Text view
ben-2
View options
Tags:
Javascript seems to be turned off, or there was a communication error. Turn on Javascript for more display options.
বৌদ্ধ ধর্মমতে আবার একটা অ্যাডিশান আছে । তাঁরা বিশ্বাস করেন , যদিও জন্মান্তর ঘটে , কিন্তু নির্দিষ্ট মার্গ অনুসরণ করলে জীবাত্মা পরমাত্মায় লীন হয়ে যায় , ফলে আর পুনর্জন্ম হয় না , নির্বান লাভ ঘটে ।
মিনার কথা মনে পড়ে মনে পড়ে জলিকে আমার প্রানের জান হয় ভুলব না আমি কলিকে ।
ঢাকা , ২৬ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন , ' প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে তার এলাকায় অফিস পরিচালনার জন্য ৯ হাজার টাকা করে দেয়া হয় । তারা সে . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
এ প্রসঙ্গে স্যার নিনিয়ান সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন , সরকারি পক্ষ তার এই প্রস্তাব মেনে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে । তিনি বলেন , তার এই প্রস্তাব পেশ করা রইল এবং দু ' পক্ষই বিচার - বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে কিছু সংশোধন করে যথাসময়ে এটি গ্রহণ করবেন বলে তিনি আশাবাদী ।
পোষ্ট করেছেন : ৩৩ টি মন্তব্য করেছেন : ১৬৩৬ টি ব্লগ লিখছেন ০ বছর ৫ মাস ৭ দিন ব্লগটি দেখা হয়েছে : ৪১৩১ বার
৩৯ । যারা আমার আয়াত সমূহকে অস্বীকার করে তারা বধির ও মূক , ৮৬০ গভীর [ আধ্যাত্মিক ] অন্ধকারে রয়েছে । আল্লাহ্ যাকে ইচ্ছা ভ্রান্ত পথে ছেড়ে দেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে স্থাপন করেন ।
গ্রামীণ ব্যাংককে একটি বিশেষায়িত ব্যাংক অ্যাখ্যা দিয়ে বিশিষ্টজনরা কমিটিকে বলেন , সুদৃঢ় কাঠামো নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে । গ্রামীণ ব্যাংকের ' ইনোভেটিভ ক্যারেক্টার ' না থাকলে তা ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে ।
আমার এক প্রায় সমবয়সী কাজিন আছে যে জন্মের ১০ / ১২ বছর দেশে ছিল তবে তারপর ফ্যামিলিসহ বাইরে চলে যায় কারন আমার চাচা দূতাবাসে কাজ করত । তবে বছর খানেক আগে চাচা মারা যাওয়ায় তারা আবার দেশে চলে আসে । কিন্তু বেচারী তার জবান হারিয়ে ফেলেছিল , অর্থাৎ তার বাংলা শুনলে গলায় দড়ি দেয়ার ইচ্ছা হত । সে আমার সাথেই পড়াশুনা শুরু করে তবে তাকে বাংলা ভুলে যাওয়ার জন্য এজীবনে যত খটা দিয়েছি তা হয়তবা গুনলে আমার নিজেরই হার্ট ফেল হবার উপক্রম হবে । তবে সে বাংলা লিখা পড়তে পারত কিন্তু লিখতে পারত না । বা বাংরেজী লিখতে বললেও যা লিখত তা বোঝার সাধ্য থাকত না । এজন্য তাকে আমি বেছে বেছে ভাষার উপর বা মুক্তিযুদ্ধের উপর লিখা ভাল কিছু লিঙ্ক দিতাম পড়ার জন্য । তাকে খোটা দিয়া বোঝাইতে চাইতাম বাংলা ভুলে তুই কত বড় ভুল করেছিস । আমার এই মহান উদ্যোগ সফল , সে কিছুক্ষন আগে আমাকে বাংরেজীতে এস এম এস করেছে . . .
Smart Stock - এর ১৫ দিনের ট্রায়াল ভার্সন ডাউনলোড করার লিঙ্ক হলো এটা ।
কাজী নজরুল ইসলাম মা ডেকে কন , ' খোকন - মণি ! গপ্প তুমি জান ? কও তো দেখি বাপ ! ' কাঁথার বাহির হয়ে তখন জোর দিয়ে এক লাফ বললে খোকন , গপ্প জানি , জানি আমি গানও ! ' ব ' লেই ক্ষুদে তানসেন সে তান জুড়ে জোর দিল - ' একদা এক হাড়ের গলায় বাঘ ফুটিয়াছিল ! ' মা সে হেসে তখন বলেন , ' উহুঁ গান না , তুমি গপ্প বল খোকন ! ' . . .
২০১১ সালে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য হলিউডের পুঁজি - বিনিয়োগের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে । বড় বড় ফিল্ম কোম্পানিগুলো ব্যাপক ব্যবসা - সফল ও . . . বিস্তারিত . . .
কবি বলেছেন : শুভ কামনা রইলো । ব্লগারদের ছবি নাই কেন ? ?
আমি মনে করি দরকার আছে কারন আমাদের এখন দরকার প্রচুর বিদ্যুত যা পারমানবিক বিদ্যুত থেকে পাওয়া সম্ভব । তবে সংসয় আছে বাংলাদেশ কি ইহা সঠীক ভাবে চালনা করতে পারবে না এর দুষনে আমরা সবাই ভুগব ।
পার্বতীপুর ( দিনাজপুর নিউজ ডট কম ) ॥ বিএডিসির গভীর নলকূপের নিয়োগপ্রাপ্ত বৈধ অপারেটর হওয়ার পরও একটি স্বার্থন্বেষী মহলের পায়তারায় পার্বতীপুরের পল্লীতে প্রায় শ ' শ একর জমি নিয়ে প্রায় ২ শতাধিক কৃষক আসন্ন ইরি - বোরো চাষাবাদ হওয়া না হওয়ার আশংকায় পড়েছে মহাবিপাকে । স্বার্থন্বেষী মহলটি নানা কুট কৌশলের মাধ্যমে উপজেলার পলাশবাড়ি ইউনিয়নের কালিকাপুর মৌজার ১৭১ নং গভীর নলকূপের আওতাধীন কৃষকদের সেচ সুবিধা বঞ্চিত করার ল্যে মরিয়া হয়ে উঠেছে । মহলটি কৃষক কল্যাণ সমিতির তথা কথিত প্যাড ও নাম ব্যবহার করে ভিত্তিহীনসংবাদ প্রকাশসহ দিনাজপুর বিএডিসির দায়িত্বশীল কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হীন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে আজ সোমবার সন্ধ্যায় পার্বতীপুর প্রেসকাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগগুলো তুলে ধরেন ডিপের আওতাধীন সেচ সুবিধা বঞ্চিত কৃষকদের প েবিএডিসির ডিপ ম্যানেজার শাহিনুর আলম , কৃষক , মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুল ইসলাম , মেহেরাব আলী , মোতালেব আলীসহ বেশ কিছু কৃষক । সম্মেলনে শাহিনুর আলম বলেন , বিএডিসির বিলুপ্ত হওয়া ' কৃষক কল্যাণ সমিতি ' র নাম ব্যবহার করে জনৈক মেহেরুল ইসলাম , ডিপ ম্যানেজারদের নিজ নামে পাইয়ে দিতে ল ল টাকা আত্নসাৎ করেন । এছাড়াও বিএডিসির বিগত ৪ বছরের প্রায় ৫৪ হাজার টাকা বকেয়া রাখে । এদিকে ওই স্বার্থান্বেষী মহলটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ , দিনাজপুর বিএডিসি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগ এবং ওই ডিপের আওতাধীন কৃষকদের সেচ সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার নানারকম ফন্দি ফিকির এঁটে যাচ্ছে । এতে বিুদ্ধ হয়ে উঠেছে আসন্ন ইরি - বোরো চাষাবাদকারী অসহায় কৃষকরা ।
pchelplinebd wrote 3 months ago : > অনেকে দিনের অধিকাংশ সময়ই ব্যয় করেন কম্পিউটারকে নিয়ে । আবার অনেকে কাজ থাকা সত্ত্বেও কম্পিউটারের সা … more →
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও সমুদ্রপৃষ্ঠ উত্থানের সম্ভাব্য ফলাফল ইদানীংকার বহুল আলোচিত প্রসঙ্গ । এই শতকের শুরুর দিকে মস্কো থাকার সুবাদে সেখানকার পত্রিকায় এ ধরনের কিছু প্রবন্ধ পাঠের সুযোগ জোটে এবং জানতে পারি , পৃথিবীর আবহাওয়া মণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধির হেতু তাপবর্ধক গ্যাস ( কার্বন ডাই - অক্সাইড , ক্লোরো ফোরো কার্বন ইত্যাদি ) নয় , বিশেষ প্রাকৃতিক নিয়ম , যা লাখ লাখ বছরে একটি চক্রে আবর্তিত হয় । তৎকালীন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ এরই ওজর দেখিয়ে ওইসব গ্যাস - উদ্গিরণ কমাতে অস্বীকার করেন । কিন্তু বিজ্ঞানী ও পরিবেশবিদদের প্রতিবাদের তোড়ে তত্ত্বটি এক সময় আড়লে পড়ে যায় এবং দেশ দুটি শেষপর্যন্ত পৃথিবীর তাপমাত্রা সুস্থিতকরণের উদ্যোগের শরিকানায় সম্মত হয় ।
সিউ বেহরম্যানকে তাঁর অনুজ্জ্বলভাবে আলোকিত আস্তানায় প্রবলভাবে জুনিপার ( চিরসবুজ গুল্ম বিশেষ ) ফলের ঘ্রাণ নিতে দেখতে পেলেন । এক কোণায় কাঠের ফ্রেমে একটি শূন্য ক্যানভাস সাজানো ছিল , শ্রেষ্ঠ চিত্রকর্মটির রূপ পেতে প্রথম রেখাটির জন্য যা পচিশ বছর ধরে অপেক্ষা করে আছে । সিউ বেহরম্যানকে জনসির অবাস্তব কল্পনার কথা বলল , বলল কতটা শঙ্কিত দেখাচ্ছে তাঁকে , নিজেকে তুচ্ছ ও ঠুনকো পাতার মত ভাবছে , ভেসে চলে যাচ্ছে দূরে , পৃথিবীর প্রতি তাঁর ক্ষুদ্র বন্ধন ক্রমশ দুর্বলতর হচ্ছে ।
এ যুগের অনেকেই আধুনিক তথ্য প্রমাণের আলোকে ধর্মীয় গ্রন্থের বিভিন্ন বর্ণনায় সত্যাসত্য যাচাই করে নিতে চান তাদের কাছে অনুরোধ তারা যেন মেহেরবানী করে কায়রো গমন করেন এবং তথাকার মিসরীয় জাদুঘরে ' রয়্যাল মামিজ , ' কক্ষে , সংরক্ষিত ফেরাউনের এই মমিটি দর্শন করে আসেন । আর তা হলেই তারা বুঝতে পারবেন কোরআনের আয়াতে ফেরাউনের মরদেহ সংরক্ষণের যে বর্ণনা রয়েছে তার বাস্তব উদাহরণ কত জাজ্জ্বল্যমান ।
পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা তাঁরই পক্ষ থেকে খ্রিষ্টীয় বোরখা বোনাস ।
আমার নিজের জন্য থাকার বাড়ির পরিকল্পনাও এমন । নীচ তলায় একটা বা দুইটা কক্ষ আর বাকি অংশ ফাঁকা , এতে টেবিল টেনিস বা কেরাম খেলা যাবে , অলস ভাবে বসে আড্ডা দেয়া যাবে । আর মূল ঘরগুলো দোতালায় । তবে সবগুলো ঘরের ছাদ ঢালাইয়ের হলেও কিছু বারান্দার আংশিক ছাদ হবে টিনের - সেই বৃষ্টির শব্দের জন্য , যদিও গ্রীষ্মে সেটা খুব কস্ট দেবে । এছাড়া সামনে খোলা ছাদ থাকবে কিছুটা , যেখানে শতরঞ্চি বিছিয়ে , বা খাটিয়াতে শুয়ে আকাশের তারা গোনা যাবে রাতে , চাইলে ওখানে বৃষ্টিতে ভেজা যাবে নিশ্চিন্তে ।
প্রোস্টেটাইটিসের অর্থ হলো প্রোস্টেটগ্রন্থির প্রদাহ । এটি একমাত্র পুরুষদেরই থাকে , যার কাজ হলো প্রোস্টেট রস নিঃসৃত করা । কোনো অবস্থায় যদি এ রসের উপাদানে পরিবর্তন ঘটে কিংবা এর ক্ষরণ প্রতিহত হয় তাহলে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব ঘটতে পারে ।
তেল গ্যাস পাচার করা এতো সহজ হবে না , মানুষ এখন অনেক সজাগ । সরকারের কুমতলব থাকলে তা বিএনপি আমলের মত বুঝিয়ে দেয়া হবে ।
যে - প্রসঙ্গ এখানে উঠানো হয়েছে , দেশীয় সাহিত্য বিকাশের অন্তরায় , তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কিন্তু বলাই বাহুল্য , বিষয়টি নিয়ে এখানে তেমন কিছুই লেখা হয়নি । হুমায়ুন আজাদীয় ভঙ্গিতে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছে মাত্র । সাধারণীকরণের প্রবণতা এ লেখাতে এত প্রকট যে , কারও কাছে মনে হতে পারে শামসুর রাহমান , কবির চৌধুরী , কয়েকজন প্রকাশক আর দৈনিকের সাহিত্য পাতাগুলিই বোধহয় এখানকার সাহিত্য বিকাশের প্রতিবন্ধক ।
আমাদের নারী উন্নয়ন কোনো কম্পাউন্ডার - ও নয় , পড়েছে একদল নাপিতের হাতে , যাদের শারীরবিদ্যাগত জ্ঞান তো নেই - ই , লক্ষণবিচার্য জ্ঞান টুকুও নেই । তারা , কেবল জানে ব্রণ গজালে খুঁটে ফেলতে হয় কিম্বা আমাশয় হলে ফ্ল্যাজিল খেয়ে নিলেই চলে !
@ যুদ্ধদেব , ঠিক কোথায় হোলো আর . . . প্রথম থেকেই হুমকি ধামকি ফ্যাসিবাদি সব কথাবার্তা বাণীর যা বহর দেখছি আত্মপ্রকাশ করার আগেই না নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়
সময় এসেছে জাতিয়তাবাদী শক্তির ঘুরে দাড়াবার . . . আর নয় হিনমন্যতা - কাপুরুষতা ।
এই পোস্ট টা তে আমাদের বিশিষ্ট কিছু ব্লগারের মন্তব্য নেই দেখে আশ্চর্য লাগছে , কারন তারা কেঁচো , লবণ দেখে ভয় পায় ।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা আশা করেন যে দারিদ্র্যমুক্ত আত্মনির্ভরশীল ইউনিয়ন সৃষ্টির লক্ষ্যে তাঁদের গৃহীত কার্যক্রমকে সহায়তা করতে সরকার এগিয়ে আসবে । বিশেষত , ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা , স্বাধীনতা ও সম্পদ দেওয়া হবে এবং ইউনিয়নে নিযুক্ত কৃষি কর্মকর্তা , স্বাস্থ্যকর্মী , পরিবার পরিকল্পনা সহকারীসহ সকল সরকারি কর্মকর্তা - কর্মচারীর প্রদত্ত সেবা জনগণের কাছে দায়বদ্ধতার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে তাঁদের ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে ন্যস্ত করা হবে । ইউনিয়ন পরিষদের স্বচ্ছতা - জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ , স্থানীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন , সকল প্রকার সরকারি সেবার ( যেমন , বয়স্কভাতা ) উপকারভোগী নির্ধারণ , সর্বোপরি ইউনিয়নের সকল কার্যক্রমে জনসম্পৃক্ততা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতি ওয়ার্ডে ' ওয়ার্ড সভা ' র আয়োজন বাধ্যতামূলক করা হবে । একই সঙ্গে এলাকার আগ্রহী ব্যক্তিদের অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে তাদের সম্পৃক্ত করে ইউনিয়ন পরিষদ স্থায়ী কমিটিগুলোকে সক্রিয় করবে । উপরনতু ' পল্লী উন্নয়ন ব্যাংক ' সৃষ্টির মাধ্যমে ইউনিয়নে সংগঠিত জনগোষ্ঠীকে স্বল্প সুদে ঋণ , সহজশর্তে ফসল বীমা , জীবন / স্বাস্থ্য বীমা ইত্যাদি প্রদানের মাধ্যমে সরকার তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং সরকারি সম্পদে ন্যায্য প্রাপ্য তাদের কাছে পৌঁছে দেবে ।
( ৫ ) একাডেমিক কাউন্সিল এবং ভাইস - চ্যান্সেলর কর্তৃক সময় সময় প্রদত্ত নির্দেশ সাপেক্ষে , বিভাগীয় চেয়ারম্যান তাঁহার বিভাগে শিক্ষাদান ও গবেষণা সংগঠন ও পরিচালনার জন্য ডীনের নিকট দায়ী থাকিবেন ৷
আমি আর্জেন্টিনা আর ইংল্যান্ডের সাপোর্টার । তবে প্রথমে আর্জেন্টিনা ।
@ বিন আরফান ঠিক তাই | মতিয়া , নুরুল ইসলাম নাহিদ আরও অনেকেই | অবশ্য এক সময় কমুনিস্ট ছিল
প্রস্তাবিত বাজেটের সূচনায় অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন - " আপনারা জানেন কৃষি ও কৃষক মহাজোট সরকারের উন্নয়ন ভাবনার অন্যতম প্রধান অনুসঙ্গ " । বাস্তবে দেশের মাছ চাষিদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ দেশের নীতিনির্ধারকদের এমন বক্তব্যকে স্ববিরোধী বলেই প্রমাণ করে । মাননীয় অর্থমন্ত্রী ও নীতিনির্ধারকদের কাছে দাবি - মাছ চাষিদের সমস্যাগুলো পুনঃবিবেচনা করে চাষিদের ভাবনার প্রতিফলন ঘটিয়ে প্রমাণ করবেন যে সত্যিকার অর্থেই কৃষি ও কৃষক মহাজোট সরকারের উন্নয়ন ভাবনার অন্যতম প্রধান অনুসঙ্গ ।
বেশ অনেক্ষন ধরেই এই দোকানটায় বসে আছি । দোকানদার আমার উপর বেশ বিরক্ত হয়ে আছে । এক কাপ চা খেয়ে একঘন্টা বসে থাকলে রেগে যাওয়াটাই স্বাভাবিক । ওনাকে দোষ দেওয়া ঠিক হবে না । তাই আরেক কাপ চায়ের অর্ডার দিলাম । আরও বেশ কিছুক্ষন এখানে কাটিয়ে যেতে পারলে মন্দ হয় না ।
এগারো . দরকার নেই ইউনিকোড । এর চেয়ে পাবদা মাছ খাবো । নয়তো কুইনাইন , প্লাস্টিকের ফুল , মঞ্চনাটক , মিসকল , যা পাই । আর এই শপথ করলাম , বন্যাদুর্গতদের জন্য পরের বার ত্রাণ সংগ্রহ করবো । সত্যি বলছি , ফটো তুলবো না ত্রাণ বিলিয়ে । তাও আর ইউনিকোড পাঠ নয় । ইউনিকোড পাঠ - এর প্রথম দশ কিস্তি পড়ার পর এই হলো পাঠক প্রতিক্রিয়া । কত কারিগরি কথাশব্দবাক্য যে মাথার উপর দিয়ে এবং ডান কানের বাঁ পাশ দিয়ে চলে গেছে । অবশ্য কিছু প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে ইউনিকোড নিয়ে , ভুল না ঠিক কে জানে । রাগ কমলে ভাবলেন , নাহ , ছেলেটা এত করে বলছে , দেখি একটু ইউনিকোডে বাংলা লিখে । প্রথমে ইন্টারনেট থেকে ইউনিকোড - ফন্ট নামালেন । তারপর ইনস্টল করলেন । ওয়ার্ড খুলে বাংলা লিখতে যাবেন , বাহ , লিপির এ কী হাল ! যুক্তবর্ণ , কার , ফলা সব গেছে ভেঙে , আগেপরে , উল্টোপাল্টা হয়ে । আর বাংলা লিখবেনই বা কেমন করে , কিবোর্ড যে ইংরেজি । বাংলা হরফ ছাপা আছে বটে কিবোর্ডে , কিন্তু সেইমতো মনিটরে দেখাচ্ছে না । মাইক্রোফোন টেনে ইউনিকোডের কয়েক বংশ উদ্ধার করলেন । এবং নীতিবাক্য দাঁড় করালেন মনে মনে , শুধু বাংলা ফন্ট ইনস্টল করলে জীবনে সুখী হওয়া যায় না । একনাগাড়ে বলেই গেলেন । সুখ নাই । সুখ নাই । আর আমি সেই কখন থেকে বলে যাচ্ছি , ফন্ট থাকলেই হয় না , অপারেটিং সিস্টেমেও কমপ্লেক্স স্ক্রিপ্ট সাপোর্ট থাকতে হবে । সাথে বাংলা ইনপুট দেবার কোনো ব্যবস্থা । এসব আবার কোত্থেকে এল ? ধ্যাত , আগে জানলে এই ইউনিকোডে চড়তাম না । ______________________ বেশি তরল করে বললাম । এ কিস্তির মূল পয়েন্ট , কম্পিউটারে ইউনিকোড পদ্ধতিতে বাংলা লিখতে গেলে লাগবে : ক . অপারেটিং সিস্টেমে কমপ্লেক্স স্ক্রিপ্টের সমর্থন খ . কিবোর্ড লেআউট ম্যানেজার বা বিকল্প ইনপুট পদ্ধতি গ . ইউনিকোড সমর্থিত কোনো বাংলা ফন্ট আরও দেখুন : জিকোবাজি বাংলা ইউনিকোড সেটআপ গাইড এটাই শেষ কিস্তি আপাতত ।
সবিনয়ে , আপনার সঙ্গে অমত পোষণ করি । আমার ধারণা , স্মৃতি আমাদের বাঁচিয়ে রাখে । নইলে কবেই মরে ভূত হয়ে যেতাম - একেকটা চলমান লাশ !
কারন তারা দুজনই মানুষ । ফেরেস্তা হলে ভুল হতোনা । ধন্যবাদ সবাইকে নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে থেকে বিচার করার জন্য । টপিকটি আপনাদের ভাল লেগেছে জেনে আমার ভাল লাগছে । নীল মাকড়সা ভাইকে স্পেশালী থ্যাংকস ।
By শামসুন নাহার মিনা Rajshahi দেখা হয়েছে : ০ বার স্বাস্থ্য |
ক . মাগুরছড়ায় অক্সিডেন্টাল ১৯৯৫ সালে সিসমিক সার্ভে এবং তিনটি কূপ খননের জন্য প্রথমে এক কোটি ৮৮ লাখ ডলারের হিসাব দিলেও ১৯৯৭ সাল নাগাদ চারবার সংশোধনের মাধ্যমে তা চার কোটি ৯১ লাখ ৪০ হাজার ডলারে পরিণত হয় । এবং এই খরচের হিসাব কূপ খননের খরচের হিসাব ছাড়াই !
তীরন্দাজ বলেছেন : আজকে ভাত খাইছেন মনে হয় ৪ বেলা তাই বেশী হাসতে আছেন ।
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন : হা হা হা । চরম কমেন্ট বড় ভাই ।
যখন ছোট ছিলাম " আমার বই " , " চয়নিকা " আর " সবুজ পাতা " য় লেখা সব গল্প কবিতা গোগ্রাসে গিলতাম , আর ভাবতাম মানুষের মাথায় না জানি কত বুদ্ধি থাকলে , কত জ্ঞানী হলে লোকে এত সুন্দর করে লিখেন । কিছুদিন আগে আচমকা আবিষ্কার করলাম শুধু লিখে না , সুন্দর করে কথা বলেও কথাশিল্পী হয় লোকে । মুখচোরা হওয়ায় সব সময় যেকোন আলোচনা , ঝগড়ার পর মনে মনে ফুঁসিয়া মরতাম ঠিক সময়ে ঠিক কথাটি বলে দিতে না পারার মনবেদনায় ; মনের মধ্যে কথাগুলো ঘুরঘুর করতো আর হাতপা নিশপিশ করতো , মনে হতো যেয়ে মনের ঝাল মিটিয়ে আসি । আমার এক সহকর্মীকে একদিন একটা কাজের কথা জিজ্ঞেষ করলাম , উনি জবাব দেয়ার কিছুক্ষনের মধ্যে সেটা ওনার উপস্থিতিতে ভুল প্রমাণিত হলে ওনাকে জিজ্ঞেষ করলাম কি ব্যাপার । উনি বললেন , আপনার প্রশ্নের সাথে জিজ্ঞেষ করা উচিৎ ছিল যে আমি বিষয়টা জেনে বলছি নাকি না জেনে । সবসময়ের মত এই কথাশিল্পীর কথায় মুগ্ধ আমি , আর একবার তার কথার মুন্সিয়ানার কাছে হার মানলাম । ।
তিনি জানান , অনুচ্ছেদ ২ ( ক ) তে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলাম বহাল থাকবে । ইসলামকে রেখে হিন্দু , বৌদ্ধ , খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য সকল ধর্মের অধিকার সমুন্নত রেখেই আলোচনা হয়েছে ।
মুসলিম পারিবারিক আইনে পিতার উত্তরাধিকার সম্পত্তিতে কন্যা সন্তানের অংশ স্বয়ং পবিত্র কুরআন দ্বারা নির্ধারিত । ফারায়েযের নিয়মানুসারে সহোদর ভাইয়ের অবর্তমানে এক বোন থাকলে সেই বোন পাবেন পিতার মিরাসি সম্পত্তির পুরো অর্ধেক । বোনের সংখ্যা একের অধিক হলে সেক্ষেত্রে তারা সমষ্টিগতভাবে সম্পত্তির দুই - তৃতীয়াংশ পাবেন । আর সহোদর ভাইয়ের বর্তমানে বোন পাবেন ভাইয়ের অর্ধেক । ইসলামের . . .
ইংরেজির ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি । অনুবাদ , ট্রানশ্লেশন , সারাংশ , ভাবানুবাদ ৮ম থেকে ১০ম শ্রেণীর বই অনুসরণ করলেই চলবে ।
অনুষ্টানে অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত হয়ে আর ও চৌধুরী , শিল্প দম্পতি সাকিনা ডেনী ও সহিদুল সরকার , কবি ফকীর সেলিম , ' গাঙচিল ' - এর সাধারণ সম্পাদক নিলুফার রেজা পারভীজ , মেজর ( অবঃ ) কামরুল , সাফায়েত উল্লাহ , জালালাবাদ এসোসিয়েশনের দুই সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিছ্বাহ মজিদ ও মঈনুল হক চৌধুরী হেলাল , ডাঃ হেলেন রায় , শিল্পী রেজাউল করিম চৌধুরী , শেখ নাসের রিজভী ( সিপি ) , শিফ্তী হাসান ( বাপ্পা ) , ডাঃ নাসিফা রহমান , শিল্পী রাজীব রহমান , জাহাংগীর কবীর , আবু শোয়েব প্রমুখ এবং ইয়াসমীন রশীদ ।
বিলাতে অধ্যায়নরত । ফারুক ভাইয়ের আশাবাদ শুইনা এইখানে আসা । দেখি …
পোষ্ট করেছেন : ১৪ টি মন্তব্য করেছেন : ৮৬ টি ব্লগ লিখছেন ০ বছর ৪ মাস ৪ দিন ব্লগটি দেখা হয়েছে : ২৯৩৯ বার
সাজ্জাদ রানা বিডি বলেছেন : আর কত ঝাড়ুর বাড়ি খেলে এদের ঘুম ভাঙবে ?
আমি এভাস্ট ব্যবহার করি । কিন্তু তিন চার দিন হলো আমি এই সমস্যায় পরেছি
ডিম্ব . . . আমাদের দেশের কোথাও আন্ডা কোথাও বা বয়দা কিংবা বয়জা নামেও পরিচিত শুনেছি । ভদ্দরলোকের ভাষায় ডিম . . . আমার শৈশবের মূর্তমান আতংক । যেখানে আতংকের শুরু , সেখানেই ডিম্ব কাহিনীর সূচনা . . . জ্ঞান হবার আগের কথা মা - বাবারা যা বলে তাই বিশ্বাস করে নিতে হয় , কোনো দ্বিরুক্তি নেই । দ্বিরুক্তি করলেও " তুই আমার পেট থেকে হইছস নাকি আমি তোর পেট থেকে হইছি ! " টাইপ দাবড়ানি খাইয়া চুপ মাইরা যাইতে হয় । তাই মা যখন বলতো " ছোট্ট থাকতে তো এতো জ্বালাইতি না , বড় হইয়া এরুম হইছস কেন ? " . . . আমার বিশ্বাস হইতো না যে আমি এতো সহজেই ডিম্ব গলধঃকরণ করিতাম । হতে পারে শান্ত শিষ্ট লেজ বিশিষ্ট হবার কারণে ছোট্টবেলা আমার নাম ঠান্ডু মিয়া দেয়া হইছিল , কিন্তু এতোটা ঠান্ডু ছিলাম বলে মনে হয় না যে বিনা প্রতিবাদে ডিম গিলিয়া ফেলব । জ্ঞান হবার পর প্রথম ডিম্ব অভিজ্ঞতাটাই বলি । খুব সুন্দর করে আমাকে সকালে একখান ডিম পোচ খাওয়ায় সুন্দর জামা - কাপড় পড়ায় বাবুসাহেব সাজাইলো মা । তারপর পা বাড়ালেন অফিসের পথে . . . ঘর থেইকা পা বাড়াইতেই আমার বমির আওয়াজ । দরজা থেকে ফিরে এসে দেখলেন সদ্য গেলা ডিম্বখানা কিছুটা বিকৃত হইয়া আমার জামা আর মাটিতে লেপ্টালেপ্টি খাইতেছে ।
আধুনিক মনোদৃষ্টিতে রেনেসাঁসে উজ্জীবিত ইউরোপে১ গড়ে ্ওঠে এক বহুমাত্রিক শিল্পসাহিত্য আন্দোলন । এই শিল্পকলাবাদ সৃষ্টি করে অনেকগুলো শিল্পরীতি , যে রীতি সমুহের ঝোঁক সুস্পষ্ট পার্থক্য নির্দেশ করে পরস্পরের মাঝে । সুতরাং আধুনিক শিল্পচর্চা অনেকগুলো শিল্পরীতির সম্মিলিত রূপ । এ গুলোর মধ্যে অভিব্যক্তিবাদ , প্রতীকবাদ , চিত্রকল্পবাদ , দাদাবাদ , পরাবাস্তবতাবাদ ইত্যাদি । এসব রীতির সাথে সমন্বয় করেছে কলাকৈবাল্যবাদ ; অর্থাৎ . . .
ভাই গল্পতো গল্পই । আষাঢ়ে হোক আর শ্রাবণে হোক । এটি কোন প্রবন্ধ না যে টু দ্যা পয়েন্টে আলোচনা করবো । পরবর্তী পর্বগুলো পড়লে আশা করি বুঝতে পারবেন । নতুবা অন্ধের হাতি দর্শন হবে । ভালো থাকুন ।
ঢাকা , ১১ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : সরকার নারী নীতি করলেও নারীর অধিকার ক্ষুণ্ন করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর । সরকারের অত্যাচার নির্যাতন মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি । আজ সোমবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহিলা দল নেত্রী নাজমা কবির ও তার পরিবারের উপর পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন । মহিলা দল এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে । সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির অর্থ সম্পাদক আব্দুস সালাম , মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা , সভানেত্রী নুরী আরা সাফা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন । মির্জা ফখরুল নুরী আরা সাফার উপর পুলিশি নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানান । একই সাথে তিনি বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুককে আগাম জামিনের জন্য হাসপাতাল থেকে হাইকোর্টে যেতে বাধা দেয়ারও তীব্র নিন্দা জানান । তিনি মহিলা দলের নেত্রী নাজমা কবিরকে আটক করে নির্যাতনকারী দারুস সালাম থানার ওসির বিচার দাবি করেন । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / এফএম / ডিএইচ / সস / ১৭ . ১৩ঘ . )
লেখক বলেছেন : সাইটগুলো ভালো করে খুজুন । অনেক কিছুই পাবেন । বুখারী লিঙ্ক
দি হাঙ্গার প্রজেক্ট নারী নেতৃত্ব বিকাশের প্রয়োজনে সারাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের একদল নারীকে সংগঠিত , ক্ষমতায়িত ও তাদের সামর্থ্য বিকাশের লক্ষ্যে নিবীড় ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ - কর্মশালা পরিচালনা করছে । প্রশিক্ষণের প্রথম ধাপ এবং ভিত্তি হলো ফাউন্ডেশন কোর্স । এতে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হন । তৃণমূল থেকে আগত নতুন প্রজন্মের এমনি এক ঝাঁক নারী নেতৃত্ব ( new generation women leader ) বর্তমানে স্থানীয় পর্যায়ে বাল্যবিবাহ , যৌতুক , পারিবারিক নির্যাতন ও যৌন হয়রানীসহ নারীর প্রতি সকল সহিংসতার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্যাস্পেইন পরিচালনা করছেন এবং প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন ।
জামাল ভাইকে আইটেকে স্বাগতম । আপনার আইটেকে আগমনের জন্য আপনাকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ । আপনার তথ্য প্রযুক্তি বিষযয়ে বাংলা সাইটগুলোর প্রতি আগ্রহ দেখে মুগ্ধ হলাম । আশাকরি নিয়মিত আসবেন । ধন্যবাদ ।
• ছিংহাই - তিব্বত রেলপথ বিশ্বের ঠাণ্ডা মাটির দ্রুততম ট্রেনে পরিণত হয়েছে রেলপথ সংক্রান্ত বিজ্ঞান - প্রযুক্তির অব্যাহত উন্নতির কল্যাণে চীনের ছিংহাই - তিব্বত রেলপথ এটা প্রতিষ্ঠার পর গত ৫ বছরে কয়েক ' শ কিলোমিটার ঠাণ্ডা মাটির রেলপথ লাইনের স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে ।
অলস ছেলে বলেছেন : আপনাকে ধন্যবাদ । পত্রিকাওয়ালাকে অবশ্যই ধন্যবাদ তাহলে । হাহাহা । অন্যকে খোঁচা দিতে দিতে অভ্যাস সম্ভবত একটু খারাপ হয়ে গেছে । নিজেও খোঁচা খাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়তো । আবারও ধন্যবাদ ।
তবে বার বার শুধু মনে হচ্ছে , কথাটা কতটা সত্য ?
২০০৭ সালের আগস্ট মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে সৃষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্র - শিক্ষকদের নির্যাতনের ঘটনায় ফেঁেস যাচ্ছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমদ ও সেনা প্রধান মইন উ আহমেদ । সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের ওই ঘটনায় ছাত্র - শিক্ষক নির্যাতনের জন্য তাদের দায়ী করেই সংসদীয় তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত হচ্ছে । আগামীকাল মঙ্গলবার এ প্রতিবেদন চূড়ান্তের . . .
সহজে , মহাবিশ্বের বিশালত্বকে বোঝানোর জন্য ১ - নং চিত্রটি লক্ষ্য করা যাক । আশা করা যায় , উপরিঊক্ত তথ্যাবলী থেকে মহাবিশ্বের আকার সম্পর্কে ধারণা করা কষ্টসাধ্য হলেও উল্লিখিত চিত্র থেকে একটি মটামুটি ধারণা পাওয়া যাবে ।
আর তারই মধ্যে , সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য পদ পাওয়া এশিয়াতে প্রধান কুশীলবদের কাজকর্ম নিয়ন্ত্রিত ভাবে করতে সাহায্য করতে পারতো . বর্তমানের প্রধান বিপদ গুলির থেকে তাদের রক্ষা ও মোকাবিলা করাতে সাহায্য করতে পারতো . আর তার থেকেও বেশী করে - কে বলতে পারে - হয়তো , শেষ অবধি এটাই সেই প্রথম দেখাতে সমাধানের অযোগ্য সমস্যা গুলি , যেমন কাশ্মীর নিয়ে , সেগুলির সমাধানে সহযোগিতা করতে পারতো " .
লেখক বলেছেন : টেংকুস ভাইয়া কাজটা আমারও ফেলে রাখার ইচ্ছা নাই . . . . . নিজের ভাষা , আমাদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে
স্টাফ রিপোর্টার : ভ্রাম্যমাণ আদালত নতুন কোন বিষয় নয় । খাদ্যে ভেজাল , ফলে ভেজাল , মাছে ভেজাল , দুধে ভেজাল - এতদিন এসব ধরতে অভিযান ছিল ভ্রাম্যমাণ আদালতের । তবে রাজনৈতিক দলের সভা - সমাবেশ কেন্দ্রিক প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে ভ্রাম্যমাণ আদালত - এই প্রথম । তথ্য - প্রমাণ ও সাক্ষ্য নেয়ার বালাই নেই । রাজপথে তাৎক্ষণিক বিচার । অনেক আতঙ্কের মধ্যে এ যেন এক নয়া আতঙ্ক ।
লেখক হিসেবে জনাব মুহিত সমান পারদর্শী । প্রশাসনিক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর ২১টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে ।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক এম এম নিয়াজউদ্দিন বলেন , নানা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্য কর্মসূচী বেশ অগ্রগতি অর্জন করেছে । প্রতি বছর পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহীতা শতকরা গড়ে ১ দশমিক ৫ ভাগ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে । বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার শতকরা ৬১ দশমিক ৭ ভাগে উন্নীত হয়েছে । বাল্যবিবাহ বর্তমানে একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে । দেশে এখনও মেয়েদের গড় বিয়ের বয়স ১৬ . ৪ এবং এক - তৃতীয়াংশ মহিলা ২০ বছর বয়স হবার আগেই মা হয়ে যায় । আর জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ২৩ ভাগই হচ্ছে ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর - কিশোরী । এ অল্প বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রজনন স্বাস্থ্য কার্যক্রম ইতিবাচক প্রভাবে ফেলতে পারেনি । এদেশের প্রজনন হার ধনী - গরিব , শহর - গ্রাম , শিৰিত - অশিৰিতদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য গড়ে উঠেছে বলে তিনি জানান ।
টেকনাফ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও শামলাপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মনজুর আলমকে প্রকাশ্যে . . .
কাগজপত্র যা লাগবে সঠিকভাবে পূরণ করা আবেদন ফরমের সঙ্গে প্রার্থীকে আবেদনকারীর একটি রঙিন ছবি আঠা দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে লাগিয়ে দিতে হবে , সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্রের ফটোকপি । অপ্রাপ্তবয়স্ক ( ১৫ বছরের কম ) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বাবা ও মায়ের একটি করে রঙিন ছবিও লাগবে ।
২৪বিটের সাউন্ড কার্ডে উবুন্টু ঝামেলা করবে এটা মোটামুটি ধরে নেয়া যায় । আলসা সাউন্ড এঞ্জিনের লেটেস্ট ভার্শনে ( - . - . - . ১৫ ) এই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে ।
প্রোগ্রামার ভাইদের সাহায্য দরকার : নিটন এর বাংলা প্রোগ্রামিং বইটার ডাউনলোড লিংক দরকার । অন্য কোন বাংলা প্রোগ্রামারের বইয়ের ডাউনলোড লিংক থাকলেও দেন । বেসিক বাংলায় না শিখতে পারলে ইংরেজি বই পরে তেমন সুবিধা করা সম্ভব নয় বলে আমার ধারনা । আমার এই সেমিস্টারে প্রোগ্রামিং আছে । তবে আমি ভালভাবে শিখতে চাই । ভবিষ্যতে কিছু করার ইচ্ছা …
@ সেভারাস বেকুব বনে গেলাম রে ভাই , বললাম কি আর বুঝলেন কি ? আমি বললাম ক্রিকেট আর ফুটবল দুটোই আলাদা । প্রত্যেকের নিজশ্ব ফরম্যাট ও স্বকিয়তা আছে যা একটা আরেকটার চেয়ে আলাদা । এখানে কোনটা কোনটার চেয়ে ভাল আর কোনটা মন্দ সেটা তুলনা করা যায় না । তুলনা হয় একই জাতীয় দুই বা ততোধিক জিনিসের মধ্যে । যদি আপনি একটাকে আরেকটার সাথে তুলনা করতে চান সেটা আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার । আপনি বলছেন এককোটি গুন বেশি টাকা দিলেও ৫০ জনমেও শচিন জিদান হতে পারবে না । তো কত গুন টাকা দিলে কয় জনমে জিদান শচিন হতে পারবে বলেন শুনি । এখানে আমি যেটা বলার চেষ্টা করেছি আর তা হচ্ছে কাউকে কারও সাথে তুলনা করা যায় না কারণ তার আলাদা খেলা খেলে ।
বেচারী এতোই ক্লান্ত ছিলো যে ঘরটার দুলুনি আর বাতাসের গোঙানির মধ্যেও আস্তে আস্তে চোখ দুটো বন্ধ হয়ে এলো ওর । তারপর রাজ্যের ঘুমে গেলো তলিয়ে ।
আপনাদের এবং আরও বিদেশী অতিথিদের সমাদরের জন্য আমরা চেষ্টার কমতি রাখি নাই । চট্টগ্রামে রাস্তার পাশের বস্তি ভেঙ্গে সব নোংরা আদমি লাথি মেরে ভাগিয়ে দিয়েছি । পচা আবর্জনা , নর্দমা এসব দেখে আপনাদের সুবাসিত মুড যাতে যাতে নষ্ট হয়ে না যায় , সেজন্য যোজন যোজন পথ আমরা সামিয়ানা টাঙ্গিয়ে ঢেকে দিয়েছি । আপনাদের মনের বলিউডি সৌরভ যাতে ফিকে না হয় , সে জন্যে ঢাকা শহর থেকে ভিখারি ঠেঙ্গিয়ে আমরা বিদায় করেছি । বাড়ীর মালিক আর গাড়ীর মালিক সবাইকে বলে দিয়েছি রঙ মাখিয়ে সব ফিটফাট করে ফেলার জন্য । এখন শুধু বাকি রেখেছি আপনাদের সফরের সময় লুঙ্গী পড়া নিষিদ্ধ করতে আর মানুষকে শার্ট - প্যান্ট ইন করে চলাফেরায় বাধ্য করতে । আপনারা চাইলে বিশ্বকাপের সময় মহিলাদের বিশেষ তারযুক্ত ব্রা পড়াও বাধ্যতামূলক করে দিতে পারি , যাতে সুউচ্চ বক্ষ - যুগল আমাদের উন্নয়নের গ্রাফটা ঠিক মতো তুলে ধরতে পারে । মোদ্দা কথা , আপনাদের স্বাগত জানানোর জন্য আমরা চেষ্টা - চরিত্রের কিছু বাকি রাখি নাই ।
শুনানিতে তিনি বলেন , " সাঈদী একজন সম্মানিত ব্যক্তি । দীর্ঘদিন ধরে তাকে আটক রাখা হয়েছে । রাষ্ট্রপক্ষ এখনো তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আনতে পারেনি । যে কোনো শর্তে তিনি জামিন নিতে রাজি আছেন ।
চমৎকার ও বাস্তব গল্প আতিক ভাই । সিরিজটির জৌলুস বাড়িয়ে দিল আপনার লেখাটি ।
আল্লাহ পাক তার পশ্চাৎ দেশ দিয়ে সাথে সাথে আয়াত নাযিল করেন ! !
গত পনের দিন যাবত অফিসে উদভ্রান্ত কাজের চাপ যাচ্ছে । বেশ ভালই দৌড়ের উপরে আছি । কাজের চাপ বা দৌড়ের উপর থাকাটা উপভোগই করি মোটামুটি । আবার মাঝে মাঝে মন বিদ্রোহ করে বসে , তখন মনকে সুস্থির করার জন্য কাজের ফাঁকে ফাঁকেই ঘুরে বেড়াই স্মৃতির রাজপথ থেকে গলিপথে গলিপথে । শিশুবেলার স্মৃতির গলিটা মাখামাখি করে আছে সকালের নরোম রোদে । গলির দু ' পাশে সারি সারি দাঁড়ানো ঘর গুলোর জানালা থেকে হাত বাড়িয়ে এই স্মৃতি ওই স্মৃতি আমাকে ডেকে চলে । আমি আনন্দিত হই । আমার রক্তে কাঁপন ওঠে শিশুবেলার স্মৃতিদের দেখতে পেয়ে । হাঁটতে হাঁটতে চলে যাই গলির প্রায় শেষ মাথার একটা ঘরে । যেখানে আমার অনেক পুরোনো স্মৃতিগুলোর বসবাস । এই ঘরটার অনেক বাসিন্দাই চলে গেছে সময়ের সঙ্গী হয়ে , আবার কেউ কেউ রয়ে গেছে আমারই মায়ায় । তাদের ভেতর থেকেই খুঁজে পাওয়া কিছু স্মৃতির সাথে . . .
এবার আপনি রেকর্ড করার জন্যে অনেক সফটওয়ার পাবেন ! এমনকি উইন্ডোজ মুভি মেকার দিয়েও রেকর্ড করতে পারেন ! আশা করি এবার আপনি উপকৃত হয়েছেন !
লিবিয়ায় পশ্চিমা বাহিনীর হামলার দুই প্রধান মিত্রের কাছে থেকে এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ । তিন মাস ধরে লিবিয়ায় হামলা চালিয়েও গাদ্দাফিকে পরাজিত করা সম্ভব হয়নি । প্রচুর অর্থ ব্যয় করেও দেশটির সমস্যা দ্রুত সমাধানের যে আশা মিত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে করা হয়েছিল তা পূরণ করা সম্ভব হয়নি ।
ফয়েজ উদ্দিন শাকিল বলেছেন : হুম অনেক দিন পর ব্লগে আসলাম । আপনি কেমন আছেন ? আমি ভালো আছি । আর রাজা দের অনেক রানী থাকে তাই আমি রাজ্য ছাড়া আমার মনের রাজ্যে রাজা আর সে রাজ্যে রানী একটাই । তাছারা দুই তিন টা রানী রাখা এক্সপেন্সিভ ও বটে । আজকাল যে খরচ
আপনারা হয়তো দেখে থাকবেন , বিশ্ব ফুটবলের সনামধন্য খেলোয়াড়দের অনেকেই ৭ নম্বর জার্সিটি পড়তে পছন্দ করেন । জার্সি নম্বর ৭ কে যে এত ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেন তিনি আর কেউ নন , জর্জ বেস্ট । জর্জ বেস্ট একটি নাম । একটি ইতিহাস । ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম দেশ নর্দান আয়ারল্যান্ড । তারা যে সকল বিশ্বমানের ফুটবল তারকা তৈরি করেছে তাদের মাঝে সবার সেরা জর্জ বেস্ট , এ কথা যে কেউ মেনে নিতে দ্বিধা বোধ করবেনা । গতো ২৫শে নভেম্বর , জর্জ বেস্টের ৫ম মৃত্যু বার্ষীকি ছিলো । ব্যাক্তিগত জীবনে অতি বেপরয়া বেস্ট যখন মারাযান , তার বয়স হয়েছিলো মাত্র ৫০ ( ১৯৪৬ - ২০০৫ ) । দীর্ঘদিন রোগে ভুগে মৃত্যুর সময় তার শরীরের একাধীক গুরূত্বপূর্ন অঙ্গ বিকল ছিলো । ইংল্যান্ডের সব থেকে সফলতমো দল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে পেশাদার ফুটবলে পা রাখা এই কিংবদন্তী মাত্র ১৫ বছর বয়সেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের ততকালীন হেড স্কাউট বব বিশপের নজর কাড়েন । এ সময় বব বিশপ ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের কোচ স্যার ম্যাট বাসবীকে বলেন " " I think I ' ve found you a genius " " । মাত্র ১৭ বছর বয়সেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে তিনি প্রথম পেশাদার ফুটবল ম্যাচ খেলেন ওয়েস্ট ব্রমউইচ আলবিয়নের বিপক্ষে । ১৯৬৮তে ম্যান ইউনাইটেড যখন প্রথম বারের মতো ইউরোপিয়ান শিরোপা জয় করে তখন এই বেস্টই ছিলো তাদের সেরা খেলোয়াড় । সে বছর তিনি ইউরোপের সেরা খেলোয়াড় নিরবাচিতো হন । ঘরোয়া ফুটবলে তিনি ইউনাইটেডের হয়ে ৪৭০ ম্যাচ খেলে ১৭৯ টি গোল করেন । বেপরয়া জীবন যাপনের কারনে তিনি তার ক্যারিয়ারকে বেশিদুর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি । তিনি জ্বলে উঠেছিলেন অল্প সময়ের জন্য । মুলতঃ ১৯৬৬ - ১৯৭২ এই সময় টুকুই ছিলো তার খেলোয়াড়ী জীবনের সেরা সময় । ঘরোয়া ফুটবলে ম্যাঞ্চেষ্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলা ছাড়াও তিনি নিজ দেশ নর্দান আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৩৭ ম্যাচ খেলে গোল করেন ৯ টি । ইংল্যান্ডের ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছাড়াও তিনি ফুলহামের হয়ে একটি সিজন পার করেন । এ ছাড়াও তিনি আমেরিকা , দক্ষিন আফ্রিকা , হংকং এর বিভিন্ন দলে খন্ডকালীন খেলোয়াড় হিসাবে খেলেছেন এবং ১৯৮৩ তে সকল প্রকার খেলা থেকে অবসর গ্রহন করেন । ৮ অগাস্ট ১৯৮৮ তে জর্জ বেস্টের সম্মানে একটি প্রিতী ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয় যাতে তিনি ২ বার গোলের দেখাও পান । বাইরে থেকে দেখে একজন ফুটবল খেলোয়াড়ের জীবনটা অনেক আকর্ষনীয় মনে হলেও তাতে কতো যে ঘাত প্রতিঘাত লুকিয়ে থাকে তা আমরা জানিনা । ব্যাক্তিগত জীবনে অনেক চরাই উতরাই পেরুনো এই অসামান্য খেলোয়াড়ের জীবন যেনো কল্পকথা । জর্জ বেস্ট খেলোয়াড়ী জীবনে খেলোয়াড় হিসাবে মাঠে যতোটা পরিচিতি পান , মাঠের বাইরে তার সেলিব্রেটি চাল চলনের জন্য তার থেকে বেশি সমালোচিতো হন । মুলোতঃ জর্জ বেস্টই ছিলেন বিশ্ব ফুটবলের প্রথম সেলিব্রেটি লাইফ স্টাইল ধারনকারী খেলোয়াড় । আজকের বেকহ্যাম , ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো সবাই তার পথেরি অনুগামী । বেস্টের নামে পেটেন্ট করা শপিং মল থেকে শুরু করে হেয়ার স্টাইল । কি ছিলোনা তার নামে ! ! ! সুদর্শন , লম্বা চুলের অধীকারী এই খেলোয়াড় ছিলো অসংখ্য যুবতীর প্রাণের স্পন্দন । মৃত্যুর আগে পর্জন্ত তাকে ঘিরে নানান কথা প্রচলিতো ছিলো । জর্জ বেস্ট কে একবার প্রশ্নো করা হয়েছিলো , আপনি নাকি পৃথীবির সেরা ৭ জন সুন্দরীর সঙ্গে ঘনিষ্ট সম্পর্ক করেছিলেন , এ নিয়ে আপনার অনুভুতি কি ? জর্জ বেস্টের জবাব ছিলো , তোমরা বল ৭ জন , কিন্তু আমি আসলে ৬ জনের সাথে ঘনিষ্ট হতে পেরেছিলাম , বাকী এক জনকে আমি বাগে আনতে পারিনি । জর্জ বেস্টকে তার মায়ের কবরের পাশে " হিল - টপ রোজলন সিমেট্রি " তে সমাধীতো করা হয় ৩ ডিসেম্বর ২০০৫ এ । তার শব যাত্রাতে রাস্তার দুই পার্শ্বে প্রায় লক্ষাধীক মানুষের সমাগম ঘটেছিলো । । । । । ।
এই অসম যুদ্ধ আর কতদিন চলবে ? প্যালেষ্টাইনের নিষ্পাপ শিশুদের কান্না আর কত দেখতে হবে ? এমেনেষ্টি ইন্টান্যাশনাল কি এসব দেখে না ?
যদি তা না হবে তাইলে আপনি কেনো শুধু হুজুরদের ডিফেন্ড করে লিখছেন ? কোন লেখায় কি প্রকাশ করে সেটা তো একটু হলেও বুঝতে পারি । আপনার দুইটার গল্পের সারমর্ম হলো হুজুরেরা মেয়ে - বউ বোরকা পরায়ে নিয়ে ঘোরে , এটা শুধু তারা রাস্তায় ' মাল ' দেখে বেড়ানো সাধারন লোকের দৃষ্টি থেকে বাচাতে করে । আর একাধিক বিয়ে করলেও অন্য নারীর দিকে খারাপ নজরে তাকায়না । তারা সাধু পুরুষ । আপনি যে ঘটনার মাধ্যমে লিখেছেন তা সত্যি । কিন্তু আপনার এপ্রোচ টা হয়েছে সাধারন মানুষকে নৈতিকতার অধঃপতন না দেখিয়ে হুজুরবাহিনীকে ডিফেন্ড করা । পাশের বাসায় দুইটা বিয়ে আরও একটা সাধারন লোক করতে পারতো না ? আপনি মৌলবি সাহেবকে দুই বিয়ে করিয়ে প্রমান করাতে চাইলেন যে হুজুরসাব দুই বিয়ে করেও মহাপবিত্র লোক , সে ইয়াহু চ্যাটিং করেনা ।
উইন্ডোজ লাইভ মেইল চেক করতে শুধু IE ব্যবহার করি । বাকি সব সাইট জি - ক্রোম , ফায়ারফক্স বা অপেরাতে । এখন অপেরা থেকে লিখছি । আগামী কয়েকদিনের জন্য এটাই ডিফল্ট ব্রাউজার ।
দেওয়ান ও চৌধুরীরা নিজেদের মর্যাদা জ্ঞানে অত্যন্ত টনটনে । কথাটি আমার নয় , সিলেট গেজেটিয়ার প্রণেতা এসএনএইচ রিযভীর । তার কথার সত্যতার একটি প্রমাণ ইতিপূর্বেই পাঠক পেয়েছেন । সিলেটের আমজনতা অহরহই সে প্রমাণ পেয়ে থাকেন । কিন্তু কিছু ব্যতিক্রমী আত্মসচেতন এমন চৌধুরীও রয়েছেন । হারুন আকবরের ভাষায় এরা প্রাচীন চৌধুরী পরিবারের পলায়নী মনোভাবের সন্তান । তিনি লিখেন চৌধুরী খেতাবের লেজেগোবরে ও তেলেসমাতি ব্যবহার দৃষ্টে সাবেক চৌধুরী পরিবারের অনেক উচ্চ শিক্ষিত বহুল পরিচিত পণ্ডিত ও বিদ্বান ব্যক্তিগণ নামের সঙ্গে চৌধুরী লিখতে এখন লজ্জাবোধ করেন বা লেখেন না । যেমন খান বাহাদুর মোহাম্মাদ মাহমুদ , মাওলানা আবদুল মুছাব্বির ( অবসরপ্রাপ্ত সচিব ও ইলেকশন কমিশনার শফিউর রহমানের মাতামহ ) , মাওলানা সাখাওতুল আম্বিয়া , রসসাহিত্যিক মতীনউদ্দীন আহমদ প্রমুখ চৌধুরীসন্তানগণ এটা লেখা ত্যাগ করেছিলেন । বর্তমানে র সাবেক শিক্ষাসচিব হেদায়াত আহমদ , বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর সেগুফতা বখত এবং জাতীয় অধ্যাপক দেওয়ান মোহাম্মাদ আজরফসহ অনেকেই আর চৌধুরী লিখতে উৎসাহ বোধ করেন না । ( আভিজাত্যে সিলেটী সমাজ , পৃষ্ঠা : ৫৪ , ২য় সং ২০১০ )
প্রস্তাবিত কয়লানীতি ২০০৭ , নিরুৎসাহিত উন্মুক্ত খনি পদ্ধতি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রণীত ২০০৭ সালে পেশ করা প্রস্তাবিত কয়লানীতির সূচনাপর্বে এ মত প্রকাশকরা হয় যে , যেহেতু :
শামীম তো দেখি সক্রেটিস এর মতো কথা বললা । ভালো । তোমার মাথায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আধা ছটাক বেশী ঘিলু দিছে । শোকরিয়া আদায় করো ।
প্রশ্ন ( ২৮ / ৩৪৮ ) : রাতের তিন ভাগের এক ভাগ বাকী থাকে তখন আল্লাহ প্রথম আকাশে নেমে আসেন , অথচ পৃথিবীতে রাত - দিন এক সাথে হয় না । অতএব এর ব্যাখ্যা জানতে চাই । - আব্দুল জাববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । উত্তর : ঈমানদারের জন্য যরূরী হ ' ল , আল্লাহ অবতরণ করেন একথা বিশ্বাস করা এবং কিভাবে করেন সেকথা বলা থেকে বিরত থাকা । কারণ আল্লাহ্র কাজ তাঁর মতই হয় মানুষের মত নয় । সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে রাত হয় এটা আল্লাহ্র ইচ্ছাতেই হয় এবং তাঁর অবতরণ তাঁর ইচ্ছাতেই হয় । পৃথিবীর যে অংশে যখন রাত হয় , সে অংশে তাঁর মর্যাদা অনুযায়ী তাঁর অবতরণ ঘটে । যা অনুভব করার ক্ষমতা মানুষ রাখে না ( ছাবূনী , আক্বীদাতুস সালাফ , পৃ : ২৯ ; বিস্তারিত দ্র : আহলেহাদীছ আন্দোলন ( থিসিস ) , পৃ : ১১৬ ও ১১৭ ) ।
ফ্লিন্ট বলেছেন : ছবিটা দেখে খুব খারাপ লাগছে । পোস্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ।
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিসংলগ্ন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীর অধিকার আদায়ের নামে গঠিত দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত দু ' দিনের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে । এ সময় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জসহ শতাধিক টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে ।
এসব সফট ভাল কাজ করে না । আমি এর আগে রিকোভার যা - ও করতে পেরেছি , ফাইলের কন্টেন্ট ঠিকমত পাই নি ।
মানসবাবু তথা বাকি " আক্রান্ত " কংগ্রেসি দলের নেতারা নিশ্চয়ই খুব ভাগ্যবান যে তাঁরা এক বিরল পুরষ্কারের পাত্র হলেন এই মঙ্গলকোটের ঘটনায় । পুরষ্কারটি হল আপনার দ্রুত এবং দৃঢ় পদক্ষেপ যা কয়েকশ হতভাগা মার্ক্সবাদি কর্মিদের নাগালের বাইরে । যদিও বা তাঁরা সিঙ্গুর নন্দিগ্রাম লালগড় তথা বাকি জায়গায় আপনার এবং বাকি নেতৃবৃন্দের দেওয়া ডাককেই রুপায়িত করতে গিয়েই প্রান হারাচ্ছেন , তাও তাঁরা এত সৌভাগ্যের অধিকারি নয় । দলিয় মুখপাত্রের এক লাইন হওয়ার সৌভাগ্য তাদের হলেও তাঁরা বা তাদের আত্মিয় পরিজনেরা আপনার দ্রুত এবং দৃঢ় পদক্ষেপের প্রার্থি নয় । বোধ হয় পার্টী নেতৃত্ত্বে আর বিশ্বাস না থাকায় মাঠেঘাটের পার্টীকর্মিরা নিজেরাই পদক্ষেপ নিচ্ছেন । তবে আপানার কড়া বক্তব্যে এটা পরিষ্কার যে পার্টী এবং তার কর্মিদের আপনি অকাতরভাবে আরও সংশোধনের দিকে নিয়ে জেতে ইচ্ছুক । মনে পড়ে ছেলেবেলায় মামার বাড়িতে রক্ষেকালি পুজোর সময়ে বলি হওয়ার আগে মন্দিরের অনতিদুরে বাঁধা পাঁঠকে দেখে কাঁদছিলাম বলে আমার এক মামা আমায় বলেছিলেন " ওরে বোকা ও তো এক বড় কাজের জন্য মরছে আর তাতে তুই কাঁদছিস্ ? ছিঃ ছিঃ কি বোকা রে তুই ! " বুঝতে পারছি আজও সেই বোকাটা রয়ে গেলুম ।
Transformerless Power Supply : পাওয়ার সাপ্লাইয়ে ট্রান্সফর্মার ব্যবহারের ফলে ওজন ও আয়তন বৃদ্ধি পায় । ট্রান্সফর্মার ছাড়াই নিন্মোল্লেখিত পাওয়ার সাপ্লাইটি তৈরী করা যায় । ফলে খুব অল্প জায়গার মধ্যে এটি বানানো সম্ভব হয় । সার্কিটে ৯ ভোল্টের জেনার ডায়োড দিয়ে দেখানো হয়েছে । যত ভোল্টের পাওয়ার আউটপুট প্রয়োজন হবে তত ভোল্টের জেনার ডায়োড ব্যবহার করতে হবে । সাবধান : এই পাওয়ার সাপ্লাইটি চলাকালিন পাওয়ার সাপ্লাই এবং যে সার্কিটে এটি ব্যবহার করছেন কোথাও হাতে স্পর্শ করতে পারবেন না । কারন এতে আপনি ভয়ংকর ইলেক্ট্রিক শক খাবেন । তাই চলাকালিন সরাসরি হাত দিতে হয়না এমন সার্কিটেই শুধু এই পাওয়ার সাপ্লাইটি ব্যবহার করবেন । সবশেষে , আপনি নিজ দায়িত্বে এটি ব্যবহার করবেন ।
টেনশনে জর্জরিত অবস্থায় ম্যানিয়েক মুসলিমের আর্টিকেলটা পড়লাম । কুরান পুড়াতে গিয়ে ইভেনজেলিক চার্চটার মানুষজন মহা বিপদে পড়ে গিয়েছে , কারণ ওরা অবাক হয়ে দেখল মুসলিমরা কুরআন পুড়ালে চেতেই না , বরং আরও খুশি হয় ! ব্যাপার কি ? ? কারণ যাচাই করে দেখা গেল মুসলিমরা কুরআনের কপি শ্রদ্ধাপূর্ণ ভাবে ডিসপোজ করতে হলে কুরআন পুড়িয়ে ফেলে ! ! ! অন্যদিকে ইসলামিক বুকস্টোরের মালিকও মহা খুশী , কুরআন পুড়ানো দিবস উপলক্ষে কুরআনের বিক্রি ৩০০ % বেড়ে গিয়েছে । রিপ্রিন্টও বেড়েছে একেবারে রেকর্ড পরিমান ! হতাশ হয়ে প্যাসচর সাহেব আবিষ্কার করলেন সবার ঘরে ঘরে কম্পিউটারেও কুরআন আছে । ইন্টারনেট ভর্তিও কুরআনের অসংখ্য কপি । কুরান পুড়ানো দিবসের পূর্ণতা দিতে কম্পিউটারের কুরআন পুড়াতে গিয়ে কম্পিউটারের টক্সিক গ্যাসে প্যাসচর সাহেবের সাঙ্গপাঙ্গরা সিরিয়াস অসুস্থ । ততদিনে আবার প্যাসচর সাহেব আবিষ্কার করলে পৃথিবীতে মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ কুরআন মুখস্তও করে রেখেছে । ততক্ষনে প্যাসচর সাহেব ক্লান্ত হয়ে ক্ষান্ত দিলেন । সফল ভাবে কুরান পুড়াতে গিয়ে মানুষ তো আর পুড়ানো যায় না !
পূর্বাচলে বিভিন্ন কোম্পানী তাদের নিজস্ব দামে প্লট বিক্রয় করছে । তবে সাধারণত এখন পূর্বাচলে প্লটের মূল্য সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে । এককালীন ও কিস্তিতে প্লট ক্রয় - বিক্রয় হচ্ছে । বিভিন্ন কোম্পানী তাদের প্লটের ধরণ ও লোকশনের উপর ভিত্তি করে দাম নির্বাচন করছে । আর বর্তমানে বেশিরভাগই সংশ্লিষ্ট কোম্পানী বিভিন্ন অফার ও ছাড়ের মাধ্যমে প্লট বিক্রয় করছে । সহজ কিস্তিতে প্লট , এককালীন পরিশোধে মূল্যছাড় এ সকল সুবিধা নিয়ে বর্তমানে কোম্পানীগুলো বিভিন্ন মেলা , সেমিনার ও প্রচারনায় ব্যস্ত । তবে ২ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে ৪ লক্ষ টাকা শতক হিসেবে আপনি কিনতে পারবেন ভাল লোকেশনে আপনার কাঙ্খিত প্লট ।
অনেকেই বাংলায় টাইপ করতে পারেন না । অনেকেই ভাবেন এটা অত্যন্ত কঠিন । সেই তাদের জন্যই এই ইউটিউব ভিডিও । আশাকরি আপনাদের উপকারে আসবে । ব্লগে যারা লিখেন তারা তো বাংলা লেখা জানেনই । কিন্তু যারা জানেন না তাদেরকে আপনারা লিঙ্কটা পাঠিয়ে দিতে পারেন । ধন্যবাদ সবাইকে ।
নিউজডেস্ক , বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম ১৫টি পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করতে নির্বাচন কমিশনকে ( ইসি ) চিঠি দিয়েছে এলজিআরডি মন্ত্রণালয় । কমিশনের নির্বাচন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে । যেসব পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করার সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলো হলো - গাজীপুর সদর , নারায়ণগঞ্জ সদর , সিদ্ধিরগঞ্জ ও কাঞ্চন , টঙ্গী পৌরসভা , রংপুর সদর , কুমিল ¬ া আদর্শ ও দক্ষিণ পৌরসভা , কুষ্টিয়া সদর , মাগুরা সদর , নড়াইলের লোহাগড়া , নেত্রকোনার পূর্বধলা , নাটোরের বাগাতিপাড়া , রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি ও পঞ্চগড়ের বোদা পৌরসভা । গাজীপুর সদর , নারায়ণগঞ্জ সদর ও সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভা এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ না হওয়া টঙ্গী পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করার সুপারিশ করা হয়েছে । ঢাকা সিটি করপোরেশনকে নির্বাচনী এলাকা হিসেবে বিভক্ত করা হতে পারে বলে এসব পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করতে চিঠি দেয়া হয়েছে । একই ইস্যুতে রংপুর সদর , কুমিল ¬ া আদর্শ ও দক্ষিণ পৌরসভা নির্বাচন স্থগিত করতে সুপারিশ করা হয়েছে । এছাড়া কুষ্টিয়া সদর পৌরসভা , মাগুরা সদর , নড়াইলের লোহাগড়া , নারায়ণগঞ্জের কাঞ্চন , নেত্রকোনার পূর্বধলা , নাটোরের বাগাতিপাড়া , রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি , পঞ্চগড়ের বোদা পৌরসভা সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত মামলা থাকায় এসব পৌরসভায় নির্বাচন স্থগিতের জন্য ইসিকে চিঠি দিয়েছে এলজিআরডি মন্ত্রণালয় । এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন , এ বিষয়ে গতকাল বিকেলে কমিশন বৈঠকে বসবে । বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে । সোমবার বিএনপির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাখাওয়াত বলেন , স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় । যেহেতু দলীয়ভাবে কোন প্রতীক বা মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে না তাই কোন দল কাকে সমর্থন দিবে এটা তাদের ব্যাপার । এ ক্ষেত্রে ইসির কিছু করার নেই । নিউজডেস্ক , বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম
তখন আমি নিতান্তই কৈশোরকাল অতিক্রম করতেছি । মহল্লার বড় ভাই তপন বড়ুয়ার লগে শাহবাগে যাই । পিজির পিছনের বটগাছ তলায় বসি । আড্ডাবাজি চলে । সব প্রতিবাদী তরুণেরা কবিতা শোনায় । আর চলে প্রতিষ্ঠিত প্রাতিষ্ঠানিকগো গালাগালি । ঐ খান থেইকা উঠি যখন রাত বাড়তে থাকে । যাই আজিজ মার্কেটের দিকে । তখন মাত্র মার্কেটের নির্মাণ কাজ চলে । একটা দোকান একলা একলা বাণিজ্য করে । পাঠক সমাবেশ । আমরা দোকানের পিছনে সিঁড়ির নীচে ফরহাদ + মজহার টি স্
আমার জন্ম ঢাকাতে । ঢাকার বাহিরে যাবার সৌভাগ্য হয়েছে খুব কম । তাই যখনই সুযোগ পাই বেরিয়ে পড়ি । একটা প্লাটফর্ম খুঁজছিলাম কিভাবে বাংলাদেশের অপার সৌন্দর্য অবগাহন করা যায় ? কারণ একা একা তো আর কোথাও যাওয়া যায়না । তখন লোরকের সাথে পরিচয় । লোকসংস্কৃতি রক্ষা করি ( লোরক ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সংগঠন । আমাদের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের
একটা গতানুগতিক গ্রাম , একটা অসুবিধার দৃশ্য , চন্দ্রাম্মা তুমকুরলহল্লিতে থাকে , ৬৫০ টি পরিবারের একটি গ্রাম , কর্নাটকের চিত্রদুর্গা জেলার মোলাকালমুরু তালুকে । গ্রামটি প্রধানতঃ পিছিয়ে থাকা সম্প্রদায়দের , - ৪১০ ঘড় তপশিলি জাতি , ১০০ ঘড় মুসলমান এবং ১০০ ঘড় লিঙ্গায়েত পরিবার । জনসংখ্যা ৩৮০০ জন । গ্রামটিতে ৩৩২২ হে . জমি আছে যার মধ্যে ১৫ % শুষ্ক জমি , এবং ৩ . ৫ % এ বোরওয়েল সেচ আছে । বাকী ২৬৯৫ হে . ( ৮১ . ৫ % ) এজমালি জমি যার মধ্যে পতিত জমি , সবার পশুচারনের জমি , সংরক্ষিত বনাঞ্চল , যেখানে মাঝে মাঝে কাঁটাগাছ ও ঝোপঝাড় দেখা যায় । অঞ্চলটি সাধারনভাবে অল্পগভীর লাল বালি মাটির । চতুর্দিকে ছড়িয়ে থাকা পাথরের চাঁই নিয়ে , একেবারেই চাষ করে রোজগার করার মত গ্রাম নয় । বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ৫০০ মিমি এর কম হওয়ায় চাষীরা চীনেবাদাম ছাড়া অন্যকিছু চাষের চেষ্টা করলে সেটা জুয়া খোলার মত হত । বছরের পর বছর চীনেবাদামের শুধু চীনেবাদামের চাষই হচ্ছে , নগদ আয়ের শস্য হিসাবে । ৩০ বছর ধরে একফসলী শস্যহিসাবে চীনেবাদামের চাষ হওয়াতে ফলনের মাত্রা শোচনীয় ৪ কুইন্টল / হে . এ নেমে গেছে । যদিও চাষ এখানে আকর্ষনীয় নয় , বেশীর ভাগ গ্রামবাসী জীবিকার জন্য চাষ এবং মজুরীর উপর নির্ভর করে । স্বাভাবিকভাবেই গ্রামের পুরুষদের প্রায় সারাবছরই মজুরীর জন্য গ্রামান্তরে যেতে দেখা যায় ।
পরদিন আমার একার আগরতলা যাত্রা । যাত্রীবাহী জিপে আগরতলা পৌঁছাই বিকেলের দিকে ।
প্রবাসে প্রতিদিন ডটকম : সাইবার অপরাধীরা উচ্চপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতি সেকেন্ডে ১০০টিরও বেশি কম্পিউটারে হামলা চালাতে সক্ষম ।
লেখক বলেছেন : আপনার মতের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা আছে , মাথা গরম নির্বোধ ভেবে হাসার প্রশ্নই ওঠে না ।
আচ্ছা , বন্ধু দিবস তো পালন করবোই , তার আগে চলো আমরা বন্ধু সম্পর্কে কিছু জেনে নেই । একজন বন্ধুকে কখন ভালো বন্ধু বলা যায় ? ভালো বন্ধু হতে হলে সবার আগে প্রয়োজন বন্ধুকে বুঝতে পারার ক্ষমতা । যে তোমার সবচে ভালো বন্ধু , সে তোমাকে সবচাইতে ভালো বুঝবে । তুমি তার কাছ থেকে কেমন ব্যবহার আশা করো , সেটা বুঝে সে তোমার সঙ্গে সেভাবেই ব্যবহার করবে । বন্ধুকে বুঝতে পারার ক্ষমতার পাশাপাশি থাকতে হবে বন্ধুর প্রতি সহানুভূতি আর ভালোবাসা ।
সফটওয়্যারটিতে পবিত্র কুরআন শরীফের মূল আরবির পাশাপাশি ইংরেজি এবং বাংলা অনুবাদ দেওয়া আছে । সফটওয়্যারটিতে বাংলা ফন্ট হিসেবে বৈশাখী ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা সফটওয়্যারটির সাথেই ইনস্টল হয়ে যায় । কাজেই এতে বাংলা দেখতে কোন সমস্যা হয় না । এর সাইজ মাত্র 1 . 86 মেগাবাইট ।
পোষ্ট করেছেন : ২১ টি মন্তব্য করেছেন : ৮৩ টি ব্লগ লিখছেন ০ বছর ১ মাস ৬ দিন ব্লগটি দেখা হয়েছে : ১২১৫ বার
' দড়ি ধরে মারো টান / রাজা হবে খানখান । ' কারো কাছে কি পরিচিত লাগছে ? যারা চিনতে পারছো না , তারা নিশ্চিত এই ছবিটি দেখোনি । ' হীরক রাজার দেশে ' না দেখলেও তোমরা তো অনেকেই গুপী গাইন বাঘা বাইন দেখেছো , তাই না ? আর যদি গুপী গাইন আর বাঘা বাইনের সম্পর্কে কিছুই না জেনে থাকো তবে তোমাদের জন্য বলছি , গুপী গাইন আর বাঘা বাইন কিন্তু যে সে লোক নয় । রীতিমতো ভূতের রাজার বর পাওয়া লোক । আর জানোই তো , যদি তুমি একবার বর পেয়ে যাও তবে যা চাইবে তাই পাবে । ভূতের রাজা কেন তাদের বর দিয়েছিলো ? সে তো এক বিশাল কাহিনী । সেটা জানতে তোমাদেরকে এটার আগের ছবি ' গুপী গাইন বাঘা বাইন ' দেখা ছাড়া কোনো উপায় নেই । তবে তারা কি কি বর চেয়েছিলো সেটা অবশ্য আমি তোমাদেরকে বলতে পারি । তারা মোট তিনটি বর চেয়েছিলো । প্রথম বরের কল্যাণে তারা দুজন হাতে তালি দিলেই যে খাবার চাবে তাই পাবে আবার যে পোশাক চায় তাই পাবে । দ্বিতীয় বর হলো , দু ' জোড়া জুতো । এই জুতো জোড়া পরে গুপি আর বাঘা হাতে তালি দিয়ে যে জায়গায় যেতে চাইবে সেখানেই যেতে পারবে । এবারে থাকলো তৃতীয় বর । তবে তার আগে বলে নেয়া দরকার ভূতের রাজা বর দেবার আগে গুপী গান গাইতে পারতো না এবং বাঘাও ঢোল বাজাতে পারতো না । কিন্তু তিন নম্বর বরের কারণে এবারে গুপীর গলাটা বেশ খোলতাই হলো আর বাঘার বাজনা হয়ে গেলো চমৎকার । ওদের গান - বাজনার এমনই শক্তি হয়ে গেলো যে , ওরা গান গাইলে কেউ আর নড়াচড়াই করতে পারে না । তবেই বোঝো , কী ভাগ্য গুপী আর বাঘার । এরপর তারা বিভিন্ন ঘটনার পরে শুন্ডির রাজা আর হাল্লার রাজার মেয়েদেরকে বিয়ে করে সুখে ঘর করতে লাগলো ।
সৌদী আরবের ইংরেজি নাম , ' কিংডম অব সউদি এরাবিয়া ' । বোঝাই যায় , এটি একটি রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র । ইসলামের প্রাণকেন্দ্র মক্কা শরীফ এবং মদিনা শরীফ এই রাজতন্ত্রের দখলে ! কবে থেকে এবং কীভাবে এই দখলদারিত্ব শুরু হলো সেটা জানতে হলে একটু পিছনের ইতিহাস দেখতে হবে ।
ইন্টারনেটে বহু সাইট আছে যেখানে অনলাইন টেলিভিশন চ্যানেলস বিনামূল্যে দেখা যায় । কিন্তু এগুলোর বেশীর ভাগই ভাইরাস , স্পাইওয়্যার , অবাঞ্চিত - বিরক্তিকর ( স্প্যাম ) বিজ্ঞাপন থাকে এবং অতিরিক্ত সফটওয়্যার ইনষ্টল করে দেখতে হয় । তার উপর দেখা যায় অনেক চ্যানেল ঠিকমত আসে না এবং ছবি ও শব্দ পরিস্কার নয় । এরই মাঝে একটি আদর্শ সাইট হল World Wide Internet TeleVision http : / / wwitv . com / সাইটটিতে এই লেখা পর্যন্ত ২৩১৫ টি অনলাইন টিভি চ্যানেলস আছে । বাংলাদেশে যাদের নেট স্পীড ন্যূনতম 32 KBPS বা এর অধিক তারা এই সাইটের সিংহভাগ চ্যানেলসই দেখতে পারবেন । তবে কিছু চ্যানেলস আছে যা স্ব স্ব দেশের ইন্টারনেট গ্রাহক ব্যাতীত অন্য দেশের কেউ দেখতে পারে না । যেমন ইটালীর RAI এবং পর্তূগালের RTPর বেশ কিছু চ্যানেলস । মোট ১৪৭টি দেশের সরকারী ও বেসরকারী চ্যানেলস এখানে আছে । সবচেয়ে বেশী হল যূক্তরাষ্ট্রের ৪০০রও বেশী । আর একটি করে আছে ৩০টির মত দেশের । কিন্তু দুঃখের বিষয় বাংলাদেশের কোন চ্যানেল এখানে নেই । বিনোদনরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতেও এগুলোকে নিম্নলিখিত ভাবে ভাগ করা আছে ; Business news Educational Entertainment Government Kids Lifestyle Movies Music News ( live ) News ( vod ) Religious Shopping Sports Weather Webcam streams তবে স্পোর্টসের ক্ষেত্রে কোন উল্লেখযোগ্য কিছু এখানে নেই । কারণ ফুটবল ও ক্রিকেটের উল্লেখযোগ্য ম্যাচ সবই পে - চ্যানেলস । তবুও মুভি , ড্রামা সহ অন্যান্য অনেক বিনোদনেরই অভাব পূরণ করবে বলে আমি মনে করি । ২০০৯ সালে এই অনলাইন টিভি চ্যানেলস নিয়ে আমার একটি পোষ্ট ছিল ; মাত্র 14 . 5 KBPS হতে সর্বচ্চো 256 KBPS এর মধ্যে ক্যাবল টিভির মতই উপভোগ করুন ৭৭ টি দেশ , ৮০০ এর অধিক সম্পূর্ণ ফ্রি লাইভ অনলাইন টেলিভিশন চ্যানেলস ! http : / / www . somewhereinblog . net / blog / Bangladesh_Zindabad / 28988445 এখানে www . ontvtime . com বেশ কিছু চ্যানেলস 16 KBPS এর মধ্যে দেখা গেলেও অনেক সময় মূল সাইটের সাথে লিংক ভেঙ্গে যায় তাতে আর কিছুই দেখা যায় না এবং ছবির মানও আশানুরুপ নয় । আশা করি এবারের এই সাইটটি ব্লগারদের কাছে আরও উপভোগ্য , মজাদার এবং সন্তোষজনক হবে ।
আপনি যদি একটি ব্লগ রাখেন তাহলে আমার banglaanubad . blogspot . com এই ব্লগটা রাখুন । এটা বাংলা ব্লগ ।
সাংবাদিক নিজেও পরিস্কার করেন নি তার অবস্থান । ধরে নিচ্ছি যেহেতু প্রানপ্রিয় মাতৃভুমি আমরা কেউই চাইবনা এই দেশ ডুবে যাক । উনি চাননা অবশ্যই । কিন্তু সেটার এরকম দ্বীধান্নিত প্রকাশ দেখলে সাংবাদিকতার মৌলিক জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটা অসম্ভব কিছু না । হেডলাইনটা পরেই আমার মনে হয়েছে এইমাত্র বাংলাদেশ ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পেল । দেশ ও জাতি রুদ্ধশ্বাসে ডুবে যাবার অপেক্ষায় ছিল ঠিক সিনেমার মত , অকস্মাত নায়কবেশে খবরের আগমন ঘটলো আর বাংলাদেশ রক্ষা পেল । অতঃপর সবাই সুখে শান্তিতে বসবাস করতে লাগিল ।
এই প্লাগইনটা আসলে লিখেছিলাম প্রায় একবছরেরও বেশি সময় আগে । ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এর জন্য । তারপর আজকে সকালে ওয়ার্ডপ্রেস ভার্সন ৩ . ০ এর জন্য প্লাগইন আপডেট করতে গিয়ে মনে হলো সবার সাথে শেয়ার করি । বাংলা ব্লগ তৈরীর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস এখন ধুমায় ব্যবহার … Continue reading →
কোনও বিবরণ না থাকলেও , লিংকটির উল্লেখ করছি । প্রসঙ্গত বলি , এসব বিষয়ে তথ্য এত অপ্রতুল যে , অনির্ভরযোগ্য মনে হলেও যে - কোনও তথ্যকেই বিবেচনায় নেয়া উচিত ।
( এখানে ১৭০০থেকে১৭৫০সাল পর্যন্ত দেয়া হলো । বাকি গুলো পরে যথা সময়ে দেয়া হবে । আগের গুলোর লিংক দিলাম না । )
১০ . আমেরিকার কলাম্বিয়া প্রদেশে মেয়ের বাসর রাতে তার মার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ।
৩ । সৌরতাপ বিদ্যুৎ ( সোলার প্যানেল ) আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে । আমরা বছরে গড়ে ২৫০ - ৩০০ দিন সূর্যালোক পাই ( বর্ষা কিম্বা বৃষ্টি বাদলের দিন গুলো ছাড়া নিরবচ্ছিন্ন ও প্রখর সূর্যালোক আমরা পাই ) । ভূপতিত এই সৌরশক্তিকে বিদ্যুতশক্তিতে রূপান্তর করা গেলেই বিদ্যুতের চাহিদা মিটিয়ে ফেলা সম্ভব হবে । এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক কম বিধায় আমরা ব্যাপক ভাবে সৌরতাপ বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে পারি । সৌরতাপ বিদ্যুৎ উৎপাদনের সকল কাঁচামালের উপর আমদানি কর , মূসক প্রত্যাহার করা হোক ।
* বাঙালি মুসলমানেরা এক গোত্র মনে করে নজরুলই পৃথিবীর একমাত্র ও শেষ কবি । তাদের আর কোন কবির দরকার নাই ।
ঢাকা , ২৬ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডেস্ক ) : আগামী ৮ বছর বিশ্বক্রিকেটের নতুন শাসক ভারত ও ইংল্যান্ড কোনো সিরিজ খেলার জন্য বাংলাদেশকে সেদেশে আমন্ত্রণ জানাবে না । বাংলাদেশের পাশাপাশি জিম্বাবুয়েও . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
০৮ মে ২০১০ : জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের আইনজীবি মহাসমাবেশে খালেদা জিয়া বলেছেন , দেশকে বিভক্ত করতে যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে যাচ্ছে সরকার । ঐক্যের প্রতীক খালেদা জিয়া , অনেকে যদিও ভুল করছিলেন , ভাবছিলেন যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়ে তিনি কিছু বলবেন না , জামায়াতের সাথে দূরত্ব বাড়বে খালেদার , তাদের ভুল ভাঙ্গল ।
রওশন আপু এই বিষয়ে গল্পকবিতা ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে , কাজেই এখন আর আমাদের কিছু বলতে হবেনা . যারা এমন আচরণ করবে , তারা নিজেরাই ভুক্তভুগী হবে .
দেখতে দেখতে প্রাণের মেলা শেষের দিকে চলে এসেছে । আর কয়েক দিন পরই শেষ হয়ে যাবে পাঠক - লেখক ও প্রকাশকের এই মিলনমেলা । কিন্তু এতো বড় আয়োজনের পেছনে রয়েছে অনেক মানুষের অবদান । মেলাকে সুন্দর করে সাঁজানোসহ সার্বিক তত্ত্ববধান করার দায়িত্ব পেয়েছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট হাউস ' স্টেপ মিডিয়া ' । এ নিয়ে পর পর চার বছর এই প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বসহ দায়িত্ব পালন করে আসছে । এই চার বছরই মেলায় কো - অর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করছেন শাহজাহান সিকদার মানু । এই মেলা ছাড়াও তিনি প্রতিষ্ঠানটির বড় বড় ইভেন্টে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন । মেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বইমেলা প্রতিনিধি - এর সঙ্গে কথা বলেন তিনি । সাাৎকারটি নিয়েছেন - এস . ইকবাল বইমেলা প্রতিনিধি : এবারের মেলার সার্বিক পরিস্থিতি কতটুকু সফল হয়েছে বলে আপনি মনে করেন ? শাহজাহান সিকদার মানু : এবারের মেলার অন্যতম একটি দিক হচ্ছে - অনেক বেশি গোছানো । মেলার মূল প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে মেলার ভিতরে সব জায়গায় একটা পরিপাটি ভাব রয়েছে । তাছাড়া মেলায় এবার ধূলো উড়ার প্রবণতাটা কম রয়েছে । মেলার স্টলগুলোকে করা হয়েছে মজবুত করে । কারণ গেলোবার বৃষ্টি ও ঝড়ে কিছু স্টলের তি হয়েছিল । এবার যেন তেমনকিছু না হতে পারে এজন্য স্টলগুলোকে অনেক শক্ত করে গড়ে তোলা হয়েছে । এবার মেলায় অনেক পরিপাটির ছোঁয়া আছে । অনেক প্ল্যান করে এবার কাজ করা হয়েছে । সর্বোপুরি এবার মেলার সাজানো - গোছানো এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সবাই ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন । বইমেলা প্রতিনিধি : ' স্টেপ মিডিয়া ' এবার নিয়ে ৪ বার মেলায় ইভেন্টের কাজ করছেন । এমনকি আপনি প্রতিবছরই কো - অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন - শাহজাহান সিকদার মানু : হ্যাঁ , আমরা পর পর চারবার এই মেলায় ইভেন্টের কাজ সফলতার সঙ্গে করে আসছি । আমরা যোগ্যতার ভিত্তিতে এই কাজটি পাচ্ছি । বাংলা একাডেমী কোনও ব্যক্তিগত সম্পর্কের জন্য নয় বরং আমাদের যোগ্যতার কারণেই আমরা এ কাজটি করে আসছি । আমি প্রতিবছরই কো - অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি । প্রতিদিন মেলা শুরু হওয়ার পর থেকে শেষ অবধি আমাকে মেলায় অবস্থান করতে হচ্ছে । বাংলা একাডেমীর সঙ্গে সার্বণিক আমাকে যোগাযোগ করতে হয় । তাছাড়া মেলায় স্টলের কারো কোনও সমস্যা হলে আমাদের ৭ জন মানুষ রয়েছে যারা কিনা সার্বণিক সবার সমস্যার সমাধান করছেন । আর আমি নিজেও ছুটে যাচ্ছি সেখানে । বইমেলা প্রতিনিধি : আপনাদের এই কাজের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক কতটুকু সম্পৃক্ত ? শাহজাহান সিকদার মানু : আমরা কখনোই এই কাজটি ব্যবসায়িক চিন্তা - ভাবনা থেকে করি না । কারণ আমরা এই মেলা উপল েযেই সময় ও শ্রম দেই , সেই একই সময় ও শ্রম দিয়ে আরো অন্যান্য ব্যবসা কিংবা ইভেন্টের আয়োজন করতে পারি । এতে লাভও ভালো হবে । কিন্তু আমরা এটা ব্যবসায়িক চিন্তা - ভাবনা থেকে করি না । বইমেলা হচ্ছে ভালোলাগা এবং ভালোবাসার একটি জায়গা । বইপ্রেমী তথা সাহিত্যপ্রেমী মানুষের জন্য আমাদের এটা একপ্রকার সেবা । এখানে কাজ করলে অন্যরকম একটি ভালো লাগা থাকে । মনে হয় দেশের জন্য কিছু করা । বইমেলা প্রতিনিধি : এবারের মেলায় অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রথমদিকে কিছু কথা উঠেছিল - শাহজাহান সিকদার মানু : আসলে বড় কোনও কাজ করতে গেলে একটু সমস্যা দেখা দেয় । যে বিষয়গুলো নিয়ে প্রথমে কথা হয়েছিল তা কিন্তু আমরা কাটিয়ে উঠেছি । এবার মেলায় অনেককিছু নতুন করে করা হয়েছে । যেমন মেলার প্রবেশমুখে তরুণ থেকে শুরু করে মেলার চতুর্দিকে পরিপাটির ছাপ রয়েছে । লেখকদের অনেক দিনের প্রত্যাশা ছিল মেলায় একটি নির্দিস্ট জায়গায় তাদের বসা ও আড্ডার স্থান করে দেওয়া । সেই কাজটিও এবার করেছি । ব্র্যাক সেন্টারের পাশে ' লেখক আড্ডা ' নামে একটি সুন্দর স্থান করে দেওয়া হয়েছে । যেখানে লেখকদের প্রাণবন্ত আড্ডা দেখা যায় প্রতিদিনই । অন্যদিকে মিডিয়া সেন্টারে গেলোবার ধুলোর জন্য কাজ করতে সমস্যা হতো মিডিয়ার কর্মীদের । তাই তো এবার মিডিয়া সেন্টারকে সাজানো হয়েছে অন্যভাবে । ' ওয়ানওয়ে ভিশন ' কাজ দিয়ে মিডিয়া সেন্টারকে ঘিরে দেওয়া হয়েছে । এতে অনেক মিডিয়াকর্মী ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন । তাছাড়া মিডিয়া সেন্টারে দু ' টি ল্যাপটপ , ইন্টারনেট সংযোগ , ফ্যাঙ্ সংযোগ দেওয়া হয়েছে । অন্যদিকে মেলার মূল প্রবেশদ্বারে টিএসসির মোড় ও দোয়েল চত্বর দিক থেকে আসার সময় দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে বইয়ের বিশাল স্তুপ । এই কাজটিও এবার নতুনভাবে করেছি । আর্কিটেক্টরের সহায়তায় আমরা এ কাজটি করেছি । যেখানে ঠাঁই পেয়েছে দেশের নামকরা লেখক - সাহিত্যিকদের বইয়ের ভাস্কর্য । বইমেলা প্রতিনিধি : আপনি নিজে স্টেপ মিডিয়ার কোন কোন ইভেন্টের সঙ্গে কাজ করেছেন ? শাহজাহান সিকদার মানু : আমি বড় বড় অনেক ইভেন্টের সঙ্গে কাজ করেছি । যেমন - কিছুদিন আগে ' সেভেন ওয়ান্ডার্স ' - এ একটা টিম নিয়ে সারাদেশব্যাপী প্রায় ৩ মাস কাজ করেছি । এটার আমি সফল কো - অর্ডিনেটর ছিলাম । সারাদেশের কলেজ - ইউনিভার্সিটিগুলোতে ঘুরা হয়েছে আর সুন্দরবনের জন্য ভোট চেয়েছি । এটা একটা বড় ইভেন্ট ছিল । এছাড়াও হজ্জ্ব ইভেন্টে আমি বাংলালিংকের প্য থেকে কো - অর্ডিনেটর হিসেবে ছিলাম । আর প্রতিবছর বইমেলায় কো - অর্ডিনেটর হিসেবে কাজ করছি । স্টেপ মিডিয়ার প্যে আমি এটার দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করছি । এছাড়াও ৩দিন - ৭দিনব্যাপী অনেক ইভেন্টে আমি কাজ করেছি । বইমেলা প্রতিনিধি : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এতোণ সময় দেওয়ার জন্য । শাহজাহান সিকদার মানু : আপনাকেও ধন্যবাদ এবং বিএসবি - ক্যামব্রিয়ান বইমেলা প্রতিদিনকে অনেক অনেক ধন্যবাদ । এই বুলেটিনটি আমি প্রতিদিন পড়ি এবং সংরণে রাখি । এটা আসলেই বইমেলায় বিশেষ অবদান রাখছে এবং মেলায় একপ্রকার সেবার কাজ করছে ।
আরো বিস্তারিত পরবর্তি পর্বে … পড়ে দেখার আমন্ত্রন রইল ।
পশ্চিমবঙ্গ , ইংরেজিতে ওয়েস্ট বেঙ্গল । দুটোর মধ্যে মিল নেই , ঠিক যেমনটা আছে মহারাষ্ট্র , গুজরাট , অন্ধ্রপ্ . . .
ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মইনুল সড়কের যে জায়গাটিতে প্রায় তিন একর জমিজুড়ে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার বাড়ি ছিল , সেখানটা এখন খাঁ খাঁ করছে । সেখানে যে এত দিন একটি তিনতলা বাড়ি ছিল , তা আর বোঝার উপায় নেই । এক সপ্তাহ আগেই মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস ( এমইএস ) বাড়িটি নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে । এ কাজে সময় লাগে প্রায় দেড় সপ্তাহ । এখন সেখানে সেনা কর্মকর্তাদের বসবাসের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে । সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় , ওই জায়গায় একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে । তবে প্রথমে একটি ১৪ তলা ভবন নির্মাণ হতে যাচ্ছে । এর জন্য প্রয়োজনীয় এয়ারমার্ক সম্পন্ন হয়েছে । উল্লেখ্য , আইনি লড়াইয়ে হেরে যাওয়ার পর গত ১৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে ওই বাড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় । এরপর প্রথম পর্যায়ে ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং সর্বশেষ ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি বাড়িটি থেকে খালেদা জিয়ার প্রতিনিধিরা সব মালামাল সরিয়ে নেন । বিরোধীদলীয় নেতার একান্ত সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ মালামাল বুঝে নেন । সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় , বাড়িটি ভেঙে ফেলার আগে সব কিছুই ওই বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় । গত ডিসেম্বরেই সেনাসদর ওই বাড়ি ভেঙে সেখানে সেনা কর্মকর্তাদের আবাসনের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পায় । সূত্র জানায় , ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হলে সেখানে মেজর থেকে লে . কর্নেল পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তারা পরিবারসহ বসবাসের সুযোগ পাবেন এবং এর মাধ্যমে সেনা কর্মকর্তাদের আবাসন সংকট অনেকটাই দূর হবে । এ বিষয়ে গতকাল কালের কণ্ঠের এক প্রশ্নের জবাবে ক্যান্টনমেন্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার মো . নাজমুস সাদাত সেলিম বলেন , ' ওই বাড়িটি ভেঙে ফেলার ঘটনা ছাড়া সেখানে কী ধরনের এবং কাদের জন্য ভবন নির্মাণ হতে যাচ্ছে সে বিষয়ে তেমন কিছু আমার জানা নেই । ' প্রসঙ্গত , সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার সেনানিবাসের মইনুল রোডের ওই বাড়িটি খালেদা জিয়াকে লিজ দেন । সেনা সদরের ৬ নম্বর শহীদ মইনুল রোডে ২ দশমিক ৭২ একর জমির ওপর স্থাপিত বাড়িটি বছরে এক টাকা খাজনা দেওয়ার শর্তে লিজ দেওয়া হয় । প্রতিবছর খাজনা ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ , ফলের গাছসহ অন্য কোনো গাছ না কাটা , খনিজসম্পদ পাওয়া গেলে তা উত্তোলন না করা , বাড়ির পরিবর্তন বা পরিবর্ধন না করা , অন্য কারো কাছে বিক্রি বা লিজ বা বন্ধক না দেওয়া ও সম্পত্তি বিভক্ত না করার শর্তে এই লিজ দেওয়া হয় । তবে তার আগে থেকেই খালেদা জিয়া তাঁর পরিবারের সদস্যসহ ওই বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন । বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত বছরের ৮ এপ্রিল মন্ত্রিসভা খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের এই বাড়িটির ইজারা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় । এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডকে জানিয়ে দেওয়া হয় । সরকারের সিদ্ধান্ত জানার পর আইনগত প্রক্রিয়া পরীক্ষা - নিরীক্ষা শেষে খালেদা জিয়াকে বাড়ি ছাড়তে সামরিক ভূসম্পত্তি প্রশাসক গত বছরের ২০ এপ্রিল নোটিশ দেন । এই নোটিশে বাড়ি বরাদ্দের শর্ত ভঙ্গের পাঁচটি কারণ উল্লেখ করে ১৫ দিনের মধ্যে জমি ও বাড়ির দখল সরকারের পক্ষে মিলিটারি এস্টেট অফিসারের কাছে প্রত্যর্পণ করতে খালেদা জিয়াকে অনুরোধ করা হয় । ওই নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে রিট করেন । হাইকোর্ট গত ১৩ অক্টোবর ওই রিট খারিজ করে রায় দেন এবং খালেদা জিয়াকে বাড়ি ছাড়ার জন্য ৩০ দিনের সময় দিতে সরকারের প্রতি নির্দেশ দেন । Click this link
একদিন সন্ধ্যার সময় নরেন্দ্র আসিয়া মহেন্দ্রকে চিঠি লিখিবার জন্য করুণাকে পীড়াপীড়ি করিতে লাগিল । করুণা কাঁদিতে কাঁদিতে কহিল , ' পায়ে পড়ি , আমাকে আর চিঠি লিখিতে বলিয়ো না । '
মিলা গেলে ক্যায়া করেঙ্গা ? এটা একটা কবিতার লাইন । আপ্নারে তো আমি চিনিই না । নামও দেকি নাই এই সাইটে একবারও । কোথাকার কোন লোক আল্লামালুম । তা স্বাগতম জানানোর আপ্নে ক্যাডা ? আমার শাশুড়ি ? এই সাইটে খালি কনফিউশন । আর কনফিউসড পাব্লিক । আগমন মোটেই সুখকর হইল না ।
নিউজডেস্ক , বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম ; রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান ' বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ' উপলক্ষে নিন্মুক্ত বাণী প্রদান করেছেন : বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত । মানবাধিকার মানুষের জন্মগত মৌলিক অধিকার । মানবতার পরিপূর্ণ বিকাশে মানবাধিকারের গুরুত্ব অপরিসীম । দেশের জনগণের মানবাধিকার রক্ষার্থে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত হয়েছে । বর্তমান সরকারও মানবাধিকার রক্ষায় অত্যন্ত আন্তরিক । আমাদের দেশের জনগণ মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতন নয় বিধায় তারা নানাভাবে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয় । আমি আশা করবো দেশের মানবাধিকার রক্ষায় নিয়োজিত সংগঠনসমূহ মানবাধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে । আমি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদযাপনের সফলতা কামনা করি । বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম / এমএ / এসএকে .
ফ্লিন্ট বলেছেন : এই কথাটা কালকে রাতে মনে হইসিল । যাই হোক , বেটা ভার্সনে হলেও এই ব্লগটা ভালই লাগে । আর . . . . . অচিরেই আমরা " আমারবর্ণমালা ব্লগ " - এ নতুন ফিচার হিসেবে ব্লগারদের মাইক্রো ব্লগিঙের সুযোগ করে দিচ্ছি এই ফিচারটা সত্যি অসাধারণ হবে ।
পুলিশ সূত্র জানায় , এসব মাদকের আনুমানিক বাজার মূল্য ৯৭ লক্ষ ৫৯ হাজার পাঁচশত টাকা ।
আজ , কাল বা পরশু ওউ হতে পারে তবে শ্রী - ঘর - ইইই
মুক্তিযোদ্ধা গায়ক গুরু আজম খান : পুরো নাম : মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান । মায়ের নাম : মৃত জোবেদা খানম । বাবার নাম : মৃত মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন খান । বাবার পেশা : অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার , সেক্রেটারিয়েট হোম ডিপার্টমেন্ট । ব্যক্তিগতভাবে হোমিওপ্যাথির চিকিৎসক ছিলেন । জন্ম ও জন্মস্থান : জন্ম : ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫০ জন্মস্থান : ১০ নম্বর সরকারি কোয়ার্টার , আজিমপুর কলোনি , ঢাকা । ছেলেবেলা ১৯৫৫ সালে প্রথমে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী স্কুলে বেবিতে ভর্তি হন । ১৯৫৬ সালে কমলাপুরের প্রভেনশিয়াল স্কুলে প্রাইমারিতে ভর্তি হন । ১৯৬৫ সালে সিদ্ধেশ্বরী হাইস্কুলে বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হন । ১৯৬৮ সালে এসএসসি পাস করেন । ১৯৭০ সালে টি অ্যান্ড টি কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হন । ১৯৫৬তে তার বাবা কমলাপুরে বাড়ি বানান পারিবারিক জীবন : বিয়ে করেছিলেন ১৯৮১ সালের ১৪ জানুয়ারি ঢাকার মাদারটেকে । তখন তাঁর বয়স ছিল ৩১ বছর । স্ত্রীর নাম : সাহেদা বেগম । প্রথম সন্তান : ইমা খান । নাতনি : কায়নাত ফাইরুজ বিনতে হাসান । দ্বিতীয় সন্তান : হূদয় খান । তৃতীয় সন্তান : অরণী খান । বর্তমান ঠিকানা : ২ নম্বর কবি জসীমউদ্দীন রোড , কমলাপুর , ঢাকা - ১২১৭ । বড় ভাই : সাইদ খান । পেশা : সরকারি চাকরিজীবী । মেজো ভাই : আলম খান । পেশা : গীতিকার ও সুরকার । ছোট ভাই : লিয়াকত আলী খান । মুক্তিযোদ্ধা । পেশা : ব্যবসায়ী । ছোট বোন : শামীমা আক্তার খানম । সহধর্মিনী মারা যাবার পর থেকে একাকী জীবন । উপাধি : পপসম্রাট আজম খান কিংবদন্তি আজম খান গুরু নামে খ্যাত । মুক্তিযোদ্ধা আজম খান : ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানের সময়ে আজম খান পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন । তখন তিনি ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে গণসঙ্গীত প্রচার করেন । ১৯৭১ সাকে আজম খানের বাবা আফতাব উদ্দিন খান সচিবালয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা । বাবার অনুপ্রেরণায় যুদ্ধে যাবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন আজম খান । ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে তিনি পায়ে হেঁটে আগরতলা চলে যান । আগরতলার পথে তার সঙ্গী হন তার দুই বন্ধু । এসময় তার লক্ষ্য ছিল সেক্টর ২ এ খালেদ মোশাররফের অধীনে যুদ্ধে যোগদান করা । আজম খান মুক্তি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন ২১ বছর বয়সে । তার গাওয়া গান প্রশিক্ষণ শিবিরে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণ যোগাতো । তিনি প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন ভারতের মেলাঘরের শিবিরে । যুদ্ধ প্রশিক্ষণ শেষে তিনি তিনি কুমিল্লায় পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে সমুখ সমরে অংশ নেয়া শুরু করেন । কুমিল্লার সালদায় প্রথম সরাসরি যুদ্ধ করেন । এর কিছুদিন পর তিনি পুনরায় আগরতলায় ফিরে আসেন । এরপর তাকে পাঠানো হয় ঢাকায় গেরিলা যুদ্ধে অংশ নেয়ার জন্য । আজম খান ছিলেন দুই নম্বর সেক্টরের একটা সেকশনের ইনচার্জ । আর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কর্নেল খালেদ মোশাররফ । ঢাকায় তিনি সেকশান কমান্ডার হিসেবে ঢাকা ও এর আশেপাশে বেশ কয়েকটি গেরিলা আক্রমণে অংশ নেন । আজম খান মূলত যাত্রাবাড়ি - গুলশান এলাকার গেরিলা অপারেশান গুলো পরিচালনার দায়িত্ব পান । এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল তার নেতৃত্বে সংঘটিত " অপারেশান তিতাস " । তাদের দায়িত্ব ছিল ঢাকার কিছু গ্যাস পাইপলাইন ধ্বংস করার মাধ্যমে বিশেষ করে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ( বর্তমান শেরাটন হোটেল ) , হোটেল পূর্বানীর গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটানো । তাদের লক্ষ্য , ঐ সকল হোটেলে অবস্থানরত বিদেশি রা যাতে বুঝতে পারে যে দেশে একটা যুদ্ধ চলছে । এই যুদ্ধে তিনি তার বাম কানে আঘাতপ্রাপ্ত হন সেটি এখনো তার শ্রবণক্ষমতায় বিঘ্ন ঘটায় । আজম খান তার সঙ্গীদের নিয়ে পুরোপুরি ঢাকায় প্রবেশ করেন ১৯৭১ এর ডিসেম্বারের মাঝামাঝি । এর আগে তারা মাদারটেকের কাছে ত্রিমোহনী তে সংগঠিত যুদ্ধে পাক সেনাদের পরাজিত করেন । বাংলাদেশ যতদিন টিকে থাকবে , যতবার রচিত হবে বাংলার ইতিহাস , তার সাথে সাথেও আজম খান ও তাঁর গানগুলো মিশে রবে ।
কবি ও ছড়াকার আবু আসাদ এর ৫৮ তম জন্মদিন উপলক্ষে নরসিংদী সংবাদপত্র পরিষদ ( এনএসপি ) সভাকক্ষে কবিতা পাঠ ও সংগীত সন্ধ্যা গত ১২ মে অনুষ্ঠিত হয় । এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী । জাসাস জাতীয় নির্বাহী কমিটির আবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আজরাফ টিপুর সভাপতিত্বে ও এনএসপির সাহিত্য সম্পাদক মনজিল এ মিল্লাতের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নরসিংদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি নিবারণ রায় সহ আরও অনেকে ।
ধান ভানতে শিবের গীত গেয়ে নেই আরেকটু । আমি নাকি মিচকা শয়তান . . . . . . হাইস্কুলে পড়ার সময় আমার কাছে সেবা প্রকাশনীর কিশোর ক্লাসিক সিরিজের বেশ ভাল একটা বইয়ের সংগ্রহ ছিল । কিন্তু ঐ বইগুলো আমি কাউকে দেখাতাম না । শুধুমাত্র পরীক্ষার আগে ওগুলো বাসার ডিসপ্লেতে রাখতাম । কোনো বন্ধুবান্ধব চাইলে উদার হাতে ধার দিতাম . . . ওরা সময় নষ্ট করুক , আমি পরীক্ষার পড়া করি । যেই সাইটের কথা বলতে এই ব্লগ , নিশ্চিত ভাবেই সেটা আমার ভালই ক্ষতি করছে . . . নেশা জাগিয়েছে , কাজ কাম মাথায় তুলে ফেলেছে । তবে আমিও লেজকাটা শেয়াল . . . আমার লেজ কেটেছে তো কী হয়েছে . . . অন্যদের লেজও কাটা পড়তে হবে . . . . মু হা হা হা . . . আর সেজন্যই সকলের নজরে আনার জন্য রিভিউ লিখবো ঠিক করলাম । এই খবর পাইলে নিশ্চিত ভাবেই অনেকের ক্ষতি করবে , বিশেষ করে জ্বীনের বাদশা ভাইয়ের ক্ষতি করবে ( আমাকে ওনার ক্ষমা না করে উপায় নাই . . . কারণ ওনার হাতের নাগালের বাইরে আছি ) । আর আমার সফল হওয়ার সম্ভাবনা ভালই . . . . . . কারণ নেশা জাগানিয়া হলেও ঐ সাইটটা অপ্রাপ্তবয়ষ্কদের জন্য নিষিদ্ধ টাইপের নয় ।
লেখক বলেছেন : আপনাকেও ধন্যবাদ এই পোস্ট পড়ার জন্য এবং চমৎকার মন্তব্য করার জন্য ।
অথচ দেখুন আমরা এদের ই চাই ! গেল নির্বাচনে একটি না ভোট প্রার্থি কে কি আমরা জিতাতে পেরেছি !
লেখক বলেছেন : মাহীকে তিন বস্তা ধইন্যাপাতা দেওয়া হোক ।
গৃহস্থদের উঠানে চাটাই ফেলে ধান আর লঙ্কা রোদে দিয়েছে । চড়াই তা দেখে কাককে বললে , ' বন্ধু , তুমি আগে লঙ্কা খেয়ে শেষ করতে পারবে , না আমি আগে ধান খেয়ে শেষ করতে পারব ? '
৯ এপ্রিল সকালবেলা র্যাব - ১০ - এর ক্যাম্পে সজীব এবং রাজীবকে নিয়ে যাওয়ার পর এক পর্যায়ে পায়ে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত রাজীবকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হয় । সজীবকে হাজির করা হয় র্যাবের এক সিনিয়র কর্মকর্তার রুমে । ওই কর্মকর্তা উত্তেজিত কণ্ঠে গালাগাল দিয়ে বলেন , মন্ত্রী - এমপি দিয়ে ফোন করিয়ে ক্ষমতা দেখাস । যা বেঁচে গেলি বলে তিনি সজীবকে পেটাতে থাকেন । এক পর্যায়ে বলেন , আমরা আমাদের ক্ষমতা দেখালাম । এরপর ছিনতাই মামলা দিয়ে দু ' জনকে চালান করে দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন র্যাব কর্মকর্তা । বিকেলের দিকে হাসপাতাল থেকে রাজীবকে ফিরিয়ে আনা হয় । সজীব ও রাজীব দুজনের বুকে নাম লিখে সামনের টেবিলে দুটি ছুরি রেখে ছবি তোলা হয় । এরপর লালবাগ থানায় নিয়ে ছিনতাইকারি বলে দ্রুত বিচার আইনে মামলা রুজু করতে বললে ডিউটি অফিসার প্রথমে অপারগতা জানান । তার যুক্তি , ছিনতাই করেনি - করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল , এ কারণে দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয় না । ছিনতাই করলে ছিনতাইকৃত মালামালের দরকার । তখন র্যাব কর্মকর্তা সজীব ও রাজীবকে আটকের সময় তাদের কাছে থাকা মোবাইল এবং টাকা ছিনতাইকৃত বলে উল্লেখ করে মামলা দায়ের করতে বলেন । এক পর্যায়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ডিউটি অফিসার কথা বলেন এবং মামলা রুজু করেন । ১০ এপ্রিল সজীব ও রাজীবকে কোর্টে চালান দেয় পুলিশ । কোর্টে তাদের জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয় । র্যাব সদস্যরা পুলিশের হাতে তাদের তুলে দেয়ার আগে শাসিয়ে দেয় নির্যাতনের কাহিনী কোথাও প্রকাশ করলে তাদের মেরে ফেলা হবে । কিন্তু জীবনের মায়া উপেক্ষা করেই মানবাধিকার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন সজীব ও রাজীব । তারা জানান , মুক্ত হওয়ার পরও তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে টেলিফোনে ।
৬ . রায়ের পর এরশাদ কিছুটা শঙ্কিত । তাই ' ভয়ে ' গত ২৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনার সাথে ' একান্ত ' সাক্ষাৎ করেন । ' ভাই - বোনে ' এই বৈঠকের মূল বিষয় সকলের কাছেই স্পষ্ট । এখন কলংকমুক্ত সংবিধান ! আর এই কলঙ্কের জনক জিয়াউর রহমান এবং তার পদ ও পথ অনুসরণকারী লে . জে . হু . মু এরশাদ । সোহরাব হাসান লিখেছেন : তাঁরা দুজনই দেশ ও গণতন্ত্র উদ্ধারের কথা বলে ক্ষমতা দখল করেছেন । দ্রুত নির্বাচন দিয়ে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার ওয়াদা করেছেন । কিন্তু ব্যারাকে ফিরে যাননি । তাঁরা তখনই নির্বাচন দিযেছেন , যখন নিজের বিজয় নিশ্চিত হয়েছে । আইয়ুব খানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাঁরা গণভোটের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ করেছেন । . . . দু ' জনই সামরিক শাসন দীর্ঘায়িত করেছেন কমবেশি চার বছর । জিয়ার সামরিক শাসন বহাল ছিল পঁচাত্তরের নভেম্বর থেকে ঊনআশি সালের এপ্রিল পর্যন্ত । এরশাদ বিরাশির ২৪ মার্চ থেকে ছিয়াশির ১০ নভেম্বর । সেনাপ্রধানের পদে বহাল থেকে তাঁরা দু ' জনই রাজনীতি করেছেন , রাজনৈতকি দল ভাঙাগড়ায় সামরিক গোযেন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করেছেন । দুর্নীতির দায়ে যাঁদের জেলে ঢুকিয়েছেন , তাঁদের মন্ত্রীও করেছেন । তাঁদের ক্ষমতায় আরোহণ , শাসনপদ্ধতি , সামরিক আদালতে বিচার - প্রক্রিয়া , গণভোট , দল গঠনের কৌশলে কোনো পার্থক্য লক্ষ করা যায় না । জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা হয়েও স্বাধীনতাবিরোধীদের পুনর্বাসন করেন , দালাল আইন বাতিল করে জেল থেকে কুখ্যাত দালালদের বের করে আনেন । হাইকোর্টের রায়ে তাঁর এসব অপকর্মের কিছু বিবরণও আছে । ব্যক্তিগতভাবে জিয়া সৎ থাকলেও রাজনীতিকে মারাত্মকভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত করেছেন । এরশাদ ভিন্ন নামে হলেও জিয়ার রাজনীতিকেই অনুসরণ করেন । ( দ্র : ইতিহাসের কাঠগড়ায় জিয়া - এরশাদ / সোহরাব হাসান , প্রথম আলো ২৯ আগস্ট ২০১০ , ঢাকা )
বিদ্যুত্ বিভাগের এ আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুুজ ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন , বর্তমান কমিটি নিয়ে একটি মামলা বিচারাধীন । এ বিষয়টি আমরা ডিপিডিসিকে জানিয়েছি । অথচ তারা পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে হঠাত্ করে না জানিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের মতো একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে । এটা দুর্ভাগ্যজনক ও নিন্দনীয় । তিনি বলেন , জাতীয় প্রেসক্লাবকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে ডিপিডিসি বিল পাঠায় । আমরা এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়ে বলেছি জাতীয় প্রেসক্লাব কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয় , তাই সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডি - ক্যাটাগরির বিল করা হোক । তারা আমাদের আবেদন গ্রহণ করেন এবং তিন লাখ টাকা পরিশোধের পরামর্শ দেন । তাদের পরামর্শ মতো আমরা তিন লাখ টাকা পরিশোধ করি । এরপর বি - ক্যাটাগরির বিল করার ফাইল চালাচালির কথা বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে । ডিপিডিসির সিদ্ধান্তহীনতার কারণে সময় মতো বিল পরিশোধ সম্ভব হয়নি । এরই মধ্যে তারা ৯ জানুয়ারি আমাদের নোটিশ পাঠান , ১৯ জানুয়ারির মধ্যে বকেয়া বিল বাবদ ১ কোটি ৭ লাখ ৩৩ হাজার ১৬৮ টাকা পরিশোধ করতে । এর মধ্যে বিল বাবদ ৬৪ লাখ ৮ হাজার ১৫৯ টাকা এবং বিলম্ব সুদ হচ্ছে ৪৩ লাখ ২৫ হাজার ৯ টাকা । এ নোটিশ পাওয়ার পর প্রেসক্লাবের একটি প্রতিনিধি দল ডিপিডিসির এমডির সঙ্গে বৈঠক করে দণ্ড সুদ বাতিল এবং বি - ক্যাটাগরির বিল করার অনুরোধ জানান । এ ব্যাপারে একটি কমিটিও করা হয় । আলাপ - আলোচনার মাঝপথে হঠাত্ করে তারা আজ সকালে বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় ।
আবু ছাইম , ১৩ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু নিয়ে আবারো অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে । এসইসি অনুমোদিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ড বিক্রি করতে না পারায় প্রয়োজনীয় মূলধনের অভাবে উৎপাদনে যেতে পারছে না বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি । চলতি বছর ২৩ এপ্রিল প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল । কিন্তু প্রয়োজনীয় মূলধন না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের পরও উৎপাদনে যেতে পারেনি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি । ২০১০ সালের ২৭ জুলাই সরকারের কাছ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ পায় প্রতিষ্ঠানটি । ১৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর কাঁটাখালিতে প্রায় সাড়ে ৩শ কোটি টাকা ব্যয় ধরে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ কাজ শুরু করে । নির্ধারিত সময়ে উৎপাদনে যেতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটিকে দৈনিক সাড়ে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হচ্ছে । ইতিমধ্যে প্রায় ১৩ কোটি টাকা জরিমানা গুণতে হয়েছে কোম্পানিটিকে । মূলধন সংগ্রহের জন্য কোম্পানির পক্ষ থেকে আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২১ এপ্রিল শর্ত সাপেক্ষে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের মূলধন বৃদ্ধির জন্য ১৭৫ কোটি টাকা বন্ড বিক্রির অনুমোদন দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ( এসইসি ) । বন্ড বিক্রির সময় বেঁধে দেয়া হয় ১৯ জুলাই পর্যন্ত । কিন্তু অনুমোদন পেয়েও নির্ধারিত সময়ে এক - চতুর্থাংশ বন্ডও বিক্রি করতে পারেনি কোম্পানিটি । কোম্পানিটি উচ্চ সুদে বন্ড আকারে ১৭৫ কোটি টাকা বিক্রির প্রস্তাব দিলেও ৮০ দিনে বিক্রি করতে পেরেছে মাত্র ৪০ কোটি টাকার বন্ড । প্রভাব খাটিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে এ বন্ড বিক্রি করা হয়েছে বলে জানা গেছে । এ পর্যন্ত তিনটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৯৫ কোটি টাকার বন্ড কেনার নিশ্চয়তা পেয়েছে নর্দার্ন পাওয়ার । সরকারি প্রতিষ্ঠান তিনটি হচ্ছে - ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ ( আইসিবি ) , অগ্রণী ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক । অগ্রণী ব্যাংক ৫০ কোটি টাকার বন্ড কেনার প্রতিশ্রুতি দিলেও দিয়েছে মাত্র ২০ কোটি টাকা । আইসিবি নিজে ২০ কোটি টাকার বন্ড কিনেছে । সোনালী ব্যাংক ২৫ কোটি টাকার বন্ড কেনার কথা দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো অর্থ ছাড় করেনি । বন্ড বিক্রি থেকে প্রয়োজনীয় ১৭৫ কোটি টাকা না পাওয়ায় প্রকল্পের কাজ বিলম্বিত হচ্ছে । এদিকে ১৯ জুলাই ' র মধ্যে সব বন্ড বিক্রি করতে পারবে না এমন আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই এসইসির কাছে আরো ৩ মাস সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন জানিয়েছে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন । বন্ড বিক্রি না হওয়ার কারণ হিসেবে জানা যায় , কোম্পানির ঋণের ঝুঁকি গড় অবস্থানের চাইতে অনেক বেশি হওয়ায় লোভনীয় উচ্চ সুদের প্রস্তাব থাকার পরও সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের বন্ড কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না । ব্যক্তির পরিবর্তে শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানের কাছে শেয়ারে রূপান্তরযোগ্য বন্ড প্লেসমেন্ট আকারে বিক্রির শর্তে এসইসি ১৯ জুলাই পর্যন্ত বন্ড বিক্রির সময় বেঁধে দেয় । ব্যাংকগুলোতে সুদের হার ১৩ - ১৪ শতাংশ হলেও বন্ডে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বার্ষিক সুদের হার ধরা হয়েছে ১৮ শতাংশ । উচ্চ সুদ দেখিয়ে নর্দার্ন পাওয়ারের ইস্যু ম্যানেজার আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক , আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানিগুলোকে বন্ড কেনার প্রস্তাব পাঠায় । কিন্তু বার্ষিক ১৮ শতাংশ উচ্চ হারে সুদের নিশ্চয়তার পরও এ বন্ড কিনতে প্রতিষ্ঠানগুলো সাড়া দিচ্ছে না । কারণ , ক্রেডিট রেটিং রিপোর্ট অনুযায়ী , কোম্পানিটি ঋণের ঝুঁকি গড় অবস্থানের চাইতে অনেক বেশি । ব্যাংকিং খাতে ১৩ - ১৪ শতাংশ হার সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও কী উদ্দেশ্যে কোম্পানিটি ১৮ শতাংশ সুদে বন্ড ইস্যু করছে তা অনেকের কাছেই বোধগম্য নয় । উল্লেখ্য , ২০০৯ সালের ১২ অক্টেবার প্রতিষ্ঠিত নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেডের বর্তমানে অধিকাংশ শেয়ারের মালিক শিল্প ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী দুই ব্যক্তি সালমান এফ রহমানের প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো টেক্সটাইল ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এনামুল হকের প্রতিষ্ঠান এনা প্রপার্টিজ । চলতি বছর ২৭ ফেব্রুয়ারি রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ( আরজেএসসি ) থেকে প্রাপ্ত রিটার্ন অব এলটমেন্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায় , এসইসি দুই শেয়ারহোল্ডারের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দিলেও কোম্পানির বর্তমান শেয়ারহোল্ডার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আটে । বর্তমানে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে রয়েছেন - ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক ( ৪৯ . ৮৭ % ) , বেক্সটেক্স লিমিটেড ( ৪৯ . ৯৭ % ) , তহুরা হক ( ০ . ১১ % ) , মোসলেহউদ্দীন ( ০ . ০১ % ) , মমিনুল ইসলাম ( ০ . ০১ % ) , নিউ ইংল্যান্ড ইক্যুয়িটি লিমিটেড ( ০ . ০১ % ) , শোর ক্যাপিটাল হোল্ডিংস লিমিটেড ( ০ . ০১ % ) এবং ক্রিসেন্ট লিমিটেড ( ০ . ০১ % । এসইসির শর্ত অনুযায়ী , নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের রূপান্তরিত বন্ড হাতবদল করতে হলে এসইসির অনুমোদন লাগবে । বার্ষিক ১৮ শতাংশ সুদে ৬ মাসের অবকাশকালসহ ( গ্রেস পিরিয়ড ) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে ৪ বছর ৬ মাস । অবকাশকাল শেষে তিন মাস অন্তর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ পরিশোধ করা হবে । প্রতি এক বছর অন্তর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে । এর মধ্যে মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধিত হবে । নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত না হলে শেয়ারের পরিবর্তে নগদ অর্থে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ করতে হবে । জানা গেছে , ২০০৯ সালের ১২ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেডের প্রাথমিক উদ্যোক্তা ছিলেন রাজশাহী থেকে নির্বাচিত সরকার দলীয় সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মো . এনামুল হক । কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৫০ লাখ টাকা । এর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নামে ৪০ লাখ এবং তার স্ত্রী তহুরা হকের নামে ১০ লাখ টাকার শেয়ার ছিল । সালমান এফ রহমানের প্রতিষ্ঠান বেক্সটেক্স লিমিটেডের কাছে ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয় । মাত্র ৪ মাসের মধ্যে ১ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনকে ৯০ কোটি টাকা মূলধন বৃদ্ধির অনুমোদন দেয় এসইসি । গত ডিসেম্বরে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে মূলধন ৯০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৯১ কোটি টাকা করার আবেদন করা হয় । ২৭ ডিসেম্বর এসইসি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নামে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার শেয়ার ইস্যু করে ৪৫ কোটি ৩ লাখ টাকা এবং বেক্সটেক্স লিমিটেডের নামে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার শেয়ার ইস্যু করে ৪৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দেয় । এর চার মাস না যেতেই ২১ এপ্রিল আবার ১৭৫ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমতি পায় কোম্পানিটি । কিন্তু অনুমোদন পেলেও এখন পর্যন্ত কোম্পানিটি তার অনুমোদিত মূলধন সংগ্রহের লক্ষ্যে বন্ড বিক্রি শেষ করতে না পারায় অনিশ্চয়তায় রয়ে গেছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ভবিষ্যৎ । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / এএস / এআই / এসসি / ১৭ . ৫৪ঘ . )
ঢাকা , ২৭ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডেস্ক ) : দক্ষিণ কোরিয়ার পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানা টাইফুন মেরি ' তে ৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে । আজ সোমবার রয়টার্স এ খবর জানায় । এদিকে উত্তর কোরিয়ায়ও জলোচ্ছ্বাস ও . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
জটিল বলেছেন উদাসীন ভাই । তবে আশার কথা লাইন থেকে এখনও বিচ্চুতি ঘটে নাই ।
মরিয়ম মুরমুর ধর্ষিত লাশ অথবা প্রশ্নবিদ্ধ আদিবাসীর মানসিকতা
ঢাকা , ২১ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : বাংলাদেশে থাই বিনিয়োগ বাড়ানো হবে জানিয়েছেন থাইল্যান্ড বিনিয়োগ বোর্ডের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল সুংসাক লিমবানিয়ান । আজ মঙ্গলবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে ( ডিসিসিআই ) মুক্ত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন । তিনি বলেন , বিনিয়োগ বাড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য । বাংলাদেশ থাইল্যান্ডের বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত স্থান । বিনিয়োগ করলে অদূর ভবিষ্যতে আজকের ব্যবসা সংযোগের সুফল পাওয়া যাবে । ডিসিসিআই সভাপতি আসিফ ইব্রাহীমের সাথে আলোচনাকালে থাইল্যান্ডের বিনিয়োগ বোর্ডের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল সুংসাক লিমবানিয়ানের নেতৃত্বে ৩০ সদস্য বিশিষ্ট একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন । এ সময় থাই - বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি মিংপ্যান্ট চায়া - টেক্সটাইল , তৈরি পোষাক , খাদ্য পক্রিয়াজাতকরণ , কন্সট্রাকশন ইত্যাদি খাতে দু ' দেশের যৌথ বিনিয়োগের প্রতি আগ্রহী বলে জানান । আলোচনাকালে ডিসিসিআই ' র প্রাক্তন সভাপতি এম এ মোমেন , সহ - সভাপতি টি আই এম নূরুল কবীর , পরিচালক হোসেন এ শিকদার , নিয়াজ রহিম , খাইরুল মজিদ মাহমুদ , প্রাক্তন সভাপতি রাশেদ মাকসুদ খান বক্তব্য রাখেন । ডিসিসিআই সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম বলেন , দু ' দেশের বেসরকারি উদ্যোক্তারা যৌথভাবে কাজ করে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে । তিনি দু ' দেশের ব্যবসায়ীদের বাণিজ্য , অর্থনীতি এবং প্রযুক্তিখাতে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলার উপর আরো গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান । বাংলাদেশ - থাই চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ' র সভাপতি এবং ডিসিসিআই ' র প্রাক্তন সভাপতি এম এ মোমেন দুদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশে অধিকহারে বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানির আহ্বান জানান । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / এমআই / এম / এআইকে / ২১ . ১০ ঘ . )
আমার মত এমন অনেকেই আছেন , স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে যারা একেকবার করে আশায় বুক বেঁধেছেন । এবারই প্রথম আমার মনে হয়েছে জাতিগতভাবে ১৯৭১ এর পর আমরা আত্মশুদ্ধির পথে নামলাম । জাতিগতভাবে আমরা ক্রমশ ইতিহাস বিবর্জিত , নপুংসক , সুবিধাবাদী জাতিতে পরিণত হচ্ছিলাম । আজ অনেক দিন পর যেন খোলা হাওয়ায় বুক ভরে নিশ্বাস নিলাম । আওয়ামী লীগের এই বিজয়ে কোন বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটে যাবে এই আশা করিনা । কিন্তু অন্তত আত্মমর্যাদা নিয়ে বাঁচবার আরো একটি সুযোগ তো তৈরী হল ।
গত দুই বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে । যেমন , জাপানের সাগা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শিক্ষা সহযোগিতা বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর । সুইডেনের লান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে রসায়ন বিভাগের যৌথ গবেষণা । ইউরোপিয়ান কমিশনের অর্থায়নে পরিচালিত ইরাসমুস মুনডাস স্কলারশিপে বাংলাদেশের মধ্যে একমাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মনোনীত হওয়া । বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ৩৯ বছর পর গত বছর বাণিজ্য অনুষদ এবং এর অধীনে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং , মার্কেটিং , একাউনটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস এবং ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ খোলার মাধ্যমে এ বিশ্ববিদ্যালয় আরো একধাপ এগিয়ে গেছে । সময়ের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগকে ' ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ( আইবিএ - জেইউ ) এবং কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ইন্সটিটিউটকে ' ইন্সটিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজিতে ( আইআইটি ) রূপান্তর করা হয়েছে ।
খলিফা ওনার দেয়া মশ্ক নিয়ে একঢোক পানি পান করলেন । তারপর ওটা নিজের ঝোলাতে ভরে বললেন - সত্যই এটা অপূর্ব পানীয় ; এটা আমি খাওয়ার জন্য সংরক্ষণ করলাম ।
লেখক বলেছেন : পুরুষবাদী , নারীবাদী - এরকম ভাবনাটাই বিলুপ্ত হওয়া উচিৎ । নাহলে এ দুটি প্রজাতি কেবল একজন কর্তৃত্ব করে আর আরেকজন অধিকার আদায়ের জন্য গলা ফাটিয়েই সময়ক্ষেপন করবে . . . . উপলব্ধিটাই আসল . . . যার যার ব্যক্তিগত সুস্থ চিন্তার এবং আকাঙ্খার প্রকাশ বাধাহীনভাবে হওয়াটাই কাম্য ।
[ শুরু হয়েছে এসএমএসের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার পালা । আপনার যে কোন মোবাইল ফোন থেকে টাইপ করুন SB এবং পাঠিয়ে দিন 16333 নম্বরে ] সুন্দরবন আমাদের জাতীয় গৌরবের অন্যতম বিষয় । গঙ্গা - ব্রহ্মপুত্র - মেঘনার বদ্বীপ জুড়ে অবস্থিত সুন্দরবন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল । বিশ্ববিখ্যাত রয়েল বেংগল টাইগারের বিচরণক্ষেত্র এটি । দশ হাজার বর্গ কিলোমিটার জুড়ে
নিজের লেখা [ গল্প কবিতা ডট কম - এ ] ফেইস বুকে শেয়ার দেওয়া আইনতঃ নিষেধ কিনা কেও কি আমাকে জানাবেন ? শুভেছা সবাইকে ।
পোস্ট করা হয়েছে : বুধ নভেম্বর ১২ , ২০০৮ ৯ : ২২ পূর্বাহ্ন
২ . এবার কমপ্রেসড ফাইলটি কোন ফোল্ডারে এক্সট্রাক্ট করুন । আমি সুবিধার্থে একটি ফোল্ডারের ভেতর ফাইল গুলো রাখছি । আপনি চাইলে শুধু এক্সট্রাক্টকৃত ফাইলফোল্ডার গুলো ওয়েবসার্ভারে আপলোড করবেন , যদি আপনার ওয়েবসার্ভারে আগে থেকেই কোন ফাইল না থাকে । থাকলে জুমলার সাথে ফাইল গুলো মিলেমিশে যেতে পারে । এখন ফোল্ডার টির নাম দিলাম joomla । এটাকে এবার কপি করে C : \ Program Files \ xampp \ htdocs \ ফোল্ডারে পেস্ট করলাম । এক্ষেত্রে আপনি ফোল্ডারটি এফটিপি ক্লায়েন্টের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের root বা মূল ফোল্ডারে আপলোড করবেন ।
মহাপুলিশ পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ এর নির্দেশে অনুসন্ধান চালিয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি ( মিডিয়া ) নজরুল ইসলাম গতমাসে ৮৪টি পর্ণোসাইটের খোঁজ পান । এরপরই এই ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ করার জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয় । অনুলিপি দেয়া হয় বিটিআরসিকে । কিন্তু গতকাল পর্যন্ত খোলা ছিল অধিকাংশ ওয়েবসাইট ।
২ . ডেণ্টাল ইউনিট , রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ঠিকানা : রাজশাহী টেলিফোন : ০৭২১ - ৭৭২১৫০
ঢাকা , ১২ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডেস্ক ) : আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় ভারতের নয়া মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে । প্রধানমন্ত্রী ড . মনমোহন সিং রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলের কাছে নয়া মন্ত্রিসভার সদস্যদের নামের . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
তাইতো বলি , অবস্থাটা বদলেনি একটুও , একই ভাবে যাচ্ছে সবই , একটু ভাবিও । লোক মেরে আর লাভ কি বল ! কয় টাকা আর পাবে ! তার চে ভাল এইভাবেই , সবই তাঁদের হবে ।
সম্মানিত সদস্য এবং অতিথিবৃন্দ । যেকোনো ধরনের সাহায্য , প্রশ্ন , পরামর্শ ইত্যাদি থাকলে এইখানে মন্তব্য দিন ।
সিলেটে শুক্রবার আ ' লীগ নেতার লাশ দাফন নিয়ে দু ' পক্ষের সংঘর্ষের সময় অস্ত্র হাতে কয়েক যুবক সমকাল Fri , 24 September , 2010 20 : 26 : 49 - Awami politics with dead body burial সিলেট ব্যুরো ( Samakal ) সিলেট নগরীতে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হান্নানের লাশ দাফনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া - পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে । এ সময় স্থানীয় ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ প্রায় ২০ জন আহত হন । গতকাল শুক্রবার নগরীর বাগবাড়ী নরশিংটিলায় এ ঘটনা ঘটে । সংবাদ পেয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র মখলিছুর রহমান কামরানসহ র্যাব - পুলিশ ঘটনাস্থলে পেঁৗছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে । সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুর রকিব বাবলু , যুবলীগ নেতা জাহিদ সরওয়ার সবুজ , বাগবাড়ীর সুমন শিকদার , তজম্মুল , হেলাল , পলাশ , অপু , আরিফ আহমদ , আক্তার হোসেন , লোকমান আহমদ , রুবেল ও শামীম । অন্য আহতদের নাম জানা যায়নি । স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , গতকাল সকালে নগরীর কাজলশাহের বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হান্নানের লাশ দাফন করার জন্য বাগবাড়ী নরশিংটিলার নুরিয়া জামে মসজিদের পাশে চৌধুরী টিলায় কবর খোঁড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয় । এ সময় স্থানীয় বাগবাড়ী নরসিংটিলাবাসী ওই জায়গায় শাহী ঈদগাহ নির্মাণ হবে_ এ অজুহাতে বাধা দেয় । ওই সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া - পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে । পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর অন্যত্র লাশ দাফন করা হয় । এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে কোতোয়ালি থানার ওসি খন্দকার নওরোজ আহমদ সমকালকে জানান ।
লেখক বলেছেন : এইটা তো জীবনে শুনিনি বৎস্য । আমার এ আমি র বলবোনা ? বলবো আমা ? শীতলে বলবো শীত ? ? ? শ্বাস কে বলবো শ্বা ? হায় হায় কি বলো এই সব ? ভালো করে বুঝিয়ে বলো পলাশভাইয়া ।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন : রবিন - ৭৭ সামদ অসময়ের আমি এই তিনটা নিক সমানে জিয়া ও খালেদা নিয়া নোংরা কমেন্ট নোংরা পোস্ট নোংরা গ্রাফিকস দিতাছে , শতবার রিপোর্ট করছি কোন কাম হয় নাই | সামু ব্লগের মালিক - মালকিনের নিজের নিক কিনা সন্দেহ হয় আমার |
♣ ♣ ঘরে ফেরার পথে ছায়াপাতার উল্লাসে সেদিন বাড়ি ফিরছিলাম সন্ধ্যের আড়ালে ধানক্ষেত বনে , কেউ দেখতে পায়নি , অনুভূতি - টনুভূতি কিছুই আটকাতে পারেনি ঘরে ফেরার টানে ; অনেক দুঃখকে দুঃখই ভাবি না , যদি কারো - কারো দুঃখ ছোট হয়ে যায় , মার্কেস নিঃসঙ্গতার একশো বছর লিখে ফেলছেন কবে অথচ আমার গোপন ডাইরিতে নিঃসঙ্গতার একটি মুহুর্ত্বও লিখতে পারিনি কারণ তোমার দুঃখের সরলতাখানি অতি আদরের না - আসা ভাদরের ♣ ♣ সূর্য ডুবে যাওয়ার আগে খানিকটা কৌতূহল সামনে দাঁড়ালো , ভিনদেশে বন্দি জীবনের মতো ছোটবোন দরজা বন্ধ করে রান্না ঘরে কি যেন রান্না করছে . . . একটু পরে জলে - তেলে - জ্বলে উঠার শব্দ কী আবহ ছড়ালো ; ভাজা মাছের ঘ্রাণ নিজেকে বলছে জলদি খেয়ে নে দ্বিগুণ তৃপ্তি পাবে । কিন্তু সত্যি বলতে কি আমি ভাজা - পোড়া কিছুই খেতে পারি না , লেবুরস ঘুলিয়ে ডালভাত খেলে বুকজ্বলা বাড়ে ; কিন্তু লেবু - ডাল - ভাজি এসব ছাড়া খাবারের তৃপ্তি ভাবাই যায় না । ♣ ♣ বুঝতে পারিনি কেনো পায়ে পায়ে নুড়িপাথরগুলো ধুলোতে খেলে আবার ধূলিতে মিলায় ; মাটিতে পড়ে থাকা তোমার শেষ ইচ্ছাটি যদি আমাকে ফিরিয়ে দাও ; তবে অন্যসব রেখে স্বেচ্ছায় নির্বাসন দীর্ঘস্থায়ী বানাবো ; নিকটে থাকার সিদ্ধান্ত হয়ত আত্নঘাতী হবে বুড়ো বয়সে ; নিজেকে নিজেই শুধরে নেবার পর ; কিছুই মনে থাকে না ; আবার কিছু ভুল ক্লান্তিহীন সুখের চেয়েও মধুর ♣ ♣ আত্নযন্ত্রণায় থাকা মনের রঙ কার প্রতি সদয় হলো ; কার দেহে লবণাক্ততা চুষে নিল চৈত্রিহাওয়ায় ; অথচ শৈশব কেটেছে স্বপ্নহীন থেকে মাগুরানদীর পাড়ে দৌঁড়াদৌঁড়ি দারাগুটি - কানামাছি খেলে ; কৈশোর কুশিয়ারা থেকে সুরমার পাড় ঘেঁসে শ্রীমতি জলের কাছে স্মৃতিরোমন্থন ; কীর্তনখোলা - বুড়িগঙ্গা থেকে পদ্মা - মেঘনা - যমুনার জলে মিশে ঢেউ তুলি ব্যথায় মিশে ; বেলা চলে গেলে , ফিরে পাবো কি সেই সব দিন ? তাই বেশি চাওয়া ইচ্ছের চেয়েও লোভী মনে হয় , ভাল থাকা - টাকা ; শরীর কি হৃদয় দু ' টিই পুড়ে অহেতু ভ্রান্ত লোভে বলছি তোমাকে ওহো টাটকা , ওহো শীতপ্রিয় ; গাঁথছ কি তাকে ভরা যৌবনে টেমসের হাড়ে ? ♣ ♣ শুধু তোর জন্য গোপন রেখেছি পিপাসার বেগ , না - ছোঁয়া আবেগ ; জল ছুঁয়ে নামুক ক্ষতদাগ সেদিন তোর কাছে চুম্বন চাইবে না কেউ ; হাত ধরে দাঁড়াবে না আর কেনো ভয় । কারণ তুই জল ছেড়ে ডাঙায় খুঁজবে তৃষ্ণাফল ; লজ্জায় না - ফোটাই ভাল আবেগের ক্ষরণ ; শুধু মনে চেপে রাখিস ঘষা - মাজায় জ্বলে ওঠা দেহের চৌচির ♣ ♣ কিছুটা ভাবনায় . . . কোন একদিন চোখের পলকে স্বরূপে ভেসে উঠে ছিল অলস - সময় কিস্তু কি আশ্চর্য সেদিন কাউকে পোড়াতে চায়নি ভেজা . . . ভেজাজল - চুলের গন্ধ ; ঝরাফুলের হাসি . . . কিংবা ঘোরস্বপ্নদিন । হাতে গোনা সময় কথাবার্তা আমার ভাল্লাগে না ; কারো আবেগ অনুভূতি ভাল লাগেনি তাই এখনো অবিবাহিত , নিজের দখলেও রাখিনি মন ; বন্ধু - বান্ধব নিয়ে মহানন্দে নিদ্বির্ধায় চোখে - মুখে ঘুরছে জীবন । ছায়াদের বাড়ি আজ তোমাদের হাঁটতে দেখে সারাবেলা বরফ ধোঁয়া মোছায় ডুবে আছি ♣ ♣ কেউ কেউ আমাকে শত্রুও ভাবে কনটেস্ট করে , লক্ষ্য রাখে চলাফেরা গতিবিধি পিচলা পথে কিন্তু আমার ইচ্ছাশক্তি কারো মুখোমুখি হতে দেখিনি ; কারো ইচ্ছে যে আমার কাছে ছোট্ট হয়ে আসেনি তার প্রমাণ কেবল তুমি ? টুকরো টুকরো মন ; দেহের উচাটন ব্যর্থ চেষ্টা . . . এত এত বৃষ্টিঝড় ভাসতে ভাসতে দুঃখগুলান তুমি বুঝে নিতে নিতে আমি উদলামেঘের হাওয়া ♣ ♣ তুই তো জানিস ? বেঁচে থাকার লোভে কিংবা অভিমানবশে কাউকে দেইনি শুভংকরের ফাঁকি ; মন আপন ঘরে জেগে আছে , তাকে লক্ষ্য করে দু ' চোখের আকুলতা জ্বলে ওঠে ভিনদেশে ; স্বান্ত্বনাটুকু বোধের ভেতর নিজেকে সাজাতে ভুলে গেছে মনহারা হৃদয় ; কেউ কেউ যে বলে ; ' বেঁচে থাকাটা দারুন ব্যাপার ' নীরব বেঁচে থাকা - টাকা - কায়া আমার পাঁজরে তাকে রাখি না সুখে ♣ ♣ তখনও পা গুনে গুনে পাড় হতে শিখিনি সাঁকো , নদীতীরে বসে জলের গভীরে নিজের প্রাণদেহে দেহপ্রাণ খুঁজি পাশ - ফিরে তাকালে বহুদূরও মনে হয় কাছাকাছি ; কিছু কী বলবে ? চুপিচুপি ওহো সমরূপি শুধু দূরত্ব - দাবী - দাওয়া - আর্তনাদ - বিব্রত হাসিতে পেঁচিয়ে রাখলে ; কিছুই দেখলে না কাফফারাও গাঁথলে না টলে যাওয়া ঘুমে . . . এ - বেলায় গতি - বাতাসে কে যেন হেঁটে হেঁটে বলে গেল গাঁথা - পিনে - যত - কথা দেহের ভেতর সাড়া না পেলে মন খুলে বলতে নেই স্ফুট - অস্ফুট - কথা ♣ ♣ গ্রীন সিগন্যাল দেখে রান্তা পারাপারে চোখ লুকোচুরি খেলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ালে পাতাগাছ মাথা ছুঁয়ে হাঁটে আর ডিসিপ্লিন আমাকে বিব্রতবোধ শিখতে - শিখাতে হাতঘড়ি দেখে , এসব ধরাবাঁধা নিয়মনীতি গদবাঁধা রুটিন কাজ কেনো যে ভাল লাগে না ঘুমহীন কিংবা অন্ধকাররাত ছাড়া . . . অন্ধকার রাতে চোখের সৌন্দর্য গুনে গুনে গ্লানি - দেহ - চুষে ভোরে রচিত যত কথাগুচ্ছ তোমারি ; কতটুকু সুখে আছো পরির্পাশ্ব ডানাভাঙা পরি ; ছুটির দিনে ফায়ার প্রেসে কাছে বসে কী আর বলতে পারি
রবিউল ই . মানিক এখন বাংলা কবিতার আধুনিকতার সুচনালগ্নে ' আধুনিক কবিতা ' কি এ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা প্রয়োজন । বাংলা কবিতার পুরোহিত বুদ্ধদেব বসু ' র মতে ' আধুনিক কবিতায় নগর কেন্দ্রিক যান্ত্রিক সভ্যতার ছোঁওয়া থাকবে , থাকবে বর্তমান জীবনের ক্লান্তি ও নৈরাশ্যবোধ , দেখা যাবে আত্মবিরোধ ও অনিকেত ( Rootless ) মনোভাব এবং রবীন্দ্র ঐতিহ্যের ( রোমান্টিকতা ) বিরুদ্ধে সচেতন বিদ্রোহ ও নতুন পথের সন্ধানের প্রয়াস । ' মার্কসিষ্টরা এর সাথে যোগ করলেন সাম্যবাদী চিন্তাধারার প্রভাবে নতুন সমাজ সৃষ্টির আশার কথা থাকবে কাব্যের মধ্যে এবং বাকরীতি ও কাব্যরীতির সচেতন মিশ্রন ঘটবে কাব্যে । গদ্যের ভাষা , প্রবাদ , চলতি শব্দ , গ্রাম্যশব্দ ও বিদেশী শব্দের ব্যবহারে গদ্য , পদ্য ও কথ্যভাষার ব্যবধান বিলোপের প্রচেষ্টা অবশ্যই থাকবে কবিতায় । আবু সায়ীদ আইয়ুবের মতে , ' কালের দিক থেকে আধুনিক কবিতা প্রথম মহাযুদ্ধ পরবর্তী , ভাবের দিক থেকে মুক্তির প্রয়াসী . . . . । ' ' আধুনিক কবিতা হল বিদ্রোহের , প্রতিবাদের , সংশয়ের , ক্লান্তির , সন্ধানের আবার এরই মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে বিস্ময়ের জাগরণ , জীবনের আনন্দ , বিশ্ববিধানে আস্থাবান চিত্তবৃত্তি । আশা আর নৈরাশ্য , অন্তর্মুখিতা বা বহির্মুখিতা , সামাজিক জীবনের সংগ্রাম আর আত্মিক জীবনের তৃষ্ণা , এই সবগুলো ধারাই খুঁজে পাওয়া যাবে ভিন্ন ভিন্ন কবিতাতেই নয় , কখনো হয়তো বিভিন্ন সময়ে একই কবির রচনায় । ' ' এ কথা কারুরই অস্বীকার করার উপায় নেই যে , আধুনিক বাংলা কবিতার উন্মেষ ঘটে রবীন্দ্রনাথ ও তাঁর রোমান্টিসিজম কবিতা বর্জনের ঐকান্তিক প্রয়াস থেকে । প্রত্যেক কবিরই সহজাত বৈশিষ্ট্য হলঃ পূর্ববর্তী ও সম - সাময়িক কবিদের থেকে ' স্বাতন্ত্র্যবোধ ' । এ স্বাতন্ত্রবোধটাই কবিকে অন্যদের কাছ থেকে দূরে সরে আসতে কিংবা বিদ্রোহ করতে বাধ্য করে । স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও তাঁর স্বাতন্ত্রবোধে সচেষ্ট থেকে , স্বীয় কবিসত্ত্বা বিনির্মাণের প্রত্যয় থেকে বিদ্রোহ করেছিলেন মধুসূদন সাম্রাজ্যে । তিনি কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছিলেন মেঘনাদবধ কাব্যের , বর্জন করেছিলেন হেমচন্দ্র বন্দোপাধ্যায় , নবীনচন্দ্র সেনের কৈশোরিক পাঠের । নবীনযুগের কবিরাও সচেতনভাবেই উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে , রবীন্দ্র প্রভাব বলয়ের মাঝখানে তারা বিকশিত হতে পারবেন না । তাই তারা সরাসরি রবীন্দ্রনাথকে আক্রমন করে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার্থে লিপ্ত হলেন । আধুনিক যুগের প্রবর্তক কবিরা তাদের রোমান্টিকতা বিরোধী দৃষ্টি সরাসরি রবীন্দ্রনাথের দিকে নিক্ষেপ করে রবীন্দ্রপ্রভাব বলয়ের বাইরে এসে পূর্বে অনাস্বাদিত এক নব কাব্যধারার । বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ তখন একচ্ছত্রাধিপত্যে বাংলা ভাষাকে শাষণ করে চলেছেন । রবীন্দ্র প্রভাব বলয়ের বাইরে এসে তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা সেসব তরুণ কবিদের স্বাভাবিক কিন্তু সহজ ছিল না । বুদ্ধদেব বসু রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নূতন কবিতার নান্দীপাঠ করেছিলেন ১৯২৫ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ' মর্মবাণী ' তে ; যদিও তা ছিল রবীন্দ্রঘেঁষা । আর এ সমস্ত তরুণ কবিদের মতামত প্রকাশ করতে লাগলো দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত ' কল্লোল ' , মুরলীধর বসু , শৈলজানানন্দ মুখোপাধ্যায় , প্রেমেন্দ্র মিত্র সম্পাদিত ' কালিকলম ' , বুদ্ধদেব বসু , অজিতকুমার দত্ত সম্পাদিত ' প্রগতি ' প্রভৃতি পত্রিকা । মূলতঃ কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হবার পর পরই শুরু হল নবধারার আধুনিক বাংলা কবিতা রচনা প্রবাহের ধারা আর এঁদের সাথে যুক্ত হলেন অজিত দত্ত , অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত , সঞ্জয় ভট্টাচার্য্য প্রমুখ কবিরা । রবীন্দ্রনাথ লিখলেন , ' হাট ত্রিসীমানায় নেই বটে , কিন্তু হট্টগোল যথেষ্ট আছে । আধুনিক সাহিত্যে ঐটেই বাহাদুরী . . . ' । ঠিক তখন অমিয় চক্রবর্তী প্রবন্ধ লিখে কঠোর সমালোচনা করলেন কবিতায় ব্যবহৃত ছিনু , গেনু , হিয়া ইত্যাদি শব্দ ব্যবহারের । রবীন্দ্রনাথ সরাসরি আধুনিক কবিদের ' ভাঙন ধরা , রাবিশ জমা , ধুলো - ওড়া যুগের কবি বলে চিহ্নিত করলেন । ' সাহিত্যের স্বরুপ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ লিখলেন , ' শ্রী নেই , তাতে পরিমিতি নেই , তাতে রুপ নেই , আছে প্রচুর বাক্যের পিন্ড । এটা দানবিক ওজনের সাহিত্য , মানবিক ওজনের নয় । ' আর এদিকে আধুনিক কবিরা আরো সঙ্ঘবদ্ধ ; কবিতার পয়ার , অতিকাব্যিক শব্দ ব্যবহার পরিত্যাগ করেন । সেই সময় , অমিয় চক্রবর্তী লিখলেনঃ তালিকা প্রস্তুত / কী কী কেড়ে নিতে পারবে না / কুয়োর ঠান্ডা জল , গানের কান , বইয়ের দৃষ্টি / গ্রীষ্মের দুপুরের বৃষ্টি । শেষ পর্য্যন্ত কালের দাবী মেনে নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মুক্তকছন্দ নামে ' পুনশ্চ ' তে আনলেন গদ্যছন্দ ; যেখানে তিনি তাঁর অতি প্রিয় তবে , সনে , মোর কাব্যধর্মী শব্দগুলো ব্যবহার করেন নি । সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ' ছন্দোমুক্তি ও রবীন্দ্রনাথ ' নামে প্রবন্ধ লিখে রবীন্দ্রনাথের প্রশংসা করে আধুনিক কবিদের সাবধান করে দিলেন , ' তপস্যা কঠিন রবীন্দ্রনাথের পক্ষে যেটা মোক্ষ , আমাদের ক্ষেত্রে তা হয়তো সর্বনাশের পথ । ' বুদ্ধদেব বসুও ' নতুন পাতা ' নামে ' পুনশ্চ ' গ্রন্থের প্রশংসা করে প্রবন্ধ লিখলেন । কিন্তু তিরিশ দশকের এসব তরুণ কবি রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে একটু স্নেহ ও তাঁর কাছ থেকে সমর্থন পাবার লোভে ব্যাকুল থাকতেন । একদিকে তরূণ বিদ্রোহী এ সকল কবিগণের রবীন্দ্রনাথের প্রভাব বলয় থেকে দূরে থাকার চেষ্টা , অন্যদিকে কবিগুরুর স্নেহাশীষ লাভের আকাঙ্খার কারণেই অনেকের লেখায় রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে স্ব - বিরোধীতা প্রকাশ পেয়েছে । সম্ভবতঃ তারা রবীন্দ্রনাথের সার্বভৌমত্ব মেনে নিয়েই রবীন্দ্রনাথকে অতিক্রম করতে চেয়েছিলেন কিন্তু তারা সে কথা পরিষ্কার করে উল্লেখ করেন নি । তরূণ এ সবকবি তাদের প্রকাশিত বই রবীন্দ্রনাথকে পাঠিয়ে সাগ্রহে তাঁর মতামতের জন্যে অপেক্ষা করতেন । রবীন্দ্রনাথ তাদের নিরাশ করতেন না । সেজন্যেই রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আধুনিক কবিদের কারো কারো উক্তি কখনো কখনো পরস্পর বিরোধী মনে হয়ঃবুদ্ধদেব বসু ' প্রগতি ' র ১৩৩৫ , বৈশখ সংখ্যায় অভিনব গুপ্ত ছদ্মনামে লিখলেন , ' . . . . রবীন্দ্রনাথের দিন এক রকম ফুরাইয়া আসিতেছে , একথা আমি কোন খানেই বলি নাই । আমি শুধু লিখিয়াছিলাম যে আধুনিক সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব ক্রমশঃ সরিয়া যাইতেছে । ' সুধীন্দ্রনাথ দত্ত তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ' তন্বী ' ( ১৯৩০ ) রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেন । উৎসর্গপত্রটি ছিল এরকম - - - " উৎসর্গ রবীন্দ্রনাথ ঠাকরের শ্রীচরণে অর্ঘ্য ঋণ শোধের জন্য নয় ঋণ পরিশোধের জন্য । " এছাড়াও সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ' তন্বী ' র ভূমিকায় লিখেছেন - ' . . . . . কবিতাগুলোর উপর স্বদেশী - বিদেশী অনেক কবিই ছায়াপাত করেছেন - সব সময়ে গ্রন্থকারী সম্মতিক্রমে নয় । কেবল রবীন্দ্রনাথের ঋণ সর্বত্রই জ্ঞানকৃত । ' আবার ১৯৩৫ সালে তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ' অর্কেষ্ট্রা ' তে রবীন্দ্রাসক্তি আর খুঁজে পাওয়া যায় না কিন্তু তখনো তিনি রবীন্দ্রনাথকে অদ্বিতীয় মনে করতেন । রবীন্দ্রমনস্কতা সত্ত্বেও তিনি লিখলেন , ' যুগধর্মে দীক্ষা গ্রহন তার ( আধুনিক কবির ) অবশ্য কর্তব্য । এ কথা না মেনে তার উপায় নেই যে প্রত্যেক সৎকবির রচনাই তার দেশ ও কালের মুকুর এবং রবীন্দ্রসাহিত্যে যে দেশ ও কালের প্রতিবিম্ব পড়ে , তাদের সঙ্গে আজকালকার পরিচয় এত অল্প যে উভয়ের যোগফলকে যদি পরীর রাজ্য বলা যায় তা হলে বিস্ময় প্রকাশ অনুচিত । ' কিংবা দেশ , সাহিত্য সংখ্যা , ১৯৭৫ এর এক নিবন্ধে জানা যায় , ' কবি জীবনের প্রারম্ভ থেকে জীবনানন্দ দাশের যোগাযোগ ছিল রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে । কারন ব্যক্তিগতভাবে তিনি ছিলেন রবীন্দ্রভক্ত । আধুনিক কবিদের মধ্যে সবচেয়ে স্বয়ম্প্রভ ও শক্তিমান কবি হয়েও তিনি অল্পবিস্তর রবীন্দ্রছায়ায় বিবর্ধিত হয়েছেন । জীবনান্দ জানতেন রবীন্দ্রনাথকে বর্জন করে কোনো সাহিত্যকৃত এদেশে চলবে না । তাই পিতৃপ্রতিম কবিগুরুকে বই পাঠিয়ে তিনি সাগ্রহে প্রতীক্ষা করেছেন তাঁর মতামতের জন্য , তাঁর স্নেহাশিসের জন্য । ' সহায়ক গ্রন্থঃ ১ . হাজার বছরের বাংলা কবিতাঃমাসুদুল হক ২ . আধুনিক কবিতার মানচিত্রঃজীবেন্দ্র সিংহ রায় ৩ . কল্লোলের কালঃজীবেন্দ্র সিংহ রায়
তায়েফ আহমাদ বলেছেন : ন্যাংটো রাজাকে মুখের উপরে সত্য জানিয়ে দেবার মানুষের বড় অভাব , এই সময়ে ।
সদর উপজেলার খাকচাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক্ষকা শাহীনা আক্তারের উপর অমানুষিক নির্যাতনের প্রতিবাদে ও নির্যাতনকারী স্বামী আখাউড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী মিশুর দৃষ্টামত্মমূলক শাসিত্মর দাবিতে গতকাল রবিবার [ … ]
দশ থেকে বিশ বিলিয়ন বছর আগে বিগ ব্যাং এর মধ্যে দিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল মহাবিশ্ব । তারপর অনেক বিলিয়ন বছর কেটে যায় , সাড়ে চার বিলিয়ন বছর আগে সৃষ্টি হয় সৌরজগত এবং আমাদের গ্রহ পৃথিবী , আমাদের চাঁদ , এবং আরো গ্রহ , আরো চাঁদ । অনন্ত কোন এক ঘন এক বিন্দুর বিস্ফোরণে সৃষ্টি হয়েছিল সব কিছু , আজো সৃষ্টি হয়ে চলছে । মহাবিশ্ব এক অনন - অসীম চিরসমপ্রসারণশীল এলাকা , আজো বেড়ে চলছে মহাবিশ্ব । জ্যোতির্বিজ্ঞান অসামান্য আবিষ্কার করে চলছে শতকে শতকে ; আমাদের জানিয়ে দিচ্ছে আমরা কোন স্থির বদ্ধ অচল পৃথিবীর মানুষ নই , আমরাও মহাশূন্যে অভিযাত্রী ; পৃথিবী নামক অসাধারণ মহাশূন্যযানটি আমাদের নিয়ে ছুটে চলছে নিরন্তর । এক সময় সবাই ভাবতো তারা আছে পৃথিবীর কেন্দ্রে , আর পৃথিবীকে ঘিরে ঘুরছে সূর্য , চাঁদ , তারারা । প্রাচীন জ্ঞানীরাও বলেছেন পৃথিবী স্থির । সাড়ে পাঁচশো বছর আগে কোপার্নিকাস বদলে দেন সৌরজগতকে ; পৃথিবীর বদলে সূর্যকে বসান কেন্দ্রে এবং আবিষকৃত হয় সৌরজগতের শৃঙ্খলা । তারপর অনেক শতক কেটে গেছে , আবিষকৃত হয়েছে মহাবিশ্বের অজস্র শব্দ , মানুষ এগিয়েছে সামনের দিকে ; কিন্তু এখন আমরা আবার ফিরে চলছি পৌরণিক জগতের দিকে , অনন্ত অসীম সমপ্রসারণশীল মহাবিশ্বকে ভুলে ঢুকছি আবার বদ্ধ পৃথিবীতে এবং সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে বিভিন্ন রকম বিধাতারা । হুমায়ুন আজাদ মহাবিশ্ব বইটি লিখেছেন আজকের পৌরণিক মানুষদের সামনে মহাবিশ্বকে পৌঁছে দেয়ার জন্য ; লিখেছেন বিস্তৃতভাবে । একজন কবি ঔপন্যাসিক সমালোচক প্রাবন্ধিকের ছোঁয়ায় কবিতার মতো হয়ে উঠেছে জ্যোতির্বিজ্ঞান , এর প্রতিটি স্তবক পুরাণকে বাতিল করে এগিয়েছে বিজ্ঞানমনস্ক সময়ের দিকে ।
গত মার্চ মাসে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় । এ ঘটনার পর ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেক্ট্রিক পাওয়ার বা টেপকো তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে ।
ভাই আপনি Real Player টি সেটআপ করুন । তাহলে ইউটিউব ভিডিও চালূ হলে ঠিক তার কোনায় রিয়েল প্লেয়ার টি একটি ছোট বক্স আসবে ডাউনলোড লেখা থাকবে । আপনি ক্লিক করুন । তাহলে ডাউনলোড শুরু হবে অথবা ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার সেটআপ করুন এবং অনায়াসে ডাউনলোড করুন ।
সৃষ্টিকুলের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হল মানুষ । আর এই মানুষের মধ্যে প্রকৃতিগতভাবেই এক ধরণের শৈল্পিক মনোভাব প্রদত্ত হয়ে থাকে জন্মের শুরুতেই । অনেকের মধ্যে সেটা প্রত্যক্ষ হয়ে ওঠে এই মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিচরণের সুবাদে , আর অনেকের মধ্যে এই গুণটা পরোক্ষভাবে থাকে । সুতরাং প্রত্যক্ষ . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
সম্পূর্ণ → উইনঅ্যাম্পের মতো লিনাক্সের মিউজিক প্লেয়ার - QMMP
মনে করি , এখানে কেউ ধর্মের কোন একটি বিষয়ে একটি লেখা দিলেন । আমি যদি সেখানে আরজ আলী মাতুব্বরের বইয়ের ঐ বিষয়ের অসামঞ্জস্য বিষয়ের লেখা পোস্টের উত্তরে দেই তাহলে কি হবে ? আমি জানি আমার উত্তরের প্রতিবাদ কেউ করতে পারবে না । কারণ কেউ এর বিপক্ষে কোন যুক্তি দেখাতে পারবে না । আবার আমার উত্তরটি কেউ মেনেও নিতে পারবে না । তবে ফলাফল কি হবে ? আমি সবার কাছে চক্ষুবিষ হয়ে যাবো । যারা আঘাত পেলেন তারা হয়তো আমার সাথে বিষয়টি নিয়ে তর্কে জড়িয়ে যাবেন । ধর্মের বিশ্বাসে কেউ আঘাত করলে নিশ্চই কেউ ছেড়ে কথা বলবেন না । এভাবে ধর্ম নিয়ে তর্ক বিতর্ক করে ধর্মকে হেয় করা হোক এটা আমি চাই না । ধর্ম সব কিছুর উর্দ্ধে । তাই ধর্ম বিষয়ক আলোচনার পক্ষে নয় আমি ।
( ৪ ) কোন শিক্ষক , কর্মকর্তা বা কর্মচারী কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সদস্য হইতে পারিবেন না ৷
জাহেদ একটি কোম্পানীতে কম্পিউটার অপারেটর পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে সকালে বাসা থেকে বের হয় । ১১ টি পদের জন্য জন্য ২৫২ জন প্রার্থী । প্রার্থীদের মধ্য বেশীর ভাগই মেয়ে । সকাল দশটায় ইন্টারভিউ হওয়ার কথা থাকলেও বিকেল ৪টার পরে ইন্টারভিউ শুরু হয় । বিকেল ৪টার পরে এক একজন করে ইন্টারভিউ দিয়ে চলে যাচ্ছে । রাত ১০ টায় জাহেদ ইন্টারভিউ রুমে প্রবেশ করে প্রশ্নকর্তাদের মুখোমুখি হলো । প্রশ্নকর্তাঃ আপনার কলেজ কি জন্য বিখ্যাত ? জাহেদঃ স্যার ! নকলের জন্য বিখ্যাত । জাহেদের এই কথা শূনে ইন্টারভিউ বোর্ডের সবাই তার দিতে তাকিয়ে আছে । রুম থেকে বের হওয়ার সময় জাহেদ সবাইকে বলে " সকাল দশটার ইন্টারভিউ রাত ১০টায় দিতে হয়েছে । এই রকম কোম্পানীতে ইন্টারভিউ দিয়ে কি হবে ? সবাইকে কষ্ট দেবার কি কোন প্রয়োজন ছিল ? মানুষকে এত কষ্ট দেন কেন ? = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = জাহেদ মন খারাপ করে বাসায় ফিলে এল , কয়েকমাস পর আরেকটি ইন্টারভিউ দিতে একটি অফিসে সরাসরি মালিকের সাথে দেখা করে , প্রতিষ্টানের মালিক জাহেদকে বলে , " আপনাকে যদি সাগরের মধ্য ডিউটি করতে বলা হয় , আপনি কি করতে পারবেন ? " উত্তরে জাহেদ বলে , সরি স্যার আমি সাগরে চাকরী করতে পারব না । আমি বাবা - মার একমাত্র সন্তান । দয়া করে আমার ছবি আর বায়োডাটা ফেরত দিন । ছবি আর বায়োডাটা নিয়ে জাহেদ বাসায় চলে ফিরে এলো । = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = একটি চাকরীর জন্য জাহেদ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে থাকে । জাহেদের বড় ভাই একটি ব্যাংকে চাকরী করে । একদিন ফোন করে জাহেদকে বলে অমুক ভাইয়ের সাথে দেখা করবি , তোর চাকরী হবে । এই কথা শুনে তারপরের দিন জাহেদ চাকরীর জন্য ইন্টারভিউ দিতে গেলে ম্যানেজার তাকে কোন প্রশ্ন না করে কাল থেকেই জয়েন্ট করতে বলে । শুধুমাত্র অমুক ভাইয়ের রেফারেন্সে একটি রেসিডেন্সিয়াল হোটেল রিসিপশনিষ্ট হিসেবে জাহেদ যোগদান করে । এইভাবেই লক্ষ লক্ষ জাহেদকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করে চাকরী খুজতে হয় । আর টাকা আর যোগ্য মামা থাকলেতো কথাই নেই . . ঘরে বসেই চাকরী হয়ে যায় । যোগ্য প্রার্থীরা ভাল চাকরী পাইনা । আর আবার অযোগ্য ব্যক্তিরা বড় বড় পদে বসে আছে । এই হচ্ছে আমাদের দেশের বর্তমান অবস্থা । দুর্ণিতিতে আমরা বারবার চ্যাম্পিয়ন হচ্ছি । সরকারী / বেসরকারী প্রতিটি প্রতিষ্টানে আজ দুর্ণিতি চলছে । তাই আসুন আমরা দুর্ণিতিমুক্ত সমাজ গঠন করি । হালাল উপার্জন করে কোরআন ও হাদিসের আলোকে জীবনকে পরিচালিত করি । = = = = = = = = = = = = = = = = মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন , দুবাই , ইউ এ ই
আজ আমি আপনাদের এমন একটি সফটওয়ারের সন্ধান দেব যার মাধ্যমে সহজেই আপনি আপনার মুখের চেহারা পালটে দিতে পারেন । মুখে ব্রন ? দাগ ? মেছতা ? কোন সমস্যাই না এর কছে । ফটোশপের ঝামেলা ছাড়াই এডিত করুন আপনার মুখের ছবি । তাছড়া আনপার প্রিও ছবি থেকে মুছে ফেলুন বারতি অবজেক্ট । দারুন এক্ট সফটওয়ার । পোর্টেবল ভার্শন । মাত্র 6 . 07 mb . Download link http : / / sharecash . org / download . php ? file = 2094060 … সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন »
অর্ণব - আর্ক বলেছেন : আমি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগিং করে আসছি । তবে আমার সবথেকে বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা ছিল ব্লগের মডারেশন বোর্ডের স্বচ্ছতা নিয়ে । আজ আমার র্ব্ণমালা ব্লগ এর উত্থানে মনে হয় সে অভাব পূরণ হতে পারে । আমি সবচেয়ে আনন্দিত এর বিচক্ষন মডারেশন বোর্ডের অসাধারণ আচরণে । সোনার বাঙলাদেশ বা সামুতে দেখা গেছে বাপ দাদাদের তদবির ছাড়া হাজার যোগ্যতা থাকলেও তা কোনদিন স্টিকি হয়নি । কিন্তু আমার বর্ণমালাই বাংলাদেশের প্রথম ব্লগ যারা লেখার যোগ্যতা বিচার করে লেখা স্টিকি করে । কিন্তু এর কিছু ওয়েবসাইটগত জটিলতা বিশেষত লোড হতে অনেক বেশি সময় নেয়াতে বিরক্ত হয়ে পাঠক ও ব্লগাররা এই ব্লগ হতে দূরে থাকে । তাই যদি এখানে মেসেজ সুবিধা চালুর পাশাপাশি এখানে জিফ ইমেজ আপলোডের সুযোগ দেয়া হয় তাহলে এর জনপ্রিয়তা বাড়বে বলে আমার বিশ্বাস । মডারেশন বোর্ডকে ধন্যবাদ । এই পোস্ট স্টিকি করার জন্য সেই সাথে ধন্যবাদ আমার বন্ধুকে এই রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে আলোচনাতে নিয়ে আসার জন্য ।
মাযহাব কয়েক প্রকার - হানাফী , শাফিঈ , মালিকি ও হাম্বলী । সুফি মতবাদের মত আমাদের বলা হয় যে কোন মাযহাবের অনুসারী হতে ; যার কোন ইমাম নেই তার ইমাম শয়তান ; সব মাযহাবই শুদ্ধ , তাই যে কোন একটি অনুসরণ করতেই হবে । আমাকে বলা হয়েছিল আমি তাত্ত্বিকভাবে যেকোন মাযহাব অনুসরণ করতে পারি তবে বেশিরভাগ মুসলিমরাই হানাফী ; উপরন্তু ইমাম আবু হানিফা হচ্ছেন সর্বশ্রেষ্ঠ ইমাম বা ইমাম - ই - আজম । তাই হানাফীদের পাল্লাই ভারি । এজন্য ইসলাম গ্রহণের পর আমি হানাফী মাযহাবের অনুসারী হলাম । বাড়ি ফিরে আমি স্ত্রীকে বললাম , মন দিয়ে শুনো , আমরা কিন্তু এখন থেকে হানাফী । এরপর আমি জানতে পারলাম হানাফী মহিলারা বিশেষ কায়দায় নামায পড়ে । নারী পুরুষের নামায হানাফী মতে ভিন্ন । আমি জ্ঞানের সন্ধানে বের হয়ে , পড়াশোনা করে মহিলাদের নামায শিখলাম । সাধারণ মানুষের পক্ষে সে নামায পড়া সম্ভব না , আমার কাছে হানাফী মহিলাদের নামায এক্রোব্যাটিক চর্চা মনে হয়েছে । আমি স্ত্রীকে শুদ্ধভাবে নামায পড়তে শেখানোর জন্য তা রপ্ত করেছিলাম । পরবর্তীতে আমি আরো পড়াশোনা করার পর বুঝতে পারলাম এভাবে নামায পড়তে রাসুলুল্লাহ ( সা ) নিষেধ করেছেন । তিনি কনুই মাটিতে রাখতে , বুক উরুতে রাখতে ও ৪৫ ডিগ্রী না ঝুকঁতে নিষেধ করেছেন যা কিনা হানাফী মহিলারা করে থাকেন ।
লেখক বলেছেন : এখানেই চলে আসে একলা চলো নীতির কথা । - - - - - - - - - - - - - - আপনার মন্তব্যের এই লাইনটি একটি ভুল ধারনার জন্ম দিতে পারে । মনে হতে পারে তাহলে বুঝি সামু একলা একলাই বাংলা ব্লগ দিবস পালন করেছে । নিন্দুকেরা হাত তালি দিতে পারে তাহলে সত্যি সত্যিই " সামু " ব্লগ দিবস পালিত হয়েছে । আমার পোস্টে এক জায়গায় বলেছি , আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে , বুঝি সামহোয়্যার ইন ব্লগের ব্লগাররা মিলেই বাংলা ব্লগ দিবস পালন করেছে । অথচ অন্য ব্লগের ব্লগারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন । এই উপস্থিতিটাকে তুলে ধরা দরকার । একটা দুটো ব্লগ আছে যারা সরাসরি সামুর প্রস্তাবিত ব্লগ দিবস মেনে নিতে নারাজ । তারা তাদের মত চলছে । ফলে এদের নিয়ে কথা বলার কিছু নেই । এখন তো যতদূর জানি প্রায় ১৫টার মত বাংলা ব্লগ হয়েছে । এখান থেকে কী কেউ সামুর সাথে নেই এখনো ? গত বছর ব্লগ দিবসে সামু অফিসে সালাউদ্দিন শুভ্র এসেছিল । যতদূর মনে হয় সে তখন প্রথম আলো ব্লগের মডারেটর । গত বছর শুভ্র বক্তব্য রেখেছিল । কি বলেছিল তা এখন আর মনে নেই । প্রশ্ন হলো শুভ্র প্রথম আলো ব্লগে মডারেটর হিসেবে এসেছিল নাকি কেবল ব্লগার হিসেবে ? মডারেটর পরিচয়টা তখন ব্যবহার করা হলে তো সেই ব্লগ থেকে একরকম সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে দিবসটি নিয়ে । না কি তখনো মাহবুব মোর্শেদ মডারেটর ছিলেন ? মাহবুব মোর্শেদ গতবার আসেননি । তবে ব্লগ দিবস পালনে সামুর প্রতি তার অসমর্থন ছিল না মনে হয় । উনাকে এবার দেখেছি সামু অফিসে । এখন উনি প্রথম আলো ব্লগের সাথে না থাকলেও সাময়িকী বলে একটা অনলাইন সাহিত্য সাইট এর দ্বায়িত্বে আছেন । এই সাইট ঠিক পুরোপুরি মালটি ডাইমেনশন আলোচনা নিয়ে ব্লগে মত না । কেবল সাহিত্য বিষয়ক । মাহবুব মোর্শেদ এর কাছ থেকে যেহেতু অসমর্থন পাওয়া যায় নি , তাহলে তার কাছ থেকে ব্লগ দিবস নিয়ে বক্তব্য জানতে চাওয়া যেতো । এবারে উপস্থিত ব্লগার অর্ফিয়াস গতবছরো এসেছিলেন । প্রথম আলোর ব্লগার হয়ে । তিনি এখন আরো একটি ব্লগের সাথে বিশেষ ভাবে জড়িত । মুক্ত ব্লগ । সম্ভবত আরো একটি ব্লগ ( ব্লগনীড় না নীড় ব্লগ কি যেন নাম ) ব্লগেও লেখেন তিনি । যেহেতু তিনি বারবার ব্লগ দিবসে আসছেন , এই উপস্থিতিতে উনার সমর্থন খুঁজে পাচ্ছেন নিশ্চয়ই ? তারমানে মুক্তব্লগ এর কর্তৃপক্ষের সাথে যোগোযোগে অন্তত অসমর্থন পাওয়া যাওয়ার তো কথা নয় । মাত্র দুটো ছোট্ট উদাহরণ দিলাম । ব্লগ তো অনেক আছে । অন্য ব্লগ থেকে কারা উপস্থিত ছিলেন , থাকছেন , এ বিষয়টি লক্ষ করা খুব প্রয়োজন , প্রচার করাও প্রয়োজন । কারণ ব্লগ সমাজে দিবসটির গ্রহণযোগ্যতার যে প্রসারণ ঘটছে তা গর্বের সাথে উচ্চারণ করা ।
মোসলেম আলী বিশ্বাস সাংবাদিক মোসলেম আলী বিশ্বাস ১৯২৮ সালে আলমডাঙ্গা উপজেলা . . .
মা . মায়া , মাম্মী , মামা , আম্মা , যে ভাবেই ডাকি না কেন ! সে আমার সবচেয়ে আপন জন । এই পৃথীবিতে মায়ের মত আপন আর কেহ নাই । মায়ের মনে কষ্ট দিয়ে কেহ কোন দিন সুখী হতে পারিনি । আপনিও না । তাই মায়ের দিকে খেয়াল রাখবেন ।
" জানেন অসীম দা , আমার না এক কবি বন্ধু ছিল সুবল লাহা এমন ঢ্যামনা হারামী কি আর বলবেন । কখনো পড়েছেন তার কবিতা ? সে সব কবিতা কোনোদিন কবিতা হতে পারতনা । কিন্তু কি সব কলকাঠি নেড়ে সে ঢুকে পরল , কাগজে । বলুন দেখি এটাও কি সম্ভব " ।
শেখ হাসিনা তার দুই বছরের শাসনামলে তেমন কোনো সাফল্য অর্জন করতে পারেননি । ফলে আগামীতে যে কারও ক্ষমতায় আসার সুযোগ আছে । দিল্লি থেকে প্রকাশিত ' দ্য পাইওনিয়ার ' পত্রিকার একটি কলামে ভাষ্যকার অশোক কে মেহতা এ মন্তব্য করেছেন । তিনি আরও লিখেছেন , প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছেন । বিরোধী দল পেয়েছে হাতে গোনা কয়েকটি আসন , কিন্তু নির্বাচনে বিএনপি - জামায়াত জোটের এই বিপর্যয় প্রমাণ করে না যে তাদের যুগের অবসান হয়ে গেছে । ভাষ্যে মেহতা বাংলাদেশের সেনাবাহিনী সম্পর্কে নানা রকম মন্তব্য করে বাংলাদেশ - ভারত সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেছেন । তিনি বলেন , স্বাধীনতার পর থেকে অর্ধেকেরও বেশি সময় ধরে সেনাবাহিনী প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছে । শেখ হাসিনা বিডিআর বিদ্রোহকে কঠোরভাবে দমন করেছেন । পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে একাত্তরের গণহত্যার সঙ্গে তুলনা চলে । ক্ষমতাসীন সরকার ৭ - ৮ হাজার বিডিআর সদস্যের বিচার করছে । নিরাপত্তা বাহিনীতে সংস্কার চলছে । এরই মধ্যে নিরাপত্তা দলটির ( বিডিআর ) নাম পাল্টানো হয়েছে । তিনি বলেন , গোয়েন্দা বিভাগগুলোর সাফল্য এবং সন্ত্রাস দমনে ২০০৪ সালে র্যাব গঠন ছিল উল্লেখ করার মতো বিষয় । এরপর থেকে অর্থাত্ ২০০৫ সাল থেকে হরকাতুল জিহাদ এবং জেএমবির মতো দলের পক্ষ থেকে সন্ত্রাসী হামলা চালানো সম্ভব হয়নি । এইসব দল এখন নেতাহীন হয়ে গেছে । কিন্তু আশঙ্কা করা হচ্ছে বর্তমান সরকার র্যাবকে ভেঙে দিতে পারে । কারণ খালেদা জিয়ার শাসনামলে র্যাব গঠিত হয় ।
প্রামাণিক জালাল উদ্দিন বলেছেন : সুখবরের জন্য ধন্যবাদ । শুভদিনের প্রত্যাশায় রইলাম । সবাইকে শুভচ্ছো জানাচ্ছি । শুভকামনা রইল ।
স্বাস্থ্যগত সমস্যার ব্যাপারে সাবধান থাকুন । কোন পুরনো সমস্যা দেখা দিতে পারে । অর্থ নষ্ট হওয়ার আশংকা রয়েছে । সন্তানের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখুন । শিক্ষার্থীদের পাঠে অধিকতর মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন ।
লেখক বলেছেন : জি অবশ্যই সাথে থাকবেন আশা করি । ধন্যবাদ
ইমাম১৯৭৯ বলেছেন : শেখ হাসিনার ছাওয়াল ইহুদী ভাতার জয় কমিশন খেয়ে এই এচুক্তি করেছে বলে আমি মনে করি ।
মান্না বলেন , দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা নির্বাসিত । প্রশ্ন তোলার জায়গা নেই । দলে সাংগঠনিক তৎপরতা বন্ধ । রাজনীতি নেই । সবকিছুকে নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া বোকামি । আমাদেরও সাফল্য কিছু আছে । কিন্তু ব্যর্থতা সাফল্যকে ছাড়িয়ে গেছে । আশা - নিরাশার যে দোলাচলটা ছিল , আমাদের সাফল্য - ব্যর্থতার লড়াইটা ছিল তাতে নেতিবাচক প্রভাব বেশি । খানিক্ষণ ভাবতে ভাবতে মান্না বললেন , ওয়ান - ইলেভেন রাজনীতির যে সর্বনাশ করে গেছে তা আমার এক বন্ধুর ভাষায় ' আমাদের নেত্রীরা ফিরে এসেছেন , মানবী বা দেবী রূপে নয় , দানবীয় রূপে । ' তাদের ব্যক্তিগতভাবে সমালোচনা করছি না । কিন্তু এত বড় সুনামি যারা পেরিয়ে এসেছেন তারা নিজেদের ক্ষেত্রে অজেয় মনে করছেন । তাই যিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য একদিন জীবনবাজি রেখেছিলেন তিনি আজ তা তুবড়ি মেরে উড়িয়ে দিচ্ছেন । যিনি পাগলের প্রলাপ মনে করতেন তিনি সেই পাগলের জন্য কেঁদে বুক ভাসাচ্ছেন । মানুষ স্তম্ভিত , হতভম্ব ।
লেখক বলেছেন : আমার নতুন পোষ্টটা দেখেন Click This Link
লেখক বলেছেন : তালপট্টী এর কিছু অংশ ১ . ৩ মিটার উচুতে আছে সি লেভেলের । ওটাতে যদিও কোন মানুষ থাকেনা । কিন্তু জেলেরা মাঝে মাঝে ওখানে যায় ।
ডাবল সাইন দিলে সমস্যা আছে ভাই । অ্যাপেন্ড হলে মুভি টা চলবে না । মনে করুন ঔনামে একটা ফাইল আছে । তার সাথে মুভির ডাটা অ্যাপেন্ড হয়ে গেল । তাইলে কি মিডিয়া প্লেয়ার মুভি কে রিড করতে পারবে ? পারবে না । কাজেই এখানে > একটা দিতে হবে । ওভাররাইপ হওয়া তো আলোচ্য সমস্যার অন্তভুক্ত না । সাবধানে দিতে হবে । বর্তমানে থাকা কোন ফাইলের নাম দিলে ওভাররাইট তো হবেই ।
☻ বাল্পুষ্ট = বালের পোস্ট অইচে এইডা । ☻ হা হা পে দি = হাসতে হাসতে পেদে দিলুম । ☻ খোমা = চেহারা মুবারক । ☻ মডু / মডুরাম = মডারেটর , সঞ্চালক । ☻ মদারেশন / ম্যাদারেশন = বাজে মডারেশন । ☻ টেকি = তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ । ☻ চিন্তক = ব্লগিয় চিন্তাবিদ । আদম আলাইহিওয়াসালাম থেকে বারাক ওবামা - সবকিছ্ই এনাদের চিন্তার সীমারেখার মধ্যে পড়ে । সমাজের নানা অসঙ্গতি অসম্পূর্ণতা নিয়ে এনারা ব্লগে ব্লগে সচেতনতা গড়ে তুলেন । শব্দটা নতুন । আমি নিজেও মাত্র দুই দিন হলো এই শব্দটা শুনলাম । উদাহরন হিসেবে এটাকে উপস্থাপন করা যেতে পারে -
তবু একসময় ফুরিয়ে যায় সকল চটকদার প্রকাশের খেলা । আমি আবারো মেলেছি রোদেলা বারান্দাময় একাকী শরীর . . . একাকীত্বে ভেজা শরীর , শুকিয়ে যাবে এইরম আশায় আশায় ।
স্টার কাবাবে প্রায় ৯ / ১০ জনের মত বসে খাচ্ছিলাম । বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল । হঠাৎ বাইরে লাঠি হাতে জীর্ন - শীর্ণ এক বৃদ্ধ ফকিরকে দেখা গেল । দেখা মাত্রই তিনি উঠে গেলেন । নিজ হাতে তাকে পিৎজা খাওয়ালেন , কোক দিলেন । সবচেয়ে নতুন ৫০টাকার একটা নোট দিলেন বেছে বেছে । অবাক হয়ে দেখছিলাম এই দৃশ্যটা । কিন্তু আমার অবাক হবার যে আরো বাকি ছিল সেটি তখনও বুঝতে পারিনি । স্টার কাবাব থেকে বের হলাম সবাই । তিনি চিন্তা করছেন সবাই কিভাবে বাসায় যাবে ? অতঃপর সবার ঠিকানা জিজ্ঞাসা করে তাদের যাবার ব্যবস্থা করলেন । এরপর বাকি ছিলাম আমি , যুথি আর মামুন । আমাদের জন্য একটি ট্যাক্সি ক্যাব ঠিক করে নিজে সি . এন . জি করে রওনা দিলেন । গন্তব্য আমাদের মোহাম্মদপুর , তার বাসায় । বিশেষ আতিথেয়তায় তিনি আমাদের নিয়ে যাচ্ছেন তার বাসায় । বয়সে অনেক অনেক সিনিয়র হবেন , তবুও মনে হচ্ছিল আমাদের অন্তরংগ বন্ধুর মত । রাস্তা জুড়ে মনে আরো অনেক জল্পনা - কল্পনা করছিলাম । অবশেষে উনার বাসায় পৌছলাম । দীর্ঘ বছর প্রবাস জীবন অতিবাহিত করছেন । প্রায়ই দেশের টানে , দেশের মানুষের টানে জন্মভুমিতে ফিরে আসেন । এখনও তাই কানাডা ফিরে যাবার ডেইট পার হয়ে গেলেও দেশে রয়েছেন শুধু দেশের মানুষের টানেই । বাসায় থাকে তার মা ও ভাবি । খুব অনাড়ম্বর জীবন - যাপন তার । রাস্তা - ঘাটে দুঃখি - গরীব মানুষের জন্য যে নিঃশর্তে ক্রমাগত দান করতে থাকে তাঁর জীবন - যাপন অনাড়ম্বর হবে এটাই স্বাভাবিক । একসাথে বসলাম , বিভিন্ন কথা শেয়ার করলাম । সবচেয়ে অবাক হলাম যেকথা শেয়ার করার জন্য মানুষ খুজে পাচ্ছিলাম না মনে হলে আল্লাহ আমাদের নিজে তাঁর সন্ধান দিলেন । খুব প্রাঞ্জল একটা আলোচনা করলাম আমরা সবাই । জোহরের নামাজ শেষে আবার একসাথে বসলাম ফ্লোরে এক মাদূরে । সোফা ছিল কিন্তু উনার ফেবারিট প্লেস ফ্লোর । আমার মনে হচ্ছিল রাজকীয় কোন স্থানে বসে আছি । আসলে মনের প্রাচুর্যর কাছে পার্থিব সবই যে হার মানায় সেটা খুব গভীরভাবে অনুভব করলাম । দুপুরের খাবারের জন্য প্রস্তুতি নিলেন তিনি । সব কিছু নিজ হাতে করলেন । আতিথেয়তায় যে তিনি অনন্য সে কথা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা । একজন ড্রাগ এডিক্টেড মানুষের জীবনের মোড় কিভাবে ঘুরে যায় ল্যাপটপে বসে তিনি আমাদের সেটাই দেখাচ্ছিলেন । একবার ল্যাপটপে আরেকবার তার দিকে মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে চিন্তার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছিলাম । এত সুন্দরভাবে হাস্যরসের মাধ্যমে প্রতিটা কথার জবাব অদ্ভুত লাগছিল । অনেক ঘটনা বললেন । একটি ঘটনা শুনাই . . . জাহাঙ্গিরনগর ইউনিভার্সিটি একবার এক ছেলের সাথে কথা হচ্ছিল উনার । ছেলেটি নাস্তিক ছিল । তাই উনাকে প্রশ্ন করলেন " আচ্ছা আল্লাহ দেখতে কেমন ? " জবাবে তিনি হাসতে হাসতে বললেন " ভাই তুমি বিয়ে করবানা আবার কনে কিরকম তা জানতে চাও কেন ? " জবাবে ছেলেটি কিছুই বুঝলনা । পরে উনি ব্যাখ্যা করলেন " তুমি তো আল্লাহ কে বিশ্বাস করনা তাইলে আবার জানতে চাও কেন যে আল্লাহ দেখতে কেমন " এই জবাবে ছেলেটি তাৎক্ষনিক জবাব দিল " ধরেন আমি বিশ্বাস করি এবার বলেন আল্লাহ দেখতে কেমন ? " না না ভাই , কোন ধরাধরিতে আমি নাই , যদি বিশ্বাস করেন তাইলে বলতে রাজি আছি । এবার ছেলেটা বাধ্য হয়ে বলল " হ্যা আমি বিশ্বাস করি যে আল্লাহ আছে " এই জবাবে খুশি হয়ে তিনি বললেন " যিনি ক্ষুদ্র পিপড়া সৃষ্টি করেছেন , তিনি বৃহৎ হাতি সৃষ্টি করেছেন , আবার তিনিই তোমারে আর আমারে সৃষ্টি করেছেন , এখন তিনি দেখতে কেমন হবে সেটা বাড়ি বসে তুমি চিন্তা কর , উত্তর পেয়ে যাবা " … কি এন্সার ! ! ! ! এটিএন বাংলায় অনেক পুর্বে থেকে তার প্রোগ্রাম দেখে রীতিমত আমি তাঁর ভক্ত ছিলাম । তার বাসায় তার ল্যাপটপে বসে তাঁর জীবন ইতিহাসের কিছু অংশ দেখছিলাম এটা চিন্তা করেই খুব আজব লাগছিল । কিভাবে যে ঘড়ির কাটা দ্রুত চলে যাচ্ছিল বুঝতেছিলামনা । আসরের নামাজের পর কিছু কাজের প্ল্যানের পর তার বাসা থেকে বের হলাম । রাস্তায় কিছু দূরে ৩ / ৪ জন ছেলে আড্ডা দিচ্ছিল , কেউ মোবাইলে কথা বলছিল । অনেক দূর থেকে তার সালাম শুনেই ছেলেগুলো দাঁড়িয়ে গেল । হাসিমুখে সালামের জবাব দিয়ে কুশলাদি জিজ্ঞাসা করল । মুদি দোকানদার , সেলুনের লোক , আশেপাশের বাড়ির দারোয়ান , রিকসাওয়ালা , সি . এন . জিওয়ালা কেউ তার সালামের জবাব হাসিমুখ ছাড়া দেয়নি । রাস্তায় এক ফকিরের সাথে দেখা হয় । তাকে তিনি সালাম দিয়ে নতুন টাকার নোট দিলেন । বৃদ্ধ খুশি হয়ে হাত বাড়িয়ে তাকে দোয়া দিতে চাইল । কিন্তু উনি হাত নয় বৃদ্ধকে বুকে জড়িয়ে তার প্রতিউত্তর দিলেন । আমি দেখছিলাম , ভাবছিলাম . . . মনে হচ্ছিল রাসূল ( সাঃ ) এর সুন্নাতের কিছু অংশ প্র্যাকটিক্যাল দেখছি যা এতদিন থিওরিতে পড়েছিলাম । অবশেষে সি . এন . জি ঠিক করে ভাড়া মিটিয়ে আমাদের যাবার ব্যবস্থা করলেন । আসার সময় প্রতিটা মুহূর্ত তাকে নিয়ে চিন্তা করছিলাম । আমার ভাই কখনও কোথাও গেলে বেশিক্ষন থাকতে পারেনা আমাদের সাথে । সেদিন সে সারাদিন ছিল , একটুও বোরড হয়নি । বাস্তবিকই মনে হল এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান তাকে বলেছিলেন " কত ডিগ্রিওয়ালা হুজুরদের এটিএন বাংলায় প্রোগ্রাম করতে দিলাম । তাদের কথা বার্তা এত টানেনি আপনি কি বলেন সবই তো মন ছুঁয়ে যায় " মানবতাবোধ কে যে ইসলামের মেইন পার্ট মনে করে ইসলামের দাওয়াহ দিচ্ছে তার কথা শুনলে যে কারো মন ছুঁয়ে যাবে এতে কোন সন্দেহ নাই । সন্ধ্যার কিছু পর বাসায় ফিরলাম । মনে হল এতক্ষন কোন মোহের ভিতর ছিলাম । সম্বিত ফিরে পেলাম কিছুক্ষন পর । অনেক উচ্চশিক্ষিত মানুষের সংস্পর্শে থেকেছি , অনেক ইসলামপন্থী মানুষকে কাছ থেকে দেখেছি , অনেক উচ্চবিত্ত পরিবারের সাথে মিশেছি , অনেক বন্ধুর সাথে সময় পার করেছি কিন্তু সম্বিত ফিরে আসার পর মনে হল , এতক্ষন যার সাথে ছিলাম তার জ্ঞানের প্রাচুর্য হাজার হাজার ডিগ্রিকেও হার মানায় . . . মানবতাবোধ যার প্রকৃত ধর্ম তথাকথিত ইসলাম্পন্থীরা তার সামনে লজ্জা পাবে . . . সম্পদের প্রাচুর্য সত্ত্বেও অনাড়ম্বর জীবন যাপনে যে অভ্যস্ত এবং রাস্তার ফকিরদের বুকে জড়িয়ে ধরতে যে কুন্ঠাবোধ করেনা তার সামনে অহংকারি উচ্চবিত্তদের প্রেস্টিজ চলে যাবে বৈকি ! . . . আর বন্ধু ? সমবয়সী অনেক ইন্টিমেইট বন্ধুর থেকেও তিনি হতে পারে যেকোন বয়সের , যেকারো প্রকৃত বন্ধু . . . .
আপনি অনেক কথা বলেছেন , এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ সময়ে প্রকাশ পেয়েছে - মেয়েটি ও তার মা মন্দ । পাশাপাশি এটাও বলেছেন যে আপনি এই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চান । আপনি যদি এতটাই মনে করেন মেয়েটি খারাপ , তাহলে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাই ভালো । হয়তো সে যখন ভালো ব্যবহার করে , আপনি পটে যান , কিন্তু কাউকে ভালোবাসতে হলে মনেপ্রাণে তার ওপর আস্থা রাখতে হবে । এ আস্থা যখন আপনার নেই , তখন এ সম্পর্ক থেকে সরে পড়াই ভালো ।
২ । মুরগির বাসস্থান নিরাপদ ও আরামে থাকার জায়গার নাম বাসস্থান । বাসস্থান নিরাপদ রাখতে হলে নির্বাচিত স্থানের উপযোগী দ্রব্যসামগ্রী দিয়ে তা এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে ঝড়বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দূর্যোগে সহজে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় । বাসস্থানের অভ্যন্তরীণ চাহিদা , যেমন - পরিমাণমতো থাকার জায়গা , প্রয়োজনীয় সংখ্যক খাদ্য ও পানির পাত্র , তাপ ও আলো এবং বায়ু চলাচলের সুব্যবস্থা থাকতে হবে । পালনকারীর সামর্থ্যরে ওপর নির্ভর করে ঘর পাকা , কাঁচা বা টিনের হতে পারে । প্রজাতি বা স্ট্রেইন অনুযায়ী যতগুলো মুরগি রাখা হবে এদের মোট জায়গার পরিমাণ হিসেব করে ঘর তৈরি করতে হবে । পাশাপাশি দুইটি ঘরের মাঝে ২৫ - ৩০ ফুট বা ততোধিক জায়গা আলো ও মুক্ত বাতাস প্রবাহের জন্য খালি রাখা দরকার ।
প্রজন্ম ফোরাম » ফোকাস » আমার তোলা ছবি , আপনাদের জন্য
আপনারা এটি পড়ে দেখুন । আমি জড়িত থাকলে তা প্রমাণ করুন । " কমিটির বৈঠক শেষে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মুস্তফা কামাল । গত ডিসেম্বর - জানুয়ারিতে শেয়ারবাজারে ধস তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি করে সরকার । কমিটি গত ৭ এপ্রিল তার প্রতিবেদন দেয় ।
প্রতিদিন খবর আনে খবরের কাগজ প্রতিদিন মরছে মানুষ ইরাক কাষ্মির লিবিয়া প্যালেসটাইন কিংবা বাংলাদেশে সচিত্র বর্নমালায় থমকে থাকা স্বপ্নের লাশ প্রতিদিন নতুন খবর রোমাঞ্চিত চায়ের গ্লাস কাটা গলা কাটা মাথা পাকস্থলী এফোর ওফোর রক্তের ফিনকি লেগে শুকনো হাতের থালার উপর ধরহীন মুন্ডুমালার সমবেত অট্টহাসি আজকের টাটকা খবর দিন ফুরোলেই কালকে বাসি বল বল কি আসে যায় তোমার আমার রাজনীতি মারবে যাদের তারা তো লাশ সংখ্যা গোনার অনন্ত সংখ্যা দেখো গুনছে চেনা আঙুলগুলি উদাসিন আকাশ দেখে গনদাহের দীপাবলী দেখো দেখো ভালো মানুষ নিছক দেখায় কি বা ক্ষতি উলঙ্গ চাদঁও দেখে ছিন্ন হওয়া গর্ভবতী সচিত্র খবর দেখো সিউরে উঠছে গোপন সুখে অশ্লীল রক্ত লেগে তোমার আমার সবার মুখে মৃত ঐ গর্ভ আবার যন্ত্রনাতে উঠবে হেসে ছড়াবে বিষের নেশা মায়ের স্তন বৃন্তে মিশে নিরক্ত চাদেঁর নীচে জন্ম নেবো তুই ও আমি প্রতিটি শবের দেহ আমার নতুন জন্ম ভূমি । । আমার নতুন জন্মভূমি । ।
বর্তমানে চলচিত্রে সিজি ( কম্পিউটার গ্রাফিকস ) বা এনিমেশনের ব্যবহার অহরহ । হলিউডের বেশীর ভাগ চলচিত্রে সিজি এর ব্যবহার আজকাল সাধারন বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে । তবে যদি বলি বাংলাদেশী চলচিত্রে সিজি এর ব্যবহার শুরু হয়েছে তাহলে অবাক হবেন নিশ্চই ।
ঢাকা , ১০ জুলাই ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : শফিক তুহিনের ' স্বপ্ন এবং তুমি ' অ্যালবামের ' এর বেশি ভালোবাসা যায় না ' গানটি দারুণ শ্রোতাপ্রিয় হয় । এ গানে শফিক তুহিনের সঙ্গে দ্বৈত কন্ঠ দিয়েছিলেন তাসমিনা . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
Download XML • Download text