Text view
ben-26
View options
Tags:
Javascript seems to be turned off, or there was a communication error. Turn on Javascript for more display options.
ছোট ডিঙ্গি নৌকা ভাসে ঝিলের জলে , সেথা তুমি আমি আছি বসে সব ভুলে । চারদিক উছলানো অথৈ জলে ভরা মৃদু বাতাশ , দুরে ছোট ছোট ঘর বাড়ি কিনারে দোলে কাঁশ । সুরুজ পশ্চিমের আকাশে গেল অনেকটা হেলে , অপরুপ বর্ণিল কারুকার্য নানা মেঘেদের কোলে । আঁকছে প্রকৃতিক আলপনা , যা শিল্পির শুধু শুধুই কল্পনা । একটু পরে আঁধার এল ঘনিয়ে চারদিক অন্ধকার , সাঙ্গ হল মধুমাখা মুহু্র্ত সময় হল ঘরে ফিরবার ।
আইনশৃঙ্খলা অবস্থার উন্নতি হয়েছে প্রমাণ আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ , হজ্জ , ঈদ , পূজা , বড়দিন , পহেলা বৈশাখ , বিজয় দিবস , স্বাধীনতা দিবস , মাতৃভাষা দিবস শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে । সবার বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে একদিকে , আর অপরদিকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি । মূল্যস্ফীতি ১১ ভাগ থেকে কমিয়ে ৬ ভাগে আনা হয়েছিল এখন কিছুটা বেড়ে ৮ ভাগ হয়েছে । শ্রমিক ও দিনমজুরদের আয় বেড়েছে । সরকার সদাসচেষ্ট আছে এসব বিষয়ে । ১৫০০ টাকা যারা শ্রমের মূল্য পেত তারা ৩০০০ টাকা পায় । ধান কাটার সময় ৩০০ / ৪০০ টাকা দিনে মজুরি পেয়েছে । রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে ।
এই মূল্যায়নের পেছনে কোনো পরিসংখ্যান হাজির করা সম্ভব বলে মনে হয় না । আরো কিছু কারণে চিন্তাটাকে আমার সাম্প্রদায়িকতার রঙ্গে রঞ্জিত মনে হয়েছে ।
ত্রিপোলি , ২৭ জুন : লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ - পশ্চিমে সরকারবিরোধী ও গাদ্দাফি বাহিনীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হচ্ছে বলে বিবিসি জানিয়েছে । আর এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ব্যাপক হতাহতের আশঙ্কা করা . . . বিস্তারিত »
আমাদের আব্বুকে কখনোই আমরা গালাগালি বা আমাদের মারধর করতে দেখিনি । সবসময় ধীর স্থির চরিত্রের তিনি । দুনিয়ায় চলতে গেলে মানুষকে তো মাঝে মাঝে কঠোরও হতে হয় কিন্তু আব্বুর মধ্যে সেই কঠোরতা কমই দেখেছি । নিকটজনরা অনেক সময় ঠাট্টা করে বলে উনি তো দুনিয়ার জন্য তৈরি হয়নি ।
জনরোষের মুখে দেশ ছেড়ে পালালেন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট মানবজমিন ডেস্ক : ২৩ বছর একনাগাড়ে দেশ শাসন করার পরও দেশবাসীর ভালবাসা পেলেন না ছন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট জিনে আল আবিদিন বেন আলী । প্রবল জনরোষের মুখে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন । প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন । আশ্রয় নিয়েছেন সৌদি আরবে । প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ গানুচি ' কে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে । এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি । এর আগে ফ্রান্সের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে , তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সে আশ্রয় চেয়েছিলেন । কিন্তু ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি তার সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন । ওদিকে তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসের রাস্তায় শত শত সৈন্য টহল দিচ্ছে । রাস্তাগুলো জনশূন্য হয়ে পড়েছে । সান্ধ্য আইন প্রত্যাহার করা হলেও জরুরি অবস্থা বহাল রয়েছে । প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন , শুক্রবার রাতভর শহরের বিভিন্ন স্থানে লুটপাট হয়েছে । সহিংসতাও হয়েছে । বিশেষ করে ফরাসি মালিকানাধীন সুপার মার্কেটগুলোতে লুটপাট চালানো হয়েছে । শহরের প্রধান রেল স্টেশনটি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে । তিউনিসিয়ার মোনাস্তিরে একটি জেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন । জেলখানার কোন নিরাপত্তা প্রহরী আগুন ধরিয়ে দিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয় । মুহূর্তে সে আগুন ছড়িয়ে পড়ে জেলে । সৌদি রাজপ্রাসাদ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয় , বেন আলি গতকাল ভোরে সৌদি আরব পৌঁছেন । সৌদি সরকারি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ' র কর্মকর্তা সূত্রে এ খবর জানা যায় । বিবৃতিতে আরও বলা হয় , তিউনিসিয়ার ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণ বর্তমানে বিশেষ পরিস্থিতি অতিক্রম করছে । এই পরিস্থিতিতে তাদের প্রতি উদ্বেগ এবং তাদের দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রতি সমর্থন জানিয়েই সৌদি সরকার প্রেসিডেন্ট জিনে আল আবিদিন বেন আলি ও তার পরিবারকে স্বাগত জানিয়েছে । ১৯৮৭ সাল থেকে আবিদিন তিউনিসিয়ার রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন । কর্মসংস্থান , খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গত কয়েক সপ্তার বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয় । এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে । তিউনিসিয়ায় গত কয়েক সপ্তাহের বিক্ষোভ সহিংসতায় ২৩ জনের মৃত্যুর কথা জানা যায় । তবে মানবাধিকার গ্রুপগুলো জানিয়েছে , তিউনিসিয়ায় সামপ্রতিক বিক্ষোভ ও সহিংসতায় ৬০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছে । জনরোষ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় শুক্রবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ । আর এরপরই সপরিবারে সৌদি আরব পালিয়ে যান প্রেসিডেন্ট বেন আলি । অন্যদিকে এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব । যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বিক্ষোভকারীদের সাহসের প্রশংসা করেছেন । পাশাপাশি তিনি অদূর ভবিষ্যতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের নেতা বেছে নেবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন । তিউনিসিয়ার জনগণ ও তাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও । বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুততর করা সম্ভব : খাদ্যমন্ত্রী স্টাফ রিপোর্টার : খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী ড . মো . আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন , বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিত্তশালীরা সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে এগিয়ে এলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুততর করা সম্ভব । দরিদ্র মানুষকে শীতের কষ্ট থেকে রক্ষা করতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে । গতকাল খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী ড . মো . আব্দুর রাজ্জাক তাঁর সরকারি বাসভবনে ডাচ - বাংলা ব্যাংকের কাছ থেকে কম্বল গ্রহণকালে এ কথা বলেন । ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এস তাবরেজ মন্ত্রীর হাতে কম্বল তুলে দেন । এ সময়ে ব্যাংকের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন । দেশের শীতার্ত মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য আজ খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে ৩০ হাজার পিস কম্বল দেয়া হয় । ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তর সারা দেশে এ কম্বল বিতরণ করবে । ড . রাজ্জাক বলেন , এ বছরে শীত মৌসূম শুরুর আগেই খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে এক লাখ ৬৪ হাজার পিস কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয় । পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে আরো ২২ হাজার পিস কম্বল দেয়া হয়েছে । আজকের পাওয়া এ কম্বল বিতরণের মাধ্যমে আরো ৩০ হাজার লোককে তীব্র শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে । তিনি বলেন , দেশের অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এভাবে এগিয়ে এলে শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘব করা যেমন সম্ভব , তেমনি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও জনগণকে রক্ষা করা সম্ভব । উন্নত বিশ্বের অনেক ধনী ব্যক্তি মৃত্যুর আগে জীবনের সঞ্চিত সমূদয় সম্পদ জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে দান করে যায় । আমাদের দেশে এমটি খুব একটা দেখা যায় না । আমাদের দেশে বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে সরকারের পাশাপাশি অনেক জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতো । মন্ত্রী দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করার জন্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান । এ সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগের সচিব ড . এম আসলাম আলম , অতিরিক্ত সচিব অসিত কুমার মুকুটমনি , ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো . জহিরুল হক , দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর মহাপরিচালক আহসান জাকির , মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম - সচিব মো . আব্দুল ওয়াজেদ , যুগ্ম - সচিব মো . ফজলুল হক ও প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার মনোজ কান্তি বড়াল উপস্থিত ছিলেন । মন্ত্রীসহ সরকারি কর্মকর্তাদের প্রাসাদোপম বাড়ি নিয়ে অসন্তোষ কাজী সোহাগ : রাজধানীর বুকে মন্ত্রীসহ সরকারি কর্মকর্তাদের প্রাসাদোপম বাড়ি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে । বিষয়টিকে সরকারি জমির অপচয় ও বিলাসিতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে সংসদীয় কমিটি । এদিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ ধরনের ৫৭টি বাড়ি চিহ্নিত করেছে । এসব বাড়িতে বসবাস করছেন মন্ত্রী , প্রতিমন্ত্রী , উপদেষ্টা , সচিবসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা । ওদিকে কমিটির পক্ষ থেকে এসব বাড়ির জন্য জমির পরিমাণ ১০ কাঠার মধ্যে রাখার সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে । তবে মন্ত্রণালয় কতদিনের মধ্যে এ সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে পারবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে । সার্বিকভাবে এটা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয় । তাদের এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে , রাজধানীতে ১৩ কাঠা থেকে প্রায় ৫ একরের সরকারি বাসা রয়েছে ৫৭টি । এর মধ্যে ১৮ পূর্ণ মন্ত্রী , সংসদ উপনেতা , প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সচিবসহ ৩ উপদেষ্টা , বর্তমান ও সাবেক বিচারপতিসহ ৫ বিচারপতি , মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ৮ সচিব , পুলিশের মহাপরিদর্শক , মহাহিসাব রক্ষক , জাতীয় রাজস্ব বোডের চেয়ারম্যান , ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার , ঢাকা দায়রা জজ প্রমুখ বসবাস করছেন । একমাত্র বিরোধীদলীয় নেত্রীর বাড়িতে কেউ বসবাস না করায় তা শূন্য পড়ে রয়েছে । সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে , সরকারের যত বড় কর্মকর্তাই হন না কেন বাড়ির জন্য ১০ কাঠার বেশি জমি বরাদ্দ রাখার প্রয়োজন নেই । বাকি জমিতে আলাদা বাড়ি বা ফ্ল্যাট বাড়ি করা হলে বেশি সংখ্যক কর্মকর্তার আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে । এ প্রসঙ্গে কমিটির সদস্য জহিরুল হক ভুঁইয়া মোহন মানবজমিনকে বলেন , মন্ত্রীসহ শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের প্রাসাদতুল্য বাড়ি নিয়ে কমিটির সদস্যরা অসন্তুষ্ট । যেখানে রাজধানীতে আবাসিক সঙ্কট তীব্র , সরকারি কর্মকর্তাদের থাকার জন্য বাড়ি নেই , সেখানে পুরনো প্যাটার্নে কয়েক বিঘা জমিতে নির্মিত বাড়িগুলোকে এখন বিলাসিতা এবং জমির অপচয় বলেই মনে হয় । তিনি বলেন , আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে । মন্ত্রণালয়ের দেয়া রিপোর্ট অনুযায়ী ৩ দশমিক ৬০ একরের সরকারি বাসায় থাকছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন , ৩ দশমিক ৪০ একরের ওপর নির্মিত দোতলা বাড়িতে পানি সম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন , ১ দশমিক ৪০ একরের বাসায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম , ৩ দশমিক ৯২ একরের ওপর নির্মিত বাড়িতে পরিকল্পনামন্ত্রী একে খন্দকার । হেয়ার রোডের ১৯ নং বাংলো রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে বাস করছেন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক । দোতলা বাড়িটি ৪ দশমিক ৪৯ একরের ওপর নির্মিত । রিপোর্টে দুটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মা ও মেঘনাকেও তালিকভুক্ত করা হয়েছে । পদ্মা ১ দশমিক ৬৭ একর এবং মঘনা ১ দশমিক ৩৮ একরের ওপর নির্মিত । অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা জরুরি : বাণিজ্যমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার : বাণিজ্যমন্ত্রী লে . কর্নেল ( অব . ) ফারুক খান বলেছেন , দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা জরুরি । রাজনৈতিক অস্থিরতা বন্ধ করতে পারলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব । গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বাংলাদেশ শিল্প ও উন্নয়ন পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ' বাংলাদেশের উন্নয়ন ' শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন । বাংলাদেশ শিল্প ও উন্নয়ন পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক তাহমিনা আক্তারের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ( অব . ) হান্নান শাহ , সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু , বিকেএমইর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক । সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এডভোকেট রহমত আলী এমপি । সেমিনারে বাংলাদেশকে মালয়েশিয়া ও ইতালির ন্যায় উন্নত , নারায়ণগঞ্জকে নিট রাজধানী ঘোষণা , নরসিংদীকে টেক্সটাইল রাজধানী ঘোষণা , নোয়াখালীতে সমুদ্রবন্দর , ছাত্রদের শিল্প ঋণ ও ট্রেনিং প্রদান , সিটি করপোরেশন শিল্প মার্কেট ও প্রতিটি উপজেলায় শিল্পব্যাংক প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয় । বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন , বিশ্ব মন্দার মধ্যেও গত ২ বছরে দেশ সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে । গত বছর প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী ১২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম । বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ , সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করা হচ্ছে । যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ শুরু হয়েছে । আগামী ৩ বছরের মধ্যেই দেশের অনেক খাতে পুরোপুরি উন্নয়ন করা সম্ভব হবে । বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ( অব . ) হান্নান শাহ বলেন , দেশে বছর বছর পরিকল্পনা করা হয় কিন্তু বাস্তবায়ন করা হয় না । বর্তমানে দেশে বিশেষজ্ঞ ও সম্পদের অভাব নেই , কিন্তু সুযোগের অভাবে সরকার তা কাজে লাগাতে পারছে না । বাড়তি বই নেয়া ৩২ স্কুল প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার সোলায়মান তুষার : প্রয়োজনের অতিরিক্ত বই নেয়ায় ৩২টি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার । ওইসব স্কুলের সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধ করে দেয়া হবে । এছাড়া শুধু অনুমতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অনুমতি বাতিল করা হবে । প্রাথমিকভাবে ৮৭টি প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করা হয়েছিল । পরে ৩২টি স্কুলে বাড়তি বই নেয়ার প্রমাণ পাওয়া যায় তদন্তে । এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকরা চাহিদাপত্র দিয়ে ১ লাখ ৮ হাজার বই অতিরিক্ত নেন । এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে রাজধানী সবুজবাগের মানিকনগর মডেল হাইস্কুল , খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল , সদরঘাটের ইস্ট বেঙ্গল ইনস্টিটিউট , সূত্রাপুরের সেন্ট্রাল হাইস্কুল , পল্লবীর কাশী ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় , মীরপুরের পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার স্কুল , দক্ষিণখানের উদয়ন স্কুল , মুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ , উত্তরার মুন পাবলিক স্কুল , দক্ষিণখানের মোল্লারটেক উদয়ন স্কুল , ধানমন্ডির ঢাকা পাবলিক স্কুল । সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় , মুন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে একটি শ্রেণীর জন্য বই প্রয়োজন ৪৫ সেট । তারা নিয়েছে ৯২ সেট । স্কুলটিতে একটি শ্রেণীতেই বেশি গেছে ৪৭ সেট বই । একইভাবে পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার স্কুলে একটি শ্রেণীর জন্য প্রয়োজন ৬৩ সেট । তারা নিয়েছে ১৩৫ সেট । তারা একটি শ্রেণীর জন্য বেশি নিয়েছে ৭২ সেট বই । এভাবে কয়েক শতাধিক প্রতিষ্ঠান বাড়তি বই নিয়ে বিতরণের আগেই কালোবাজারে বিক্রি করে দিয়েছে । এসব স্কুলের শিক্ষকরা কালোবাজারে বই বিক্রি করতেই অতিরিক্ত বই নিয়েছিল বলে মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় । অতিরিক্ত বই নেয়ার প্রমাণ মেলায় দেশব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছিল । এছাড়া , অতিরিক্ত বই ফেরত দিতে ৭ দিনের আলটিমেটাম দেয়া হয়েছিল । যেসব স্কুল প্রধান বই ফেরত দিয়েছেন তাদের বিষয়টা বিবেচনার মধ্যে রয়েছে । আর যারা বই ফেরত দেননি তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে মন্ত্রণালয় । এ বছর মাধ্যমিকের মোট বইয়ের ৫ শতাংশ এবং প্রাথমিকের ১৫ শতাংশ বাফার ( অতিরিক্ত ) রেখে মোট ২৩ কোটি ২০ লাখ বই ছাপা হয় । এর মধ্যে মাধ্যমিকে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনসহ এবতেদায়ী , দাখিল , দাখিল ভোকেশনাল , মাধ্যমিক ভোকেশনাল পর্যায়ে মোট ১২ কোটি ৭৫ লাখ ২ হাজার ৭৫৯টি এবং প্রাথমিকে ইংরেজি ভার্সনসহ মোট বইয়ের সংখ্যা ১০ কোটি ৪৮ লাখ ৬ হাজার ৪৭৫টি । নতুন ভাড়া কার্যকর আজ বেশি নিলে পুলিশে স্টাফ রিপোর্টার : সিএনজি অটোরিকশার নতুন ভাড়া আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে । নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় করলে অটোরিকশা চালকদের পুলিশে সোপর্দ করতে যাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে । ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি বরকত উল্লাহ ভুলু গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান । তিনি বলেন , নতুন ভাড়া বিষয়ে গত ৯ই জানুয়ারি সরকার , অটোরিকশা মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠনের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে । চুক্তি অনুযায়ী ১৫ই জানুয়ারি থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া প্রথম দুই কিলোমিটারের জন্য ২৫ টাকা করা হয়েছে । পরবর্তী প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ৬ টাকার স্থলে করা হয়েছে ৭ টাকা । এ ছাড়া বিরতিকালের জন্য প্রতি মিনিট ১ টাকার পরিবর্তে ১ টাকা ২৫ পয়সা করা হয়েছে । সিএনজি অটোরিকশা মালিকের দৈনিক জমা ৪৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬০০ টাকা । এ নিয়মের বাইরে গেলে চালক ও মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে । অটোরিকশা চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করলে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষে টেলিফোন করার জন্য বা আশপাশে ট্রাফিক পুলিশের কাছে অভিযোগ করার জন্য যাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান ভুলু । তিনি বলেন , ' অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে চালকের জরিমানা অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল অথবা তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে । ' নতুন নিয়ম চালু করতে অটোরিকশায় মিটার স্থাপন ও নষ্ট হয়ে যাওয়া মিটার ঠিক করা হয়েছে জানিয়ে ভুলু বলেন , মিটার ছাড়া বা নষ্ট মিটার নিয়ে কোন অটোরিকশা রাস্তায় নামবে না । চালকদের কাছ থেকে বেশি জমা আদায় করলে মালিকদের গাড়ির নিবন্ধন বাতিল করা হবে বলে জানানো হয় । ঢাকা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হানিফ হোসেন বলেন , ' নতুন নিয়ম অনুযায়ী চালকরা ভাড়া আদায় করবে । অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই যাত্রীদের অভিযোগ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ট্রাফিক পুলিশ । মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এটিএম নাজমুল হাসান জানান , নতুন নিয়ম অনুযায়ী কাজ করতে তাদের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে । সব চালকই এ নিয়ম পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে । মায়াবতীর জন্মদিনে . . . মানবজমিন ডেস্ক : নিজের ৫৫তম জন্মদিনে ৪ হাজার কোটি রুপির ৬০০টি প্রজেক্টের উদ্বোধন করলেন ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী । ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায় , গতকাল তার জন্মদিন ঘটা করে আয়োজন করা হয় । প্রতি বছরই তার জন্মদিনকে ' জনকল্যাণ দিবস ' হিসেবে পালন করা হয় । মায়াবতী বলেন , এ দিবস উপলক্ষে আমার সরকার জনগণের স্বার্থে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং উপহার স্বরূপ উন্নয়ন স্কিম ঘোষণা করে । জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে রাজ্যের ৭২টি জেলায় বঞ্চিত , অবহেলিত বিশেষ করে দলিত সমপ্রদায়ের জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন স্কিম নিয়ে ক্যাম্প করা হয়েছে । মায়াবতী জানান , শিগগিরই জনহিত গ্যারান্টি আইনও বাস্তবায়ন করা হবে । এ আইনের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহি ও সময়মতো কাজ সম্পন্ন করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে । এ আইনে বিশেষ করে দলিত সমপ্রদায় ও গরিবরা উপকৃত হবেন বলে জানান মায়াবতী । রামপুরায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১ স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর রামপুরা থানাধীন মহানগর প্রজেক্ট এলাকায় পুলিশের গুলিতে শ্যামল ( ২২ ) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে । একই ঘটনায় আহত হয়েছে অনিক ( ১৮ ) নামের আরেক যুবক । পুলিশ দাবি করেছে , শুক্রবার রাত তিনটায় ইস্টার্ন হাউজিংয়ের বালুর মাঠে ছিনতাইকারীদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুক যুদ্ধে শ্যামল নিহত ও অনিক আহত হয় । তবে আহত অনিক বলে , আমাদের কাছে কোন অস্ত্র ছিল না । পুলিশের সঙ্গে কোন বন্দুক যুদ্ধও হয়নি । থানা হাজত থেকে রাতে চোখ বেঁধে বালুর মাঠে নিয়ে গিয়ে পুলিশ তাদের দু ' জনকে গুলি করেছে । রামপুরা থানা পুলিশ জানায় , ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবার ও তিনটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে । এ ঘটনায় ছিনতাই , পুলিশকে অ্যাসল্ট ও অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে ৩ জনকে আসামি করে ৪টি মামলা করা হয়েছে । ডিএমপি পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় , গত শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টায় ছিনতইকারী হাসান ( ২২ ) রাবিয়া খাতুন ( ৩০ ) নামে এক পথচারীর কাছ থেকে নগদ টাকা , মোবাইল সেট ও ১ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই করার সময় ধরা পড়ে । তার তথ্যমতে রামপুরা থানার পুলিশ এসআই সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে হাসানের সহযোগী শ্যামল ( ২৫ ) ও অনিক ( ২০ ) কে গ্রেপ্তার করে । এ ২ জনের তথ্যমতে শুক্রবার রাত পৌনে ২টায় আসামি শ্যামল ও অনিককে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে বের হয় পুলিশ । মহানগর প্রজেক্ট বালুর মাঠে যাওয়ার পর সশস্ত্র অস্ত্রধারীরা আসামিদের ছিনিয়ে নেয়ার জন্য পুলিশের উপর গুলি চালায় । এ সময় আত্ম রক্ষার জন্য পুলিশও ২ রাউন্ড গুলি চালায় । অন্যদিকে সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলি আসামি শ্যামলের বাম পায়ে ও অনিকের বাম পায়ের হাঁটুর নিচে লাগে । পরে গুলিবিদ্ধ ২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গতকাল সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শ্যামল মারা যায় । মৃত শ্যামলের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানা ও তেজগাঁও থানায় ২টি মামলা আছে । অনিককে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । সেখানে চিকিৎসাধীন অনিক সাংবাদিকদের বলে , পুলিশ শুক্রবার দুপুরে সালামবাগ জামে মসজিদের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে । সন্ধ্যার পর তার চোখ বেঁধে বালুর মাঠে নিয়ে যায় । পুলিশ বলে অস্ত্র কোথায় আছে । আমার কাছে কোন অস্ত্র নেই । এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দুজনকে গুলি করে । অনিক বলে , শ্যামল তার অপরিচিত । অনিকের খালা রোকেয়া বেগম বলেন , অনিককে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ তাদের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে । টাকা না দেয়ায় তাকে গুলি করা হয় । একই কারণে শ্যামলকে হত্যা করা হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন । অনিকের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে । ঢাকায় পূর্ব রামপুরার ১৬৯ / ১৩ / ৩ নম্বর বাসায় থাকে । তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম । এ ছাড়া নিহত শ্যামলের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে । যুক্তরাজ্যে আটক সেই ৯ বাংলাদেশী ফের রিমান্ডে মানবজমিন ডেস্ক : বৃটেনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটক সেই ৯ বাংলাদেশীকে শুক্রবার ৩৩৮ বছরের পুরনো ওল্ড বেইলি কোর্টে তোলা হয়েছিল । শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে ফের রিমান্ডে দিয়েছে । আগামী ২৫শে ফেব্রুয়ারি তাদেরকে ফের আদালতে তোলা হবে শুনানির জন্য । আর সে পর্যন্ত তারা রিমান্ডে থাকবে । এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা টিএনএন । এতে আরও বলা হয়েছে - আটক ওই যুবকদের বয়স ১৯ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে । তাদের মধ্যে একজন নিজেকে গুরুকনাথ দেশাই বলে পরিচয় দিচ্ছে । এতে পুলিশের সন্দেহ সে নিজেকে রহস্যে জড়িয়ে রাখছে । তবে পুুলিশ নিশ্চিত হয়েছে অন্য অভিযুক্ত আবদুল মিয়ার ভাই । আটক অন্যদের নাম প্রকাশ করা হয়নি । আদালতে শুক্রবার শুনানির সময় উপস্থিত ছিল অভিবাসন বিরোধী ডানপন্থি সংস্থা ইংলিশ ডিফেন্স লীগের নেতাকর্মীরা । আদালতের বাইরে তাদের নেতাকর্মীরা এ সময় যুক্তরাজ্যকে ইসলামীকরণ করা হচ্ছে বলে স্লোগান দেয় । ফলে আদালতের ভিতর - বাইরে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ । গত ৬ই নভেম্বর থেকে ২১শে ডিসেম্বরের মধ্যে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযুক্তদের আটক করা হয় । তারা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে । প্রার্থী বাছাইয়ে দলগুলো ভুল করেছে : সিইসি বিডিনিউজ : পৌর নির্বাচনে বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থীর বিজয়ের কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা মনে করছেন , প্রার্থী বাছাইয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ভুল করেছে । নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত বিরক্তি থেকে উদ্ভূত বলেও জানিয়েছেন তিনি । গতকাল ্তুস্থানীয় সরকার নির্বাচন : গণ - প্রত্যাশা ও গণমাধ্যম ' শীর্ষক এক সেমিনারে সিইসি বলেন , ' পৌর নির্বাচনে এত বিদ্রোহী প্রার্থী কেন হলো ? কারণ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী বাছাইয়ে দুর্বলতা আছে । ' জনগণ ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে সঠিক প্রার্থী নির্বাচনে ভুল করে না ' - বলেন তিনি । গত ১২ ও ১৩ই জানুয়ারি দেশের ১২১ পৌরসভায় নির্বাচন হয়েছে । এতে সাত পৌরসভায় মেয়র পদে বিএনপি ' র ' বিদ্রোহী ' প্রার্থী জয়ী হয়েছে । আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীরা মেয়র নির্বাচিত হয়েছে ১২টি পৌরসভায় । শামসুল হুদা বলেন , নির্বাচন কমিশনও সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে আইনি সংস্কার এনেছে । পাশাপাশি তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও প্রার্থী বাছাই করতে হবে । চার বিভাগে নির্বাচনে প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে সিইসি জানান । এ পর্যন্ত পৌর নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে ইসি সন্তুষ্ট বলে জানান তিনি । নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সংস্কৃতি বাদ দিয়ে প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন বিভাগকে উজ্জীবিত করার আহ্বান জানান সিইসি । স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বারবার সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবিতে ইসি ' বিরক্ত ' হয়েছে জানিয়ে শামসুল হুদা বলেন , ' নির্বাচনে আমরা সেনাবাহিনী দিতে চাই না । সেনাবাহিনী আমাদের লাস্ট রিসোর্স । কারণে - অকারণে এ বাহিনীকে চাওয়া ঠিক না । এবার আমরা বিরক্ত হয়ে সেনাবাহিনী নিয়োগ করেছি । বিএনপি পৌর নির্বাচনে বারবার সেনা মোতায়েনের দাবি জানায় । সিইসি বলেন , ' এতে দুর্বলতা থাকলে তা চিহ্নিত করা যাবে । আমাদের প্রশাসনকে উজ্জীবিত করতে হবে । প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে কাজে লাগাতে হবে । প্রশাসন ও পুলিশের বিকল্প হিসেবে সেনাবাহিনীকে দাঁড় না করানোর ইঙ্গিত দিয়ে শামসুল হুদা বলেন , ' বিকল্প দাঁড় করানোর কোন যুক্তি হতে পারে না । জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ও দীর্ঘ মেয়াদে তা সুফল বয়ে আনবে না । সেমিনারে তথ্য কমিশনার সাদেকা হালিম বলেন , ' পৌর নির্বাচন প্রমাণ করেছে - নির্বাচনে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন নেই । কিন্তু দেশে যারাই বিরোধী দল থাকে নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি করার তাদের সংস্কৃতি হয়ে গেছে । নারী মেয়র নার্গিসকে অভিনন্দন : দুই বিভাগের নির্বাচনে এ পর্যন্ত মেয়র পদে বিজয়ী চারঘাটের নার্গিস খাতুনকে অভিনন্দন জানান সিইসি । তিনি বলেন , ' চারঘাটের এই নারীকে কেন্দ্র থেকে ও দলীয়ভাবে সমর্থন দেয়া হয়নি । কিন্তু জনগণ নাকি তাকে চায় । আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েও ৪ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি । নারীর ক্ষমতায়নের ওপর তাগিদ দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে নারী প্রার্থী বাছাইয়ে জোর দেয়ার আহ্বান জানান শামসুল হুদা । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সেমিনারে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব - উল - আলম হানিফ , ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ - এর ( টিআইবি ) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জমান বক্তব্য রাখেন । ঢাবি ' র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা অ্যালামনাই এসোসিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী সিনেট ভবনে ওই সেমিনারটির আয়োজন করে । শৈলকুপায় আওয়ামী লীগের দু ' গ্রুপে সংঘর্ষ , কাউন্সিলরসহ আহত ১০ , বাড়িঘর ভাঙচুর ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : শৈলকুপায় আওয়ামী লীগের দু ' গ্রুপের সংঘর্ষে মহিলা কাউন্সিলরসহ ১০ জন আহত হয়েছে । পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত ও বিজয়ী মেয়র প্রার্থীর কর্মী - সমর্থকদের মধ্যে গতকাল দুপুরে এ সংঘর্ষ হয় । সংঘর্ষের সময় ৫টি দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে । এ ঘটনায় পুলিশ রকিব ও মীর কামরুজ্জামান টিপু নামে দুই জনকে আটক করেছে । প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , গত ১৩ই জানুয়ারি পৌর নির্বাচনে সদ্য বহিষ্কৃত পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী আশরাফুল আজম মেয়র নির্বাচিত হন । পরাজিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান । সকাল ১১টার দিকে শহরের চৌরাস্তার মোড়ে সমর্থক রনি ও মাসুদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে । এ ঘটনার জের ধরে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে । দুপুর ২টার দিকে পৌর এলাকার কাজীপাড়া মোড়ে উভয় গ্রুপের কয়েক শ নেতা - কর্মী ও সমর্থক আগ্নেয়াস্ত্র , দেশীয় ঢাল , সড়কি , রামদা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে । সংঘর্ষের সময় পুরো শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয় । দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় । পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিকের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয় । সংঘর্ষে ১নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর সুলতানা জাহান বিনু ( ৪০ ) , শৈলকুপা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি কাজী মোস্তাফিজুর রহমান নওরোজ ( ৪২ ) , উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রানাউজ্জামান বাদশার স্ত্রী রানী জামান ( ৩৮ ) , স্কুল শিক্ষক ফজলুর রহমান ( ৪৫ ) , মীর রাসেল ( ২৫ ) , হিল্লোল ( ৪০ ) , যাদু মিয়া , কাজল দে , সজল , প্রদীপ , আনিছ , মিঠু ও ডলি বেগমসহ ১৫ জন আহত হয় । আহতদের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে । ১৭ই জানুয়ারি থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজা শুরু স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আগামী ১৭ই জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে নিয়মিত পূজা । এজন্য মন্দিরের মূল বেদি শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী শুদ্ধ করে বিগ্রহ স্থাপন করা হবে । ১৭ই জানুয়ারি শাস্ত্রীয় আচার সম্পন্ন করে ওই দিন থেকে শুরু হবে পূজা । শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত ও ধর্মীয় নেতারা মিলে দিনটি ঠিক করেছেন । গতকাল ঢাকেশ্বরী মন্দিরের মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির নেতারা এ ঘোষণা দেন । সংবাদ সম্মেলনে পূজা কমিটির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবুল দেবনাথ । বাবুল দেবনাথ বলেন , ঢাকেশ্বরী মন্দিরেই নয় , মহানগরীর রাজারবাগ বরদেশ্বরী কালীমন্দির ও ওয়ারীর জয়কালী মন্দির থেকে কালী মূর্তির সোনার অলঙ্কার ও মূল্যবান সামগ্রী চুরি করা হয়েছে । এ ছাড়া গত ১ মাসের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের বালাজোড় আখড়া মন্দির , টানবাজার আখড়া মন্দির , বলদেব আখড়া মন্দির , গৌর নিতাই আখড়া মন্দির , মুন্সীগঞ্জের জয়কালী মাতা মন্দির , আবদুল্লাপুর শ্মশানকালী মন্দির , মিরকাদিম মনমোহন মন্দির , চট্টগ্রামের মিঠাছড়ার মহামায়া মন্দিরেও একই কায়দায় চুরি হয়েছে । অন্যদিকে অপবিত্র ও তছনছ করা হয়েছে মন্দিরে স্থাপিত বিগ্রহ । এসব ঘটনা ছিল পরিকল্পিত । যা হিন্দুু সমপ্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা ও অনিশ্চয়তা তৈরির একটি ষড়যন্ত্র । যুদ্ধাপরাধীদের বিচার , সরকারের ' ৭২ - এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার উদ্যোগ ও অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করার জন্য এসব ষড়যন্ত্র চলছে । বাবুল দেবনাথ আরও বলেন , এসব ঘটনা সাধারণ কোন ঘটনা নয় । এদিকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের চার পাশে দেবোত্তর সম্পত্তি জবরদখল হওয়ায় মন্দিরের নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব অনেক আগে থেকে হুমকির মুখে ছিল । এজন্য মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি দীর্ঘ দিন আন্দোলন চালিয়ে এলেও কোন সমাধান পায়নি বলে অভিযোগ করেন লিখিত বক্তব্যে । সংবাদ সম্মেলনে অন্য নেতৃবৃন্দ বলেন , ৮ই ডিসেম্বর রাতে মন্দিরে ৩ জন পুলিশের পাহারাও ছিল । চুরির ঘটনার পর তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি । এ ব্যাপারে চকবাজার থানার ওসি সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন , এরা রাজারবাগ পুলিশ লাইনের পুলিশ ছিল । তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে । তবে তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি । মহানগর সার্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি বীরেশ চন্দ্র সাহা , বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি এড . সুব্রত চৌধুরী , সাধারণ সম্পাদক মঙ্গল চন্দ্র ঘোষ প্রমুখ । মহাজোট সরকার জনগণের সরকার নয় : খন্দকার মোশাররফ স্টাফ রিপোর্টার : মহাজোট সরকার জনগণের সরকার নয় বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি । দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড . খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন , আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হলে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় কিন্তু বিরোধী দলের নেতা নিহত হলে সরকারের কোন তৎপরতা দেখা যায় না । এতেই প্রমাণিত হয় , বর্তমান মহাজোট সরকার জনগণের সরকার নয় । গতকাল বিকালে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে ঢাকা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে ডিসিসি ' র ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর চৌধুরী আলমের সন্ধান এবং মুক্তির দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ করেন । ঢাকার ৪১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খুন হওয়ার পর শেরেবাংলা নগর থানার ওসিকে বরখাস্ত এবং কয়েকজন কর্মকর্তাকে বদলির প্রসঙ্গ তুলে ড . মোশাররফ বলেন , কয়েকদিন আগে রাজধানীতে যুবদল নেতা শহীদ মোল্লা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কিংবা চৌধুরী আলম গুম হয়ে যাওয়ার পর সরকার কোন ব্যবস্থা নেয়নি । উল্টো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন , আইনশৃঙ্খলা অতীতের চেয়ে ভাল । অথচ যখন আওয়ামী লীগের নেতা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে , তখন পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও স্বীকার করেছেন , আইনশৃঙ্খলার কিছুটা অবনতি হয়েছে । এটা কোনভাবেই জনগণের সরকারের চরিত্র হতে পারে না । খুলনা ও বরিশাল বিভাগে পৌর নির্বাচনের ফল পাল্টে দেয়ার অভিযোগ করে ড . মোশাররফ বলেন , রাজশাহী বিভাগের পৌর নির্বাচনগুলোতে জাতীয়তাবাদী শক্তির ব্যাপক বিজয় দেখে বরিশালের পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রভাব বিস্তার করেছে । তিনি সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন , একই ঘটনা ঢাকা , চট্টগ্রাম ও সিলেটে ঘটলে পরিণতি ভাল হবে না । আমরা সরকারকে বলবো , জোর - জবরদস্তি করে ফল পাল্টানোর চেষ্টা করবেন না । তাহলে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে । প্রায় সোয়া ২০০ দিন আগে নিখোঁজ ডিসিসি কমিশনার চৌধুরী আলমের সন্ধান চেয়ে ড . মোশাররফ বলেন , এভাবে একজন জনপ্রতিনিধি নিখোঁজ হওয়ার পরও সরকার কোন ব্যবস্থা নেয়নি । এটা নিন্দনীয় । দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কি পর্যায়ে পৌঁছেছে , তার প্রমাণ এ ঘটনা । ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন দেয়ার দাবি জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন , পরাজয়ের শঙ্কা থেকেই স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এ প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন দিচ্ছে না সরকার । সভাপতির বক্তব্যে ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকা বলেন , ডিবি পুলিশের সূত্র ধরে চৌধুরী আলমের সন্ধান দিতে না পারলে আগামীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে । বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া , চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জমান দুদু , সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন , অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম , যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল , স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল , মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ । মাহমুদুর রহমানের গ্রেপ্তার গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের হুঁশিয়ারি : নজরুল ইসলাম খান স্টাফ রিপোর্টার : দৈনিক আমার দেশ - এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের গ্রেপ্তার গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের হুঁশিয়ারি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান । বলেছেন , আওয়ামী লীগ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা এক সঙ্গে চলতে পারে না । মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে সরকার অন্যদের হুঁশিয়ার করে দিয়েছে । সরকারের ব্যর্থতা , দেশবিরোধী কোন চুক্তির বিপক্ষে লেখালেখি করলে মাহমুদুর রহমানের মতো কারাগারে যেতে হবে । গতকাল সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরাম বাংলাদেশ আয়োজিত ' গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মাহমুদুর রহমান ' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন । আলোচনা সভায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন , একটি রাষ্ট্রকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার প্রধান মাধ্যম হলো আইন । আইনকে উল্টে - পাল্টে দিলে সবকিছু উল্টে - পাল্টে যাবে । ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন আহমেদ সেলিমের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি অলিউল্লাহ নোমান । আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে পেশাজীবী নেতা ইঞ্জিনিয়ার আনহ আক্তার হোসেন , ইঞ্জিনিয়ার এজেডএম সামসুদ্দিন খান , শিক্ষক নেতা ড . সদরুল আমিন , ড . আ ফ ম ইউসুফ হায়দার , অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া , কবি আবদুল হাই শিকদার , সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী , মাহবুবুর রহমান , মোস্তাফিজুর রহমান মানিক ও রিয়াজুল ইসলাম রিজু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন । ' রেসালাহ শিকড় ' - এর চুক্তিনামা হস্তান্তর ' বিশ্বস্ততার নতুন প্রতিশব্দ ' স্লোগান সামনে নিয়ে রেসালাহ প্রপার্টিজ এন্ড ডিজাইন টেকনোলজি লি . ' রেসালাহ শিকড় ' নামে একটি প্রজেক্ট , ক / এ , ৯৮ কলেজ রোড , পশ্চিমপাড়া , কালাচাঁদপুর , উত্তর বারিধারা , ঢাকাস্থ ১৫ কাঠা জমির ওপর ১০তলা বিল্ডিং নির্মাণের উদ্দেশ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করেন । ল্যান্ড ওনার শিল্পপতি ইলিয়াছ জাকারিয়া জুয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিদারুল আলম মজুমদারের কাছে গৃহীত চুক্তিনামাটি হস্তান্তর করেন । এতে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ডিরেক্টর ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হক , ডিরেক্টর ইঞ্জি . ইলিয়াছ চৌধুরী মহাব্যবস্থাপক মাহবুব - ই - সোবহানী , শিপন প্রমুখ । উল্লেখ্য , ভবনটিতে প্রতি তলায় প্রায় ১৩৫০ বর্গফুট আয়তনবিশিষ্ট প্রতি ফ্লোরে ৪ ইউনিট করে মোট ৩৬টি ফ্ল্যাট ও ৩৬টি কার পার্কিং থাকবে । প্রজেক্টটি হস্তান্তরের সম্ভাব্য সময় জুন , ২০১৪ সাল । বিজ্ঞপ্তি
এই আপডেট পাবো সেটা আশা করিনি ! অথবা আসলে এরকমই আপডেট পাওয়াটা স্বাভাবিক ।
পদ্মা অয়েল কোম্পানি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম জ্বালানি তেলের কোম্পানি । বন্দর ও শিল্প নগরী আশুগঞ্জেও রয়েছে এই কোম্পানির জ্বালানি তেলের ডিপো । এই ডিপোতে কেরোসিন ও ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেল থাকলেও নেই শুধু পেট্রোল ও অকটেন । পদ্মার এজেন্ট ও ডিলারগণ পেট্রোল ও অকটেন এই ডিপোর মাধ্যমে সরবরাহ করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন । এ নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে অনেক লেখালেখি হয়েছে । কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী ৪০ বছরেও পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহের কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি । ফলে এজেন্ট ও ডিলারদের দারুণ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে । ঢাকা - সিলেট মহাসড়ক নবরূপে নির্মিত হওয়ার পরও আশুগঞ্জ - মেঘনা সেতু চালু হওয়ায় এই ডিপোর গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে ।
দুই : যথাসম্ভব চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে অথবা চর্বি জাতীয় খাবার কম আহার করতে হবে । পাশাপাশি সুষম খাবার যেমন , প্রচুর শাক - সবজি , প্রয়োজন মত মাছ - মাংস , ডিম ও প্রচুর ফল খেতে হবে । এছাড়া প্রতিদিন ৮ - ১০ গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে । পাশাপাশি কোন ধরণের ফাস্টফুড , তেলেভাজা খাবার ও সফট ড্রিংস খাওয়া চলবেনা ।
দরোয়ান বিনোদিনীর চিঠি লইয়া বিহারীকে না পাইয়া চিঠি ফিরাইয়া লইয়া আসিল । মহেন্দ্র তখন দেউড়ির সম্মুখে ছোটো বাগানটিতে বেড়াইতেছিল । জিজ্ঞাসা করিল , " এ কাহার চিঠি । " দরোয়ান সমস্ত বলিল । মহেন্দ্র চিঠিখানি নিজে লইল ।
[ লেখাটি লিখেছেন মাহবুব মোর্শেদ । বিডি নিউজের সৌজন্যে পোস্ট করে দিলাম ]
বঙ্গবন্ধু সরল মনে ওদের করেছিল ক্ষমা ক্ষমা পাওয়ার পর এখন ওরা হয়েছে একত্রে জমা ।
সাজিদ বলেছেন : কম মানুষদের সাথেতো মিশলাম না । আমারতো নিজেদেরকেই ( বাংলা বিহার উড়িষ্যা / সাবেক ভারত বর্ষ ) সবচেয়ে খারাপ মনে হয় ।
৩ . সতীত্ব প্রকল্প : যত যাই হোক , সতী নারীর পতি মরে না ! এই হচ্ছে সনাতন চিন্তাভাবনার আধুনিক রূপায়ন । পরকীয়া আছে - আছে করেও নাই । আর এমন হাস্যকর সতীপনা , বাবা কেন চাকর ধরনের বাণিজ্যিক ছবিতেও হয়ত এতো দেখা যায় না ।
প্রজন্ম ফোরাম » তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি » সিডি রাইট
চতুর্থটা হলো সুরা হুজুরাত আয়াত ১৩ [ হে মানব , আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি , যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও । নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে - ই সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক পরহেযগার । নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ , সবকিছুর খবর রাখেন । ] ( ৪৯ : ১৩ )
দৈনিক কিশোরগঞ্জ ডেস্ক : বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার আশপাশের চারটি নদ - নদী হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসরণ না করায় পাঁচ সচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করা হয়েছে । গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বিচারপতি মো . আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেনের সমন ¦ য়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন । পরিকল্পনাসচিব , নৌপরিবহনসচিব , যোগাযোগসচিব , অর্থসচিব ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বিআইডব্লিউটিএয়ের চেয়ারম্যান , ভূমি জরিপ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক , ঢাকা , গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে রুল জারি করা হয়েছে । এঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না , তা চার সপ্তাহের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে । বুড়িগঙ্গা , শীতল্যা , বালু ও তুরাগ রায় হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশনা অনুসারে স্থায়ী - অস্থায়ী স্থাপনা অপসারণ করা হয়নিÑঅভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয় । হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় গত রোববার একটি আবেদন করা হয় । গত সোমবার দুপুরে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন হাইকোর্ট । বিকেলে আদালত অবমাননার আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা হয়নি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপ অস্বারিত আদেশ প্রত্যাহারের আরজি জানান । আদালত আজ আবেদনের বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য করেন । উভয় পরে শুনানি নিয়ে আদালত গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রুল জারি করেন । এর আগে শুনানিতে অংশ নিয়ে রাষ্ট্রপে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান বলেন , আদালত অবমাননার আবেদনে বিবাদীর নাম উল্লেখ করতে হয় । এ েেত্র তা করা হয়নি । এ ছাড়া চার নদী রায় হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছে । তাই আবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয় । এর বিরোধিতা করে আবেদনকারীদের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন , ' নাম উল্লেখ ছাড়াও আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়েছে । তাতে আদালত রুলও জারি করেছে । সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলা হলেও আমি এ ধরনের আবেদনের বিষয়ে অবহিত নই । ' দুই পরে শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন । চার নদ - নদী রায় আদালতের নির্দেশনা চেয়ে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবী ২০০৯ সালে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন । রিটের ওপর চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২৫ জুন আদালত ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেন । এতে চার নদীর মধ্যে অবস্থিত সব স্থায়ী - অস্থায়ী স্থাপনা ২০১০ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অপসারণ বা উচ্ছেদ করার নির্দেশনাসহ নদীতীরে সীমানা খুঁটি স্থাপন করতে বলা হয় । তবে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রপ সময় আবেদন করলে গত বছরের ৬ অক্টোবর হাইকোর্ট চলতি বছরের ৩০ মে পর্যন্ত সময় দেন । বেঁধে দেওয়া ওই সময়ের এক মাস পেরিয়ে গেলেও ওই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে ২ জুন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাবরে আইনি নোটিশ পাঠানো হয় । নোটিশে সাত দিনের মধ্যে আদালতের নির্দেশনা অনুসারে পদপে নিতে বলা হয় । বলা হয় , নতুবা আদালত অবমাননার আবেদন করা হবে । এরই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টে আবেদনটি করা হয় ।
মাওলানা আবদুস সোবহান পাবনা ৫ আসনে বিএনপি - জামাত মনোনীত প্রার্থী ছিল
আজ পরিবেশ অনেক মন খারাপ করা পরিবেশ । বাহিরের ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে । আবার বৃষ্টি থেকে যাচ্ছে্ । আবার একটু পর বৃষ্টি … … … … . . কিছুক্ষন বারান্দায় বসে বৃষ্টি দেখছিলাম । একটু দেখার পর আর ভাল লাগছিল না । মনে হচ্ছিল কাউকে অনেক মিস করছি । আসলে কি বৃষ্টি আমাদের নল্টালজি করে ফেলে । হয়ত এটাই নিয়ম । এই গানটা আজ বারবার শুনছি । আর নল্টালজি হয়ে পড়ছি । শুনে দেখুন গানটা … … … … … রবীঠাকুরে বিখ্যাত একটা গান
এখন মনে হয় , আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে যে গ্রামে ও যে নদীর তীরে তা ভারী সুন্দর ! বাংলাদেশের আর দশটি গ্রামের মতই বৈচিত্রহীন একটা গ্রাম । আর সে গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তারও চেয়ে বৈচিত্রহীন একটা নদী । বাংলাদেশে নদীর কত সুন্দর সুন্দর নাম , মেঘনা , যমুনা , সুরমা , করতোয়া , রূপসা , তিস্তা , চিত্রা , শীতলক্ষ্যা , কুশিয়ারা , আরও কত কি ! এমন সুন্দর একটা নামের নদীর পাশের কোন একটা গ্রামে আমার জন্ম হয়নি । যে গ্রামে জন্মেছি , তার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটির নাম শুনলে সবাই নাক কুঁচকায় - সেটার নাম মাথাভাঙ্গা । আমরা ছোট বেলায় লিখতাম মাথাভাঙা , উচ্চারণও করতাম তাই - ই , এখনও । কিন্তু কালে কালে আর সব কিছুর মতই মাথাভাঙা এখন হয়ে গেছে মাথাভাঙ্গা ।
পোস্ট করা হয়েছে : বৃহঃ জুন ৩০ , ২০১১ ৬ : ৫৩ অপরাহ্ন
পারভীন আফরোজা যখন একটা শিশু জন্ম নেয় তখন থেকে পরিবারের সবাই প্রথমে তার লিঙ্গ শনাক্ত করে । অর্থাৎ শিশুটি নারী অথবা পুরুষ এটাই আগে দেখা হয় । সে অনুযায়ী আত্মীয়স্বজন তার জন্য উপহার কিনে নিয়ে শিশুটিকে দেখতে আসে । বিভিন্ন দেশে মেয়েদের জন্য গোলাপী রঙের বা রঙচঙা পোশাক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং ছেলেদের জন্য নীল রঙের বা একরঙা দ্রব্য ব্যবহার করা হয় । ছোটবেলা থেকেই একটা শিশুর বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পরিবার থেকেই তার নারী - পুরুষের ভিন্ন দায়িত্ব কর্তব্য চাল - চলন বুঝিয়ে দেয়া হয় । মেয়েদের হাতে খেলনা হিসেবে পুতুল দেয়া হয় , ছেলেদের খেলনা দেয়া হয় গাড়ি , বন্দুক বা ফুটবল । কিছু কিছু শিশু আছে যাদের দুই পায়ের ও দুই কানের মাঝখানে ভিন্নতা দেখা যায় । ওরা নারী বা পুরুষ কারো মতোই নয় । এই ধরনের শিশু লিঙ্গ বৈকল্য , ট্রান্স জেন্ডার বা হিজড়া বলে । হিজড়া কথাটার শাব্দিক অর্থ ওসঢ়ড় : বহপব - অর্থাৎ একজন অক্ষম ক্লীব , নপুংশক বা ধ্বজভঙ্গ । বাংলাদেশ তথা বিভিন্ন দেশের হিজড়াদের মতে তারা জন্মগতভাবেই একাধারে স্ত্রী ও পুংলিঙ্গ সংবলিত ( বা উভয় লিঙ্গ ) প্রাণী । তবে প্রতিটি লিঙ্গেই অস্পষ্ট ও অনির্দিষ্ট । এদের ভেতর কেউ কেউ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে স্ত্রী অথবা পুরুষ রূপে আত্মপ্রকাশ করে । এভাবে আমাদের দেশের অনেকেই স্ত্রী অথবা পুরুষ লিঙ্গ ধারণ করে বসবাস করছে । বাংলাদেশের এমনকি পৃথিবীর বেশিরভাগ হিজড়াই তাদের এই অস্বাভাবিকতাকে ঢেকে বা লুকিয়ে রাখে এবং যে চেহারাটা বাইরে থেকে প্রকট দেখা যায় সেই লিঙ্গে আত্মপ্রকাশ করে বলে বাইরের মানুষ জানতে পারে না । এই কারণেই আমাদের দেশে আসলে কতজন হিজড়া আছে সেটার সার্বিক তথ্য বের করা সম্ভব নয় । যে সব ক্ষেত্রে এই বৈকল্য অন্তত প্রকট অর্থাৎ ঢেকে রাখার মতো নয় এবং বাইরে থেকে বোঝা যায় , কেবল সেক্ষেত্রেই মানুষ নিজেকে হিজড়া হিসেবে প্রকাশিত করে এবং পরিবার থেকে বের হয়ে যায় । হিজড়াদের মধ্যে প্রায় সবাই তারা নিজেদের শরীরকে নিজেরাই ঘৃণা করে । অনেকেই নিজেরাই নিজেদের অসহায় এবং ভিকটিম বলে মনে করে । এদের মধ্যে অনেকেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয় । অনেকে আবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে । আজকাল বিভিন্ন দেশে শত শত পরিবার তাদের হিজড়া সন্তানদের ভালবাসা দিচ্ছে এবং তাদের দুর্বিষহ বেদনাময় জীবন থেকে বাঁচাতে চেষ্টা করছে । শিশু বেলা থেকেই যখন ওদের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় তখন থেকেই ওরা কাপড় চোপড় পরে যৌনাঙ্গ ঢেকে রাখার চেষ্টা করে । বাংলাদেশে বেশিরভাগ হিজড়ারাই সালোয়ার কামিজ বা শাড়ি পরে থাকতে পছন্দ করে এবং গহনাও পরে থাকে । অনেকে পরচুলা ব্যবহার করে এবং আবার পুরুষের পোশাকও পরে ঘুরে বেড়ায় । ওদের বেশিরভাগই মনে করে , হিজড়া হয়ে জন্ম নেয়াই একটা লজ্জার ব্যাপার । লোকে তাদের আড়চোখে দেখে কটাক্ষ করে । সব ক্ষেত্রে তারা সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে । তারা লেখাপড়া চাকরিসহ সমাজের বিভিন্ন সুযোগ - সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয় । অনেক পরিবারে হিজড়া জন্মানোর পর মা - বাবা ও তাদের নিয়ে সমস্যায় পড়েন এবং ঘৃণা ও লজ্জার কারণে নিজের সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে থেকেই পাঠিয়ে দেন । হিজড়াদের অনেকের কাছেই প্রশ্ন করে জানা গেছে যে তারা তাদের বাবা - মা সম্পর্কে কিছুই জানে না । বাংলাদেশ তথা পৃথিবীর যে কোন দেশে হিজড়া হয়ে কেউ জন্মগ্রহণ করলেই তাকেই বড় এক ধরনের আর্থসামাজিক চাপ বা ধকলের মধ্যে জীবন - যাপন করত হয় । তাদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং সাধারণ জনগণ দ্বারাও বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে । কিরণ ( আসল নাম নয় ) ছোটবেলায় ছেলে শিশু হয়েই জন্মগ্রহণ করেছিল । সে যখন ক্লাস সেভেনে ওঠে তখন তার শরীরের মধ্যে একটা অন্যরকম পরিবর্তন লক্ষ্য করে । তার বুকটা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকলো এবং লিঙ্গের নিচে আরও এটি ছিদ্রের মতো তৈরি হয়ে গেল । ও খুব হতাশায় ভুগছিল পরিবারের কারও সঙ্গেই যে এ বিষয়ে আলোচনা করতে পারছিল না । কিরণ যখন এইটে ওঠে রীতিমতো তার বুক এত বেশি বড় হয়ে গেল যে টাইট কাপড়ে চ্যাপ্টা ব্যান্ড দিয়েও চেপে রাখতে পারছিল না । একদিন তার মা বিষয়টি লক্ষ্য করে হতাশ হলেন । বাবাকে জানানোর পর তাকে নিয়ে সবাই কি করবেন বুঝতে পারছিলেন না । তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো তবে ততদিনে তার দাড়ি - গোঁফ সব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে । ডাক্তার বললেন , তার যৌনাঙ্গ আরও একটু স্পষ্ট হলে তাকে স্ত্রী হিসেবে গড়ে তুলতে অস্ত্রোপচার করতে হবে । তবে তার দাড়ি - গোঁফ কমিয়ে আনতে ডাক্তার হরমোন প্রেসক্রিপসন দিয়েছেন । কিরণের বাবা - মা আর্থিক অবস্খা বেশি ভাল ছিল না বিধায় ছেলের চিকিৎসা করাতে পারেনরি । ওকে নিয়ে সবার কাছে অপ্রস্তুত হতো বিধায় ঘর ছেড়ে হিজড়া সম্প্রদায়ের সঙ্গে বসবাস করতে শুরু করে । কিরণ এখন এয়ারপোর্টের পথে যেতে হাতের বাঁয়ে রাত ৮টার পর রাস্তায় দাঁড়ায় এবং তার খদ্দের এলে তার যৌনতা বিক্রি করে খুশি করে কিছু পয়সা আয় করে জীবন - যাপন করে । আমেরিকাতে জর্জ নামে একটি ছেলের জন্মের ১৫ মাস পর থেকেই শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেল এবং ধীরে ধীরে সে বালক থেকে বালিকা হয়ে গেল । পরিবার থেকে সবাই তাকে বোঝাল যে , তার পুরুষাঙ্গটা সৃষ্টিকর্তার একটা ভুল ছিল তাই সে ভুলটাকে শুদ্ধ করে তাকে পুনরায় নারী বানিয়ে দিয়েছে এতে লজ্জা বা দু : খ পাওয়ার কিছু নেই । জর্জের জন্য চিকিৎসা এমনকি অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল । সে এখন নাম পাল্টেছে , পোশাক পাল্টেছে , এখন পুরোপুরি একজন নারী । আমাদের দেশেও চিকিৎসার সুযোগ পেলে অনেকেই নারী বা পুরুষ হিসেবে জীবন - যাপন করতে পারত । আমাদের দেশে একটা হিজড়া বলেছিল , ' আমি শার্টের নিচে ব্রা পরে স্কুলে গিয়েছিলাম বলে স্যার প্রচণ্ড মেরেছিল । তারপর থেকে আর স্কুলেই যাই না । ' হিন্দু ধর্মে হিজড়া সম্প্রদায়কে বিশেষ এক ধরনের কাস্ট হিসেবে ধরা হয় । তামিলনাড়ুতে এপ্রিল - মে মাসের দিকে হিজড়ারা দিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসব পালন করে । ভারতে এবং বিভিন্ন দেশে এদের লোভী বয় বলা হয় । কোনকালেই কোন দেশেই হিজড়াদের কোন সম্মান কেউ দেয়নি । বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির ১৫ ( ঘ ) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হিসেবেই স্পষ্ট বলছে ' সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার অর্থাৎ বেকারত্ব , ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য , মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্খিতিজনিত আওত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার । ' এছাড়াও মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা হলো : দাসত্ব হতে মুক্তির অধিকার , ভোটের অধিকার , মত প্রকাশের অধিকার , কাজের অধিকার , মানসম্মত জীবন - যাপনের অধিকার , আইনের আশ্রয় ও নির্যাতন থেকে মুক্তির অধিকার এবং বিবাহ ও পরিবার গঠনের অধিকার । এরপর দাসত্ব ব করতে , বর্ণবৈষম্য রোধ করতে , নির্যাতন রোধ করতে , রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার অর্জন করতে , নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ করতে এবং শিশুর অধিকার সুরক্ষায় একগুচ্ছ চুক্তি বা সনদ দরকার হয়েছে । কয়েক বছর হয় সেলফ হেলপ গ্রুপ হিসেবে কিছু সংগঠনের আত্ম প্রকাশ ঘটেছে যারা হিজড়া সম্প্রদায়ের অধিকার ও তাদের জন্য বিশেষ আইনের কথা বলছে । বাঁধন হিজড়া সংঘ তাদের মধ্যে অন্যতম । বাঁধনের সদস্যরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন রয়েছে । হিজড়াদের যৌনতা গতানুগতিক নয় । এটা একটু ভিন্ন । বলতে গেলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এরা এদের মতো জীবন - যাপন করে যা ইসলাম প্রধান দেশ হিসেবে জনগণ সহজে মেনে নেয় না । এমন কি ব্রিটিশ শাসন আমলে হিজড়াদের বিতাড়িত করা হয়েছে এবং হিজড়াদের যৌনতার বিরুদ্ধে আইন করা হয়েছে । ব্রিটিশ আইনে হিজড়াদের যৌনতাকে সডোমি হিসেবে চিহ্নিত করে এবং পেনালকোট এ ধারা ৩৭৭ তে বলা হয়েছে যে , এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ । এই যদি আইন হয় তাহলে তারা কোথায় যাবে । ওদের যৌনতার অধিকার এবং মানবাধিকার কে নিশ্চিত করবে যদি রাষ্ট্র না করে । পরিবারে সম্মানের সঙ্গে বসবাসের অধিকার , চাকরির অধিকার , সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার এবং তাদের ভালবাসা পাওয়ার অধিকার আছে । তারা কাজের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় বলে অনেকেই দোকানে দোকানে টাকা চাঁদা নিয়ে জীবন - যাপন করের আবার অনেকেই বাঁচার জন্য যৌন কাজের সঙ্গে লিপ্ত হয় । তবে যদি ওদের কাজের সুযোগ দেয়া হয় তারা তাদের অনেকেই যৌন পেশা থেকে ফেরত আসবে বলেছে । বর্তমানে রমনা পার্কে , কুড়িল বাড্ডা , পুরান ঢাকা , খিলগাঁও মার্কেটের পেছনে ভূঁইয়াপাড়াসহ অনেক এলাকাতেই হিজড়া সম্প্রদায়ের সংঘবদ্ধভাবে বসবাস । এদের অনেকেই মানবেতর জীবন - যাপন করে । বাঁধন হিজড়া সংঘের সদস্যবৃন্দ এইডস প্রতিরোধের কিছু প্রকল্পে কাজ করে তাদের জীবন - জীবিকা চালাচ্ছে । তারা সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে । [ লেখক : নির্বাহী পরিচালক , নারী উন্নয়ন শক্তি ] ওয়েব লিংক
এমতাবস্থায় আমাদের এমনসব চলচ্চিত্র ও নাটক তৈরি উদ্ভাবন করা দরকার যা ইসলামের সৌন্দর্য্যকে যুক্তিগ্রাহ্যভাবে তুলে ধরবে , পাশাপাশি অনৈসলামিক আইন - বিধানের অযৌক্তিক , অমানবিক এবং অকল্যাণকর প্রত্যেকটা বিষয়কে বিশ্লেষণ করে মানুষের সামনে যৌক্তিভাবে প্রকাশ করবে । আর সেই চলচ্চিত্র আর নাটক হবে অন্যান্য দেশের জন্য মডেল । এই মডেল তৈরি করতে হবে নিজস্ব সৃজনশীলতা দিয়ে , অন্য কাউকে মডেল করে নয় । মনে রাখা দরকার , ইসলাম স্বয়ং - সম্পূর্ণ । ইসলামই সত্য - মিথ্যা , আলো - অন্ধকার , ন্যায় - অন্যায় , কল্যাণ - অকল্যাণকে পার্থক্য করে দেখিয়েছে । শুধু অ আ ক খ এবং নাম সই করতে পারাটাই শিক্ষিত সমাজ গঠনের জন্য যথেষ্ঠ নয় বরং ইসলামী শিক্ষাই হলো মানবতার আসল এবং মূল শিক্ষা । আর আদর্শিক চলচ্চিত্র ও নাটক জনগণকে সংস্কৃতিপ্রবণ করে তুলবে । ইসলামী মৌলিক শিক্ষাকে তাদের অন্তর্রাজ্যে স্থায়ী প্রতিষ্ঠা দান করবে । প্রসঙ্গক্রমে আরো একটি কথা মনে দরকার মুমিন ব্যক্তির আনন্দ এবং অমুমিন ব্যক্তির আনন্দ একই বিষয়বস্তু থেকে আসে না ।
১০ . বিল গেটস বর্তমানে বিল গেট্স বিশ্বখ্যাত মাইক্রোসফ্ট কোম্পানির কো - চেয়ারম্যান । ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত একটানা তিনি বিশ্বের ১ নম্বর ধনীর আসনে আসীন ছিলেন । ২০০৮ - এ হন ৩য় । ২০০৯ সালে আবার প্রথম স্থান দখল করেন । তার সঞ্চিত অর্থের সিংহভাগ দান করে দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন । তিনি আর বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি নেই , কারণ সম্পদের প্রায় ৩০ শতাংশ তিনি ইতিমধ্যে দাতব্য সংস্থায় দান করে দিয়েছেন । আর এই কারণেই বিশ্বে তার অবস্থান আরো সমুন্নত হয়েছে । ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি ৫৪ বিলিয়ন ডলারের মালিক ।
বৃত্তের বাইরে বলেছেন : আমাদের করুনার এতই বেশী যে এখন আমাদের ঘাড়ের উপর বসে ছড়ি ঘুড়াচ্ছে এই সব ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চারা !
অনেক গড়িমসির পর নির্বাচন যে হচ্ছে , তা - ই আমাদের আশাবাদী করে তুলছে । কারণ নির্বাচনের মাধ্যমে অনেক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে । মানুষ যেখানে , সমস্যাও সেখানে এবং সেগুলোর সমাধানও হওয়া আবশ্যক মানুষের দোরগোড়ার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে । দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে , তাই গ্রামীণ স্থানীয় সরকারব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের গুরুত্ব অপরিসীম । কারণ , ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের নেতৃত্বেই জনগণের অধিকাংশ সমস্যা সমাধানের পথ সুগম হতে পারে । Read the rest of this entry »
দিনগুলা কেমন যেন ইদানীং হুড়মুড় কইরা কাইটা যাইতেছে । ২০১১ সাল আসলো আর দৌঁড়াইয়া দৌঁড়াইয়া একমাস শেষ হইয়া আরেকমাস অর্ধেকটা পার হবার মুখে । শীত আসলো কাঁথা - কম্বল পরলাম কি পরলাম না নতুন শালগুলো ম্যাচিং কইরা পরমু সেই ফুসরত না দিয়া মেয়ের নতুন জ্যাকেটা টা জুত মতো না পরাইতে দিয়া শীত কোন ফাঁকে চইলা গেল । আজকে সকালে বাইর হৈছি দেখি কটকটা রোদ । এই রোদটা মিষ্টি না এইটারে বলা যায় শাসন করা রোদ , মানে রোদ কইতেছে আমার সাম্রাজ্যে আছস যখন যেমন ইচ্ছা তেমন রোদ দিমু - আগামী কাল মাঘ মাস শেষ হইয়া যাইতেছে , আজকেই এমন অবস্থা তার মানে মাঘের পরে কড়া শাসনের রোদ আসেতেছে । এরকম রোদে চট করে যেইটা হয় মাথা ধইরা যায় । আমার তাই হইলো । বাইরে থেকে গেরস্থালি কিছু কাজ সাইর্যা বাসায় আইসা যা করলাম , সোজা রান্না ঘরে । বুয়া লাল করে ইলিশ মাছ রানছে , মাছ টা পদ্মার - ভাতের সাথে ইলিশ মাছ চেটেপুটে খেয়ে আমার মাথা ব্যথা পুরাই চলে গেল । খাওনের সাথে মাথা ব্যথা
তাছাড়া , কাশ্মীর সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা ( এলওসি ) বরাবর বাণিজ্য ও ভ্রমণ বাড়ানোর জন্য বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বৈঠক করতেও দুই পররাষ্ট্রসচিব রাজি হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে বিবৃতিতে ।
আপনি যেই গতিতে লিখছে তাতে মনেহয় খুব তারা - তারি হয়ে যাবে
কম্পিউটিং এর যুগে প্রথম ডুয়েল কোর ডেস্কটপ প্রসেসর নিয়ে আসার কৃতিত্ব এএমডি ' র । ২০০৫ সালে তারা প্রথম বাজারে আনে ' অ্যাথলন ৬৪ এক্স২ ' মডেলের ডুয়েল কোর প্রসেসর । একাধিক সিপিইড সমর্থিত প্রযুক্তি অ্যাথলন ৬৪ এর উপর ভিত্তি করে এএমডি এটি তৈরি করে । এর প্রতিটি কোরে ছিলো ৫১২ কিলোবাইট থেকে ১০২৮ কিলোবাইট লেভেল ২ ক্যাশ মেমোরি । প্রথম প্রজন্মের এই ডুয়েল কোর প্রসেসরের গতি ছিলো ১ . ৯ গিগাহার্জ এবং হাইপার ট্রান্সপোর্ট এর গতি ১ গিগাহার্জ । ৯০ ন্যানোমিটার থেকে ৬৫ ন্যানোমিটার ডাই প্রযুক্তির প্রসেসর এসএসই৩ ইন্সট্রাকশন সেট ডিকোডিং এ সক্ষম ছিলো । কে৮ মাইক্রোআর্কিটেকচার এ ডিজাইন করা এই প্রসেসর ৯৩৯ সকেট ব্যবহার করা হয় ।
প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত এই মেলা আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে ।
ডিজিটাল দুষ্ট ছেলে বলেছেন : আহেম আহেম ) মেইলে একখান ডুকুমেন্টু আছে চেকানতো দেখি
বিনোদিনী দুই চক্ষু নত করিয়া কহিল , " আপনারা সকলেই আমাকে থাকিবার জন্য অনুরোধ করিতেছেন - আপনাদের কথা এড়াইয়া যাওয়া আমার পক্ষে কঠিন - কিন্তু আপনারা বড়ো অন্যায় করিতেছেন । "
গাজীপুর , ১০ জুলাই : ইটিপি বন্ধ রেখে দূষিত তরল বর্জ্য ড্রেন ও খাল দিয়ে তুরাগ নদীর পরিবেশ দূষণের দায়ে গাজীপুরে এক কারখানাকে রোববার ১৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট টিম । গাজীপুর সদর উপজেলার কাশিমপুরের কটন ক্লাব ( বিডি ) লি . . . . বিস্তারিত »
মেঘলা আকাশ এবং বিষন্ন মন বলেছেন : এখনো ব্যান খাইনাই । দেখি ওরা কতদুর কি করে ।
লিখেছেন উন্মাতাল তারুণ্য » বুধ জুলাই ১৫ , ২০০৯ ৫ : ১৮ পূর্বাহ্ন
লাক্স তারকা ইশানার বড় পর্দায় সম্পৃক্ততা ঘটতে যাচ্ছে । লাক্স - চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হওয়ার পর এ সুন্দরী ছোটপর্দায় নিয়মিত অভিনয় না করলেও বড়পর্দায় জমকালোভাবে হাজির হচ্ছেন । তার অভিনয় করতে যাওয়া এ ছবির নাম ' শেষ নায়ক ' । ছবিটি পরিচালনা করবেন অনিকেত আলাম । ছবির প্রস্তুতি নিয়ে ইশানা বলেন , ছবির পূর্ব প্রস্তুতির কাজ এখন চলছে । সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ছবিটি শুরু হবে । ছবিতে আমার বিপরীতে অভিনয় করবেন কাশ্মীরের এক নায়ক । তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত নয় । তাই নায়কের নামটি এখনই বলা যাচ্ছে না । ছবিতে তার চরিত্রটি সম্পর্কে ইশানা বলেন , আমার চরিত্রটি নিয়ে পরিচালক বিস্তারিত বলেননি । সংক্ষেপে বলা যায় ছবিতে আমি একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সাধারণ মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করবো । আমার সঙ্গে প্রেম হয় একটি ছেলের । ছবিটি দারুণ রোমান্টিক হবে এটা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি । প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন - অনুভূতি কেমন । এ প্রসঙ্গে ইশানা বলেন , আসলে আমি ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম ছবিতে অভিনয় করবো । আমার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে । ভাল লাগছে এজন্য ।
১ ) একই লেখা আপনি আরো অনেক ব্লগে পোস্ট করলে একই মন্তব্য তো সেইসব ব্লগেই পাবেন । এতে দোষের কিছু আছে কি ?
এটি নিরেট একটি মাসিক সাহিত্য মাগাজিন । ' ' শিল্পের জন্য শিল্প ' ' এবং ' ' জীবনের জন্য শিল্প ' ' দুটোকেই এখানে প্রাধান্য দেয়া হবে । রাজনীতিবিবর্জিত সৃজনশীল সবধরনের শিল্পসম্মত ও রুচিশীল লেখাই এখানে স্থান পাবে দলমতনির্বিবিশেষে সব লেখকের । মিনি গল্প , ধারাবাহিক উপন্যাস , কল্পকাহিনী , ছড়া - কবিতা , লিমেরিক , রম্যরচনা , অনুবাদ ইত্যাদি এবং লেখার গঠনমূলক সমালোচনাও সাদরে গৃহীত হবে । তবে ওয়েব ম্যাগাজিন বিধায় মিনি সাইজের শৈ
ফারুক হোসেন : হ্যাঁ কিন্তু বাংলাদেশের শিশুরা শুধুমাত্র এক দিকে চলে যাচ্ছে । ।
সদর দপ্তর নিউইয়র্কে হলেও জাতিসংঘের অন্য বেশ কিছু অঙ্গ সংগঠনের প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যাণ্ডের জেনেভা , নেদারল্যাণ্ডের দি হেগ , অষ্ট্রিয়ার ভিয়েনা , কানাডার মন্ট্রিয়ল , ডেনমার্কের কোপেনহাগেন , জার্মানীর বন ও অন্যত্র অবস্থিত ।
৪ . কেউ বলতে পারেন : মিয়া টেকি ব্যক্তি না হয়েও নিজে করো ভাল কথা , আমাদের কানের কাছে ভ্যাজর ভ্যাজর কর কেনো ? এটার উত্তরের কয়েকটা দিক / ডাইমেনশন আছে :
বেশি কিছুদিন যাবত অভ্র এবং পাইরেসী নিয়ে অনেক হৈ চৈ হচ্ছে চারপাশে । মোস্তফা জব্বার সাহেবের ভাষ্যমতে অভ্রের ইউনিবিজয় লে - আউট তার বিজয়ের পাইরেটেড কপি , অভ্র তার কোড চুরি করেছে , পেটেন্ট ভঙ্গ করেছে ইত্যাদি ইত্যাদি । তার এই অভিযোগের বিরুদ্ধে সবাই মিলে কম যুক্তিও দেখায়নি । পেটেন্ট কোথায় কার্যকর , ঠিক কি কি করলে তাকে পাইরেটেড বলা হয় , অনেক বিষয়েই আমার চেয়ে জ্ঞানীগুনীগন অনেক বক্তব্য রেখেছেন । তাই অভ্র পাইর
স্পেন টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই শিরোপার দৌঁড়ে এগিয়ে ছিল ।
এটার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের সাইডবারে একটি নতুন উইজেট আসবে । সেটাতে নিয়মিত ইংরেজী তারিখ দেখাবে । যদিও আমি চেয়েছিলাম সেখানে তারিখের সাথে বর্তমান সময়টাও দেখাতে , কিন্তু তা করা সম্ভব হলো না কিছু ভেজালের জন্য । এর মধ্যে অন্যতম হলো টাইমজোন । মূলত এটাই সমস্যার প্রধান কারন । এখানে টাইমজোন ঠিক করাতে সমস্যা হচ্ছে । আমি এটা নিয়ে গবেষনা করছি । ইনশাল্লাহ পরবর্তীতে WP DATE AND TIME PLUGIN নামের আরেকটি প্লাগইন রিলিজ দেব যেটার মধ্যে বর্তমান সময়টাও দেখাবে ।
দ্বিপ বলেছেন : সেইটাই । সাবটাইটেল দেখতে গেলে সিন মিস হয়ে যায় । কোরিয়ান কান্নার আওয়াজটা একেবারে বিচ্ছিরি । মেয়েরা কাদলে মনে হয় এডাল্ট ফিল্ম দেখছি । আপুতো একবার চেক করে গেছে । আমি কি দেখি
১৯৫৫সাল বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয় । বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস ক্ষেএটি আবিষ্কৃত হয় । পথের প্যাঁচালি প্রথম পদর্শিত হয় । ( সত্যজিৎ রায় পরিচালিত । ) বিজ্ঞানী আইনষ্টাইন মারা যান । চট্রগ্রামে বন গবেষনা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় । গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুক ( এক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নাম ) প্রতি বছর বার্ষিকী হিসাবে সারা পৃ্থিবীর শ্রেষ্ঠ সংবাদ সংকলন প্রকাশ করে আসছে । ধানমন্ডি এলাকাটিকে একটি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হয় । বুলবুল ললিতা কলা একাডেমী ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় । ডিজনি ল্যান্ড এর উদ্বোধন করা হয় ।
তারপর add থেকে নতুন কানেকশন নিয়ে সেটার IPV4 এর ভেতরে আপনার তথ্যগুলো টাইপ করতে হবে ।
যোদ্ধাবাজ্ বলেছেন : চে গুয়েভারা ২ # নেন ভাই যেটা খুশি , দেখেন কিছু করা যায় কিনা ! ! !
দেশে ইসলামবিরোধী কোন কাজ হলে , বিশেষ করে সরকার কোন ইসলামবিরোধী পদক্ষেপ নিলে আমাদের উলামা মাশায়েখগণ ও ইসলামী দলগুলো এর বিরুদ্ধে আন্দোলন - বিক্ষোভ করে । ধর্মের অবমাননা রোধে এ ধরণের প্রতিবাদ তারা করতেই পারেন , এতে কোন সন্দেহ নেই । তবে তাদের এসব কার্যক্রম যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রি - অ্যাকটিভ বা প্রতিক্রিয়াবাচক , তাও অস্বীকার করা যায় না । এর মানে হচ্ছে , সরকার [ . . . ]
' ক্রোধ দিবস ' যতই নিকটবর্তী হচ্ছে সৌদি আরব সরকারের ভীতি ও উদ্বিগ্নতা ততই তীব্রতর হচ্ছে । সৌদি সরকার এদেশের জনগণের সরকার বিরোধী ক্ষোভ সম্পর্কে ভালভাবেই ওয়াকিবহাল । পাশাপাশি তিউনিশিয়া , মিসর ও বাহরাইনের গণ আন্দোলনকেও তারা প্রত্যক্ষ করেছে । এমতাবস্থায় তারা তাদের সর্বশক্তি নিয়োগ পূর্বক এ গণ আন্দোলনের রুখতে চাইছে । কিন্তু তারা কি এ গণ বিপ্লব রুখতে সক্ষম হবে ? ! জনমনে এ প্রশ্নটি এখন তীব্রভাবে দেখা দিয়েছে ।
মানচু ভাইয়া , আপনাকে আমার ব্লগে দেখে খুবই ভাল লাগছে । আমি তো বিশ্বাসই করতে পারছিনা যে আপনি আমার ব্লগে । আপনার তৈরী ওয়াডর্প্রেসের প্লাগিন ও অন্যন্য অনেক টিপস আমাদের খুবই উপকারে এসেছে ।
লেখক বলেছেন : আশা করছি আপনার ভুমিকা শুধু পাঠক হিসাবে থাকবে না ।
যদি আপনি ১ম টা মিস করে থাকেন তাহলে এখানে ক্লিক করুন আজ থেকে শুরু ধাঁধা পর্ব : পর্ব ২ প্রথম ধাধা : ৩ আর ২ যোগ করলে কখন ৪ হয় ? দ্বিতীয় ধাধা : . . .
লেখক বলেছেন : যাক , আপনার আসল রুপ তাহলে বের হয়ে আসলো ।
আভাটার নিয়ে স্লাভোজ - এর কৌতূহলোদ্দীপক অভিমত , পড়া যেতে পারে এই লিংক থেকে ।
ফ্রি এ সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে হলে আপনার উইন্ডোজ লাইভ আইডি ( হটমেইল , মেসেঞ্জার বা এক্সবক্স লাইভ একাউন্ট ) থাকতে হবে । সেইসাথে উইন্ডোজ , এন্ড্রয়েন্ড বা ব্ল্যাকবেরী সিষ্টেমের মোবাইল হলে তো কথাই নেই । তবে সিনক্রোনাইজ সুবিধা রয়েছে - এমন যে কোন ফোনে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যাবে ।
সামগ্রিক বিচারে ম্যাকবুক প্রো , w700 এর ধারের কাছেও আসতে পারবে না . . . কিন্তু দামের কথা বিবেচনায় আনলে এটা অবশ্যই কাউকে সাজেষ্ট করার মত ল্যাপটপ না । বরং ম্যাকবুক প্রো অনেক ভাল । সেটা তো আমার হাসি দেখেই বোঝতে পারার কথা । আমি মনে করিনা যে ব্যাক্তি বাংলাদেশে বসে ৫ লাখ টাকা দিয়ে ল্যাপটপ কেনার সামর্থ রাখে সে আমারদের প্রজন্ম ফোরামে এসে সাজেশন চাইবে ।
ফ্ল্যাট বিক্রয় : আধুনিক সকল সুবিধা লোন ব্যবস্থাসহ রায়েরবাজার ৪০০০ / - মোহাম্মদপুর ৩৭০০ / - উত্তরখান ৩২০০ / - মিরপুর ১ . ১০ শেওড়াপাড়া কাজীপাড়াতে মাত্র ৩৫০০ / - আঞ্জুম প্রপার্টিজ লিঃ , ০১৯১৯৫৬৪৬৩৩ , ০১৭১২১৪৬৪০৭ । সি - ১৫৭৭২
ফোরামের বটগাছ আছে নাকি ? ওটা আমাদের গ্রামের বট , অইটার নিচে গিয়া একসময় অনেকেরে নাকি জ্বিনে ধরছে , অনেক কিসসা আছে . . : D
তবে এ সময় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি । ধারণা করা হচ্ছে , অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা আইন - শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কোনও এক সময় অস্ত্রগুলো পরিত্যক্ত জুমঘরে ফেলে রেখে যায় । অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ধরতে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে সূত্রে জানা যায় ।
1861 সালে টমাস থর্টন স্কয়ারকে লিখিত এক পত্রে ডারউইন স্পষ্ট ভাষায় স্বীকার করেছেন যে তিনি বিবর্তনবাদের ব্যাখ্যায় সত্যিই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন । এবং একথাও বলেছেন - " তবে , আমি ন্যাচারাল সিলেকশন তত্ত্বে বিশ্বাসী । যদিও এই তত্ত্ব অনুযায়ী কোন প্রজাতি এযাবত পরিবর্তিত হয়ে অন্য আরেকটি প্রজাতিতে পরিবর্তিত হয়েছে - এমন একটি প্রমানও আমি দেখাতে পারবো না , তথাপি আমি এ তত্ত্বে বিশ্বাস করি । আমার এই বিশ্বাসের কারন এই যে , এই তত্ত্ব দ্বারা সহজেই প্রাণী জগতের শ্রেণী বিভক্তি , ভ্রুনতত্ত , অংগসংস্থান , ভূতাত্তি্বক পরমপরা ও বন্টন ইত্যাদি নানা বিষয় ও ঘটনার চমৎকার ব্যাখ্যা সম্ভব । " - ডারউনের এই পত্রের মূল কপি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে ।
আগে লসে ছিল না তা কে বলল আপনাকে ? ভাড়া বাড়ানোর পরেই ১০ দিনে ১০ কোটি টাকা লস করেছে বিমান , সেটা মনে হয় আপনি শুনেননি মজার ব্যাপার হলো গত রাজনৈতিক সরকারের সময়ও বিমান কোটি টাকা লসে ছিল আর এই রাজনৈতিক সরকারের ২ বছরও বিমান কোটি টাকা লসে কিন্তু কেয়ারটেকার সরকারের সময় লাগাতার ২ বছর বিমান লাভ করে , তাও আবার ১ টাকা ২ টাকা নয় একেবারে কোটি টাকার উপরে ।
বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী , শ্রীমঙ্গল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হাইল হাওর এখন হাজারো পাখির কলতানে মুখর । শীতের আগমনে হাওরের বিভিন্ন বিলে দেশীয় পাখির সঙ্গে যোগ দিয়েছে অতিথি পাখি । হাইল হাওরের বিভিন্ন বিল ঘুরে হাওরের জলরাশির বুকে কিংবা কচুরিপানাসহ বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদ , লতাগুল্মের আড়ালে ঝাঁকে ঝাঁকে দেশি - বিদেশি পাখি দেখা গেছে । তবে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে ' বাইক্কা বিল অভয়াশ্রমে ' । বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এবং ইউএসএইডের তত্ত্বাবধানে গঠিত সমন্বিত সংরক্ষিত এলাকা সহব্যবস্থাপনা প্রকল্প ( ইন্টিগ্রেটেড প্রটেকটেড এরিয়া কো - ম্যানেজমেন্ট − আইপ্যাক ) সুত্রে জানা গেছে , কয়েক বছর ধরে বাইক্কা বিলে পাখি শিকারিদের উপদ্রব না থাকায় এবং জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ায় এ বিলে দেশীয় পাখিরা স্থায়ী আবাস গড়ে তুলেছে । আইপ্যাকের কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম জাহাঙ্গীর বলেন , ' সদ্যসমাপ্ত মাচ্ প্রকল্পের ( ম্যানেজম্যান্ট অব অ্যাকুয়াটিক ইকোসিস্টেম থ্রু কমিউনিটি হাজবেন্ডারি ) নজরদারির ফলে হাইল হাওরের বাইক্কা বিলে পাখি শিকারিদের অপতৎপরতা বন্ধ হয়েছে । এ কারণে ওই বিলে দেশি পাখিরা স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছে । বিলে অতিথি পাখির আগমনও বেড়ে চলেছে । হাওরে এখন যেসব পাখি দেখা যাচ্ছে এর মধ্যে রয়েছে মেটো রাজহাঁস , গিরিয়া হাঁস ও ল্যাঞ্জা হাঁস , মরচেরং ভুতিহাঁস , পাতি সরালি ও রাজ সরালি । এ ছাড়া দেশীয় পাখির মধ্যে রয়েছে পানকৌড়ি , কানিবক , ধলাবক , গোবক , ধুপনিবক , রাঙ্গাবক , দলপিপি , নেউপিপি , বেগুনিকালেম , কালামাথা কাস্তেচরা , বালিহাঁস , পলাসী কুড়া ইগল ও শঙ্খচিল । হাওরপারের বাসিন্দারা জানায় , নভেম্বরের শুরু থেকেই হাইল হাওরে দেশীয় পাখির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে । ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে এদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে অতিথি পাখি । হাওরে পাখির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিকারিদের তৎপরতাও বেড়েছে । শিকারিরা রাতের আঁধারে হাওরের বিভিন্ন বিলে জালের ফাঁদ পেতে রাখে । ভোরে ফাঁদে আটকানো পাখিগুলো এসে নিয়ে যায় । এসব পাখি মৌলভীবাজার জেলা সদরের পাড়া - মহল্লায় ফেরি করে এবং সিলেটের বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করা হয় । বাইক্কা বিলের প্রহরী আলাই মিয়া ও আদর উদ্দিন শিকারিদের তৎপরতা প্রসঙ্গে বলেন , শিকারিরা মাঝেমধ্যে বাইক্কা বিলেও ফাঁদ পাতার চেষ্টা করে । রাতে নৌকা নিয়ে তাদের ধাওয়া করতে হয় । এ বছর শিকারির তৎপরতাও বেশি । শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি ) মো . সহিদ উল্ল্যাহ্ বলেন , সংবাদ পেলে পুলিশ শিকারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় । গত ১৩ ডিসেম্বর হাওরের উত্তর উত্তসুর অংশে শিকারিদের পাতা ৫৭টি জাল পুলিশ জব্দ করে পুড়িয়েছে । প্রথম আলো , ৭ জানুয়ারি , ২০০৮
এই আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দায়ী পুলিশের শাস্তি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন তিনি । পুলিশের ওই হামলায় বিরোধীদলের সংসদ সদস্য আসিফা আশরাফি পাপিয়া , শাম্মি আকতার , রাশেদা বেগম হীরা মারাত্মক জখম হয়েছেন । তিনি বলেন , পুলিশের এই আক্রমণ দেখে মনে হয় আমরা মধ্যযুগীয় বর্বরতায় ফিরে গেছি । মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হয়তো ভুলে গেছেন , গতবার তারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন আমাদের বর্তমান কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে রাজপথে ফেলে পেটানো হয়েছিল ।
পরিবারের পুরুষ সদস্যরা যেন এই ওয়াজিব পালনে আগ্রহী হোন , সেজন্য নারীদেরকে এগিয়ে আসতে হবে । আসুন আমরা যে যার পিতা , ভাই , স্বামী , ভাগ্নে - ভাতিজাকে উৎসাহ দেই দাড়ি রাখার জন্য । দাড়ি রাখলে মানুষ হাসবে , মৌলবাদি বলবে , অজ্ঞ মানুষদের এই উপহাসের ভয় আপনাকে যেন ওয়াজিব পালনে বিরত না রাখে , আমীন ।
অজিত বলেছেন : বর্নমালায় স্বাগতম । আপনার মত বর্নমালায় অনেক প্রবাসী ব্লগার আছেন ।
Continue reading about ছত্রাক বদলে দিচ্ছে জীবজগতের শ্রেণীবিন্যাস
ঘটনাটা পুরো আদনানকে নিয়েই । আদনান মানে সেই ছেলেটা তার সাহিত্য রচনার প্রবল রোগ কিংবা ঝোক আছে , কিন্তু আরও আছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবার প্রবনতা । এরপরেও যদি কেউ তাকে চিনতে না পারেন তাহলে দুঃখিত , হয়তো আপনাদের না বলে অন্য কাউকে তার গল্প বলেছিলাম । যদিও আদনানকে নিয়ে যা বলতে চাইছি তা বুঝার জন্য অতীতের গল্প না জানলেও চলবে । আদনান আদনানই , প্রতি গল্পে সেই একই রকম নিত্য , মানসিকতায় শ্রেষ্ঠ ভাবার ভাবালুতায় আক্রান্ত ।
সজল জানান , বিমানবন্দর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে তার বাবাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে ।
চেক করলাম । ৯৯ % এর পর একটু ডাউনলোড হয়েছে । কিন্তু এবার চালুই হচ্ছে না । এরর দেখাচ্ছে !
ঢাকা , ১১ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডেস্ক ) : পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের অদূরে আজ সোমবার সেনাবাহিনীর একটি অস্ত্র গুদামে কমপক্ষে তিনটি বিস্ফোরণ ঘটেছে । বিস্ফোরণগুলো এমন এক সুরক্ষিত ও স্পর্শকাতর জায়গায় ঘটেছে যেখান থেকে পাকিস্তানের পরমাণু স্থাপনা . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
বি : দ্র : আমি মুলত থিসিস ১ . ৮ ডেভলপার ভার্সন নিয়ে লিখছি , আপনারা কিনতে না পারেন শিখে রাখতে দোষকি
প্রশ্ন ( ২৭ / ৩৪৭ ) : হিংসা মানুষের সৎকর্মকে খেয়ে ফেলে , যেমন আগুন কাঠ খেয়ে ফেলে । এ হাদীছের সারমর্ম কী ? - আহমাদ নবাব জায়গীর , নবাবগঞ্জ । উত্তর : এ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ ( আবুদাঊদ হা / ৪৯০৩ ) । তবে হিংসা করা একটি জঘন্যতম অপরাধ । এই অভ্যাস শরী ' আতের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণিত ( মুত্তাফাক্ব আলাইহ , মিশকাত হা / ৫০২৮ ) । এ বিষয়ে বহু হাদীছ বর্ণিত হয়েছে ।
চেম্বার পপুলার কনসালটেশন সেন্টার বাড়ী নং - ১৩ , রোড নং - ২ , ধানমন্ডি ঢাকা , বাংলাদেশ ফোন : ৯৬৬৯৪৮০ , ৯৬৬১৪৯১ - ২
Posted on রবিবার , ২ আগস্ট , ২০০৯ by ভাঙ্গা পেন্সিল
তবে আপিন কখনও নেত্রী হলে - এই সংজ্ঞাটা মনে রাখার চেষ্টা করবেন , তাহলে সুবিধা বঞ্চিত মানুষ , তাদের রাষ্দ্রীয় সুবিধাগুলো ভোগ করবে । কথায় বলে - যে সরিষা দিয়ে ভূত তারায় , সেই সরিষায় ভুত ! !
আশাকরি বীপ মিডিয়া প্লেয়ার সবার গান শোনার চাহিদা মেটাবে ।
নিউজডেস্ক , বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম ; অ্যাশেজ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম দিনেই চাপের মুখে পড়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া । ইংলিশ বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ২৪৫ রানেই গুটিয়ে গেছে তাদের প্রথম ইনিংস । জেমস অ্যান্ডারসন নিয়েছেন চার উইকেট । জবাবে প্রথম দিনের খেলা শেষে কোন উইকেট না হারিয়ে ১ রান তুলেছে ইংল্যান্ড । টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে অস্ট্রেলিয়া । জনসনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে দুর্ভাগ্যবশত রান আউট হয়ে বিদায় নেন ওপেনার সাইমন ক্যাটিচ । অ্যান্ডারসনের পরের বলেই গ্রায়েম সোয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান অধিনায়ক রিকি পন্টিং । অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ডে তখনো কোনো রানই যোগ হয়নি । পরের ওভারে আবার আঘাত হানেন অ্যান্ডারসন । মাইকেল ক্লার্ককে ফিরিয়ে দিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে খাদের মুখে ফেলে দেন এ ডান হাতি ফাস্ট বোলার । চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৯৪ রান যোগ করে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন শেন ওয়াটসন আর মাইকেল হাসি । কিন্তু আবারও অস্ট্রেলিয়ার বিভীষিকা হিসেবে আবির্ভূত হন অ্যান্ডারসন । ৫১ রান করা ওয়াটসনকে সাজঘরে পাঠিয়ে আবার ম্যাচে ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি । এবার মার্কাস নর্থকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন হাসি । কিন্তু খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি নর্থ । ২৬ রান করে স্টিভেন ফিনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেছেন সাজঘরে । ইংল্যান্ডের সংগ্রহ তখন পাঁচ উইকেটে ১৫৬ । প্রথম টেস্টের মতো আবারও ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে মাইক হাসি আর ব্রাড হাডিন আবারও অস্ট্রেলিয়ার হাল ধরবেন এমনটাই আশা করেছিলেন অনেক অস্ট্রেলীয় সমর্থক । ব্রিসবেন টেস্টের প্রথম ইনিংসের মতো ৩০৭ রান যোগ করে অস্ট্রেলিয়াকে ভালো অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন এ দুই ব্যাটসম্যান । কিন্তু এবার এ জুটি যোগ করতে পেরেছেন মাত্র ৫১ রান । ক্যারিয়ারের ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে মাত্র সাত রান দূরে থাকার সময় গ্রায়েম সোয়ানের বলে কলিংউডের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান হাসি । এরপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই একে একে বিদায় নেন হ্যারিস , ডোহার্টি আর সিডল । ৫৬ রান করে একাই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চেয়েছেন ব্রাড হাডিন । কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি স্টুয়ার্ট ব্রডের শিকারে পরিণত হলে ২৪৫ রানেই শেষ হয় অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস । বাংলাদেশনিউজ২৪xx৭ . কম / এমএ / এসএকে .
আবহাওয়া কায়রো শহর ও তার সংলগ্ন অঞ্চলের আবহাওয়া সাধারণত মরুভূমি এলাকার মতো । তবে নীল নদ উপত্যকার একাংশ হওয়ার দরুণ বছরের কয়েক সময় এখানে আদ্রর্তা বৃদ্ধি পায় । মার্চ - এপ্রিল মাসে , গ্রীষ্মের গোড়ার দিকে ধুলোর ঝড় বয় এই অঞ্চলে । এই সময় বেড়াতে এলে শরীর আপাদমস্তক ঢেকে বেরোতে হবে । সারা গরমকালেই তাপমাত্রা বাড়ে হু - হু করে ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড অবধি । তবে রাতে তা নেমে যায় প্রায় ২০ ডিগ্রির কাছাকাছি । শীতকালে তাপমান দিনের বেলায় বেড়ে যায় ১৫ ডিগ্রি সেিন্টগ্রেড আর রাতে তা নামে ৫ ডিগ্রির কাছাকাছি । কায়রো শহর ও তার আশেপাশে বৃিষ্টপাতের হার খুব বেশি নয় । আবার মাঝেমধ্যে হঠাৎ বৃিষ্ট হওয়াও বিচিত্র নয় ।
১১৫ বার পঠিত | ৮ টি মন্তব্য | রেটিং + ২ / - ০ | বাকিটুকু পড়ুন |
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আরও উপদেষ্টা আছেন । আছেন সাবেক আমলা এইচ টি ইমাম , ড . মশিয়ুর রহমান , মেজর জেনারেল ( অব . ) তারেক সিদ্দিকি , ডা . মোদাচ্ছের আলী , ড . আলাউদ্দিন আহমদ । তা ছাড়া সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড . ফখরুদ্দীন আহমদের যেমন ড . তামিম ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর রয়েছেন তেমনি এক ড . তৌফিক - ই - এলাহীঁ । এরপর বোধকরি বলার আর অপেক্ষা রাখে না , বাংলাদেশের তেল - গ্যাস - সমুদ্র বন্দর নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে - এজেন্ডা ছিল , বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সেটা থেকেও পিছপা হবে না , বরং এগিয়ে যাবে ফখরুদ্দীনের ওই ঝাণ্ডা হাতে ।
ডা : আছিয়া খানম এমবিবিএস , এমডি ( নেফ্রোলজী ) কিডনী বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক , নেফ্রোলজী বিভাগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয় ( পিজি হাসপাতাল ) , ঢাকা
নব্বইযে়র গণঅভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার সূচনালগ্নে এদেশের জনসাধারণ অনেক স্বপ্ন দেখেছিলো । কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে , সার - বিদ্যুৎ - ডিজেলের মূল্য হাতের নাগালে থাকবে , শ্রমিকসহ সাধারণ খেটে খাওযা় মানুষ শ্রমের ন্যায্য মূল্য পাবে , শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত হবে , শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান হবে , স্বৈরশাসনকালীন ভযা়বহ দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ হবে ; সর্বোপরি ,
সরকার সেলিম বলেছেন : অপসংস্কৃতি যাক গুঁড়িয়ে তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে এসেছে বৈশাখ ঘর রাঙ্গাতে ধন্য মাগো ধন্য আমি , এই বাংলায় জন্ম নিতে ।
প্রজন্ম ফোরাম » সাহিত্য - সংস্কৃতি » বাবা হলেন রাজীব
এটাও করা যায় , তবে সেক্ষেত্রে বুকমার্ক অপশনটা একটু দূরে সরে গেল । আর মেনুবার এ একসেস করতে হলে আপনাকে আবার ফুলস্ক্রীন মোড থেকে বের হতে হবে । তবে আইডিয়া ভালই । উইকিতে বিশাল কোন লেখা পড়ার সময় এই কাজ করতাম । তবে সমস্যা হয় , দেখা গেল কেউ মেসেঞ্জারে নক করে বসলো , বের হয়ে এসে দেখা লাগে ।
শুনেছি আমিও । তবে মনে হয় মোবাইল পেয়েও খুশি হয়েছিল খুব । Nokia N - 73
এই পোস্টের সর্বপ্রথম প্রতিক্রিয়াটিকে পোস্টলেখকের মনে হয়েছে ' চমৎকার কার্যকর মন্তব্য ' । সেই মন্তব্যের সূত্র ধরে আলোচনা কালক্রমে অবান্তর কলহের রূপ নিয়েছে । ( মন্তব্যের ঘরে সংযুক্ত ফেসবুকের লিংকটিতে ভাবনার খোরাক থাকলেও তা আলোচনায় আসেনি । ) আমরা যেন ভুলে না যাই - একদেশদর্শিতা নির্মোহ মূল্যায়নের পথে সবচেয়ে বড়ো অন্তরায় । অন্যের নাম , পরিচয় , পেশা , পাঠপরিধি ইত্যাদি নিয়ে ব্যঙ্গোক্তি পালটা - সমালোচনা হিসেবে গ্রাহ্য হতে পারে না ।
লেখক বলেছেন : কালপুরুষ কবি গোত্র । আপনি অলরেডি রেটিং দিসেন মনে লয় ।
কিছু একটা করেন স্যার আজ চারদিন হয়ে গেল আমার ছোট্ট মেয়েটা ঐ নোংরা বারান্দায় পড়ে আছে । জুতার দোকানের সামান্য মাইনের কর্মাচারী নিকুঞ্জ । তার আদরের মেয়ে মা মনির কঠিন অসুখ । ডায়ালিসিস করতে হবে । পাড়ার এম এল এ দয়ালু হাতে চিঠি দিয়েছেন মন্ত্রীর সি এ কে । তিনি চিরকুট পাঠিয়েছেন আরেক আমলাকে [ . . . ]
লেখক বলেছেন : এক্ষুণি রাখেন । আবার যদি আলসেমী পেয়ে বসে !
সেই বনে মুনির আশ্রম আছে বুঝতে পেরে দুষ্মন্ত এগিয়ে গেলেন এবং সৈন্যদের নির্দেশ দিলেন তিনি না ফেরা পর্যন্ত এই স্থানেই তারা অপেক্ষা করবে । এই বলে তিনি কণ্বমুনির আশ্রমে উপস্থিত হলেন । কিন্তু আশ্রমে মুনি নেই দেখে তিনি বিষণ্ণ হলেন ।
জনগণের লীলা বোঝা বড় ভার : মওদুদ বিএনপি অচিয়েই সংসদে ফিরছে জানিয়ে দলের নেতা মওদুদ আহমদ বলেছেন , জনগণের চাওয়া মেনেই তাদের এ সিদ্ধান্ত । নবম জাতীয় সংসদের অধিবেশন দীর্ঘদিন ধরে বর্জন করে আসছে বিএনপি । চলমান অধিবেশনে তারা যোগ না দিলে আইন অনুযায়ী বিএনপি সংসদ সদস্যদের সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে । মওদুদ বলেন , " জনগণ চায় , আমরা সংসদে
ধন্যবাদ সেভারাস ভাইয়া অধমকে মনে রাখার জন্য ; অনেক আশা ছিল আপনাদের সঙ্গে দ্যাখা করার জন্য ; প্রতিবার যখন দেশে যাই দেশের কোন না কোন সুন্দর যায়গায় পরিবার নিয়ে ভ্রমন করে আসি ; এবারে বানিজ্যমেলা এবং বইমেলা দুটোই দেখবার প্রচন্ড ইচ্ছে ছিল ; বাধ সাধলো আমার মেয়েটা যে কি না কক্সবাজার ছাড়া অন্য কোথাও যেতে রাজী হলো না ; তাছাড়াও কিছু কনস্ট্রাকশনের কাজেও হাত দিতে হয়েছিল বিধায় আমার অনেক প্রিয় প্রজন্মের কোন ভাইবন্ধুর সনেই দ্যাখা করা হয়ে ওঠেনি ; আমি আন্তরিক ভাবে দু : খিত ;
পোষ্ট করেছেন : ১২ টি মন্তব্য করেছেন : ৪৯৬ টি ব্লগ লিখছেন ০ বছর ৫ মাস ১৯ দিন ব্লগটি দেখা হয়েছে : ৩১৮৪ বার
মেঘ রঙ মেয়ে বলেছেন : আমি তো বলতেই পারিনা
সিনেমা দেখাটা আসলে একধরণের অভ্যাস । মানুষ আসলে বিনোদিত হইতে চায় বইলাই সিনেমা দেখে , মানুষ সিনেমা দেখে নিজেরে সামাজিক সম্পর্কের অ্যাসপেক্টে যাচাই করতে , মানুষ সিনেমা দেখে উদ্বুদ্ধ হইতে . . . এইরম অসংখ্য সাবটেক্সটের উল্লেখ করা যায় সিনেমার উপস্থাপণ বিষয়ক আলোচনায় । কিন্তু যে সিনেমা দেখে এইটারে আসলে তার অভ্যাস মনে হয় আমার কাছে । তার এই অভ্যাসরে জায়েজ করতে গিয়া সে হেতু নির্ধারণ করে । আমিও অভ্যাসবশতঃ সিনেমা দেখি ।
আরেক পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা , অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেড . এ . খান উপলব্ধি করে , " ধর্ম ছাড়া আর কিছুতেই মিল ছিল না , পূর্ব পাকিস্তান প্রথম থেকেই আলাদা রাষ্ট্র হওয়া উচিত ছিল " ( … there was nothing common except religion , East Pakistan should have been separate state from the beginning . ) । তার মানে , পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর একজন সদস্যও শেষ পর্যন্ত এই ধ্রুবসত্যটি স্বীকার করে নেয় - যে কিনা একাত্তরে বাঙালির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে । অথচ তা স্বীকার করেনা এদেশের জ্ঞানপাপী , ধর্মব্যবসায়ী রাজাকাররা - যারা কেবল ধর্মের মিথ্যা দোহাই দিয়ে তথাকথিত ' ইসলামী রাষ্ট্র ' পাকিস্তানকে টিকিয়ে রাখার জন্য নিজের মাটির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল এবং ধর্মের নামে অসংখ্য হত্যাকাণ্ড সংঘটনে সক্রিয় সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ করেছিল । শুধু ধর্মের ওপর ভিত্তি করেই যদি রাষ্ট্র গড়ে উঠত , তবে পৃথিবীর সব মুসলিম দেশ মিলে একটি রাষ্ট্র হত - ধর্ম বিকিয়ে খাওয়া এইসব পাপিষ্ঠ নরাধমদের এইটুকু বোধ আছে কি ?
আমি ওয়ার্ডপ্রেসে ডাইরেক্ট আপলোড করি । কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য ব্লগস্পটের কপি নিয়ে নেই । ভালো পোস্ট । ধন্যবাদ ।
বিপত্তি ঘটে অন্যখানে । যে সব অভাবী - দরিদ্র মানুষেরা জীবনে অনেক কষ্ট - গ্লানি সহ্য করে নিজেদের দিন ফেরাতে পারেনি , আশার এতটুকু আলো কোথাও না দেখে সব কিছু অদৃষ্টের লিখন মনে করে এরা এই সব ধর্ম ব্যবসায়ীদের মন ভোলানো কথায় সহজেই ভুলে যায় । এজন্য এরা পীরের মুরিদ হয় , আধ্যাত্মিকতার নেশায় বুদ হয়ে জগতের এ মিথ্যা মায়াকে ভুলে থাকতে চায় । গ্রাউন্ড লেবেলে এরা ভন্ডপীরের সবচেয়ে বড় সামাজিক প্রোটেকশন হিসেবে কাজ করে বলে মনে হয় ।
লেখক বলেছেন : হাহাহা . . . অনেক ধন্যবাদ মনজুরুল ভাই , হ্যাঁ , মান্না দে ' র হিন্দি গানগুলোও অনেক অনেক ভালো লাগে । আপনি যে গানগুলোর কথা বললেন তারমধ্যে ' জাগো নতুন প্রভাত ' শুনেছি । হিন্দি গানগুলোর মুভির নাম বলতে পারবেন কি ? তাহলে হিন্দি মুভি সং এর কোনও অ্যালবাম থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারতাম ।
১৯৭১ সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ছিল পাকিস্তানের প্রধানতম মিত্র এবং যুদ্ধ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে রাজনৈতিক ও বস্তুগত - উভয়ভাবেই সহায়তা করে । যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন মুক্তিযুদ্ধকে পাকিস্তানের আভ্যন্তরীন ব্যাপার হিসেবে উল্লেখ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাদের কিছুই করার নেই বলে অভিমত প্রকাশ করেন । কিন্তু পাকিস্তানের অবশ্যম্ভাবী পরাজয় আঁচ করতে পেরে নিক্সন ইউএসএস এন্টারপ্রাইজকে বঙ্গোপসাগরে মোতায়ন করেন , যা ভারতীয়রা নিউক্লিয়ার যুদ্ধ শুরু করার হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে । এন্টারপ্রাইজ ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর গন্তব্যে পৌঁছায় । যুক্তরাষ্ট্রের এই হুমকির জবাব হিসেবে সোভিয়েত নৌবাহিনী ৬ ও ১৩ ডিসেম্বর নিউক্লিয়ার মিসাইলবাহী দু ' টি ডুবোজাহাজ ভ্লাডিভস্টক থেকে বঙ্গোপসাগরে প্রেরণ করে ; যারা ইউএস টাস্ক ফোর্স ৭৪ কে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি ১৯৭২ পর্যন্ত ভারত মহাসাগরে তাড়া করে বেড়ায় ।
" সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সামাজিক - মনস্তাত্বিক সাহায্য . কারণ সেই সব মানুষেরা - যাঁরা রক্ষা পেয়েছেন , তাঁরা ও আত্মীয় পরিজনরা রয়েছেন খুবই কঠিন মানসিক যন্ত্রণায় . আমরা কাজান শহরে আমাদের বিশেষজ্ঞদের পাঠিয়েছি , যাঁদের প্রয়োজন , তাঁদের গুণগত ভাবে উত্কৃষ্ট সহায়তা দিতে " .
বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ অপহরণের সাথে জড়িত সন্দেহে বিধান চন্দ্র দাস ( ২৫ ) ও বিশ্বজিৎ বালা ( ২১ ) নামে দু ' জনকে আটক করেছে । শিপ্রা বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার তেউলী গ্রামের রাখাল চন্দ্রের মেয়ে এবং বিধান বরগুনার থানাপাড়া এলাকার বিশ্বনাথ দাসের ছেলে ও বিশ্বজিৎ বালা গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সিংয়া সাতপাড়া গ্রামের ঝন্টু বালার ছেলে ।
পোষ্ট করেছেন : ৩৯ টি মন্তব্য করেছেন : ১৭৪ টি ব্লগ লিখছেন ০ বছর ৪ মাস ২ দিন ব্লগটি দেখা হয়েছে : ২৮৭৪ বার
বাংলাদেশে প্রচলিত ব্যাংক নোটসমূহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মুদ্রার সাথে তুলনা করে বলা যায় এর ডিজাইন , মাপ / আকার , নিরাপত্তা , ছাপা , রং - এর ব্যবহার নিম্নমানের । বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের বহু গুণী ডিজাইনার থাকা সত্ত্বেও আমাদের কাগুজে নোট দেখলে সস্তা লটারীর টিকিটের মতো মনে হয় কেন ? বাংলাদেশে বহু সুন্দর দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দৃশ্যপট রয়েছে যা ব্যাংক নোটে ছাপালে নতুন প্রজন্মের নিকট দেশের পরিচিতি বৃদ্ধি পাবে । টাকার প্রতিটি মূল্যমান ভেদে পরিমাপও কেন পরিবর্তন হবে ? নকল এড়াবার বহু পথই আছে । আমি মনে করি , ৫ , ১০ , ২০ , ২৫ , ৫০ , ৭৫ মূল্যমানের নোটসমূহ ( ৬টি ) একই পরিমাপের ( আকার ) হলে ভাল হবে । অন্যদিকে ১০০ , ২০০ , ৫০০ , ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোটসমূহ ( ৪টি ) একই পরিমাপ ( আকার ) অর্থাত্ ০২ পরিমাপের ( আকারের ) স্তর করা যেতে পারে । রং বদল করে পুনরায় ছাপ দিয়ে নকল রোধ করার নিমিত্তে প্রতিটি মূল্যমানের নোটের নিরাপত্তা সুতা আলাদা রংয়ের সুতায় সংশ্লিষ্ট মূল্যমান ও শব্দ আলাদাভাবে লেখা থাকলেই নোটের মূল্যমান ও আসল - নকল চিহ্নিত করা খুবই সহজ হবে সকলের কাছে । টাকার ডিজাইন , মান , রং ইত্যাদি উন্নত ও উচ্চতর আকর্ষণীয় হতে হবে যেন আমরা গর্ববোধ করতে পারি । সেই সাথে নোট ছিদ্র করা , লেখালেখি করা , অযত্ন করা অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে ব্যবস্থা গ্রহণ একান্ত প্রয়োজন । নোটের সদ্ব্যবহার , যত্ন ও টেকসই করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণমাধ্যমে প্রচারণা চালাতে হবে । উপরোক্ত প্রস্তাবনা সদয় বিবেচনা এবং সেইসঙ্গে প্রতিটি মূল্যমানের নোটে বঙ্গবন্ধুর সুন্দর প্রাণোচ্ছল ছবি বড় আকারে যথাস্থানে ছাপাতে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্ণর ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি ।
কাজের কাজ হয়েছে । হ্যাটস অফ কিন্তু ব্লগার ঔঁ কে অনেকদিন দেখা যায় না কেন ?
লেখক বলেছেন : হুম । অন্য লেখা না হলেও ইভটিজিংএর সিরিজটা আসলে নিজের স্ট্যাটাস বিবেচনা না করেই নিয়মিত পোস্ট দিয়ে যাব ভাবছি । লিখে ফেলে রাখতে ভালো লাগে না ।
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । কমিশন অনেকগুলো দায়িত্ব পালন করে , যা না করলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আশা হবে সুদূরপরাহত । আমাদের সংবিধান ( অনুচ্ছেদ ১১৯ ) কমিশনের ওপর চারটি সুস্পষ্ট দায়িত্ব অর্পন করেছে : রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান , সংসদসদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান , সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ , এবং রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ।
মাহফুজুর রহমান বলেছেন : আরে ভাই , আমি ও তো বার্সা , লা লীগা তে , কিন্তু প্রিমিয়ার লীগে রেড ডেভিলস । ।
ব্যক্তিগত পর্যায়ে এটা একটা অর্জন মনে হলেও , ফোরামের জন্য খুব উৎসাহব্যাঞ্জক না বলেই মনে হয় । এক - দশমাংশ একজন পোস্ট করেছে , অর্থাৎ সক্রিয় সদস্য অত্যন্ত কম ।
সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ সংস্কৃতিকেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন । তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় স্বদেশী সংস্কৃতির বিকাশ সাধনে দেশে - বিদেশে এরই মধ্যে গড়ে উঠেছে অসংখ্য সংস্কৃতিকেন্দ্র । তার তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় এসব সংস্কৃতিকেন্দ্র পরিচালিত হয় আসছিলো ।
ডিউরডান্ট শিমুল বলেছেন : মাঝেমাঝে ক্রমানুসারে পোস্ট ট্যাব ক্লিক করলে কিছু পোস্ট পাই , এই যেমন এটা - - - হাহাহা - - - যাইহোক , এই প্রসঙ্গে এম্নিতেই ক্যাচালে আছি তাই কিছু বলতে পারছিনা । @ হামিং বার্ড , আমিও নতুন ( অনেকটা ) তাই নতুন / পুরাতন ব্লগার বুঝতে পারিনা । জানালে উপকৃত হব । ধন্যবাদ ।
সাজেদার ছেলেকে প্রতিরোধে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব ভয়ংকর রূপ নিয়েছে । সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ছেলে আয়মন আকবরের ফরিদপুর আগমন ঠেকাতে শ্রমমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে । তারা ফরিদপুর - সালথা সড়কের কৈজুরি ইউনিয়নের চুঙ্গির মোড় এলাকায় সড়কি , দা , ঢালসহ অবস্থান নেয় । ছবি : প্রথম আলো ফরিদপুর অফিস | তারিখ : ২৩ - ০৭ - ২০১০ সংসদের উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর ছেলে আয়মন আকবরকে প্রতিহত করতে শ্রমমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সমর্থকেরা গতকাল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলার চুঙ্গির মোড়ে অবস্থান নেন | এদিকে উভয় পক্ষ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের একই স্থানে একই সময় একই দাবিতে পৃথক সমাবেশ ডাকলেও তা হয়নি । আগের রাতে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে স্থানীয় নেতাদের বৈঠক এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে দুটি সমাবেশই স্থগিত করা হয় । দুই পক্ষই সমাবেশ ডেকেছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে । তবু বাড়তি সতর্কতা হিসেবে গতকাল জনতা ব্যাংকের মোড় , আলীপুরের মোড় , গোলপুকুর ড্রিম শপিং কমপ্লেক্স , প্রেসক্লাবের সামনেসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পুলিশ মোতায়েন করা হয় । এর আগে বুধবার জেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে । পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুধবার রাতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি করে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে । আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা জানান , সাজেদা চৌধুরীর ছেলে আয়মন আকবরের ফরিদপুর , সালথা ও নগরকান্দায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল সকালে আসার কথা ছিল । তাঁর প্রথম অনুষ্ঠান ছিল সকাল ১০টায় সালথায় । সেখানে উপজেলা পরিষদ আয়োজিত এসএসসিতে জিপিএ - ৫ পাওয়াদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর । ঢাকা থেকে ফরিদপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়ে ফরিদপুর - সালথা আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে সালথা উপজেলা বিদ্যালয়ে পৌঁছানোর কথা ছিল আয়মন আকবরের । প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , আয়মন আকবরকে প্রতিহত করতে ফরিদপুর সদরের কৈজুরি ও কানাইপুর ইউনিয়নে শ্রমমন্ত্রী - সমর্থিত প্রায় দুই হাজার লোক চুঙ্গির মোড় এলাকায় সমবেত হয় । সকাল আটটা থেকে তারা কৈজুরি ও কানাইপুর এলাকার ওয়াহিদ মোল্লা , লতিফ মাস্টার ও সিরাজ ব্যাপারীর নেতৃত্বে প্রকাশ্যে ঢাল , সড়কি , লাঠি , রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মহড়া দেয় । দুপুর ১২টার দিকে আয়মন আকবরের কর্মসূচি বাতিল হওয়ার খবর আসার পর লোকজন প্রতিরোধ তুলে নেয় । প্রতিরোধ কর্মসূচিতে নেতৃত্বদানকারী অন্যতম নেতা জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন , ' আয়মন আকবরকে প্রতিহত করতেই আমরা সবাই সমবেত হয়েছিলাম । ' সালথা উপজেলার চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন জানান , জিপিএ - ৫ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আয়মন আকবর প্রধান অতিথি ছিলেন । তিনি না এলেও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়েছে এবং সালথার ইউএনও এস এম তুহিনুর আলম উপস্থিত ছিলেন । তিনি বলেন , ' আয়মন আকবরকে প্রতিহত করার জন্য কৈজুরির চুঙ্গির মোড়ে প্রতিরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে বলে শুনেছি । ' আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিপুল ঘোষ প্রথম আলোকে জানান , কৈজুরির চুঙ্গির মোড়ে আয়মন আকবরকে প্রতিহত করার জন্য শ্রমমন্ত্রীর কয়েক হাজার সমর্থক পুলিশের সামনে সশস্ত্র মহড়া দিয়েছে । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আয়মন আকবরকে ফরিদপুরে আসতে বারণ করায় তিনি সফর বাতিল করেছেন । তিনি বলেন , ' জেলা আওয়ামী লীগের অবস্থা সম্পর্কে আমরা গত ১৯ এপ্রিল গণভবনে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে জানিয়েছি । আশা করছি , নেত্রী এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবেন । তা না হলে দলের সর্বস্তরের নেতা - কর্মীরা গণপদত্যাগের মতো পদক্ষেপ নিয়ে বসতে পারেন । ' ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো . আওলাদ আলী ফকির প্রথম আলোকে বলেন , ' চুঙ্গির মোড়ে পুলিশ যায়নি । তবে ওখানে কয়েক হাজার লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সমবেত হয়েছে - এ খবর পেয়ে আমি তা শ্রমমন্ত্রী - সমর্থিত নেতাদের জানাই । এরপর শ্রমমন্ত্রীর ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মোকাররম মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সমবেতদের সরিয়ে দেন । ' এদিকে বুধবার দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিতে আহত জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নাজমুল ইসলাম খন্দকারের দেহ থেকে বুলেটটি বের করা হয়েছে । গুলিবিদ্ধ আন্তজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন । এ ছাড়া ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামানকে ঢাকা মেডিকেল হয়ে গতকাল সকালে পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে । জেলা প্রশাসক হেলালুদ্দীন আহমদ জানান , ' আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই অংশের নেতাদের নিয়ে বুধবার রাতে আমি সমঝোতা বৈঠক করি । ওই বৈঠকে গতকালের সমাবেশ না করার জন্য দুই পক্ষই রাজি হয় । ' http : / / www . prothom - alo . com / detail / date / 2010 - 07 - 23 / news / 80884
ঘেন্নায় কুঁচকে ওঠে ভুরু আর দলাপাকানো থুতুগুলো আছড়ে পড়ে শ্বেতশুভ্র চিনেমাটির বেসিনে । ঘৃণিত সত্ত্বা … বধির আত্মা … বিকৃত জীবনবোধ … অর্থহীন জীবননামা …
রাষ্ট্রীয় বা ব্যক্তিমালিকানাধীন কোনো ব্যাংকই দরিদ্র মানুষকে ঋণ দেয় না , কারণ চিরকাল মনে করা হয়েছে যে , দরিদ্র মানুষ ঋণ পাওয়ার যোগ্য নয় , তারা ঋণ পরিশোধ করতে পারবে না । কিন্তু ড . মুহাম্মদ ইউনূস এই ধারণাকে মিথ্যে প্রমাণ করে দিয়েছেন । গ্রামীণ ব্যাংক এই সত্য প্রতিষ্ঠা করেছে যে , দরিদ্র মানুষের ঋণ পাওয়ার অধিকার আছে এবং তাদের ঋণ দিলে তারা সময়মতো তা পরিশোধ করতে পারে ।
একমত . . . কিন্তু নিজের পোস্টের সাথে যদি অন্যদের পোস্টও মুছে যায় তাহলে অবশ্যই অসুবিধা আছে
মন্তব্য করার প্রয়োজন নেই । অত্যন্ত স্থুল চিন্তার লেখা । ব্লগে এত নিচু চিন্তাধারাসম্পন্ন লোকজন আছে তা জানতাম না , তাও আবার নাগু ব্লগে । এদের সামু আর সোনা তে পাওয়া যায় । মেজাজটাই চটে গেল । আস্তিক নাস্তিক এর বাল এর কেচ্ছা । যে শালারা যুক্তি মানেনা , বিজ্ঞান বুঝেনা এরাতো মধ্যযুগে বসবাস করছে ।
ইসরাফিল হোসেন বলেছেন : অনেক ধন্যবাদ আমার ব্লগে আসার জন্য এবং মন্তব্য করার জন্য ।
সাংবাদিক কিংবা সাধারণ একজন নাগরিক হিসেবে আমাদের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট । যেকোন হেফাজতে কোন নাগরিককে নির্যাতন সভ্য সমাজে চলতে পারে না । সাধারণ নাগরিক হোক অথবা রাজনীতিবিদ হোক কিংবা পেশাজীবি হোন বা গণমাধ্যমকর্মী হোন কারও কোন নির্যাতনের ঘটনা যেন আর না ঘটে । সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে এটা আমাদের দাবি । যদি এই ধরনের কোন ঘটনা ঘটে তার সুষ্ঠু তদন্ত করা প্রয়োজন । যারা এমন নির্যাতনের সাথে জড়িত থাকবে তাদের বিচারের কাঠগড়ায় আনতে হবে । বাংলাদেশে এ পর্যন্ত সংঘটিত সকল সাংবাদিক হত্যা - নির্যাতনের ঘটনার কার্যকর তদন্ত চাই । সাংবাদিক হত্যা - নির্যাতনের ঘটনায় দোষিদের বিচারের মুখোমুখি আনয়ন অত্যন্ত জরুরি । কেননা , সভ্য সমাজে মানব হত্যা - নির্যাতন কল্পনাও করা যায় না । বাংলাদেশের সমাজ যদি আদর্শভিত্তিক পরিবর্তিত না হয় তাহলে প্রেসফ্রিডমটা মূলত : সোনার হরিণ ছাড়া আর কিছুই নয় । দেশের মানুষ দেখেছেন , দুর্নীতিবাজরা সব সরকারের আমলেই নিয়ন্ত্রিত । আর এসব দুর্নীতিবাজ কিংবা কালো টাকার মালিকরাই বাংলাদেশে মিডিয়ার ওনারশিপের জায়গাটা ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছে । তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মিডিয়াকে ঘোষণা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয় । কালো টাকার মালিক মিডিয়ার ওনারশিপে থাকায় তাদের মধ্যে একেবারেই ব্যতিক্রম ছাড়া কোন ইডিওলজি নেই । ফলে সাংবাদিকরা প্রথমত : সেলফসেন্সরশিপের মুখে পড়ে । সরকারি বিজ্ঞাপনকে ঘিরে দেশে মুড়ি - মুড়কির মত সংবাদপত্র বেরিয়েছে । এর কতগুলো জনগণের কল্যাণে কাজ করছে তাও আজ একটি বড় প্রশ্ন । সরকারের তরফ থেকে মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণের একটি অন্যতম বড় হাতিয়ার হলো বিজ্ঞাপন । মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে । তাছাড়া পেশাদারিত্বের সংকট বাংলাদেশে প্রেসফ্রিডমের ক্ষেত্রে একটি অন্যতম বাধা । দেশে প্রেসফ্রিডমের আরও একটা সমস্যা হলো কনটেম্পট টু কোর্ট এবং মানহানি । এ বিষয়ক সুনির্দিষ্ট কোন সংজ্ঞা না থাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে । সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক - প্রকাশকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে । কোনটা লিখলে আদালত অবমাননা হবে ? তার কোন সৃনির্দিষ্ট বর্ণনা নেই কোথাও । এনিয়ে সাংবাদিক , সম্পাদক সকলেই একটা চরম ঝুঁকির মধ্যে । সর্বোপরি বাংলাদেশে কোন জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা নেই । জবাবদিহিতা ও সুশাসনের অভাব , সাংবাদিদের মধ্যে অনৈক্য , রাজনৈতিক বিভাজন , আর্থ - সামাজিক - রাজনৈতিক কাঠামোর কারণে সাংবাদিক হত্যা - নির্যাতন থামছে না । সাংবাদিক খুন বা নির্যাতিত হলে তার প্রতিকার মেলে না , বিচার হয় না । ফলে সাংবাদিক হত্যা - নির্যাতনকারিরা উৎসাহিত হচ্ছে । সাংবাদিক সমাজ আমরা দেশে এযাবৎ সংঘটিত সকল সাংবাদিকসহ সকল হত্যা - নির্যাতনের বিচার চাই । সাংবাদিক হত্যা - নির্যাতনসহ সকল হত্যা - নির্যাতনের প্রতিকার পাওয়া যেতে পারে । যদি সমাজে সত্যিকারের আইনের শাসন , কার্যকর গণতন্ত্র থাকে । অত্যাচার - নির্যাতনের কোন প্রতিকার , বিচার , প্রতিবিধান নেই । এই যে একটা ধারণা মানুষের মনে বদ্ধমূল হয়েছে সেটাকে ভাঙা চাই । আর এটা করতে হলে চাই দেশপ্রেমিক জনঐক্য । রাজনীতি , ব্যক্তি বা গোষ্ঠীস্বার্থের উর্দ্ধে ওঠে গণ জাগরণ গণবিপ্লব দরকার । গণবিপ্লবের মাধ্যমেই কেবল সমাজ ও রাষ্ট্রের ভেতরকার সমস্যাগুলোর সমাধান হতে পারে । সমাজ ও রাষ্ট্রে দায়মুক্তি এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির শেকড় বেশ গভীরে । এটার প্রমাণ মেলে যখন আমরা দেখি , মানুষ হত্যাকান্ডের বিচার চান না । সহকর্মীর নৃশংস হত্যাকান্ডের পর সাংবাদিক সমাজকে বলতে শুনেছি ' বিচার পাই না তাই বিচার চাই না ' । এমন স্লোগান লিখে রাজপথে নামতে হয় সাংবাদিকদের । আমরা আশা করবো , এই অবস্থার পরিবর্তন হবে । আশার কথা হলো বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে কমিউনিটি রেডিও নীতিমালা প্রণয়ন করে গেছে । মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হয়েছে । বর্তমান সরকার রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্ট প্রণয়ন করেছে । এর মধ্য দিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে একটি ধাপ এগিয়েছে বলে আমরা মনে করি । তবে এসব আইন প্রণয়ন করলেইতো আর হবে না । এগুলোকে স্বাধীনভাবে চলতে দিতে হবে এবং কার্যকর করতে হবে । বর্তমান সরকারের তথ্যমন্ত্রী বলেছেন , সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাসমূহ তুলে নেয়া হবে । ভাল কথা । রাজনৈতিক হয়রাণিমূলক মামলা তুলে নেয়াই উচিত । ব্যক্তিগতভাবে আমার বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক হয়রাণিমূলক মামলা হয়েছে । আমি মনে করি , একটা বিষয় পরিস্কার হওয়া দরকার । সেটা হলো ধরুণ , একজন সাংবাদিক ' এক্স ' । তিনি সত্যি সত্যি চাঁদাবাজি কিংবা অপরাধ করেছেন । তার মামলাও কী তবে তুলে নেয়া হবে ? এক্ষেত্রে আমাদের বক্তব্য হলো - না সব মামলা তোলা উচিত হবে না । কেবলমাত্র যেসব মামলা রাজনৈতিব উদ্দেশ্য প্রণোদিত , মিথ্যা - হয়রাণিমূলক সেইসব মামলাই তুলে নেয়া হোক । অন্যথায় দেশে আইনের শাসন রক্ষা করা যাবে না । সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র আবার গণতন্ত্র ছাড়া গণমাধ্যমের স্বাধীনতা । কোনটাই ভাবা যায় না । সভ্য ও মানবিক কল্যাণমুখী সমাজে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের একটা পূর্বশর্ত । গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একে অপরের পরিপূরক । একটা ছাড়া অন্যটা অচল । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের মাধ্যমে আজ ( ১০ জুলাই , ২০১০ ) কথা হলো আমার এক বন্ধু - সহকর্মীর সাথে । ফেইসবুক চেটিংকালে ওই বন্ধুটি জানালেন , বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের ওপর তিনি চার পর্বের একটি সিরিজ প্রতিবেদন তৈরী করেন । যার অর্ধেক প্রচারিত হয়েছে । কিন্তু অর্ধেকটা ( দু ' টি পর্ব ) বন্ধ হয়ে গেছে । কারণ সেনাবাহিনীর ( র্যাব ) চাপ । ২০০০ সালের ঠিক এই দিনে ( ১০ জুলাই ) নিহত হয়েছিলেন বিখ্যাত সাংবাদিক শামছুর রহমান কেবল । তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের দক্ষিণালীয় প্রতিনিধি ছিলেন । নিজ অফিসে কর্মরত অবস্থায় তিনি সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারান । এরপর দশটি বছর পেরিয়ে গেছে । কিন্তু খুনিদের বিচার হয়নি । দৈনিক জনকণ্ঠ ( ১০ জুলাই , ২০১০ ) লিখেছে , ২০০১ সালে সিআইডি পুলিশ চাঞ্চল্যকর শামছুর রহমান হত্যা মামলায় ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে । বিএনপি - জামায়াত জোট সরকারের সময়ে মামলার বর্ধিত তদন্ত করা হয় । রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশে নিহত সাংবাদিক কেবলের বন্ধু সাংবাদিক ফারাজী আজমল হোসেনকে আসামির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে সরকার । আবার বাদ দেয়া হয় মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে । কিন্তু নতুন সাক্ষী করা হয় আসামিদের ঘনিষ্ঠজনদের । ২০০৫ সালের জুন মাসে এই মামলার সকল আসামির বিরুদ্ধে যশোরের ষ্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগ গঠিত হয় । একই বছরের জুলাই মাসে বাদিকে না জানিয়ে মামলাটি খুলনার দ্রুত বিচার আদালতে স্থানান্তর করে সরকার । মামলার অন্যতম আসামি খুলনার সন্ত্রাসী মুশফিকুর রহমান হিরক জামিন নিয়ে পলা খুলনার আদালতে যাবার পর মামলার বাদি এ বং কয়েকজন সাক্ষীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয় । সে সময় আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে পুলিশ মামলার বাদি এবং সাক্ষীর বাড়িতে অভিযান চালায় । শহীদ শামছুর রহমানের স্ত্রী সেলিনা আকতার লাকি ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে হাইকোর্টে আপীল করেন । আপিলের আবেদনে বলা হয় , মামলার অন্যতম আসামি হিরক পলাতক রয়েছে । এই মামলার অন্যান্য আসামির সঙ্গে খুলনার সন্ত্রাসীদের সম্পর্ক রয়েছে । ফলে তাঁর পক্ষে খুলনায় গিয়ে সাক্ষ্য দেয়া সম্ভব নয় । এরই প্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি কেন যশোরে ফিরিয়ে দেয়া হবে তার জন্য সরকারের ওপর রুলনিশি জারি করে । বর্তমান মামলাটি সে অবস্থাতেই রয়েছে । মামলার এক আসামি খুলনার ওয়ার্ড কমিশনার আসাদুজ্জামান লিটু র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হন । অপর আসামি কোটচাঁদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন কালু ২ বছর আগে স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেন । অন্য আসামিরা জামিনে রয়েছে । কেবল ভাইয়ের মেয়ে সেজুঁতি ও প্রণতি চিরদিনের জন্য বাবার স্নেহ ও ভালবাসা থেকে বঞ্চিত । স্বামী হারানোর বেদনায় আজও কেঁদে ওঠেন লাকী ভাবি ( কেবল ভাইয়ের স্ত্রী ) । তিনি জানালেন প্রণতি বেড়ে উঠছে তার ' ছবি বাবা ' কে ( কেবল ভাইয়ের ছবি দেখে ) দেখে । বাংলাদেশে ন্যায় বিচার , মানবাধিকার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার এই বেহাল অবস্থা । অথচ গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ । দুর্নীতি , রাজনৈতিক দুর্বত্তায়ন বাংলাদেশের গোটা সমাজ ব্যবস্থার উপরই চরম এক আঘাত । প্রকৃত এবং বাস্তবিক অর্থেই গণতন্ত্রের চর্চা ছাড়া এই অবস্থা থেকে মুক্তির কোন উপায় নেই । দুর্নীতি , অশিক্ষা আর দারিদ্রতার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারলেই কেবল গণতন্ত্রের পথ মসৃণ হতে পারে । সেই পথ দেখানোর দায়িত্বটা কিন্তু রাজনীতিবিদদেরই । যুদ্ধাপরাধীদের বিচার , সকল সাংবাদিক , রাজনৈতিক হত্যা - নির্যাতনের বিচার চাই আমরা । আইনমাফিক সকল ধরণের প্রভাবমুক্ত ন্যায্য বিচার । সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপি - জামায়াত আমলে ১৪ সাংবাদিক হত্যাকান্ডের তথ্য তুলে ধরেন । এই তথ্য যেমন সত্য তেমনি মহাজোট সরকারের আমলে ৫ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন , এটাও সত্য । কিন্তু তিনি ( প্রধানমন্ত্রী ) অর্ধাংশ স্বীকার করে অর্ধেকটা অস্বীকার করেছেন পরোক্ষভাবে । বিএনপি - জামায়াতের আমলে জনপ্রিয় একুশে টেলিভিশন বন্ধ করা হয়েছিল । এটা যেমন সত্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে চ্যানেল ওয়ান , যমুনা টিভি ও আমার দেশ বন্ধ হলো । উভয়ই সত্য । আমরা অর্ধসত্য নয় পুরো সত্য জানতে চাই । বাংলাদেশের অর্ধসত্য রাজনৈতিক অবস্থান পুরো সত্যের জায়গায় আসতে পারবে কী ?
অসীম_ছায়া লিখেছেন : আমি আরোও একটা অর্থ বুঝাতে চেয়েছি আইটেকে একটা কবিতা লেখা আছে কার সেটা মনে পড়ছে না আইটেকের বর্তমান অবস্হা সম্পর্কে ধরে নিন অর্থটা সেটাও ! ! !
আমাদের মধ্যে যারা সুন্দরবন , কক্সবাজারকে ভোট দিয়েছি , বাজি ধরে বলতে পারি তাদের সিংহভাগ কখনও এসব জায়গায় যায়নি । আর এদের প্রতিযোগী যারা , তাদেরকে না দেখে কীভাবে আমি বলতে পারবো এরাই সবচেয়ে সুন্দর ?
আমার কারণ আমার প্রাইভেসি । উনি কী কারণ বুঝেছেন তা জানিনা । কিছুটা দ্বিধায় ছিলাম , শেষ পর্যন্ত লিস্টটা ছোট করে দিলাম । কিছু মনে করবেন না ।
নিউজডেস্ক , বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম ; জোট সরকারের আমলে পুলিশের ২৪ জন উপপরিদর্শকের চাকরীচ্যুতির আদেশ বেআইনি ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট । বৃহস্পতিবার বিচারপতি আবদুল আওয়াল ও বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের সমন্যয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন । একই সঙ্গে তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে । রিট আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন বলেন , আদালত চাকরীচ্যুত ওই ২৪ জনকে তাদের চাকরীর ধারাবাহিকতা ও অন্যান্য সুবিধাধিসহ পূনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন । তবে ইতিমধ্যে যারা অবসরে গিয়েছেন , তাদের চাকরীচ্যুতির আদেশ থেকে ৫৭ বছর পর্যন্ত চাকরী ধরে নিয়ে সুবিধা দিতে বলা হয়ছে । জানা যায় , ২০০৩ সালে ফেব্রুয়ারী থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এ ২৪ জনকে চাকরীচ্যুত করা হয় । এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চাকরীচুত্য উপপরিদর্শক মজিবুল হক চাকরীচ্যুত ওই ২৪ জনের পক্ষে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করে । এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২২ আগস্ট আদালত রুল জারি করেন । চাকরীচ্যুতি আদেশ কেন বাতিল করা হবে না তা ওই রুলে জানতে চাওয়া হয় । রুলের শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার এ রায় দেন । বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম / এমএ / এসএকে .
ঈদের পর নাজমুল করীম ভাই বললেন , আমরা দুবাই হয়ে , সেখানে বেড়িয়ে দেশে যাবো , আপনারাও চলুন সঙ্গে ।
২৪ সেপ্টেম্বর ভোরে ছাত্রশিবির কর্মীরা এমসি কলেজে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ক্যাম্পাস দখল করে নেয় । বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ ছাত্ররা ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পেরে কলেজের আশপাশে জড়ো হতে শুরু করে । এ ছাড়া সিলেট আলিয়া মাদ্রাসাকে নিজেদের হেডকোয়ার্টার বানিয়ে ছাত্রশিবির নগরীর বিভিন্ন জায়গায় গাড়ি , মোটরসাইকেল ও টেম্পোযোগে সশস্ত্র মহড়া দিতে শুরু করে । শিবিরের এই আকস্মিক ক্যাম্পাস দখলের ফলে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর পক্ষে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছিল না । তাঁরা কলেজের আশপাশে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন । তখন আলিয়া মাদ্রাসা থেকে টেম্পোযোগে একদল সশস্ত্র কর্মী নগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকায় জড়ো হওয়া জাসদ ছাত্রলীগের কর্মীদের ওপর চারপাশ থেকে সশস্ত্র হামলা চালায় । মুনিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে কোপাতে তারা রাস্তার পাশে ফেলে রাখে । তপনকে ধরে রেখে বাকিরা পাথর দিয়ে তার শরীর থেতলে দেয় । আক্রমণ শেষে শিবির ক্যাডাররা টেম্পো ও মোটরসাইকেল নিয়ে চলে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী মুমূর্ষু অবস্থায় মুনির ও তপনকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় । একই সময়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা এমসি কলেজে প্রবেশে করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে । অথচ কলেজ ক্যাম্পাসে সশস্ত্র অবস্থায় অবস্থানরত ছাত্রশিবির কর্মীদের পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরে নিরাপদে রাখা হয় । একপর্যায়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কাছে মুনির , তপনরে উপরে ছাত্রশিবির শাহী ঈদগাহ এলাকায় হামলা করেছে এই খবর পেঁৗছালে টিলাগড়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন । একপর্যায়ে তাঁদের চাপের মুখে পুলিশ প্রহরায় শিবির ক্যাডাররা এমসি কলেজ ত্যাগ করে । এই বিষয়ে বলতে গিয়ে সিলেট মহানগর জাসদের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকির আহমদ বলেন , ' দৃশ্যটা ছিল এ রকম , শিবির মিছিল করে যাচ্ছে , তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি । সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মিছিল তখন পাহারা দিচ্ছে আইনের লোকজন । ' শিবিরের এই মিছিল থেকেই পরবর্তী সময়ে নগরীর আম্বরখানায় স্কুলছাত্র এনামুল হক জুয়েলকে ধাওয়া করা হয় । জুয়েলের জন্য শিবির স্কুলগুলোতে তাদের কার্যক্রম চালাতে পারছিল না বলে তার ওপর তাদের ক্ষোভ ছিল । অস্ত্রধারী শিবির ক্যাডারদের ধাওয়া খেয়ে স্কুলছাত্র জুয়েল তখন দৌড়ে একটা মার্কেটের ছাদে উঠে যায় । অস্ত্র নিয়ে তার পেছনে পেছনে ধাওয়া করতে থাকে শিবিরের সন্ত্রাসীরা । শিবিরের ধাওয়া খেয়ে নিরুপায় জুয়েল কোনো রাস্তা খুঁজে না পেয়ে মার্কেটের এক ছাদ থেকে পার্শ্ববর্তী ছাদে লাফ দিতে গিয়ে নিচে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় । এদিন ইসলামী ছাত্রশিবির পুলিশের সহায়তা নিয়ে নগরীর নানা স্থানে স্বাধীনতার পক্ষের ছাত্র সংগঠনগুলোর কর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় । স্কুলছাত্র এনামুল হক জুয়েলের মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে নগরী উত্তপ্ত হয়ে ওঠে । বিক্ষুব্ধ ছাত্র , জনতা সিলেট নগরীজুড়ে জামায়াত - শিবিরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে । পরবর্তী সময়ে হাসপাতালে মুনির ই কিবরিয়া ও তপন জ্যোতি দেব মারা গেলে বৃহত্তর সিলেটজুড়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে । নিহতদের স্বজন , ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কান্নায় ভারী হয়ে উঠে সিলেটের বাতাস । মুনির , তপন ও জুয়েলকে হত্যা করার মাধ্যমে জামায়াত - শিবির সিলেটে তাদের বর্বরোচিত ও পৈশাচিক রাজনীতির সূচনা করে । এই তিন হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমেই সিলেট শহরে ছাত্র হত্যার রাজনীতি শুরু হয় ।
১ . অন্য ফরামের লিঙ্ক দেয়া থেকে বিরত করা ২ . অফটপিক পোস্ট ডিলিত করা ৩ . রুলস প্রত্যেক ফোরাম ও সাব ফোরাম এর উপর স্টিকি করে দেওয়া ৪ . রেপুটেশন সিস্তেম চালু করা
ঢাকা , ১২ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : চলতি ( ২০১১ - ১২ ) অর্থবছরে পণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৬শ ' ৩৬ কোটি ৩০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার । ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
এমনিতে ম্যারাডোনার সঙ্গে বিলার্ডোর সখ্যের ইতিহাস বেশ পুরোনো । ১৯৮৬ সালের বিশকাপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা দলের কোচ ছিলেন কার্লোস বিলার্ডো । চার বছর পর ১৯৯০ সালেও আর্জেন্টিনার কোচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি । সেই বিশ ^ কাপে আর্জেন্টিনা রানার - আপ হয় ।
জানা যায় , গত শুক্রবার রাত এগারটার দিকে কটিয়াদী পশ্চিমপাড়াস্থ ভবনের সামনে অন্ধকারে একদল সন্ত্রাসী ঐ প্রভাষকের গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় । তার চিত্কারে বাড়ির ও এলাকার লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে কটিয়াদী হাসপাতালে নিয়ে যায় ।
১৯ . মানুষ এবং ডলফিনই কেবল আনন্দ পাবার জন্য যৌন মিলন করে ।
মেয়ের মা টা কষ্ট চেপে রাখল । কাজের বুয়ার দাম আছে ঐ বাড়িতে , বৌ এর দাম নেই । তাকে ১০০ % নির্ভুল হতে হবে । সারাদিন ধরে কাজ করলেও দোষ আর দোষ । মেয়েটার স্বপ্ন ছিল টিচার হওয়ার । মনে হয় ভুলেই গিয়েছিল , মেয়েদের স্বপ্ন দেখতে হয় না । কিন্তু মেয়ে বলে কি তার অসুস্থ মাকে এত কিছু শোনাতেই হত ? স্বামীর বাড়িই তার আপন বাড়ি হয় - এরকমই কি একটা বাড়ির স্বপ্ন দেখত সে ?
দোজবর শালিক নোংরা ঘাঁটা ঠোঁটে নির্লজ্জের মতো গেয়ে উঠতে চায় আপোসের গান , তুই জানিস মা , তোকে বাঁচাতে আমার এখন সিনা টানটান ।
গত বছরের সার্কুলেশনের পর এ বছর নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে । ফলে এ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রয়োজন কিছু প্রস্তুতির এবং জানা দরকার কিছু তথ্যের ।
দায়বদ্ধতা ও অঙ্গীকার ( Responsibility & Commitment ) : আমরা প্রত্যেকে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ এবং একটি নতুন মানবিকতাপূর্ণ সমতাভিত্তিক শান্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারাবদ্ধ । আমরা প্রত্যেকে আত্মকেন্দ্রিকতার পরিবর্তে সংবেদনশীল , আত্মত্যাগী , মানবতাবোধে উদ্ভুদ্ধ , সাহসী ও সমাজ রূপান্তরের একজন বলিষ্ঠ নেত্রী । শোষণ , বঞ্চনা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সমগ্র নারী সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে নিরলস প্রচেষ্টা চালাবো ।
ঘটনা - ৩ অল্টারনেটিভ অপশনটা কি জানেন ? লিনাক্স . . . . ঐ সবগুলো সফটওয়্যারের কাছাকাছি বিকল্প সফটওয়্যার সহ বিনামূল্যেই পাওয়া যায় । বোনাস হিসেবে পাচ্ছেন সিকিউরিটি , কারণ লিনাক্সে ভাইরাসের বেইল নাই ।
পোস্ট করা হয়েছে : বৃহঃ আগস্ট ১২ , ২০১০ ১১ : ২০ পূর্বাহ্ন
হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর নিউ ইয়র্ক সফর আলোকিত করেছে বাংলাদেশের নাম , অথবা বিক্রি করেছে কর্পোরেট দুনিয়ার কাছে ( এমনটাই দাবি করবে বিরোধী দল ) । আন্দালনের মাধ্যমে খালেদা জিয়া হয়ত পুনঃ ক্রয় করে নেবেন বিক্রীত দেশ । ক্রয় বিক্রয়ের গ্যাঁড়াকলে বাংলাদেশ নামের একটা দেশ কতবার হাতবদল হয়ছে তার হিসাব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও রাখেন কিনা সন্দেহ আছে । তৃতীয় বিশ্বের লুটেরা . . .
যখনি বেগম সাহেবা গাছের নিচ দিয়া যাইতেন টিয়াটা বলে উঠত ' তোর গুয়া খারাপ , তোর গুয়া খারাপ , তোর গোয়া খারাপ . . . . . . . . . ' বেগম একসময় সহ্য করতে না পেরে পাইক পেয়াদা দিয়ে সেই টিয়াকে তলব করলেন আর জিগাইলেন ' সমস্যা কি ? আমার গোয়া খারাপ তোরে কেডা কইছে ? ' টিয়াটা কইল ' তোর গোয়া খারাপ না হইলে এরশাদ কি আর দেশের গোয়া মারে ? '
মার পড়াই উচিত । বেশি বাড় যে ভাল না ! !
এবার আসুন দেখি কবর পূজারীদেরর কর্মকান্ড কুরআন ও হাদিসের মানদন্ডে
লিস্টে gnomenu নামে কিছু থাকার কথা । যদি না থাকে তাহলে লগ - আউট করে লগ - ইন করুন ।
জুনাইদ আলহাবিব এবং শিশির সিক্ত পল্লব পছন্দ করেছেন ।
২০০৬ সালের আগস্ট মাসে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে এবং গোলযোগপূর্ণ দারফুর এলাকায় মোতায়েন করার উদ্দেশ্যে ১৭ হাজার ৩০০ শান্তিরক্ষী পাঠায় । কিন্তু সুদান সরকারের আপত্তির কারণে শান্তিরক্ষীদের ফিরিয়ে আনতে হয় । শেষ পর্যন্ত আফ্রিকান ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যৌথবাহিনী সেখানে মোতায়েন করা সম্ভব হয় । অন্যদিকে পাঁচ বছর ধরে সীমামত্ম সংঘর্ষের পর ২০১০ সালে সুদান ও শাদের মধ্যে শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হলে শাদ থেকে সুদানী শরণার্থীরা ফিরে আসে । সুদান সরকার ২০১০ সালে দারফুরের বিদ্রোহী গ্রুপ জাস্টিস অ্যান্ড ইক্যুয়ালিটি মুভমেন্ট ' র সাথে একটি চুক্তিতে উপনীত হওয়ার পর দারফুরে দীর্ঘদিন ধরে চলা যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে ।
প্রজন্ম ফোরাম » পড়াশোনা » উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবন » কানাডায় পড়তে চান ?
ঢাকা , ২ জুন : শিশু সাহিত্যিক , নাট্যকার ও ইমপ্রেস টেলিফিল্ম , চ্যানেল আই ' র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরের লেখা পাঁচটি নাটক নিয়ে বগুড়ায় " ফরিদুর রেজা সাগর শিশু - কিশোর নাট্যোৎসব ২০১১ " আয়োজন করা হয়েছে । জেলার উডবার্ণ পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে পাঁচদিনের এ নাট্যোৎসব শুরু হচ্ছে শুক্রবার থেকে । স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন অ্যামবিশন এ নাট্যোৎসবের আয়োজন করেছে । প্রযোজনায় অ্যামবিশন - এর সহযোগী শিশু - কিশোর নাটকের দল অ আ ক খ । শুক্রবার বিকাল ৩টায় উৎসবের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতজন ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী । প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ফরিদুর রেজা সাগর । অতিথি হিসেবে থাকবেন সংস্কৃতজন ড . ফজলুল আলম , চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব মোরশেদুল ইসলাম , অভিনেতা ও নির্মাতা আফজাল হোসেন , বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুর রহমান , কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন , ছড়াকার আমীরুল ইসলাম , অভিনেতা ও পরিচালক শহিদুল আলম সাচ্চু । উৎসবের পাঁচদিনে ফরিদুর রেজা সাগরের লেখা নাটক ' টিপু সুলতান ' , ' শেখ সাদী ' , ' গিয়াস উদ্দীন আযম শাহ্ ' , ' হাজী মোহাম্মদ মোহসীন ' , ' ইবনে সিনা ' প্রদর্শিত হবে । উদ্বোধনী দিনে থাকছে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা , শিশু - কিশোরদের আবৃত্তি ও হাতের লেখা প্রতিযোগিতা , আলোচনা , মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ' মাসুকুর রহীম প্রতীক সম্মাননা ' প্রদান এবং নাটক ' টিপু সুলতান ' । শনিবার শিশু - কিশোরদের চিত্রাঙ্কন ও দেশগান প্রতিযোগিতা , আলোচনা পর্ব ও নাটক ' শেখ সাদী ' ; রোববার শিশু - কিশোরদের নৃত্য ও অভিনয় প্রতিযোগিতা , আলোচনা পর্ব ও নাটক ' গিয়াস উদ্দীন আযম শাহ্ ' ; সোমবার শিশু - কিশোরদের গল্পবলা ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা , আলোচনা পর্ব ও নাটক ' হাজী মোহাম্মদ মোহসীন ' ; মঙ্গলবার শিশু - কিশোরদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান , আলোচনা পর্ব , উৎসবে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ এবং নাটক ' ইবনে সিনা ' । বার্তা২৪ ডটনেট / সাফা
বিভিন্ন সফটওয়ারের মাঝে লুকিয়ে থাকা ইস্টার এগ আবিষ্কার করতে মজাই লাগে , তাই না ? আজ আমরা গুগলের ক্রোমিয়াম ব্রাউজারের একটি মজার ইস্টার এগ দেখবো । তবে এটা শুধুমাত্র ক্রোমিয়ামের লিনাক্স ভার্সনে কাজ করে । উইন্ডোজের করে না বলেই জানি । তবে উইন্ডোজের জন্য তৈরি করা নতুন ভার্সনে এই ইস্টার এগ আছে কি না , তা পরীক্ষা করে দেখা হয়নি । ক্রোমিয়ামের টাস্ক ম্যানেজারের কার্যক্রম পরীক্ষা করতে গেলে দেখতে পারবেন যে , অনেক অনেক ছাগলকে ক্রোমিয়াম কোথায় যেন পাঠিয়ে দিচ্ছে । হ্যাঁ , বিশ্বাস হচ্ছে না ? তাহলে নিচের কাজগুলো ধাপে ধাপে করুন । নিজেই ছাগলগুলোকে কোথাও পাঠিয়ে দেয়ার পরিসংখ্যান দেখে অবাক হয়ে যাবেন ।
১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরি হলে অনুষ্ঠিত সভায় মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ৪০ সদস্যের ' সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ্ ' গঠিত হয় । সভায় আরবি লিপিতে বাংলা লেখার সরকারি প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করা হয় এবং ৩০ শে জানুয়ারির সভায় গৃহীত ধর্মঘটে সমর্থন দেওয়া হয় । পরিষদ্ ২১শে ফেব্রুয়ারি হরতাল , সমাবেশ ও মিছিলের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে ।
পোস্ট করা হয়েছে : শুক্র ফেব্রুয়ারী ২৫ , ২০১১ ৯ : ৫৫ পূর্বাহ্ন
রোববার সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ফরিদপুর - ১ আসনের সাংসদ আব্দুর রহমানের পুঁজিবাজার সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে পতনমুখী বাজারে নতুন এক লাখ বিনিয়োগকারী ' ফাটকাবাজির জন্য ' এসেছেন বলে মন্তব্য করেন মুহিত ।
অনেকদিন পর লিখছি , মাঝে পরীক্ষার জন্যে বেশ খানিকটা আলসে ভাব এসে যাওয়ায় BLOG টা চালিয়ে যেতে পারিনি । এখন বসন্তের ছুটি চলছে , বসন্ত বললেও এখনও শীত শেষ হয়নি ; আর ছুটিটাকে বসন্তের ছুটি না বলে শিক্ষাবর্ষ সমাপ্তিজনিত অলস ছুটি বলা ভাল । এরকম ছুটি আমার কাছে বিরক্তিকর লাগে , তবে লম্বা ছুটির জীবন শেষ হচ্ছে , আগামী বছরে এই ছুটিটা নাও পেতে পারি । শুধু বসন্তের ছুটিই নয় , আমার ভার্সিটিতে গরমের ছুটিও দীর্ঘ , প্রায় ২ মাস এবং কবে শুরু , কবে শেষ সবকিছুই পূর্বনির্ধারিত ; এবং দুটো সিমেস্টারের মাঝখানে ; ( ফলে একটা গা - ছাড়া ভাব নিয়ে দেশে চলে যাই , ২ মাস বাড়ির রান্না খেয়ে ২ / ৩ কিলো ওজন বাড়িয়ে আরও গা - ছাড়া এবং অলস ভাব নিয়ে ফিরে আসি ) তবে এইবারের ছুটিটা খুব একটা বোরিং লাগছে না , শরীরও খুব একটা ভাল না , কাজেই ছুটিটা হয়তবা উল্টো ভালোর জন্যে ; কে জানে ?
বিদেশে বাংলাদেশকে অনেকেই চেনে দারিদ্র্য - দুর্নীতি - বন্যা আর অনিয়মের প্রতীক হিসেবে । বাংলাদেশ থেকে পড়াশোনা করে হার্ভার্ডে যাওয়া কেউ নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলতে গিয়ে হয়তো শোনে ' বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় আছে ! '
১০৯ বার পঠিত | ১৬ টি মন্তব্য | রেটিং + ১ / - ০ | বাকিটুকু পড়ুন |
( ৯ ) " আমি কোরআনের শিক্ষাসমূহের উপরে গবেষনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌছেছি যে , কোরআন নাযিলকৃত আসমানী কিতাব এবং উহার শিক্ষাসমূহ মানব স্বভবের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যশীল । " ( গান্ধী )
স্বল্প কথায় পরিচিতি : পশ্চিমে তিনি " দ্য প্রিন্স অব ফিজিশিয়ানস " নামে পরিচিত । তার গ্রন্থ " আল কানুন ফিল থিব " ( কানুন অব মেডিসিন ) চিকিৎসা শাস্ত্রের মূল অপ্রতিদ্বন্দ্বী পাঠ্য পুস্তক হিসেবে গন্য হত প্রায় পাচ শতক ধরে । যদিও তিনি ফার্মাকোলজি ও ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের প্রভূত উন্নয়ন করেন , তার মূল অবদান ছিল মেডিসিন শাস্ত্রে । তিনি হলিস্টিক মেডিসিনের প্রনেতা - যেখানে একই সংগে শারীরীক , মানসিক , সামাজিক ও আত্মিক যোগসূত্রকে বিবেচনায় রেখে রুগীর চিকিৎসা করা হয় । তিনিই প্রথম মানব চক্ষুর সঠিক এনাটমি করেন । যক্ষা রোগ নিয়ে তিনি অভিমত দেন যে যক্ষা একটি ছোয়াচে রোগ । যা তার পরের পশ্চিমা চিকিৎসকবৃন্দ প্রত্যাখ্যান করেন এবং যা আরো পরে সঠিক বলে প্রমানিত হয় । তিনিই প্রথম মেনিনজাইটিসকে ব্যাখা করেন । প্রকৃত পক্ষে তিনিই আধুনিক চিকিৎসা শাস্ত্রের জনক । এই " তিনি " আর কেউ নন , সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী ইবনে সিনা । যার অসংখ্য অবদানের গুটি কয়েক অবদানের কথা উপরের প্যারাতে আমি উল্লেখ করেছি । যার জীবন কিংবা কর্মের কোন শেষ নেই , তার সমস্ত অবদান উল্লেখ করার অসম্ভব কোন ইচ্ছেও আমার নেই । তার শুভাকাংখীরা তাকে জ্ঞানার্জন ও গবেষনার প্রানান্ত পরিশ্রম ত্যাগ করে জীবনকে সহজ ভাবে নেবার উপদেশ দিতেন , যা তিনি হেলায় প্রত্যাখ্যান করেছিলেন । বলা হয় , তার মাইল স্টোন পুস্তক " কানুন " লিওনার্ডো দ্য ভিনসিকেও প্রভাবিত করেছিল । " কানুন " বারশ শতকে ল্যাটিন ভাষায় অনুদিত হয়ে প্রায় সতেরশ শতক পর্যন্ত পৃথিবীতে চিকিৎসা শাস্ত্রের টেক্স্ট বুক হিসেবে গন্য হত । একজন প্রথিতযশা পশ্চিমা ডক্টর " কানুন " কে " মেডিকেল বাইবেল " বলে ঘোষনা করেন । বুখারায় তার জন্ম স্থানে যে মিউজিয়াম রয়েছে তাতে তার নিবন্ধ , সার্জিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট এবং রুগীদের চিকিৎসারত অবস্থায় ছবি - এই সবই স্থান পেয়েছে । তিনি যে শুধু চিকিৎসা শাস্ত্রেই অবদান রেখেছেন তা নয় , বরং এস্ট্রোনমি সহ আরো অনেক শাখায় তার গুরুত্ব বহ অবদান রয়েছে । তিনি মোমেন্টামকে ওজন ও বেগের গুনফলের সমানুপাতিক বলে অভিমত দেন । তিনি আরো অভিমত দেন যে , হাজারো চেষ্টা করলেও সীসা বা তামা থেকে সোনা বানানো যাবে না , যা তার সময়ের অনেক বিজ্ঞানী নিরন্তর চেষ্টা করেছিলেন । তিনি শুক্র গ্রহকে পৃথিবীর চেয়ে সূর্যের অধিকতর নিকটে অবস্থিত বলে নির্নয় করেন । তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ চাদের একটি ফাটলের নাম তার নামে করা হয়েছে । জীবদ্দশাতেই একজন সফল চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন । ইবনে সিনা জার্জানের রাজপুত্রের চিকিৎসা করে সুনাম কুড়িয়েছিলেন । এই জার্জানেই তিনি তার বিখ্যাত বই " কানুন " রচনা করেন । জার্জানের রাজপুত্র অনেক দিন ধরে অসুস্থতায় ছিলেন শয্যাশায়ী । স্থানীয় চিকিৎসকরা কিছুতেই তার অসুস্থতা ধরতে পারছিলেন না , তারা রীতিমত হতবুদ্ধি হয়ে পড়েন । অবশেষে ইবনে সিনার সাহায্য নেন । ইবনে সিনা খেয়াল করলেন রাজপুত্রের সামনে তার প্রেমিকার নাম উচ্চারন করতে পালসের গতি বেড়ে যায় । ইবনে সিনা সহজ ছোট্ট সমাধান দিলেন , " যুগলদের মিলিয়ে দাও । " মেটাফিজিক্সের প্রতি তার গুরুত্ব যেভাবে এল : প্রথমে ইবনে সিনা মেটাফিজিক্সকে স্পর্শের বাইরে বলে গুরুত্ব দেন নি । এর অধ্যয়নকে সময় নষ্ট বলে মনে করতেন । কিন্তু একটি বিকেল তাকে বদলে দিল । সে বিকেলে বইয়ের বাজারে এক বিক্রেতা তাকে অনেক কষ্টে তিন দিরহামের বিনিময়ে আরেকজন বিতর্কিত মুসলিম দার্শনিক ফারাবীর " অন দ্য অবজেক্টস অব মেটা ফিজিক্স " বইটিকে কিনতে প্ররোচিত করেন । বিক্রেতা খুব অর্থের দরকার হয়ে পড়েছিল । অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি বইটি কেনেন । বইটি পড়ার পরে সবকিছু বদলে যায় । ফেলে আসা এরিস্টটলের মেটা ফিজিক্স দর্শনকে আবার গুরুত্ববহ মনে করেন এবং পরদিন এই কৃতজ্ঞতায় গরীবদের অর্থদান করেন । তিনি বলেন , " আমি এরিস্টটলের মেটা ফিজিক্স মোট চল্লিশ বার অধ্যয়ন করে তাকে হৃদয়ে আয়ত্ত্ব করি । তা সত্ত্বেও আমার বোঝায় ঘাটতি থেকে যায় । শেষে ফারাবীর এই বই পড়েই আমি এরিস্টটলের মেটা ফিজিক্স বুঝতে পারি । " তার দর্শনে মেটা ফিজিক্স একটি গুরুত্বপূর্ন স্থান দখল করে রয়েছে । তার অন্যতম মাইলস্টোন পুস্তক শিফাকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায় : লজিক , ফিজিক্স , মেটা ফিজিক্স , ম্যাথমেটিক্স । এই মেটা ফিজিক্সের উপরে গবেষনা পরবর্তীতে তার বিরোধীদের প্রধান অস্ত্রে পরিনত হয় । যেভাবে এল কাফের ফতোয়া : মাত্র দশ বছর বয়েসে অসাধারন মেধাবী ইবনে সিনা হাফিজ হন । আর সতের বছর বয়েসে হন চিকিৎসক । ইবনে নিসা , ল্যাটিন ভাষায় যাকে বলা হয় " আভিসেনা " , অভিযুক্ত হন মুরতাদ এবং কাফের হিসেবে । তার বিরুদ্ধে এই ফতোয়া ইস্যু করেন ইমাম গাজ্জালী । কিন্তু কেন ? ইবনে নিসাই তো প্রথম তার দর্শনে আল্লাহর অস্তিত্বকে প্রমান করার প্রয়াস নেন যা রয়েছে " শিফা " র মেটা ফিজিক্স অধ্যায়ে । তিনি এরিস্টটলের অস্তিত্ব ও করন মতবাদকে ব্যাখা করতে গিয়ে বলেন , কাজ এবং ফলাফল একই সাথে অবস্থান করে । তিনি প্রকৃতির সব কিছুকে একটি চেইনের মাধ্যমে প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন , " এই চেইন অসীম হতে পারেনা , অবশ্যই সসীম যার প্রথমে রয়েছেন স্রষ্টা যিনি পরমূখাপেক্ষী নন । যা এই চেইনের একমাত্র ব্যতিক্রম । " ইবনে সিনার প্রতি ইমাম গাজ্জালীর এই বিরোধীতার মূলে রয়েছে মেটা ফিজিক্সে ইবনে সিনার নিজস্ব দর্শন । তার বিরুদ্ধে কাফের ফতোয়া দেয়া হয় নিম্নোক্ত তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে । প্রথমত : ইবনে সিনা তার দর্শনে বিশ্বকে চিরজীবী দাবী করেন যার কোন শুরু নেই । যেখানে মুসলিমরা বিশ্বাস করেন আল্লাহ শূন্য থেকে এই পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন । দ্বিতীয়ত : তিনি বলেন , আল্লাহ সৃষ্টি এবং ধ্বংস সম্পর্কে সাধারন ভাবে জানেন , কিন্তু পুংখানুপুঙ্খ ভাবে নয় । যেখানে মুসলিমরা বিশ্বাস করে থাকেন , আল্লাহ আক্ষরিক অর্থেই প্রতিটি বিষয় অবগত । তৃতীয়ত , তিনি শারীরীক পুনরুথ্থান নয় , বরং আত্মিক পুনরুথ্থানের উপর জোড় দেন । মূলত এই তিনটি কারনে ইমাম গাজালী ইবনে সিনাকে কাফের সাব্যস্ত করা বাধ্যতামূলক বলে দাবী করেন । এখন দেখা যাক , এই আপাত বিতর্কিত্ ইস্যু গুলো নিয়ে ইবনে সিনা আসলে কি বলেছিলেন । ইবনে সিনা এটা বিশ্বাস করতেন যে , এই বিশ্ব চিরজীবী বা আদি অন্ত বিহীন । তবে এটাও বিশ্বাস করতেন যে , বিশ্ব একটি সৃষ্ট বস্তু । তিনি ব্যাখা দেন , সৃষ্ট হবার অর্থ এই নয় যে সময়ের প্রেক্ষিতে তার কোন শুরু আছে । তিনি আরো বলেন , বিশ্বের অস্তিত্বের পেছনে কার্যকরন ও প্রয়োজন বিদ্যমান । আল্লাহ এই বিশ্বকে হতে দিয়েছেন , যার শুরু থাকতেও পারে কিংবা নাও থাকতে পারে । তবে শেষ নেই । ইমাম গাজালী চ্যালেন্জ্ঞ দিয়ে বলেন , আল্লাহ যদি একমাত্র স্বাধীন অমূখাপেক্ষী সত্ত্বা হন তবে বিশ্বকে তার পরেই সৃষ্ট হতে হবে , তা অস্তিত্ব ও সময় - দুটোরই মানদন্ডে । সুতরাং তা অনাদি অনন্ত হতে পারে না । এই দর্শনকে কুফরী বলে আখ্যায়িত করেছেন ইমাম গাজালী । এবারে আসা যাক আল্লাহর জ্ঞানের পরিধি নিয়ে ইবনে সিনা কি বলেছেন । তিনি বলেন , আল্লাহ সমস্ত খুটিনাটি বিষয় সম্পর্কে অবহিত , তবে এই জানাটা সামগ্রিক । সময়ের ভিত্তিতে তার জ্ঞানের কোন পরিবর্তন হয় না । ফলে যখন কোন ইভেন্ট সত্যি সত্যি সংঘটিত হয় , তখন তা তিনি নূতন করে জানতে পারেন না , কারন তার জ্ঞান সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয় না । ইবনে সিনা আল্লাহর " একচ্ছত্র ( এবসোলিউট ) জ্ঞান " কে " সময়ের সাথে অপরিবর্তনশীল " বলে ব্যাখা করেন । ( " When this particular event actually occurs in time , God , not being subject to temporal change , cannot know it . But He also need not know it in this manner for He knows it already " . ) ইবনে সিনার স্রষ্টা সম্পর্কিত দর্শন সাদামাটা ভাষায় ( আমি যা বুঝলাম ) হচ্ছে : প্রকৃতির প্রতিটি নিয়ম স্রষ্টার অবগত এবং প্রকৃতির প্রতিটি বস্তু কার্যকরন , ফলাফল ও তাদের সম্পর্কের দ্বারা পরিচালিত । যেহেতু এসব বস্তু নিয়মের বাইরে নয় , এবং সেই নিয়মের খুটিনাটি স্রষ্টার অবগত , তাই এসব বস্তুর খুটিনাটি সম্পর্কে স্রষ্টার ধারনা সামগ্রিক । সত্যি বলতে কি তার এই ডকট্রিনে আমি কোন কুফরি খুজে পাই নি । যদিও এই ডকট্রিনকেও কুফরী লেবেল সাটা হয়েছে । ইবনে সিনা " স্রষ্টার খুটিনাটি জ্ঞান " কে ব্যাখা করেছেন তার নিজের দর্শন দিয়ে । এই খুটিনাটি জ্ঞানকে তিনি অস্বীকার করেন নি মোটেও । তিনি যুক্তি এবং কার্যকরনকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন , সমস্ত ঘটনা প্রবাহ নিয়মের ছকে বাধা বলেই ঘটছে । এই নিয়ম স্রষ্টার তৈরী যার ফলে কোন ঘটনা ঘটলে তা আলাদা ভাবে স্রষ্টার জানার কিছু নেই কারন তা তো নিয়মের প্রেক্ষিতেই ঘটেছে । সেন্স - পারসেপশন , যা ঘটনাপ্রবাহের উপর নির্ভর করে , তা স্রষ্টার ক্ষেত্রে খাটেনা কারন তার জ্ঞান সময়ের উর্ধ্বে এবং সময়ের সাথে অপরিবর্তনশীল । আমি যা বুঝলাম তা হল পুরো বিশ্ব এবং তার ঘটনাপ্রবাহকে একটি if - else সমৃদ্ধ প্রোগ্রাম দিয়ে প্রকাশ করা যায় , যার ইনপুট আউটপুট সহ পুরো প্রোগ্রাম স্রষ্টার জ্ঞানের সীমায় । তাই খুটিনাটি ভাবে কখন কোন পথ ধরে প্রোগ্রাম এগুচ্ছে তা তো স্রষ্টার জানার কোন প্রয়োজন নেই । যা হোক , এই ডকট্রিন তার বিরুদ্ধে ফতোয়ার ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় । তাকে সবচাইতে বেশী সমালোচনা সহ্য করতে হয় যে কারনে তা হল শারীরীক পুনরুথ্থান বিষয়ে তার অবস্থান । দাবী করা হয় মৃত্যু পরবর্তী শারীরীক পুনরুথ্থানকে ইবনে সিনা অস্বীকার করেছেন । উল্লেখ্য শারীরীক পুনরুথ্থানে বিশ্বাস পোষন ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের একটি । নীচের আয়াতগুলোতে সমর্থন পাওয়া যাবে : " মানুষ কি মনে করে যে আমরা কখনো তার হাড়গোড় একত্রিত করব না । হ্যা , আমরা তার আংগুলগুলো পর্যন্ত পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম । " ( ক্কিয়ামাহ : ৩ - ৪ ) । " তারা বলেঃ যখন আমরা অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যাব , তখনও কি নতুন করে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব ? বলুনঃ তোমরা পাথর হয়ে যাও কিংবা লোহা । অথবা এমন কোন বস্তু , যা তোমাদের ধারণায় খুবই কঠিন ; তথাপি তারা বলবেঃ আমাদের কে পুর্নবার কে সৃষ্টি করবে । বলুনঃ যিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃজন করেছেন । অতঃপর তারা আপনার সামনে মাথা নাড়বে এবং বলবেঃ এটা কবে হবে ? বলুনঃ হবে , সম্ভবতঃ শ্রীঘ্রই । " [ বনী ইসরাঈল / ইসরাঃ ৪৯ - ৫১ ] শারীরীক পুনরুথ্থানকে অস্বীকার করার জন্য ইমাম গাজ্জালী ও আরো অনেক স্কলার ইবনে সিনাকে কাফের সাব্যস্ত করা বাধ্যতামূলক বলে দাবী করেছিলেন । মূলত এই মতবাদের ভিত্তিতে ইবনে সিনার উপর কুফরী আরোপ করা হয় । এখন প্রশ্ন ইবনে সিনা কি সত্যিই শারীরীক পুনরুথ্থানকে অস্বীকার করেছিলেন ? উল্লেখ্য ইবনে সিনা নিজেও বলেছেন মৃত্যু পরবর্তী জীবনকে ইসলামের আলোতেই ব্যাখা করতে হবে , এছাড়া আর কোন যুক্তি গ্রাহ্য ব্যাখা নেই । ইবনে সিনা আত্মিক পুনরুথ্থানের পক্ষে নীচের আয়াতগুলো দেন : " হে প্রশান্ত মন । তুমি তোমার পালন কর্তার দিকে ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে । " ( ফজর : ২৭ - ২৮ ) ফেরেশতা ও রূহ আল্লাহর দিকে ঊর্ধ্বগামী হয় ( মাআরিজ : ৪ ) পরবর্তী কালে যখন ইবনে সিনার দর্শনকে আরো বিশ্লেষন করা হয় , তখন দেখা যায় তিনি প্রকৃত পক্ষে শারীরীক পুনরুথ্থানকে পুরো অস্বীকার করেন নি । তিনি সুরা ওয়াকিয়াতে যে তিনটি দলের কথা বলা হয়েছে ( আর তোমরা হয়ে পড়বে তিনটি শ্রেনীতে ( ওয়াক্কিয়াহ : ৭ ) ) , তার তৃতীয় দলটিকে শুধু মাত্র শারীরীক পুনরুথ্থান করা হবে বলে দাবী করেছেন । বাকী দুই দল আত্মিক ভাবেই স্বর্গ লাভ করবে । তৃতীয় দলের শারীরীক পুনরুথ্থান হবে শাস্তির জন্য । সুতরাং ইবনে সিনা শারীরীক পুনরুথ্থানকে একটি বিশেষ দলের জন্য নির্ধারন করেছেন । যার ফলে ইবনে সিনা শারীরীক পুনরুথ্থানকে সম্পূর্ন অস্বীকার করেছেন - বিরোধীদের এই দাবী দুর্বল হয়ে যায় । এখানে উল্লেখ্য ইসলামের ইতিহাসে যুক্তি এবং লজিককে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয়ার সিলসিলা ইবনে সিনাই যে প্রথম শুরু করেন - তা নয় । তার আগে মুতাজিলা গোষ্ঠীও যুক্তিকে আশ্রয় করে ইসলামের অনেক বিভ্রান্তিকর ব্যাখা দেয় । অথচ তাদের প্রতি কেউ কাফের ফতোয়া ইস্যু করে নি । আমার স্মৃতি বিশ্বাসঘাতকতা না করে থাকলে হাদীসকে শরিয়ার উৎস হিসেবে প্রথম অস্বীকার করে এই মুতাজিলা গোষ্ঠী । কারন তারা যুক্তি দিয়ে ইসলামের অনেক মৌলিক আকিদা ব্যাখা করতে চাইত , যা অনেক সময় হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক হত । ইবনে সিনার দর্শনেও এই মুতাজিলা গোষ্ঠীর প্রভাব কিছুটা দেখা যায় । ইবনে সিনা আত্মবিশ্বাসী একজন মানুষ ছিলেন । তিনি নিজেকে জ্ঞানী , বুদ্ধিমান ও একনিষ্ঠ মুসলিম বলে দাবী করতেন । তার প্রথম দুইটি দাবীর সাথে বিশ্ব একমত , যদিও তৃতীয় দাবীটি সর্বজন স্বীকৃত হয় নি । তবে পরবর্তীতে অনেকেই দাবী করেছেন কাফের ফতোয়াটা ইবনে সিনার জন্য ছিল অতিরিক্ত কঠোর একটি ফতোয়া । কাফের ফতোয়াকে অস্বীকার করে ইবনে সিনার কবিতাটা তুলে দিলাম : " আমার মত কাউকে ব্লাসফেমীর দায়ে অভিযুক্ত করা সহজ কিংবা সহজলভ্য নয় আমার চেয়ে দৃঢ় বিশ্বাস আর নেই আমার মত কেউ যদি অধার্মিক হয়ে থাকে তবে পৃথিবীতে আর কোন মুসলিম নেই । "
এ নিয়ে দ্বিমত নেই , পাকিস্তান বহু ক্ষেত্রেই চরম ভাবে ব্যর্থ হয়ছে । কিন্তু সে ব্যর্থতার জন্য দায়ী কি শুধু পশ্চিম পাকিস্তানীরা ? সে ব্যর্থতার জন্য পূর্ব পাকিস্তানীদের কি কোন দায়ভারই নাই ? অথচ পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৬ % ভাগ ছিল পূর্ব পাকিস্তানী । ফলে সকল ব্যর্থতা থেকে দেশকে বাঁচানোর বড় দায়িত্ব ছিল পূর্ব পাকিস্তানীদের । সমগ্র পাকিস্তানের শিক্ষা , শিল্প , কৃষি , বাণিজ্যের অগ্রগতিতে অংশ নেওয়া দূরে এমনকি নিজ প্রদেশের নিজস্ব রাজনীতিতেও তারা ক্ষতার পরিচয় দিতে পারেনি । অথচ পশ্চিম পাকিস্তানের মত পূর্ব পাকিস্তানে চারটি প্রদেশ ছিল না । নানা ভাষাভাষির বিভক্তিও ছিল না । কিন্তু আত্মঘাতি রাজনীতির কারণে নিজের ঘর গোছাতেই তারা চরম ভাবে ব্যর্থ হয় । কিছু উদাহরণ দেয়া যাক । ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধী আওয়ীম লীগ , শেরে বাংলার কৃষক শ্রমিক প্রজা পার্টি , নেজামে ইসলাম পার্টি , গণতন্ত্রি দল ও খেলাফতে রাব্বানী পার্টি ২১ দফার ভিত্তিতে যুক্ত ভাবে নির্বাচন করে । নির্বাচনে তারা বিপুল ভাবে বিজয় লাভ করে । ২৩৭টি আসনের মধ্যে তারা ২২৮টি আসন তারা লাভ করে । কিন্তু বিজয়ের পর পরই তারা লিপ্ত হয় আত্মঘাতি লড়াইয়ে ।
রাজনীতিকদের দাবি তারা সারা জীবন ব্যয় করলেন জনগণের জন্য । ঠিক কথা । কিন্তু জনগণ দেখলো তারা গোটা জীবন ব্যয় করেছেন নিজেদের দলীয় স্বার্থ ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য । গত চল্লিশ বছরে একবারও দেখলাম না আমরা যে জনগণের চেয়ে তাদের আর্থিক উন্নতি কম হয়েছে । জনগণ যে তিমিরে ছিল সেখানেই আছে । ওই যে বলেছি পাঁচটি মৌলিক অধিকারও তারা দিতে পারেননি সাধারন মানুষকে । অথচ রাজনীতিকদের জন্য পাঁচ মৌলিক অধিকারের সব উপাদান - উপকরণ আছে রাজধানীতে । শিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মানের স্কুল , কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয় , চিকিৎসার জন্য ব্যয় বহুল হাসপাতাল , দামি বস্ত্র , মাথা গোঁজার ঠাঁই তাদের প্রাসাদোপম , আর খাদ্যের কথা নাইবা তুললাম । কারণ তারা হয়তো দেশি খাদ্য গ্রহণই করেন না । দেশের ফলমূল খেলে তো বিষে জর্জর হতে হবে ! এ - ভয়তো আছেই । নাকি বিষাক্ত জেনেই তারাও জনগণের মতো আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন ? মৌলিক চাহিদার বিষয়গুলো যদি গত চল্লিশ বছরে পূরণের তাগিদ রাজনীতিকদের মধ্যে থাকতো , তাহলে গ্রামাঞ্চলেও রাজধানীর মতো স্বাস্থ্য - সুবিধা [ উচ্চমূল্যেও হাসপাতাল নয় ] আন্তর্জাতিক মানের স্কুল কলেজ , অঞ্চলভিত্তিক উন্নতমানের বস্ত্র কারখানা , কর্মসংস্থানের সব ব্যবস্থা করতেন । তারা বলবেন , সীমিত সম্পদ নিয়ে দেশ চালাচ্ছেন তারা । ধীরে ধীরে এ - সব পূরণ হবে । সত্য । ৪০ বছর সময়ও সত্য । এই দুই সত্য মিলে মাইনাসে আছি আমরা ।
ব্রাÿণবাড়ীয়ার বাঞ্চারামপুর উপজেলার বুরবুরিয়া গ্রামের মোঃ কবীর হোসেন ৬০ বৎসর বয়সে হƒদরোগ এবং গলবøাডার সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৬ জুন রবিবার রাত ৩টায় ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসারত অব ¯ হায় শেষঃনিশ্বাস ত্যাগ করেন ( ইন্নালিলøাহির - রাজিউন ) । মৃত্যুকালে বৃদ্ধা মা / ৫ ভাই ৪ বোন ও স্ত্রী সহ ১ পুত্র ১ কন্যা সন্তান রেখে গেছেন । উলেøখ্য যে মরহুম মোঃ কবীর হোসেন হলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও বৃহওর কুমিলøা সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ আজাদ বাকিরের আপন বড় ভাই ।
লেখক বলেছেন : জনাব চয়ন কান্তি , ভারত আমাদেরকে দেশ দিল বলে কি বোঝাতে চাইলে ? রক্তের দামে কেনা স্বাধীনতা , কারো কাছ থেইকা লিল্লা তো পাই নাই , তাই না । সেনাবাহিনীর এলিটিসিজম নিয়া আপানার ক্ষোভ খুবই প্রাসংগিক কিন্তু এর মধ্যে ভারত আসল কোত্থেকে ?
লেখক বলেছেন : তৃতীয় বিশ্বের একজন চাষীর প্রশ্ন " - হুমায়ুন আজাদ আগাছা ছাড়াই , আল বাঁধি , জমি চষি , মই দিই , বীজ বুনি , নিড়োই , দিনের পর দিন চোখ ফেলে রাখি শুকনো আকাশের দিকে । ঘাম ঢালি খেত ভ ' রে , আসলে রক্ত ঢেলে দিই নোনা পানি রূপে ; অবশেষে মেঘ ও মাটির দয়া হ ' লে খেত জুড়ে জাগে প্রফুল্ল সবুজ কম্পন । খরা , বৃষ্টি , ও একশো একটা উপদ্রব কেটে গেলে প্রকৃতির কৃপা হ ' লে একসময় মুখ দেখতে পাই থোকা থোকা সোনালি শস্যের । এতো ঘামে , নিজেকে ধানের মতোই সেদ্ধ ক ' রে , ফলাই সামান্য , এক মুঠো , গরিব শস্য । মূর্খ মানুষ , দূরে আছি , জানতে ইচ্ছা করে দিনরাত লেফ - রাইট করলে ক ' মণ শস্য ফলে এক গণ্ডা জমিতে ?
কলেজে ভর্তি হব বলে অনেক ঘটা করে ঢাকা আসলাম । বড় ভাই ঢাবি ' র রসায়নের ছাত্র ( ৯২ ব্যাচ ) হওয়ায় তার কাছেই উঠলাম যথারীতি শহিদুল্লাহ হলের এক্সটেনশনের ১২ নং রুমে । আমার বড় ভাই্য়ের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল বন্ধুরমত । বলা যায় সবকিছুই শেয়ার করতাম । কয়েকদিন পরে ভর্তি হলাম শুভেচ্ছা কোচিং সেন্টারের বকশিবাজার শাখায় । আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে একসাথে ভর্তি হলাম এই শাখাতেই । বন্ধুরা ছিল সবাই আশেপাশেই । আস্তে আস্তে বড় ভাইয়ের রুমমেটদের সাথে খাতির হতে থাকল । এর মধ্যে আফরাদ ভাই ( প্রাণ রসায়ন ) , রফিক ভাই অন্যতম । রফিক ভাই সেই রকম সব কবিতা লিখত আর সাথে আবৃত্তি তো ছিলই । নতুন বাসায় উঠার আগ পর্যন্ত সেই ১২ নং রুমেই থাকতে হল । আমার বড় ভাইয়ের আর একজন বন্ধু ছিল নাম কামাল । আমাদের গ্রামেরই । উনি পড়তেন জগন্নাথে । মাঝে মাঝেই উনি আসতেন । একদিন আমি দুপুরে ক্যান্টিনে খেতে যাব এমন সময় কামাল ভাই এসে হাজির । বড় ভাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করতেই আমি বললাম , ভাই তো ক্লাস থেকে আসবে সেই বিকালে । কামাল ভাই বলল , তুই তাহলে একটু দেরি কর , আমিও তোর সাথে খেতে যাই । দুইজন একসাথে গেলাম খেতে ফজলুল হক হলের ক্যান্টিনে । খেতে খেতে কামাল ভাই কয়েকটা ( ক্যান্টিনের ভাষায় ) মুরগী ও গরু সাবার করেছে আর আমি ২ টা মুরগীতেই আটকে গেলাম । আর তার সাথে ছিল সবজি । বিল দেবার আগে কামাল ভাই আমাকে বলছে এই শোন তুই কোন কথা বলবি না । আমি মাথা নেড়ে সম্মতি দিলাম । ম্যানেজার বয়কে বলছে এই বিল কত ? ঐ ছেলেটা হিসাব করছে এমন সময় কামাল ভাই বলল , শোন ম্যানেজার ঐ ৫ / ৬ এর হিসাব বাদ দে মোট ৩ টার হিসাব কর । ম্যানেজার কয় ভাই এইটা কি বলেন ? কামাল ভাই বলল , বহিরাগতরা এসে ফাও খেয়ে গেলে তোদের সহ্য হয় , আর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অরিজিনাল ছাত্র কয়েক টাকা কম দিলেই তোদের যত সমস্যা ? শেষ পর্যন্ত , ম্যানেজার টাকা কমই রেখেছিল । একদিন বড় ভাইকে এই কথা জানানোর পরে ভাই আর উনার সাথে আমাকে খেতে যেতে নিষেধ করল । কিন্তু সেকথা আর পুরোপুরি মানতে পারিনি ।
Download XML • Download text