EN | ES |

Text view

ben-26


Javascript seems to be turned off, or there was a communication error. Turn on Javascript for more display options.

ছোট ডিঙ্গি নৌকা ভাসে ঝিলের জলে , সেথা তুমি আমি আছি বসে সব ভুলে চারদিক উছলানো অথৈ জলে ভরা মৃদু বাতাশ , দুরে ছোট ছোট ঘর বাড়ি কিনারে দোলে কাঁশ সুরুজ পশ্চিমের আকাশে গেল অনেকটা হেলে , অপরুপ বর্ণিল কারুকার্য নানা মেঘেদের কোলে আঁকছে প্রকৃতিক আলপনা , যা শিল্পির শুধু শুধুই কল্পনা একটু পরে আঁধার এল ঘনিয়ে চারদিক অন্ধকার , সাঙ্গ হল মধুমাখা মুহু্র্ত সময় হল ঘরে ফিরবার আইনশৃঙ্খলা অবস্থার উন্নতি হয়েছে প্রমাণ আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ , হজ্জ , ঈদ , পূজা , বড়দিন , পহেলা বৈশাখ , বিজয় দিবস , স্বাধীনতা দিবস , মাতৃভাষা দিবস শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে সবার বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে একদিকে , আর অপরদিকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি মূল্যস্ফীতি ১১ ভাগ থেকে কমিয়ে ভাগে আনা হয়েছিল এখন কিছুটা বেড়ে ভাগ হয়েছে শ্রমিক দিনমজুরদের আয় বেড়েছে সরকার সদাসচেষ্ট আছে এসব বিষয়ে ১৫০০ টাকা যারা শ্রমের মূল্য পেত তারা ৩০০০ টাকা পায় ধান কাটার সময় ৩০০ / ৪০০ টাকা দিনে মজুরি পেয়েছে রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে এই মূল্যায়নের পেছনে কোনো পরিসংখ্যান হাজির করা সম্ভব বলে মনে হয় না আরো কিছু কারণে চিন্তাটাকে আমার সাম্প্রদায়িকতার রঙ্গে রঞ্জিত মনে হয়েছে ত্রিপোলি , ২৭ জুন : লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ - পশ্চিমে সরকারবিরোধী গাদ্দাফি বাহিনীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হচ্ছে বলে বিবিসি জানিয়েছে আর সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ব্যাপক হতাহতের আশঙ্কা করা . . . বিস্তারিত » আমাদের আব্বুকে কখনোই আমরা গালাগালি বা আমাদের মারধর করতে দেখিনি সবসময় ধীর স্থির চরিত্রের তিনি দুনিয়ায় চলতে গেলে মানুষকে তো মাঝে মাঝে কঠোরও হতে হয় কিন্তু আব্বুর মধ্যে সেই কঠোরতা কমই দেখেছি নিকটজনরা অনেক সময় ঠাট্টা করে বলে উনি তো দুনিয়ার জন্য তৈরি হয়নি জনরোষের মুখে দেশ ছেড়ে পালালেন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট মানবজমিন ডেস্ক : ২৩ বছর একনাগাড়ে দেশ শাসন করার পরও দেশবাসীর ভালবাসা পেলেন না ছন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট জিনে আল আবিদিন বেন আলী প্রবল জনরোষের মুখে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন আশ্রয় নিয়েছেন সৌদি আরবে প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ গানুচি ' কে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি এর আগে ফ্রান্সের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে , তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সে আশ্রয় চেয়েছিলেন কিন্তু ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি তার সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন ওদিকে তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসের রাস্তায় শত শত সৈন্য টহল দিচ্ছে রাস্তাগুলো জনশূন্য হয়ে পড়েছে সান্ধ্য আইন প্রত্যাহার করা হলেও জরুরি অবস্থা বহাল রয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন , শুক্রবার রাতভর শহরের বিভিন্ন স্থানে লুটপাট হয়েছে সহিংসতাও হয়েছে বিশেষ করে ফরাসি মালিকানাধীন সুপার মার্কেটগুলোতে লুটপাট চালানো হয়েছে শহরের প্রধান রেল স্টেশনটি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে তিউনিসিয়ার মোনাস্তিরে একটি জেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন জেলখানার কোন নিরাপত্তা প্রহরী আগুন ধরিয়ে দিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয় মুহূর্তে সে আগুন ছড়িয়ে পড়ে জেলে সৌদি রাজপ্রাসাদ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয় , বেন আলি গতকাল ভোরে সৌদি আরব পৌঁছেন সৌদি সরকারি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ' কর্মকর্তা সূত্রে খবর জানা যায় বিবৃতিতে আরও বলা হয় , তিউনিসিয়ার ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণ বর্তমানে বিশেষ পরিস্থিতি অতিক্রম করছে এই পরিস্থিতিতে তাদের প্রতি উদ্বেগ এবং তাদের দেশের নিরাপত্তা স্থিতিশীলতার প্রতি সমর্থন জানিয়েই সৌদি সরকার প্রেসিডেন্ট জিনে আল আবিদিন বেন আলি তার পরিবারকে স্বাগত জানিয়েছে ১৯৮৭ সাল থেকে আবিদিন তিউনিসিয়ার রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন কর্মসংস্থান , খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গত কয়েক সপ্তার বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয় এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে তিউনিসিয়ায় গত কয়েক সপ্তাহের বিক্ষোভ সহিংসতায় ২৩ জনের মৃত্যুর কথা জানা যায় তবে মানবাধিকার গ্রুপগুলো জানিয়েছে , তিউনিসিয়ায় সামপ্রতিক বিক্ষোভ সহিংসতায় ৬০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছে জনরোষ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় শুক্রবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ আর এরপরই সপরিবারে সৌদি আরব পালিয়ে যান প্রেসিডেন্ট বেন আলি অন্যদিকে এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বিক্ষোভকারীদের সাহসের প্রশংসা করেছেন পাশাপাশি তিনি অদূর ভবিষ্যতে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের নেতা বেছে নেবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন তিউনিসিয়ার জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুততর করা সম্ভব : খাদ্যমন্ত্রী স্টাফ রিপোর্টার : খাদ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী . মো . আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন , বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সমাজের বিত্তশালীরা সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে এগিয়ে এলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুততর করা সম্ভব দরিদ্র মানুষকে শীতের কষ্ট থেকে রক্ষা করতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে গতকাল খাদ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী . মো . আব্দুর রাজ্জাক তাঁর সরকারি বাসভবনে ডাচ - বাংলা ব্যাংকের কাছ থেকে কম্বল গ্রহণকালে কথা বলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এস তাবরেজ মন্ত্রীর হাতে কম্বল তুলে দেন সময়ে ব্যাংকের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন দেশের শীতার্ত মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য আজ খাদ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে ৩০ হাজার পিস কম্বল দেয়া হয় ত্রাণ পুনর্বাসন অধিদপ্তর সারা দেশে কম্বল বিতরণ করবে . রাজ্জাক বলেন , বছরে শীত মৌসূম শুরুর আগেই খাদ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে এক লাখ ৬৪ হাজার পিস কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয় পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে আরো ২২ হাজার পিস কম্বল দেয়া হয়েছে আজকের পাওয়া কম্বল বিতরণের মাধ্যমে আরো ৩০ হাজার লোককে তীব্র শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে তিনি বলেন , দেশের অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এভাবে এগিয়ে এলে শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘব করা যেমন সম্ভব , তেমনি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও জনগণকে রক্ষা করা সম্ভব উন্নত বিশ্বের অনেক ধনী ব্যক্তি মৃত্যুর আগে জীবনের সঞ্চিত সমূদয় সম্পদ জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে দান করে যায় আমাদের দেশে এমটি খুব একটা দেখা যায় না আমাদের দেশে বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে সরকারের পাশাপাশি অনেক জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতো মন্ত্রী দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করার জন্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ বিভাগের সচিব . এম আসলাম আলম , অতিরিক্ত সচিব অসিত কুমার মুকুটমনি , ত্রাণ পুনর্বাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো . জহিরুল হক , দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর মহাপরিচালক আহসান জাকির , মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম - সচিব মো . আব্দুল ওয়াজেদ , যুগ্ম - সচিব মো . ফজলুল হক প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার মনোজ কান্তি বড়াল উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রীসহ সরকারি কর্মকর্তাদের প্রাসাদোপম বাড়ি নিয়ে অসন্তোষ কাজী সোহাগ : রাজধানীর বুকে মন্ত্রীসহ সরকারি কর্মকর্তাদের প্রাসাদোপম বাড়ি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে বিষয়টিকে সরকারি জমির অপচয় বিলাসিতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে সংসদীয় কমিটি এদিকে গৃহায়ন গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ধরনের ৫৭টি বাড়ি চিহ্নিত করেছে এসব বাড়িতে বসবাস করছেন মন্ত্রী , প্রতিমন্ত্রী , উপদেষ্টা , সচিবসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা ওদিকে কমিটির পক্ষ থেকে এসব বাড়ির জন্য জমির পরিমাণ ১০ কাঠার মধ্যে রাখার সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে তবে মন্ত্রণালয় কতদিনের মধ্যে সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে পারবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে সার্বিকভাবে এটা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয় তাদের এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে , রাজধানীতে ১৩ কাঠা থেকে প্রায় একরের সরকারি বাসা রয়েছে ৫৭টি এর মধ্যে ১৮ পূর্ণ মন্ত্রী , সংসদ উপনেতা , প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সচিবসহ উপদেষ্টা , বর্তমান সাবেক বিচারপতিসহ বিচারপতি , মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব , পুলিশের মহাপরিদর্শক , মহাহিসাব রক্ষক , জাতীয় রাজস্ব বোডের চেয়ারম্যান , ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার , ঢাকা দায়রা জজ প্রমুখ বসবাস করছেন একমাত্র বিরোধীদলীয় নেত্রীর বাড়িতে কেউ বসবাস না করায় তা শূন্য পড়ে রয়েছে সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে , সরকারের যত বড় কর্মকর্তাই হন না কেন বাড়ির জন্য ১০ কাঠার বেশি জমি বরাদ্দ রাখার প্রয়োজন নেই বাকি জমিতে আলাদা বাড়ি বা ফ্ল্যাট বাড়ি করা হলে বেশি সংখ্যক কর্মকর্তার আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে প্রসঙ্গে কমিটির সদস্য জহিরুল হক ভুঁইয়া মোহন মানবজমিনকে বলেন , মন্ত্রীসহ শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের প্রাসাদতুল্য বাড়ি নিয়ে কমিটির সদস্যরা অসন্তুষ্ট যেখানে রাজধানীতে আবাসিক সঙ্কট তীব্র , সরকারি কর্মকর্তাদের থাকার জন্য বাড়ি নেই , সেখানে পুরনো প্যাটার্নে কয়েক বিঘা জমিতে নির্মিত বাড়িগুলোকে এখন বিলাসিতা এবং জমির অপচয় বলেই মনে হয় তিনি বলেন , আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কমিটির বৈঠকে নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে মন্ত্রণালয়ের দেয়া রিপোর্ট অনুযায়ী দশমিক ৬০ একরের সরকারি বাসায় থাকছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন , দশমিক ৪০ একরের ওপর নির্মিত দোতলা বাড়িতে পানি সম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন , দশমিক ৪০ একরের বাসায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম , দশমিক ৯২ একরের ওপর নির্মিত বাড়িতে পরিকল্পনামন্ত্রী একে খন্দকার হেয়ার রোডের ১৯ নং বাংলো রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে বাস করছেন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক দোতলা বাড়িটি দশমিক ৪৯ একরের ওপর নির্মিত রিপোর্টে দুটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মা মেঘনাকেও তালিকভুক্ত করা হয়েছে পদ্মা দশমিক ৬৭ একর এবং মঘনা দশমিক ৩৮ একরের ওপর নির্মিত অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা জরুরি : বাণিজ্যমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার : বাণিজ্যমন্ত্রী লে . কর্নেল ( অব . ) ফারুক খান বলেছেন , দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা জরুরি রাজনৈতিক অস্থিরতা বন্ধ করতে পারলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বাংলাদেশ শিল্প উন্নয়ন পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ' বাংলাদেশের উন্নয়ন ' শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন বাংলাদেশ শিল্প উন্নয়ন পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক তাহমিনা আক্তারের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ( অব . ) হান্নান শাহ , সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু , বিকেএমইর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এডভোকেট রহমত আলী এমপি সেমিনারে বাংলাদেশকে মালয়েশিয়া ইতালির ন্যায় উন্নত , নারায়ণগঞ্জকে নিট রাজধানী ঘোষণা , নরসিংদীকে টেক্সটাইল রাজধানী ঘোষণা , নোয়াখালীতে সমুদ্রবন্দর , ছাত্রদের শিল্প ঋণ ট্রেনিং প্রদান , সিটি করপোরেশন শিল্প মার্কেট প্রতিটি উপজেলায় শিল্পব্যাংক প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয় বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন , বিশ্ব মন্দার মধ্যেও গত বছরে দেশ সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে গত বছর প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী ১২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ , সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করা হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ শুরু হয়েছে আগামী বছরের মধ্যেই দেশের অনেক খাতে পুরোপুরি উন্নয়ন করা সম্ভব হবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ( অব . ) হান্নান শাহ বলেন , দেশে বছর বছর পরিকল্পনা করা হয় কিন্তু বাস্তবায়ন করা হয় না বর্তমানে দেশে বিশেষজ্ঞ সম্পদের অভাব নেই , কিন্তু সুযোগের অভাবে সরকার তা কাজে লাগাতে পারছে না বাড়তি বই নেয়া ৩২ স্কুল প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার সোলায়মান তুষার : প্রয়োজনের অতিরিক্ত বই নেয়ায় ৩২টি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার ওইসব স্কুলের সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধ করে দেয়া হবে এছাড়া শুধু অনুমতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অনুমতি বাতিল করা হবে প্রাথমিকভাবে ৮৭টি প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করা হয়েছিল পরে ৩২টি স্কুলে বাড়তি বই নেয়ার প্রমাণ পাওয়া যায় তদন্তে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকরা চাহিদাপত্র দিয়ে লাখ হাজার বই অতিরিক্ত নেন এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে রাজধানী সবুজবাগের মানিকনগর মডেল হাইস্কুল , খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল , সদরঘাটের ইস্ট বেঙ্গল ইনস্টিটিউট , সূত্রাপুরের সেন্ট্রাল হাইস্কুল , পল্লবীর কাশী ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় , মীরপুরের পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার স্কুল , দক্ষিণখানের উদয়ন স্কুল , মুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ , উত্তরার মুন পাবলিক স্কুল , দক্ষিণখানের মোল্লারটেক উদয়ন স্কুল , ধানমন্ডির ঢাকা পাবলিক স্কুল সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় , মুন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে একটি শ্রেণীর জন্য বই প্রয়োজন ৪৫ সেট তারা নিয়েছে ৯২ সেট স্কুলটিতে একটি শ্রেণীতেই বেশি গেছে ৪৭ সেট বই একইভাবে পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার স্কুলে একটি শ্রেণীর জন্য প্রয়োজন ৬৩ সেট তারা নিয়েছে ১৩৫ সেট তারা একটি শ্রেণীর জন্য বেশি নিয়েছে ৭২ সেট বই এভাবে কয়েক শতাধিক প্রতিষ্ঠান বাড়তি বই নিয়ে বিতরণের আগেই কালোবাজারে বিক্রি করে দিয়েছে এসব স্কুলের শিক্ষকরা কালোবাজারে বই বিক্রি করতেই অতিরিক্ত বই নিয়েছিল বলে মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত বই নেয়ার প্রমাণ মেলায় দেশব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছিল এছাড়া , অতিরিক্ত বই ফেরত দিতে দিনের আলটিমেটাম দেয়া হয়েছিল যেসব স্কুল প্রধান বই ফেরত দিয়েছেন তাদের বিষয়টা বিবেচনার মধ্যে রয়েছে আর যারা বই ফেরত দেননি তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে মন্ত্রণালয় বছর মাধ্যমিকের মোট বইয়ের শতাংশ এবং প্রাথমিকের ১৫ শতাংশ বাফার ( অতিরিক্ত ) রেখে মোট ২৩ কোটি ২০ লাখ বই ছাপা হয় এর মধ্যে মাধ্যমিকে বাংলা ইংরেজি ভার্সনসহ এবতেদায়ী , দাখিল , দাখিল ভোকেশনাল , মাধ্যমিক ভোকেশনাল পর্যায়ে মোট ১২ কোটি ৭৫ লাখ হাজার ৭৫৯টি এবং প্রাথমিকে ইংরেজি ভার্সনসহ মোট বইয়ের সংখ্যা ১০ কোটি ৪৮ লাখ হাজার ৪৭৫টি নতুন ভাড়া কার্যকর আজ বেশি নিলে পুলিশে স্টাফ রিপোর্টার : সিএনজি অটোরিকশার নতুন ভাড়া আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় করলে অটোরিকশা চালকদের পুলিশে সোপর্দ করতে যাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি বরকত উল্লাহ ভুলু গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আহ্বান জানান তিনি বলেন , নতুন ভাড়া বিষয়ে গত ৯ই জানুয়ারি সরকার , অটোরিকশা মালিক সমিতি শ্রমিক সংগঠনের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে চুক্তি অনুযায়ী ১৫ই জানুয়ারি থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া প্রথম দুই কিলোমিটারের জন্য ২৫ টাকা করা হয়েছে পরবর্তী প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া টাকার স্থলে করা হয়েছে টাকা ছাড়া বিরতিকালের জন্য প্রতি মিনিট টাকার পরিবর্তে টাকা ২৫ পয়সা করা হয়েছে সিএনজি অটোরিকশা মালিকের দৈনিক জমা ৪৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬০০ টাকা নিয়মের বাইরে গেলে চালক মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে অটোরিকশা চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করলে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষে টেলিফোন করার জন্য বা আশপাশে ট্রাফিক পুলিশের কাছে অভিযোগ করার জন্য যাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান ভুলু তিনি বলেন , ' অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে চালকের জরিমানা অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল অথবা তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে ' নতুন নিয়ম চালু করতে অটোরিকশায় মিটার স্থাপন নষ্ট হয়ে যাওয়া মিটার ঠিক করা হয়েছে জানিয়ে ভুলু বলেন , মিটার ছাড়া বা নষ্ট মিটার নিয়ে কোন অটোরিকশা রাস্তায় নামবে না চালকদের কাছ থেকে বেশি জমা আদায় করলে মালিকদের গাড়ির নিবন্ধন বাতিল করা হবে বলে জানানো হয় ঢাকা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হানিফ হোসেন বলেন , ' নতুন নিয়ম অনুযায়ী চালকরা ভাড়া আদায় করবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই যাত্রীদের অভিযোগ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ট্রাফিক পুলিশ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এটিএম নাজমুল হাসান জানান , নতুন নিয়ম অনুযায়ী কাজ করতে তাদের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে সব চালকই নিয়ম পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে মায়াবতীর জন্মদিনে . . . মানবজমিন ডেস্ক : নিজের ৫৫তম জন্মদিনে হাজার কোটি রুপির ৬০০টি প্রজেক্টের উদ্বোধন করলেন ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায় , গতকাল তার জন্মদিন ঘটা করে আয়োজন করা হয় প্রতি বছরই তার জন্মদিনকে ' জনকল্যাণ দিবস ' হিসেবে পালন করা হয় মায়াবতী বলেন , দিবস উপলক্ষে আমার সরকার জনগণের স্বার্থে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং উপহার স্বরূপ উন্নয়ন স্কিম ঘোষণা করে জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে রাজ্যের ৭২টি জেলায় বঞ্চিত , অবহেলিত বিশেষ করে দলিত সমপ্রদায়ের জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন স্কিম নিয়ে ক্যাম্প করা হয়েছে মায়াবতী জানান , শিগগিরই জনহিত গ্যারান্টি আইনও বাস্তবায়ন করা হবে আইনের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহি সময়মতো কাজ সম্পন্ন করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে আইনে বিশেষ করে দলিত সমপ্রদায় গরিবরা উপকৃত হবেন বলে জানান মায়াবতী রামপুরায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর রামপুরা থানাধীন মহানগর প্রজেক্ট এলাকায় পুলিশের গুলিতে শ্যামল ( ২২ ) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে একই ঘটনায় আহত হয়েছে অনিক ( ১৮ ) নামের আরেক যুবক পুলিশ দাবি করেছে , শুক্রবার রাত তিনটায় ইস্টার্ন হাউজিংয়ের বালুর মাঠে ছিনতাইকারীদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুক যুদ্ধে শ্যামল নিহত অনিক আহত হয় তবে আহত অনিক বলে , আমাদের কাছে কোন অস্ত্র ছিল না পুলিশের সঙ্গে কোন বন্দুক যুদ্ধও হয়নি থানা হাজত থেকে রাতে চোখ বেঁধে বালুর মাঠে নিয়ে গিয়ে পুলিশ তাদের দু ' জনকে গুলি করেছে রামপুরা থানা পুলিশ জানায় , ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবার তিনটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে ঘটনায় ছিনতাই , পুলিশকে অ্যাসল্ট অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে জনকে আসামি করে ৪টি মামলা করা হয়েছে ডিএমপি পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় , গত শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টায় ছিনতইকারী হাসান ( ২২ ) রাবিয়া খাতুন ( ৩০ ) নামে এক পথচারীর কাছ থেকে নগদ টাকা , মোবাইল সেট ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই করার সময় ধরা পড়ে তার তথ্যমতে রামপুরা থানার পুলিশ এসআই সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে হাসানের সহযোগী শ্যামল ( ২৫ ) অনিক ( ২০ ) কে গ্রেপ্তার করে জনের তথ্যমতে শুক্রবার রাত পৌনে ২টায় আসামি শ্যামল অনিককে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে বের হয় পুলিশ মহানগর প্রজেক্ট বালুর মাঠে যাওয়ার পর সশস্ত্র অস্ত্রধারীরা আসামিদের ছিনিয়ে নেয়ার জন্য পুলিশের উপর গুলি চালায় সময় আত্ম রক্ষার জন্য পুলিশও রাউন্ড গুলি চালায় অন্যদিকে সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলি আসামি শ্যামলের বাম পায়ে অনিকের বাম পায়ের হাঁটুর নিচে লাগে পরে গুলিবিদ্ধ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গতকাল সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শ্যামল মারা যায় মৃত শ্যামলের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানা তেজগাঁও থানায় ২টি মামলা আছে অনিককে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে সেখানে চিকিৎসাধীন অনিক সাংবাদিকদের বলে , পুলিশ শুক্রবার দুপুরে সালামবাগ জামে মসজিদের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সন্ধ্যার পর তার চোখ বেঁধে বালুর মাঠে নিয়ে যায় পুলিশ বলে অস্ত্র কোথায় আছে আমার কাছে কোন অস্ত্র নেই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দুজনকে গুলি করে অনিক বলে , শ্যামল তার অপরিচিত অনিকের খালা রোকেয়া বেগম বলেন , অনিককে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ তাদের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে টাকা না দেয়ায় তাকে গুলি করা হয় একই কারণে শ্যামলকে হত্যা করা হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন অনিকের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ঢাকায় পূর্ব রামপুরার ১৬৯ / ১৩ / নম্বর বাসায় থাকে তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম ছাড়া নিহত শ্যামলের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে যুক্তরাজ্যে আটক সেই বাংলাদেশী ফের রিমান্ডে মানবজমিন ডেস্ক : বৃটেনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটক সেই বাংলাদেশীকে শুক্রবার ৩৩৮ বছরের পুরনো ওল্ড বেইলি কোর্টে তোলা হয়েছিল শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে ফের রিমান্ডে দিয়েছে আগামী ২৫শে ফেব্রুয়ারি তাদেরকে ফের আদালতে তোলা হবে শুনানির জন্য আর সে পর্যন্ত তারা রিমান্ডে থাকবে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা টিএনএন এতে আরও বলা হয়েছে - আটক ওই যুবকদের বয়স ১৯ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে তাদের মধ্যে একজন নিজেকে গুরুকনাথ দেশাই বলে পরিচয় দিচ্ছে এতে পুলিশের সন্দেহ সে নিজেকে রহস্যে জড়িয়ে রাখছে তবে পুুলিশ নিশ্চিত হয়েছে অন্য অভিযুক্ত আবদুল মিয়ার ভাই আটক অন্যদের নাম প্রকাশ করা হয়নি আদালতে শুক্রবার শুনানির সময় উপস্থিত ছিল অভিবাসন বিরোধী ডানপন্থি সংস্থা ইংলিশ ডিফেন্স লীগের নেতাকর্মীরা আদালতের বাইরে তাদের নেতাকর্মীরা সময় যুক্তরাজ্যকে ইসলামীকরণ করা হচ্ছে বলে স্লোগান দেয় ফলে আদালতের ভিতর - বাইরে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ গত ৬ই নভেম্বর থেকে ২১শে ডিসেম্বরের মধ্যে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযুক্তদের আটক করা হয় তারা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে প্রার্থী বাছাইয়ে দলগুলো ভুল করেছে : সিইসি বিডিনিউজ : পৌর নির্বাচনে বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থীর বিজয়ের কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা মনে করছেন , প্রার্থী বাছাইয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ভুল করেছে নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত বিরক্তি থেকে উদ্ভূত বলেও জানিয়েছেন তিনি গতকাল ্তুস্থানীয় সরকার নির্বাচন : গণ - প্রত্যাশা গণমাধ্যম ' শীর্ষক এক সেমিনারে সিইসি বলেন , ' পৌর নির্বাচনে এত বিদ্রোহী প্রার্থী কেন হলো ? কারণ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী বাছাইয়ে দুর্বলতা আছে ' জনগণ ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে সঠিক প্রার্থী নির্বাচনে ভুল করে না ' - বলেন তিনি গত ১২ ১৩ই জানুয়ারি দেশের ১২১ পৌরসভায় নির্বাচন হয়েছে এতে সাত পৌরসভায় মেয়র পদে বিএনপি ' ' বিদ্রোহী ' প্রার্থী জয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীরা মেয়র নির্বাচিত হয়েছে ১২টি পৌরসভায় শামসুল হুদা বলেন , নির্বাচন কমিশনও সৎ যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে আইনি সংস্কার এনেছে পাশাপাশি তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও প্রার্থী বাছাই করতে হবে চার বিভাগে নির্বাচনে প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে সিইসি জানান পর্যন্ত পৌর নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে ইসি সন্তুষ্ট বলে জানান তিনি নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সংস্কৃতি বাদ দিয়ে প্রশাসন পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন বিভাগকে উজ্জীবিত করার আহ্বান জানান সিইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বারবার সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবিতে ইসি ' বিরক্ত ' হয়েছে জানিয়ে শামসুল হুদা বলেন , ' নির্বাচনে আমরা সেনাবাহিনী দিতে চাই না সেনাবাহিনী আমাদের লাস্ট রিসোর্স কারণে - অকারণে বাহিনীকে চাওয়া ঠিক না এবার আমরা বিরক্ত হয়ে সেনাবাহিনী নিয়োগ করেছি বিএনপি পৌর নির্বাচনে বারবার সেনা মোতায়েনের দাবি জানায় সিইসি বলেন , ' এতে দুর্বলতা থাকলে তা চিহ্নিত করা যাবে আমাদের প্রশাসনকে উজ্জীবিত করতে হবে প্রশাসন পুলিশ বাহিনীকে কাজে লাগাতে হবে প্রশাসন পুলিশের বিকল্প হিসেবে সেনাবাহিনীকে দাঁড় না করানোর ইঙ্গিত দিয়ে শামসুল হুদা বলেন , ' বিকল্প দাঁড় করানোর কোন যুক্তি হতে পারে না জাতির বৃহত্তর স্বার্থে দীর্ঘ মেয়াদে তা সুফল বয়ে আনবে না সেমিনারে তথ্য কমিশনার সাদেকা হালিম বলেন , ' পৌর নির্বাচন প্রমাণ করেছে - নির্বাচনে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন নেই কিন্তু দেশে যারাই বিরোধী দল থাকে নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি করার তাদের সংস্কৃতি হয়ে গেছে নারী মেয়র নার্গিসকে অভিনন্দন : দুই বিভাগের নির্বাচনে পর্যন্ত মেয়র পদে বিজয়ী চারঘাটের নার্গিস খাতুনকে অভিনন্দন জানান সিইসি তিনি বলেন , ' চারঘাটের এই নারীকে কেন্দ্র থেকে দলীয়ভাবে সমর্থন দেয়া হয়নি কিন্তু জনগণ নাকি তাকে চায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েও হাজারের বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি নারীর ক্ষমতায়নের ওপর তাগিদ দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে নারী প্রার্থী বাছাইয়ে জোর দেয়ার আহ্বান জানান শামসুল হুদা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সেমিনারে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব - উল - আলম হানিফ , ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ - এর ( টিআইবি ) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জমান বক্তব্য রাখেন ঢাবি ' গণযোগাযোগ সাংবাদিকতা অ্যালামনাই এসোসিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী সিনেট ভবনে ওই সেমিনারটির আয়োজন করে শৈলকুপায় আওয়ামী লীগের দু ' গ্রুপে সংঘর্ষ , কাউন্সিলরসহ আহত ১০ , বাড়িঘর ভাঙচুর ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : শৈলকুপায় আওয়ামী লীগের দু ' গ্রুপের সংঘর্ষে মহিলা কাউন্সিলরসহ ১০ জন আহত হয়েছে পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত বিজয়ী মেয়র প্রার্থীর কর্মী - সমর্থকদের মধ্যে গতকাল দুপুরে সংঘর্ষ হয় সংঘর্ষের সময় ৫টি দোকান বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে ঘটনায় পুলিশ রকিব মীর কামরুজ্জামান টিপু নামে দুই জনকে আটক করেছে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , গত ১৩ই জানুয়ারি পৌর নির্বাচনে সদ্য বহিষ্কৃত পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী আশরাফুল আজম মেয়র নির্বাচিত হন পরাজিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান সকাল ১১টার দিকে শহরের চৌরাস্তার মোড়ে সমর্থক রনি মাসুদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে ঘটনার জের ধরে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে দুপুর ২টার দিকে পৌর এলাকার কাজীপাড়া মোড়ে উভয় গ্রুপের কয়েক নেতা - কর্মী সমর্থক আগ্নেয়াস্ত্র , দেশীয় ঢাল , সড়কি , রামদা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষের সময় পুরো শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয় দোকানপাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিকের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয় সংঘর্ষে ১নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর সুলতানা জাহান বিনু ( ৪০ ) , শৈলকুপা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি কাজী মোস্তাফিজুর রহমান নওরোজ ( ৪২ ) , উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রানাউজ্জামান বাদশার স্ত্রী রানী জামান ( ৩৮ ) , স্কুল শিক্ষক ফজলুর রহমান ( ৪৫ ) , মীর রাসেল ( ২৫ ) , হিল্লোল ( ৪০ ) , যাদু মিয়া , কাজল দে , সজল , প্রদীপ , আনিছ , মিঠু ডলি বেগমসহ ১৫ জন আহত হয় আহতদের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে ১৭ই জানুয়ারি থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজা শুরু স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আগামী ১৭ই জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে নিয়মিত পূজা এজন্য মন্দিরের মূল বেদি শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী শুদ্ধ করে বিগ্রহ স্থাপন করা হবে ১৭ই জানুয়ারি শাস্ত্রীয় আচার সম্পন্ন করে ওই দিন থেকে শুরু হবে পূজা শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত ধর্মীয় নেতারা মিলে দিনটি ঠিক করেছেন গতকাল ঢাকেশ্বরী মন্দিরের মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির নেতারা ঘোষণা দেন সংবাদ সম্মেলনে পূজা কমিটির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবুল দেবনাথ বাবুল দেবনাথ বলেন , ঢাকেশ্বরী মন্দিরেই নয় , মহানগরীর রাজারবাগ বরদেশ্বরী কালীমন্দির ওয়ারীর জয়কালী মন্দির থেকে কালী মূর্তির সোনার অলঙ্কার মূল্যবান সামগ্রী চুরি করা হয়েছে ছাড়া গত মাসের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের বালাজোড় আখড়া মন্দির , টানবাজার আখড়া মন্দির , বলদেব আখড়া মন্দির , গৌর নিতাই আখড়া মন্দির , মুন্সীগঞ্জের জয়কালী মাতা মন্দির , আবদুল্লাপুর শ্মশানকালী মন্দির , মিরকাদিম মনমোহন মন্দির , চট্টগ্রামের মিঠাছড়ার মহামায়া মন্দিরেও একই কায়দায় চুরি হয়েছে অন্যদিকে অপবিত্র তছনছ করা হয়েছে মন্দিরে স্থাপিত বিগ্রহ এসব ঘটনা ছিল পরিকল্পিত যা হিন্দুু সমপ্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা অনিশ্চয়তা তৈরির একটি ষড়যন্ত্র যুদ্ধাপরাধীদের বিচার , সরকারের ' ৭২ - এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার উদ্যোগ অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করার জন্য এসব ষড়যন্ত্র চলছে বাবুল দেবনাথ আরও বলেন , এসব ঘটনা সাধারণ কোন ঘটনা নয় এদিকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের চার পাশে দেবোত্তর সম্পত্তি জবরদখল হওয়ায় মন্দিরের নিরাপত্তা অস্তিত্ব অনেক আগে থেকে হুমকির মুখে ছিল এজন্য মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি দীর্ঘ দিন আন্দোলন চালিয়ে এলেও কোন সমাধান পায়নি বলে অভিযোগ করেন লিখিত বক্তব্যে সংবাদ সম্মেলনে অন্য নেতৃবৃন্দ বলেন , ৮ই ডিসেম্বর রাতে মন্দিরে জন পুলিশের পাহারাও ছিল চুরির ঘটনার পর তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি ব্যাপারে চকবাজার থানার ওসি সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন , এরা রাজারবাগ পুলিশ লাইনের পুলিশ ছিল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তবে তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি মহানগর সার্বজনীন পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সংবাদ সম্মেলনে সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি বীরেশ চন্দ্র সাহা , বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি এড . সুব্রত চৌধুরী , সাধারণ সম্পাদক মঙ্গল চন্দ্র ঘোষ প্রমুখ মহাজোট সরকার জনগণের সরকার নয় : খন্দকার মোশাররফ স্টাফ রিপোর্টার : মহাজোট সরকার জনগণের সরকার নয় বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য . খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন , আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হলে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় কিন্তু বিরোধী দলের নেতা নিহত হলে সরকারের কোন তৎপরতা দেখা যায় না এতেই প্রমাণিত হয় , বর্তমান মহাজোট সরকার জনগণের সরকার নয় গতকাল বিকালে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে ঢাকা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে ডিসিসি ' ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর চৌধুরী আলমের সন্ধান এবং মুক্তির দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি অভিযোগ করেন ঢাকার ৪১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খুন হওয়ার পর শেরেবাংলা নগর থানার ওসিকে বরখাস্ত এবং কয়েকজন কর্মকর্তাকে বদলির প্রসঙ্গ তুলে . মোশাররফ বলেন , কয়েকদিন আগে রাজধানীতে যুবদল নেতা শহীদ মোল্লা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কিংবা চৌধুরী আলম গুম হয়ে যাওয়ার পর সরকার কোন ব্যবস্থা নেয়নি উল্টো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন , আইনশৃঙ্খলা অতীতের চেয়ে ভাল অথচ যখন আওয়ামী লীগের নেতা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে , তখন পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও স্বীকার করেছেন , আইনশৃঙ্খলার কিছুটা অবনতি হয়েছে এটা কোনভাবেই জনগণের সরকারের চরিত্র হতে পারে না খুলনা বরিশাল বিভাগে পৌর নির্বাচনের ফল পাল্টে দেয়ার অভিযোগ করে . মোশাররফ বলেন , রাজশাহী বিভাগের পৌর নির্বাচনগুলোতে জাতীয়তাবাদী শক্তির ব্যাপক বিজয় দেখে বরিশালের পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রভাব বিস্তার করেছে তিনি সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন , একই ঘটনা ঢাকা , চট্টগ্রাম সিলেটে ঘটলে পরিণতি ভাল হবে না আমরা সরকারকে বলবো , জোর - জবরদস্তি করে ফল পাল্টানোর চেষ্টা করবেন না তাহলে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে প্রায় সোয়া ২০০ দিন আগে নিখোঁজ ডিসিসি কমিশনার চৌধুরী আলমের সন্ধান চেয়ে . মোশাররফ বলেন , এভাবে একজন জনপ্রতিনিধি নিখোঁজ হওয়ার পরও সরকার কোন ব্যবস্থা নেয়নি এটা নিন্দনীয় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কি পর্যায়ে পৌঁছেছে , তার প্রমাণ ঘটনা ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন দেয়ার দাবি জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র নেতা বলেন , পরাজয়ের শঙ্কা থেকেই স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন দিচ্ছে না সরকার সভাপতির বক্তব্যে ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকা বলেন , ডিবি পুলিশের সূত্র ধরে চৌধুরী আলমের সন্ধান দিতে না পারলে আগামীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া , চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জমান দুদু , সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন , অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম , যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল , স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল , মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ মাহমুদুর রহমানের গ্রেপ্তার গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের হুঁশিয়ারি : নজরুল ইসলাম খান স্টাফ রিপোর্টার : দৈনিক আমার দেশ - এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের গ্রেপ্তার গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের হুঁশিয়ারি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন , আওয়ামী লীগ মত প্রকাশের স্বাধীনতা এক সঙ্গে চলতে পারে না মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে সরকার অন্যদের হুঁশিয়ার করে দিয়েছে সরকারের ব্যর্থতা , দেশবিরোধী কোন চুক্তির বিপক্ষে লেখালেখি করলে মাহমুদুর রহমানের মতো কারাগারে যেতে হবে গতকাল সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরাম বাংলাদেশ আয়োজিত ' গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মাহমুদুর রহমান ' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি মন্তব্য করেন আলোচনা সভায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন , একটি রাষ্ট্রকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার প্রধান মাধ্যম হলো আইন আইনকে উল্টে - পাল্টে দিলে সবকিছু উল্টে - পাল্টে যাবে ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন আহমেদ সেলিমের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি অলিউল্লাহ নোমান আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে পেশাজীবী নেতা ইঞ্জিনিয়ার আনহ আক্তার হোসেন , ইঞ্জিনিয়ার এজেডএম সামসুদ্দিন খান , শিক্ষক নেতা . সদরুল আমিন , . ইউসুফ হায়দার , অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া , কবি আবদুল হাই শিকদার , সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী , মাহবুবুর রহমান , মোস্তাফিজুর রহমান মানিক রিয়াজুল ইসলাম রিজু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন ' রেসালাহ শিকড় ' - এর চুক্তিনামা হস্তান্তর ' বিশ্বস্ততার নতুন প্রতিশব্দ ' স্লোগান সামনে নিয়ে রেসালাহ প্রপার্টিজ এন্ড ডিজাইন টেকনোলজি লি . ' রেসালাহ শিকড় ' নামে একটি প্রজেক্ট , / , ৯৮ কলেজ রোড , পশ্চিমপাড়া , কালাচাঁদপুর , উত্তর বারিধারা , ঢাকাস্থ ১৫ কাঠা জমির ওপর ১০তলা বিল্ডিং নির্মাণের উদ্দেশ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করেন ল্যান্ড ওনার শিল্পপতি ইলিয়াছ জাকারিয়া জুয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিদারুল আলম মজুমদারের কাছে গৃহীত চুক্তিনামাটি হস্তান্তর করেন এতে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ডিরেক্টর ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হক , ডিরেক্টর ইঞ্জি . ইলিয়াছ চৌধুরী মহাব্যবস্থাপক মাহবুব - - সোবহানী , শিপন প্রমুখ উল্লেখ্য , ভবনটিতে প্রতি তলায় প্রায় ১৩৫০ বর্গফুট আয়তনবিশিষ্ট প্রতি ফ্লোরে ইউনিট করে মোট ৩৬টি ফ্ল্যাট ৩৬টি কার পার্কিং থাকবে প্রজেক্টটি হস্তান্তরের সম্ভাব্য সময় জুন , ২০১৪ সাল বিজ্ঞপ্তি এই আপডেট পাবো সেটা আশা করিনি ! অথবা আসলে এরকমই আপডেট পাওয়াটা স্বাভাবিক পদ্মা অয়েল কোম্পানি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম জ্বালানি তেলের কোম্পানি বন্দর শিল্প নগরী আশুগঞ্জেও রয়েছে এই কোম্পানির জ্বালানি তেলের ডিপো এই ডিপোতে কেরোসিন ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেল থাকলেও নেই শুধু পেট্রোল অকটেন পদ্মার এজেন্ট ডিলারগণ পেট্রোল অকটেন এই ডিপোর মাধ্যমে সরবরাহ করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে অনেক লেখালেখি হয়েছে কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী ৪০ বছরেও পেট্রোল অকটেন সরবরাহের কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি ফলে এজেন্ট ডিলারদের দারুণ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ঢাকা - সিলেট মহাসড়ক নবরূপে নির্মিত হওয়ার পরও আশুগঞ্জ - মেঘনা সেতু চালু হওয়ায় এই ডিপোর গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে দুই : যথাসম্ভব চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে অথবা চর্বি জাতীয় খাবার কম আহার করতে হবে পাশাপাশি সুষম খাবার যেমন , প্রচুর শাক - সবজি , প্রয়োজন মত মাছ - মাংস , ডিম প্রচুর ফল খেতে হবে এছাড়া প্রতিদিন - ১০ গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে পাশাপাশি কোন ধরণের ফাস্টফুড , তেলেভাজা খাবার সফট ড্রিংস খাওয়া চলবেনা দরোয়ান বিনোদিনীর চিঠি লইয়া বিহারীকে না পাইয়া চিঠি ফিরাইয়া লইয়া আসিল মহেন্দ্র তখন দেউড়ির সম্মুখে ছোটো বাগানটিতে বেড়াইতেছিল জিজ্ঞাসা করিল , " কাহার চিঠি " দরোয়ান সমস্ত বলিল মহেন্দ্র চিঠিখানি নিজে লইল [ লেখাটি লিখেছেন মাহবুব মোর্শেদ বিডি নিউজের সৌজন্যে পোস্ট করে দিলাম ] বঙ্গবন্ধু সরল মনে ওদের করেছিল ক্ষমা ক্ষমা পাওয়ার পর এখন ওরা হয়েছে একত্রে জমা সাজিদ বলেছেন : কম মানুষদের সাথেতো মিশলাম না আমারতো নিজেদেরকেই ( বাংলা বিহার উড়িষ্যা / সাবেক ভারত বর্ষ ) সবচেয়ে খারাপ মনে হয় . সতীত্ব প্রকল্প : যত যাই হোক , সতী নারীর পতি মরে না ! এই হচ্ছে সনাতন চিন্তাভাবনার আধুনিক রূপায়ন পরকীয়া আছে - আছে করেও নাই আর এমন হাস্যকর সতীপনা , বাবা কেন চাকর ধরনের বাণিজ্যিক ছবিতেও হয়ত এতো দেখা যায় না প্রজন্ম ফোরাম » তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি » সিডি রাইট চতুর্থটা হলো সুরা হুজুরাত আয়াত ১৩ [ হে মানব , আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি গোত্রে বিভক্ত করেছি , যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে - সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক পরহেযগার নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ , সবকিছুর খবর রাখেন ] ( ৪৯ : ১৩ ) দৈনিক কিশোরগঞ্জ ডেস্ক : বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার আশপাশের চারটি নদ - নদী হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসরণ না করায় পাঁচ সচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করা হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বিচারপতি মো . আশফাকুল ইসলাম বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেনের সমন ¦ য়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন পরিকল্পনাসচিব , নৌপরিবহনসচিব , যোগাযোগসচিব , অর্থসচিব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বিআইডব্লিউটিএয়ের চেয়ারম্যান , ভূমি জরিপ পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক , ঢাকা , গাজীপুর নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে রুল জারি করা হয়েছে এঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না , তা চার সপ্তাহের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে বুড়িগঙ্গা , শীতল্যা , বালু তুরাগ রায় হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশনা অনুসারে স্থায়ী - অস্থায়ী স্থাপনা অপসারণ করা হয়নিÑঅভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয় হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় গত রোববার একটি আবেদন করা হয় গত সোমবার দুপুরে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন হাইকোর্ট বিকেলে আদালত অবমাননার আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা হয়নি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপ অস্বারিত আদেশ প্রত্যাহারের আরজি জানান আদালত আজ আবেদনের বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য করেন উভয় পরে শুনানি নিয়ে আদালত গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রুল জারি করেন এর আগে শুনানিতে অংশ নিয়ে রাষ্ট্রপে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান বলেন , আদালত অবমাননার আবেদনে বিবাদীর নাম উল্লেখ করতে হয় েেত্র তা করা হয়নি ছাড়া চার নদী রায় হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছে তাই আবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয় এর বিরোধিতা করে আবেদনকারীদের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন , ' নাম উল্লেখ ছাড়াও আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়েছে তাতে আদালত রুলও জারি করেছে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলা হলেও আমি ধরনের আবেদনের বিষয়ে অবহিত নই ' দুই পরে শুনানি শেষে আদালত আদেশ দেন চার নদ - নদী রায় আদালতের নির্দেশনা চেয়ে মানবাধিকার পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবী ২০০৯ সালে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন রিটের ওপর চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২৫ জুন আদালত ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেন এতে চার নদীর মধ্যে অবস্থিত সব স্থায়ী - অস্থায়ী স্থাপনা ২০১০ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অপসারণ বা উচ্ছেদ করার নির্দেশনাসহ নদীতীরে সীমানা খুঁটি স্থাপন করতে বলা হয় তবে নির্দেশনা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রপ সময় আবেদন করলে গত বছরের অক্টোবর হাইকোর্ট চলতি বছরের ৩০ মে পর্যন্ত সময় দেন বেঁধে দেওয়া ওই সময়ের এক মাস পেরিয়ে গেলেও ওই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে জুন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাবরে আইনি নোটিশ পাঠানো হয় নোটিশে সাত দিনের মধ্যে আদালতের নির্দেশনা অনুসারে পদপে নিতে বলা হয় বলা হয় , নতুবা আদালত অবমাননার আবেদন করা হবে এরই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টে আবেদনটি করা হয় মাওলানা আবদুস সোবহান পাবনা আসনে বিএনপি - জামাত মনোনীত প্রার্থী ছিল আজ পরিবেশ অনেক মন খারাপ করা পরিবেশ বাহিরের ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে আবার বৃষ্টি থেকে যাচ্ছে্ আবার একটু পর বৃষ্টি . . কিছুক্ষন বারান্দায় বসে বৃষ্টি দেখছিলাম একটু দেখার পর আর ভাল লাগছিল না মনে হচ্ছিল কাউকে অনেক মিস করছি আসলে কি বৃষ্টি আমাদের নল্টালজি করে ফেলে হয়ত এটাই নিয়ম এই গানটা আজ বারবার শুনছি আর নল্টালজি হয়ে পড়ছি শুনে দেখুন গানটা রবীঠাকুরে বিখ্যাত একটা গান এখন মনে হয় , আমার শৈশব কৈশোর কেটেছে যে গ্রামে যে নদীর তীরে তা ভারী সুন্দর ! বাংলাদেশের আর দশটি গ্রামের মতই বৈচিত্রহীন একটা গ্রাম আর সে গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তারও চেয়ে বৈচিত্রহীন একটা নদী বাংলাদেশে নদীর কত সুন্দর সুন্দর নাম , মেঘনা , যমুনা , সুরমা , করতোয়া , রূপসা , তিস্তা , চিত্রা , শীতলক্ষ্যা , কুশিয়ারা , আরও কত কি ! এমন সুন্দর একটা নামের নদীর পাশের কোন একটা গ্রামে আমার জন্ম হয়নি যে গ্রামে জন্মেছি , তার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটির নাম শুনলে সবাই নাক কুঁচকায় - সেটার নাম মাথাভাঙ্গা আমরা ছোট বেলায় লিখতাম মাথাভাঙা , উচ্চারণও করতাম তাই - , এখনও কিন্তু কালে কালে আর সব কিছুর মতই মাথাভাঙা এখন হয়ে গেছে মাথাভাঙ্গা পোস্ট করা হয়েছে : বৃহঃ জুন ৩০ , ২০১১ : ৫৩ অপরাহ্ন পারভীন আফরোজা যখন একটা শিশু জন্ম নেয় তখন থেকে পরিবারের সবাই প্রথমে তার লিঙ্গ শনাক্ত করে অর্থাৎ শিশুটি নারী অথবা পুরুষ এটাই আগে দেখা হয় সে অনুযায়ী আত্মীয়স্বজন তার জন্য উপহার কিনে নিয়ে শিশুটিকে দেখতে আসে বিভিন্ন দেশে মেয়েদের জন্য গোলাপী রঙের বা রঙচঙা পোশাক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং ছেলেদের জন্য নীল রঙের বা একরঙা দ্রব্য ব্যবহার করা হয় ছোটবেলা থেকেই একটা শিশুর বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পরিবার থেকেই তার নারী - পুরুষের ভিন্ন দায়িত্ব কর্তব্য চাল - চলন বুঝিয়ে দেয়া হয় মেয়েদের হাতে খেলনা হিসেবে পুতুল দেয়া হয় , ছেলেদের খেলনা দেয়া হয় গাড়ি , বন্দুক বা ফুটবল কিছু কিছু শিশু আছে যাদের দুই পায়ের দুই কানের মাঝখানে ভিন্নতা দেখা যায় ওরা নারী বা পুরুষ কারো মতোই নয় এই ধরনের শিশু লিঙ্গ বৈকল্য , ট্রান্স জেন্ডার বা হিজড়া বলে হিজড়া কথাটার শাব্দিক অর্থ ওসঢ়ড় : বহপব - অর্থাৎ একজন অক্ষম ক্লীব , নপুংশক বা ধ্বজভঙ্গ বাংলাদেশ তথা বিভিন্ন দেশের হিজড়াদের মতে তারা জন্মগতভাবেই একাধারে স্ত্রী পুংলিঙ্গ সংবলিত ( বা উভয় লিঙ্গ ) প্রাণী তবে প্রতিটি লিঙ্গেই অস্পষ্ট অনির্দিষ্ট এদের ভেতর কেউ কেউ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে স্ত্রী অথবা পুরুষ রূপে আত্মপ্রকাশ করে এভাবে আমাদের দেশের অনেকেই স্ত্রী অথবা পুরুষ লিঙ্গ ধারণ করে বসবাস করছে বাংলাদেশের এমনকি পৃথিবীর বেশিরভাগ হিজড়াই তাদের এই অস্বাভাবিকতাকে ঢেকে বা লুকিয়ে রাখে এবং যে চেহারাটা বাইরে থেকে প্রকট দেখা যায় সেই লিঙ্গে আত্মপ্রকাশ করে বলে বাইরের মানুষ জানতে পারে না এই কারণেই আমাদের দেশে আসলে কতজন হিজড়া আছে সেটার সার্বিক তথ্য বের করা সম্ভব নয় যে সব ক্ষেত্রে এই বৈকল্য অন্তত প্রকট অর্থাৎ ঢেকে রাখার মতো নয় এবং বাইরে থেকে বোঝা যায় , কেবল সেক্ষেত্রেই মানুষ নিজেকে হিজড়া হিসেবে প্রকাশিত করে এবং পরিবার থেকে বের হয়ে যায় হিজড়াদের মধ্যে প্রায় সবাই তারা নিজেদের শরীরকে নিজেরাই ঘৃণা করে অনেকেই নিজেরাই নিজেদের অসহায় এবং ভিকটিম বলে মনে করে এদের মধ্যে অনেকেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয় অনেকে আবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে আজকাল বিভিন্ন দেশে শত শত পরিবার তাদের হিজড়া সন্তানদের ভালবাসা দিচ্ছে এবং তাদের দুর্বিষহ বেদনাময় জীবন থেকে বাঁচাতে চেষ্টা করছে শিশু বেলা থেকেই যখন ওদের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় তখন থেকেই ওরা কাপড় চোপড় পরে যৌনাঙ্গ ঢেকে রাখার চেষ্টা করে বাংলাদেশে বেশিরভাগ হিজড়ারাই সালোয়ার কামিজ বা শাড়ি পরে থাকতে পছন্দ করে এবং গহনাও পরে থাকে অনেকে পরচুলা ব্যবহার করে এবং আবার পুরুষের পোশাকও পরে ঘুরে বেড়ায় ওদের বেশিরভাগই মনে করে , হিজড়া হয়ে জন্ম নেয়াই একটা লজ্জার ব্যাপার লোকে তাদের আড়চোখে দেখে কটাক্ষ করে সব ক্ষেত্রে তারা সামাজিক রাষ্ট্রীয়ভাবে বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে তারা লেখাপড়া চাকরিসহ সমাজের বিভিন্ন সুযোগ - সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয় অনেক পরিবারে হিজড়া জন্মানোর পর মা - বাবা তাদের নিয়ে সমস্যায় পড়েন এবং ঘৃণা লজ্জার কারণে নিজের সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে থেকেই পাঠিয়ে দেন হিজড়াদের অনেকের কাছেই প্রশ্ন করে জানা গেছে যে তারা তাদের বাবা - মা সম্পর্কে কিছুই জানে না বাংলাদেশ তথা পৃথিবীর যে কোন দেশে হিজড়া হয়ে কেউ জন্মগ্রহণ করলেই তাকেই বড় এক ধরনের আর্থসামাজিক চাপ বা ধকলের মধ্যে জীবন - যাপন করত হয় তাদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং সাধারণ জনগণ দ্বারাও বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে কিরণ ( আসল নাম নয় ) ছোটবেলায় ছেলে শিশু হয়েই জন্মগ্রহণ করেছিল সে যখন ক্লাস সেভেনে ওঠে তখন তার শরীরের মধ্যে একটা অন্যরকম পরিবর্তন লক্ষ্য করে তার বুকটা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকলো এবং লিঙ্গের নিচে আরও এটি ছিদ্রের মতো তৈরি হয়ে গেল খুব হতাশায় ভুগছিল পরিবারের কারও সঙ্গেই যে বিষয়ে আলোচনা করতে পারছিল না কিরণ যখন এইটে ওঠে রীতিমতো তার বুক এত বেশি বড় হয়ে গেল যে টাইট কাপড়ে চ্যাপ্টা ব্যান্ড দিয়েও চেপে রাখতে পারছিল না একদিন তার মা বিষয়টি লক্ষ্য করে হতাশ হলেন বাবাকে জানানোর পর তাকে নিয়ে সবাই কি করবেন বুঝতে পারছিলেন না তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো তবে ততদিনে তার দাড়ি - গোঁফ সব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে ডাক্তার বললেন , তার যৌনাঙ্গ আরও একটু স্পষ্ট হলে তাকে স্ত্রী হিসেবে গড়ে তুলতে অস্ত্রোপচার করতে হবে তবে তার দাড়ি - গোঁফ কমিয়ে আনতে ডাক্তার হরমোন প্রেসক্রিপসন দিয়েছেন কিরণের বাবা - মা আর্থিক অবস্খা বেশি ভাল ছিল না বিধায় ছেলের চিকিৎসা করাতে পারেনরি ওকে নিয়ে সবার কাছে অপ্রস্তুত হতো বিধায় ঘর ছেড়ে হিজড়া সম্প্রদায়ের সঙ্গে বসবাস করতে শুরু করে কিরণ এখন এয়ারপোর্টের পথে যেতে হাতের বাঁয়ে রাত ৮টার পর রাস্তায় দাঁড়ায় এবং তার খদ্দের এলে তার যৌনতা বিক্রি করে খুশি করে কিছু পয়সা আয় করে জীবন - যাপন করে আমেরিকাতে জর্জ নামে একটি ছেলের জন্মের ১৫ মাস পর থেকেই শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেল এবং ধীরে ধীরে সে বালক থেকে বালিকা হয়ে গেল পরিবার থেকে সবাই তাকে বোঝাল যে , তার পুরুষাঙ্গটা সৃষ্টিকর্তার একটা ভুল ছিল তাই সে ভুলটাকে শুদ্ধ করে তাকে পুনরায় নারী বানিয়ে দিয়েছে এতে লজ্জা বা দু : পাওয়ার কিছু নেই জর্জের জন্য চিকিৎসা এমনকি অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল সে এখন নাম পাল্টেছে , পোশাক পাল্টেছে , এখন পুরোপুরি একজন নারী আমাদের দেশেও চিকিৎসার সুযোগ পেলে অনেকেই নারী বা পুরুষ হিসেবে জীবন - যাপন করতে পারত আমাদের দেশে একটা হিজড়া বলেছিল , ' আমি শার্টের নিচে ব্রা পরে স্কুলে গিয়েছিলাম বলে স্যার প্রচণ্ড মেরেছিল তারপর থেকে আর স্কুলেই যাই না ' হিন্দু ধর্মে হিজড়া সম্প্রদায়কে বিশেষ এক ধরনের কাস্ট হিসেবে ধরা হয় তামিলনাড়ুতে এপ্রিল - মে মাসের দিকে হিজড়ারা দিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসব পালন করে ভারতে এবং বিভিন্ন দেশে এদের লোভী বয় বলা হয় কোনকালেই কোন দেশেই হিজড়াদের কোন সম্মান কেউ দেয়নি বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির ১৫ ( ) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হিসেবেই স্পষ্ট বলছে ­ ' সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার অর্থাৎ বেকারত্ব , ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য , মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্খিতিজনিত আওত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার ' এছাড়াও মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা হলো : দাসত্ব হতে মুক্তির অধিকার , ভোটের অধিকার , মত প্রকাশের অধিকার , কাজের অধিকার , মানসম্মত জীবন - যাপনের অধিকার , আইনের আশ্রয় নির্যাতন থেকে মুক্তির অধিকার এবং বিবাহ পরিবার গঠনের অধিকার এরপর দাসত্ব করতে , বর্ণবৈষম্য রোধ করতে , নির্যাতন রোধ করতে , রাজনৈতিক নাগরিক অধিকার অর্জন করতে , নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ করতে এবং শিশুর অধিকার সুরক্ষায় একগুচ্ছ চুক্তি বা সনদ দরকার হয়েছে কয়েক বছর হয় সেলফ হেলপ গ্রুপ হিসেবে কিছু সংগঠনের আত্ম প্রকাশ ঘটেছে যারা হিজড়া সম্প্রদায়ের অধিকার তাদের জন্য বিশেষ আইনের কথা বলছে বাঁধন হিজড়া সংঘ তাদের মধ্যে অন্যতম বাঁধনের সদস্যরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন রয়েছে হিজড়াদের যৌনতা গতানুগতিক নয় এটা একটু ভিন্ন বলতে গেলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এরা এদের মতো জীবন - যাপন করে যা ইসলাম প্রধান দেশ হিসেবে জনগণ সহজে মেনে নেয় না এমন কি ব্রিটিশ শাসন আমলে হিজড়াদের বিতাড়িত করা হয়েছে এবং হিজড়াদের যৌনতার বিরুদ্ধে আইন করা হয়েছে ব্রিটিশ আইনে হিজড়াদের যৌনতাকে সডোমি হিসেবে চিহ্নিত করে এবং পেনালকোট ধারা ৩৭৭ তে বলা হয়েছে যে , এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ এই যদি আইন হয় তাহলে তারা কোথায় যাবে ওদের যৌনতার অধিকার এবং মানবাধিকার কে নিশ্চিত করবে যদি রাষ্ট্র না করে পরিবারে সম্মানের সঙ্গে বসবাসের অধিকার , চাকরির অধিকার , সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার এবং তাদের ভালবাসা পাওয়ার অধিকার আছে তারা কাজের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় বলে অনেকেই দোকানে দোকানে টাকা চাঁদা নিয়ে জীবন - যাপন করের আবার অনেকেই বাঁচার জন্য যৌন কাজের সঙ্গে লিপ্ত হয় তবে যদি ওদের কাজের সুযোগ দেয়া হয় তারা তাদের অনেকেই যৌন পেশা থেকে ফেরত আসবে বলেছে বর্তমানে রমনা পার্কে , কুড়িল বাড্ডা , পুরান ঢাকা , খিলগাঁও মার্কেটের পেছনে ভূঁইয়াপাড়াসহ অনেক এলাকাতেই হিজড়া সম্প্রদায়ের সংঘবদ্ধভাবে বসবাস এদের অনেকেই মানবেতর জীবন - যাপন করে বাঁধন হিজড়া সংঘের সদস্যবৃন্দ এইডস প্রতিরোধের কিছু প্রকল্পে কাজ করে তাদের জীবন - জীবিকা চালাচ্ছে তারা সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে [ লেখক : নির্বাহী পরিচালক , নারী উন্নয়ন শক্তি ] ওয়েব লিংক এমতাবস্থায় আমাদের এমনসব চলচ্চিত্র নাটক তৈরি উদ্ভাবন করা দরকার যা ইসলামের সৌন্দর্য্যকে যুক্তিগ্রাহ্যভাবে তুলে ধরবে , পাশাপাশি অনৈসলামিক আইন - বিধানের অযৌক্তিক , অমানবিক এবং অকল্যাণকর প্রত্যেকটা বিষয়কে বিশ্লেষণ করে মানুষের সামনে যৌক্তিভাবে প্রকাশ করবে আর সেই চলচ্চিত্র আর নাটক হবে অন্যান্য দেশের জন্য মডেল এই মডেল তৈরি করতে হবে নিজস্ব সৃজনশীলতা দিয়ে , অন্য কাউকে মডেল করে নয় মনে রাখা দরকার , ইসলাম স্বয়ং - সম্পূর্ণ ইসলামই সত্য - মিথ্যা , আলো - অন্ধকার , ন্যায় - অন্যায় , কল্যাণ - অকল্যাণকে পার্থক্য করে দেখিয়েছে শুধু এবং নাম সই করতে পারাটাই শিক্ষিত সমাজ গঠনের জন্য যথেষ্ঠ নয় বরং ইসলামী শিক্ষাই হলো মানবতার আসল এবং মূল শিক্ষা আর আদর্শিক চলচ্চিত্র নাটক জনগণকে সংস্কৃতিপ্রবণ করে তুলবে ইসলামী মৌলিক শিক্ষাকে তাদের অন্তর্রাজ্যে স্থায়ী প্রতিষ্ঠা দান করবে প্রসঙ্গক্রমে আরো একটি কথা মনে দরকার মুমিন ব্যক্তির আনন্দ এবং অমুমিন ব্যক্তির আনন্দ একই বিষয়বস্তু থেকে আসে না ১০ . বিল গেটস বর্তমানে বিল গেট্স বিশ্বখ্যাত মাইক্রোসফ্ট কোম্পানির কো - চেয়ারম্যান ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত একটানা তিনি বিশ্বের নম্বর ধনীর আসনে আসীন ছিলেন ২০০৮ - হন ৩য় ২০০৯ সালে আবার প্রথম স্থান দখল করেন তার সঞ্চিত অর্থের সিংহভাগ দান করে দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি আর বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি নেই , কারণ সম্পদের প্রায় ৩০ শতাংশ তিনি ইতিমধ্যে দাতব্য সংস্থায় দান করে দিয়েছেন আর এই কারণেই বিশ্বে তার অবস্থান আরো সমুন্নত হয়েছে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি ৫৪ বিলিয়ন ডলারের মালিক বৃত্তের বাইরে বলেছেন : আমাদের করুনার এতই বেশী যে এখন আমাদের ঘাড়ের উপর বসে ছড়ি ঘুড়াচ্ছে এই সব ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চারা ! অনেক গড়িমসির পর নির্বাচন যে হচ্ছে , তা - আমাদের আশাবাদী করে তুলছে কারণ নির্বাচনের মাধ্যমে অনেক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে মানুষ যেখানে , সমস্যাও সেখানে এবং সেগুলোর সমাধানও হওয়া আবশ্যক মানুষের দোরগোড়ার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে , তাই গ্রামীণ স্থানীয় সরকারব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের গুরুত্ব অপরিসীম কারণ , ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের নেতৃত্বেই জনগণের অধিকাংশ সমস্যা সমাধানের পথ সুগম হতে পারে Read the rest of this entry » দিনগুলা কেমন যেন ইদানীং হুড়মুড় কইরা কাইটা যাইতেছে ২০১১ সাল আসলো আর দৌঁড়াইয়া দৌঁড়াইয়া একমাস শেষ হইয়া আরেকমাস অর্ধেকটা পার হবার মুখে শীত আসলো কাঁথা - কম্বল পরলাম কি পরলাম না নতুন শালগুলো ম্যাচিং কইরা পরমু সেই ফুসরত না দিয়া মেয়ের নতুন জ্যাকেটা টা জুত মতো না পরাইতে দিয়া শীত কোন ফাঁকে চইলা গেল আজকে সকালে বাইর হৈছি দেখি কটকটা রোদ এই রোদটা মিষ্টি না এইটারে বলা যায় শাসন করা রোদ , মানে রোদ কইতেছে আমার সাম্রাজ্যে আছস যখন যেমন ইচ্ছা তেমন রোদ দিমু - আগামী কাল মাঘ মাস শেষ হইয়া যাইতেছে , আজকেই এমন অবস্থা তার মানে মাঘের পরে কড়া শাসনের রোদ আসেতেছে এরকম রোদে চট করে যেইটা হয় মাথা ধইরা যায় আমার তাই হইলো বাইরে থেকে গেরস্থালি কিছু কাজ সাইর‌্যা বাসায় আইসা যা করলাম , সোজা রান্না ঘরে বুয়া লাল করে ইলিশ মাছ রানছে , মাছ টা পদ্মার - ভাতের সাথে ইলিশ মাছ চেটেপুটে খেয়ে আমার মাথা ব্যথা পুরাই চলে গেল খাওনের সাথে মাথা ব্যথা তাছাড়া , কাশ্মীর সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা ( এলওসি ) বরাবর বাণিজ্য ভ্রমণ বাড়ানোর জন্য বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বৈঠক করতেও দুই পররাষ্ট্রসচিব রাজি হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে বিবৃতিতে আপনি যেই গতিতে লিখছে তাতে মনেহয় খুব তারা - তারি হয়ে যাবে কম্পিউটিং এর যুগে প্রথম ডুয়েল কোর ডেস্কটপ প্রসেসর নিয়ে আসার কৃতিত্ব এএমডি ' ২০০৫ সালে তারা প্রথম বাজারে আনে ' অ্যাথলন ৬৪ এক্স২ ' মডেলের ডুয়েল কোর প্রসেসর একাধিক সিপিইড সমর্থিত প্রযুক্তি অ্যাথলন ৬৪ এর উপর ভিত্তি করে এএমডি এটি তৈরি করে এর প্রতিটি কোরে ছিলো ৫১২ কিলোবাইট থেকে ১০২৮ কিলোবাইট লেভেল ক্যাশ মেমোরি প্রথম প্রজন্মের এই ডুয়েল কোর প্রসেসরের গতি ছিলো . গিগাহার্জ এবং হাইপার ট্রান্সপোর্ট এর গতি গিগাহার্জ ৯০ ন্যানোমিটার থেকে ৬৫ ন্যানোমিটার ডাই প্রযুক্তির প্রসেসর এসএসই৩ ইন্সট্রাকশন সেট ডিকোডিং সক্ষম ছিলো কে৮ মাইক্রোআর্কিটেকচার ডিজাইন করা এই প্রসেসর ৯৩৯ সকেট ব্যবহার করা হয় প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত এই মেলা আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে ডিজিটাল দুষ্ট ছেলে বলেছেন : আহেম আহেম ) মেইলে একখান ডুকুমেন্টু আছে চেকানতো দেখি বিনোদিনী দুই চক্ষু নত করিয়া কহিল , " আপনারা সকলেই আমাকে থাকিবার জন্য অনুরোধ করিতেছেন - আপনাদের কথা এড়াইয়া যাওয়া আমার পক্ষে কঠিন - কিন্তু আপনারা বড়ো অন্যায় করিতেছেন " গাজীপুর , ১০ জুলাই : ইটিপি বন্ধ রেখে দূষিত তরল বর্জ্য ড্রেন খাল দিয়ে তুরাগ নদীর পরিবেশ দূষণের দায়ে গাজীপুরে এক কারখানাকে রোববার ১৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট টিম গাজীপুর সদর উপজেলার কাশিমপুরের কটন ক্লাব ( বিডি ) লি . . . . বিস্তারিত » মেঘলা আকাশ এবং বিষন্ন মন বলেছেন : এখনো ব্যান খাইনাই দেখি ওরা কতদুর কি করে লিখেছেন উন্মাতাল তারুণ্য » বুধ জুলাই ১৫ , ২০০৯ : ১৮ পূর্বাহ্ন লাক্স তারকা ইশানার বড় পর্দায় সম্পৃক্ততা ঘটতে যাচ্ছে লাক্স - চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হওয়ার পর সুন্দরী ছোটপর্দায় নিয়মিত অভিনয় না করলেও বড়পর্দায় জমকালোভাবে হাজির হচ্ছেন তার অভিনয় করতে যাওয়া ছবির নাম ' শেষ নায়ক ' ছবিটি পরিচালনা করবেন অনিকেত আলাম ছবির প্রস্তুতি নিয়ে ইশানা বলেন , ছবির পূর্ব প্রস্তুতির কাজ এখন চলছে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ছবিটি শুরু হবে ছবিতে আমার বিপরীতে অভিনয় করবেন কাশ্মীরের এক নায়ক তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত নয় তাই নায়কের নামটি এখনই বলা যাচ্ছে না ছবিতে তার চরিত্রটি সম্পর্কে ইশানা বলেন , আমার চরিত্রটি নিয়ে পরিচালক বিস্তারিত বলেননি সংক্ষেপে বলা যায় ছবিতে আমি একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সাধারণ মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করবো আমার সঙ্গে প্রেম হয় একটি ছেলের ছবিটি দারুণ রোমান্টিক হবে এটা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন - অনুভূতি কেমন প্রসঙ্গে ইশানা বলেন , আসলে আমি ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম ছবিতে অভিনয় করবো আমার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে ভাল লাগছে এজন্য ) একই লেখা আপনি আরো অনেক ব্লগে পোস্ট করলে একই মন্তব্য তো সেইসব ব্লগেই পাবেন এতে দোষের কিছু আছে কি ? এটি নিরেট একটি মাসিক সাহিত্য মাগাজিন ' ' শিল্পের জন্য শিল্প ' ' এবং ' ' জীবনের জন্য শিল্প ' ' দুটোকেই এখানে প্রাধান্য দেয়া হবে রাজনীতিবিবর্জিত সৃজনশীল সবধরনের শিল্পসম্মত রুচিশীল লেখাই এখানে স্থান পাবে দলমতনির্বিবিশেষে সব লেখকের মিনি গল্প , ধারাবাহিক উপন্যাস , কল্পকাহিনী , ছড়া - কবিতা , লিমেরিক , রম্যরচনা , অনুবাদ ইত্যাদি এবং লেখার গঠনমূলক সমালোচনাও সাদরে গৃহীত হবে তবে ওয়েব ম্যাগাজিন বিধায় মিনি সাইজের শৈ ফারুক হোসেন : হ্যাঁ কিন্তু বাংলাদেশের শিশুরা শুধুমাত্র এক দিকে চলে যাচ্ছে সদর দপ্তর নিউইয়র্কে হলেও জাতিসংঘের অন্য বেশ কিছু অঙ্গ সংগঠনের প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যাণ্ডের জেনেভা , নেদারল্যাণ্ডের দি হেগ , অষ্ট্রিয়ার ভিয়েনা , কানাডার মন্ট্রিয়ল , ডেনমার্কের কোপেনহাগেন , জার্মানীর বন অন্যত্র অবস্থিত . কেউ বলতে পারেন : মিয়া টেকি ব্যক্তি না হয়েও নিজে করো ভাল কথা , আমাদের কানের কাছে ভ্যাজর ভ্যাজর কর কেনো ? এটার উত্তরের কয়েকটা দিক / ডাইমেনশন আছে : বেশি কিছুদিন যাবত অভ্র এবং পাইরেসী নিয়ে অনেক হৈ চৈ হচ্ছে চারপাশে মোস্তফা জব্বার সাহেবের ভাষ্যমতে অভ্রের ইউনিবিজয় লে - আউট তার বিজয়ের পাইরেটেড কপি , অভ্র তার কোড চুরি করেছে , পেটেন্ট ভঙ্গ করেছে ইত্যাদি ইত্যাদি তার এই অভিযোগের বিরুদ্ধে সবাই মিলে কম যুক্তিও দেখায়নি পেটেন্ট কোথায় কার্যকর , ঠিক কি কি করলে তাকে পাইরেটেড বলা হয় , অনেক বিষয়েই আমার চেয়ে জ্ঞানীগুনীগন অনেক বক্তব্য রেখেছেন তাই অভ্র পাইর স্পেন টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই শিরোপার দৌঁড়ে এগিয়ে ছিল এটার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের সাইডবারে একটি নতুন উইজেট আসবে সেটাতে নিয়মিত ইংরেজী তারিখ দেখাবে যদিও আমি চেয়েছিলাম সেখানে তারিখের সাথে বর্তমান সময়টাও দেখাতে , কিন্তু তা করা সম্ভব হলো না কিছু ভেজালের জন্য এর মধ্যে অন্যতম হলো টাইমজোন মূলত এটাই সমস্যার প্রধান কারন এখানে টাইমজোন ঠিক করাতে সমস্যা হচ্ছে আমি এটা নিয়ে গবেষনা করছি ইনশাল্লাহ পরবর্তীতে WP DATE AND TIME PLUGIN নামের আরেকটি প্লাগইন রিলিজ দেব যেটার মধ্যে বর্তমান সময়টাও দেখাবে দ্বিপ বলেছেন : সেইটাই সাবটাইটেল দেখতে গেলে সিন মিস হয়ে যায় কোরিয়ান কান্নার আওয়াজটা একেবারে বিচ্ছিরি মেয়েরা কাদলে মনে হয় এডাল্ট ফিল্ম দেখছি আপুতো একবার চেক করে গেছে আমি কি দেখি ১৯৫৫সাল বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস ক্ষেএটি আবিষ্কৃত হয় পথের প্যাঁচালি প্রথম পদর্শিত হয় ( সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ) বিজ্ঞানী আইনষ্টাইন মারা যান চট্রগ্রামে বন গবেষনা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুক ( এক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নাম ) প্রতি বছর বার্ষিকী হিসাবে সারা পৃ্থিবীর শ্রেষ্ঠ সংবাদ সংকলন প্রকাশ করে আসছে ধানমন্ডি এলাকাটিকে একটি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হয় বুলবুল ললিতা কলা একাডেমী ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় ডিজনি ল্যান্ড এর উদ্বোধন করা হয় তারপর add থেকে নতুন কানেকশন নিয়ে সেটার IPV4 এর ভেতরে আপনার তথ্যগুলো টাইপ করতে হবে যোদ্ধাবাজ্‌ বলেছেন : চে গুয়েভারা # নেন ভাই যেটা খুশি , দেখেন কিছু করা যায় কিনা ! ! ! দেশে ইসলামবিরোধী কোন কাজ হলে , বিশেষ করে সরকার কোন ইসলামবিরোধী পদক্ষেপ নিলে আমাদের উলামা মাশায়েখগণ ইসলামী দলগুলো এর বিরুদ্ধে আন্দোলন - বিক্ষোভ করে ধর্মের অবমাননা রোধে ধরণের প্রতিবাদ তারা করতেই পারেন , এতে কোন সন্দেহ নেই তবে তাদের এসব কার্যক্রম যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রি - অ্যাকটিভ বা প্রতিক্রিয়াবাচক , তাও অস্বীকার করা যায় না এর মানে হচ্ছে , সরকার [ . . . ] ' ক্রোধ দিবস ' যতই নিকটবর্তী হচ্ছে সৌদি আরব সরকারের ভীতি উদ্বিগ্নতা ততই তীব্রতর হচ্ছে সৌদি সরকার এদেশের জনগণের সরকার বিরোধী ক্ষোভ সম্পর্কে ভালভাবেই ওয়াকিবহাল পাশাপাশি তিউনিশিয়া , মিসর বাহরাইনের গণ আন্দোলনকেও তারা প্রত্যক্ষ করেছে এমতাবস্থায় তারা তাদের সর্বশক্তি নিয়োগ পূর্বক গণ আন্দোলনের রুখতে চাইছে কিন্তু তারা কি গণ বিপ্লব রুখতে সক্ষম হবে ? ! জনমনে প্রশ্নটি এখন তীব্রভাবে দেখা দিয়েছে মানচু ভাইয়া , আপনাকে আমার ব্লগে দেখে খুবই ভাল লাগছে আমি তো বিশ্বাসই করতে পারছিনা যে আপনি আমার ব্লগে আপনার তৈরী ওয়াডর্প্রেসের প্লাগিন অন্যন্য অনেক টিপস আমাদের খুবই উপকারে এসেছে লেখক বলেছেন : আশা করছি আপনার ভুমিকা শুধু পাঠক হিসাবে থাকবে না যদি আপনি ১ম টা মিস করে থাকেন তাহলে এখানে ক্লিক করুন আজ থেকে শুরু ধাঁধা পর্ব : পর্ব প্রথম ধাধা : আর যোগ করলে কখন হয় ? দ্বিতীয় ধাধা : . . . লেখক বলেছেন : যাক , আপনার আসল রুপ তাহলে বের হয়ে আসলো আভাটার নিয়ে স্লাভোজ - এর কৌতূহলোদ্দীপক অভিমত , পড়া যেতে পারে এই লিংক থেকে ফ্রি সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে হলে আপনার উইন্ডোজ লাইভ আইডি ( হটমেইল , মেসেঞ্জার বা এক্সবক্স লাইভ একাউন্ট ) থাকতে হবে সেইসাথে উইন্ডোজ , এন্ড্রয়েন্ড বা ব্ল্যাকবেরী সিষ্টেমের মোবাইল হলে তো কথাই নেই তবে সিনক্রোনাইজ সুবিধা রয়েছে - এমন যে কোন ফোনে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যাবে সামগ্রিক বিচারে ম্যাকবুক প্রো , w700 এর ধারের কাছেও আসতে পারবে না . . . কিন্তু দামের কথা বিবেচনায় আনলে এটা অবশ্যই কাউকে সাজেষ্ট করার মত ল্যাপটপ না বরং ম্যাকবুক প্রো অনেক ভাল সেটা তো আমার হাসি দেখেই বোঝতে পারার কথা আমি মনে করিনা যে ব্যাক্তি বাংলাদেশে বসে লাখ টাকা দিয়ে ল্যাপটপ কেনার সামর্থ রাখে সে আমারদের প্রজন্ম ফোরামে এসে সাজেশন চাইবে ফ্ল্যাট বিক্রয় : আধুনিক সকল সুবিধা লোন ব্যবস্থাসহ রায়েরবাজার ৪০০০ / - মোহাম্মদপুর ৩৭০০ / - উত্তরখান ৩২০০ / - মিরপুর . ১০ শেওড়াপাড়া কাজীপাড়াতে মাত্র ৩৫০০ / - আঞ্জুম প্রপার্টিজ লিঃ , ০১৯১৯৫৬৪৬৩৩ , ০১৭১২১৪৬৪০৭ সি - ১৫৭৭২ ফোরামের বটগাছ আছে নাকি ? ওটা আমাদের গ্রামের বট , অইটার নিচে গিয়া একসময় অনেকেরে নাকি জ্বিনে ধরছে , অনেক কিসসা আছে . . : D তবে সময় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি ধারণা করা হচ্ছে , অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা আইন - শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কোনও এক সময় অস্ত্রগুলো পরিত্যক্ত জুমঘরে ফেলে রেখে যায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ধরতে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে সূত্রে জানা যায় 1861 সালে টমাস থর্টন স্কয়ারকে লিখিত এক পত্রে ডারউইন স্পষ্ট ভাষায় স্বীকার করেছেন যে তিনি বিবর্তনবাদের ব্যাখ্যায় সত্যিই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন এবং একথাও বলেছেন - " তবে , আমি ন্যাচারাল সিলেকশন তত্ত্বে বিশ্বাসী যদিও এই তত্ত্ব অনুযায়ী কোন প্রজাতি এযাবত পরিবর্তিত হয়ে অন্য আরেকটি প্রজাতিতে পরিবর্তিত হয়েছে - এমন একটি প্রমানও আমি দেখাতে পারবো না , তথাপি আমি তত্ত্বে বিশ্বাস করি আমার এই বিশ্বাসের কারন এই যে , এই তত্ত্ব দ্বারা সহজেই প্রাণী জগতের শ্রেণী বিভক্তি , ভ্রুনতত্ত , অংগসংস্থান , ভূতাত্তি্বক পরমপরা বন্টন ইত্যাদি নানা বিষয় ঘটনার চমৎকার ব্যাখ্যা সম্ভব " - ডারউনের এই পত্রের মূল কপি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে আগে লসে ছিল না তা কে বলল আপনাকে ? ভাড়া বাড়ানোর পরেই ১০ দিনে ১০ কোটি টাকা লস করেছে বিমান , সেটা মনে হয় আপনি শুনেননি মজার ব্যাপার হলো গত রাজনৈতিক সরকারের সময়ও বিমান কোটি টাকা লসে ছিল আর এই রাজনৈতিক সরকারের বছরও বিমান কোটি টাকা লসে কিন্তু কেয়ারটেকার সরকারের সময় লাগাতার বছর বিমান লাভ করে , তাও আবার টাকা টাকা নয় একেবারে কোটি টাকার উপরে বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী , শ্রীমঙ্গল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হাইল হাওর এখন হাজারো পাখির কলতানে মুখর শীতের আগমনে হাওরের বিভিন্ন বিলে দেশীয় পাখির সঙ্গে যোগ দিয়েছে অতিথি পাখি হাইল হাওরের বিভিন্ন বিল ঘুরে হাওরের জলরাশির বুকে কিংবা কচুরিপানাসহ বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদ , লতাগুল্মের আড়ালে ঝাঁকে ঝাঁকে দেশি - বিদেশি পাখি দেখা গেছে তবে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে ' বাইক্কা বিল অভয়াশ্রমে ' বন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এবং ইউএসএইডের তত্ত্বাবধানে গঠিত সমন্বিত সংরক্ষিত এলাকা সহব্যবস্থাপনা প্রকল্প ( ইন্টিগ্রেটেড প্রটেকটেড এরিয়া কো - ম্যানেজমেন্ট আইপ্যাক ) সুত্রে জানা গেছে , কয়েক বছর ধরে বাইক্কা বিলে পাখি শিকারিদের উপদ্রব না থাকায় এবং জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ায় বিলে দেশীয় পাখিরা স্থায়ী আবাস গড়ে তুলেছে আইপ্যাকের কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম জাহাঙ্গীর বলেন , ' সদ্যসমাপ্ত মাচ্ প্রকল্পের ( ম্যানেজম্যান্ট অব অ্যাকুয়াটিক ইকোসিস্টেম থ্রু কমিউনিটি হাজবেন্ডারি ) নজরদারির ফলে হাইল হাওরের বাইক্কা বিলে পাখি শিকারিদের অপতৎপরতা বন্ধ হয়েছে কারণে ওই বিলে দেশি পাখিরা স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছে বিলে অতিথি পাখির আগমনও বেড়ে চলেছে হাওরে এখন যেসব পাখি দেখা যাচ্ছে এর মধ্যে রয়েছে মেটো রাজহাঁস , গিরিয়া হাঁস ল্যাঞ্জা হাঁস , মরচেরং ভুতিহাঁস , পাতি সরালি রাজ সরালি ছাড়া দেশীয় পাখির মধ্যে রয়েছে পানকৌড়ি , কানিবক , ধলাবক , গোবক , ধুপনিবক , রাঙ্গাবক , দলপিপি , নেউপিপি , বেগুনিকালেম , কালামাথা কাস্তেচরা , বালিহাঁস , পলাসী কুড়া ইগল শঙ্খচিল হাওরপারের বাসিন্দারা জানায় , নভেম্বরের শুরু থেকেই হাইল হাওরে দেশীয় পাখির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে এদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে অতিথি পাখি হাওরে পাখির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিকারিদের তৎপরতাও বেড়েছে শিকারিরা রাতের আঁধারে হাওরের বিভিন্ন বিলে জালের ফাঁদ পেতে রাখে ভোরে ফাঁদে আটকানো পাখিগুলো এসে নিয়ে যায় এসব পাখি মৌলভীবাজার জেলা সদরের পাড়া - মহল্লায় ফেরি করে এবং সিলেটের বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করা হয় বাইক্কা বিলের প্রহরী আলাই মিয়া আদর উদ্দিন শিকারিদের তৎপরতা প্রসঙ্গে বলেন , শিকারিরা মাঝেমধ্যে বাইক্কা বিলেও ফাঁদ পাতার চেষ্টা করে রাতে নৌকা নিয়ে তাদের ধাওয়া করতে হয় বছর শিকারির তৎপরতাও বেশি শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি ) মো . সহিদ উল্ল্যাহ্ বলেন , সংবাদ পেলে পুলিশ শিকারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় গত ১৩ ডিসেম্বর হাওরের উত্তর উত্তসুর অংশে শিকারিদের পাতা ৫৭টি জাল পুলিশ জব্দ করে পুড়িয়েছে প্রথম আলো , জানুয়ারি , ২০০৮ এই আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দায়ী পুলিশের শাস্তি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন তিনি পুলিশের ওই হামলায় বিরোধীদলের সংসদ সদস্য আসিফা আশরাফি পাপিয়া , শাম্মি আকতার , রাশেদা বেগম হীরা মারাত্মক জখম হয়েছেন তিনি বলেন , পুলিশের এই আক্রমণ দেখে মনে হয় আমরা মধ্যযুগীয় বর্বরতায় ফিরে গেছি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হয়তো ভুলে গেছেন , গতবার তারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন আমাদের বর্তমান কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে রাজপথে ফেলে পেটানো হয়েছিল পরিবারের পুরুষ সদস্যরা যেন এই ওয়াজিব পালনে আগ্রহী হোন , সেজন্য নারীদেরকে এগিয়ে আসতে হবে আসুন আমরা যে যার পিতা , ভাই , স্বামী , ভাগ্নে - ভাতিজাকে উৎসাহ দেই দাড়ি রাখার জন্য দাড়ি রাখলে মানুষ হাসবে , মৌলবাদি বলবে , অজ্ঞ মানুষদের এই উপহাসের ভয় আপনাকে যেন ওয়াজিব পালনে বিরত না রাখে , আমীন অজিত বলেছেন : বর্নমালায় স্বাগতম আপনার মত বর্নমালায় অনেক প্রবাসী ব্লগার আছেন Continue reading about ছত্রাক বদলে দিচ্ছে জীবজগতের শ্রেণীবিন্যাস ঘটনাটা পুরো আদনানকে নিয়েই আদনান মানে সেই ছেলেটা তার সাহিত্য রচনার প্রবল রোগ কিংবা ঝোক আছে , কিন্তু আরও আছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবার প্রবনতা এরপরেও যদি কেউ তাকে চিনতে না পারেন তাহলে দুঃখিত , হয়তো আপনাদের না বলে অন্য কাউকে তার গল্প বলেছিলাম যদিও আদনানকে নিয়ে যা বলতে চাইছি তা বুঝার জন্য অতীতের গল্প না জানলেও চলবে আদনান আদনানই , প্রতি গল্পে সেই একই রকম নিত্য , মানসিকতায় শ্রেষ্ঠ ভাবার ভাবালুতায় আক্রান্ত সজল জানান , বিমানবন্দর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে তার বাবাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে চেক করলাম ৯৯ % এর পর একটু ডাউনলোড হয়েছে কিন্তু এবার চালুই হচ্ছে না এরর দেখাচ্ছে ! ঢাকা , ১১ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডেস্ক ) : পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের অদূরে আজ সোমবার সেনাবাহিনীর একটি অস্ত্র গুদামে কমপক্ষে তিনটি বিস্ফোরণ ঘটেছে বিস্ফোরণগুলো এমন এক সুরক্ষিত স্পর্শকাতর জায়গায় ঘটেছে যেখান থেকে পাকিস্তানের পরমাণু স্থাপনা . . . . বিস্তারিত পড়ুন » বি : দ্র : আমি মুলত থিসিস . ডেভলপার ভার্সন নিয়ে লিখছি , আপনারা কিনতে না পারেন শিখে রাখতে দোষকি প্রশ্ন ( ২৭ / ৩৪৭ ) : হিংসা মানুষের সৎকর্মকে খেয়ে ফেলে , যেমন আগুন কাঠ খেয়ে ফেলে হাদীছের সারমর্ম কী ? - আহমাদ নবাব জায়গীর , নবাবগঞ্জ উত্তর : মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ ( আবুদাঊদ হা / ৪৯০৩ ) তবে হিংসা করা একটি জঘন্যতম অপরাধ এই অভ্যাস শরী ' আতের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণিত ( মুত্তাফাক্ব আলাইহ , মিশকাত হা / ৫০২৮ ) বিষয়ে বহু হাদীছ বর্ণিত হয়েছে চেম্বার পপুলার কনসালটেশন সেন্টার বাড়ী নং - ১৩ , রোড নং - , ধানমন্ডি ঢাকা , বাংলাদেশ ফোন : ৯৬৬৯৪৮০ , ৯৬৬১৪৯১ - Posted on রবিবার , আগস্ট , ২০০৯ by ভাঙ্গা পেন্সিল তবে আপিন কখনও নেত্রী হলে - এই সংজ্ঞাটা মনে রাখার চেষ্টা করবেন , তাহলে সুবিধা বঞ্চিত মানুষ , তাদের রাষ্দ্রীয় সুবিধাগুলো ভোগ করবে কথায় বলে - যে সরিষা দিয়ে ভূত তারায় , সেই সরিষায় ভুত ! ! আশাকরি বীপ মিডিয়া প্লেয়ার সবার গান শোনার চাহিদা মেটাবে নিউজডেস্ক , বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম ; অ্যাশেজ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম দিনেই চাপের মুখে পড়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ইংলিশ বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ২৪৫ রানেই গুটিয়ে গেছে তাদের প্রথম ইনিংস জেমস অ্যান্ডারসন নিয়েছেন চার উইকেট জবাবে প্রথম দিনের খেলা শেষে কোন উইকেট না হারিয়ে রান তুলেছে ইংল্যান্ড টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে অস্ট্রেলিয়া জনসনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে দুর্ভাগ্যবশত রান আউট হয়ে বিদায় নেন ওপেনার সাইমন ক্যাটিচ অ্যান্ডারসনের পরের বলেই গ্রায়েম সোয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান অধিনায়ক রিকি পন্টিং অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ডে তখনো কোনো রানই যোগ হয়নি পরের ওভারে আবার আঘাত হানেন অ্যান্ডারসন মাইকেল ক্লার্ককে ফিরিয়ে দিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে খাদের মুখে ফেলে দেন ডান হাতি ফাস্ট বোলার চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৯৪ রান যোগ করে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন শেন ওয়াটসন আর মাইকেল হাসি কিন্তু আবারও অস্ট্রেলিয়ার বিভীষিকা হিসেবে আবির্ভূত হন অ্যান্ডারসন ৫১ রান করা ওয়াটসনকে সাজঘরে পাঠিয়ে আবার ম্যাচে ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি এবার মার্কাস নর্থকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন হাসি কিন্তু খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি নর্থ ২৬ রান করে স্টিভেন ফিনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেছেন সাজঘরে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ তখন পাঁচ উইকেটে ১৫৬ প্রথম টেস্টের মতো আবারও ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে মাইক হাসি আর ব্রাড হাডিন আবারও অস্ট্রেলিয়ার হাল ধরবেন এমনটাই আশা করেছিলেন অনেক অস্ট্রেলীয় সমর্থক ব্রিসবেন টেস্টের প্রথম ইনিংসের মতো ৩০৭ রান যোগ করে অস্ট্রেলিয়াকে ভালো অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন দুই ব্যাটসম্যান কিন্তু এবার জুটি যোগ করতে পেরেছেন মাত্র ৫১ রান ক্যারিয়ারের ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে মাত্র সাত রান দূরে থাকার সময় গ্রায়েম সোয়ানের বলে কলিংউডের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান হাসি এরপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই একে একে বিদায় নেন হ্যারিস , ডোহার্টি আর সিডল ৫৬ রান করে একাই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চেয়েছেন ব্রাড হাডিন কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি স্টুয়ার্ট ব্রডের শিকারে পরিণত হলে ২৪৫ রানেই শেষ হয় অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস বাংলাদেশনিউজ২৪xx৭ . কম / এমএ / এসএকে . আবহাওয়া কায়রো শহর তার সংলগ্ন অঞ্চলের আবহাওয়া সাধারণত মরুভূমি এলাকার মতো তবে নীল নদ উপত্যকার একাংশ হওয়ার দরুণ বছরের কয়েক সময় এখানে আদ্রর্তা বৃদ্ধি পায় মার্চ - এপ্রিল মাসে , গ্রীষ্মের গোড়ার দিকে ধুলোর ঝড় বয় এই অঞ্চলে এই সময় বেড়াতে এলে শরীর আপাদমস্তক ঢেকে বেরোতে হবে সারা গরমকালেই তাপমাত্রা বাড়ে হু - হু করে ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড অবধি তবে রাতে তা নেমে যায় প্রায় ২০ ডিগ্রির কাছাকাছি শীতকালে তাপমান দিনের বেলায় বেড়ে যায় ১৫ ডিগ্রি সেিন্টগ্রেড আর রাতে তা নামে ডিগ্রির কাছাকাছি কায়রো শহর তার আশেপাশে বৃিষ্টপাতের হার খুব বেশি নয় আবার মাঝেমধ্যে হঠাৎ বৃিষ্ট হওয়াও বিচিত্র নয় ১১৫ বার পঠিত | টি মন্তব্য | রেটিং + / - | বাকিটুকু পড়ুন | প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আরও উপদেষ্টা আছেন আছেন সাবেক আমলা এইচ টি ইমাম , . মশিয়ুর রহমান , মেজর জেনারেল ( অব . ) তারেক সিদ্দিকি , ডা . মোদাচ্ছের আলী , . আলাউদ্দিন আহমদ তা ছাড়া সাবেক প্রধান উপদেষ্টা . ফখরুদ্দীন আহমদের যেমন . তামিম ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর রয়েছেন তেমনি এক . তৌফিক - - এলাহীঁ এরপর বোধকরি বলার আর অপেক্ষা রাখে না , বাংলাদেশের তেল - গ্যাস - সমুদ্র বন্দর নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে - এজেন্ডা ছিল , বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সেটা থেকেও পিছপা হবে না , বরং এগিয়ে যাবে ফখরুদ্দীনের ওই ঝাণ্ডা হাতে ডা : আছিয়া খানম এমবিবিএস , এমডি ( নেফ্রোলজী ) কিডনী বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক , নেফ্রোলজী বিভাগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয় ( পিজি হাসপাতাল ) , ঢাকা নব্বইযে়র গণঅভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার সূচনালগ্নে এদেশের জনসাধারণ অনেক স্বপ্ন দেখেছিলো কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে , সার - বিদ্যুৎ - ডিজেলের মূল্য হাতের নাগালে থাকবে , শ্রমিকসহ সাধারণ খেটে খাওযা় মানুষ শ্রমের ন্যায্য মূল্য পাবে , শিক্ষা চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত হবে , শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান হবে , স্বৈরশাসনকালীন ভযা়বহ দুর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ হবে ; সর্বোপরি , সরকার সেলিম বলেছেন : অপসংস্কৃতি যাক গুঁড়িয়ে তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে এসেছে বৈশাখ ঘর রাঙ্গাতে ধন্য মাগো ধন্য আমি , এই বাংলায় জন্ম নিতে প্রজন্ম ফোরাম » সাহিত্য - সংস্কৃতি » বাবা হলেন রাজীব এটাও করা যায় , তবে সেক্ষেত্রে বুকমার্ক অপশনটা একটু দূরে সরে গেল আর মেনুবার একসেস করতে হলে আপনাকে আবার ফুলস্ক্রীন মোড থেকে বের হতে হবে তবে আইডিয়া ভালই উইকিতে বিশাল কোন লেখা পড়ার সময় এই কাজ করতাম তবে সমস্যা হয় , দেখা গেল কেউ মেসেঞ্জারে নক করে বসলো , বের হয়ে এসে দেখা লাগে শুনেছি আমিও তবে মনে হয় মোবাইল পেয়েও খুশি হয়েছিল খুব Nokia N - 73 এই পোস্টের সর্বপ্রথম প্রতিক্রিয়াটিকে পোস্টলেখকের মনে হয়েছে ' চমৎকার কার্যকর মন্তব্য ' সেই মন্তব্যের সূত্র ধরে আলোচনা কালক্রমে অবান্তর কলহের রূপ নিয়েছে ( মন্তব্যের ঘরে সংযুক্ত ফেসবুকের লিংকটিতে ভাবনার খোরাক থাকলেও তা আলোচনায় আসেনি ) আমরা যেন ভুলে না যাই - একদেশদর্শিতা নির্মোহ মূল্যায়নের পথে সবচেয়ে বড়ো অন্তরায় অন্যের নাম , পরিচয় , পেশা , পাঠপরিধি ইত্যাদি নিয়ে ব্যঙ্গোক্তি পালটা - সমালোচনা হিসেবে গ্রাহ্য হতে পারে না লেখক বলেছেন : কালপুরুষ কবি গোত্র আপনি অলরেডি রেটিং দিসেন মনে লয় কিছু একটা করেন স্যার আজ চারদিন হয়ে গেল আমার ছোট্ট মেয়েটা নোংরা বারান্দায় পড়ে আছে জুতার দোকানের সামান্য মাইনের কর্মাচারী নিকুঞ্জ তার আদরের মেয়ে মা মনির কঠিন অসুখ ডায়ালিসিস করতে হবে পাড়ার এম এল দয়ালু হাতে চিঠি দিয়েছেন মন্ত্রীর সি কে তিনি চিরকুট পাঠিয়েছেন আরেক আমলাকে [ . . . ] লেখক বলেছেন : এক্ষুণি রাখেন আবার যদি আলসেমী পেয়ে বসে ! সেই বনে মুনির আশ্রম আছে বুঝতে পেরে দুষ্মন্ত এগিয়ে গেলেন এবং সৈন্যদের নির্দেশ দিলেন তিনি না ফেরা পর্যন্ত এই স্থানেই তারা অপেক্ষা করবে এই বলে তিনি কণ্বমুনির আশ্রমে উপস্থিত হলেন কিন্তু আশ্রমে মুনি নেই দেখে তিনি বিষণ্ণ হলেন জনগণের লীলা বোঝা বড় ভার : মওদুদ বিএনপি অচিয়েই সংসদে ফিরছে জানিয়ে দলের নেতা মওদুদ আহমদ বলেছেন , জনগণের চাওয়া মেনেই তাদের সিদ্ধান্ত নবম জাতীয় সংসদের অধিবেশন দীর্ঘদিন ধরে বর্জন করে আসছে বিএনপি চলমান অধিবেশনে তারা যোগ না দিলে আইন অনুযায়ী বিএনপি সংসদ সদস্যদের সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে মওদুদ বলেন , " জনগণ চায় , আমরা সংসদে ধন্যবাদ সেভারাস ভাইয়া অধমকে মনে রাখার জন্য ; অনেক আশা ছিল আপনাদের সঙ্গে দ্যাখা করার জন্য ; প্রতিবার যখন দেশে যাই দেশের কোন না কোন সুন্দর যায়গায় পরিবার নিয়ে ভ্রমন করে আসি ; এবারে বানিজ্যমেলা এবং বইমেলা দুটোই দেখবার প্রচন্ড ইচ্ছে ছিল ; বাধ সাধলো আমার মেয়েটা যে কি না কক্সবাজার ছাড়া অন্য কোথাও যেতে রাজী হলো না ; তাছাড়াও কিছু কনস্ট্রাকশনের কাজেও হাত দিতে হয়েছিল বিধায় আমার অনেক প্রিয় প্রজন্মের কোন ভাইবন্ধুর সনেই দ্যাখা করা হয়ে ওঠেনি ; আমি আন্তরিক ভাবে দু : খিত ; পোষ্ট করেছেন : ১২ টি মন্তব্য করেছেন : ৪৯৬ টি ব্লগ লিখছেন বছর মাস ১৯ দিন ব্লগটি দেখা হয়েছে : ৩১৮৪ বার মেঘ রঙ মেয়ে বলেছেন : আমি তো বলতেই পারিনা সিনেমা দেখাটা আসলে একধরণের অভ্যাস মানুষ আসলে বিনোদিত হইতে চায় বইলাই সিনেমা দেখে , মানুষ সিনেমা দেখে নিজেরে সামাজিক সম্পর্কের অ্যাসপেক্টে যাচাই করতে , মানুষ সিনেমা দেখে উদ্বুদ্ধ হইতে . . . এইরম অসংখ্য সাবটেক্সটের উল্লেখ করা যায় সিনেমার উপস্থাপণ বিষয়ক আলোচনায় কিন্তু যে সিনেমা দেখে এইটারে আসলে তার অভ্যাস মনে হয় আমার কাছে তার এই অভ্যাসরে জায়েজ করতে গিয়া সে হেতু নির্ধারণ করে আমিও অভ্যাসবশতঃ সিনেমা দেখি আরেক পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা , অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেড . . খান উপলব্ধি করে , " ধর্ম ছাড়া আর কিছুতেই মিল ছিল না , পূর্ব পাকিস্তান প্রথম থেকেই আলাদা রাষ্ট্র হওয়া উচিত ছিল " ( there was nothing common except religion , East Pakistan should have been separate state from the beginning . ) তার মানে , পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর একজন সদস্যও শেষ পর্যন্ত এই ধ্রুবসত্যটি স্বীকার করে নেয় - যে কিনা একাত্তরে বাঙালির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে অথচ তা স্বীকার করেনা এদেশের জ্ঞানপাপী , ধর্মব্যবসায়ী রাজাকাররা - যারা কেবল ধর্মের মিথ্যা দোহাই দিয়ে তথাকথিত ' ইসলামী রাষ্ট্র ' পাকিস্তানকে টিকিয়ে রাখার জন্য নিজের মাটির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল এবং ধর্মের নামে অসংখ্য হত্যাকাণ্ড সংঘটনে সক্রিয় সহযোগিতা অংশগ্রহণ করেছিল শুধু ধর্মের ওপর ভিত্তি করেই যদি রাষ্ট্র গড়ে উঠত , তবে পৃথিবীর সব মুসলিম দেশ মিলে একটি রাষ্ট্র হত - ধর্ম বিকিয়ে খাওয়া এইসব পাপিষ্ঠ নরাধমদের এইটুকু বোধ আছে কি ? আমি ওয়ার্ডপ্রেসে ডাইরেক্ট আপলোড করি কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য ব্লগস্পটের কপি নিয়ে নেই ভালো পোস্ট ধন্যবাদ বিপত্তি ঘটে অন্যখানে যে সব অভাবী - দরিদ্র মানুষেরা জীবনে অনেক কষ্ট - গ্লানি সহ্য করে নিজেদের দিন ফেরাতে পারেনি , আশার এতটুকু আলো কোথাও না দেখে সব কিছু অদৃষ্টের লিখন মনে করে এরা এই সব ধর্ম ব্যবসায়ীদের মন ভোলানো কথায় সহজেই ভুলে যায় এজন্য এরা পীরের মুরিদ হয় , আধ্যাত্মিকতার নেশায় বুদ হয়ে জগতের মিথ্যা মায়াকে ভুলে থাকতে চায় গ্রাউন্ড লেবেলে এরা ভন্ডপীরের সবচেয়ে বড় সামাজিক প্রোটেকশন হিসেবে কাজ করে বলে মনে হয় লেখক বলেছেন : হাহাহা . . . অনেক ধন্যবাদ মনজুরুল ভাই , হ্যাঁ , মান্না দে ' হিন্দি গানগুলোও অনেক অনেক ভালো লাগে আপনি যে গানগুলোর কথা বললেন তারমধ্যে ' জাগো নতুন প্রভাত ' শুনেছি হিন্দি গানগুলোর মুভির নাম বলতে পারবেন কি ? তাহলে হিন্দি মুভি সং এর কোনও অ্যালবাম থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারতাম ১৯৭১ সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ছিল পাকিস্তানের প্রধানতম মিত্র এবং যুদ্ধ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে রাজনৈতিক বস্তুগত - উভয়ভাবেই সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন মুক্তিযুদ্ধকে পাকিস্তানের আভ্যন্তরীন ব্যাপার হিসেবে উল্লেখ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাদের কিছুই করার নেই বলে অভিমত প্রকাশ করেন কিন্তু পাকিস্তানের অবশ্যম্ভাবী পরাজয় আঁচ করতে পেরে নিক্সন ইউএসএস এন্টারপ্রাইজকে বঙ্গোপসাগরে মোতায়ন করেন , যা ভারতীয়রা নিউক্লিয়ার যুদ্ধ শুরু করার হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে এন্টারপ্রাইজ ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর গন্তব্যে পৌঁছায় যুক্তরাষ্ট্রের এই হুমকির জবাব হিসেবে সোভিয়েত নৌবাহিনী ১৩ ডিসেম্বর নিউক্লিয়ার মিসাইলবাহী দু ' টি ডুবোজাহাজ ভ্লাডিভস্টক থেকে বঙ্গোপসাগরে প্রেরণ করে ; যারা ইউএস টাস্ক ফোর্স ৭৪ কে ১৮ ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি ১৯৭২ পর্যন্ত ভারত মহাসাগরে তাড়া করে বেড়ায় " সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সামাজিক - মনস্তাত্বিক সাহায্য . কারণ সেই সব মানুষেরা - যাঁরা রক্ষা পেয়েছেন , তাঁরা আত্মীয় পরিজনরা রয়েছেন খুবই কঠিন মানসিক যন্ত্রণায় . আমরা কাজান শহরে আমাদের বিশেষজ্ঞদের পাঠিয়েছি , যাঁদের প্রয়োজন , তাঁদের গুণগত ভাবে উত্কৃষ্ট সহায়তা দিতে " . বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ অপহরণের সাথে জড়িত সন্দেহে বিধান চন্দ্র দাস ( ২৫ ) বিশ্বজিৎ বালা ( ২১ ) নামে দু ' জনকে আটক করেছে শিপ্রা বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার তেউলী গ্রামের রাখাল চন্দ্রের মেয়ে এবং বিধান বরগুনার থানাপাড়া এলাকার বিশ্বনাথ দাসের ছেলে বিশ্বজিৎ বালা গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সিংয়া সাতপাড়া গ্রামের ঝন্টু বালার ছেলে পোষ্ট করেছেন : ৩৯ টি মন্তব্য করেছেন : ১৭৪ টি ব্লগ লিখছেন বছর মাস দিন ব্লগটি দেখা হয়েছে : ২৮৭৪ বার বাংলাদেশে প্রচলিত ব্যাংক নোটসমূহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মুদ্রার সাথে তুলনা করে বলা যায় এর ডিজাইন , মাপ / আকার , নিরাপত্তা , ছাপা , রং - এর ব্যবহার নিম্নমানের বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের বহু গুণী ডিজাইনার থাকা সত্ত্বেও আমাদের কাগুজে নোট দেখলে সস্তা লটারীর টিকিটের মতো মনে হয় কেন ? বাংলাদেশে বহু সুন্দর দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দৃশ্যপট রয়েছে যা ব্যাংক নোটে ছাপালে নতুন প্রজন্মের নিকট দেশের পরিচিতি বৃদ্ধি পাবে টাকার প্রতিটি মূল্যমান ভেদে পরিমাপও কেন পরিবর্তন হবে ? নকল এড়াবার বহু পথই আছে আমি মনে করি , , ১০ , ২০ , ২৫ , ৫০ , ৭৫ মূল্যমানের নোটসমূহ ( ৬টি ) একই পরিমাপের ( আকার ) হলে ভাল হবে অন্যদিকে ১০০ , ২০০ , ৫০০ , ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোটসমূহ ( ৪টি ) একই পরিমাপ ( আকার ) অর্থাত্ ০২ পরিমাপের ( আকারের ) স্তর করা যেতে পারে রং বদল করে পুনরায় ছাপ দিয়ে নকল রোধ করার নিমিত্তে প্রতিটি মূল্যমানের নোটের নিরাপত্তা সুতা আলাদা রংয়ের সুতায় সংশ্লিষ্ট মূল্যমান শব্দ আলাদাভাবে লেখা থাকলেই নোটের মূল্যমান আসল - নকল চিহ্নিত করা খুবই সহজ হবে সকলের কাছে টাকার ডিজাইন , মান , রং ইত্যাদি উন্নত উচ্চতর আকর্ষণীয় হতে হবে যেন আমরা গর্ববোধ করতে পারি সেই সাথে নোট ছিদ্র করা , লেখালেখি করা , অযত্ন করা অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে ব্যবস্থা গ্রহণ একান্ত প্রয়োজন নোটের সদ্ব্যবহার , যত্ন টেকসই করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণমাধ্যমে প্রচারণা চালাতে হবে উপরোক্ত প্রস্তাবনা সদয় বিবেচনা এবং সেইসঙ্গে প্রতিটি মূল্যমানের নোটে বঙ্গবন্ধুর সুন্দর প্রাণোচ্ছল ছবি বড় আকারে যথাস্থানে ছাপাতে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্ণর সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি কাজের কাজ হয়েছে হ্যাটস অফ কিন্তু ব্লগার ঔঁ কে অনেকদিন দেখা যায় না কেন ? লেখক বলেছেন : হুম অন্য লেখা না হলেও ইভটিজিংএর সিরিজটা আসলে নিজের স্ট্যাটাস বিবেচনা না করেই নিয়মিত পোস্ট দিয়ে যাব ভাবছি লিখে ফেলে রাখতে ভালো লাগে না সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কমিশন অনেকগুলো দায়িত্ব পালন করে , যা না করলে ‌একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আশা হবে সুদূরপরাহত আমাদের সংবিধান ( অনুচ্ছেদ ১১৯ ) কমিশনের ওপর চারটি সুস্পষ্ট দায়িত্ব অর্পন করেছে : রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান , সংসদসদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান , সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ , এবং রাষ্ট্রপতি সংসদ নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন মাহফুজুর রহমান বলেছেন : আরে ভাই , আমি তো বার্সা , লা লীগা তে , কিন্তু প্রিমিয়ার লীগে রেড ডেভিলস ব্যক্তিগত পর্যায়ে এটা একটা অর্জন মনে হলেও , ফোরামের জন্য খুব উৎসাহব্যাঞ্জক না বলেই মনে হয় এক - দশমাংশ একজন পোস্ট করেছে , অর্থাৎ সক্রিয় সদস্য অত্যন্ত কম সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ সংস্কৃতিকেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় স্বদেশী সংস্কৃতির বিকাশ সাধনে দেশে - বিদেশে এরই মধ্যে গড়ে উঠেছে অসংখ্য সংস্কৃতিকেন্দ্র তার তত্ত্বাবধান নির্দেশনায় এসব সংস্কৃতিকেন্দ্র পরিচালিত হয় আসছিলো ডিউরডান্ট শিমুল বলেছেন : মাঝেমাঝে ক্রমানুসারে পোস্ট ট্যাব ক্লিক করলে কিছু পোস্ট পাই , এই যেমন এটা - - - হাহাহা - - - যাইহোক , এই প্রসঙ্গে এম্নিতেই ক্যাচালে আছি তাই কিছু বলতে পারছিনা @ হামিং বার্ড , আমিও নতুন ( অনেকটা ) তাই নতুন / পুরাতন ব্লগার বুঝতে পারিনা জানালে উপকৃত হব ধন্যবাদ সাজেদার ছেলেকে প্রতিরোধে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব ভয়ংকর রূপ নিয়েছে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ছেলে আয়মন আকবরের ফরিদপুর আগমন ঠেকাতে শ্রমমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে তারা ফরিদপুর - সালথা সড়কের কৈজুরি ইউনিয়নের চুঙ্গির মোড় এলাকায় সড়কি , দা , ঢালসহ অবস্থান নেয় ছবি : প্রথম আলো ফরিদপুর অফিস | তারিখ : ২৩ - ০৭ - ২০১০ সংসদের উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর ছেলে আয়মন আকবরকে প্রতিহত করতে শ্রমমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সমর্থকেরা গতকাল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলার চুঙ্গির মোড়ে অবস্থান নেন | এদিকে উভয় পক্ষ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের একই স্থানে একই সময় একই দাবিতে পৃথক সমাবেশ ডাকলেও তা হয়নি আগের রাতে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে স্থানীয় নেতাদের বৈঠক এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে দুটি সমাবেশই স্থগিত করা হয় দুই পক্ষই সমাবেশ ডেকেছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে তবু বাড়তি সতর্কতা হিসেবে গতকাল জনতা ব্যাংকের মোড় , আলীপুরের মোড় , গোলপুকুর ড্রিম শপিং কমপ্লেক্স , প্রেসক্লাবের সামনেসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পুলিশ মোতায়েন করা হয় এর আগে বুধবার জেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে পুলিশ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুধবার রাতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি করে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা জানান , সাজেদা চৌধুরীর ছেলে আয়মন আকবরের ফরিদপুর , সালথা নগরকান্দায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল সকালে আসার কথা ছিল তাঁর প্রথম অনুষ্ঠান ছিল সকাল ১০টায় সালথায় সেখানে উপজেলা পরিষদ আয়োজিত এসএসসিতে জিপিএ - পাওয়াদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর ঢাকা থেকে ফরিদপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়ে ফরিদপুর - সালথা আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে সালথা উপজেলা বিদ্যালয়ে পৌঁছানোর কথা ছিল আয়মন আকবরের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , আয়মন আকবরকে প্রতিহত করতে ফরিদপুর সদরের কৈজুরি কানাইপুর ইউনিয়নে শ্রমমন্ত্রী - সমর্থিত প্রায় দুই হাজার লোক চুঙ্গির মোড় এলাকায় সমবেত হয় সকাল আটটা থেকে তারা কৈজুরি কানাইপুর এলাকার ওয়াহিদ মোল্লা , লতিফ মাস্টার সিরাজ ব্যাপারীর নেতৃত্বে প্রকাশ্যে ঢাল , সড়কি , লাঠি , রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মহড়া দেয় দুপুর ১২টার দিকে আয়মন আকবরের কর্মসূচি বাতিল হওয়ার খবর আসার পর লোকজন প্রতিরোধ তুলে নেয় প্রতিরোধ কর্মসূচিতে নেতৃত্বদানকারী অন্যতম নেতা জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন , ' আয়মন আকবরকে প্রতিহত করতেই আমরা সবাই সমবেত হয়েছিলাম ' সালথা উপজেলার চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন জানান , জিপিএ - সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আয়মন আকবর প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি না এলেও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়েছে এবং সালথার ইউএনও এস এম তুহিনুর আলম উপস্থিত ছিলেন তিনি বলেন , ' আয়মন আকবরকে প্রতিহত করার জন্য কৈজুরির চুঙ্গির মোড়ে প্রতিরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে বলে শুনেছি ' আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিপুল ঘোষ প্রথম আলোকে জানান , কৈজুরির চুঙ্গির মোড়ে আয়মন আকবরকে প্রতিহত করার জন্য শ্রমমন্ত্রীর কয়েক হাজার সমর্থক পুলিশের সামনে সশস্ত্র মহড়া দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আয়মন আকবরকে ফরিদপুরে আসতে বারণ করায় তিনি সফর বাতিল করেছেন তিনি বলেন , ' জেলা আওয়ামী লীগের অবস্থা সম্পর্কে আমরা গত ১৯ এপ্রিল গণভবনে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে জানিয়েছি আশা করছি , নেত্রী ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবেন তা না হলে দলের সর্বস্তরের নেতা - কর্মীরা গণপদত্যাগের মতো পদক্ষেপ নিয়ে বসতে পারেন ' ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো . আওলাদ আলী ফকির প্রথম আলোকে বলেন , ' চুঙ্গির মোড়ে পুলিশ যায়নি তবে ওখানে কয়েক হাজার লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সমবেত হয়েছে - খবর পেয়ে আমি তা শ্রমমন্ত্রী - সমর্থিত নেতাদের জানাই এরপর শ্রমমন্ত্রীর ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মোকাররম মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সমবেতদের সরিয়ে দেন ' এদিকে বুধবার দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিতে আহত জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নাজমুল ইসলাম খন্দকারের দেহ থেকে বুলেটটি বের করা হয়েছে গুলিবিদ্ধ আন্তজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ছাড়া ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামানকে ঢাকা মেডিকেল হয়ে গতকাল সকালে পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে জেলা প্রশাসক হেলালুদ্দীন আহমদ জানান , ' আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই অংশের নেতাদের নিয়ে বুধবার রাতে আমি সমঝোতা বৈঠক করি ওই বৈঠকে গতকালের সমাবেশ না করার জন্য দুই পক্ষই রাজি হয় ' http : / / www . prothom - alo . com / detail / date / 2010 - 07 - 23 / news / 80884 ঘেন্নায় কুঁচকে ওঠে ভুরু আর দলাপাকানো থুতুগুলো আছড়ে পড়ে শ্বেতশুভ্র চিনেমাটির বেসিনে ঘৃণিত সত্ত্বা বধির আত্মা বিকৃত জীবনবোধ অর্থহীন জীবননামা রাষ্ট্রীয় বা ব্যক্তিমালিকানাধীন কোনো ব্যাংকই দরিদ্র মানুষকে ঋণ দেয় না , কারণ চিরকাল মনে করা হয়েছে যে , দরিদ্র মানুষ ঋণ পাওয়ার যোগ্য নয় , তারা ঋণ পরিশোধ করতে পারবে না কিন্তু . মুহাম্মদ ইউনূস এই ধারণাকে মিথ্যে প্রমাণ করে দিয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংক এই সত্য প্রতিষ্ঠা করেছে যে , দরিদ্র মানুষের ঋণ পাওয়ার অধিকার আছে এবং তাদের ঋণ দিলে তারা সময়মতো তা পরিশোধ করতে পারে একমত . . . কিন্তু নিজের পোস্টের সাথে যদি অন্যদের পোস্টও মুছে যায় তাহলে অবশ্যই অসুবিধা আছে মন্তব্য করার প্রয়োজন নেই অত্যন্ত স্থুল চিন্তার লেখা ব্লগে এত নিচু চিন্তাধারাসম্পন্ন লোকজন আছে তা জানতাম না , তাও আবার নাগু ব্লগে এদের সামু আর সোনা তে পাওয়া যায় মেজাজটাই চটে গেল আস্তিক নাস্তিক এর বাল এর কেচ্ছা যে শালারা যুক্তি মানেনা , বিজ্ঞান বুঝেনা এরাতো মধ্যযুগে বসবাস করছে ইসরাফিল হোসেন বলেছেন : অনেক ধন্যবাদ আমার ব্লগে আসার জন্য এবং মন্তব্য করার জন্য সাংবাদিক কিংবা সাধারণ একজন নাগরিক হিসেবে আমাদের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট যেকোন হেফাজতে কোন নাগরিককে নির্যাতন সভ্য সমাজে চলতে পারে না সাধারণ নাগরিক হোক অথবা রাজনীতিবিদ হোক কিংবা পেশাজীবি হোন বা গণমাধ্যমকর্মী হোন কারও কোন নির্যাতনের ঘটনা যেন আর না ঘটে সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে এটা আমাদের দাবি যদি এই ধরনের কোন ঘটনা ঘটে তার সুষ্ঠু তদন্ত করা প্রয়োজন যারা এমন নির্যাতনের সাথে জড়িত থাকবে তাদের বিচারের কাঠগড়ায় আনতে হবে বাংলাদেশে পর্যন্ত সংঘটিত সকল সাংবাদিক হত্যা - নির্যাতনের ঘটনার কার্যকর তদন্ত চাই সাংবাদিক হত্যা - নির্যাতনের ঘটনায় দোষিদের বিচারের মুখোমুখি আনয়ন অত্যন্ত জরুরি কেননা , সভ্য সমাজে মানব হত্যা - নির্যাতন কল্পনাও করা যায় না বাংলাদেশের সমাজ যদি আদর্শভিত্তিক পরিবর্তিত না হয় তাহলে প্রেসফ্রিডমটা মূলত : সোনার হরিণ ছাড়া আর কিছুই নয় দেশের মানুষ দেখেছেন , দুর্নীতিবাজরা সব সরকারের আমলেই নিয়ন্ত্রিত আর এসব দুর্নীতিবাজ কিংবা কালো টাকার মালিকরাই বাংলাদেশে মিডিয়ার ওনারশিপের জায়গাটা ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মিডিয়াকে ঘোষণা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয় কালো টাকার মালিক মিডিয়ার ওনারশিপে থাকায় তাদের মধ্যে একেবারেই ব্যতিক্রম ছাড়া কোন ইডিওলজি নেই ফলে সাংবাদিকরা প্রথমত : সেলফসেন্সরশিপের মুখে পড়ে সরকারি বিজ্ঞাপনকে ঘিরে দেশে মুড়ি - মুড়কির মত সংবাদপত্র বেরিয়েছে এর কতগুলো জনগণের কল্যাণে কাজ করছে তাও আজ একটি বড় প্রশ্ন সরকারের তরফ থেকে মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণের একটি অন্যতম বড় হাতিয়ার হলো বিজ্ঞাপন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে তাছাড়া পেশাদারিত্বের সংকট বাংলাদেশে প্রেসফ্রিডমের ক্ষেত্রে একটি অন্যতম বাধা দেশে প্রেসফ্রিডমের আরও একটা সমস্যা হলো কনটেম্পট টু কোর্ট এবং মানহানি বিষয়ক সুনির্দিষ্ট কোন সংজ্ঞা না থাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক - প্রকাশকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে কোনটা লিখলে আদালত অবমাননা হবে ? তার কোন সৃনির্দিষ্ট বর্ণনা নেই কোথাও এনিয়ে সাংবাদিক , সম্পাদক সকলেই একটা চরম ঝুঁকির মধ্যে সর্বোপরি বাংলাদেশে কোন জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা নেই জবাবদিহিতা সুশাসনের অভাব , সাংবাদিদের মধ্যে অনৈক্য , রাজনৈতিক বিভাজন , আর্থ - সামাজিক - রাজনৈতিক কাঠামোর কারণে সাংবাদিক হত্যা - নির্যাতন থামছে না সাংবাদিক খুন বা নির্যাতিত হলে তার প্রতিকার মেলে না , বিচার হয় না ফলে সাংবাদিক হত্যা - নির্যাতনকারিরা উৎসাহিত হচ্ছে সাংবাদিক সমাজ আমরা দেশে এযাবৎ সংঘটিত সকল সাংবাদিকসহ সকল হত্যা - নির্যাতনের বিচার চাই সাংবাদিক হত্যা - নির্যাতনসহ সকল হত্যা - নির্যাতনের প্রতিকার পাওয়া যেতে পারে যদি সমাজে সত্যিকারের আইনের শাসন , কার্যকর গণতন্ত্র থাকে অত্যাচার - নির্যাতনের কোন প্রতিকার , বিচার , প্রতিবিধান নেই এই যে একটা ধারণা মানুষের মনে বদ্ধমূল হয়েছে সেটাকে ভাঙা চাই আর এটা করতে হলে চাই দেশপ্রেমিক জনঐক্য রাজনীতি , ব্যক্তি বা গোষ্ঠীস্বার্থের উর্দ্ধে ওঠে গণ জাগরণ গণবিপ্লব দরকার গণবিপ্লবের মাধ্যমেই কেবল সমাজ রাষ্ট্রের ভেতরকার সমস্যাগুলোর সমাধান হতে পারে সমাজ রাষ্ট্রে দায়মুক্তি এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির শেকড় বেশ গভীরে এটার প্রমাণ মেলে যখন আমরা দেখি , মানুষ হত্যাকান্ডের বিচার চান না সহকর্মীর নৃশংস হত্যাকান্ডের পর সাংবাদিক সমাজকে বলতে শুনেছি ' বিচার পাই না তাই বিচার চাই না ' এমন স্লোগান লিখে রাজপথে নামতে হয় সাংবাদিকদের আমরা আশা করবো , এই অবস্থার পরিবর্তন হবে আশার কথা হলো বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে কমিউনিটি রেডিও নীতিমালা প্রণয়ন করে গেছে মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হয়েছে বর্তমান সরকার রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্ট প্রণয়ন করেছে এর মধ্য দিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে একটি ধাপ এগিয়েছে বলে আমরা মনে করি তবে এসব আইন প্রণয়ন করলেইতো আর হবে না এগুলোকে স্বাধীনভাবে চলতে দিতে হবে এবং কার্যকর করতে হবে বর্তমান সরকারের তথ্যমন্ত্রী বলেছেন , সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাসমূহ তুলে নেয়া হবে ভাল কথা রাজনৈতিক হয়রাণিমূলক মামলা তুলে নেয়াই উচিত ব্যক্তিগতভাবে আমার বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক হয়রাণিমূলক মামলা হয়েছে আমি মনে করি , একটা বিষয় পরিস্কার হওয়া দরকার সেটা হলো ধরুণ , একজন সাংবাদিক ' এক্স ' তিনি সত্যি সত্যি চাঁদাবাজি কিংবা অপরাধ করেছেন তার মামলাও কী তবে তুলে নেয়া হবে ? এক্ষেত্রে আমাদের বক্তব্য হলো - না সব মামলা তোলা উচিত হবে না কেবলমাত্র যেসব মামলা রাজনৈতিব উদ্দেশ্য প্রণোদিত , মিথ্যা - হয়রাণিমূলক সেইসব মামলাই তুলে নেয়া হোক অন্যথায় দেশে আইনের শাসন রক্ষা করা যাবে না সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র আবার গণতন্ত্র ছাড়া গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কোনটাই ভাবা যায় না সভ্য মানবিক কল্যাণমুখী সমাজে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের একটা পূর্বশর্ত গণতন্ত্র গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একে অপরের পরিপূরক একটা ছাড়া অন্যটা অচল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের মাধ্যমে আজ ( ১০ জুলাই , ২০১০ ) কথা হলো আমার এক বন্ধু - সহকর্মীর সাথে ফেইসবুক চেটিংকালে ওই বন্ধুটি জানালেন , বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের ওপর তিনি চার পর্বের একটি সিরিজ প্রতিবেদন তৈরী করেন যার অর্ধেক প্রচারিত হয়েছে কিন্তু অর্ধেকটা ( দু ' টি পর্ব ) বন্ধ হয়ে গেছে কারণ সেনাবাহিনীর ( র‌্যাব ) চাপ ২০০০ সালের ঠিক এই দিনে ( ১০ জুলাই ) নিহত হয়েছিলেন বিখ্যাত সাংবাদিক শামছুর রহমান কেবল তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের দক্ষিণালীয় প্রতিনিধি ছিলেন নিজ অফিসে কর্মরত অবস্থায় তিনি সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারান এরপর দশটি বছর পেরিয়ে গেছে কিন্তু খুনিদের বিচার হয়নি দৈনিক জনকণ্ঠ ( ১০ জুলাই , ২০১০ ) লিখেছে , ২০০১ সালে সিআইডি পুলিশ চাঞ্চল্যকর শামছুর রহমান হত্যা মামলায় ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে বিএনপি - জামায়াত জোট সরকারের সময়ে মামলার বর্ধিত তদন্ত করা হয় রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশে নিহত সাংবাদিক কেবলের বন্ধু সাংবাদিক ফারাজী আজমল হোসেনকে আসামির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে সরকার আবার বাদ দেয়া হয় মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে কিন্তু নতুন সাক্ষী করা হয় আসামিদের ঘনিষ্ঠজনদের ২০০৫ সালের জুন মাসে এই মামলার সকল আসামির বিরুদ্ধে যশোরের ষ্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগ গঠিত হয় একই বছরের জুলাই মাসে বাদিকে না জানিয়ে মামলাটি খুলনার দ্রুত বিচার আদালতে স্থানান্তর করে সরকার মামলার অন্যতম আসামি খুলনার সন্ত্রাসী মুশফিকুর রহমান হিরক জামিন নিয়ে পলা খুলনার আদালতে যাবার পর মামলার বাদি বং কয়েকজন সাক্ষীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয় সে সময় আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে পুলিশ মামলার বাদি এবং সাক্ষীর বাড়িতে অভিযান চালায় শহীদ শামছুর রহমানের স্ত্রী সেলিনা আকতার লাকি ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে হাইকোর্টে আপীল করেন আপিলের আবেদনে বলা হয় , মামলার অন্যতম আসামি হিরক পলাতক রয়েছে এই মামলার অন্যান্য আসামির সঙ্গে খুলনার সন্ত্রাসীদের সম্পর্ক রয়েছে ফলে তাঁর পক্ষে খুলনায় গিয়ে সাক্ষ্য দেয়া সম্ভব নয় এরই প্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি কেন যশোরে ফিরিয়ে দেয়া হবে তার জন্য সরকারের ওপর রুলনিশি জারি করে বর্তমান মামলাটি সে অবস্থাতেই রয়েছে মামলার এক আসামি খুলনার ওয়ার্ড কমিশনার আসাদুজ্জামান লিটু র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হন অপর আসামি কোটচাঁদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন কালু বছর আগে স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেন অন্য আসামিরা জামিনে রয়েছে কেবল ভাইয়ের মেয়ে সেজুঁতি প্রণতি চিরদিনের জন্য বাবার স্নেহ ভালবাসা থেকে বঞ্চিত স্বামী হারানোর বেদনায় আজও কেঁদে ওঠেন লাকী ভাবি ( কেবল ভাইয়ের স্ত্রী ) তিনি জানালেন প্রণতি বেড়ে উঠছে তার ' ছবি বাবা ' কে ( কেবল ভাইয়ের ছবি দেখে ) দেখে বাংলাদেশে ন্যায় বিচার , মানবাধিকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার এই বেহাল অবস্থা অথচ গণতন্ত্র আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ দুর্নীতি , রাজনৈতিক দুর্বত্তায়ন বাংলাদেশের গোটা সমাজ ব্যবস্থার উপরই চরম এক আঘাত প্রকৃত এবং বাস্তবিক অর্থেই গণতন্ত্রের চর্চা ছাড়া এই অবস্থা থেকে মুক্তির কোন উপায় নেই দুর্নীতি , অশিক্ষা আর দারিদ্রতার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারলেই কেবল গণতন্ত্রের পথ মসৃণ হতে পারে সেই পথ দেখানোর দায়িত্বটা কিন্তু রাজনীতিবিদদেরই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার , সকল সাংবাদিক , রাজনৈতিক হত্যা - নির্যাতনের বিচার চাই আমরা আইনমাফিক সকল ধরণের প্রভাবমুক্ত ন্যায্য বিচার সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপি - জামায়াত আমলে ১৪ সাংবাদিক হত্যাকান্ডের তথ্য তুলে ধরেন এই তথ্য যেমন সত্য তেমনি মহাজোট সরকারের আমলে সাংবাদিক নিহত হয়েছেন , এটাও সত্য কিন্তু তিনি ( প্রধানমন্ত্রী ) অর্ধাংশ স্বীকার করে অর্ধেকটা অস্বীকার করেছেন পরোক্ষভাবে বিএনপি - জামায়াতের আমলে জনপ্রিয় একুশে টেলিভিশন বন্ধ করা হয়েছিল এটা যেমন সত্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে চ্যানেল ওয়ান , যমুনা টিভি আমার দেশ বন্ধ হলো উভয়ই সত্য আমরা অর্ধসত্য নয় পুরো সত্য জানতে চাই বাংলাদেশের অর্ধসত্য রাজনৈতিক অবস্থান পুরো সত্যের জায়গায় আসতে পারবে কী ? অসীম_ছায়া লিখেছেন : আমি আরোও একটা অর্থ বুঝাতে চেয়েছি আইটেকে একটা কবিতা লেখা আছে কার সেটা মনে পড়ছে না আইটেকের বর্তমান অবস্হা সম্পর্কে ধরে নিন অর্থটা সেটাও ! ! ! আমাদের মধ্যে যারা সুন্দরবন , কক্সবাজারকে ভোট দিয়েছি , বাজি ধরে বলতে পারি তাদের সিংহভাগ কখনও এসব জায়গায় যায়নি আর এদের প্রতিযোগী যারা , তাদেরকে না দেখে কীভাবে আমি বলতে পারবো এরাই সবচেয়ে সুন্দর ? আমার কারণ আমার প্রাইভেসি উনি কী কারণ বুঝেছেন তা জানিনা কিছুটা দ্বিধায় ছিলাম , শেষ পর্যন্ত লিস্টটা ছোট করে দিলাম কিছু মনে করবেন না নিউজডেস্ক , বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম ; জোট সরকারের আমলে পুলিশের ২৪ জন উপপরিদর্শকের চাকরীচ্যুতির আদেশ বেআইনি ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট বৃহস্পতিবার বিচারপতি আবদুল আওয়াল বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের সমন্যয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন একই সঙ্গে তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রিট আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন বলেন , আদালত চাকরীচ্যুত ওই ২৪ জনকে তাদের চাকরীর ধারাবাহিকতা অন্যান্য সুবিধাধিসহ পূনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন তবে ইতিমধ্যে যারা অবসরে গিয়েছেন , তাদের চাকরীচ্যুতির আদেশ থেকে ৫৭ বছর পর্যন্ত চাকরী ধরে নিয়ে সুবিধা দিতে বলা হয়ছে জানা যায় , ২০০৩ সালে ফেব্রুয়ারী থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ২৪ জনকে চাকরীচ্যুত করা হয় এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চাকরীচুত্য উপপরিদর্শক মজিবুল হক চাকরীচ্যুত ওই ২৪ জনের পক্ষে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করে এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২২ আগস্ট আদালত রুল জারি করেন চাকরীচ্যুতি আদেশ কেন বাতিল করা হবে না তা ওই রুলে জানতে চাওয়া হয় রুলের শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার রায় দেন বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম / এমএ / এসএকে . ঈদের পর নাজমুল করীম ভাই বললেন , আমরা দুবাই হয়ে , সেখানে বেড়িয়ে দেশে যাবো , আপনারাও চলুন সঙ্গে ২৪ সেপ্টেম্বর ভোরে ছাত্রশিবির কর্মীরা এমসি কলেজে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ক্যাম্পাস দখল করে নেয় বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী সাধারণ ছাত্ররা ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পেরে কলেজের আশপাশে জড়ো হতে শুরু করে ছাড়া সিলেট আলিয়া মাদ্রাসাকে নিজেদের হেডকোয়ার্টার বানিয়ে ছাত্রশিবির নগরীর বিভিন্ন জায়গায় গাড়ি , মোটরসাইকেল টেম্পোযোগে সশস্ত্র মহড়া দিতে শুরু করে শিবিরের এই আকস্মিক ক্যাম্পাস দখলের ফলে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর পক্ষে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছিল না তাঁরা কলেজের আশপাশে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন তখন আলিয়া মাদ্রাসা থেকে টেম্পোযোগে একদল সশস্ত্র কর্মী নগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকায় জড়ো হওয়া জাসদ ছাত্রলীগের কর্মীদের ওপর চারপাশ থেকে সশস্ত্র হামলা চালায় মুনিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে কোপাতে তারা রাস্তার পাশে ফেলে রাখে তপনকে ধরে রেখে বাকিরা পাথর দিয়ে তার শরীর থেতলে দেয় আক্রমণ শেষে শিবির ক্যাডাররা টেম্পো মোটরসাইকেল নিয়ে চলে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী মুমূর্ষু অবস্থায় মুনির তপনকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় একই সময়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা এমসি কলেজে প্রবেশে করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে অথচ কলেজ ক্যাম্পাসে সশস্ত্র অবস্থায় অবস্থানরত ছাত্রশিবির কর্মীদের পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরে নিরাপদে রাখা হয় একপর্যায়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কাছে মুনির , তপনরে উপরে ছাত্রশিবির শাহী ঈদগাহ এলাকায় হামলা করেছে এই খবর পেঁৗছালে টিলাগড়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতাকর্মী সাধারণ মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন একপর্যায়ে তাঁদের চাপের মুখে পুলিশ প্রহরায় শিবির ক্যাডাররা এমসি কলেজ ত্যাগ করে এই বিষয়ে বলতে গিয়ে সিলেট মহানগর জাসদের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকির আহমদ বলেন , ' দৃশ্যটা ছিল রকম , শিবির মিছিল করে যাচ্ছে , তাদের সামনে পেছনে পুলিশের গাড়ি সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মিছিল তখন পাহারা দিচ্ছে আইনের লোকজন ' শিবিরের এই মিছিল থেকেই পরবর্তী সময়ে নগরীর আম্বরখানায় স্কুলছাত্র এনামুল হক জুয়েলকে ধাওয়া করা হয় জুয়েলের জন্য শিবির স্কুলগুলোতে তাদের কার্যক্রম চালাতে পারছিল না বলে তার ওপর তাদের ক্ষোভ ছিল অস্ত্রধারী শিবির ক্যাডারদের ধাওয়া খেয়ে স্কুলছাত্র জুয়েল তখন দৌড়ে একটা মার্কেটের ছাদে উঠে যায় অস্ত্র নিয়ে তার পেছনে পেছনে ধাওয়া করতে থাকে শিবিরের সন্ত্রাসীরা শিবিরের ধাওয়া খেয়ে নিরুপায় জুয়েল কোনো রাস্তা খুঁজে না পেয়ে মার্কেটের এক ছাদ থেকে পার্শ্ববর্তী ছাদে লাফ দিতে গিয়ে নিচে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় এদিন ইসলামী ছাত্রশিবির পুলিশের সহায়তা নিয়ে নগরীর নানা স্থানে স্বাধীনতার পক্ষের ছাত্র সংগঠনগুলোর কর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় স্কুলছাত্র এনামুল হক জুয়েলের মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে নগরী উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিক্ষুব্ধ ছাত্র , জনতা সিলেট নগরীজুড়ে জামায়াত - শিবিরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে পরবর্তী সময়ে হাসপাতালে মুনির কিবরিয়া তপন জ্যোতি দেব মারা গেলে বৃহত্তর সিলেটজুড়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে নিহতদের স্বজন , ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতাকর্মী সাধারণ মানুষের কান্নায় ভারী হয়ে উঠে সিলেটের বাতাস মুনির , তপন জুয়েলকে হত্যা করার মাধ্যমে জামায়াত - শিবির সিলেটে তাদের বর্বরোচিত পৈশাচিক রাজনীতির সূচনা করে এই তিন হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমেই সিলেট শহরে ছাত্র হত্যার রাজনীতি শুরু হয় . অন্য ফরামের লিঙ্ক দেয়া থেকে বিরত করা . অফটপিক পোস্ট ডিলিত করা . রুলস প্রত্যেক ফোরাম সাব ফোরাম এর উপর স্টিকি করে দেওয়া . রেপুটেশন সিস্তেম চালু করা ঢাকা , ১২ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : চলতি ( ২০১১ - ১২ ) অর্থবছরে পণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে হাজার ৬শ ' ৩৬ কোটি ৩০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে . . . . বিস্তারিত পড়ুন » এমনিতে ম্যারাডোনার সঙ্গে বিলার্ডোর সখ্যের ইতিহাস বেশ পুরোনো ১৯৮৬ সালের বিশকাপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা দলের কোচ ছিলেন কার্লোস বিলার্ডো চার বছর পর ১৯৯০ সালেও আর্জেন্টিনার কোচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি সেই বিশ ^ কাপে আর্জেন্টিনা রানার - আপ হয় জানা যায় , গত শুক্রবার রাত এগারটার দিকে কটিয়াদী পশ্চিমপাড়াস্থ ভবনের সামনে অন্ধকারে একদল সন্ত্রাসী প্রভাষকের গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় তার চিত্কারে বাড়ির এলাকার লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে কটিয়াদী হাসপাতালে নিয়ে যায় ১৯ . মানুষ এবং ডলফিনই কেবল আনন্দ পাবার জন্য যৌন মিলন করে মেয়ের মা টা কষ্ট চেপে রাখল কাজের বুয়ার দাম আছে বাড়িতে , বৌ এর দাম নেই তাকে ১০০ % নির্ভুল হতে হবে সারাদিন ধরে কাজ করলেও দোষ আর দোষ মেয়েটার স্বপ্ন ছিল টিচার হওয়ার মনে হয় ভুলেই গিয়েছিল , মেয়েদের স্বপ্ন দেখতে হয় না কিন্তু মেয়ে বলে কি তার অসুস্থ মাকে এত কিছু শোনাতেই হত ? স্বামীর বাড়িই তার আপন বাড়ি হয় - এরকমই কি একটা বাড়ির স্বপ্ন দেখত সে ? দোজবর শালিক নোংরা ঘাঁটা ঠোঁটে নির্লজ্জের মতো গেয়ে উঠতে চায় আপোসের গান , তুই জানিস মা , তোকে বাঁচাতে আমার এখন সিনা টানটান গত বছরের সার্কুলেশনের পর বছর নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে ফলে পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রয়োজন কিছু প্রস্তুতির এবং জানা দরকার কিছু তথ্যের দায়বদ্ধতা অঙ্গীকার ( Responsibility & Commitment ) : আমরা প্রত্যেকে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ এবং একটি নতুন মানবিকতাপূর্ণ সমতাভিত্তিক শান্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারাবদ্ধ আমরা প্রত্যেকে আত্মকেন্দ্রিকতার পরিবর্তে সংবেদনশীল , আত্মত্যাগী , মানবতাবোধে উদ্ভুদ্ধ , সাহসী সমাজ রূপান্তরের একজন বলিষ্ঠ নেত্রী শোষণ , বঞ্চনা নির্যাতনের বিরুদ্ধে সমগ্র নারী সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে নিরলস প্রচেষ্টা চালাবো ঘটনা - অল্টারনেটিভ অপশনটা কি জানেন ? লিনাক্স . . . . সবগুলো সফটওয়্যারের কাছাকাছি বিকল্প সফটওয়্যার সহ বিনামূল্যেই পাওয়া যায় বোনাস হিসেবে পাচ্ছেন সিকিউরিটি , কারণ লিনাক্সে ভাইরাসের বেইল নাই পোস্ট করা হয়েছে : বৃহঃ আগস্ট ১২ , ২০১০ ১১ : ২০ পূর্বাহ্ন হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর নিউ ইয়র্ক সফর আলোকিত করেছে বাংলাদেশের নাম , অথবা বিক্রি করেছে কর্পোরেট দুনিয়ার কাছে ( এমনটাই দাবি করবে বিরোধী দল ) আন্দালনের মাধ্যমে খালেদা জিয়া হয়ত পুনঃ ক্রয় করে নেবেন বিক্রীত দেশ ক্রয় বিক্রয়ের গ্যাঁড়াকলে বাংলাদেশ নামের একটা দেশ কতবার হাতবদল হয়ছে তার হিসাব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও রাখেন কিনা সন্দেহ আছে তৃতীয় বিশ্বের লুটেরা . . . যখনি বেগম সাহেবা গাছের নিচ দিয়া যাইতেন টিয়াটা বলে উঠত ' তোর গুয়া খারাপ , তোর গুয়া খারাপ , তোর গোয়া খারাপ . . . . . . . . . ' বেগম একসময় সহ্য করতে না পেরে পাইক পেয়াদা দিয়ে সেই টিয়াকে তলব করলেন আর জিগাইলেন ' সমস্যা কি ? আমার গোয়া খারাপ তোরে কেডা কইছে ? ' টিয়াটা কইল ' তোর গোয়া খারাপ না হইলে এরশাদ কি আর দেশের গোয়া মারে ? ' মার পড়াই উচিত বেশি বাড় যে ভাল না ! ! এবার আসুন দেখি কবর পূজারীদেরর কর্মকান্ড কুরআন হাদিসের মানদন্ডে লিস্টে gnomenu নামে কিছু থাকার কথা যদি না থাকে তাহলে লগ - আউট করে লগ - ইন করুন জুনাইদ আলহাবিব এবং শিশির সিক্ত পল্লব পছন্দ করেছেন ২০০৬ সালের আগস্ট মাসে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে এবং গোলযোগপূর্ণ দারফুর এলাকায় মোতায়েন করার উদ্দেশ্যে ১৭ হাজার ৩০০ শান্তিরক্ষী পাঠায় কিন্তু সুদান সরকারের আপত্তির কারণে শান্তিরক্ষীদের ফিরিয়ে আনতে হয় শেষ পর্যন্ত আফ্রিকান ইউনিয়ন জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যৌথবাহিনী সেখানে মোতায়েন করা সম্ভব হয় অন্যদিকে পাঁচ বছর ধরে সীমামত্ম সংঘর্ষের পর ২০১০ সালে সুদান শাদের মধ্যে শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হলে শাদ থেকে সুদানী শরণার্থীরা ফিরে আসে সুদান সরকার ২০১০ সালে দারফুরের বিদ্রোহী গ্রুপ জাস্টিস অ্যান্ড ইক্যুয়ালিটি মুভমেন্ট ' সাথে একটি চুক্তিতে উপনীত হওয়ার পর দারফুরে দীর্ঘদিন ধরে চলা যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে প্রজন্ম ফোরাম » পড়াশোনা » উচ্চশিক্ষা কর্মজীবন » কানাডায় পড়তে চান ? ঢাকা , জুন : শিশু সাহিত্যিক , নাট্যকার ইমপ্রেস টেলিফিল্ম , চ্যানেল আই ' ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরের লেখা পাঁচটি নাটক নিয়ে বগুড়ায় " ফরিদুর রেজা সাগর শিশু - কিশোর নাট্যোৎসব ২০১১ " আয়োজন করা হয়েছে জেলার উডবার্ণ পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে পাঁচদিনের নাট্যোৎসব শুরু হচ্ছে শুক্রবার থেকে স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন অ্যামবিশন নাট্যোৎসবের আয়োজন করেছে প্রযোজনায় অ্যামবিশন - এর সহযোগী শিশু - কিশোর নাটকের দল শুক্রবার বিকাল ৩টায় উৎসবের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতজন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ফরিদুর রেজা সাগর অতিথি হিসেবে থাকবেন সংস্কৃতজন . ফজলুল আলম , চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব মোরশেদুল ইসলাম , অভিনেতা নির্মাতা আফজাল হোসেন , বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুর রহমান , কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন , ছড়াকার আমীরুল ইসলাম , অভিনেতা পরিচালক শহিদুল আলম সাচ্চু উৎসবের পাঁচদিনে ফরিদুর রেজা সাগরের লেখা নাটক ' টিপু সুলতান ' , ' শেখ সাদী ' , ' গিয়াস উদ্দীন আযম শাহ্ ' , ' হাজী মোহাম্মদ মোহসীন ' , ' ইবনে সিনা ' প্রদর্শিত হবে উদ্বোধনী দিনে থাকছে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা , শিশু - কিশোরদের আবৃত্তি হাতের লেখা প্রতিযোগিতা , আলোচনা , মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ' মাসুকুর রহীম প্রতীক সম্মাননা ' প্রদান এবং নাটক ' টিপু সুলতান ' শনিবার শিশু - কিশোরদের চিত্রাঙ্কন দেশগান প্রতিযোগিতা , আলোচনা পর্ব নাটক ' শেখ সাদী ' ; রোববার শিশু - কিশোরদের নৃত্য অভিনয় প্রতিযোগিতা , আলোচনা পর্ব নাটক ' গিয়াস উদ্দীন আযম শাহ্ ' ; সোমবার শিশু - কিশোরদের গল্পবলা উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা , আলোচনা পর্ব নাটক ' হাজী মোহাম্মদ মোহসীন ' ; মঙ্গলবার শিশু - কিশোরদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান , আলোচনা পর্ব , উৎসবে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার সনদপত্র বিতরণ এবং নাটক ' ইবনে সিনা ' বার্তা২৪ ডটনেট / সাফা বিভিন্ন সফটওয়ারের মাঝে লুকিয়ে থাকা ইস্টার এগ আবিষ্কার করতে মজাই লাগে , তাই না ? আজ আমরা গুগলের ক্রোমিয়াম ব্রাউজারের একটি মজার ইস্টার এগ দেখবো তবে এটা শুধুমাত্র ক্রোমিয়ামের লিনাক্স ভার্সনে কাজ করে উইন্ডোজের করে না বলেই জানি তবে উইন্ডোজের জন্য তৈরি করা নতুন ভার্সনে এই ইস্টার এগ আছে কি না , তা পরীক্ষা করে দেখা হয়নি ক্রোমিয়ামের টাস্ক ম্যানেজারের কার্যক্রম পরীক্ষা করতে গেলে দেখতে পারবেন যে , অনেক অনেক ছাগলকে ক্রোমিয়াম কোথায় যেন পাঠিয়ে দিচ্ছে হ্যাঁ , বিশ্বাস হচ্ছে না ? তাহলে নিচের কাজগুলো ধাপে ধাপে করুন নিজেই ছাগলগুলোকে কোথাও পাঠিয়ে দেয়ার পরিসংখ্যান দেখে অবাক হয়ে যাবেন ১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরি হলে অনুষ্ঠিত সভায় মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ৪০ সদস্যের ' সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ্ ' গঠিত হয় সভায় আরবি লিপিতে বাংলা লেখার সরকারি প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করা হয় এবং ৩০ শে জানুয়ারির সভায় গৃহীত ধর্মঘটে সমর্থন দেওয়া হয় পরিষদ্ ২১শে ফেব্রুয়ারি হরতাল , সমাবেশ মিছিলের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে পোস্ট করা হয়েছে : শুক্র ফেব্রুয়ারী ২৫ , ২০১১ : ৫৫ পূর্বাহ্ন রোববার সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ফরিদপুর - আসনের সাংসদ আব্দুর রহমানের পুঁজিবাজার সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে পতনমুখী বাজারে নতুন এক লাখ বিনিয়োগকারী ' ফাটকাবাজির জন্য ' এসেছেন বলে মন্তব্য করেন মুহিত অনেকদিন পর লিখছি , মাঝে পরীক্ষার জন্যে বেশ খানিকটা আলসে ভাব এসে যাওয়ায় BLOG টা চালিয়ে যেতে পারিনি এখন বসন্তের ছুটি চলছে , বসন্ত বললেও এখনও শীত শেষ হয়নি ; আর ছুটিটাকে বসন্তের ছুটি না বলে শিক্ষাবর্ষ সমাপ্তিজনিত অলস ছুটি বলা ভাল এরকম ছুটি আমার কাছে বিরক্তিকর লাগে , তবে লম্বা ছুটির জীবন শেষ হচ্ছে , আগামী বছরে এই ছুটিটা নাও পেতে পারি শুধু বসন্তের ছুটিই নয় , আমার ভার্সিটিতে গরমের ছুটিও দীর্ঘ , প্রায় মাস এবং কবে শুরু , কবে শেষ সবকিছুই পূর্বনির্ধারিত ; এবং দুটো সিমেস্টারের মাঝখানে ; ( ফলে একটা গা - ছাড়া ভাব নিয়ে দেশে চলে যাই , মাস বাড়ির রান্না খেয়ে / কিলো ওজন বাড়িয়ে আরও গা - ছাড়া এবং অলস ভাব নিয়ে ফিরে আসি ) তবে এইবারের ছুটিটা খুব একটা বোরিং লাগছে না , শরীরও খুব একটা ভাল না , কাজেই ছুটিটা হয়তবা উল্টো ভালোর জন্যে ; কে জানে ? বিদেশে বাংলাদেশকে অনেকেই চেনে দারিদ্র্য - দুর্নীতি - বন্যা আর অনিয়মের প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ থেকে পড়াশোনা করে হার্ভার্ডে যাওয়া কেউ নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলতে গিয়ে হয়তো শোনে ' বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় আছে ! ' ১০৯ বার পঠিত | ১৬ টি মন্তব্য | রেটিং + / - | বাকিটুকু পড়ুন | ( ) " আমি কোরআনের শিক্ষাসমূহের উপরে গবেষনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌছেছি যে , কোরআন নাযিলকৃত আসমানী কিতাব এবং উহার শিক্ষাসমূহ মানব স্বভবের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যশীল " ( গান্ধী ) স্বল্প কথায় পরিচিতি : পশ্চিমে তিনি " দ্য প্রিন্স অব ফিজিশিয়ানস " নামে পরিচিত তার গ্রন্থ " আল কানুন ফিল থিব " ( কানুন অব মেডিসিন ) চিকিৎসা শাস্ত্রের মূল অপ্রতিদ্বন্দ্বী পাঠ্য পুস্তক হিসেবে গন্য হত প্রায় পাচ শতক ধরে যদিও তিনি ফার্মাকোলজি ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের প্রভূত উন্নয়ন করেন , তার মূল অবদান ছিল মেডিসিন শাস্ত্রে তিনি হলিস্টিক মেডিসিনের প্রনেতা - যেখানে একই সংগে শারীরীক , মানসিক , সামাজিক আত্মিক যোগসূত্রকে বিবেচনায় রেখে রুগীর চিকিৎসা করা হয় তিনিই প্রথম মানব চক্ষুর সঠিক এনাটমি করেন যক্ষা রোগ নিয়ে তিনি অভিমত দেন যে যক্ষা একটি ছোয়াচে রোগ যা তার পরের পশ্চিমা চিকিৎসকবৃন্দ প্রত্যাখ্যান করেন এবং যা আরো পরে সঠিক বলে প্রমানিত হয় তিনিই প্রথম মেনিনজাইটিসকে ব্যাখা করেন প্রকৃত পক্ষে তিনিই আধুনিক চিকিৎসা শাস্ত্রের জনক এই " তিনি " আর কেউ নন , সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসক বিজ্ঞানী ইবনে সিনা যার অসংখ্য অবদানের গুটি কয়েক অবদানের কথা উপরের প্যারাতে আমি উল্লেখ করেছি যার জীবন কিংবা কর্মের কোন শেষ নেই , তার সমস্ত অবদান উল্লেখ করার অসম্ভব কোন ইচ্ছেও আমার নেই তার শুভাকাংখীরা তাকে জ্ঞানার্জন গবেষনার প্রানান্ত পরিশ্রম ত্যাগ করে জীবনকে সহজ ভাবে নেবার উপদেশ দিতেন , যা তিনি হেলায় প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বলা হয় , তার মাইল স্টোন পুস্তক " কানুন " লিওনার্ডো দ্য ভিনসিকেও প্রভাবিত করেছিল " কানুন " বারশ শতকে ল্যাটিন ভাষায় অনুদিত হয়ে প্রায় সতেরশ শতক পর্যন্ত পৃথিবীতে চিকিৎসা শাস্ত্রের টেক্স্ট বুক হিসেবে গন্য হত একজন প্রথিতযশা পশ্চিমা ডক্টর " কানুন " কে " মেডিকেল বাইবেল " বলে ঘোষনা করেন বুখারায় তার জন্ম স্থানে যে মিউজিয়াম রয়েছে তাতে তার নিবন্ধ , সার্জিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট এবং রুগীদের চিকিৎসারত অবস্থায় ছবি - এই সবই স্থান পেয়েছে তিনি যে শুধু চিকিৎসা শাস্ত্রেই অবদান রেখেছেন তা নয় , বরং এস্ট্রোনমি সহ আরো অনেক শাখায় তার গুরুত্ব বহ অবদান রয়েছে তিনি মোমেন্টামকে ওজন বেগের গুনফলের সমানুপাতিক বলে অভিমত দেন তিনি আরো অভিমত দেন যে , হাজারো চেষ্টা করলেও সীসা বা তামা থেকে সোনা বানানো যাবে না , যা তার সময়ের অনেক বিজ্ঞানী নিরন্তর চেষ্টা করেছিলেন তিনি শুক্র গ্রহকে পৃথিবীর চেয়ে সূর্যের অধিকতর নিকটে অবস্থিত বলে নির্নয় করেন তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ চাদের একটি ফাটলের নাম তার নামে করা হয়েছে জীবদ্দশাতেই একজন সফল চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন ইবনে সিনা জার্জানের রাজপুত্রের চিকিৎসা করে সুনাম কুড়িয়েছিলেন এই জার্জানেই তিনি তার বিখ্যাত বই " কানুন " রচনা করেন জার্জানের রাজপুত্র অনেক দিন ধরে অসুস্থতায় ছিলেন শয্যাশায়ী স্থানীয় চিকিৎসকরা কিছুতেই তার অসুস্থতা ধরতে পারছিলেন না , তারা রীতিমত হতবুদ্ধি হয়ে পড়েন অবশেষে ইবনে সিনার সাহায্য নেন ইবনে সিনা খেয়াল করলেন রাজপুত্রের সামনে তার প্রেমিকার নাম উচ্চারন করতে পালসের গতি বেড়ে যায় ইবনে সিনা সহজ ছোট্ট সমাধান দিলেন , " যুগলদের মিলিয়ে দাও " মেটাফিজিক্সের প্রতি তার গুরুত্ব যেভাবে এল : প্রথমে ইবনে সিনা মেটাফিজিক্সকে স্পর্শের বাইরে বলে গুরুত্ব দেন নি এর অধ্যয়নকে সময় নষ্ট বলে মনে করতেন কিন্তু একটি বিকেল তাকে বদলে দিল সে বিকেলে বইয়ের বাজারে এক বিক্রেতা তাকে অনেক কষ্টে তিন দিরহামের বিনিময়ে আরেকজন বিতর্কিত মুসলিম দার্শনিক ফারাবীর " অন দ্য অবজেক্টস অব মেটা ফিজিক্স " বইটিকে কিনতে প্ররোচিত করেন বিক্রেতা খুব অর্থের দরকার হয়ে পড়েছিল অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি বইটি কেনেন বইটি পড়ার পরে সবকিছু বদলে যায় ফেলে আসা এরিস্টটলের মেটা ফিজিক্স দর্শনকে আবার গুরুত্ববহ মনে করেন এবং পরদিন এই কৃতজ্ঞতায় গরীবদের অর্থদান করেন তিনি বলেন , " আমি এরিস্টটলের মেটা ফিজিক্স মোট চল্লিশ বার অধ্যয়ন করে তাকে হৃদয়ে আয়ত্ত্ব করি তা সত্ত্বেও আমার বোঝায় ঘাটতি থেকে যায় শেষে ফারাবীর এই বই পড়েই আমি এরিস্টটলের মেটা ফিজিক্স বুঝতে পারি " তার দর্শনে মেটা ফিজিক্স একটি গুরুত্বপূর্ন স্থান দখল করে রয়েছে তার অন্যতম মাইলস্টোন পুস্তক শিফাকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায় : লজিক , ফিজিক্স , মেটা ফিজিক্স , ম্যাথমেটিক্স এই মেটা ফিজিক্সের উপরে গবেষনা পরবর্তীতে তার বিরোধীদের প্রধান অস্ত্রে পরিনত হয় যেভাবে এল কাফের ফতোয়া : মাত্র দশ বছর বয়েসে অসাধারন মেধাবী ইবনে সিনা হাফিজ হন আর সতের বছর বয়েসে হন চিকিৎসক ইবনে নিসা , ল্যাটিন ভাষায় যাকে বলা হয় " আভিসেনা " , অভিযুক্ত হন মুরতাদ এবং কাফের হিসেবে তার বিরুদ্ধে এই ফতোয়া ইস্যু করেন ইমাম গাজ্জালী কিন্তু কেন ? ইবনে নিসাই তো প্রথম তার দর্শনে আল্লাহর অস্তিত্বকে প্রমান করার প্রয়াস নেন যা রয়েছে " শিফা " মেটা ফিজিক্স অধ্যায়ে তিনি এরিস্টটলের অস্তিত্ব করন মতবাদকে ব্যাখা করতে গিয়ে বলেন , কাজ এবং ফলাফল একই সাথে অবস্থান করে তিনি প্রকৃতির সব কিছুকে একটি চেইনের মাধ্যমে প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন , " এই চেইন অসীম হতে পারেনা , অবশ্যই সসীম যার প্রথমে রয়েছেন স্রষ্টা যিনি পরমূখাপেক্ষী নন যা এই চেইনের একমাত্র ব্যতিক্রম " ইবনে সিনার প্রতি ইমাম গাজ্জালীর এই বিরোধীতার মূলে রয়েছে মেটা ফিজিক্সে ইবনে সিনার নিজস্ব দর্শন তার বিরুদ্ধে কাফের ফতোয়া দেয়া হয় নিম্নোক্ত তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রথমত : ইবনে সিনা তার দর্শনে বিশ্বকে চিরজীবী দাবী করেন যার কোন শুরু নেই যেখানে মুসলিমরা বিশ্বাস করেন আল্লাহ শূন্য থেকে এই পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন দ্বিতীয়ত : তিনি বলেন , আল্লাহ সৃষ্টি এবং ধ্বংস সম্পর্কে সাধারন ভাবে জানেন , কিন্তু পুংখানুপুঙ্খ ভাবে নয় যেখানে মুসলিমরা বিশ্বাস করে থাকেন , আল্লাহ আক্ষরিক অর্থেই প্রতিটি বিষয় অবগত তৃতীয়ত , তিনি শারীরীক পুনরুথ্থান নয় , বরং আত্মিক পুনরুথ্থানের উপর জোড় দেন মূলত এই তিনটি কারনে ইমাম গাজালী ইবনে সিনাকে কাফের সাব্যস্ত করা বাধ্যতামূলক বলে দাবী করেন এখন দেখা যাক , এই আপাত বিতর্কিত্ ইস্যু গুলো নিয়ে ইবনে সিনা আসলে কি বলেছিলেন ইবনে সিনা এটা বিশ্বাস করতেন যে , এই বিশ্ব চিরজীবী বা আদি অন্ত বিহীন তবে এটাও বিশ্বাস করতেন যে , বিশ্ব একটি সৃষ্ট বস্তু তিনি ব্যাখা দেন , সৃষ্ট হবার অর্থ এই নয় যে সময়ের প্রেক্ষিতে তার কোন শুরু আছে তিনি আরো বলেন , বিশ্বের অস্তিত্বের পেছনে কার্যকরন প্রয়োজন বিদ্যমান আল্লাহ এই বিশ্বকে হতে দিয়েছেন , যার শুরু থাকতেও পারে কিংবা নাও থাকতে পারে তবে শেষ নেই ইমাম গাজালী চ্যালেন্জ্ঞ দিয়ে বলেন , আল্লাহ যদি একমাত্র স্বাধীন অমূখাপেক্ষী সত্ত্বা হন তবে বিশ্বকে তার পরেই সৃষ্ট হতে হবে , তা অস্তিত্ব সময় - দুটোরই মানদন্ডে সুতরাং তা অনাদি অনন্ত হতে পারে না এই দর্শনকে কুফরী বলে আখ্যায়িত করেছেন ইমাম গাজালী এবারে আসা যাক আল্লাহর জ্ঞানের পরিধি নিয়ে ইবনে সিনা কি বলেছেন তিনি বলেন , আল্লাহ সমস্ত খুটিনাটি বিষয় সম্পর্কে অবহিত , তবে এই জানাটা সামগ্রিক সময়ের ভিত্তিতে তার জ্ঞানের কোন পরিবর্তন হয় না ফলে যখন কোন ইভেন্ট সত্যি সত্যি সংঘটিত হয় , তখন তা তিনি নূতন করে জানতে পারেন না , কারন তার জ্ঞান সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয় না ইবনে সিনা আল্লাহর " একচ্ছত্র ( এবসোলিউট ) জ্ঞান " কে " সময়ের সাথে অপরিবর্তনশীল " বলে ব্যাখা করেন ( " When this particular event actually occurs in time , God , not being subject to temporal change , cannot know it . But He also need not know it in this manner for He knows it already " . ) ইবনে সিনার স্রষ্টা সম্পর্কিত দর্শন সাদামাটা ভাষায় ( আমি যা বুঝলাম ) হচ্ছে : প্রকৃতির প্রতিটি নিয়ম স্রষ্টার অবগত এবং প্রকৃতির প্রতিটি বস্তু কার্যকরন , ফলাফল তাদের সম্পর্কের দ্বারা পরিচালিত যেহেতু এসব বস্তু নিয়মের বাইরে নয় , এবং সেই নিয়মের খুটিনাটি স্রষ্টার অবগত , তাই এসব বস্তুর খুটিনাটি সম্পর্কে স্রষ্টার ধারনা সামগ্রিক সত্যি বলতে কি তার এই ডকট্রিনে আমি কোন কুফরি খুজে পাই নি যদিও এই ডকট্রিনকেও কুফরী লেবেল সাটা হয়েছে ইবনে সিনা " স্রষ্টার খুটিনাটি জ্ঞান " কে ব্যাখা করেছেন তার নিজের দর্শন দিয়ে এই খুটিনাটি জ্ঞানকে তিনি অস্বীকার করেন নি মোটেও তিনি যুক্তি এবং কার্যকরনকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন , সমস্ত ঘটনা প্রবাহ নিয়মের ছকে বাধা বলেই ঘটছে এই নিয়ম স্রষ্টার তৈরী যার ফলে কোন ঘটনা ঘটলে তা আলাদা ভাবে স্রষ্টার জানার কিছু নেই কারন তা তো নিয়মের প্রেক্ষিতেই ঘটেছে সেন্স - পারসেপশন , যা ঘটনাপ্রবাহের উপর নির্ভর করে , তা স্রষ্টার ক্ষেত্রে খাটেনা কারন তার জ্ঞান সময়ের উর্ধ্বে এবং সময়ের সাথে অপরিবর্তনশীল আমি যা বুঝলাম তা হল পুরো বিশ্ব এবং তার ঘটনাপ্রবাহকে একটি if - else সমৃদ্ধ প্রোগ্রাম দিয়ে প্রকাশ করা যায় , যার ইনপুট আউটপুট সহ পুরো প্রোগ্রাম স্রষ্টার জ্ঞানের সীমায় তাই খুটিনাটি ভাবে কখন কোন পথ ধরে প্রোগ্রাম এগুচ্ছে তা তো স্রষ্টার জানার কোন প্রয়োজন নেই যা হোক , এই ডকট্রিন তার বিরুদ্ধে ফতোয়ার ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাকে সবচাইতে বেশী সমালোচনা সহ্য করতে হয় যে কারনে তা হল শারীরীক পুনরুথ্থান বিষয়ে তার অবস্থান দাবী করা হয় মৃত্যু পরবর্তী শারীরীক পুনরুথ্থানকে ইবনে সিনা অস্বীকার করেছেন উল্লেখ্য শারীরীক পুনরুথ্থানে বিশ্বাস পোষন ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের একটি নীচের আয়াতগুলোতে সমর্থন পাওয়া যাবে : " মানুষ কি মনে করে যে আমরা কখনো তার হাড়গোড় একত্রিত করব না হ্যা , আমরা তার আংগুলগুলো পর্যন্ত পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম " ( ক্কিয়ামাহ : - ) " তারা বলেঃ যখন আমরা অস্থিতে পরিণত চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যাব , তখনও কি নতুন করে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব ? বলুনঃ তোমরা পাথর হয়ে যাও কিংবা লোহা অথবা এমন কোন বস্তু , যা তোমাদের ধারণায় খুবই কঠিন ; তথাপি তারা বলবেঃ আমাদের কে পুর্নবার কে সৃষ্টি করবে বলুনঃ যিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃজন করেছেন অতঃপর তারা আপনার সামনে মাথা নাড়বে এবং বলবেঃ এটা কবে হবে ? বলুনঃ হবে , সম্ভবতঃ শ্রীঘ্রই " [ বনী ইসরাঈল / ইসরাঃ ৪৯ - ৫১ ] শারীরীক পুনরুথ্থানকে অস্বীকার করার জন্য ইমাম গাজ্জালী আরো অনেক স্কলার ইবনে সিনাকে কাফের সাব্যস্ত করা বাধ্যতামূলক বলে দাবী করেছিলেন মূলত এই মতবাদের ভিত্তিতে ইবনে সিনার উপর কুফরী আরোপ করা হয় এখন প্রশ্ন ইবনে সিনা কি সত্যিই শারীরীক পুনরুথ্থানকে অস্বীকার করেছিলেন ? উল্লেখ্য ইবনে সিনা নিজেও বলেছেন মৃত্যু পরবর্তী জীবনকে ইসলামের আলোতেই ব্যাখা করতে হবে , এছাড়া আর কোন যুক্তি গ্রাহ্য ব্যাখা নেই ইবনে সিনা আত্মিক পুনরুথ্থানের পক্ষে নীচের আয়াতগুলো দেন : " হে প্রশান্ত মন তুমি তোমার পালন কর্তার দিকে ফিরে যাও সন্তুষ্ট সন্তোষভাজন হয়ে " ( ফজর : ২৭ - ২৮ ) ফেরেশতা রূহ আল্লাহর দিকে ঊর্ধ্বগামী হয় ( মাআরিজ : ) পরবর্তী কালে যখন ইবনে সিনার দর্শনকে আরো বিশ্লেষন করা হয় , তখন দেখা যায় তিনি প্রকৃত পক্ষে শারীরীক পুনরুথ্থানকে পুরো অস্বীকার করেন নি তিনি সুরা ওয়াকিয়াতে যে তিনটি দলের কথা বলা হয়েছে ( আর তোমরা হয়ে পড়বে তিনটি শ্রেনীতে ( ওয়াক্কিয়াহ : ) ) , তার তৃতীয় দলটিকে শুধু মাত্র শারীরীক পুনরুথ্থান করা হবে বলে দাবী করেছেন বাকী দুই দল আত্মিক ভাবেই স্বর্গ লাভ করবে তৃতীয় দলের শারীরীক পুনরুথ্থান হবে শাস্তির জন্য সুতরাং ইবনে সিনা শারীরীক পুনরুথ্থানকে একটি বিশেষ দলের জন্য নির্ধারন করেছেন যার ফলে ইবনে সিনা শারীরীক পুনরুথ্থানকে সম্পূর্ন অস্বীকার করেছেন - বিরোধীদের এই দাবী দুর্বল হয়ে যায় এখানে উল্লেখ্য ইসলামের ইতিহাসে যুক্তি এবং লজিককে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয়ার সিলসিলা ইবনে সিনাই যে প্রথম শুরু করেন - তা নয় তার আগে মুতাজিলা গোষ্ঠীও যুক্তিকে আশ্রয় করে ইসলামের অনেক বিভ্রান্তিকর ব্যাখা দেয় অথচ তাদের প্রতি কেউ কাফের ফতোয়া ইস্যু করে নি আমার স্মৃতি বিশ্বাসঘাতকতা না করে থাকলে হাদীসকে শরিয়ার উৎস হিসেবে প্রথম অস্বীকার করে এই মুতাজিলা গোষ্ঠী কারন তারা যুক্তি দিয়ে ইসলামের অনেক মৌলিক আকিদা ব্যাখা করতে চাইত , যা অনেক সময় হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক হত ইবনে সিনার দর্শনেও এই মুতাজিলা গোষ্ঠীর প্রভাব কিছুটা দেখা যায় ইবনে সিনা আত্মবিশ্বাসী একজন মানুষ ছিলেন তিনি নিজেকে জ্ঞানী , বুদ্ধিমান একনিষ্ঠ মুসলিম বলে দাবী করতেন তার প্রথম দুইটি দাবীর সাথে বিশ্ব একমত , যদিও তৃতীয় দাবীটি সর্বজন স্বীকৃত হয় নি তবে পরবর্তীতে অনেকেই দাবী করেছেন কাফের ফতোয়াটা ইবনে সিনার জন্য ছিল অতিরিক্ত কঠোর একটি ফতোয়া কাফের ফতোয়াকে অস্বীকার করে ইবনে সিনার কবিতাটা তুলে দিলাম : " আমার মত কাউকে ব্লাসফেমীর দায়ে অভিযুক্ত করা সহজ কিংবা সহজলভ্য নয় আমার চেয়ে দৃঢ় বিশ্বাস আর নেই আমার মত কেউ যদি অধার্মিক হয়ে থাকে তবে পৃথিবীতে আর কোন মুসলিম নেই " নিয়ে দ্বিমত নেই , পাকিস্তান বহু ক্ষেত্রেই চরম ভাবে ব্যর্থ হয়ছে কিন্তু সে ব্যর্থতার জন্য দায়ী কি শুধু পশ্চিম পাকিস্তানীরা ? সে ব্যর্থতার জন্য পূর্ব পাকিস্তানীদের কি কোন দায়ভারই নাই ? অথচ পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৬ % ভাগ ছিল পূর্ব পাকিস্তানী ফলে সকল ব্যর্থতা থেকে দেশকে বাঁচানোর বড় দায়িত্ব ছিল পূর্ব পাকিস্তানীদের সমগ্র পাকিস্তানের শিক্ষা , শিল্প , কৃষি , বাণিজ্যের অগ্রগতিতে অংশ নেওয়া দূরে এমনকি নিজ প্রদেশের নিজস্ব রাজনীতিতেও তারা ক্ষতার পরিচয় দিতে পারেনি অথচ পশ্চিম পাকিস্তানের মত পূর্ব পাকিস্তানে চারটি প্রদেশ ছিল না নানা ভাষাভাষির বিভক্তিও ছিল না কিন্তু আত্মঘাতি রাজনীতির কারণে নিজের ঘর গোছাতেই তারা চরম ভাবে ব্যর্থ হয় কিছু উদাহরণ দেয়া যাক ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধী আওয়ীম লীগ , শেরে বাংলার কৃষক শ্রমিক প্রজা পার্টি , নেজামে ইসলাম পার্টি , গণতন্ত্রি দল খেলাফতে রাব্বানী পার্টি ২১ দফার ভিত্তিতে যুক্ত ভাবে নির্বাচন করে নির্বাচনে তারা বিপুল ভাবে বিজয় লাভ করে ২৩৭টি আসনের মধ্যে তারা ২২৮টি আসন তারা লাভ করে কিন্তু বিজয়ের পর পরই তারা লিপ্ত হয় আত্মঘাতি লড়াইয়ে রাজনীতিকদের দাবি তারা সারা জীবন ব্যয় করলেন জনগণের জন্য ঠিক কথা কিন্তু জনগণ দেখলো তারা গোটা জীবন ব্যয় করেছেন নিজেদের দলীয় স্বার্থ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য গত চল্লিশ বছরে একবারও দেখলাম না আমরা যে জনগণের চেয়ে তাদের আর্থিক উন্নতি কম হয়েছে জনগণ যে তিমিরে ছিল সেখানেই আছে ওই যে বলেছি পাঁচটি মৌলিক অধিকারও তারা দিতে পারেননি সাধারন মানুষকে অথচ রাজনীতিকদের জন্য পাঁচ মৌলিক অধিকারের সব উপাদান - উপকরণ আছে রাজধানীতে শিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মানের স্কুল , কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয় , চিকিৎসার জন্য ব্যয় বহুল হাসপাতাল , দামি বস্ত্র , মাথা গোঁজার ঠাঁই তাদের প্রাসাদোপম , আর খাদ্যের কথা নাইবা তুললাম কারণ তারা হয়তো দেশি খাদ্য গ্রহণই করেন না দেশের ফলমূল খেলে তো বিষে জর্জর হতে হবে ! - ভয়তো আছেই নাকি বিষাক্ত জেনেই তারাও জনগণের মতো আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন ? মৌলিক চাহিদার বিষয়গুলো যদি গত চল্লিশ বছরে পূরণের তাগিদ রাজনীতিকদের মধ্যে থাকতো , তাহলে গ্রামাঞ্চলেও রাজধানীর মতো স্বাস্থ্য - সুবিধা [ উচ্চমূল্যেও হাসপাতাল নয় ] আন্তর্জাতিক মানের স্কুল কলেজ , অঞ্চলভিত্তিক উন্নতমানের বস্ত্র কারখানা , কর্মসংস্থানের সব ব্যবস্থা করতেন তারা বলবেন , সীমিত সম্পদ নিয়ে দেশ চালাচ্ছেন তারা ধীরে ধীরে - সব পূরণ হবে সত্য ৪০ বছর সময়ও সত্য এই দুই সত্য মিলে মাইনাসে আছি আমরা ব্রাÿণবাড়ীয়ার বাঞ্চারামপুর উপজেলার বুরবুরিয়া গ্রামের মোঃ কবীর হোসেন ৬০ বৎসর বয়সে হƒদরোগ এবং গলবøাডার সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৬ জুন রবিবার রাত ৩টায় ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসারত অব ¯ হায় শেষঃনিশ্বাস ত্যাগ করেন ( ইন্নালিলøাহির - রাজিউন ) মৃত্যুকালে বৃদ্ধা মা / ভাই বোন স্ত্রী সহ পুত্র কন্যা সন্তান রেখে গেছেন উলেøখ্য যে মরহুম মোঃ কবীর হোসেন হলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক বৃহওর কুমিলøা সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ আজাদ বাকিরের আপন বড় ভাই লেখক বলেছেন : জনাব চয়ন কান্তি , ভারত আমাদেরকে দেশ দিল বলে কি বোঝাতে চাইলে ? রক্তের দামে কেনা স্বাধীনতা , কারো কাছ থেইকা লিল্লা তো পাই নাই , তাই না সেনাবাহিনীর এলিটিসিজম নিয়া আপানার ক্ষোভ খুবই প্রাসংগিক কিন্তু এর মধ্যে ভারত আসল কোত্থেকে ? লেখক বলেছেন : তৃতীয় বিশ্বের একজন চাষীর প্রশ্ন " - হুমায়ুন আজাদ আগাছা ছাড়াই , আল বাঁধি , জমি চষি , মই দিই , বীজ বুনি , নিড়োই , দিনের পর দিন চোখ ফেলে রাখি শুকনো আকাশের দিকে ঘাম ঢালি খেত ' রে , আসলে রক্ত ঢেলে দিই নোনা পানি রূপে ; অবশেষে মেঘ মাটির দয়া ' লে খেত জুড়ে জাগে প্রফুল্ল সবুজ কম্পন খরা , বৃষ্টি , একশো একটা উপদ্রব কেটে গেলে প্রকৃতির কৃপা ' লে একসময় মুখ দেখতে পাই থোকা থোকা সোনালি শস্যের এতো ঘামে , নিজেকে ধানের মতোই সেদ্ধ ' রে , ফলাই সামান্য , এক মুঠো , গরিব শস্য মূর্খ মানুষ , দূরে আছি , জানতে ইচ্ছা করে দিনরাত লেফ - রাইট করলে ' মণ শস্য ফলে এক গণ্ডা জমিতে ? কলেজে ভর্তি হব বলে অনেক ঘটা করে ঢাকা আসলাম বড় ভাই ঢাবি ' রসায়নের ছাত্র ( ৯২ ব্যাচ ) হওয়ায় তার কাছেই উঠলাম যথারীতি শহিদুল্লাহ হলের এক্সটেনশনের ১২ নং রুমে আমার বড় ভাই্য়ের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল বন্ধুরমত বলা যায় সবকিছুই শেয়ার করতাম কয়েকদিন পরে ভর্তি হলাম শুভেচ্ছা কোচিং সেন্টারের বকশিবাজার শাখায় আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে একসাথে ভর্তি হলাম এই শাখাতেই বন্ধুরা ছিল সবাই আশেপাশেই আস্তে আস্তে বড় ভাইয়ের রুমমেটদের সাথে খাতির হতে থাকল এর মধ্যে আফরাদ ভাই ( প্রাণ রসায়ন ) , রফিক ভাই অন্যতম রফিক ভাই সেই রকম সব কবিতা লিখত আর সাথে আবৃত্তি তো ছিলই নতুন বাসায় উঠার আগ পর্যন্ত সেই ১২ নং রুমেই থাকতে হল আমার বড় ভাইয়ের আর একজন বন্ধু ছিল নাম কামাল আমাদের গ্রামেরই উনি পড়তেন জগন্নাথে মাঝে মাঝেই উনি আসতেন একদিন আমি দুপুরে ক্যান্টিনে খেতে যাব এমন সময় কামাল ভাই এসে হাজির বড় ভাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করতেই আমি বললাম , ভাই তো ক্লাস থেকে আসবে সেই বিকালে কামাল ভাই বলল , তুই তাহলে একটু দেরি কর , আমিও তোর সাথে খেতে যাই দুইজন একসাথে গেলাম খেতে ফজলুল হক হলের ক্যান্টিনে খেতে খেতে কামাল ভাই কয়েকটা ( ক্যান্টিনের ভাষায় ) মুরগী গরু সাবার করেছে আর আমি টা মুরগীতেই আটকে গেলাম আর তার সাথে ছিল সবজি বিল দেবার আগে কামাল ভাই আমাকে বলছে এই শোন তুই কোন কথা বলবি না আমি মাথা নেড়ে সম্মতি দিলাম ম্যানেজার বয়কে বলছে এই বিল কত ? ছেলেটা হিসাব করছে এমন সময় কামাল ভাই বলল , শোন ম্যানেজার / এর হিসাব বাদ দে মোট টার হিসাব কর ম্যানেজার কয় ভাই এইটা কি বলেন ? কামাল ভাই বলল , বহিরাগতরা এসে ফাও খেয়ে গেলে তোদের সহ্য হয় , আর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অরিজিনাল ছাত্র কয়েক টাকা কম দিলেই তোদের যত সমস্যা ? শেষ পর্যন্ত , ম্যানেজার টাকা কমই রেখেছিল একদিন বড় ভাইকে এই কথা জানানোর পরে ভাই আর উনার সাথে আমাকে খেতে যেতে নিষেধ করল কিন্তু সেকথা আর পুরোপুরি মানতে পারিনি

Download XMLDownload text