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষার নিবন্ধের সংখ্যাও বাংলার চাইতে বেশি । প্রায় ঘাড়ের কাছে দম ফেলছে উর্দূ । অথচ বাংলাভাষী ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এবং বাংলা ইউনিকোড ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বৈ কমছে না । আমাদের মাঝে এমন অনেকেই রয়েছেন যারা অনেকেই বিভিন্ন সময় ভেবেছেন যে বাংলা উইকিপিডিয়ায় কিছু না কিছু অবদান রাখবেন । কিন্তু কিভাবে রাখবেন তার উপায় খুঁজে পান নি । কিংবা উইকিপিডিয়ায় লেখার নিয়মকানুন সম্পর্কে পর্যাপ্ত পরিমান জানা না থাকায় লিখতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে বা শেষতক লেখা হয়েই ওঠে নি । এইরকম সমস্যার কথা অনুধাবন করে বর্তমান বাংলা উইকিপিডিয়ানরা উদ্যোগ নিয়েছেন এই বিষয়ক একটি ওয়ার্কশপ করার । এই ওয়ার্কশপে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে বাংলা উইকিপিডিয়ার অবদান রাখার সুযোগ , উপায় এবং পন্থা সম্পর্কে । ওয়ার্কশপের দিন ধার্য করা হয়েছে ৭ই জানুয়ারি ২০১১ । ওয়ার্কশপটি ইন্টারনেট বাংলা ইউনিকোডে লিখতে পারেন এমন সকল ব্লগার এবং ফোরামিকদের জন্য উন্মুক্ত । ৭ই জানুয়ারি , ২০১১ - শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা জামিল সারোয়ার ট্রাস্ট , ২৭৮ / ৩ এলিফ্যান্ট রোড ( ৪র্থ তলা ) , কাটাবন , ঢাকা । http : / / www . facebook . com / event . php ? eid = 155639397817087 এই ওয়ার্কশপটিতে ( বিনামূ্ল্যে ) অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে হবে এখানে ।
ডিউরডান্ট শিমুল বলেছেন : আম ট্রাইং টু রিকভার মাই সাইকোলজিক্যাল লস - - - কিছুদিন একটু আউলাঝাউলা অবস্থায় আছি আপু , শিগ্রই আপনাদের পোস্টে নিয়মিত হব ।
রফিক পারুক , না পারুক , নেত্রী ইতিমধ্যে এক অসাধারণ কার্য - সাধন করেছেন । সাত - দিনের জন্য বি . জে . পি . সরকারকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ রেখেছেন ! এই প্রথম বোধহয় মিডিয়াও ভাষা হারিয়ে ফেলল - তার নতুন নাটকে ! ' সমর্থন স্থগিত ' - মানে কি ? অবশ্য সেই নাটকের যবনিকা পতন হোল প্রধানমন্ত্রীর ও জর্জ ভাইয়া - র দৌত্য ভূমিকায় ।
কূটনৈতিক প্রতিবেদক | তারিখ : ১৪ - ০৭ - ২০১০ একাত্তরের মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আইনগতভাবে সম্পন্ন করতে হবে । এ বিচারের প্রক্রিয়াকে কোনোভাবেই রাজনৈতিকভাবে বিবেচনা করলে চলবে না । যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা প্রতিমন্ত্রী এলান ডানকান একাত্তরের মানবতার বিরুদ্ধে বিচারের বিষয়ে আজ বুধবার এ অভিমত দিয়েছেন । দুই দিনের বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি আজ বিকেলে গুলশানের একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন । তিনি এ সময় গণতন্ত্র , যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন - সহায়তা , সুশাসন , দুর্নীতি রোধ - এসব বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন । যুদ্ধাপরাধের বিচারের উদ্যোগ , জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার - এসব বিষয়কে তিনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন , জানতে চাইলে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে বিচারের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে অভিনন্দন জানান । যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রী বলেন , একাত্তরের মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারের প্রক্রিয়াটি একটি আইনগত বিষয় । যথাযথ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করে আইনগতভাবে বিষয়টির সুরাহা করতে হবে । এ বিচারের বিষয়টিকে কোনোভাবেই রাজনৈতিকভাবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না । বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন বর্জন , তাদের ওপর সরকারের নিপীড়নের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে , বিষয়টি অভ্যন্তরীণ বলে সরাসরি মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন প্রতিমন্ত্রী এলান ডানকান । http : / / www . prothom - alo . com / detail / date / 2010 - 07 - 14 / news / 78637
পরবর্তীতে ২০০৩ সালের জুলাই মাসে রাঙামাটির বরকলের কাছাকাছি আরেকটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হয় । এর ফলে বরকল উপজেলার প্রায় সব মাটির বাসা ভেঙ্গে পড়ে ও ইটের গাঁথুনির ভবনে বিভিন্ন মাপের ফাটল তৈরি হয় । এমনকি ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চট্টগ্রাম শহরের বহু ভবনেও ফাটল দেখা দেয় । এই ভূমিকম্পে প্রায় শতাধিক ব্যক্তি আহত হন । পরবর্তীতে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে প্রায় একই মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ঢাকাসহ দেশের উত্তর - পূর্ব দিকের জেলাগুলোর বাসিন্দারা আহঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন ।
মতিঝিলের পীরজঙ্গি মসজিদ স্টাফ কোয়ার্টারের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে রাতে ১১টার দিকে ৭ / ৮ জনের একদল মুখোশধারী ডাকাত ঢুকে পড়ে । তারা দরজার কলিংবেল টিপলে ভেতর থেকে তৈয়বুর রহমান দরজা খুলে দেন । সশস্ত্র ডাকাতরা হঠাত্ ঘরে ঢুকেই তার মুখ চেপে ধরে এবং স্কসটেপ লাগিয়ে বুকের ওপর অস্ত্র ঠেকিয়ে ঘরের মধ্যে বসিয়ে রাখে । একপর্যায়ে স্কসটেপ খুলে দিয়ে আলমারির চাবি কোথায় জানতে চাইলে তিনি চিত্কার দেন । তখন তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায় । এ সময় পাশের রুমে থাকা তৈয়বুর রহমানের ছোট ভাই হাফেজ মাহবুবুর রহমান ছুটে এলে তাকেও হাত - পাঁ বেধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে । এরপরে ডাকাতরা আলমারি থেকে স্বর্ণালঙ্কার , টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায় । তারা চলে যাওয়ার সময় তৈয়বুরের ভাগ্নে জাকির মোল্লা সেখানে এলে তাকেও ঘরের মধ্যে হাত - পা বেঁধে রাখে । পরে তাদের চিত্কারের পাশের ফ্ল্যাটের লোকজন উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় । আহত তৈয়বুর জানান , তিনি ফিলিপস ইলোক্ট্রনিকসের ডিস্ট্রিবিউটর । তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মোকলেছ নামে এক কর্মচারী ছিল । কিছু দিন আগে ৩ লাখ টাকা চুরির অভিযোগে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয় । ডাকাতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন । মতিঝিল থানা পুলিশ জানায় , এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে । অভিযুক্ত ব্যক্তিসহ ডাকাতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে ।
এই ধরনের আরও অনেক দৃষ্টান্ত আমরা দিতে পারব । সব থেকে মজার কথা হলো , এই আরও ভালোর সন্ধানকারীদের নিশ্চুপ থাকতে দেখেছি ২০০১ সালের নির্বাচনের উদ্দেশ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই প্রশাসনের তের জন সচিবের চাকরি থেকে বের করে দেয়া নিয়ে যে শুরু তা সামরিক - বেসামরিক প্রতিষ্ঠানকেও কিভাবে প্রভাবিত করেছে ও ভীতসন্ত্রস্ত করেছিল তা তখনকার অবস্থা স্মরণ করলেই জানা যাবে । শপথ অনুষ্ঠান হলো বঙ্গভবনে , সচিবরা উপস্থিত ছিলেন । ফিরে এসে আর নিজের অফিসে ঢুকতে পারলেন না , কারণ চাকরি নাই । রেডিও টেলিভিশনের মাধ্যমেই তের সচিবসহ অনেক অফিসারের চাকরি খেয়ে ফেলেছেন । শপথ নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা তার পরিষদ গঠন করেন নাই । দশ জন উপদেষ্টা নিয়োগ হয় নাই তখনও , অফিসেও বসেন নাই কারণ শপথ অনুষ্ঠান অফিস সময়সূচির পরে হয়েছিল । তখনই কিভাবে চাকরি থেকে অফিসারদের বরখাস্ত করে ? এমনকি নিজের জিনিসপত্রগুলি গুছিয়েও আনার জন্য যে অফিসে যাবেন তারও সুযোগ দেয়া হয় নাই ।
নেটপোকা বলেছেন : অই ব্যাটা গার্মেন্টস ব্যবসায়ী দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কী বুঝে ?
ভৈরব , ১১ জুলাই : ভৈরবের কুলিয়ারচরে আটটি প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডে অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে । সোমবার ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে ।
চাঁদপুরওয়েব . কম ' র প্রকাশিত / প্রচারিত কোনো সংবাদ ও সংবাদের অংশবিশেষ , তথ্য , ছবি , আলোকচিত্র , রেখাচিত্র , ভিডিওচিত্র , অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না ।
দেশ প্রেমিক বলেছেন : ২০১৪ পর্যন্ত অপেক্ষার কি দরকার ? সামু বর্জন করি ।
কাওসার ভাই সব সময় একটা কথা বলে , তা হলো , দেশের পাবলিক গুলা হচ্ছে সব নষ্টের গোড়া । তর্ক করতাম । যুক্তি দিতাম । তবে সেই যুক্তিতে জোর পেতাম না । জানতাম , কাওসার ভাই যা বলেছে তা - ই ঠিক । কেবল তর্কের জন্যই তর্ক ।
লিনাক্স নিয়ে যত গুলা পোস্ট করেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে ভাল পোষ্ট এইটা । আশাবাদী ভাইকেও অনেক ধন্যবাদ । অনেক কাজের কিছু শিখলাম । আপডেট : @ আশাবাদী ভাই , install . sh বানাতে পারছি না . . । আমি gedit চালু করে তাতে আপনার দেওয়া কোড গুলা লিখেছি / কপি - পেস্ট করেছি । Save as থেকে install . sh নাম দিয়ে সেভ করেছি । কোন কাজ হয় না । install . sh ফাইটা gedit দিয়ে খুলে । শুধু # ! / bin / bash লেখাটি নীল রঙ এবং sudo লেখাটি লাল রঙ ধারন করেছে , বাকি সব ঠিক আছে । আশাকরি আপনি সাহায্য করবেন ।
অ . - অসমীয়া অ . গু . - অনন্ত গুপ্ত অ . চ . - অমিয় চক্রবর্তী অ . দ . - অমরেন্দ্রনাথ দত্ত অনু - ক্রি . - অনুজ্ঞার্থক ক্রিয়া অ . প্র . - অতুলপ্রসাদ সেন অ . ব . - অমৃতলাল বসু অব্য . - অব্যয় অব্য . ( সমু . ) - সমুচ্চয়ী অব্যয় অব্য . ( অনু . ) - অনুসর্গ অব্যয় অব্যয়ী . - অব্যয়ীভাব সমাস অপ্র . - অপ্রচলিত অমা . - অমার্জিত অল . - অলঙ্কারশাস্ত্রে অশি . - অশিষ্ট ব্যবহার অশু . - অশুদ্ধ প্রয়োগ অস - ক্রি . - অসমাপিকা ক্রিয়া অসম . - অসমীয় অস্ট্রে . - অস্ট্রেলীয় আ . - আরবি আয়ু . - আয়ুর্বেদে আল . - আলঙ্কারিক অর্থে ইং . - ইংরেজি ইতি . - ইতিহাসে ঈ . গু . - ঈশ্বর গুপ্ত উ . - উর্দু উ . তত্ - উপপদতত্পুরুষ উদ্ভি . - উদ্ভিদবিজ্ঞানে উপ . - উপসর্গ ও . - ওড়িয়া ওল . - ওলন্দাজ ক . ক . - কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কবি . - কবিবল্লভ কাজি . - কাজি নজরুল ইসলাম কা . প্র . ঘো . - কালীপ্রসন্ন ঘোষ কামিনী . - কামিনী রায় কা . রা . - কালিদাস রায় কাশী . - কাশীরাম দাস কা . প্র . - কালীপ্রসন্ন সিংহ কুমুদ . - কুমুদরঞ্জন মল্লিক কৃত্তি . - কৃত্তিবাস ওঝা কৃ . ম . - কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার কেদার . - কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় কৌতু . - কৌতুকে ক্রি - বিণ . - ক্রিয়া - বিশেষণ খ . ব . - খনার বচন গ . - গণিতশাস্ত্রে গি . ঘো . - গিরিন্দ্রনাথ ঘোষ গুজ . - গুজরাতী গো . পী . গোবিন্দ্রচন্দ্রের গীত গো . দা . - গোবিন্দ্রদাস ( বৈষ্ণব কবি ) গ্রা . - গ্রাম্য গ্রী . - গ্রীক ঘ . - ঘনারাম চন্ডী . - চন্ডীদাস চ . ব . চন্দ্রনাথ বসু চী . - চীনা চৈ . চ . - চৈতন্যচরিতামৃত চৈ . ভা . - চৈতন্য - ভাগবত ছ . - ছন্দশাস্ত্রে জা . - জাপানি জ্ঞান . - জ্ঞানদাস জ্ঞা . মো . - জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস জীব . - জীববিদ্যায় জ্যামি . - জ্যামিতিতে জ্যোতি . - জ্যোতির্বিজ্ঞানে জ্যোতিষ . - জ্যোতিষশাস্ত্রে ডা . ব . - ডাকের বচন ণিজ . - ণিজন্ত ণে . - করণবাচ্যে তত্ - তত্পু্রুষ সমাস তর্কা . - মদনমোহন তর্কালঙ্কার তা . - তামিল তুর্ . - তুর্কি তু . - তুলনীয় র্তৃ . - কর্তৃবাচ্যে তেল . - তেলুগু দর্শ . - দর্শনশাস্ত্রে দীন . - দীনবন্ধু মিত্র দে . সে . - দেবেন্দ্রনাথ সেন দ্রঃ - দ্রষ্টব্য দ্রা . - দ্রাবিড় দ্ধ . - দ্বন্দ্ব সমাস দ্বি . - দ্বিগু সমাস দ্বি . রা . দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ধ . ম . - ধর্মমঙ্গল ধি . - অধিকরণবাচ্যে নঞ্তত্ . - নঞ্তত্পু্রুষ সমাস নবীন . - নবীনচন্দ্র সেন ন . ভ . - নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্য নি . - নিপাতনে নিত্য . - নিত্যসমাস প . গ . - পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় পদার্থ . - পদার্থবিদ্যা পদ্মা . - পদ্মাপুরাণ পরি . - পরিভাষায় পা . - পালি পাটী . - পাটীগণিত পুং . - পুংলিংঙ্গ পে . - অপাদানবাচ্যে পো . - পোর্তুগীজ প্রা . - প্রাকৃত প্রাণি . - প্রাণিবিজ্ঞানে প্রাদে . - প্রাদেশিক প্রাদি . - প্রাদি সমাস প্রা . বাং . - প্রাচীন বাংলা প্রেমেন্দ্র . - প্রেমেন্দ্র মিত্র ফা . - ফারসি ফ্রে . - ফরাসী , ফ্রেন্শ্ ব . চ . - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বড়াল . - অক্ষয়কুমার বড়াল বর্ত . - বর্তমানে বল . - বলরাম দাস বাং . - বাংলা বা . ঘো . - বাসুদেব ঘোষ বাণি . - বাণিজ্যিক বি . - বিশেষ্য বি . গু . - বিজয় গুপ্ত বিণ . - বিশেষণ বিণ - বিণ . - বিশেষণীয় বিশেষণ বিদ্যা . - বিদ্যাপতি বি . প . বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিভাষায় বি - বিণ . - বিশেষ্যের বিশেষণ বিভূতি . - বিভূতি বন্দ্যোপাধ্যায় বিষ্ণু . - বিষ্ণু দে বি . সা . - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিহারী . - বিহারীলাল চক্রবর্তী বীজগ . - বীজগণিতে বুদ্ধ . - বুদ্ধদেব বসু বৈদ্য . - বৈদ্যশাস্ত্রে বৈ . শা . - বৈষ্ণব শাস্ত্রে বৈ . সা . - বৈষ্ণব সাহিত্যে বৌ . শা . - বৌদ্ধ শাস্ত্রে ব্যব . - ব্যবহারশাস্ত্রে ব্যতি . - ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস ব্যাক . - ব্যাকরণে ব্রজ . - ব্রজবুলিতে ব্র . স . - ব্রহ্ম - সঙ্গীত ভা - ( কৃদন্ত শব্দে ) ভাববাচ্যে ( তদ্ধিতান্ত শব্দে ) ভাবার্থে ভা . চ . - ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর ভূগো . - ভূগোল ম . বাং . - মধ্যযুগীয় বাংলা মধু . - মাইকেল মধুসূদন দত্ত মরা . - মরাঠী মাধব . - মাধবদাস মা . পী . - মানিক পীর মা . ব . - মানকুমারী বসু মাল . - মালয়ী মু . গু . - মুরারি গুপ্ত মুস . - মুসলমানি র্ম . - কর্মবাচ্যে য . চ . - যদুগোপাল চট্টোপাধ্যায় যদু . - যদুনন্দন য . বা . - যতীন্দ্রমোহন বাগচী য . সে . - যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রঘু . - রঘুনন্দন রঙ্গ . - রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় রবীন্দ্র . - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর র . ম . - রসমঞ্জরী রসা . - রসায়নবিজ্ঞানে র . সে . - রজনীকান্ত সেন রা . প্র . - রামপ্রসাদ সেন রা . ব . - রাজনারায়ণ বসু রা . মি . - রাজেন্দ্রলাল মিত্র রূ . কর্ম . - রূপক কর্মধারয় লা . - লাটিন শরত্ - শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শি . - শিবায়ন শু . - শুদ্ধ শূ . পু . - শূন্যপুরাণ শ্রীকৃ . - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন সং . - সংস্কৃত সঞ্জী . - সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স . দ . - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত স . প . - সরকারি পরিভাষা সাও . - সাঁওতালি সাংখ্য . - সাংখ্যদর্শনে সুকান্ত . - সুকান্ত ভট্টাচার্য সু . দ . - সুধীন্দ্র দত্ত সুনিতী . - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় স্ত্রী . - স্ত্রীলিঙ্গ স্পে . - স্পেনীয় স্বা . - স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে হি . - হিন্দী হি . শা . - হিন্দুশাস্ত্রে হেম . - হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় > - এ হতে উত্পন্ন হয়েছে < - এ উত্পন্ন হয়েছে পরবর্তী শব্দ হতে √ - ধাতু
২৪ জানুয়ারি কদমতলী থানাধীন দনিয়া বাজারে গোয়ালবাড়ী মোড়ে ফয়েজের রিকশা গ্যারেজে গাঁজা বিক্রির চাঁদার টাকা আনতে গিয়ে গণধোলাইর শিকার হয়েছে তিন পুলিশ কনস্টেবল । ফেব্রুয়ারিতে কেরানীগঞ্জ থানায় আটক হাজতি লুত্ফর রহমান ওরফে মানিককে মারধর করে হত্যা করার অভিযোগে ওসি ও দুই এসআই ' র বিরুদ্ধে মামলা করা হয় । লুত্ফর রহমানের বাবা আদু মিয়া বাদী হয়ে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন । এর আগে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে ফেনসিডিল ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক এসআইকে জনতা আটক করে র্যাবের কাছে সোপর্দ করে ।
কল্যাণীয়াসু রাণু ইংরেজি মতে আজ আমার জন্মদিনের পরের দিন , বাংলা মতে আগের দিন । আমার আসল জন্মদিনে ইংরেজি তারিখ ছিল ৬ মে , বাংলা তারিখ ছিল ২৫শে বৈশাখ । তখনকার পঞ্জিকায় দুটিতে বেশ ভাবসাব করে একত্রেই থাকত । কিন্তু তার পরে আজকাল দেখি সেই ইংরেজি তারিখে বাংলা তারিখে ঝগড়া বেধে গেছে , তাদের মুখ দেখাদেখি বন্ধ । এটা কি ভাল হচ্চে ? যাই হোক তোমার রুমালটি বৃদ্ধিপূর্ব্বক সেই দুটো দিনের মাঝখানে এসে সেই ঝগড়াটে তারিখ দুটোকে সখ্যবন্ধনে বাঁধবার চেষ্টা করেচে । সে চেষ্টা সফল হোক আর না হোক রুমালটি আমার পকেটের ভিতরে দিব্যি গুছিয়ে বসেচে । জন্মদিনের সারাদিন এই রুমালটি আমার পকেটে রাখতে বলেচ - কিন্তু দেখ , তার পকেট - বাসের মেয়াদ অনেক বেড়ে গেল । কাল পরমান্ন খাব - সাজ সজ্জা করবারও চেষ্টা করব কিন্তু এ সম্বন্ধে আমার না আছে বিদ্যা না আছে উপকরণ । বর্তমানে যিনি আমার প্রাইভেট সেক্রেটারি , তিনি যদিচ কেমব্রিজ য়ুনিভার্সিটিতে ডিগ্রি পেয়েচেন কিন্তু চুল আঁচড়ে দিতে একেবারেই পারেন না । এই সব দেখে তাঁর উপরে আমার শ্রদ্ধা একবারেই চলে গেছে । অতএব এখন থেকে ন বছর কয় মাস আমার সাজটা অসম্পন্নই থেকে যাবে । দশটা জন্মদিন বই ত নয় - সবুরে সইবে । কিন্তু দেখো , কলেজে ডিগ্রি নিতে নিতে তুমি যেন চুল আঁচড়াবার বিদ্যা ভুলে গিয়ে এন্ড্রুজ সাহেবের মতো হয়ে যেয়ো না , এই চিঠি জুড়ে আমার আশীর্ব্বাদ রইল । ইতি ২৪ বৈশাখ ১৩২৬ তোমার ভানুদাদা
যারা নতুন ব্লগ বানাতে চান তাদের জন্য একদম শুরুর দিকের অবশ্য প্রয়োজনীয় কিছু কথা বাঁধন এখানে লিখেছে । অনেক ধন্যবাদ বাঁধন কে ।
কামরাঙ্গীরচরের তাজুল ইসলাম বলেন , ' এই টেকা খরচ কইরা লাভ কি ? এক দিক দিয়া ময়লা উঠায় , আবার তাগো পিছন দিয়াই পানিতে ময়লা ফেলতাছে । গাধার খাটুনি আর কি । '
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার লালবাগ থানার ওসি ছিলেন এম এ গোফরান । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাটি সেদিন তার দায়িত্বে ছিল । ঐ দিন ছাত্রদের প্রধামমন্ত্রী নুরুল আমিনকে বাংলা ভাষার দাবিতে স্মারকলিপি দেবার কথা ছিল । ২১ ফেব্রুয়ারি এসেম্বলি চলাকালীন ছাত্রদের কর্মসূচিতে বাধা দেবার নির্দেশ আসে রাওয়ালপিন্ডি থেকে । তখন ঢাকার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ( ডিএম ) ছিলেন কোরেইশী নামের এক পঞ্জাবি । তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন । স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রাত ১০টায় এম এ গোফরানের কাছে ডিসি স্বাক্ষরিত সেই চিঠিটি পৌছায় এবং তখনই তা সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা হয় । ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজারবাগ থেকে স্পেশাল আর্মস ফোর্সের একটি বড় দল ক্যাম্পাসে আসে । তাদের ইনচার্জ ছিলেন পঞ্জাবি কর্মকর্তা আর আই নবীশের খান । ঢাকার ডিএম কোরেইশী , ডিআইজিপি এ জেড ওবায়দুল্লাহ , এসপি ইদ্রিস ও এডিশনাল এসপি মাসুদ মাহমুদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ।
লেখক বলেছেন : তাহলে কি দাঁড়াইলো , সরকার সকল সময়ে জনগণের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছে তারপরেও আমরা ঐ সব দলের কোন সমালোচনা শুনতে রাজিও না , ঐসব পরিবারকে বাদ দিতেও রাজি না ?
Download XML • Download text