Text view
ben-16
View options
Tags:
Javascript seems to be turned off, or there was a communication error. Turn on Javascript for more display options.
অটঃ ধর্ম নিয়ে কোন আলোচনা হলে আমাদেরকে তর্কে না যেয়ে আলোচনার মধ্যে অনেক ভাল ভাল তথ্য জানা জায় ।
ভালোই ! আমি ১০টা সিনেমা দেখেছি কী না সন্দেহ ।
বান্দরবান , ২৭ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে রাঙ্গামাটিতে আরেক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা । রোববার রাত ১২টার দিকে বাঘাইছড়ি উপজেলার পাবলাখালী গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে জেএসএস কর্মী কালংকর . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
মীন Pisces ১৯ ফেব্রুয়ারি - ২০ মার্চ । ভর # ৩ > মীন রাশির এখন সুসংবাদ এটি । এ সপ্তাহের ভর ৯ এবং মীন রাশির ভর ৩ যোগ দিলে হয় ৯ + ৩ = ১২ । তবে এই ১২ মাসে ওই ১২ নয় , অর্থাৎ ১২টা বাজা নয় , বরং তার উল্টো - ১ + ২ = ৩ । এই সংখ্যা ৩ হচ্ছে এক আদি নিশ্চয়তা উচ্চারণের বিধি । কথাটা বিয়ের কাজি সাহেবকে জিজ্ঞেস করুন , সংসদের স্পিকার মহোদয়কে জিজ্ঞেস করুন , বা আপনার যাকে ইচ্ছে তাকে জিজ্ঞেস করুন । আমরাও মোটামুটি নিশ্চয়তা দিয়ে বলছি , মানে মহামতি পিথাগোরাসের প্রতিধ্বনি করে বলছি , মীন এবার করিবে ছিন্ন বাধা , সৌভাগ্যের সঙ্গে তাহার জীবন রয়েছে বাঁধা ।
আমার এক চাইনিজ বন্ধু আছে । তার নাম লুমি । বেশ নাদুস - নুদুস দেখতে । ভোজন রসিক মানুষ । খেতে বসলে প্লেট উপচায় খাওয়া নেয় । তখন সে বিশেষ কাউকে একটা চিনেনা । আর ইংরেজি যা বলে , তার থেকে আমার বাসার কাজের মেয়েটাও অনেক ভালো ইংরেজি বলতে পারে । লুমি এবং তার বউ লুমির ছোটবেলার ছবি . . .
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রোগীদের আত্মীয় - স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় , কোম্পানির লোকজন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের ভেতরে ব্যাগে করে এসব স্টেন্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন । যখন কারো প্রয়োজন হয় তখন চিকিৎসকরা কোম্পানির লোকদের কাছ থেকে তা সংগ্রহ করে রোগীর লোকদের নিদিষ্ট অঙ্কের দাম দেয়ার পরামর্শ দেন । এমনকি চিকিৎসকরা রোগীকে বা রোগীর লোকদের কম দামে স্টেন্ট কিনে দেয়া হলো বলে আশ্বস্ত করেন । রোগী ও রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেন , সব হাসপাতালেই একই অবস্থা ।
প্যারিসে বুলভার দ্যু তম্পল ( Boulevard Du Temple ) - এর তুর্কি কাফেটি প্যারিসের নাগরিকদের প্রায় ভাবায় তুরষ্কের কাফে বিপুল বিলাসে ভরা , তুর্কি কাফে সম্বন্ধে যদিও এ ধারনা বদ্ধমূল হয়ে গেছে , কিন্তু আমি তো দেখেছি কন্সতান্তিনোপল - এর কাফেগুলোর সাথে আছে প্যারিসের এই তুর্কি কাফেটির বিস্তর ফারাক । সেখানকার কাফেতে প্যারিসিয়ান খিলান নেই , নেই চমকপ্রদ থাম , উটপাখির ডিমের আয়না নেই - কী যে সাধারণ তুরষ্কে তুর্কি কাফে , এমনটি আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না ! বারো বর্গফুটের একটি ঘর তাতে চুনকাম করা । চারপাশের দেয়ালে একজন মানুষের উচ্চতার সমান অংশ কাঠ দিয়ে ঢাকা । একটি খড়ের মাদুরের ওপর একটি ডিভান । ঘরটির মাঝখানে প্রাচ্যের নিয়মে একটি সাদা মর্মর পাথরের ফোয়ারা । ঘরের এককোণে একটি বাক্সের মধ্যে একটি চুলা সারাক্ষণ জ্বলছে , যেখানে কফি ফুটানো হচ্ছে । এবং পরিবেশিত হচ্ছে পেয়ালার পর পেয়ালা , তামার ছোট্ট কফিপটে , সে পরিমাণে যে পরিমাণে খদ্দেররা চায় । দেয়ালগুলোতে তাক লাগানো , যাতে রাখা আছে ক্ষুর চিমটি কাঁচি চিরুনি , যেখানে ঝোলানো থাকে ছোট্ট চমৎকার ঝিনুকের আয়না । তাই কাফেতে ঢুকেই আমরা দেখে নিতে পারি আমাদের মুখাবয়বটি - আমার যেমনটি চাই তেমন করে সাজানো আছে কিনা - না থাকলে কাজটা আমরা সেখানে সেরে নিতে পারি । সব তুর্কি কাফেই যুগপৎ ছোট্ট নাপিতের দোকানও । এবং আমি যখন ফুঁকে যাচ্ছিলাম আমার চুরুটটি মাদুরে উবু হয়ে , একজন তোতানাকের স্থূলদেহী তুর্কি আর ইগলনাকের একজন কৃশতনু পার্সি আমার সমুখেই বসেছিল , এরমধ্যে একজন গ্রিক যুবক - বিলাসী স্বভাবের , গোঁফ ছাঁটছিল ও ভ্রুতে রং লাগাচ্ছিল , কিছুক্ষণ আগে যা সে একটি ছোট্ট চিমটি দিয়ে গুছিয়ে নিয়েছিল ।
শিবালয় ( মানিকগঞ্জ ) : শিবালয় থানা পুলিশ উপজেলার জাফরগঞ্জ বাজারের একটি দোকান থেকে বুধবার সন্ধ্যায় ৩০ বস্তা ওএমএসের সিজ করা চাল গোপন সমঝোতার মাধ্যমে জিআরের চাল বানানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে । এ চাল নিয়ে শিবালয় থানা পুলিশ ও সরকারি খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে ।
বাইরে লেখাপড়া করছি । সবাইকে দেখি দেশ নিয়ে অনেক আগ্রহ , প্রতিটি মানুষ কিছু না কিছু করতে চায় । অনেকে বিচ্ছিন্ন ভাবে চেষ্টাও করছে , যদিও হতাশের সংখ্যাই বেশি । অনেক স্বপ্ন নিয়ে সেপ্টেম্বরে দেশে ফিরব । সবাই বলছে ঝুকি নিচ্ছি , তবুও সামনে থেকে কিছু করার খুব ইচ্ছা । জানি এতদিন ধরে যা নিয়ে পড়াশুনা করলাম , দেশের জন্য তা অনেক দরকারি হলেও আমি প্রতক্ষ্য সু্যোগ পাব না তবুও ।
লংকান ক্লথিং ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট সনদ সর্বস্ব শিক্ষাদানে বিশ্বাসী নয়ঃ
উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের দরগাহবিলে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সংঘটিত চাঞ্চল্যকর এসিড সন্ত্রাস মামলার ৩ মাস পর অভিযুক্ত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১০ নেতাকর্মীকে বাদ দিয়ে মাত্র ৪ জনের বিরুদ্ধে গতকাল আদালতে অভিযোগপত্র ( চার্জশিট ) দাখিল করেছে পুলিশ । তবে খবর পেয়ে বাদীপক্ষ পুলিশের এই অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করে আদালতে নারাজি দরখাস্ত দিয়েছে । বাদীপক্ষ মামলার পুনঃতদন্তেরও দাবি জানিয়েছে ।
বন্ধুরা তোমাকে " ৬৯ মডেল বলে নির্মম বাক্য ব্যয় করে - আর তুমি চোখে কৌতূহল জাগিয়ে বিশ্বাস্য হাসিতে মৃদু প্রতিবাদ ক ' র । অথচ , এই তোমাকেই তুলনীয় করে অনেকেই তো হয়েছে ( হচ্ছে ) সুখ্যাত নায়ক , পার্শ্ব চরিত্রে তুমি অভিনয় করে যাচ্ছ চমৎকার , ভেবেছ , এ তোমার সর্বশেষ প্রাপ্য অঢেল । প্রায়শই এ হাট থেকে ও হাটে বিক্রি হচ্ছো তুমি , আর অসংখ্য প্রতিবিম্ব হয়ে ভোগ্য হয়ে উঠছো প্রতিনিয়ত , ভেবেছ , যদি নাই পার নিস্বার্থের আগুনে সবাইকে ছিন্ন ভিন্ন করতে , তবে , তোমাকেই তুমি পুড়ে ছাই করতে থাকবে এবং সবার উপর প্রতিশোধ নেয়া হয়েছে ভেবে , দুচোখে কান্নার ঝড় তুলবে ।
আমি যতদূর জানি তাতে Creative এর Cambridge Sound Works এখন আর পাওয়া যায় না ( originalগুলো ) । আমি একসময় প্রচুর খুজেছি ।
এপ্রিল ০২ , ২০১১ , শনিবার : ১৯ চৈত্র , ১৪১৭
লেখক বলেছেন : ষড়যন্ত্র না , নিজেদের বাঁচার পায়তারা চলতেসে , এইভাবে আর কয়দিন ? ? আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ , বড় ( ! ! ) আফা আপনে এত্তো Irregular ক্যান ?
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে ১ম বর্ষের মেধাবী ছাত্র শেখ হাসিবুর রশীদ অনীকের স্মরণে চারুকলা ইনস্টিটিউট , খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চারদিনের কর্মসূচির অংশ হিসাবে সম্প্রতি চারুকলা ইনস্টিটিউটে এক শোকসভার আয়োজন করা হয় । চারুকলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ( ভারপ্রাপ্ত ) ড . আফরোজা পারভীন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন
দরবৃদ্ধিতে এগিয়ে ছিল - ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক , এসিআই ফর্মুলেশন , সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক , মালেক স্পিনিং , গ্রামীণ ওয়ান , মেট্রো স্পিনিং , প্রথম প্রাইম ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড , ওরিয়ন ইনফিউশন , রংপুর ফাউন্ড্রি ও মবিল যমুনা । অপরদিকে দর কমায় শীর্ষ দশ ইস্যু হলো - ইস্টার্ন ব্যাংক এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড , মুন্নু জুট স্টাফলার , ইস্টার্ন ব্যাংক , স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক , চিটাগং ভেজিটেবলস , ব্র্যাক ব্যাংক , বাংলাদেশ অক্সিজেন কোম্পানি , মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স ।
পোষ্ট করেছেন : ৭ টি মন্তব্য করেছেন : ২৭১ টি ব্লগ লিখছেন ০ বছর ৬ মাস ১৭ দিন ব্লগটি দেখা হয়েছে : ৪১১ বার
একজন অসামান্য আদর্শবাদী শিল্পী আর গীতিকার । একজন সফল সংগঠক
১৯৬৮ - তে উইক - এণ্ডে বাসে প্যারিস গেলাম । ইস্টারের ছুটিতে । বাস যেখানে নামিয়ে দিল , দেখি রাস্তাঘাট ফাঁকা । প্যারিস তখন উত্তাল । আমি তো কিছুই জানি না । লণ্ডনে তখন এত খবর আসেনি । দোকানপত্র লণ্ডভণ্ড , ডাস্টবিনগুলো ওল্টানো , সে এক ভয়াবহ যুদ্ধক্ষেত্র । কাগজে পড়লাম , ছাত্র আন্দোলন । চার দিন ছিলাম । ঘুরতেই গেছিলাম পায়ে হেঁটে । কাগজে বেরোল , জাঁ পল সার্ত্র প্রোটেস্ট মুভমেন্ট করছেন ছাত্রদের নিয়ে । ফিরে এলাম লণ্ডনে । তখন লণ্ডনে আমার প্রচুর কাজ । সকাল আটটায় বেরোতাম , রাত ন ' টায় ঢুকতাম । ব্যক্তিগত জীবন আর আন্দোলন এক হয়ে গেছিল । বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয় , তখন বাংলাদেশের কিছু কিছু নেতা আমার লণ্ডনের বাড়িতে যাতায়াত করতেন ।
হ - বাংলা নিউজ : প্রযুক্তি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আগামীতে মানুষের নিঃসঙ্গতা দূর করতে সহযোগিতার ভূমিকা পালন করবে প্রযুক্তি । একাকি কেউ দূরে কোথাও ভ্রমণ গেলেও হোটেলে তার একাকিত্ব কাটানোর ব্যবস্থা থাকবে । ট্রাভেলজ এমনই এক ভবিষ্যৎ হোটেলের চিত্র প্রকাশ করেছে । এতে দেখানো হয়েছে ভ্রমণকারীর একাকিত্ব দূর করতে হোটেল রুমেই ভার্চুয়াল সেক্সের ব্যবস্থা থাকবে ।
শফিউদ্দিনের স্ত্রী সেলিনা আক্তার মানিকগঞ্জ থেকে টেলিফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন , " আমাদের পরিবারের সবাই খুব দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি । আমার স্বামীসহ অন্য যাদের জিম্মি করা হয়েছে , তাদের মুক্ত করা জন্য সরকারের কাছে সাহায্য চাইছি । সরকার যেন এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় । "
পোস্ট করা হয়েছে : সোম নভেম্বর ১৬ , ২০০৯ ৫ : ৩৬ অপরাহ্ন
মুসলিম নারী ধর্ষিতা হলে সে শুধু তখনই বিচারের জন্য কর্তৃপক্ষের শরণ নিতে পারে , যদি তার পক্ষে সাক্ষী থাকে চারজন । এর অর্থ হতে পারে একটাই : সব মুসলিম মেয়েকে সব সময় চারজন বিশ্বস্ত সঙ্গী / সঙ্গিনীকে পাশে রাখতে হবে । বাস্তবে তো তা সম্ভব নয় এবং সেটার ফল একটাই : ইসলামী আইনে ধর্ষিতার পক্ষে ধর্ষণের প্রমাণ দেয়া এক্কেবারেই অসম্ভব । অতএব মুসলিম পুরুষেরা মনের আনন্দে ধর্ষণকার্য চালিয়ে যেতে পারে ।
ঠিকই বলেছেনে ভাই । আসলে পরিস্হিতিতে অনেক কিছুই বাধ্য হয়ে করতে হয় । আপাতত অনুভূতিটা ছিল ছবি দেখে ।
' সমকামিতা অস্বাভাবিক ' এবং বিদেশি রোগ ' - এ মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতীয় স্বাস্থ্যমন্ . . .
যুবরাজ অধিকতর অধীর হইয়া কহিলেন , " মুক্তিয়ার , মনে আছে , আমি এক কালে সিংহাসন পাইব ? আমার কথা রাখো , আমাকে সন্তুষ্ট করো । "
অবশ্য আমি তো আবার রসবিহীন উবুন্তুপ্রেমী আর গণিত ছাত্র । তাই বোধহয় এসব রেপু / রেটিং এর মাহাত্ম বুঝতে পারি না । প্রথমদিকে আমি নিজেও খুব উৎসাহ নিয়ে রেপু / রেটিং দিয়েছি । কিন্তু এখন এসব অর্থহীন মনে হয় ।
আমি ভাই খুব অলস মানুষ । তবু কিছু কিছু বিষয় আছে যা দেখে আর চুপ থাকা জায় না । আপনার অনুরোধ অনুযায়ী চেষ্টা করব । আচ্ছা আরেকটা কথা , আপনিই কি কল্লোল মোস্তফা ? আপনার লেখার নিচে দেখলাম কল্লোল মোস্তফার নাম । এই লেখকের আরো কিছু লেখা আমি পড়েছি , তেল - গ্যাস নিয়ে ভালোই লেখেন , ভালো লেগেছে লেখাগুলো । সেদিন আনু মুহাম্মদ স্যারের সঙ্গে কল্লোল মোস্তফার বিষয়ে কথা হচ্ছিল । তিনি আমাকে বললেন , ' কল্লোলকে তুমি দেখ নাই । ' আপনিই কি তিনি ?
বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন : অনেক ভাল লেগেছে পিচ্চিদের দেখে ।
অনলাইনে অন্যদের সাথে নিজের বিস্তারিত পরিচিতি শেয়ার করার জন্য একাধিক সাইট আছে । এর মধ্যে কিছু আছে অফিসিয়াল কাজের জন্য , আবার কিছু আছে ব্যক্তিগত পরিচিতির জন্য । সাইটগুলোতে আলাদা আলাদাভাবে লগইন করে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হয় । কিন্তু আপনার যদি একটি গুগল একাউন্ট থাকে , তাহলে আলাদা করে প্রোফাইল বা জীবনবৃত্তান্ত প্রকাশ করার জন্য কোন সাইটের দ্বারস্থ হবার কোন দরকার নেই । একটিমাত্র গুগল একাউন্ট দিয়েই http : / / www . google . com / profiles এর মাধ্যমে নিজেকে সারা পৃথিবীর সামনে উপস্থাপন করতে পারবেন । গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে গুগল বাজ ( Google buzz ) প্রকাশিত হওয়ার পর চারিদিকে ব্যাপক সাড়া পরে যায় । ফেসবুক ও ট্যুইটারকে টেক্কা মেরে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে প্রকাশিত গুগল বাজ নিয়ে মানুষের মধ্য প্রচুর আগ্রহ ছিল । কিন্তু মানুষের প্রাইভেসিকে মুহূর্তের মধ্যে প্রকাশ করে দেয়া ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমেইল কন্টাক্টগুলোকে বন্ধু হিসেবে যোগ করে দেয়ায় গুগলের সমালোচনা কম হয়নি । ১২ তারিখে গুগল এই ভুলগুলো স্বীকার করে নেয় । এবং প্রাইভেসি বজায় রাখা ও পছন্দমতো বন্ধু বা অনুসরনকারী ( Follower ) যোগ করার অপশন গুগলবাজে যোগ করে । আপনারা জানেন যে জিমেইল ব্যবহার করার সাথে সাথে গুগলবাজ ব্যবহার করা সম্ভব । আবার আপনার যদি ব্লগার . কম এ কোন ব্লগ থাকে , তাহলে তার নতুন পোস্টগুলো গুগলবাজে প্রকাশ হয়ে পড়ে । এদিকে কি হয়েছে তা হয়তো খেয়াল করেননি । আপনি জানেন কি , আপনার গুগল প্রোফাইলেও বাজ নামক নতুন একটি ট্যাব যোগ হয়ে গেছে । আর সেখানেও ব্লগের নতুন পোস্টগুলোর টাইটেল ও লেখা সংক্ষিপ্তাকারে প্রকাশ হয়ে চলছে । আগ্রহী অন্যরা আপনার প্রোফাইল দেখে আপনার সম্পর্কে একটি নিজস্ব মনগড়া ধারণাও মনের মধ্যে গেঁথে নিচ্ছে । যদি তা আপনার পছন্দ না হয়ে থাকে , তাহলে দোষ কিন্তু আপনার নিজের । কারণ আপনি নিজেই গুগলে প্রোফাইল পেজটি সম্পাদনা করেননি । এখুনি http : / / www . google . com / profiles ভিজিট করুন । ফরমের প্রয়োজনীয় অংশগুলো পূরণ করে সেভ করুন । গুগল প্রোফাইলকে অসম্পাদিত হিসেবে ফেলে রাখবেন না । মাত্র কয়েক মিনিট ব্যয় করে একে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করে তুলুন । অন্যদেরকে আপনার সম্পর্কে ভিন্ন ধারণা করবার অবকাশ দেবেন কেন ? আমার গুগল প্রোফাইল লিংকঃ http : / / www . google . com / profiles / aero4k
অজিত বলেছেন : এমন ভাবে আর কতদিন চলবে ? ? ? আমিও একশ খুন করতে চাই । একটা একে৪৭ চাই ।
দীর্ঘ সময় নিষিদ্ধ থাকার পর ১৯৮০ সালে ইখওয়ান আবারো মূলধারায় ফিরে আসে । ওয়াফদ পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে জোটবদ্ধ হয় । ইখওয়ানের ওপর অব্যাহত নিপীড়ন ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উথ্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণে এই দলের একটি অংশ আশির দশকে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছে নেয় । যদিও তাদের সংখ্যা ছিল খুবই সামান্য ।
অনুষ্ঠানটি বিবিসি বাংলায় প্রচারিত হয় গত ২৭শে ডিসেম্বর , ২০০৯ প্রবাহ অধিবেশনে ।
যুদ্ধ ভাই , আগে আপনার জন্মের রহস্য খুঁজে বের করুন টা হলেই আপনার উপরের প্রস্নগুলর সমাধান আপনি পাবেন ।
পোস্ট করা হয়েছে : শনি জুন ০৫ , ২০১০ ৬ : ৪৭ অপরাহ্ন
রান তাড়া না করার রহস্য খোলাসা করে দিলেন স্বয়ং ভারতীয় অধিনায়ক , " রান তাড়া না করায় হতাশ হওয়ার কিছু নেই । কম স্কোরের এ লক্ষ্যেও আমাদের সিরিজ জেতার ঝুঁকি ছিল । ওই উইকেটগুলোর পর আমরা বুঝতে পেরেছিলাম জয় আমাদের জন্য মূল্যবান নয় । তাই ওই চিন্তা বাদ দিয়েছিলাম , কিন্তু সিরিজ জয়ে আমরা খুশি । "
বহুদিন হীরার দেশে আছি কিন্তু উল্লেখযোগ্য কোন হীরার গয়না নেই আমার । একটা সেই ধরনের ফোর " সি " এর হীরার গয়নার আমার খুব শখ । আমি খালি নেটে দেখি আর পড়াশুনা করি এর ওপর । যতোই পড়ি ততোই বাজেট যায় বেড়ে , এই দুমূল্যের বাজারে । বাসার ওনি খালি মোচরান । পরে বললেন , কোন একটা বিশেষ উপলক্ষ্যে তিনি এই আবেদন বিবেচনা করবেন । গরীবের বাড়িতে উপলক্ষ্য সহসা আসে না । মেয়ে হওয়ার পর তিনি ভাবলেন , এবার কিছু বিবেচনা করা যায় । আমরা এন্টওয়ারপেন গেলাম ট্যাক্স ফাঁকি দেয়ার জন্যে । বিভিন্ন রকমের ছাঁটের পাথর গুতাগুতি করে ফাইন্যালি একটা ফাইন্যাল করলাম । তিনি বেজার মুখের ক্রেডিট কার্ড বের করে পয়সা দিলেন । দোকান মালিক জিউ ভদ্রলোক তখন সত্যি বিশ্বাস করলেন এই বাদামি চামড়ার লোকজন খালি হাতাহাতি করে রেখে চলে যাবে না । তিনি তার মুখের অমূল্য হাসি প্রদান করে আমার দিকে হাত বাড়ালেন , হ্যান্ডশেক করার জন্যে । আমি বুঝি নাই । আমি হাত দিলাম । তিনি ফ্লেমিস , ফ্রেঞ্চ আর ইংরেজি মিশিয়ে বললেন , কনগ্র্যাচুলেশনস ইন এডভান্স । বিয়ের ডেট কবে ঠিক করেছো ? একা আংটি কিনতে আসছো যে ? ফিয়াঁসেকে কেনো সাথে নিয়ে আসো নাই । খুব মানাবে এই আংটি তোমাকে । পাশের জন মুখ কালো করে দোকানের জানালা দিয়ে বাইরের আকাশ দেখছে । আমি খুঁকখুঁক কেশে বললাম , বহুদিন আগে এই বিল প্রদানকারীর সাথে আমার শুভ পরিনয় সুসম্পন্ন হইয়াছে , এখন কন্যা হইয়াছে । কন্যাকে ডেকেয়ারে রাখিয়া আমরা কেনা কাটায় বেরিয়েছি ।
লিখেছেন আলমগীর ( পাতাগুলি ১ ২ ৩ )
মেহেদী আকরাম এর প্রতিউত্তর : সেপ্টেম্বর 4th , 2010 তারিখে 10 : 50 অপরাহ্ন ঘটিকায়
তার কান্ড দেখে আরেক মাতাল বলে উঠলো , কি রে , পোরা কাঠি আবার রেখে দিলি কেন ? , আরে বন্ধু , পুরো ম্যাচে মাত্র একটা কাঠি ভাল । এখনি যদি ব্যবহার করে ফেলি তবে বাসায় যেয়ে হারিকেন জ্বলাব কি দিয়ে ?
মুক্তিযুদ্ধটারে আপ্নে এইভাবে এতো সহজ সরল্ভাবে নিয়েন না । বাঙালির বিশেষ করে পূর্ববঙ্গের মানুষদের আগে পিছে এখনো পর্যন্ত কোনও আন্দোলন সংগ্রাম নাই মুক্তিযদ্ধ ছাড়া । আপ্নে যেইভাবে তোতাপাখির মতন ভরভর কইরা প্রায় ভারত মাতা কি জয় এর মতো মন্ত্রনাগীত গাইলেন মুক্তিযুদ্ধ আপ্নের সেইরম না । মুক্তিযুদ্ধ আপ্নের আওয়ামি বিএনপি কিংবা ভারতের লটরপটর না । এইটা এই পূর্ববঙ্গের প্রথম মহাবিদ্রোহ । এইটারে নিয়া এইভাবে টাইনা গঙ্গাজলে ডুবাইয়েন না , এইটা পদ্মা মেঘনা যমুনা বুড়িগঙ্গা আড়িওলখাঁ ব্রম্মপুত্র সুরমার সমবায়ী হাজার বছরের ফসল । এইটা কারো দয়া কিংবা করুণার ফসল নয় নয় কারো উপঢৌকন ! কথা কইবেন মুক্তিযুদ্ধ নিয়া কিন্তু সেইটা জেনো হয় ইতিহাস আর প্রজ্ঞা নির্ভর । ভারত আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র হয়তো ভাল বন্ধুও ! তাই বইলা ইনারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ঘরে আইনা দিছে আর আমরা ঘরে বইসা আঙুল চুষছি সেইটা কোন ইতিহাস , আপ্নের না ভারতের ইতিহাস ! ? মুক্তিযুদ্ধের ভারতীয় , আওয়ামি আর পাকিগো আর্মিদের লেখা বই পুস্তককে ধর্ম মনে না কইরা এর বাইরে একটু খুজখবর নেন , দেখবেন মুক্তিযুদ্ধ গাল্ভরা গালগল্প না এইটা এই পূর্ববঙ্গের মানুষের জান কোরবান করা প্রথম মহা বিদ্রোহ , প্রথম জাতীয়তাবাদী মহাসংগ্রাম ! এই মহা সংগ্রামের যোদ্ধা পথিক আমরা অন্যরা শোভাবর্ধনকারী ।
এই খেলাতে বিশটি কাঠি ব্যবহার হয় বলে একে ' বিশ কাঠি ' খেলা বলে । ৭ - ১০ বছর বয়সী শিশু - কিশোরদের খেলা এটি । গ্রামাঞ্চলে একসময় এই খেলা বেশ জনপ্রিয় ছিল । একটু সময় পেলেই শিশু - কিশোররা এ খেলায় মেতে উঠত । এখন অবশ্য এ খেলার চল অনেকটা উঠে গেছে । বিশ কাঠি খেলা খুবই সহজ । ছোট ছোট বিশটি যে কোন কাঠির টুকরো সংগ্রহ করতে [ . . . ]
গতকাল ২৮ জুন মঙ্গলবার আনুমানিক বেলা ২ঘটিকার সময় শেরপুর পৌর পানির ওভারহেড পাম্প হাউজের পাম্প মেকানিক মোঃ তায়েব উদ্দিন ( ৪০ ) এক বকন বাছুরকে তার লালসার স্বীকার করে ধর্ষন করে । বোবা প্রানীর চিৎকার হাম্বা হাম্বা ছাড়া আর কিছুই বলতে পারেনি । ঘটনাটি পাম্পের পাশেই কর্মরত কাঠ মিস্ত্রীরা সর্ব প্রথম দেখে ফেলে এবং প্রতিবাদ করতে যায় । তারপর ¯ হানীয় লোকজন ভীর জমালে ঘটনাটি পৌর পানি সরবরাহের উর্ধতন কর্মকর্তার কানে পৌছালে তিনি সাথে সাথেই ঘটনা ¯ হলে আসেন এবং বিষয়টি তদন্ত পূর্ব্বক তাৎক্ষনিক তাকে তার কর্ম থেকে প্রাথমিক ভাবে বহিস্কার করা হয় । এক সূএে জানা গেছে এর আগেও সে এরকম একটি নেক্কার জনিত ঘটনা গটিয়ে ছিল ছাগলকে নিয়ে এটা ¯ হানীয় লোকজন অবগত আছেন । তাকে সাবধান করার পরেও সে সাবধান হয়নি বরং আরো গুরুতর ঘটনা ঘটালো । এব্যাপারে ¯ হানীয় লোকজন চুরান্ত বিচার প্রার্থনা করে শেরপুর পৌর সভার মেয়র বরাবর দরখাস্ত দেয় । শেরপুর শহরে এর আগে এমন বিবেক হীন মানুষরুপী পশুত্ব কাজের ঘটনা আর ঘটেনি । লোকটি জামালপুরের ¯ হায়ী বাসিন্দা । লোকটির ঘরে এখনো ২ জন স্ত্রী বলবত রহিয়াছে এবং সে ৩ সন্তানের পিতা ।
ওয়াসিম বলেছেন : এস এইচ খান বলেছেন : এ ঘটনা সম্পর্কিত পোস্টগুলোতে কোন মন্তব্য করিনি । বুঝতে চেয়েছিলাম প্রকৃত ঘটনা ।
শেষ পর্যন্ত রাজস্থানই জিতে নিল মিলিয়ন ডলারের শো আই . পি . এল . - এর প্রথম কাপ । যদিও চেন্নাই ভালো খেলা দেখিয়েছে । এসব খবর পুরোনো হলেও একটা বিষয় তুলে আনতে চাই । অনেকে বলছেন এই ২০ - ২০ খেলা ক্রিকেটের ৫০ - ওভার বা টেস্ট ম্যাচের অবসান ঘটাবে । এমনই একটা রিপোর্ট দেখলাম এখানে । কিন্তু আপনারা কি মনে করেন ? আমি নিজে আসলে ২০ - ২০র বিশাল ভক্ত । কিন্তু তাই বলে আমি চাই না ক্রিকেটের মূল রূপ পরিবর্তন হয়ে বিলুপ্ত হয়ে যাক । যদিও ৩ঘন্টার ম্যাচ বড় উত্তেজনাকর ৫০ - ওভারের চেয়ে তাই বলে এটির বিলুপ্তি কি আপনারা কেউ চান বা মেনে নিতে পারবেন ? আপনারা কিভাবে দেখছেন ক্রিকেটের ভবিষ্যত ?
লেখক বলেছেন : একমত হতে পারলাম না আসুন ভাইরাস এ ভরা একটা কম্পিউটার Scan করি AVIRA AVG Mcafee তারপর Kaspersky Nod 32 Norton দিয়ে Scan করুন তফাৎ বুঝে যাবেন আমার নিজের হাতে পরীক্ষা করা । IT বিভাগে থাকার কারনে কমপক্ষে ১০০ বা তার বেশী পিসিতে পরীক্ষা চালানোর অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে । আপনাকে ধন্যবাদ মতামত দেবার জন্য ।
জানা গেছে , যদিও ১১ মে উত্সব শুরুর পর থেকেই সর্বত্র আলোচনায় ছিল ডেনমার্কের ছবি ' মেলানকোলিয়া ' । কিন্তু জার্মান স্বৈরশাসক
যুক্তরাষ্ট্রের টেঙ্াস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড . জেফরি জিগম্যান ও তাঁর সহকর্মীরা জানিয়েছেন , মানসিক চাপের মধ্যে থাকার সময় মানুষের শরীরে ঘ্রেলিন নামের একটি হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায় । এটিই দেহে ক্ষুধার অনুভূতি তৈরি করে । ফলে মানুষ খাবারের দিকে ঝুঁকতে শুরু করে ।
লেখক বলেছেন : হানিফ ভাই ধন্যবাদ । আমিও আপনার সাথে আশাবাদী হতে চাই , এখনো সময় আছে । শেষ পযর্ন্ত যদি খেলতে পারে , আমরা সবাই খুশী হবো । হরতালের খবর এখনো বিস্তারিত জানিনা । অবশ্যই আপডেট জানাবো ।
আমার একটা গুহা আছে । আজকালকার পত্রিকা অফিসগুলোতে পায়রার খোপের মত জায়গা বরাদ্দ থাকে এক একজনের জন্য । এতে নাকি গাল গল্প কমে , কাজ ভালো হয় । আসলে সব ধাপ্পাবাজি । একজনকে একটা খুপড়ি দিলে সেই বেচারা একা একা চা সিঙ্গাড়া খেতে পারে । তা না হলে এক কাপ চা খেতে সারা অফিস শুদ্ধ . . .
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির স্বার্থ বলতে একটাই , ওই পার্টি আর কমিউনিস্ট পার্টি নেই । যেদিন থেকে ওরা ' রাষ্ট্রীয় পুঁজিবাদ ' - এ দীক্ষা নিয়েছে সেদিন থেকে ওরা CPC = CORPORATE PARTY OF CHINA কর্পোরেট পার্টি অফ চায়না হয়ে গেছে । চীনের পার্টি ও প্রচলিত কর্পোরেট কোম্পানি গুলোর চালচলনে এখন আর কোনো পার্থক্য নেই ।
লেখক বলেছেন : জানি অনেকেরই ভালো লাগবে না । কিন্তু মানূষের জীবনে খারাপ ভালো সব ধরনের ঘটনাই থাকে , কম আর বেশি । কেউ তো আর ফেরেস্তা নয় । তাও লিখেছি অনেক গুলো কারনে । তেমন গুছিয়ে লেকচার দিতে পারবো না তবে , . . . . আমার নিজের অভিগ্যতা থেকে অনেকরই অনেক কিছু শেখার আছে ( খারাপ বা ভালো ) ।
কারন ; এতে দেশ পাবে এক জন মেধাবী সন্তান ।
ধিক্কার জানাই এসব মিডিয়াকে : অর্ধনগ্ন নায়িকা - গায়িকা - নর্তকী - নটিনীদের ঢাউস রঙিন ছবি ছাপানোর জায়গার অভাব হয় না । কিন্তু মহৎ কিংবদন্তীর মৃত্যুর খবরটিও ঠাঁই পেলনা ? যে দেশে গুণীর সম্মান দেয়া হয় না , সে দেশে কখনো গুণী জন্মায় না । চলে গেলেন আরেক কিংবদন্তী প্রাণিবিজ্ঞানী প্রফেসর কাজী জাকের হোসেন - তার স্মৃতি থাকবে অমলিন - প্রখ্যাত প্রাণিবিজ্ঞানী ও
নটর ডেম বলেই হয়তো কিছুই হবে না ঐ শিক্ষকের । সবাই চুপ করে থাকবে ,
( জন্ম নভেম্বর ৩০ , ১৮৫৮ - মৃত্যু নভেম্বর ২৩ , ১৯৩৭ ) একজন সফল বাঙালি বিজ্ঞানী । তার গবেষণার প্রধান দিক ছিল উদ্ভিদ ও তড়িৎ চৌম্বক । তার আবিষ্কারের মধ্যে উদ্ভিদের বৃদ্ধিমাপক যন্ত্র ক্রেস্কোগ্রাফ , উদ্ভিদের দেহের উত্তেজনার বেগ নিরুপক সমতল তরুলিপি যন্ত্র রিজোনাষ্ট রেকর্ডার অন্যতম । জগদীশ চন্দ্রের স্ত্রী অবলা বসু ছিলেন একজন বিদূষী ডাক্তার ও শিক্ষাবিদ । জগদীশ চন্দ্র ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু । বাংলা ভাষায় ছোটদের বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য জগদীশ চন্দ্র ' অব্যক্ত ' নামে একটা বই লিখেছিলেন ।
সেদিনও চোখের জল পেলেছিলাম আজ আবার আপনি চোখ থেকে জল ঝরালেন । স্বজন হারানোর বেদনায় যে কষ্ট তার থেকেও বেশি কষ্ট পাই যখন দেখি সেই সব মানুষ রুপি জানোয়ার যারা এই সবুজ সোনার বাংলাকে রক্ততো আফগান পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিল তারাই আজ আবার দেশপ্রেমের বড় বড় ভুলি আওড়ায় । তাদের কে বাছানোর জন্য যখন দেখি এই দেশে কিছু মানুষ জনগণের অধিকার রক্ষার নাম করে আন্দোলন সংগ্রাম করে । আরও বেশি কষ্ট পাই এই যে এখনো এদের বিচার হয়নি । অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর করে বন্য হায়নার মুখোশ আবার জাতির সামনে তুলে দরার জন্য । অনেক ভালো থাকবেন ।
সেপ্টেম্বর , ১৮১০এ শুরু হয়েছিল মেক্সিকোর স্বাধীনতার যুদ্ধ , এই সেপ্টেম্বরে উদযাপিত হল দ্বিশতবার্ষিকী । সেই উদযাপনের অসাধারণ ৪২টি ছবি দেখুন এখানে ।
আগামী ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে কি আবারও একই ধরনের হত্যাযজ্ঞ , সন্ত্রাস , সাম্প্রদায়িক নির্যাতন চালিয়ে জামাত - বিএনপি সহ তাদের সাম্প্রদায়িক জোট আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে ? এ প্রশ্ন যদি কেউ তোলে সাম্প্রতিককালের ঘটনাবলি থেকে , তাহলে কি তা অতিশয়োক্তি হবে ? এদেশের সাধারণ অসাম্প্রদায়িক জনগণ এই অপশক্তিকে রুখে দাঁড়াবে - এই দৃঢ় বিশ্বাস নিয়েই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়তে চাই আমরা ।
ধন্যবাদ মোহিত , দেখি আমি কতদুর কি করতে পারি । মোট কত মেগাবাইট ফাইল আছে ?
শহীদ আরিফ মারা যান ২৩শে জুন , ১৯৭১ সালে , নওঁগা জেলার আত্রাই থানায় । পাক হানাদারদের এক কোম্পানি সৈন্যের সামনে পড়ে ১৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা , বেঁচে ফেরেনি কেউই । আরিফ মারা যান ব্রাশফায়ারে , কবর দেবার জন্য লাশ নিতে আসেনি কেউ । লাশ পড়ে ছিল , একসময় বন্যার পানিতে হারিয়ে যায় চিরতরে ।
বিনোদিনী অন্যদিনের মতো ঠাট্টা করিয়া তাহার কোনো উত্তর দিল না - সেলাই করিয়া যাইতে লাগিল ।
কুবের মাঝি বলেছেন : অগোছানো মানুষের বৃত্তময় জীবনের কেন্দ্র হলো মা , শুধুই মা । থেংকু মিথিলা
দেশের প্রচলিত আইনে ( ধারা ২৯৪ এবং ৫০৯ ) , ঢাকা মহানগরী পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৭৬ - ধারা ৭৬ দন্ডবিধির ৫০৯ ধারায় বলা আছে , যদি কেউ কোনো নারীর শালীনতার অমর্যাদা করার জন্য কোনো মন্তব্য বা অঙ্গভঙ্গি বা কোনো বস্তু প্রদর্শন করে তাহলে ওই ব্যক্তি এক বছর কারাদন্ড বা অর্থদন্ডে দন্ডিত হবে ৷ যে ব্যক্তি অন্যদের বিরক্তি সৃষ্টি করে কোনো প্রকাশ্য স্থানে কোনো অশ্লীল কাজ করে বা কোনো প্রকাশ্য স্থানে বা সন্নিকটে কোনো অশ্লীল গান , গাথা বা পদাবলি গায় , আবৃত্তি বা উচ্চারণ করে তাহলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কাজকে অপরাধ হিসেবে ধরা হবে এবং উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত মেয়াদের কারাদন্ড , সঙ্গে জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারে ৷ অন্যদিকে মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রচলিত পুলিশ অধ্যাদেশের ৭৬ ধারায় বলা হয়েছে , যদি কেউ কোনো রাস্তায় বা সাধারণের ব্যবহার্য স্থানে বা সেখান হতে দৃষ্টিগোচরে স্বেচ্ছায় এবং অশালীনভাবে নিজ দেহ এমনভাবে প্রদর্শন করে যা কোনো গৃহ বা দালানের ভেতর থেকে হোক বা না হোক , কোনো মহিলা দেখতে পায় বা স্বেচ্ছায় কোনো রাস্তায় বা সাধারণের ব্যবহার্য স্থানে কোনো মহিলাকে পীড়ন করে বা তার পথরোধ করে বা কোনো রাস্তায় বা সাধারণের ব্যবহার্য স্থানে অশালীন ভাষা ব্যবহার করে বা অশ্লীল আওয়াজ , অঙ্গভঙ্গি বা মন্তব্য করে কোনো মহিলাকে অপমান বা বিরক্ত করে তবে সেই ব্যক্তি এক বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদন্ডে অথবা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় প্রকার দন্ডে দন্ডনীয় হবে ৷ ( সূত্রঃ পত্রিকা )
( ডা . মিজানুর রহমান কল্লোল ) বারবার কেন সংক্রমণ হয় ? অনেক মহিলা ঘনঘন মূত্রপত্রের সংক্রমণে ভোগেন । দেখা গেছে , ওষুধ খাওয়ার পর কিছুদিন ভালো থাকেন , আবার তার মূত্রপথে সংক্রমণ দেখা দেয় । প্রায় ৮০ শতাংশ মহিলাই বারবার মূত্রপথে সংক্রমণের অভিযোগ করেন ।
ক . ২ ভাগে খ . ৩ ভাগে গ . ৪ ভাগে ঘ . ৫ ভাগে
২০১০ সালের Global Atheist Convention - এ রিচার্ড ডকিন্সের সঙ্গে দর্শকদের প্রশ্নোত্তর পর্বের একটি মজাদার মুহূর্ত । অনেকেরই মনে হতে পারে , তিনি বর্তমান পোপকে নাৎসি বলছেন । না তা নয় ( যদিও নাৎসি - সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এই পোপের বিরুদ্ধেও আছে ) । ডকিন্স নাৎসি বলেছেন Pope Pius XII - কে । এখানে দেখুন ।
বিশেষ সংসদীয় কমিটি সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন , হাইকোর্টের দেয়া রায় অনুযায়ী এ কাজ করা হবে । দু - এক দিনের মধ্যেই একটি সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটি গঠন করা হবে । এ কমিটি আলোচনা করে ঠিক করবে কীভাবে সংবিধানের সংশোধনী আনা হবে । পরবর্তীতে সংবিধান সংশোধনের জন্য ২১ জুলাই সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরিকে চেয়ারম্যান এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে কো - চেয়ারম্যান করে ১৫ সদস্যের বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয় । এ কমিটি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে ঘটেছে অনেক ঘটনা । কমিটিতে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির যোগ দেয়া না দেয়া প্রশ্নে বছরের মাঝামাঝি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দেশের রাজনীতি । কমিটিতে বিএনপির যোগ দেয়া নিয়ে সরকার ও বিরোধি দলের মধ্যে কয়েক দফা চিঠি চালাচালি হয় । কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিএনপি তাতে যোগ দেয়নি । এ সময় পাল্টাপাল্টি অনেক কথা চলেছে সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটি নিয়ে । বিএনপি থেকে একজন সদস্য কমিটিতে ডাকা হলে তা প্রত্যাখ্যান করে প্রধান বিরোধী দল । বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলছিলেন , বিএনপিকে মেরে ফেলে কবর জিয়ারতের জন্য ডেকে কি লাভ ! এক প্রস্থ এগিয়ে কমিটিতে সরকারি দলের সমান সদস্য দাবি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ । কমিটি গঠনের প্রথম দিকে শোনা যায় কমিটির সদস্যরা নিজে না বসে এ বিষয়ে প্রস্তাবনা আনবে । প্রয়োজনে তারা সংবিধান বিশেষজ্ঞদেরও সাহায্য নেবে । কিন্তু সবশেষে দেখা যায় বিশেষ এই কমিটি সংবিধান সংশোধনে নিজেরা তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি । কমিটি নিজেও হেঁটেছে আদালতের নির্দেশিত পথ ধরে । ৯ আগস্ট কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক থেকে জানা যায় , পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের রায়ের আলোকে সংবিধানের সঙ্গতি - অসঙ্গতি চিহ্নিত করে সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটিতে ৪টি প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে । এ নিয়ে বৈঠকে আলোচনাও হয়েছে । তবে অসঙ্গতিগুলো সম্পর্কে কিছু বলতে রাজি হননি কমিটির মুখপাত্র কো - চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত । তিনি বলেন , অসঙ্গতিগুলো এখনই জনসমক্ষে বলার মতো নয় ।
ঢাকা , ২৭ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডেস্ক ) : নাইজেরিয়ার একটি পানশালায় সন্দেহভাজন জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যদের হামলায় ২৫ জন নিহত হয়েছে । রোববার বিকেলে দু ' টি মটরসাইকেলে এসে সন্ত্রাসীরা অন্তত তিন দফা বোমা নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছে . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
নাফিস ইফতেখার বলেছেন : ভাই আপনার কাজ কর্ম দেখে মনে হয় ব্লগ টা যেনো চিটাইংগা । যত সব ফালতু পোস্ট
শাস্তিসরূপ পেয়ারা নবী সকল স্ত্রীর শয্যা ত্যাগ করেন এক মাসের জন্য এবং তাদের সবাইকে তালাকের হুমকি দেন ।
আবু সাইদ স্বপন বর্তমান আওয়ামেলীগের Organizing secretary জয়পুরহাটের লোক । তার পদাধিকার বলে হাসিনার অনেক কাছে থাকার কথা । নতুন ক্ষমতা পাওয়ার পর ঘনঘন জয়পুরহাট আসেন । ইচ্ছা করলে তার সাথে ১০ / ১৫ মিনিট কথা বলতে পারবো । আমি আবার এসব লোকজনদের কাজ থেকে দূরে দূরে থাকি । দেখি আপনার উত্তর জানার জন্য ওনার কাছের কিছু মানুষকে রিকোয়েষ্ট করবো ।
গোয়ন্দা সাংস্থার প্রধান হাইনৎস ফ্রম বলেন , " সালাফিদের প্রত্যেকেই সন্ত্রাসী নয় ৷ তবে আমাদের কাছে খবর আছে সন্ত্রাসীদের প্রতেকেরই হয় সালাফিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল , নয় তারা নিজেরা সালাফি ৷ "
মাগুরা , বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করেছে দুর্বৃত্তরা । উপজেলার সোনাইকুণ্ডি গ্রাম থেকে শনিবার রাতে তাকে অপহরণ করা হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা । অপহৃত প্রান্ত চাকী ( ১৪ ) ইউনিয়ন পরিষদের ( ইউপি ) সাবেক সদস্য ও হোমিও চিকিৎসক সমীর চাকীর ছেলে । সে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র । সোনাইকুণ্ডি গ্রামের পল্টু মিয়া সাংবাদিকদের জানান , রাত সাড়ে ১০টার দিকে ১০ / ১২ জনের একটি গ্রুপ নিজেদের ' পার্টির ' লোক পরিচয় দিয়ে সমীর চাকির বাড়ি এসে তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করতে বলে । এ সময় তারা সমীর চাকীর ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে তার ছেলে প্রান্তকে তুলে নিয়ে যায় । বাড়ির লোকজনের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে বাড়ির পাশের মাঠ দিয়ে প্রান্তকে নিয়ে চলে যায় । তাদের ধারণা মুক্তিপণ আদায়ের জন্য দুর্বৃত্ত গ্রুপটি প্রান্তকে অপহরণ করেছে । একইভাবে ২০০৩ সালে প্রান্তর চাচাতো ভাই সুমন চাকীকে একটি গ্রুপ মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করে পরে ছেড়ে দেয় । শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানায় , পুলিশ প্রান্তকে উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে । তবে এ বিষয়ে থানায় কোনো মামলা হয়নি । বাংলাদেশনিউজ২৪x৭ . কম / প্রতিনিধি / এসএ .
কিন্তু কেমন যেন জড়সড় একটা ভাব । দেখলে মনে হয় , কেউ হা হা হা হা করে হাসছে কিন্তু হাসিটা কৃত্রিম । যান্ত্রিক হাসি ।
গত মঙ্গলবার এলাকায় সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে , প্রায় আটশ ' শ্রমিক কাজ করছে । সেখানে পাশেই কোরিয়ান মালিকানাধীন হানব্যাক নামে একটি কোম্পানির জমির সীমানার বেড়া ভেঙে দেয় পাওয়ার প্যাকের লোকজন । কোরিয়ান ওই কোম্পানির লোকজন থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করলেও কোনো নম্বর দেয়নি । হানব্যাকের সিনিয়র ম্যানেজার সুবীর সিনহা জানান , তারা স্যামসাং ও হানব্যাক যৌথভাবে বাংলাদেশ পাওয়ার গ্রিডের একটি প্রকল্পের কাজ করছেন । পাওয়ারপ্যাকের লোকজন তাদের প্রতিষ্ঠানের সীমানার বেড়া ভেঙে দেয় । থানায় যে অভিযোগ করেছি তাতে সিল থাকলেও পুলিশ মামলা বা জিডির কোনো নম্বর দেয়নি । তিনি আরও বলেন , ' পুলিশ আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করলো কিনা বুঝতে পারছি না । ' এ প্রসঙ্গে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার মনির হোসেন জানান , দু ' টি প্রতিষ্ঠানই সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পের । পাওয়ারপ্যাকের লোকজন হ্যানব্যাকের সীমানায় বেড়া দিয়েছে এটা সত্য । তবে এ বিষয়ে সুরাহা করে দেয়ার জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান দায়িত্ব নিয়েছেন ।
ঢাকা , ২৬ জুন : সচেতনভাবে তামাক রফতানিতে শুল্কহার কমানোর প্রস্তাব করেননি কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী । অসাবধানতাবশত ওই নথিতে স্বাক্ষর করে ফেলেছেন । এ ক্ষেত্রে তার আরো সতর্ক হওয়া উচিত ছিলো বলেও মনে করেন তিনি । রোববার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা বলার পাশাপাশি কৃষিমন্ত্রী একটি দৈনিকে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত সংবাদে ক্ষোভও প্রকাশ করেন ।
এই কেনসিংটনে ১৯৭১ সালের পর টানা পাঁচ টেস্ট ম্যাচেই হার মানতে হয়েছে সফরকারী ভারতকে । ১৯৫৩ সালে এ ভেন্যুতে টেস্ট অভিষেক হওয়ার পর থেকে ভারত ম্যাচ জেতেনি । তবে ড্র করেছিল দু ' বার , শেষ ড্রটি হয়েছিল ১৯৭১ সালে ।
লেখক বলেছেন : শুধু পিতার কৃতকর্মের জন্যই নয় , ব্লগীয় অপকর্মগুলোর জন্যও সত্যিকারের অনুতাপ আসুক তার কাছ থেকে ।
পর্তুগালের অন্তর্ভুক্তি কেন হুমকি তৈরি করল , বোঝা গেল না । যতদূর জানা যায় , পর্তুগাল দ্বিতীয় মহাযুদ্ধেও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেছে । হুমকিটা কোন দিক দিয়ে তৈরি হলো , তার উল্লেখ বা টিকা এ ক্ষেত্রে জরুরি বলে মনে হয় । ৩ . ন্যাটোর প্রতি চীন ও ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী কি ? এই রাষ্ট্র দুটির সঙ্গে ন্যাটোর আন্তঃসহযোগিতার মাত্রা কোন ধরণের ? বাংলাদেশের মতো একটি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে এ বিষয়টির বিশ্লেষণ আমাদের সামনে থাকা দরকার । থাকলে ন্যাটোর অবলুপ্তির ন্যায্যতার আরও একটি দিক হয়তো বেরিয়ে আসবে । লেখাটিতে বিষয়টির উল্লেখ থাকলে আমাদের চিন্তার ব্যাপ্তি আরও বাড়তো ।
সারিমের টিউটোরিয়ালটা চমৎকার ! শুধু এঞ্জিংক্স না , ভিপিএস - এর মেমরী রিকোয়ারমেন্টও কমিয়ে দেওয়ার রেসিপি আছে ! ডেবিয়ানে এটাই সুবিধা - একটা মাত্র ২ . ৫ - ৩ মেবা র্যামে বেসিক সিস্টেম চালানো যায় । ( সেন্টওএস - এ তা প্রায় অসম্ভব - yum একাই বিরাট মেমরী নেয় ) । সবই ঠিক আছে , তবে rsyslog ডিজেবল করা পুরোপুরি ঠিক না ।
চমৎকার একটা রিভিউ ! ! আমারো বহুদিনের মধ্যে পড়া সবথেকে এফিশিয়েন্ট রিভিউ মনে হলো এটাকে . . . পড়ে মুভি দেখার আগ্রহ চলে না গিয়ে বরং আরো বাড়লো । তবে একটা ব্যাপার . . . আপনি এতো তাড়াতাড়ি ছবিটা দেখে ফেললেন কী ক ' রে ? আপনি তো যতদূর জানি প্রবাসে থাকেন . . .
ছড়া যদি ধরা খায় , আমাদের কিবা যাবে - গলা ছেড়ে গান ধরি - আর কে কে মিলা গাবে ?
জীবনে কী করতে চাও সেটা এখনো না জানলেও কোনো চিন্তা কোরোনা । আমার দেখা সবচেয়ে চমৎকার মানুষগুলোর অনেকেই তোমাদের বয়সে
প্রফেসর মোশতাক সভাপতি অনিল দত্ত সাধারণ সম্পাদক গণ সাংস্কৃতিক সংগঠন হেমন্তিকার ৬ষ্ঠতম সম্মেলন গত ৭ জ . . .
ঘুমন্ত জাতি জেগে উঠো হাতে তুলে লও হাতি - য়ার জেগে জেগে আর কত ঘুমাবে ওরে মুসলিম জাতি - আর । দিক বিদিকে শুনতেকি পাওনা মজলুম মানুষের ক্রন্দন রোল বাতিলের মসনদ ভাংতে তোরা আল্লাহু আকবার ধ্বনি তোল । প্রভাতে সূর্য উঠার আগে ছিলি তোরা বদরের মাঠে জোস্নার আলো মাখা গভীর রাতে ছিলি প্রভূর তাসবি পাঠে । কোথায় হারিয়ে গেল তোদের - গভীর রজনীর ক্রন্দন কোথায় তোদের সপ্ফান কা - আন্নাহুম - বুনিয়ানুম মারসুস - এর বন্ধন । কোরআন - সুন্না ছেড়ে দেওয়ায় - চেপেছে বাতিলের আক্রোস তোদের দেখে ধোঁড়া সাঁপও - করে ফোঁস ফোঁস । ওরে ওই মুসলিম বীর কোষ মুক্ত কর তোদের তরবারি তোদের হুংকারে বৃথা হবে সব ইসলাম ধ্বংসের ধ্যান দরবার - ই ।
Tin Tin কে নিয়ে আপনার এই ঝর ঝরে তথ্যবহুল লেখাটি খুব ভালো লাগলো । সেই অনেক আগের থেকেই টিন্টিন আমার পছন্দের চরিত্র ও কমিক । এখনো বাচাদের গিফট করলে টিন টিন - ই গিফট করি ।
৩৬ ঘন্টার হরতাল । সরকার পক্ষ বলে জনগণ হরতাল প্রত্যাখ্যান করেছে , আর বিরোধী দল বলে জনগণ হরতাল সমর্থণ করেছেন । এমন অবস্থায় কার কথা বিশ্বাস করবেন ? একমাত্র উপায় ফ্রুটিকা খাওয়ানো । এর চেয়ে সহজ উপায় আমার জানা নেই । জন্মের পর থেকে যত হরতাল দেখালাম সবগুলোতেই একটা দিক থেকে সরকারী দল আর বেসরকারী দল ত্থুক্কু বিরোধী দল [ . . . ]
আমিও পারলাম না । এইগুল আবার ফেক এপ্লিকেশন না তো , পাসওয়ার্ড চুরি করে না আবার আমার সর্বনাশ করে ।
রংমহল » রূপালী পর্দা » বলিউড মুভি » RoboT এর ডিভিডি লিঙ্ক
সাধারনত আলাদা দুই ব্রেন্ডের কার্ড একসাথে চালানো যায়না । আলাদা আলাদা কাজের জন্য দুইটা আলাদা ব্রেন্ডের কার্ড ব্যবহার করার জন্য এই মোড কাজে লাগে । জিনিয়টা তৈরি করেছে কোন এক হ্যাকাররা । দুইটা ভিডিও ড্রাইভার একসাথে রান করানোর জন্যআ এর ব্যবহার ।
শুধুমাত্র সাহিত্য এবং বইয়ের সানি্নধ্য নেওয়ার জন্যই ' বিএসবি - ক্যামব্রিয়ান বইমেলা প্রতিদিন ' - এ কাজ করা । বইমেলায় আসলে নতুন বইয়ের ঘ্রাণে কেমন যেন মনটা ভরে উঠে । গেলো চারবছর ধরে আমি এই বুলেটিনের সঙ্গে রয়েছি । এ বুলেটিনে কাজ করলে মনে হয় বইপ্রেমী তথা সাহিত্যপ্রেমী মানুষের জন্য কিছু একটা করা । মেলায় আগতদের নতুন নতুন তথ্য দিতে পারবো - এটা যেমনি ছিল ভাবনায় , তেমনি আমার লেখালেখির সমালোচক তথা উৎসাহদাতা য়পূর্ণ রুবেলেরও সঙ্গ পাওয়ার বিষয়টি ছিল জড়িত । এ বছর কাজ করতে পারতাম কিনা তা নিয়ে ছিল একপ্রকার শংকা । ব্যস্ততা অনেক । দিনে দিনে বেড়েছে অনেক দায়িত্ব । রিপোর্ট কালেক্টের জন্য ছুটতাম না মেলার সবার কাছে । হয়তো এতো মানুষের সম্পর্কে জানতামও না । তাদের এতো সানি্নধ্যও পেতাম না । আমার অজানাই থেকো যেতো ' বিএসবি - ক্যামব্রিয়ান বইমেলা প্রতিদিন ' - এর বার্তা সম্পাদক ডাল্টন জহিরের মতো এক মানুষ সম্পর্কে ।
রাজনীতির মারপ্যাচে পেয়েছে তারা সিংহাসন , হচ্ছেনা বিচার , আর ঘৃণ্য নেতারা করছে প্রসহন ।
চালু হলো অর্থোপেডিকের জরুরি বিভাগ : গত ১ ফেব্রুয়ারি বিএসএমএমইউতে চালু হয় অর্থোপেডিকের জরুরি বিভাগ । হাত - পা ভেঙে যাওয়া রোগীরা সরাসরি বিএসএমএমইউতে চিকিত্সা নিতে পারছেন । এই জরুরি বিভাগ উদ্বোধনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা . আফম রুহুল হক সাংবাদিকদের বলেন , আগামী দুই - তিন মাসের মধ্যে দেশের জেলা পর্যায়ের সব হাসপাতালে অর্থোপেডিক চিকিত্সা দেয়ার জন্য যন্ত্রপাতি পাঠানো হবে । যাতে করে রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে না হয় । কারণ দেশে বর্তমানে দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে গেছে ।
ঢাকা , ১২ জুলাই : মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী , সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদসহ চার শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন করে আগামী ১ . . . বিস্তারিত »
০০ এটি বিজয়ী রাষ্ট্র কর্তৃক পরাজিত রাষ্ট্রের ওপর চাপিয়ে দেওয়া চুক্তি ।
শ্রীরামকৃষ্ণ - - এ - সব অনিত্য । শরীর এই আছে এই নাই । তাড়াতাড়ি তাঁকে ডেকে নিতে হয় । [ 1 ]
রিয়াদে চিকিৎসাধীন সালেহ রাজনৈতিক সংস্কারের ঘোষণাসহ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন বলে ক্ষমতাসীন দলের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে । এর আগে ইয়েমেনের তথ্য উপদেষ্টা আহমেদ আল সাফি ঘোষণা দেন যে , ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সালেহ টেলিভিশনে ভাষণ দেবেন । আর এ ঘটনা থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে , সালেহ আর সহসাই দেশে ফিরতে পারছেন না । এমকি দেরীতে ফেরা সম্ভব হলেও দেশ চালাতে পারবেন কি না তা নিয়েও ঘোরতর সন্দেহ রয়েছে ।
যারা রেহানের মতো সমস্যায় পড়েছেন , অনেকেই চিন্তা করছেন এর কোন বিকল্প বুদ্ধি আছে কিনা । অনেকে হয়ত সিরিয়াস গেমিং কার্ড ব্যাবহার করেন না । কিন্তু মাত্র চার পাঁচটা হার্ডডিস্ক ( ! ) আর চারটা সিডি / ডিভিডি রাইটার চালান , আবার সিস্টেম ঠান্ডা রাখার জন্য মাত্র ( ! ) গোটা দশেক কুলিং ফ্যান চালান ! আর চালাতে গিয়ে হোচট খেতে থাকেন । সমস্যার সমাধান অবশ্যই বেশি ওয়াটের পাওয়ার সাপ্লাই । ১০০০ ওয়াটের পাওয়ার সিস্টেম ও পাওয়া যায় । দামটা নাহয় নাই বললাম । কমের মধ্যে বুদ্ধি কি ? আছে , আর সেটা জানাতেই এই লেখা ।
তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই । কারণ এটি একটি প্রাথমিক লক্ষণমাত্র । তবে এর পাশাপাশি যদি শ্বাসকষ্ট , দীর্ঘকালস্থায়ী ঠাণ্ডা বা ফুসফুস সংক্রান্ত রোগের অন্য কোনো লক্ষণ দেখা দেয় তবে কালক্ষেপন করা ঠিক হবে না । চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নিন ।
লেখক বলেছেন : না , আব্বা আমার লেখালেখির ব্যাপারটা জানতেন না । ভেবেছিলাম কোন একসময় দেখাবো । হলোনা ।
খুলনায় তাঁকে রুমা স্মৃতি পদক প্রদান করা হয় ১৯৯৮ সালে । এছাড়া ওয়াশিংটনের পদ্মার ঢেউ বাংলা সম্প্রচার কেন্দ্র সম্মননা প্রদান করা হয় মোনাজাতউদ্দিনকে । তবে মোনাজাতউদ্দিন এই পুরস্কারের চাইতেও বড় পুরস্কার মনে করতেন মানুষের স্নেহ - শ্রদ্ধা ও ভালবাসাকে , যা তিনি অকুন্ঠই পেয়েছেন ।
এবং যেটার অস্তিত্ব মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ছিল সেটা কী ? সেটা হলো - ' I Major Zia do hereby declare independence of Bangladesh on behalf of our great national leader Bangobandhu Sheikh Mujibur Rahman . ' স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে যুদ্ধের সময় সেটা বার বার বাজানো হয়েছে । শুধু যুদ্ধের সময় নয় , দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর এক
৯ . খানিকটা স্থির হয়ে সে থাকবে তারপর সে চমকাবে কাঁপবে কেঁপে কেঁপে উঠে আসবে উপরে ঝরাবে তার সোনা ছড়াবে এই এখানে এই রেড রোডের মরচে ধরা ঘাসে । সকাল বেলার হাওয়ায় লাগবে জোর পুরনো ধূলোরা এবার উড়বে । ( রেড্ রোড রাত্রিশেষ , পদপেক্ষ )
হয়ত ' দিল্লি বেলি ' ও ' মেরে ব্রাদার কি দুলহান ' মুক্তির পর এ কথাটি আর প্রযোজ্য হবে না ইমরানের ক্ষেত্রে । কারণ মুক্তির আগেই ছবি দু ' টি দর্শক মনে বিশাল কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে । এ দুই ছবি ইমরানের ক্যারিয়ারে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে । নতুন মাত্রা যোগ করবে । নিশ্চিন্তে বলা যায় প্রিমিয়ারের দিনই ' দিল্লি বেলি ' দর্শকদের কাছ থেকে রেকর্ড ভাঙ্গা সাড়া পাবে । মুক্তির আগেই জনপ্রিয়তার বহর দেখে ছবিটির পরিবেশকদের সেরকমই প্রত্যাশা ।
পাকিস্তান জন্মের অল্প সময় পরেই জামায়াত হয়ে গেল চরম পাকিস্তান প্রেমিক । যেন গিরগিটী রঙ বদলানোর আরো একটি উদাহরণ । মাওলানা মওদুদী তার পার্টি জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠা করার জন্য ধর্মের নামে একাধিক দাঙ্গা লাগিয়েছেন । তার নির্দেশ এবং মদদে পাকিস্তানে হাজার হাজার লোক প্রাণ হারিয়েছে ।
কিউবার বিপ্লবের পর চে নতুন সরকারে একাধিক ভূমিকা পালন করেছিলেন । এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য , বিপ্লবী আদালতে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্তদের আপিল পুনর্বিবেচনা ও ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড প্রদান , শিল্পোদ্যোগ মন্ত্রী হিসেবে খামার সংস্কার আইন প্রবর্তন , কিউবার জাতীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও সামরিক বাহিনীর ইনস্ট্রাকশনাল ডিরেক্টরের ভূমিকা পালন , এবং কিউবান সমাজতন্ত্রের প্রচারে বিশ্বপর্যটন । এই পদাধিকারের কল্যাণে তিনি মিলিশিয়া বাহিনীকে প্রশিক্ষণ প্রদানের সুযোগ পান ; ফলত এই বাহিনী পিগ উপসাগর আক্রমণ করে তা পুনর্দখলে সক্ষম হয় । কিউবায় সোভিয়েত পরমাণু ব্যাসিলিস্টিক মিশাইল আনার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন । চে ছিলেন এক বিশিষ্ট লেখক ও ডায়েরি - লেখক । গেরিলা যুদ্ধের উপর তিনি একটি প্রভাবশালী ম্যানুয়েল রচনা করেন । তরুণ বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকায় মোটরসাইকেলে ভ্রমণের স্মৃতিকথাটিও তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় রচনা । বৃহত্তর বিপ্লবে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি ১৯৬৫ সালে কিউবা ত্যাগ করেন । প্রথমে কঙ্গো - কিনসহাসায় তাঁর বিপ্লব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় । এরপর তিনি বলিভিয়ায় বিপ্লবে অংশ নেন । এখানেই সিআইএ - মদতপুষ্ট বলিভিয়ান সেনার হাতে বন্দী ও নিহত হন চে ।
যে সবুজকে গলা টিপে এই গারদে ঢুকে বসা - সেই স্মৃতি - ই আজ দীর্ঘশ্বাসের জ্বালানী । তাই , বড়ো অলস জীবনের আড়মোড়া ভাঙতেও হয়তো মন চায় না আর । তবুও শেষ চেষ্টায় হাত তুলে ধরি আকাশে , যে হাত তুলতে শিখিয়েছে নগর ; শ্লোগান ধরি গলা ছেড়ে ; য্যামন করে দেখিয়েছে নগর ! তো হয়ে যাক ! চারকোনা যে রেসট্র্যাকে আটকে গ্যাছে জীবন , সেখানেই আজ হোক হাঁফ ছেড়ে বাঁচা । নাগরিক ফর্ম্যালিটি - তে নয় ; নাগরিক চিৎকারে …
হয়তো ওপর থেকে দেখব সবকিছু । মেঘ হয়ে ভেসে বেড়াব , বাতাস হয়ে ছুঁয়ে যাব । কিন্তু তোরা আমায় পাবি না আর কোনদিন ।
ডিবি কার্যালয়ে রিমান্ডে থাকা অবস্থায় বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে দুটি গোয়েন্দা সংস্থার ৮ সদস্য অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । পাঁচ দিনের রিমান্ডে ডিবি কর্মকর্তারা তাকে তেমন কোনো জিজ্ঞাসাবাদ না করলেও গভীর রাতে অন্য সংস্থার লোকজন এসে তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালায় । নাকে ঘুষি দিয়ে তাকে রক্তাক্ত করা হয় । বৈদ্যুতিক শক দেয়া হয় । পায়ের নিচে শক্ত লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয় । শরীরে ইনজেকশন পুশ করা হয় । এ ছাড়াও তাকে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে মানসিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা করেছে তারা । একপর্যায়ে তাকে এই বলে হুমকি দেয়া হয়েছে , ' ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলমকে পেটের নাড়িভুঁড়ি বের করে যেভাবে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে , তোর পরিণতিও ঠিক একই রকম হবে । ' সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী নাকের রক্ত যে টিস্যু দিয়ে মুছেছেন সেই টিস্যুটি তিনি তার পরিবারের কাছে সরবরাহ করেন । সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পারিবারিক সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে ।
লেখক বলেছেন : মুনমুন ধুনফুন করা বাদ্দিসে আর ময়ুরী উড়ি চলি গেচে ।
অনেকদিন ধরেই ইচ্ছে ছিল একটা ওয়েবক্যাম কেনার । দেশের বাইরে থাকার কারনে প্রায়ই বন্ধু - বান্ধব এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে ইন্টারনেটে বিভিন্ন ম্যাসেঞ্জারের ( YAHOO / MSN , ICQ , SKYPE , PALTALK , GOOGLE TALK , TRILLIAN ) মাধ্যমে চ্যাট করি । বাংলাদেশে ভয়েস চ্যাট করতে গেলে , আমার কথা তারা স্পষ্ট শুনতে পায় । কিন্তু আমি তাদের কথা কিছুই শুনতে পাইনা । কারন জানিনা । তবে VOIP বন্ধের কারনেও হতে পারে । তাই আমি মাইক্রোফোনের মাধ্যমে কথা বলতাম আর বাংলাদেশ থেকে লিখে লিখে চলতো প্রশ্নত্তোর পর্ব । সবকিছু ঐ ভাবে চললেও একটা ওয়েবক্যামের জন্য আমার চ্যাটিং অসম্পুর্ন থেকে যাচ্ছিল । বাংলাদেশে যদি আমার ভয়েস শুনতে পায় , তবে ছবিও নিশ্চয় দেখতে পাবে । তাই ইচ্ছা থাকলেও অনেক দিন হলো কিনব কিনব করেও ক্যাম কেনা হয় নি । এর মধ্যে হঠাৎ ইন্টারনেটে সন্ধান পেলাম চমৎকার এই সফট্ওয়্যারটির । নোকিয়ার 40 , 60 এবং N সিরিজের ( নোকিয়ার অন্য যে কোন স্মার্টফোনেও ট্রাই করতে পারেন তবে অবশ্যই ব্লু - টুথ থাকতে হবে ) মোবাইল ফোনে এবং আপনার কম্পিউটারে এই সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিলে , মোবাইল ফোনের ক্যামেরা হুবহু ওয়েবক্যামের মত কাজ করে । আমার নিজের মোবাইল ফোন নোকিয়া - ৩২৩০ । এটাতে চমৎকার কাজ করছে । সবচেয়ে বড় সুবিধে , এই ওয়েবক্যাম হবে সম্পুর্ন ওয়্যারলেস । যদি আপনার কম্পিউটারের USB Bluetooth - এর রেঞ্জ বেশি হয় তবে আপনার ফোন দূর থেকেও ব্যাবহার করা যাবে । ইন্সটলেশনঃ ইন্টারনেটে এই সাইট থেকে ফ্রী সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন । এটি ইন্সটলেশনের সময় এবং পরবর্তিতে ব্যাবহারের জন্য আপনার কম্পিউটারে অবশ্যই USB Bluetooth থাকতে হবে । সফটওয়্যারটি প্রথম অংশ কম্পিউটারে ইন্সটলেশনের পর অটোমেটিক্যালি Bluetooth এর মাধ্যমে দ্বিতীয় অংশ ইন্সটলের জন্য আপনার মোবাইল ফোন কে খুঁজবে । এই সময়ের আগেই আপনার মোবাইল ফোনের Bluetooth অন করে রাখুন । তাতে আপনার কম্পিউটার চট করে মোবাইল ফোন খুঁজে পাবে । এবং একটি টেক্সট মেসেজ পাঠাবে । মোবাইলের ঐ মেসেজ ওপেন করুন এবং ইন্সটল করুন । মোবাইলের মেইন মেন্যুতে নতুন একটি আইকন দেখতে পাবেন । সেটি ওপেন করুন । সেই সঙ্গে কম্পিউটারের সফটওয়্যারটিও অপেন করুন । এখন মোবাইলের ওপেন করা ঐ সফটওয়্যারটির অপশনে গিয়ে Bluetooth এর মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারকে চিনিয়ে দিন । দেখবেন , আপনার মোবাইল ফোন এখন ওয়েবক্যাম এর মতো কাজ করছে । আবশ্যকীয়ঃ [ * ] নোকিয়ার 40 , 60 এবং N সিরিজের মোবাইল ফোন । ( অথবা নোকিয়ার যে কোন SMARTPHONE ) [ * ] কম্পিটারের জন্য USB Bluetooth ডিভাইস । [ * ] কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের কানেকশন বিঃ দ্রঃ ইন্সটলেশনের সময় কোন সমস্যা হলে বিস্তারিত জানিয়ে নিশ্চিন্তে আমাকে মেইল করুন অথবা কমেন্টস্ এ গিয়ে জানান ।
সুবিধা গুলো : ১ . সব মুভির ডাউনলোড লিংক একটি করে মাত্র . . পুরো মুভিটাই এক লিংকে ২ . সবগুলো মুভির জন্য ৪ / ৫ বিভিন্ন সাইটে আপলোড করা লিংক আছে । আপনার পছন্দ মতন লিংক ব্যবহার করতে পারবেন । ৩ . কোন ধরনের আ্যড ফ্রি ৪ . নিয়মিত আপডেট ৫ . ফোরাম টাইপ , কোন রেজিস্টেশন দরকার হয় না । কোন সমস্যা হলে অন্য ইউজাররা সহায়তা করতে পারে ৬ . সাইটি স্ট্যাবল . . . ডাউনটাইম আমার চোখে পড়ে নি । আমি অনেকগুলো মুভি এখান থেকে নামিয়েছি ( এখন দুটি নামাচ্ছি . . ) তো মুভি প্রেমিক হলে শুরু করুন ডাউনলোড । পোষ্টটির পরবর্তী আপডেট পোষ্টঃ নেটের সর্বশ্রেষ্ঠ ফ্রি মুভি ডাউনলোড সাইট - আপডেট
আপনিতো ভাই আমার ভাববাদী কথাটাই বুঝলেন না ! ! ! ! আপনার করা মন্তব্যে ' র বক্তব্যের সাথে আমার মন্তব্যের কোন অমিলইতো খুজে পেলাম না ।
মিমের বয়স পনর মাস । হঠাৎ করে রাতে চিৎকার শুরু করল । কিছুতেই কান্না থামানো যাচ্ছে না । মা - বাবা চেষ্টা করেও চুপ করাতে পাচ্ছেন না । অস্থির হয়ে কোলে নিয়ে পায়চারি , কোল বদল নাহ কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না । সোনামণির কি হল । জ্বর নেই , সুস্থ বাচ্চা দুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে । মাঝরাতে কি হল বাবুর । হেলপ লাইনে ফোন করলেন বাবা । এত রাতে ওষুধ কোথায় পাবেন । নিকটস্থ ক্লিনিকে নিবেদিতা শিশু হাসপাতালে নিয়ে আসলেন । জরুরী বিভাগের ডাক্তার ভাল করে পরীক্ষা করে দেখলেন কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না । ভাবলেন কোথাও ব্যথা হবে হয়ত । ভর্তি করালেন । ব্যথার ওষুধ , শান্ত করার জন্য ঘুমের ওষুধ দিলেন । পরদিন সকালে রাউন্ডে এসে দেখা গেল মিম হাসছে , খেলছে ব্যথা নেই । কিন্তু কান দুটো পরীক্ষা করতেই দেখা গেল রক্ত ঝরছে একটা কান দিয়ে । কানে ব্যথা শিশুদের একটা মারাত্মক সমস্যা । ঠিকমত চিকিৎসা না করালে এখান থেকে মস্তিষ্কের ইনফেকশন হতে পারে । আবার বিভিন্ন কারণে কানে ব্যথা হতে পারে যেমন - টনসিলের সংক্রামণ । টনসিলে ইনফেকশন হয়ে যখন ব্যথা হয় সেই ব্যথা স্নায়ুর মাধ্যমে কানে চলে যায় এবং কানে ব্যথা হয় । ঠিকমত চিকিৎসা না করলে কানে ইনফেকশন হয়ে মস্তিষ্কে সংক্রামণ ছড়িয়ে পড়ে । আবার টনসিল অপারেশনের পর কিছুদিন কানে ব্যথা থাকতে পারে । শিশুদের কানে ব্যথার অন্যতম ও প্রধান কারণ অ্যাকিউট অটাইটিম মিডিয়া ।
শব্দার্থ : ওতোত : ওত শব্দ থেকে উৎপত্তি , যার অর্থ আড়াল । এমুকে : এই দিকে
অতঃপর তারা আল্লাহর হুকুমে তাদেরকে পরাজিত করল এবং দাঊদ জালূতকে হত্যা করল । আর আল্লাহ দাঊদকে রাজত্ব ও প্রজ্ঞা দান করলেন এবং তাকে যা ইচ্ছা শিক্ষা দিলেন । আর আল্লাহ যদি মানুষের কতককে কতকের দ্বারা প্রতিহত না করতেন , তবে অবশ্যই যমীন ফাসাদপূর্ণ হয়ে যেত । কিন্তু আল্লাহ বিশ্ববাসীর উপর অনুগ্রহশীল ।
মনের কথাটা লিখলেন । উপরের কথাগুলো গত কয়েক বছরে কতবার যে শুনতে হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই । এই কারনেই আসলে আমি বাঙালি জাতিকে বলি গোল্ডফিশ জাতি । প্রতি ১৫ সেকেন্ডে একবার স্মৃতিভ্রষ্ট । এমন ভ্রষ্ট হতে হতে নষ্ট হয়েছে মন , মনন আর মূল্যবোধ । মাকে হত্যা আর নির্যাতনের কথা যে জাতির ছেলে মেয়েরা ভুলে যায় , সে জাতির কাছে কি আশা করব , বলেন তো !
আ হ ম ফয়সল , ইপিএনএস , ৩ ফেব্রুয়ারি , ঢাকা : অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১১ এর সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমী
আর সবার শেষে - এই অনলাইন বিশ্বের রাজাধিরাজ , ওবামা এবং বিল মামুর চাইতেও ক্ষমতাধর ব্যক্তি - গুগল - এ শাহেন শাহ ম্যাট কাটসের ব্লগ : http : / / www . mattcutts . com / blog /
বঙ্গবন্ধুর কিছু ভয়ংকর ভুল তো ছিলই , আর সে রকম ভুল একটাও করেননি এমন নেতা কিন্তু গোটা পৃথিবীতে খুঁজেও একজন পাওয়া যায় কিনা বলা কঠিন । কিন্তু আমরা জনগণ যে ভুলটা করে এসেছি সবসময় তা হল , বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা বিচারে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশটির তখনকার আর্থ সামাজিক বিশ্ব রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটগুলো ঠিকভাবে আমলে আনতে পারিনি ; স্বাধীন এই রাষ্ট্রটির স্বীকৃতি পর্যন্ত যখন ঠেকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছিল একাধিক পরাশক্তি রাষ্ট্র । আর কিছু ভুল তো বহুগুণে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে সবসময় । এতো বার সেগুলো বাজিয়ে শোনানো হয়েছে আমাদেরকে যে আজকে আমরা বেশীর ভাগ মানুষই কিন্তু বিনা প্রশ্নে সে সব একরকম সত্য বলেই ধরে নিই । তিন দশকের রাষ্ট্রীয় প্রপাগ্যান্ডা যন্ত্রের ভূমিকাকে তাই খাটো করে দেখি কিভাবে । যেমন ধরা যাক , সংস্কৃতি - কর্মী মাত্রই জানেন , পঁচাত্তর থেকে নব্বই , একটা দীর্ঘ সময় এমনকি কিছু কিছু কবিতা পর্যন্ত ( যেমন : নির্মলেন্দু গুণের ' আমি আজ কারো রক্ত চাইতে আসিনি ' , ' সেই রাত্রির কল্পকাহিনী ' ) মঞ্চে আবৃত্তি করা যেতো না । প্রতিটি অনুষ্ঠানের আগে ' কর্তৃপক্ষের ' নির্দেশে নিয়ম করে স্ক্রিপ্ট পরীক্ষা করা হোতো , পাছে যদি কেউ বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করে ফেলে ! কিন্তু তারপরও জানি , আমার পরিচিত বহু মানুষই এ কাজ করেছে - মঞ্চে উঠে স্ক্রিপ্টের বাইরে গিয়ে সেই সব ' নিষিদ্ধ ' কবিতার লাইনগুলোই উচ্চারণ করতেন তাঁরা । কিন্তু এই ছিল প্রচার যন্ত্রের ওপর রাষ্ট্রযন্ত্রের নিয়ন্ত্রণের চিত্র !
তো পোষ্টের শিরোনাম দেখে বুঝা যায় এই পোষ্টে প্রতিজ্ঞা না রাখা বিষয়ক হতাশা বিষয়ে আলোচনা হবে । এই প্রতিজ্ঞা করা ও ভাংগা বিষয়ে অনেক কবিতা ( কেউ কথা রাখেনি : সুনীল কাকাবাবু ) , গান ( মনে পড়তেছে না ) , নাটক ( মনে পড়তেছে না ) , গল্প ( মনে পড়তেছে না ) , উপন্যাস ( মনে পড়তেছে না ) , চিঠি ( না বলি ) লেখা হয়েছে । তবে প্রতিজ্ঞা করা যেহেতু থেমে নেই , তাই প্রতিজ্ঞা ভাংগা বা বেমালুম ভুলে যাওয়াও থেমে নেই । সো এই বিষয়ে আলাপ করা অর্থহীন ।
ক . একজন পুরুষের একধিক স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তার পরিবারে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের মাতা - পিতার পরিচয় খুব সহজেই পাওয়া যায় । শিশুর পিতা কে আর মাতা কে । অপরদিকে একজন নারী যদি একাধিক স্বামী গ্রহণ করে তবে এ পরিবার জন্ম নেয়া শিশুর শুধু মায়ের পরিচয় পাওয়া যাবে - বাবার নয় । পিতা ও মাতার সুস্পষ্ট পরিচয়ের ক্ষেত্রে ইসলাম আপোসহীন । আধুনিক মনোবিজ্ঞানিরা বলেন , যে শিশু তার মাতা - পিতার পরিচয় জানে না , বিশেষ করে পিতার - সে শিশু তীব্র মানসিক জটিলতা ও হীনমন্যতায় ভোগে । এ শিশুদের শৈশব নিকৃষ্টতর এবং আনন্দহীন । দেহপসারিণী বা বেশ্যাদের সন্তানরা এর জলন্ত প্রমাণ । এদের শিশুকাল ও কৈশোর মর্মান্তিক । বহু স্বামী গ্রহণকারী পরিবারে জন্ম পাওয়া শিশুকে নিয়ে কোনো স্কুলে ভর্তী করতে গেলে যদি মাকে প্রশ্ন করা হয় শিশুর পিতার নাম ? তা হলে সে মাকে দু ' জন অথবা তার বেশি পুরুষের নাম বলতে হবে । বিজ্ঞানের অগ্রগতি এখন জেনেটিক পরীক্ষার মাধ্যমে মাতা ও পিতা উভয়কে সনাক্ত করার কৌশল আবিষ্কার করেছে । কাজেই যে বিষয়টা অতীতে অসম্ভব ছিল বর্তমানে তা খুব সহজেই হতে পারে ।
সফটওয়্যারটা একজন ডেভেলপার বানিয়ে দেবে বিনা পারিশ্রমিকে । এর উপর সেই সফটওয়্যারে তার কোন অধিকার থাকবে না । এবং সেই সফটওয়্যার নিয়ে একজন নীতি বর্জিত ব্যবসায়ী ব্যবসা করে যাবেন ! সেটা কিভাবে হয় ?
লিখেছেন : উদাসী পথিক ২৩ জুন ( বৃহস্পতিবার ) , ২০১১ ১ : ৫৪ পুর্বাহ্ন
উপযুক্ত অটোসাজেশন সমূহ যারা নিজেদের জীবনে প্রতিনিয়ত পরিচর্যা করবে আমি নিশ্চিত তাদের জীবনে অজান্তেই একটা পরিবর্তন ঘটে যাবে ।
পোস্ট করা হয়েছে : মঙ্গল এপ্রিল ২৬ , ২০১১ ৮ : ০৫ অপরাহ্ন
মুরুব্বিদের সাথে বেয়াদপি করতে নেই , আমিও করলাম না ।
আমার মন বলেছেন : খায়া দায়া কাম পাইনায় মনে হয়
২১৩ বার পঠিত | ৩১ টি মন্তব্য | রেটিং + ৩ / - ০ | বাকিটুকু পড়ুন |
কিন্তু যদি করতে পারি , তো প্রজন্ম কে দরকার হয় সবাই মিলে পরিচয় করিয়ে দিব উনাকে , কি বলেন ? এতে অবশ্য আমার একটা স্বার্থ আছে . . . আমার লজ্জাটা ভাগ করে দেয়া
বিআইডব্লিউটিএ সুত্র জানায় , কাচঁপুর সেতুর নীচে সরকারি দল সমর্থক একটি প্রভাবশালী মহল র্দীঘদিন শীতলক্ষ্যার নদীর প্রায় দেড় লাখ স্কয়ার ফুট জায়গা বালু ফেলে ভরাট করে সেখানে অবৈধ বালুর ব্যবসা চালিয়ে আসছিল ।
Staff Correspondent : সংবিধান সংশোধনের ব্যাপারে বিরোধী দলের আলোচনার সুযোগ এখনও রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ । সোমবার মন্ত্রিসভায় সংবিধান . . বিস্তারিত
লিনাক্সে প্রচুর পরিমাণে সফটওয়্যার পাওয়া গেলেও আমরা অনেকেই উইন্ডোজের কিছু সফটওয়্যারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি । অথবা আপিসের প্রয়োজনীয় কাজগুলো উইন্ডোজের সফটওয়্যারে করতে হয় । সবচেয়ে বড় ঝামেলা হয় যখন আপিস থেকে শুধুমাত্র উইন্ডোজের জন্য তৈরী সফটওয়্যার ব্যবহারের জন্য চাপ দেয়া হয় । এমতাবস্থায় কী করা যায় ? এ সমস্যার কয়েক ধরণের সমাধান আছে । প্রথম সমাধান হলো , সফটওয়্যারটির একটা বিকল্প খুঁজে বের করা । প্রায় সময়ই ভালো বিকল্প পাওয়া যায় , যা কিনা প্রায় পুরোপুরি কম্প্যাটিবল হয় । কিন্তু এভাবে সবসময় সমস্যার সমাধান হয় না । অর্থাৎ ওই সফটওয়্যারটি ছাড়া অন্য কোন কিছু ব্যবহার সম্ভবপর হয় না । এরও কয়েক ধরণের সমাধান আছে । প্রথমটি হলো wine ব্যবহার করা । wine একটা উইন্ডোজ এপিআই লেয়ার তৈরী করে লিনাক্সের উপর । ফলে উইন্ডোজের জন্য তৈরী সফটওয়্যারগুলো লিনাক্সে ইনস্টল করা যায় সহজেই । দ্বিতীয়টি হচ্ছে ভার্চুয়াল মেশিন ব্যবহার করা । অর্থাৎ কম্পিউটারের ভিতরে আরেকটা কম্পিউটার বানিয়ে সেখানে উইন্ডোজ ইনস্টল করা । এটাই সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি । তবে এ পদ্ধতির খারাপ দিক হচ্ছে প্রসেসর স্পিড ভালো হওয়া চাই এবং প্রচুর পরিমাণে মেমরি থাকাও আবশ্যক । কমপক্ষে ১গিবা না হলে এ পদ্ধতি খুব একটা কাজে লাগে না । আপিসে আমাকে উইন্ডোজের কিছু সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয় । তাই উবুন্তুতে আমি ভার্চুয়ালবক্স ইনস্টল করে নিয়েছি । এটি খুবই দারুণ একটা ভার্চুয়ালাইজেশন সফটওয়্যার যা কিনা পুরোপুরি ওপেনসোর্স । বর্তমানে ভার্সনে ( ১ . ৫ . ০ ) খুবই মজার একটা ফিচার আছে । সেটা হচ্ছে সিমলেস উইন্ডোজ । অর্থাৎ উইন্ডোজ ডেস্কটপ অদৃশ্য হয়ে যাবে যাতে মনে হবে উইন্ডোজ আর লিনাক্স মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে । নীচের ছবিতে দেখুন অবশ্য এটা ম্যাকের প্যারালাল বা ভিএমওয়্যারের মত এতটা ফিচারসমৃদ্ধ নয় । তবে আশা করা যায় , খুব শীঘ্রই ওসব ফিচারগুলো যুক্ত হবে ।
রাজশাহী , ১২ জুলাই : বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে সদ্য সমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে । পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এ নির্বাচনে অনেক ভালো ফলাফল করেছে । রাজশাহী , চাঁপাইনবাবগঞ্জ , নওগাঁ ও নাটোর জেলার ২৫৭ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি ১৫৮ , আওয়ামী ৭৯ , জামায়াত ১২ , জাতীয় পার্টি ১ ও স্বতন্ত্র ৭টি চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছে ।
উচ্চ রক্তচাপ যেমন স্ট্রোকের কারণ হতে পারে ( স্ট্রোকের পরিণতি হতে পারে প্যারালাইসিস বা মৃত্যু ) তেমনি অনিয়ন্ত্রিত নিম্ন রক্তচাপের পরিণতিতে অনেকে চলে যেতে পারেন কোমায় বা ঘটতে পারে বড় কোনো র্দুঘটনা ।
সব আর্জেনটিনার সাপোর্টার গো লেইগা আমার আফসোস হয় । যা হোক দোয়া করি , তারা যাতে প্রথম রাউন্ড বাদ না পরে ।
জাতীয় শিক্ষানীতি সংশোধন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি সামীম মো . আফজলের অপসারণের দাবি ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমামের প্রতিশ্রুত অবস্থান থেকে সরে যাওয়ার প্রতিবাদে আগামীকাল রাজধানীতে আবারও বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সম্মিলিত ওলামা পরিষদ । আগামীকাল বাদ জুমা মুক্তাঙ্গনে এই প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে । গতকাল সম্মিলিত ওলামা - মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুহিউদ্দিন খানের বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় সরকারপক্ষের দেয়া আশ্বাস তথা সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদে ওই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় জানানো হয়েছে ।
সবাই এ ভাবে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করলে যাদের আইপিএস কেনার সামর্থ নেই তাদের কি অবস্থা হবে ? যখন বিদ্যুৎ থাকবে তখনও লো ভোল্টেজ হয়ে থাকবে ।
সমুদ্রে ৩ নম্বর বিপদ সংকেত এর পরে বাড়তে বাড়তে আরও উপরে যেতে পারে , এর প্রভাবে উপকুলের কাছাকাছি প্রতিটি জেলায় দমকা হাওয়ার সাথে ঝড়ো বৃষ্টি । মাঝে মাঝে বিরতি দিয়ে প্রকৃতির ইচ্ছামাফিক এই খেলার নিয়ন্ত্রক একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই বলতে পারেন এর রুটিন । তবে ঠান্ডা আবহাওয়ার মৃদু শৈত্য প্রবাহ এ যেন এক আলাদা অনুভব । আমার কাছে এর শৈল্পিক ও নান্দনিক বেশ কিছু উপাদান ধরা পড়লেও উপকুলের কাছাকাছি জেলাগুলির কাচা অথবা শক্ত মজবুত গাঁথুনির নিরাপদ আশ্রয় যাদের নেই ( এই সব এলাকাগুলোতে তাদের সংখ্যা নিতান্তই কম নয় ) তাদের মনে কিন্তু ভিন্ন চিন্তা . . .
এগুলোর মানে কি ? অমুস্লিম হয়ে যাওয়া ? তা কিন্তু নয় । তুমি যেই শরীয়া আইনের কথা বলছ , সেগুলো মানুষের তৈরী । কোরান ও হাদীসে উত্তর না পেয়ে কিছু অশিক্ষিত আলেম নাধারী ব্যাক্তিরাই এগুলো তৈরী করেছে যা এখন পরিবর্তিত হচ্ছে ।
এর মাধ্যমে উইজেট ইনস্টল করতে প্রয়োজনীয় কোড পাওয়া যাবে ৻
আমরা জানি প্যারাপ্লেজিয়া রোগীর নিম্নাঙ্গ অসাড় - অবশ থাকে । ফলে এরা হাঁটতে সক্ষম হয় না । অবশ্য এমন রোগীর অনেকেই কোনোমতে দাঁড়াতে সক্ষম হন , কিন্তু পা বাড়িয়ে হাঁটতে পারেন না নিজের শক্তি ব্যবহার করে । তাদের জন্যই আসছে elegs , এটি একটি উদ্ভাবনীমূলক exoskeletion । এটি একটি কৃত্রিম রোবট পা । এতে ব্যবহার করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা , যার মাধ্যমে এ পা পরিধানকারীর বাহুর ইশারা পাঠ ( read ) করা যায় কয়েকটি ক্র্যাচের মাধ্যমে । ফলে এর মাধ্যমে মানুষের হাঁটার শক্তিকে উজ্জীবিত করা যায় । এটি এ ধরনের প্রথম একটি যন্ত্র । সৈনিকেরা পিঠের ওপর ভারি জিনিস বহন করার বেলায় এক ধরনের মিলিটারি এক্সো স্কেলেটন ব্যবহার করে । সে ধারণা থেকে প্যারাপ্লেজিয়া রোগীদের জন্য এই ই - লেগ উদ্ভাবনের প্রেরণা পান এর উদ্ভাবকেরা । এটি প্রাথমিকভাবে কিছু পুনর্বাসন কেন্দ্রতেই পাওয়া যাবে । প্রশিক্ষিত ফিজিওথেরাপিস্ট তা ব্যবহার করবেন রোগীদের জন্য । সাধারণভাবে তা বাজারে পাওয়া যাবে ২০১৩ সালের দিকে ।
শব্দটা ' ছড়া ' না হয়ে অন্য কিছুও তো হতে পারতো । কিন্তু অন্য কিছু না হয়ে কেন ছড়া হলো , অর্থাৎ ' ছড়া ' শব্দের ব্যুৎপত্তি নিয়েই বিশেষজ্ঞদের মধ্যে যে মতপার্থক্য দেখা গেল তার সুরাহা আজও হয়নি । কেউ বলেন এটা সংস্কৃতমূল শব্দ , কেউ বলেন দেশজ । হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় তো তাঁর ' বঙ্গীয় শব্দকোষ ' গ্রন্থে ' ছড়া ' শব্দের দীর্ঘ বিবর্তনকে রীতিমতো সংজ্ঞায়িত করে ফেলেছেন এভাবে :
লেখক বলেছেন : তালি আরেকটা গিপ্টঃ একদা মাংস কাটতে গিয়ে এক ওয়েটারের হাতটা বিশ্রীভাবে কেটে গেল । যথারীতি সে ভর্তি হল স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে । ঘন্টার পর ঘন্টা সে টেবিলে শুয়ে রইল , কেউ তার পরিচর্যায় এল না । একজন ডাক্তারবাবু পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন । ওয়েটার চেঁচিয়ে বলল , ডাক্তারবাবু , আমাকে একটু দেখুন ! আমি এই টেবিলে তিন ঘন্টা পড়ে আছি ! ডাক্তারবাবু জবাব দিলেন , স্যরি ! এটা আমার টেবিল নয় । কাল্কেই কবিতা পড়ছি বাট কমেন্টাই নাই । মাথা জ্যাম ছিল । অহন যাইতাছি ।
লুৎফর রহমান বলেছেন : আমার জানামতে , বিয়ে শুরুর বয়স ইসলামে দেয়া আছে ।
২৯২ বার পঠিত | ৩৫ টি মন্তব্য | রেটিং + ১ / - ০ | বাকিটুকু পড়ুন |
এক ঘষায় সব সাফ - > তয় ঘষাটা দেওনের আগে সোডায় চুবাইয়া , ৩৩ বার ডলা দিবেন
অর্থ সম্পদের প্রতি ব্যক্তি জিয়ার তেমন কোন লালসা না থাকার কারণে হয়তো মানুষ বিশেষকরে প্রবীণরা তাকে সৎ ও সাদাসিধা মানুষ হিসেবেই জ্ঞান করে ।
আমি জানি এই মুহূর্তে এই ধরনের পোস্ট দেয়া ঠিক হচ্ছে না , গত কয়েকদিন থেকে আমরা সবাই বিপ্লবী জোশে আছি ! দেশের ত্যাল গ্যাস প্রায় রক্ষা করে ফেলেছি ! দুই একজন ব্লগার রাস্তায় গিয়ে দৌড়ানি খেয়ে এসেছে । এমন একটা উৎসব উৎসব বিপ্লব বিপ্লব সময়ে বাম হাত ঢুকানো নিতান্তই বোকামী , এর কারণ আমার ভগ্নিপতি । তিনি আমার পাশে বসে আছেন , ঐদিন বললেন , " তুমি প্রায়ই ব্লগে বসে থাকো , কিন্তু কিছু লিখতে দেখিনা ! ব্যাপার কী !
নিজের এই মনসত্মাত্বিক দ্বন্দ্বটার কথা লিখলাম এই কারণে যে , মহিউদ্দিনের এই পরাজয়টা প্রধানত তাঁর কারণে ঘটলেও এই পরাজয় দেশের রাজনীতির অঙ্গনে বিএনপি জামায়াত প্রতিপক্ষের সামনে আওয়ামী লীগ - মহাজোট পক্ষকে একটা প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে । অতএব , এই পরাজয়কে শুধু একটি স্থানীয় নির্বাচনে নির্বাচনী - বিপর্যয় হিসেবে অবমূল্যায়ন করলে আওয়ামী লীগ অচিরেই বিপদে পড়বে । গত আঠারো মাসের সরকার পরিচালনার মূল্যায়নের একটা প্রতিফলনও এই নির্বাচন । অতএব , প্রধান মন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতার প্রয়োগে যে বড় সড় ভুলগুলো হয়ে গেছে তার বিরুদ্ধে পুঞ্জিভূত গণরোষেরও প্রকাশ হিসেবে এই ফলাফলকে দেখতে অনুরোধ করবো আমি । যেহেতু , সরকারের সামনে আরো সাড়ে তিন বছর মেয়াদ অবশিষ্ট রয়েছে তাই ভুলগুলো সংশোধনের কাজ এখন থেকে শুরু করা হলে সরকারের জনপ্রিয়তার ভাটার টানকে রুখে দেওয়া যাবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস । এই বিশ্বাস থেকেই নিচের আলোচনা - বিশ্লেষণের অবতারণা ।
নারীকে বধ করার এই যৌন - ডামাডোল পর্দা ছাপিয়ে হলের আলো - অন্ধকারকেও মাতিয়ে তোলে । দর্শক তখন ( অবশ্যই পুরুষ ) আবারো শিস দেয় । হয়তো কেউ কেউ পরের দৃশ্য কল্পনা করতে শুরু করে । যে রুবার শরীরের নড়াচড়াকে এতক্ষণ ক্যামেরার চোখ লোভাতুর ভাবে দেখিয়েছে , সেই শরীরকে কল্পনা করার জন্য দর্শককে উস্কানো হয় । ঝিলের সামনে বসে তপুর অস্থিরতা , এর আগে রুবার উচাটন , তপুকে বাসায় ডাকার অর্থ দর্শকের কাছে ' ইশারায় কাছে ডাকা ' ছাড়া আর কী হতে পারে ? এই পুরো সিকোয়েন্সে রুবার প্রতি তপুর মনোভাবের রগরগে যৌনরসাত্মক দৃশ্যায়ন কিন্তু কী সুন্দর ' স্লীলতার ' মোড়কে মোড়া !
হবেই তো আপনি তো আর সাধারন মানুষ নন আপনি হলেন দ্য সুপারম্যান
লেখক বলেছেন : লাভ স্টোরি মানেই এরিখ সেগাল ! এই এতো বছর পরেও ! !
এস এইচ খান বলেছেন : ভাদা ব্লগ সামুতে আপনি লিখেন নাকি ? লিখলে পোস্টটি ওখানেও দিন । দেখবেন কেমন ক্যাচাল লেগে যায় ! এ দেশীয় অন্ধ রবীন্দ্র মুরীদরা কেমন রিএ্যাক্ট করে একবার দেখে নিতে পারেন
অনেকেই ফোরাম তৈরী করতে চান কিন্তু কোন ফোরাম ইঞ্জিন ব্যবহার করবেন তা ভেবে পাননা । এজন্য বিভিন্ন সাইটে প্রশ্ন করে থাকেন । আপনাদের এই প্রশ্নের অবসান ঘটাতে আমার এই পোস্ট । বাংলা ফোরাম তৈরী করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ফোরাম ইঞ্জিনগুলো হচ্ছে phpbb , punbb , smf , mybb ইত্যাদি । এর মধ্যে কোনটাকে বেছে নিবেন সে নিয়ে আপনাদের চিন্তা থাকে বেশী । আমার মতে ফ্রির মধ্যে সবচেয়ে ভালো ফোরাম ইঞ্জিন হল smf ( simple machines forum । এর চেয়ে ভালো ফোরাম ইঞ্জিন আপনি পাবেননা । যদিও যেটি পাবেন সেটি হলো vbulletin যা আপনাকে অনেক টাকা খরচ করে কিনতে হবে । তবে জনপ্রিয়তার দিক থেকে বাংলাদেশে phpbb ও punbb - র সংখ্যা বেশী । অবশ্য পানবিবির চেয়ে পিএইচপিবি অনেক বেশী ভালো । পানবিবি মাত্র কয়েকশ কিলোবাইট । কিন্তু পিএইচপিবিবি ১৪ - ১৫ মেগাবাইট । তবে পানবিবির তৈরী ওয়েবসাইট অনেকটা হাল্কা হয় ফলে পিএইচপিবির তৈরী ফোরামের চেয়ে অনেকটা দ্রুতগতির । আরেকটি ভালো ফোরাম হল vanilla core . এটা খুবই ভালো ফোরাম ইঞ্জিন । এটি কোয়ালিটির দিক থেকে এসএমএফ এর সমপর্যায়ই বলা চলে । কিন্তু দুঃখের বিষয় হল এর বাংলা সাপোর্ট নেই । আমি আপনাদের ফোরাম কম্পেয়ার করার জন্য একটি লিঙ্ক দিলাম যেখান থেকে আপনি বিভিন্ন ফোরাম কম্পেয়ার করার সুযোগ পাবেন । এই লিঙ্কটি দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করেন । প্রথমে এখানে ফোরাম ইঞ্জিনগুলোর নামের উপর ক্লিক করে compare forums এর উপর ক্লিক করবেন । তবে মনে রাখবেন এখানে রেটিংস এর দিক থেকে কর্তৃপক্ষের রেটিংসকে গুরুত্ব দিবেন । সাধারন জঙ্গনের রেটিংসকে গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই । কারন এদের বেশীরভাগই নিজেরা যে ইঞ্জিন ব্যবহার করে সেটাকেই ভোট দেয় । অন্যদিকে , কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন রকম যাচাই বাছাই করে রেটিংস দেয় ফলে তাদের মতামতই গ্রহনযোগ্য বেশী । আমি phpbb - punbb - smf - vanilla - র মধ্যে পার্থক্য এখানে দিয়ে দিলাম । তবে , যারা জুমলা ব্যবহার করেন এবং একসাথে পোর্টাল ও ফোরাম একসাথে চালাতে চান তারা kunena ব্যবহার করতে পারেন । এটি অসাধারণ একটি কম্পোনেন্ট একইসাথে বাংলা সাপোর্ট করে । এটি খুবই জনপ্রিয় এবং এর জনপ্রিয়তা সম্পর্কে গুগলে সার্চ দিলেই আপনি উত্তর পেয়ে যাবেন । কিন্তু যারা শুধু ফোরাম তৈরী করতে চান তাদের প্রতি আমার মতামত হল simple machines forum ব্যাবহার করতে ।
টু - জি অথবা টু পয়েন্ট ফাইভ জি প্রযুক্তির তুলনায় থ্রিজি প্রযুক্তি উন্নত এবং কিছু বিশেষ কারণে এগিয়ে আছে । যেমন :
প্রায় সাত থেকে আট মাস আগের ঘটনা । ' গুগলে ' সার্চ দিয়ে ' উইকিপিডা ' য় ' মীর মোশারফ হোসেন ' সম্পর্কে পড়ছিলাম । বের হয়ে দেখি ' মীর ' এর ব্লগ নামে একটি শিরোনাম । একবার ঠু মেরে ভিতরে এসে প্রথম দেখা পায় ' আমরা বন্ধু ' ব্লগের । ' মীর ' ভাইয়ের লেখাটি দারুন লেগেছিল সেই সময় । অসম্তব ভালো লাগার পর থেকেই নিয়মিত অতিথি হিসাবে আসতাম এই ব্লগে । তবে বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি ' মীর ' ভাইয়ের দেখায় যায়না ব্লগে । কেও না মিস্ করুক আমি তার লেখাগুলোকে মিস করি বেশ ।
তির্যক বলেছেন : েলা শুরু হওয়ার কয়েন দিন পরও ব্লগ ভাল চলছিল ।
ভাইয়া , কবিতা আমার দুচোখের বিষ প্রায় । কবি হইতে চাইনাই কোনদিন , চাইও না এখনো , তবুও মাঝে মাঝে কেন যেন " আমি জেনে - শুনে বিষ করেছি পান " অবস্থা হয় ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনার এই অত্যন্ত পরিশ্রমী প্রচেষ্টার জন্য ।
প্রজন্ম ফোরাম » বিবিধ » শস্ত্রচিকিৎসার প্রাচীন যন্ত্রপাতি
স্কুল জীবন শেষ করে ১৯৩৬ সালে মায়ের ইচ্ছাতেই সত্যজিত্ রায় ভর্তি হলেন প্রেসিডেন্সি কলেজে । এই কলেজেই পড়াশোনা করেছিলেন তাঁর দাদু ও
ঢাকা , ২৭ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : বহু জল্পনা - কল্পনার পর অবশেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচ হচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার স্টুয়ার্ট ল । দুই বছরের জন্য স্টুয়ার্ট ল ' র সাথে চুক্তির কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
প্রাপ্ত পুরষ্কার : ১ . ২০১০ সালে টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে মার্ক জুকারবার্গ ' পারসন অব দ্য ইয়ার ' অর্থাৎ ' বর্ষ সেরা ব্যক্তি ' হিসেবে নির্বাচিত হন ।
কিছুদিনের মধ্যেই এরপর দেশের পরিস্থিতি বেশ দ্রুত বদলাতে শুরু করে । সীমান্ত এলাকায় শোনা কামানের গর্জনও থেমে যায় । খবরে খবরে একদিন ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ লাভ করেছে স্বাধীনতা । যুদ্ধে পরাভুত পাকিস্তান । এবার ঘরে ফেরার পালা ।
চীনে মোট জনসংখ্যা ১৩০ কোটি ছাড়িয়েছে । জনসংখ্যা অনুপাতে সেদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের হারও বেড়েছে দ্রুতগতিতে । অবশ্য , চীন সরকার এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছেন । ওয়াং চেন জানালেন , পর্ণোগ্রাফি , সন্ত্রাস এবং ক্ষতিকারক তথ্য সরবরাহ করছে এমন ৬০ হাজারের অধিক ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে । তিনি আরো বললেন , আগের চেয়ে ইন্টারনেটের পরিবেশকে আরো পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে ।
সাইবার ক্যাফে ট্যাফেতেও পোর্টেবল ভার্সন খুবই উপকারী ( লাস্টপাস / xmarks / weave ইত্যাদি ব্যবহার করলে তো ফরজ ) ।
আমার দুটা পেনড্রাইভই বাসায় রেখে এসেছি তাই চেক করতে পারলাম না । কাল চেক করে জানাব । তার আগে দেশি মানুষের দেশী সফটঃ এর জন্য একটা সম্মাননা ।
মুয়ায ইবন আনাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , " যে ব্যক্তি একজন বিশ্বাসীকে একজন মুনাফিক হতে রক্ষা করে , আল্লাহ তা ' আলা একজন ফেরেশতা পাঠাবেন যিনি তার চামড়াকে জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করবেন এবং যে , কোন একজন মুসলিমকে হেয় করার মনোভাব নিয়ে , কোন কারণে তাকে দোষী সাব্যস্ত করল , আল্লাহ তা ' আলা তাকে জাহান্নামের সেতুর উপর ঝুলিয়ে রাখবেন যতক্ষণ না সে তার কথা ফিরিয়ে নেয় ৷ " ( হাসান , আবু দাউদ , আহমদ )
অর্ণব আর্ক বলেছেন : তোমাকে অনেক ধন্যবাদ লেখাটি মনযোগ সহকারে লেখাটি পড়ার জন্য ।
সম্প্রতি জেনেভা স্কুল অব বিজনেসের গবেষকরা দাবি করেছেন , তারা আদর্শ স্ত্রী বা পাত্রী খুঁজে বের করার গাণিতিক সূত্র উদ্ভাবন করেছেন । গবেষকদের মতে , আদর্শ গৃহিণী খুঁজে দীর্ঘস্থায়ী পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হলে কনেকে বরের চেয়ে কমপক্ষে পাঁচ বছরের ছোট হতে হবে । বর - কনেকে একই পরিবারিক সংস্কৃতি থেকে উঠে আসতে হবে ; কারণ সুখী ও দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবনে সামাজিকতার বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । শুধু তাই নয় মেয়েকে ছেলের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমত্তাসম্পন্নও হতে হবে । এসব নিয়ম মেনে বিয়ে করলে শতকরা ২০ ভাগ সংসার সাধারণের তুলনায় বেশীদিন টিকে থাকার সম্ভাবনা থাকে ।
মাগরিবের নামাজের বিরতির কিছুক্ষণ আগে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে জারি করা ১২২টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেন ।
খালেদা জিয়ার নামে সবচেয়ে তথ্যবহুল একাউন্টটির বেসিক ইনফরমেশন লেখা আছে - লিডার অব দ্য অপজিশন , বাংলাদেশ পার্লামেন্ট । চেয়ারপারসন , বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি । ফরমার প্রাইম মিনিস্টার অব বাংলাদেশ । জেন্ডার - ফিমেল । কারেন্ট সিটি - ঢাকা , বাংলাদেশ । বার্থডে - আগস্ট ১৫ ( সাল উলেস্নখ নেই ) । হোমটাউন - ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট , ঢাকা । সনত্মান - তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান । রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস - বিধবা । লুকিং ফর - নেটওয়ার্কিং । পলিটিক্যাল ভিউ - বাংলাদেশী ন্যাশনালিজম । রিলিজিয়ার্স ভিউ - মডারেট মুসলিম । কনট্রাক্ট ইনফরমেশন - এ বিএনপি ' র বাতিল করে দেয়া দলীয় ওয়েবসাইটের ঠিকানা । লেখা আছে , চাকরিদাতা - বাংলাদেশের জনগণ । পজিশন - লিডার অব অপজিশন ইন পার্লামেন্ট । পিরিয়ড - জানুয়ারি ২০০৯ থেকে চলমান । পজিশন - প্রাইম মিনিস্টার । টাইম পিরিয়ড - অক্টোবর ২০০১ থেকে অক্টোবর ২০০৬ ও মার্চ ১৯৯১ থেকে মার্চ ১৯৯৬ । নিচে পর্যায়ক্রমে লেখা রয়েছে চাকরিদাতা - বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি । পজিশন - চেয়ারপারসন । পিরিয়ড - ফেব্রম্নয়ারি - ১৯৮৪ থেকে চলমান । একাউন্ট পর্যবেড়্গণে দেখা যায় , উল্লিখিত ফেসবুকে অনত্মর্ভুক্ত আছে ৪২টি ফ্যান পেইজ , অর্থাৎ খালেদা জিয়া ওই পেইজগুলোর ভক্ত । খালেদার ওই একাউন্টের ফ্যান পেইজগুলো হচ্ছে - মুসত্মাফা কামাল আতাতুর্ক , এইচএম কুইন এলিজাবেথ সেকেন্ড , মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধী মহাত্মা , বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি , চে গুয়েভারা , জিয়াউর রহমান , সোনিয়া গান্ধী , জওয়াহরলাল নেহেরম্ন , নেলসন ম্যান্ডেলা , মার্গারেট থ্যাচার , ড . মহাথির মুহাম্মদ , ইয়াসির আরাফাত , আব্রাহাম ' অনেস্ট এ্যাবে ' লিংকন , বারাক ওবামা , মিয়া মো . নওয়াজ শরিফ , থাকসিন লাইভ ডট কম , তারেক রহমান , কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ , কিং আবদুলস্নাহ বিন আবদুল আজিজ সউদ , প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন , দালাইলামা , কিং বীরেন্দ্র অব নেপাল । এ একাউন্টে দেখা যায় খালেদা জিয়া দু ' টি গ্রুপের মেম্বার । গ্রম্নপগুলো হচ্ছে - প্রাউড টু বি এ বাংলাদেশী : ক্যান উই গেট ১০০০০০ প্রাউড বাংলাদেশী , কিং হোসেন - কিং অব দ্য জর্ডান ( ১৯৩৫ - ১৯৯৯ ) । সেখানে খালেদা জিয়ার বন্ধু হিসেবে অনত্মর্ভুক্ত ৮৯ জনের মধ্যে রয়েছেন প্রেসিডেন্টের সাবেক প্রেস উপদেষ্টা মুখলেসুর রহমান চৌধুরী , তারেক রহমান , এটিএম কামাল , আমার দেশ , ইনসিকিউরিটিবল হিউম্যান , মাসরম্নর মোখলেস চৌধুরী , মনসুর মোখলেস চৌধুরী , অচিনপুর নিবাসী সিদ্ধার্থ শঙ্কর খোজা , তামান্না তাহিরা তাসনিম , বীরানত্ম পথিক , দেশ আমার মাটি আমার , বাকশাল যখন ডিজিটাল , আকবর হায়দার কিরণ , আশরাফুল হক বুলবুল , দেওয়ান গোলাম হোসেন , মুন্নী চৌধুরী মেধা প্রমুখ ।
বড়দের যেসব কারণে মাথা ব্যথা হয় প্রায় সব কারণেই শিশুদেরও মাথাব্যথা হতে পারে । আর শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি যে সব কারণে মাথাব্যথা হয় তা হলো : ্ক শিশুকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্কুলে ভর্তি করানো
শিম্পাঞ্জি প্রজাতি থেকে আলাদা হওয়ার পর পরই আধুনিক মানব প্রজাতির উৎপত্তি হয়েছিল - এমনটি ভাবলেও ভুল হবে । কারণ এর পরও মানুষের পরবর্তী পূর্বপুরুষ প্রজাতিটি আরও অনেকগুলো প্রজাতিতে ভাগ হয়ে গিয়েছিল এবং এদের মধ্য থেকে এক বা একাধিক প্রজাতি ধাপে ধাপে আরও অনেকবার বিবর্তিত হয়ে আজকের মানব প্রজাতির উৎপত্তি হয়েছে । অবশ্য বিবর্তনের এই পর্যায়ের ধাপগুলোর ধারাবাহিকতা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয় । এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে বিভিন্ন মতবাদ রয়েছে । তবে দিন দিন যতই নতুন নতুন তথ্যপ্রমাণ আবিষ্কৃত হচ্ছে , মানব বিবর্তনের অতীতচিত্রটি ততই পরিষ্কার হচ্ছে ।
শীগ্রই এনাদের অনেককে দেখা যাবে ' দীগন্তে ' বসে ' সামাজিক অনুশাসনে ধর্মের গুরুত্ব ' , কিংবা ' বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী ' র অপরিহার্যতা ' সম্পর্কে জ্ঞানগভীর আলোচনা করছেন এবং বলছেন , স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর কে স্বাধীনতার পক্ষে আর কে বিপক্ষে সে বিতর্ক অহেতুক ।
নিয়াজ মুহাইমেন ঃ হ - বাংলা নিউজ ঃ লস্ এঞ্জেলেস থেকে ঃ ৪ , ৫ , ৬ সেপ্টেম্বর প্যাসাডিনা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো আনন্দ বাজার পত্রিকার উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী জমজমাট আনন্দ উ ৎ সব । উদ্বোধনী পর্বে ছিল আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীত , রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার কন্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত এর পর পরই হরিহরনের কন্ঠে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত । মঞ্চে ছিলেন আনন্দ বাজার পত্রিকার প্রতিনিধি সুবির মিত্র , ওস্তাদ আমজান আলী খাঁন , শর্মিলা ঠাকুর , সোহা আলী খাঁন , উপস্থাপক মীর এবং উপস্থাপিকা চুন্নী প্রমূখ । উদ্বোধনের পর পরই ছিল সোহা আলী খাঁন এবং শর্মিলা ঠাকুরের অংশ গ্রহনে গীতি নাট্য রবি ও রাধা । যা ছিল অপূর্ব । দুপুরে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সুমধুর কন্ঠে রবীন্দ্র সংগীত , সন্ধ্যায় জেমস , রাতে দর্শক মাতালেন হরিহরন , অপূর্ব তার পরিবেশনা ।
ওসি সাহেব এ ব্যাপারে শুনেছেন তাহলে ইমিডিয়েটলি এ্যাকশন নিচ্ছেন না কেন ? শিয়াল কসাই কি পৌরসভা থেকে এই ধরনের ব্যবসা করার লাইসেন্স পাইছে নাকি । যতসব
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা ভোটার নিবন্ধন , ভোটার তালিকা ছাপানো , জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন ব্যবস্থাপনা , নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং নির্বাচনের যাবতীয় আয়োজনের কাজ সম্পাদন করেন ।
আগে মনে করতাম , শুধু আমিই অভিনয়ে পটু । ২৪ ঘন্টা অথবা ১৪০০রও বেশি মিনিট আগে সে ধারণায় ভুল ভাঙলো । আমার গবেষণাসন্দর্ভ বিষয়ক ব্যাপার - স্যাপার এর জন্যে যে গবেষণাকক্ষটিতে আমি সংযুক্ত , তার মধ্যম কর্তাটি যখন গবেষণাকর্মের সাথে জড়িত সবার চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করছেন এক মহান বক্তৃতার মাধ্যমে , তখন মুঠোফোন টি হঠাৎ বেজে ওঠে এবং আমাকে যোগাযোগ দেয়া হয় কেন্দ্রীয় মুঠোফোন কক্ষে । কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে আমি কাকলি কন্ঠে কারও রেখে দেয়া মেসেজ শুনতে পাই এবং বুঝতে পারি , কিছু একটা বড়সড় ঝামেলা ইজ কুকিং । তারপর ১৮০ মিনিট কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিটে তথ্য ইনপুট করার পর ঝামেলার বিষয়বস্তু আমি বুঝতে পারি । আমি হতবিহ্বল হয়ে পড়ি এবং বুঝতে পারি , চারপাশের সবাই খুব পাকা অভিনয় - শিল্পী । শুভাকাঙ্খীদের জন্যে বার্তা রইলো যে , আমি আপাতত নিজের আসল অস্তিত্বেই এবং আসল ঠিকানাতেই আছি । এবং আমি অর্থোডক্স হলেও প্রাচীনপন্থী নই আর , আবেগতাড়িত হলেও যুক্তিহীন , অন্ধ নই । - - - - - - - - - - - - - - ডিসক্লেইমার : " এইসব দিনরাত্রি " র ব্যাপারস্যাপার গুলো জাস্ট কিছু দৈনন্দিন খসড়া , ইচ্ছে করেই দুর্বোধ্য করে তোলা । খুব একটা মনোযোগ দিয়ে না পড়ার অনুরোধ করি । মাথা ব্যথা ধরার সম্ভাবনা খুব বেশি ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক বলেন , " ২০২১ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারের হার শতকরা ৮০ ভাগে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বেশ কিছু কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার । "
[ কমেন্ট একত্র করা হল , ছবি ট্যাগ দেয়া হল ]
ভাই ধন্যবাদ লেখাটার জন্য । যদিও পুরোটা পড়া হয়নি , অর্ধেক পড়েছি , বাকিটা বুকমার্ক করে পরে পড়ছি ।
এই তো সে দিনের কথা ভীষণ লেগেছে ক্ষুধা ,
উদাহরন ঃ এই পোস্টে সমকামিতার মত একটি হারাম কাজে দুলাল ভাই কোরআনের আয়াত ব্যবহার করার কারণে আমি তাকে পোস্টের প্রথম মন্তব্যে কারণ উল্লেখ করে মাইনাস দিয়েছি যদিও তিনি আমার পছন্দের লেখকদের মধ্যে একজন ।
জয়নাল আবেদীন ফারুক বিরোধী দলের সম্মানিত চী huip . তিনি বয়স জেষ্ঠ লোক । যে ouদ্ধতtoপূর্ণ ও কুরুchiপূর্ণ ভাষায় তিনি পুলিশের প্রতি গালাগালি করেছেন , তাতে তার প্রতি ঘৃণা জানাচ্ছি .
আমলাতন্ত্র - প্রশাসন ও অর্থনীতি । উপনিবেশিকতার মূল ধারক ও বাহক আমলাতন্ত্র যা কিনা এর জন্মসুত্রে আর গঠনে ও প্রশীখনে মজ্জাগত ভাবে জনবিরোধী ও প্রতিক্রিয়াশীল , সেই বিষ বৃক্ষ সমূলে উপড়ানোর ও একে গণমুখী আদলে পুনরগঠনের একটা সুবর্ণ সুযোগ দিল স্বাধীনতা । আমরা এই সুযোগ তো নিলামই না , বরং আরো নিকৃষ্ট ধাচে এই বিষ বৃক্ষের শাখা প্রশাখা নতুন রাষ্টের পঙ্গু প্রশাসনসহ অর্থনীতিরও সব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে অঙ্গেও বিস্তারের ব্যবস্থা কইরা দিলাম । এর পরিধি আর কলেবর বৃদ্ধি হইলো বহুগুন , এবং এর নেতৃত্ব গেল গুণগত ভাবে নিকৃষ্ট এবং অতি অনভিজ্ঞ অস্সিস্তান্ট আর ডেপুটি সেক্রেটারি থাইক্কা রাতারাতি অটো প্রমোশন পাওয়া সেক্রেটারীদের হাতে । আমলাতন্ত্র শুধু যে উপনিবেশিক সনাতনোতায় লোকাল , থানা , মহকুমা , জেলা , বিভাগীয় এবং কেন্দ্রীয় সরকারী প্রশাসনে আগের মতই জাকায়া থাকলো জনগনের উপনিবেশিক প্রভু ও ঘুষখোর শোষক হিসাবে তা না । নতুন রাষ্ট্রিয়াত্ত বাংক , কলকারখানা , বাবসা প্রথিষ্ঠান , এবং নতুন নতুন সরকারী বাব্সায়িক আর বানিজ্যিক কর্পোরেশন এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিরও রন্ধ্রে রন্ধ্রেও ঢুইকা গেল । ব্যাঙ্ক , বীমা , জুট মিল , টেক্সটাইল মিল , স্টিল মিল , কেমিকাল ইন্ডাস্ট্রী , ভোজ্য সামগ্রীর , ইন্ডাস্ট্রী , ডকইয়ার্ড , শিপইয়ার্ড , শিপিং , বিমান , পর্যটন , এমনকি কৃষি সহ বহু ভোগ্যোপন্নো আমদানি , বিতরণ , বিপননের সব বড় ব্যবসা কিচ্ছু বাদ রইলো না , সব চইলা গেল উপনিবেশিকতার প্রতিভু এই বিষ বৃক্ষের অধীনে । এই নতুন অটো প্রমোশন পাওয়া আমলারা , যারা নাকি এমনকি তাদের সনাতন উপনিবেশিক ধারার নীতি প্রনয়ন ও সরকারী প্রশাসন চালানোর কাজের জন্যও ছিল নিতান্ত অনভিজ্ঞ ও অযোগ্য , তাদের দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি ও চালিকা শক্তি এই সব ইন্ডাস্ট্রী ও ব্যবসা চালানোর নুন্যতমও যোগ্যতা বা অভিজ্ঞতাই ছিল না । আসলে , আমাদের চরম দুর্ভাগ্য , তাদের মজ্জাগতত উপনেবিশিক প্রশিক্ষণ , মানসিকতা , গোষ্ঠী সার্থের প্রতি বিশস্থতা এবং ব্যবসা বানিজ্য সমন্ধে চরম অজ্ঞতা বিচার করলে - আমরা বোধয় আমাদের অর্থনীতির বারোটা বাজানোর এবং অর্থনৈতিক আত্মহত্যা করার এর চেয়ে ভালো আর কোনো ব্যবস্থা করতে পারতাম না । দেশের অর্থনীতিও তাদের অধীনে চইলা গেল রসাতলে যাওয়ার জন্য । একটা জনসম্পৃক্ত প্রশাসন ও সুশাসনের সহাঅতায় যেইখানে একটা উদ্যোগ , উদ্ভাবন ও জনমুখী অর্থনীতি জনগনের সুপ্ত উদ্যোগী শক্তি ও প্রতিভা অশ্রিঙ্খলিত কইরা দেশকে সত্যিকারের স্বাধীনতা আর অর্থনৈতিক মুক্তির পথে অগায়আ নিতে পারত , তার বদলে ক্রনি বা স্বজনতোষণ কেপিটালিজম প্রথিষ্ঠা পাইয়া গেল সরকারী টাকা আর বেঙ্কের আমানত লুটপাট করার জন্য , জনগনের সব সুপ্ত উদ্যোগী শক্তি ও প্রতিভা বিকশিত করার পথ রুদ্ধ কইরা । এর সাথে সাথে একটা অনেক বড় ও সুদূরপ্রসারী ক্ষতিও হইআ গেল - উপনিবেশিক প্রশাসনসহ এইরকম ভয়ানক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা একটা কায়েমী প্রথিষ্ঠা পাইআ গেল - এই আমলা বিষ বৃক্ষের হাতে সরকারী যন্ত্রের সব কল কাঠি থাকাতে , ভবিষ্যতেও এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করা একরকম অসম্বভ থাইক্কা গেল - যার জের আমরা এখনো টানতেছি ।
নেয়ামুল হক বলেছেন : সহমত থকলো । শয়তান কি করবে তা তার কোন পুর্বাভাস দেয়ার সু্যোগ নেই । সতরাং কোন প্রকার হুমকি এসে থাকলে আমাদের জানান । পোস্ট মুছে দিয়ে শয়তান কে আনন্দই দেয়া হবে ।
বেনাপোল ( যশোর ) : বেনাপোলের ছোট আচড়া মাঠ থেকে গতকাল এক তরুণীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ । বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম মুসা জানান , সন্ধ্যার সময় ওই তরুণীর গলা কেটে হত্যা করে লাশ মাঠের মধ্যে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা । সকালে গ্রামবাসী মাঠের মধ্যে গলাকাটা লাশ দেখে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে । ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে । নিহতের পরিচয় জানা যায়নি ।
পোস্ট করা হয়েছে : রবি মার্চ ১৪ , ২০১০ ৮ : ৫৬ পূর্বাহ্ন
ময়মনসিংহে ১৫শ ' কিশোরকে হত্যার বর্ণনা দেন লেখক আহমেদ মূসা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় আওয়ামী লীগ বইটিতে উল্লেখ করা হয়েছে , ' . . . রক্ষীবাহিনী গত জানুয়ারীতে এক ময়মনসিংহ জেলাতেই অন্তত ১ হাজার ৫শ ' কিশোরকে হত্যা করেছে । এদের অনেকেই সিরাজ সিকদারের পূর্ববাংলা সর্বহারা পার্টি ( ইবিসিপি ) - এর সদস্য ছিল । অন্যদের মার্কসবাদী ও লেনিনবাদী দলের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে সন্দেহ করা হয়েছিল । এমনকি অনেক যুবক যারা রাজনীতিতে ততটা সক্রিয় ছিল না , তারাও এই অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন ' ।
বহুমাত্রিক সেবাদানের মাধ্যমে মানুষের জীবনের অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে মোবাইল ফোন । নিত্যদিনের কাজে ব্যবহারের পাশাপাশি ভ্রমণেও অনেক সহায়তা করে মোবাইল ফোন । মানুষের ভ্রমণসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তা করতে স্মার্ট ফোন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে । মানুষ বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ - সম্পর্কিত তথ্য , এমনকি রেস্টুরেন্ট যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও স্মার্ট ফোন ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে জানা গেছে । সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে এক হাজার প্রাপ্তবয়স্ক স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারীর ওপর একটি জরিপ চালানো হয় । এতে দেখা গেছে , . . . বিস্তারিত তাঁরা বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের আবেদনপত্র এবং হোটেল সম্পর্কে নানা তথ্য স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে করে থাকেন । ৪০ শতাংশেরও বেশি ব্যবহারকারী হোটেল খুঁজে বের করা থেকে শুরু করে বুকিং দেওয়া পর্যন্ত যাবতীয় কাজ স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে করে থাকে । কথা বলা , বার্তা আদান - প্রদান , ই - মেইল ছাড়াও ৬৫ শতাংশ লোক স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে ভ্রমণের বিভিন্ন ছবি অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে থাকে । এ ছাড়া ৪৮ শতাংশ স্মার্ট ফোন ব্যবহারের মাধ্যমে দেশ - বিদেশের তাত্ক্ষণিক সংবাদসেবাও পেয়ে থাকে । এর বাইরেও স্মার্ট ফোন ভ্রমণপিপাসুদের নানাবিধ সেবা দিয়ে থাকে । ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটের উপদেষ্টা মাইক পুটনাম বলেন , ' স্মার্ট ফোন পুরো বিশ্বটাকে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে । আর এর মাধ্যমে মানুষ খুব সহজে ভ্রমণবিষয়ক নানা তথ্য সহজে পেতে সক্ষম হয় । যা সত্যিকার অর্থে সবার ভ্রমণে বাড়তি আনন্দ দিয়ে থাকে ।
তাদের যখন বলা হয় পৃথীবিতে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করোনা , তখন তারা বলে আমরাইতো শান্তি স্থাপনকারী ।
বিসিবি শুনলাম সিডন্সসহ সব বিদেশীকে বাদ দিবে । আমি ব্যাক্তিগতভাবে খেলোয়াড়দের থেকে বিসিবির কর্তাদের বেশী দোষী মনে করি । তারা আজ অবধি জম জমাট লীগের আয়োজন করতে তো পারেই না বরং প্রতিনিয়ত লীগের দৈর্ঘ ছোট হয়ে যাচ্ছে । আমাদের খেলোয়াররা গুটিকয়েক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেমে পড়ছে যা মাঝে মাঝে কিছু সাফল্য এনে দিলেও দীর্ঘ মেয়াদী ভাল ফল বয়ে আনবে না । আমার মনে হয় না দেশের লো স্কোরিং পিচে না হয়ে ভারতের স্পোর্টিং উইকেটে খেলা হলে আমাদের পক্ষে বড় দলগুলোর সাথে খুব বেশী ফাইট দেওয়া সম্ভব । কারন আজকাল মিরপুর বাদে বিশ্বের বেশীরভাগ পিচে রানের ফুলঝুরি ছুটে - ফলে ম্যাচ জেতায় ব্যাটসম্যানরা । আর আমাদের সব চেয়ে বড় দুর্বলতার জায়গাই সেটা . . .
ভাই অই দিকে চাইয়া আছেন কেন ? প্লেন দেখে ভাবতাছেন আহারে , কবে এই রকম প্লেন এ কইরা দেশে যামু ?
রাস্তার যে অংশে লোকজন একেবারে থাকে না । সেখানে গিয়ে বাইক থামাতেই হিমি নরম গলায় বলল - ' এখন আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরে আমার বুকের ভেতরটা শীতল করব । ( এই খানেই শেষ না আরো আছে , বাকিটা পরে যথা সময়ে বলা হবে । )
আপনার সাথে একমত ভাই । আওয়ামী লীগের অধিকাংশ মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সেদিন BBC - তে বললেন " NO HASINA , NO REFORM ; NO HASINA , NO DIALOGUE ; NO HASINA , NO ELECTION " . এটা সম্পূর্ণই তাদের দলীয় মতামত । সংস্কারপন্থী মুকুল বোসের গাড়িও তারা ভেঙ্গে ফেলেছে । তাই সরকার যাই করুক , এই দলে নেত্রী ছাড়া সামনে এগোনো সম্ভব না । তেমনি , সেদিন নাকি চিঠি দিয়ে মান্নান ভূঁইয়া আর খন্দকার দেলোওয়ার নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে তারা দুজনেই দলীয় মহাসচিব । একদল বলছে নেত্রী ছাড়া কথা বলবে না । আরেক অংশ বলছে নেত্রীকে ছাড়াও সংস্কার সম্ভব । এখন দেখা যাক ঘটনা কোন দিকে মোড় নেয় ।
লেখক বলেছেন : সরকার নিজেই সেনাবাহিনীকে কারণে - অকারণে বলির পাঠা বানাচ্ছে - এদিক থেকে হয়তো বা সেনাবাহিনীর খারাপ অবস্থা যেতে পারে । শত বঞ্চনা আর অপমান সত্ত্বেও তারাই শেষপর্যন্ত লড়ে যায় দেশের জন্য , তারাই লড়ে যাবে ।
খবর পেয়ে ব্যাপকসংখ্যক পুলিশ , আওয়ামী লীগ , যুবলীগ , ছাত্রলীগ , শ্রমিক লীগ ও ব্যবসায়ী নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন । এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমানের নির্দেশে পুলিশ হামলাকারীদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় ।
রানী ভ্ট্টাচার্যের বাবা ঝালকাঠির দ্বারকানাথ চক্রবর্তী ও মা সরোজবাসিনী দেবী । বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি ও কমিউনিস্ট পার্টির নেতা হিরণলাল ভট্টাচার্যকে ১৯৫১ সালে রানী ভট্টাচার্য বিয়ে করেন ।
সবাই এখন কুংফু পান্ডা ২ এর জন্য অপেক্ষা করছেন ( যদিও ভাল প্রিন্ট এখনো আসে নাই ) । এর মধ্যে কিন্তু কুংফু পান্ডার ছোট্ট একটা পর্ব রিলিজ পেয়ে গেছে । এটা সম্ভবত ক্রিসমাস উপলক্ষে মুক্তি দেওয়া হয় NBC চ্যনেলে । সেই আগের ক্যারেক্টার গুলোই আছে । চাইলে এখান থেকে ছোট্ট এই মুভিটা . . .
লেখক বলেছেন : আর সেই না জানা বিজ্ঞানইতো কি ছু মানুষকে করেছে অন্ধ . . . জন্ম দিয়েছে এই প্রগতিবাদ . . .
তবে মুম্বাইয়ের বাসিন্দা হলেও এখনও বেরেলির ভোটার তালিকায় রয়েছে এই বলিউড সুপারস্টার ও তার পরিবারের সদস্যদের নাম । ২৮ বসন্ত পার করা এই সুন্দরীকে তার অভিভাবকদের সঙ্গে বেরেলির কানপুর মহল্লার বাসিন্দা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে । মিউনিসিপাল করপোরেশনের কর্তারা নিশ্চিত করেছেন
বেশি বড় করলে মেগা সিরিয়াল টাইপ হৈয়া যাইব । মজা থাকবো না ।
নুর নবী দুলাল মে ১৩ , ২০১১ @ ৫ : ৫০ পুর্বাহ্ন
গত কিছু দিন আগে অফলাইনে ইংরেজি থেকে বাংলা অভিধান এর সম্পর্কে কথা হয়েছিল কয়েকজনের সাথে । কিন্তু কথা কথাই থেকে গেছে । তাই চিন্তা করলাম শুরু করা যাক । আমার সাথে কে কে আছেন হাত তোলেন , সাথে বলবেন কিভাবে কাজ শুরু করা যায় । লেখাটি একযোগে লিফো এবং প্রজন্ম তে প্রকাশ করা হয়েছে ।
( জ ) অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুরূপ পরীক্ষার সমমানসম্পন্ন হইলে সেইরূপ সমমানসম্পন্ন হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া ;
মুনকে ইদানিং ফোরামের বিশেষ অতিথি বলে মনে হয় । বিশেষ অতিথিরা শুধু বিশেষ সময়ে আসেন । আর ফিতা কাটেন ।
নোটঃ লেখাটি প্রথম প্রকাশের সময়কাল ১৩ নভেম্বর ২০১০ ।
সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে তিনি খবর পাঠিয়েছেন হাতে সময় কম , এখানে এসে এক মিনিটও নষ্ট করতে চান না । বাফুফের কর্মকর্তাকে জানিয়ে দিয়েছেন প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ । নিকোলার অনুশীলন যখন প্রায় শেষ দিকে তখন ফটো সাংবাদিকদের ডেকে নিয়ে যান মাঠে । এরপর আবার শেষ সময়টুকু অনুশীলন করেই সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে চাইলেন স্বল্প সময়ের জন্য ।
পোস্ট করা হয়েছে : শনি মার্চ ২৮ , ২০০৯ ৮ : ৪৯ অপরাহ্ন
বাংলাদেশে এখনো প্রায় ৯২ % কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ অপারেটিং সিষ্টেম হিসেবে উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করেন এবং এই অপারেটিং সিষ্টেম ব্যবহার করতে পছন্দ করেন । যদিও বাজারে তার চেয়ে অনেক বেশী ফিচার সম্পন্ন উইন্ডোজ অপারেটিং সিষ্টেম রয়েছে ( যেমন - ভিসতা , সেভেন ) । এর মূল কারণ , এক্সপি খুব ব্যবহার বান্ধব ।
মুন্সীগঞ্জ , ২৬ জুন ( শীর্ষ নিউজ ডটকম ) : মুন্সীগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজের প্রভাষক আব্দুল মান্নান বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন । আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে কলেজের অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে । এ নিয়ে কলেজের সকল শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে । জানা গেছে , এইচএসসি ১ম বর্ষে ভর্তির অপেক্ষমান তালিকায় নাম না থাকার পরও বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মীরা সকালে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আব্দুল মান্নানের কাছে কাগজপত্র দাখিল করে । এ সময় শিক্ষার্থীদের ভর্তি করতে বিলম্ব হওয়ায় তারা প্রভাষক আব্দুল মান্নানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ লাঞ্ছিত করেন । এ প্রসঙ্গে প্রভাষক আব্দুল মান্নান কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি । তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রভাষক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন । সদর থানার ওসি মো . শহীদুল ইসলাম জানান , এ বিষয়ে থানায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আসেনি । ( শীর্ষ নিউজ ডটকম / প্রতিনিধি / সাখা / রাজ / ১৫ . ২১ ঘ . )
আর লিস্ট থেকে অনেক মুভিই ভাল লেগেছে । আগে ভাল লাগতো এ্যাকশন । এখন সোশ্যাল । সবসময় ফ্যান্টাসি । You ' ve got mail দেখে প্রথম এধরণের সফট মুভি ভাল লাগা শুরু হয় । কারণ হয়ত : তখন পাশে বিশেষ একজন ছিল . . . বুয়েটে শো - চলছিল ।
মোহাম্মদ লোকমান বলেছেন : জ্বি , নিজে পরীক্ষা করে দেখেছি ।
আশা করি ডুয়েল পোস্টিং বিষয়ে মুক্তাঙ্গনের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গী কিছুটা হলেও স্পষ্ট করা গেছে । আমাদের বিশ্বাস , সময়ের বিচারে এই অবস্থান ভুল প্রমাণিত হবেনা । যদি হয় , তবে তা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক ।
সিলেটে এই অভিশাপটি এতই ব্যাপক যে , চৌধুরী , অচৌধুরী পরিবারে বিয়ে - শাদি পর্যন্ত ছিল একটি অকল্পনীয় ব্যাপার । কেননা , অচৌধুরী মানেই ছিল চাষাভূষা । সিলেট জেলার সাথে সাথে বরাক উপত্যকার অন্য জেলা মানে বৃহত্তর কাছাড় জেলা ( আসাম ) বর্তমানের করিমগঞ্জ , সিলেটের হাইলাকান্দি জেলাসমূহেও এ মারাত্মক রোগটি ছিল । তাই সে এলাকার এক জমিদার - নন্দিনী তার চাইতে অনেক অগ্রসর জনৈক বিখ্যাত লেখক ও পুলিশের আইজি স্থানীয় স্বামীকে নির্দ্বিধায় চাষীপুত্র বলে সম্বোধন করে বারবার প্রহৃত হয়েছেন । অথচ ঐ মহিলার পিতা পিডব্লিউডির একজন সুপারিন্টেন্ড ইঞ্জিনিয়ারের বেশি কিছু ছিলেন না । কেবল উন্নাসিকতার কারণে শেষ পর্যন্ত দুই দুইটি বিবাহিতা মেয়ের বর্তমানে শেষ জীবনে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় ।
ঘটনার ৪২ দিন পর গতকাল শুক্রবার কচুয়া উপজেলার টর্নেডো ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১৩ . ০৮৫ মেঃ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে । আহতদের মধ্যে ৫০ কেজি , বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিজনকে ২০ কেজি ও সাধারণ ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিজনকে ১৫ কেজি করে চাল দেয়া হয় । এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে ট্যাক অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ৮নং কাদলা ইউনিয়নে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন , ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়নে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র ঘোষ , ১১নং দক্ষিণ গোহট ইউনিয়নে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান ও ১২নং আশ্রাফপুর ইউনিয়নে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ইকবাল হোসেন । ট্যাক কর্মকর্তাদেরকে সহযোগিতা করেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিবগণ । টর্নেডোর ৪২ দিন পর ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারি সাহায্য হিসেবে এ নূ্যনতম ত্রাণ সামগ্রী পান । এ ত্রাণ সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্তদের চাহিদার তুলনায় খুবই নগণ্য । এদিকে টর্নেডো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো ঘুরে দেখা যায় যে , উল্লেখিত ৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু হতদরিদ্র পরিবার সরকারি সাহায্য হিসেবে টিন ও অর্থ সহযোগিতা না পাওয়ায় আজও খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন - যাপন করছে । ওই ক্ষতিগ্রস্তরা মাথা গুজাবার ঠাঁই হিসেবে অন্ততঃ এক চালা বিশিষ্ট ঘর নির্মাণের জন্যে টিন ও অর্থ সাহায্য পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন । গত ২১ মে কচুয়া উপজেলার উপর দিকে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ টর্নেডোতে ৪টি ইউনিয়নের ৫ শতাধিক ঘর বাড়ি ও বেশ কিছু শিক্ষা - প্রতিষ্ঠান , মসজিদ - মাদ্রাসা বিধ্বস্ত হওয়াসহ ব্যাপক ক্ষতি হয় । - - রাকিবুল হাসান
কথাটা উঠল বলে ভাবলাম চামে কিছু মনের কথা শেয়ার করি । অনেক সময় দেখেছি , মডুদেরকে অনেকে একটু অন্যভাবে দেখে । মডুরা ভুল করলে ভর্তা ভাজি করা হয় , আর অন্য মত থাকলে স্বৈরাচারী । প্রজন্ম ফোরামের এডমিন রাজু আমার বন্ধু । রাজু ফোরামে আইডি হাইড করার জন্য আগেই একটা পোস্ট দিয়েছিল । তারও অনেক আগেই আমাকে আইডি হাইড করার কথা বলেছিল । বন্ধু হিসেবে সিনসিয়ারলী । বন্ধু হিসেবে বলতে পারি , এই ফোরামটার প্রতি তার ভালবাসাটা অনেক গভীর আর নির্ভেজাল । বেচারা ফাউ অনেক কষ্ট করে । যখন ফোরামে মডুদের বিপক্ষে গরম বাতাস বইতে থাকে , আমার ফোরামের আগে এই বন্ধুটার কথা মনে হয় । আমরা কেন ভুলে যাই ফোরাম হল মানুষের বন্ধনকে দৃঢ় করতে , কখনই মানুষের চেয়ে ফোরাম বড় না , সবসময় মানুষের জন্যই ফোরাম । রাজু বা মডুরা ভুলও করে , রাগও করে , কিন্তু মানুষই তো । কিন্তু আমরা ভুলে যাই । সাধারন হিসেবে তাদেরকে দেখতে পারি না আর ।
অল্পক্ষণেই হুযূরের দরজায় পৌঁছে গেলাম । আবরার দরজা খুলল , আমরা হুযূরের খিদমতে হাযির হলাম ।
গুয়েনতোনামা বে কারাগারের অন্ধকুঠুরীর তেজোদীপ্ত যুবকের তারুণ্য নষ্ট হওয়ার কষ্ট , মদ্যপ সৈনিকের বন্দী যুবকের নগ্নদেহে বেয়োনেটের খোঁচার আত্মচিৎকারের জবাবে তোমার সৈনিকদের আনন্দোল্লাসের শব্দ অসলোর ঐ বন্ধ কক্ষ পর্যন্ত পেৌছায় না । তাই , তোমার শান্তিতে নোবেল প্রাপ্তি আমাকে বিচলিত করে না ।
বস্তুত ইসলাম নারী উন্নয়ন ও নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার বিপক্ষে নয় । বরং নারী নির্যাতনের এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সারা বিশ্বের নির্যাতিত ও নিগৃহীত নারীর পক্ষে ইসলামই সর্বাগ্রে আওয়াজ বুলন্দ করেছে । জীবন্ত প্রোথিত হওয়ার আবহ থেকে , পণ্য হিসেবে বাজারে বিক্রি হওয়ার পরিবেশ থেকে উঠিয়ে এনে নারীকে সম্মানের রাজাসনে ইসলামই সর্বপ্রথম অধিষ্ঠিত করেছে । সামাজিক সমূহ নিগ্রহের অক্টোপাস থেকে মুক্ত করে নারীকে স্বাধীন জীবন উপভোগ করার সুযোগ করে দিয়েছে । মাতৃত্বের গৌরবে বিভূষিত নারীর দেহবল্লরী যাতে যারতার লালসা ও লোলুপ দৃষ্টির শিকার না হয় সেজন্য পর্দার বিধান দিয়ে মানবরূপী পশুদের দৃষ্টিসীমার অন্তরালে নিয়ে নারীকে করেছে দুর্লভ , মহামূল্যবান ও মহাসম্মানী । বিয়েতে মোহরের প্রথার প্রবর্তন করে নারীর মূল্য যে পুরুষের তুলনায় বেশি সে বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছে । পারিবারিক অর্থ জোগানের দায় - দায়িত্ব ও কায়িক কষ্টকর শ্রমের বোঝা নারীর ওপর অর্পণ না করে পুরুষের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে । আর নারীকে আগামী পৃথিবীর জন্য যোগ্য ও আদর্শবান , সত্পরায়ণ , ন্যায়নিষ্ঠ , মমত্ববোধসম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার সর্বশ্রেষ্ঠ দায়িত্ব অর্পণ করে তাকে মর্যাদার শীর্ষবিন্দুতে পৌঁছে দিয়েছে । কোনোরূপ আর্থিক ব্যয়ের দায়িত্ব নারীর ওপর অর্পণ না করেও পৈতৃক উত্তরাধিকারে তাকে পুরুষের অর্ধেক প্রদান করে তার জীবনের অর্থনৈতিক ভিতকে করা হয়েছে সুদৃঢ় ; যাতে দুর্যোগের মোকাবিলা সে সহজেই করতে পারে । যৌথ জীবনে পুরুষকে তার অভিভাবক সাব্যস্ত করে সব জটিলতা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত রেখে নারীকে দান করেছে টেনশনমুক্ত হাস্যোজ্জ্বল এক আনন্দময় জীবন । বলতে গেলে ইসলাম নারীকে যে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করেছে তার চেয়ে বেশি সম্মান দেয়া আদৌ সম্ভব নয় । পৃথিবীতে কেউ দেয়নি , দিতে পারবে না কোনো কালেও । বস্তুত নারী - পুরুষের স্বভাব ও মেজাজ বিবেচনা করে ইসলাম কোনো ক্ষেত্রে নারীকে দায়িত্ব দিয়েছে কম , পুরুষকে দিয়েছে বেশি , আবার কোনো ক্ষেত্রে পুরুষকে দায়িত্ব দিয়েছে কম নারীকে দিয়েছে বেশি । আবার অধিকারের প্রশ্নেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরুষকে দেয়া হয়েছে বেশি , আর নারীকে দেয়া হয়েছে কম । তবে এ ধরনের ক্ষেত্র খুব একটা বেশি নয় । অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইসলাম উভয়ের দায়িত্ব ও অধিকারে সাম্য বিধান করেছে যথার্থভাবেই । যেসব ক্ষেত্রে কাউকে বেশি ও কাউকে কম দেয়া হয়েছে , তার যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যাখ্যাা করে দিয়েছে ইসলাম । সামাজিক ভারসাম্য ও পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখার জন্যই যে এরূপ করা হয়েছে তা বলাই বাহুল্য । ইসলামের এই ভারসাম্যপূর্ণ নীতি অনুসরণ করে ১৪শ ' বছর যাবত ইসলামী সমাজ নির্বিঘ্নে পরম শান্তি ও শৃঙ্খলার সঙ্গে অতিবাহিত করে আসছে তাদের জীবন । কিন্তু পাশ্চাত্য জগতের নারীরা ইসলাম প্রদত্ত অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার কারণে ছিল চরম নিগ্রহের শিকার । সেই নিগ্রহের জাঁতাকলে পিষ্ট হতে হতে একদিন তথাকার নারীরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে ; তারা তাদের অধিকারের দাবি নিয়ে রাজপথে অবতীর্ণ হয় । সেই আন্দোলন জোরদার হয়ে একদিন তা সমঅধিকার দাবিতে পরিণত হয় । বস্তুত সেই প্রেক্ষাপটেই অনুষ্ঠিত হয় ' কনভেনশন অন দ্য এলিমিনেশন অব - অলফম অব ডিসক্রিমিনেশন এগেইনস্ট উইমেন ' সংক্ষেপে ( সিডও ) । সেই সম্মেলনের সিদ্ধান্তবলিকে বলা হয় ' সিডও সনদ ' । জাতিসংঘ এ সনদ জারি করতে চাইলে বিশ্বের বহু দেশই তা মেনে নেয়নি । কেননা সেই সনদে নারীকে যেভাবে চিত্রায়ন করা হয়েছে , তা স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করে বাস্তবায়ন করা সম্ভব ছিল না । অধিকাংশ মুসলিম দেশও তা মেনে নেয়নি । কেননা তার বহু ধারা ইসলামের সঙ্গে ছিল সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক । বিশেষ করে উত্তরাধিকারে নারী - পুরুষের সমতার নীতি এবং তালাকের ক্ষেত্রে নারী - পুরুষের সমতার নীতি ছিল সম্পূর্ণরূপে কোরআনের বিধানের পরিপন্থী । একই পিতামাতার সন্তান হয়ে বোন পাবে ভাইয়ের অর্ধেক । এই নীতি অনেকের কাছেই যুক্তিগ্রাহ্য নয় । এ নীতির মাঝে অনেকেই অবিচারের গন্ধ পান , নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের তত্ত্ব আবিষ্কার করার চেষ্টা করেন । আসলে মহান আল্লাহ তায়ালা নারীদের প্রতি কতটা সহানুভূতি প্রদর্শন করেছেন , সে বিষয়টি তারা তলিয়ে দেখেন না । নারীকে উত্তরাধিকারে সমান না দেয়ার প্রশ্ন উঠিয়ে একশ্রেণীর তথাকথিত বুদ্ধিজীবী নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে মায়াকান্না করছেন তারা আসলে ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে আদৌ ধারণাই রাখেন না । কেননা , পৈতৃক উত্তরাধিকারই নারীর একমাত্র উত্তরাধিকারের সূত্র নয় ; বরং নারীরা পিতামাতার সম্পদে উত্তরাধিকার লাভের সঙ্গে সঙ্গে স্বামীর সম্পদেও উত্তরাধিকার লাভ করে থাকেন । স্বামী নিঃসন্তান হলে তার সম্পদের এক - চতুর্থাংশ লাভ করেন । আর স্বামীর সন্তান থাকলে তখন এক অষ্টমাংশ লাভ করেন । আর নারীর জীবদ্দশায় তার সন্তান মারা গেলে তার সম্পদের এক ষষ্ঠাংশ লাভ করে থাকেন । এভাবে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তার সম্পদের পরিমাণ তার দায় - দায়িত্ব ও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি । ইসলামী সমাজে নারীকে কোনো অর্থনৈতিক দায়িত্ব বহন করতে হয় না । এমনকি তার নিজের দায়িত্বও তাকে বহন করতে হয় না । জন্মের পর থেকে বিয়ের আগ পর্যন্ত তার লালন - পালন ও ভরণ - পোষণের দায়িত্ব পিতার । বিয়ের পর তার ভরণ - পোষণের দায়িত্ব স্বামীর । স্বামীর মৃত্যুর পর তার ভরণ - পোষণের দায়িত্ব ছেলের ( যদি সে বালেগ হয় ) । সুতরাং কোনো এক সন্ধিক্ষণেও তার নিজের দায়িত্ব তাকে বহন করতে হয় না । সন্তানের ভরণ - পোষণের দায়িত্ব পিতার , মাতার নয় । বাবা - মা বৃদ্ধ হয়ে গেলে তাদের ভরণ - পোষণের দায়িত্ব ছেলের । পারিবারিক আত্মীয় - স্বজনের আপ্যায়নের দায়িত্ব পুরুষের , নারীর নয় । সারকথা এই দাঁড়ায় , জীবনের কোনো ক্ষেত্রেই নারীকে তার নিজের বা অন্যের দায়িত্ব বহন করতে হয় না । অথচ ছেলে সন্তান হলে বালেগ হওয়ার আগ পর্যন্ত তার ভরণ - পোষণের দায়িত্ব পিতার । বালেগ হওয়ার পর থেকে তার নিজের ভরণ - পোষণের দায়িত্ব আইনগতভাবে তার নিজের । বিয়ে করলে স্ত্রীর ভরণ - পোষণের দায়িত্ব তার ওপর বর্তায় । সন্তান জন্মালে তাদের ভরণ - পোষণের দায়িত্ব বাবা হিসেবে তার ওপর এসে যায় । পিতা - মাতা বৃদ্ধ হয়ে গেল তাদের সম্পদ না থাকলে এবং তারা উপার্জনে অক্ষম হলে তাদের দায় - দায়িত্ব ছেলের । আত্মীয় - স্বজনের আপ্যায়নের দায়িত্ব ছেলের ওপর । বেচারা পুরুষ নিজের , স্ত্রী - সন্তান ও পিতা - মাতাসহ সবার দায়িত্ব বহন করে যা পায় , তা নারীর প্রাপ্তির তুলনায় যথেষ্ট কম । পক্ষান্তরে রমণী নিজের দায়িত্বও বহন করে না , আর অন্য কারও কোনো দায়িত্ব বহন না করার পরও তাকে যদি পৈতৃক উত্তরাধিকারে পুরুষের অর্ধেকসহ অন্য সূত্রেও উত্তরাধিকারে অংশ দেয়া হয়ে থাকে , তাহলে কি বিষয়টা অবিচার করা হয়েছে বলে মনে হয় ? তদুপরি মোহর হিসেবে প্রাপ্ত টাকা , বৈধ পন্থায় উপার্জিত সম্পদে তার পূর্ণ অধিকার থাকে । স্বামী অভাবে পড়লেও স্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পদে হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার তার নেই । সুতরাং বলা যায় , দায় - দায়িত্ব ও প্রয়োজনের বিচারে নারীকে উত্তরাধিকার হিসেবে যতটুকু দেয়া হয়েছে তা অনেক বেশি । নারী দুর্বল বলেই দায়িত্ব না দিয়েও তাকে পিতা - মাতার উত্তরাধিকারে অর্ধেক দেয়া হয়েছে । যাতে দুর্যোগের সময় বা কারও অসহযোগিতার মুহূর্তে তার জীবন সঙ্কটে নিপতিত না হয় । ইসলামী সমাজের এই স্ট্রাকচারাল দিক সম্পর্কে যারা অবগত নয় , তারাই আল্লাহর বিচারে সন্তুষ্ট হতে না পেরে নিজেরাই নারীর পক্ষে মায়াকান্না শুরু করে দেন । তাদের ভাবভঙ্গি দেখে মনে হয় , ( নাউজুবিল্লাহ ) মহান আল্লাহ তায়ালা ভুল করলেও তারা সে ভুল সংশোধন করে ফেলতে চান । তাই তারা সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু করেন । জাতিসংঘ প্রণীত সিডও সনদ পড়ে সেরূপই মনে হয় । তবে মুসলিম জাতিকে মনে রাখতে হবে , আল্লাহর চেয়ে ইনসাফগার কেউ হতে পারে না । যদি কেউ সেরূপ দাবি নিয়ে উপস্থিত হয় , তাহলে মনে করতে হবে এর পেছনে কোনো অসত্ উদ্দেশ্য লুকায়িত আছে । ষ
ঢাকা ডেস্ক : বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থার ( এসইসি ) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন আইপিডিসির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক চাকলাদার মনসুরুল আলম । এসইসিতে আরও দুইজন নতুন সদস্য নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন । তারা হলেন , চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হেলালুদ্দিন নিজামী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন ।
দির্ঘদিন পরে আবারো মঞ্চে আসলেন দেশের জনপ্রিয় বাইল গায়িকা কাঙ্গালিনী সুফিয়া ও তোফাসানি । ঢাকার ধামরাই কলেজের ফ্যামিলিডে ' র অনুষ্ঠানে দু ' জনে গেয়ে দর্শন মন জয় করলেন । এদের পারফমেন্সের সময় হাজারো দর্শক নেচে গেয়ে আন্দ উল্লাসে মেতে উঠে । ফ্যামিলি ডে অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান , ধামরাই কলেজের প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে শুক্রবার কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হয় ফ্যামিলিডে নামে এই অনুষ্ঠানের । অনুষ্ঠানে শিল্পী হিসেবে সংগীত পরিবেশন করতে আয়োজক সাংবাদিক হাসান ও আ : রশিদ তুষার যোগাযোগ করেন তোফাসানির সাথে । তোফাসানি কাঙ্গালিনী সুফিয়াকে নিয়ে মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করেন । এ ধরনের ব্যতিক্রম পরিবেশনায় দর্শক মুগ্ধ । কাঙ্গালিনী সুফিয়া জানান , শারীরিক অসুস্থতা আর দারিদ্রতার কারনে দির্ঘদিন তিনি দেশের মঞ্চে অনুপস্থিত ছিলেন । এর মধ্যে তিনি দু ' একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান করেছেন । তোফাসানি বাংলাদেশ মাশরুম ফাউন্ডেশন শিল্পী গোষ্ঠির সভাপতি । এই সংগঠনে দির্ঘ ৫ বছর আগে কাঙ্গালিনী সুফিয়াকে যুক্ত করেন তিনি । সুফিয়া মাশরুম চাষী হিসেবেও পরিচিতি পায় । অসুস্থতার সময় শুভাকাংখীরা আমার খোঁজ রেখেছেন । এই সূত্র ধরে তোফাসানি অআমাকে ফোন করেন ধামরাইয়ে অনুষ্ঠান করতে । অসুস্থতা কম থাকায় আমিও রাজি হয়ে যাই । কারন টাকা উপার্জন না করলে সাংসারিক সমস্যায় পরতে হবে । তোফাসানি একজন কন্ঠশিল্পীসহ গীতিকার , সুরকার ও সংগীত পরিচালক । সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর নেপথ্য ভূমিকার কথা সাংস্কৃতিক কর্মীদের জানা আছে । বিভিন্ন ব্যস্ততার কারনে তোফাসানিও মঞ্চে অনুপস্থিত ছিলেন দির্ঘদিন । পেশাগত কাজ করতে গিয়ে তিনি গান গাইলেও মঞ্চে পারফরমেন্স করার মতো সময় তাঁর ছিলোনা । কিন্তু সাংবাদিকদের অনুরোধ তিনি ফেলতে পারেনননি । তাই কাঙ্গালিনী সুফিয়াকে নিয়ে নতুন ধরনের পরিবেশনায় তোফাসানি ও কাঙ্গালিনী মঞ্চ মাতালেন । সব সময় তোফাসানি ভিন্ন ধরনের পরিবেশনায় অভ্যস্ত । তোফাসানির লেখা গান বাউলদের কাছে জনপ্রিয় । আধুনিক শিল্পীরাও তোফাসানির গানের রেকর্ড করে জনপ্রিয় । কিন্তু তোফাসানি এ ক্ষেত্রে এতদিন নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিলেন । তিনি বলেন , এভাবে নিজেকে লুকিয়ে রাখলে অস্তিত্ব হারিয়ে যায় । এদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উজ্জল দুই নক্ষত্র কাঙ্গালিনী সুফিয়া ও তোফাসানি এ ধরনের ভিন্ন পরিবেশনায় দেশ ও মাটির গানকে সমৃদ্ধ করবে এমনটিই আশা করেছেন সংগীত প্রেমিরা ।
জাতীয় জাদুঘরে এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আরও কিছু ছবি দেখেছিলাম , যেগুলোর কোন সফট কপি পাইনি । সেগুলো দেখলে বোঝা যায় কতটা নৃশংস পাকিস্তানী কুত্তাগুলা হইছিল তখন । আর রাগে ক্ষোভে পাকী মেহেরজানীয় মনোভাব নিয়ে চলা বেজন্মা গুলার ব্রেইনের ফ্রন্টাল লোব খুইলা খুইলা দেখতে মন চায় , ওদের নিউরনে নিউরনে কত শয়তানীর বিষ লুকাইয়া রাখে ।
নিঝুম মজুমদার ইকারাসের ভন্ডামি প্রকাশে যথেষ্ঠ উদগ্রীব , তিনি দেখেছেন ইকারাস ঈদের দিন সকালে গোসল করে সেন্ট মেখে নামাজে দৌড়ায় , কিন্তু তিনি খবর নেননি ইকারাস কখনোই ওজু করে না । তিনি আরো খোঁজ পাননি প্রতি দূর্গাপূজায় ইকারাস নিয়মিত পূজামন্ডপে যায় এবং তাদের প্রসাদ খায় এবং হিন্দুদের সাথে নৃত্য করে । নিঝুম মজুমদার আরো একটু বেশি গভীরে গেলে খোঁজ পেতেন ইকারাস একটা ইউরোপিয়ান মেয়ের সাথে দুইদিন গির্জায় গিয়ে তাদের প্রার্থনায় অংশ নিয়েছে । নিঝুম মজুমদার কি ইকারাসকে চিনেন ? না চিনেন না , চিনলে তিনি জানতেন ইকারাস সবার সাথে ইফতার খাওয়ার জন্য বহুদিন সেহরী না করেও রোজা রেখেছে । ইকারাস শুধু রোজা ' ই রাখতে চেয়েছে কখনোই রোজার নিয়ত করেনি । ইকারাস তার প্রিয় বন্ধুর সাথে বহু মাজারে ঘুরে ঘুরে মোমবাতি দিয়েছে , সূতা বেধেছে কিন্তু কখনো ' ই কিছু মানত করেনি । ইকারাস একদিন মেট্রিক পরীক্ষার পর বানর দিয়ে ভাগ্য গননা করিয়েছিলো , ইকারাস একদিন টিয়া পাখি দিয়েও ভাগ্য গননা করিয়েছিলো । কিন্তু ইকারাস কখনোই ভাগ্যে বিশ্বাস করেনি । ইকারাস জানে ম্যাজিক বলতে পৃথিবীতে কিছু নাই কিন্তু ইকারাস ম্যাজিক শেখার জন্য বহু টাকা খরচ করে বই কিনেছে , একজন ম্যাজিশিয়ানের পেছনে বহুদিন ঘুরেছে । ইকারাস ব্ল্যাক ম্যাজিক শেখার জন্য ব্রিটিশ লাইব্রেরী থেকে বই ধার করেছিলো একদিন । তাই নিঝুম মজুমদার ইকারাসকে ভন্ড ভাবতে পারেন কিন্তু ইকারাসকে তিনি পুরোপুরি চিনতে পারেননি ।
তারা কি প্রকৃত অর্থে কুমারী নাকি শুধুমাত্র গাদ্দাফী ' র শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার অর্থে কুমারী ?
সৃষ্টিকুলের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হল মানুষ । আর এই মানুষের মধ্যে প্রকৃতিগতভাবেই এক ধরণের শৈল্পিক মনোভাব প্রদত্ত হয়ে থাকে জন্মের শুরুতেই । অনেকের মধ্যে সেটা প্রত্যক্ষ হয়ে ওঠে এই মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিচরণের সুবাদে , আর অনেকের মধ্যে এই গুণটা পরোক্ষভাবে থাকে । সুতরাং প্রত্যক্ষ . . . . বিস্তারিত পড়ুন »
বিশ্বে গত ৩০ বছরে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে এবং বর্তমানে বিশ্বে এ রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩৪ কোটি ৭০ লাখ বলে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক খ্যাতনামা সাময়িকী দ্য ল্যান্সেটে প্রকাশিত সমীক্ষায় দেখা গেছে । এ সব রোগীর মধ্যে ১৩ কোটি ৮০ লাখ চীন ও ভারতে বসবাস করে । এ ছাড়া , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ায় তিন কোটি ৬০ লাখ ডায়াবেটিস রোগী রয়েছে । সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে , আগে যা মনে করা হত বিশ্বে ডায়াবেটিসের রোগীর সংখ্যা সাড়ে ২৮ কোটি । কিন্তু নতুন সমীক্ষায় তার চেয়ে অনেক বেশি রোগী পাওয়া গেছে । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু ' র সহযোগিতায় এ সমীক্ষা পরিচালনা করেছেন আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দল । ব্রিটেনের ইম্পেরিয়াল কলেজ অব লন্ডনের মাজিদ ইজ্জতি এবং হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের গুডারাস ড্যানির নেতৃত্বাধীন একটি গবেষক দল নতুন এ সমীক্ষা চালিয়েছেন । মাজিদ ইজ্জতি বলেন , বিশ্বের সবখানেই এখন ডায়াবেটিস রোগী পাওয়া যাচ্ছে । অন্যদিকে গুডারাস ড্যানি বলেন , খাবারের মান উন্নয়ন এবং দৈহিক তৎপরতার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ডায়াবেটিস বিশ্বের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক চাপ বজায় রাখবে । স্থূলত্ব এবং নিষ্ক্রিয় জীবন যাপনের সঙ্গে টাইপ টু নামের ডায়াবেটিসের সম্পর্ক আছে বলে ব্যাপকভাবে মনে করা হয় । ডায়াবেটিস আক্রান্তদের রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে না । তাতে হৃদরোগ ও স্ট্রোক , কিডনি , স্নায়ুতন্ত্রে জটিলতা এবং অন্ধত্বের ঝুঁকি বেড়ে যায় । বিশেষজ্ঞরা বলছেন , রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং ডায়াবেটিসের জন্য বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় । ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় এ মৃত্যুর হারও বাড়বে । ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য বাজারে নানা ধরনের ওষুধ পাওয়া যায় । ২০১৫ সালের মধ্যে ডায়াবেটিসের ওষুধের বিক্রির পরিমাণ বেড়ে ৪৮ হাজার কোটি ডলারে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে । সান ডিয়াগোতে অনুষ্ঠেয় আমেরিকান ডায়াবেটিস এসোসিয়েশনের আসন্ন বাৎসরিক বৈঠকে ডায়াবেটিস চিকিৎসার পরীক্ষামূলক কিছু নতুন ওষুধ তুলে ধরার কথা রয়েছে ।
ছবি - Chhobi লিখেছেন : এই টপিকটা আমার খুবই পছন্দ । আপনাকেও ধন্যবাদ
লতিফ স্যার শাকিলকে নিজের বুকে টেনে নিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন , বাবা শাকিল তুই আমার ভুল ভেঙে দিয়েছিস । আসলে আমরা অনেক কিছুই জানি না । জানতে চেষ্টাও করি না । সব সময় ছোটদের অন্যায়গুলো বড় করে ধরতে চাই কিন্তু ওদেরও যে ভাল দিকগুলো আছে সে কথা নিয়ে একবারও ভাবি না ।
লিখেছেন : হাসান মাহমুদ | ২৬ অক্টোবর ২০০৮ , রবিবার
ভাই অনেক দিন পর আবার লিখতে বসেছি । তাও আবার কপি পেষ্ট । কেউ মাইন্ড খাইয়েন না । সুত্রবাংলানিউজ২৪ডটকম ঢাকা : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের বক্তব্যের জবাবে বিএনপি নেতা এমকে আনোয়ার বলেছেন , ইসলামেই তো বিশ্বাস করেন না , মক্কায় যাবেন কীভাবে ? সম্প্রতি সংবিধান সংশোধনে বিএনরি সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছিলেন , বিএনপি যেখানে
অদ্ভুত ! বাচ্চা গুলো কেম্নে জানলো যে রাগের মধ্যে সালাম দিতে হয় ! এইটা আরব অঞ্চলে খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা ! যে কোন জায়গায় তর্কা তর্কি বা হাতাহাতি হলে আশে পাশে থেকে মানুষ যেয়ে বলে " সাল্লি আ ' লা নবী " ( যার অর্থ নবীর শান্তি বর্ষিত হোক ) . . . মজার ব্যাপার হল , এইটা বললে ক্যান জানি তাদের ঝগড়ার মুড নষ্টও হয়ে যায় !
জনসংখ্যা নামক সমস্যাকে সম্ভাবনায় পরিনত করা যায় : দেশে ১৯৭১ সালে মাত্র ৭ কোটি লোক ছিল । তারপরও মানুষ না খেয়ে থাকত । আর এখন ১৬ কোটি লোকের দেশে জনগণের অবস্থা খুব ভালো না হলেও কাজের লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন । ৭১ সালে দেশে খাদ্য উৎপাদন ছিল মাত্র ১০০ লক্ষ মেট্রিক টন । আর বর্তমানে খাদ্য উৎপাদন বেড়ে দাড়িয়েছে ৩০০ লক্ষ মেট্রিক টনেরও বেশি । অর্থাৎ এ সময়ে দেশে মানুষ বেড়েছে দ্বিগুনের একটু বেশি কিন্তু একই সময়ে খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে তিন গুনেরও বেশি । বর্তমান বিশ্বের খাদ্য উৎপাদনের ক্ষমতা প্রায় ১২০০ কোটি মানুষের । কিন্তু ৭০০ কোটি লোকের এক তৃতীয়াংশ মানুষ অভুক্ত থাকে তথা তাদের প্রয়োজনীয় ক্যালরি থেকে বন্চিত হয় । মূল সমস্যা ধনী দেশগুলোর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অধিক মুনাফা লাভের মানসিকতা ও বন্টনের ক্ষেত্রে বৈষম্য । বর্তমান বিশ্বে খাদ্যদ্রব্যের স্বল্পতার অজুহাত ও দাম বৃদ্ধির কাল্পনিক প্রপাগান্ডার মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্যের বাজারে সবচেয়ে বেশি জুয়াখেলা হচ্ছে । [ সূত্র : অর্থনৈতিক সমীক্ষা , ২০০৮ ]
প্রিয় রায়হান আহমদ , আপনাদের এই অনমনীয় মনোভাব আমাদের সাহসী করে তুলছে । পুরো একটি প্রজন্মকে , আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঘটে যাওয়া ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা ( genocide ) সম্পর্কে জানতে দেয়া হয়নি । মানব জাতির ইতিহাসে মাত্র নয় মাসের মধ্যে এত দ্রুত এবং এত বেশি সংখ্যক মানুষ নারকীয় কায়দায় হত্যা করার নজির আর দ্বিতীয়টি রয়েছে কিনা তা নিয়ে আমার সংশয় আছে ।
আদম একটু দুষ্টু , নিয়মকানুন মানতে চায় না । কিন্তু স্বর্গের নন্দনকাননের কানুন বড় কঠিন , পান থেকে চুন খসলে স্বর্গ থেকে খেদিয়ে দেয়া হয় । আদম সেটা জানে , কিন্তু পরোয়া করে না । বড় ব্যাদড়া ।
কক্সবাজারে উন্নয়নকাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ কক্সবাজারের ঠিকাদারেরা জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক , সেতু , কালভার্টসহ সব ধরনের উন্নয়নকাজ গতকাল রোববার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছেন । স্থানীয় সাংসদ আবদুর রহমান বদি সড়ক ও জনপথ ( সওজ ) বিভাগের কক্সবাজার কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো . আবদুল হালিমকে মারধর এবং ঠিকাদারদের লাঞ্ছিত করায় কক্সবাজার ঠিকাদার কল্যাণ সমিতি এ আন্দোলনের ডাক দেয় । মারধরের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হওয়া পর্যন্ত উন্নয়নকাজ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ঠিকাদারেরা । সমিতির নেতারা দাবি করেন , ১৬ জুন দুপুরে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকায় কক্সবাজার - ৪ আসনের ( উখিয়া - টেকনাফ ) আওয়ামী লীগের সাংসদ আবদুর রহমান সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে শত শত মানুষের সামনে নির্বাহী প্রকৌশলীকে বেদম মারধর করেন । এ সময় সাংসদ আবদুর রহমান ঠিকাদারদেরও গালাগাল করেন । এর প্রতিবাদে এবং সাংসদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে । ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন বলেন , ' নির্বাহী প্রকৌশলীকে মারধর এবং ঠিকাদারদের লাঞ্ছিত করার বিষয়টি ১৭ জুন স্মারকলিপির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী , সচিব ও জেলা প্রশাসককে অবগত করেছি । ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানিয়ে ১৯ জুন পর্যন্ত সময়সীমা ( আলটিমেটাম ) দিয়েছিলাম । দাবি না মানায় ২০ জুন থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার সড়ক বিভাগের অধীন অন্তত ৫০ কোটি টাকার ২০টিরও বেশি প্রকল্পের কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন ঠিকাদারেরা । ' জয়নাল আবেদীন বলেন , ' ঠিকাদারির জীবনে আবদুল হালিমের মতো ভদ্র ও কর্মঠ কর্মকর্তা আর পাইনি । কয়েক লাখ টাকার উন্নয়নকাজও তিনি সরেজমিনে তদারক করেন । নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার তাগাদা দিতে থাকেন । জামায়াতের ঠিকাদারের কাজ পাওয়ার দায়দায়িত্ব নির্বাহী প্রকৌশলীর ওপর চাপিয়ে তাঁকে মারধর করা বর্বরোচিত ও অমানবিক ঘটনা । ' গতকাল রোববার সকাল ১০টায় দেখা গেছে , কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের ( হাশেমিয়া মাদ্রাসার সামনে ) রুমালিয়ারছড়া সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ । সেতুর দুই পাশে অর্ধশত যানবাহন আটকে আছে । কক্সবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান সরওয়ার কামাল জানান , এই সেতু নির্মাণ না হওয়ায় প্রধান সড়কে সারা দিন যানজট লেগে থাকে । নানা চেষ্টা - তদবির করে দুই কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয় । ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে বরাদ্দের টাকা ফেরত যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে । কক্সবাজারের ঠিকাদার ওমর ফারুক জানান , ' সাংসদ আবদুর রহমানের কারণে জেলার সব উন্নয়নকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে । ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত কাজে হাত দেব না । ' জানা গেছে , দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার প্রধান সড়কের তিন কিলোমিটার পাকা সড়ক , চকরিয়ায় দুই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ইয়ানছা - মানিকপুর সড়ক , দুই কিলোমিটার ডুলাহাজারা - শাহ সুজা সড়ক , টেকনাফের হোয়াইক্যং - শাপলাপুর সড়ক ও কক্সবাজার - চৌফলদণ্ডি সড়কের নির্মাণকাজ গতকাল সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে । স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় , সাংসদ আবদুর রহমান এর আগে আইনজীবী , মুক্তিযোদ্ধা , শিক্ষক , ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীকে মারধর করেন । এ খবর বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি । এমতাবস্থায় কক্সবাজারের সব সরকারি কর্মকর্তা - কর্মচারী ও বিভিন্ন বিভাগের ঠিকাদারেরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন । তাই মারধরের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হবে এবং ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে । নির্বাহী প্রকৌশলী মো . আবদুল হালিম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন , ' ঠিকাদারেরা তাঁদের নিরাপত্তার দাবিতে এই আন্দোলন করছেন বলে জেনেছি । আন্দোলনের সঙ্গে আমার কোনো যোগসূত্র নেই । ' নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন , কোনো ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর নেই । দরপত্র বিবেচনায় যিনি যোগ্য হন , তিনিই নিয়োগ পান । ঠিকাদারেরা কে কোন দল করেন , তা তাঁর দেখার বিষয় নয় । একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন , ' যেখানেই চাকরি করেছি , সততা আর সুনামের সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেছি । কারও সঙ্গে কোনো দিন খারাপ ব্যবহার করিনি । কিন্তু ঠিকাদার নিয়োগের মতো সামান্য একটি বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলের একজন সাংসদের মারধরের শিকার হতে হলো ; ভাবতে কষ্ট হচ্ছে । লজ্জায় কাউকে মুখ দেখাতে পারছি না । কাজেও মনোযোগ দিতে পারছি না । ' সাংসদ আবদুর রহমান গতকাল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন , ' আমি ওই দিন নির্বাহী প্রকৌশলীকে মারধর করিনি । ভাঙা সড়কের কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে সেদিন হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগের কবলে পড়ে । একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা নির্বাহী প্রকৌশলীর ওপর হামলা করে । তাঁকে প্রাণে বাঁচানোর জন্য আমি তাঁর ( নির্বাহী প্রকৌশলীকে ) হাত ধরে টান মারি । এখন পুরো দোষ আমার ওপর চাপানো হচ্ছে । ' ঠিকাদারদের কাজ বন্ধ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন , বিএনপি - জামায়াতের সমর্থক কয়েকজন ঠিকাদার জোটবেঁধে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার এই অপচেষ্টা চালাচ্ছেন । এতে জনগণের কোনো ক্ষতি হবে না । নিন্দা ও প্রতিবাদ : ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন , বাংলাদেশ গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকৌশলী আবদুল হালিমকে মারধরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে । এ ছাড়া অষ্টাদশ বিএসএস ফোরামের নির্বাহী কমিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফোরামের নির্বাহী কমিটির সদস্য প্রকৌশলী আবদুল হালিমকে মারধরের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছে । http : / / www . prothom - alo . com / detail / date / 2010 - 06 - 21 / news / 72615
লেকহেডে এপ্লিকেশন করার সময় ২য়বার বুঝলাম ফ্যামিলি নেম , ফার্ষ্ট নেম ইত্যাদি হাবিজাবি বিষয় আছে । আর ১মবার বুঝেছিলাম ডিভিতে এপ্লিকেশন করার সময় । কানাডা আসার পরে কিছুদিন ভালই ছিলাম । এরপরে শুরু হল নাম নিয়ে ঝামেলা যখন আমি উঠলাম আমার আরও কয়েকজন বন্ধুর সাথে । ঘটনা শুরু সেখান থেকেই । ১ কবির আমার কলেজের বন্ধু । পড়ে লেকহেডে ইলেক্টিক্যালে । পুরা নাম " মোঃ কবির হোসেন " । আরও একজন ছোট ভাই ছিল । ওর নাম রিপন । পুরা নাম " মোঃ সানাউল্লাহ হোসেন " । রিপন পড়ে কম্পিটারে । আর আমি " মোঃ সেলিম হোসেন " । ১ম বিড়ম্বনার স্বীকার হলাম ক্রেডিট কার্ডে এ্যাপ্লিকেশন করার পরে । যতগুলোতে এ্যাপ্লিকেশন করি সবগুলো রিজেক্ট হয় । আমাকে জানানো হয় , আমার ক্রেডিট স্কোরের অবস্থা ভাল নয় । আমি মনে মনে বলি , আমার ক্রেডিট কার্ডই নাই তো স্কোর কেমনে হয় ? ? পরে কবির আর রিপনের সাথেই আলাপ করে বুঝলাম , আমার নামের সাথে ওদের নাম গুলিয়ে কিছু একটা ঐ ব্যাটারা করেছে । এর এটা হয়েছিল আমাদের সবার একই ঠিকানা হবার কারনে । এরপরে এমবইএন ' র একটা ক্রেডিট কার্ড পেলাম অনেক তর্ক করে । এরকিছুদিন পরে কবির দেশে গেল । সিয়ার্সের ক্রেডিট কার্ড ডিপার্টমেন্ট থেকে আমাকে প্রায়ই ফোন করে বলে আমি তাদের বিল দিচ্ছি না । আর আমি কই , আবে আমার তো তোগো কার্ডই নাই । ওরা আমারে ডর দেখায় বলে কালেক এজেন্সির কথা বলে । অনেক পরে ওদেরকে বুঝাতে পেরেছিলাম , আমি আর কবির এক লোক নই । এখনও আমার ক্রেডিট হিস্ট্ররীতে কবিরের একটা ক্রেডিট কার্ড ঢুকে আছে । আমার লেকহেডের টিউশন পে - রোলে দেওয়া হলেও ইউনি থেকে কত চিঠি যে পেয়েছি , টিউশন দেয়নি বলে তার হিসাব নাই । ২ ২০০৬ এর সেপ্টেম্বরে আমি আমার বর্তমান ইউনিতে আসি । ২০০৭ এর মার্চে আমি একটা চিঠি পাই লেকহেড থেকে । চিঠির সারমর্ম হল , আমি ডিসেম্বরে একটা ডাক্তারের এ্যাপনয়মেন্ট মিস করছি । কাজেই তার জরিমানা ১০ টাকা দিতে হবে । আমি বুঝে উঠতে পারি না , ঘটনা কি । লেকহেডকে মেইল করে মনোঃপুত উত্তর না পেয়ে শেষে ফোন করে বুঝলাম , চিঠিটা আসলে কবিরের । এইসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে গুয়েল্ফের রেজিষ্টার অফিসে গিয়ে আমি উনাদেরকে বুঝাতে সমর্থ হলাম যে আমার মিডল নামই অন্যের থেকে আলাদা করার নাম । তার পরেও শেষরক্ষা আমার হয়নি । সবচাইতে ভয়ংকার ঘটনাটা ঘটেছে গত ৩ / ৪ মাস আগে । হঠাৎ বাসায় একদিন একটা চিঠি পেলাম ইউনি থেকে । তার সারকথা হল , আমি কম্প্রিহেনসিভ এক্সামে ফেল করায় আমি ইউনি থেকে কিকড আউট । আমি বুঝতে পারি না , আমি আবার কবে ফেল করলাম : ) , আমি তো সেই ২০০৭ এ আমি কম্প্রিহেনসিভ এক্সাম শেষ করে বসে করেছি ! ! সকালে অফিসে এসেই বসকে দেখালাম চিঠিটা । বস তার সেক্রেটারীকে ডেকে জিজ্ঞাসা করতেই সে সরি বলতে শুরু করল । কারন ভুলটা সেই করেছিল । চিঠিটা ছিল , অন্য এক আমাদের দেশী মোঃ হোসেনের , তার নামটা আর নাই বা বললাম ।
বুধবার জাতীয় সংসদে ২০১১ - ১২ অর্থ - বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান ।
টেকনাফ স্থল বন্দর সূত্র জানায় , জাতীয় রাজস্ব বোর্ড টেকনাফ স্থল বন্দর থেকে সদ্য বিগত অর্থবছরে ( ২০১০ - ১১ ) রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছিল ৭৪ কোটি ৪২ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা । এর মধ্যে কাস্টমস খাতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৬৭ কোটি ১৫ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা । সে হিসাবে বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বিগত অর্থবছরে ৭ কোটি ২৬ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার কম রাজস্ব আদায় হয়েছে । তবে ট্যাক্সসহ অন্যান্য খাতে মোট ৯০ কোটি ৩৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ২শ ৬৭ টাকা বোনাস রাজস্ব আদায় করেছে শুল্ক বিভাগ । টেকনাফ শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে , বিগত অর্থবছরে টেকনাফ স্থল বন্দরে ৬৬ হাজার ৭শ ৮৪ টি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে মিয়ানমার থেকে আমদানীকৃত পণ্যের উপর এবং ৭ হাজার ৩শ ৫৭টি বিল অব এক্সপোট এর বিপরীতে রফতানি পণ্যের উপর ৬৭ কোটি ১৫ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকার রাজস্ব আদায় হয় । ২০০৯ - ১০ অর্থসালে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৬৫ কোটি টাকা । সে হিসাবে ২০১০ - ১১ অর্থসালে আগের অর্থবছরের তুলনায় ২ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় হলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্য মাত্রা অর্জন করতে পারেনি শুল্ক বিভাগ । সংশ্লিষ্টরা এই ঘটনায় প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স ফাঁকির জন্য স্থল বন্দর ব্যবহার না করা , ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন কারণকে দায়ী করছেন । তবে টেকনাফ স্থল বন্দরের কাস্টমস সুপার আনোয়ার মাসুম ডলারের মূল্য বৃদ্ধি , বাংলাদেশি টাকার মান কমে যাওয়া ও নানা কারণে সীমান্ত বাণিজ্য সম্পৃক্ত অনেক ব্যবসায়ী লোকসানের ভয়ে পণ্য আমদানী কমিয়ে দেওয়ায় রাজস্ব আদায়ে এই ধস বলে মন্তব্য তার । তার আরো ধারণা , বন্দর শ্রমিকদের আন্দোলন ও বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে চোরাচালান বৃদ্ধির ফলে কাস্টমস নির্ধারিত লক্ষ্য মাত্রা অর্জন করতে পারেনি । এছাড়া শুটকি ও আচার আমদানী খাতে কম রাজস্ব আদায় হলেও , মাছ ও কাঠ আমদানী খাতে গেল অর্থ বছরে বেশি পরিমাণ রাজস্ব আয় হয়েছে । এর পরেও লক্ষ্য মাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি । উল্লিখিত সমস্যাদি কেটে ওঠলে আগামীতে টেকনাফ স্থল বন্দর তার নির্ধারিত লক্ষ্য মাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হবে ।
তখন শিয়াল তার গর্তের ভিতর থেকে খুঁড়তে আরম্ভ করল । খুঁড়ে - খুঁড়ে সে তো ছাগলের ঘরে এসে উপস্থিত হল , কিন্ত তবু ছাগল খেতে পেল না ।
তিন কূটনীতিক একমত : অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে , ঢাকার মার্কিন মিশনের উপপ্রধান আরভিং চেসল পরদিন ২৭ নভেম্বর ঢাকার তত্কালীন ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার হুইটনি ও অস্ট্রেলীয় হাইকমিশনার ফ্লাডের সঙ্গে ওই বিষয়ে এক বৈঠক করেন । এক পৃথক তারবার্তায় ( সিক্রেটঢাকা৫৮৬৫ ) তিনি উল্লেখ করেন , গতরাতের আলোচনা সম্পর্কে তাঁদের কাছে তুলে ধরতে গিয়ে আমি তাঁদের স্মরণ করিয়ে দিই যে , আমার এই উদ্যোগ কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ নয় । বরং পররাষ্ট্রসচিবের পরামর্শ মতে , আমি আপনাদের কাছে সম্ভাব্য ভারতীয় অভিযান সম্পর্কে তাঁদের আশঙ্কা আপনাদের কাছে তুলে ধরছি । হুইটনি ও ফ্লাড উভয়ে বৈঠকে একমত হন যে , বাংলাদেশে নতুন কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আলামত নেই । হিন্দুদের কোনো অস্বাভাবিক চলাচলও চোখে পড়ে না । হুইটনি বলেন , দিল্লিতে তাঁদের অ্যাটাশেরা হন্য হয়ে এই খবরের পেছনে ছুটেছেন । কিন্তু তাঁরা এমন কোনো নিরেট প্রমাণ পাননি যে , যাতে মনে হতে পারে , ভারত শিগগিরই বাংলাদেশে সেনা অভিযান চালাতে পারে । হুইটনি আরও মন্তব্য করেন যে , জিয়াউর রহমান যেভাবে ভারতীয় সেনাবাহিনী সম্পর্কে বলেছেন যে , ভারতীয় রাজনীতিকদের ওপর তাদের প্রভাব রয়েছে , সেটা আসলে অতিরঞ্জিত । তবে হুইটনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর হতাশার দিক বাদ দেননি । ভারতীয়রা হয়তো চোখের সামনে দেখছেন , ১৯৭১ সালে তাদের অর্জিত বিজয় বাংলাদেশের একটি কম বান্ধব সরকারের কাছে হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে । ব্রিটেনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার অবশ্য বলেন যে , দিল্লিতে তাঁদের সহকর্মীরা এটাও বিশ্বাস করেন বলে মনে হয় যে , সিদ্ধান্তটা ( বাংলাদেশে ভারতীয় হস্তক্ষেপ ) প্রকৃতপক্ষে ' তালাবদ্ধ হয়ে আছে ওই ছোটখাটো ভদ্রমহিলার ( ইন্দিরা গান্ধী ) হূদয়ে । ' এর অর্থ হলো , হুইটনি স্বীকার করেন যে , ইন্দিরা হয়তো কাল সকালে জেগে উঠতে পারেন এবং বলতে পারেন , ' চলো ' ।
লেখক বলেছেন : ধন্যবাদ । আশা করি শীঘ্রই সাড়া পাবেন ।
১ ) লোকেশন বারের সাজেশনের সংখ্যা পরিবর্তন করা লোকেশন বারে ( যেখানে ওয়ের সাইটের ঠিকানালেখা হয় ) কোন ওয়েব সাইটের ঠিকানা লেখার সময় নিচে একটি সাজেশন লিস্ট ওপেন হয় । সেখানে ১২ টি সাজেশন থাকে । প্রয়োজন অনুযায়ী এটা পরিবর্তন করা যায় । লেখতে হবে : browser . urlbar . maxRichResults ডিফল্ট : 12 পরিবর্তন : যতগুলা দেখতে চাই সেই সংখ্যা লেখলেই হবে । সাজেশন বন্ধ করতে চাইলে - 1 লেখতে হবে ।
পুরো প্রক্রিয়ায় একবারও মাউস ধরতে হবে না । মানে কিছুটা হলেও সময়ের সাশ্রয় হয় ।
ইয়েমেনের স্বৈরশাসক আলী আব্দুল্লাহ সালেহ সম্প্রতি মারাত্মক আহত অবস্থায় দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন । এর আগে প্রবল গণআন্দোলনের জেরে তিউশিয়ার স্বৈরশাসক . . . বিস্তারিত . . .
আমি অনেক বিষয়েই জানিনা । ধর্মের ব্যাপারে তো আরো কম জানি । অবিশ্বাসীদের ইস্লামে কোথায় খুন করবার কথা বলা হয়েছে ? কোরান শরীফে ? কোথায় ? রেফারেন্স দিও প্লিজ ।
নির্বাচনের আগের দিন কালিহাতীতে তদন্ত দীন ইসলাম : চারদিকে নির্বাচনের চাপা উত্তেজনা । সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ । এমন অবস্থার মধ্যেই কালিহাতী পৌরসভা নির্বাচনের আগের দিন সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত করেছেন ওই নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারসহ তিন কর্মকর্তা । এই তদন্তের বিষয়ে আন্তঃবাহিনীর জনসংযোগ পরিদপ্তর ( আইএসপিআর ) ইতিমধ্যে তাদের বক্তব্য দিয়েছে । ওই পৌরসভার মহাজোটের মেয়র প্রার্থী আনছার আলীর অভিযোগের ভিত্তিতে এ তদন্ত করা হয় । কালিহাতীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বাধীন কমিটি তদন্ত কার্যক্রমে বলেন , পরিদর্শন ও তদন্তকালে উভয় পক্ষের বক্তব্য পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা রয়েছে বলে জানা যায় । সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে , অভিযোগকারী তার অভিযোগে ১৫ই জানুয়ারি সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে মারপিট করে জখমের অভিযোগ আনেন । অভিযোগে তিনি বলেন , ১৫ই জানুয়ারি রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে মেয়র প্রার্থী আনছার আলীর নিজ বাড়িতে ৫ / ৭ জন সেনাবাহিনীর পোশাকধারী অস্ত্র ও হকিস্টিকসহ বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে । এরপর তারা সমর্থকদের মারপিট করে টেনেহিঁচড়ে বাড়ির বের করে ছেড়ে দিয়ে যায় । এতে জনমনে প্রচণ্ড আতঙ্কের সৃষ্টি হয় । এর আগে রাত ১টার দিকে পাশের গ্রাম হরিপুরের উজ্জল তালুকদারকে ধরে সাদা পোশাকধারী ৪ থেকে ৫ জন সেনাবাহিনীর সদস্য মারপিট করে আহত করে । এদের মধ্যে মোশাররফ হোসেন , মোহাম্মদ মামুন , মঙ্গলচন্দ্র সূত্রধর , মুকুলচন্দ্র পাল , মামুদ আলী , জোয়াদ আলী ও উজ্জল হোসেন বর্তমানে কালিহাতী হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছে । ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে । একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামের ( রফিক ) মোটরসাইকেলে সেনাবাহিনীর লোক পৌর এলাকায় বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছে । এমন অভিযোগ পেয়ে কালিহাতী পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও ইউএনও মোহাম্মদ মামুন - উল - হাসান , উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মঞ্জুরুল হাসান এবং কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম তার তদন্ত কার্যক্রমে বলেন , এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে । এরপর অভিযোগকারী , স্থানীয় জনসাধারণ , আহত ব্যক্তিবর্গ এবং সেনাক্যাম্প কমান্ডারের বক্তব্য শোনা হয় । অভিযোগকারী , স্থানীয় জনসাধারণও অভিযোগপত্রের মতোই বক্তব্য দেন । আহত ব্যক্তিরা তাদের ওপর নির্যাতনের বিস্তারিত বিবরণ দেন এবং আঘাত পাওয়া স্থান প্রদর্শন করেন । তবে তারা কেউ সেনাবাহিনীর কোন সদস্যের নাম বলতে পারেননি । সেনাক্যাম্প কমান্ডার মেজর নিসার উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করেন । তিনি বলেন , আমি নিজে রাতে টহল দলের নেতৃত্ব দিয়েছি । তাই অভিযোগের বর্ণনা অনুযায়ী কোন ঘটনা গত রাতে সংঘটিত হয়নি । পরিদর্শন ও তদন্তকালে উভয় পক্ষের বক্তব্য পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা রয়েছে বলে জানা যায় । তবে এ বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচিতি প্রকাশ পাবে বলে তদন্তকারী কর্মকর্তারা মনে করেন । তদন্ত কার্যক্রমে বলা হয় , মেয়র প্রার্থী আনছার আলীসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা কালিহাতী সেনাক্যাম্প প্রত্যাহারের জোর উত্থাপন করেন এবং দলীয় সমর্থকসহ রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় ঘেরাও করেন । পরে সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে ঘেরাওকারীরা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় ত্যাগ করেন । ওদিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর ( আইএসপিআর ) , গত ১৬ই জানুয়ারি রাতে পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলাতে মোতায়েন করা সেনা সদস্যদের দ্বারা সৃষ্টি হওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার প্রেক্ষিতে বক্তব্য দিয়েছে । বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেছে , কালিহাতীর সেনা ক্যাম্প কমান্ডারের নেতৃত্বে একটি দলের টহল কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে পৌরসভা নির্বাচনের একজন প্রার্থী সেনাবাহিনী কর্তৃক তার কর্মীদের মারধর ও বাসায় গিয়ে হেনস্থা করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন । এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করার জন্য বর্ণিত অফিসারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে । রাবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ রাবি প্রতিনিধি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে । অমিতাভ চ্যাটার্জি নামে ওই খণ্ডকালীন শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই বিভাগের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী লিখিতভাবে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে বিচার দাবি করে বিভাগ ও উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে । অপরদিকে যৌন হয়রানির ঘটনায় বিক্ষুব্ধ একই বিভাগের শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে সকালে বিভাগের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে । পরে অবিলম্বে ওই শিক্ষকের অপসারণ দাবি করে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে । সংগীত বিভাগের প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রীর জানায় , বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই ওই শিক্ষক তাকে গভীর রাতে ফোন করে ডিস্টার্ব করে আসছে । তিনি ফোন করে বিভিন্ন খারাপ খারাপ কথা বলতেন । বাদ্যযন্ত্র শেখানোর জন্য বাসায় ডাকতেন । আমি যেতে রাজি না হওয়ায় তিনি ভাল রেজাল্ট করিয়ে দেয়ার নাম করে ক্লাসের বাইরে তার রুমে আসার প্রলোভন দেখায় । এ সময় তিনি বিভিন্নভাবে যৌন কাজে প্রভাবিত করার চেষ্টা করতেন । ওই শিক্ষার্থী আরও বলে , প্রথম বর্ষের ছাত্রী হওয়ায় প্রথম অবস্থায় প্রতিবাদ করার সাহস পাইনি । কিন্তু তার কু - তৎপরতা অব্যাহত থাকায় বিভাগ ও উপাচার্য বরাবর অভিযোগ করতে বাধ্য হই । একই ঘটনায় ওই বিভাগের বিক্ষুব্ধ সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান , অমিতাভ চ্যাটার্জি সংগীত বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকে বিভাগের ছাত্রীদের বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছেন । তিনি ছাত্রীদের বিভিন্ন সুযোগ - সুবিধা ও সহযোগিতা করার নাম করে সখ্য গড়ার চেষ্টা করেন । এক্ষেত্রে নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা তার প্রধান টার্গেটে পরিণত হয় । এক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থী ভাল মনে করে এগিয়ে এলেও পরে তার কুপ্রস্তাবে কেটে পড়তে থাকে । এর আগে ওই শিক্ষকের যৌন প্রস্তাবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়াশোনা বাদ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করে এক ছাত্রী । এরপর একই ভাবে গত বছর প্রথমবর্ষের আরেক ছাত্রীকে বাদ্যযন্ত্র শেখানোর নাম করে মোন্নাফের মোড়ে ভাড়া নেয়া এক বাসায় রাতের বেলা আমন্ত্রণ জানান । ওই শিক্ষার্থী রাতের বেলা যেতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার একাডেমিক রেজাল্ট খারাপ করার হুমকি দিয়ে যৌন কাজে প্ররোচিত করার চেষ্টা করলে ওই শিক্ষার্থী পরবর্তী সময়ে ক্লাসে যাওয়া বাদ দেয় । পরে ওই শিক্ষার্থীর পিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ করলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলে জানান শিক্ষার্থীরা । এ ব্যাপারে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মলয় ভৌমিক বলেন , শিক্ষার্থীরা আমাকে মাধ্যম করে উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে । এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে । তবে বিভাগে শিক্ষকদের নিয়ে সাধারণ মিটিং ডাকা হয়েছে । এ বিষয়ে বিভাগের পক্ষ থেকে একটা তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে । কাজের মেয়ে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্তা গ্রেপ্তার স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর পূর্ব রামপুরায় কাজের মেয়ে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মী আসমাকে ভর্তি করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ( ওসিসি ) । হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে , পূর্ব রামপুরা গ্রীন টাওয়ারের ই / ৩ নম্বর ফ্ল্যাটে আসমা গত ৭ মাস ধরে কাজ করছিল । গৃহকর্তা কাইফ আহমেদ পল্লব ও গৃহকর্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার লিমা সামান্য ভুলের জন্য তাকে মারধর করতো । রোববার মধ্যরাতে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় । তার চিৎকারে পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা এগিয়ে এসে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় । নির্যাতনের শিকার আসমা হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন , রোববার রাতে তার গোপনাঙ্গে খুন্তি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়েছে । আসমার মা আলেয়া জানান , আমার মেয়েকে একাধিকবার শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে । আসমা এসব নির্যাতন মুখ বুজে সহ্য করে গেছে । কিন্তু গতকালের নির্যাতন ছিল ভয়াবহ । তিনি জানান , ঘটনায় রামপুরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করা হয়েছে । রামপুরা থানার এস আই রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন , ঘটনায় গৃহকর্তা কাইফ আহমেদ পল্লবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । পৃথক ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীতে আহত ২ স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর কাকরাইল এবং বকশীবাজার এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে দু ' জন আহত হয়েছে । আহতরা হচ্ছে - সাইদুর রহমান ( ২৬ ) ও জাহিদুল ইসলাম ( ৩০ ) । আহত অবস্থায় তাদেরকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে । পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে , গার্মেন্টসকর্মী জাহিদুল ইসলাম সোমবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে বকশীবাজার থেকে পায়ে হেঁটে ভিক্টোরিয়া পার্কের দিকে যাচ্ছিলেন । চকবাজার থানার বকশীবাজার মাদরাসা রোডে পৌঁছলে কয়েক ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করে । এ সময় ছিনতাইকারীরা তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে নগদ ৪ হাজার টাকা দুটি মোবাইল ও সঙ্গে থাকা কাপড়ের ব্যাগ নিয়ে যায় । তার বুকে , গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে । জাহিদুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে । চকবাজার থানার এসআই আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন , ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে । অপরদিকে একই কায়দায় সোমবার রাত ১২টার দিকে কাকরাইল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে । এ সময় ছিনতাইকারীরা সাইদুর রহমান নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে ২টি মোবাইল ও নগদ ১৫শ ' টাকা ছিনিয়ে নেয় । পরে তাকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয় । বিটিসিএল - এর ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা স্টাফ রিপোর্টার : বিটিসিএল ' র ৩ কর্মকর্তাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ২টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক ) । গতকাল দুদক উপ - সহকারী পরিচালক সফিউল্লাহ বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা দুটি করেন । মামলা নম্বর যথাক্রমে ৩৫ ও ৩৬ । একটি মামলায় আসামি করা হয়েছে বিটিসিএল ' র বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহজাহান আলী মোল্লা , উপ - বিভাগীয় প্রকৌশলী মোসলেহ উদ্দিন , বারেক ভূঁইয়া এবং ঠিকাদার ইঞ্জিনিয়ার সদর উদ্দিনকে । এ মামলায় পরস্পর যোগসাজশে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৪৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে । অপর মামলায় আসামি করা হয়েছে বিটিসিএল ' র বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহজাহান আলী মোল্লা , উপ - বিভাগীয় প্রকৌশলী মোসলেহ উদ্দিন , বারেক ভূঁইয়া এবং ঠিকাদার সাইদুল হককে । এ মামলায় পরস্পর যোগসাজশে ৯২ হাজার ৮০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে । ভোটারদের ভয় ভীতি দেখানোর অভিযোগ বিএনপি ' র স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে বিএনপির বিজয়ে ঈর্ষান্বিত হয়ে সরকার ঢাকা বিভাগের পৌরসভা নির্বাচনে বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি । তারা বলেছেন , সরকারি দল নির্বাচনের ফল পাল্টানোর ' ষড়যন্ত্র ' করছে । গতকাল দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পৌর নির্বাচনে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান । তিনি বলেন টাঙ্গাইল , শেরপুর , মাদারীপুর , জামালপুরের কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে । বিএনপিদলীয় এজেন্টদের বের করে দিচ্ছে সরকারি দলের কর্মীরা । ওইসব কেন্দ্রে ভয়ভীতি দেখিয়ে সরকার নির্বাচনের ফল পাল্টাতে চায় । মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভার কাষ্টঘর কেন্দ্র , টাঙ্গাইলের গোপালপুরের মাদরাসা কেন্দ্র , শেরপুরের মীরগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , মোল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , কাঠঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আল ফালাহ ক্যাডেট কলেজ কেন্দ্র , জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের ৫ নম্বর কেন্দ্রে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এ নেতা । এ ছাড়া গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার আটটি ভোট কেন্দ্রে ভুল ভোটার তালিকা সরবারহের জন্য প্রশাসনকে দায়ী করে নজরুল ইসলাম বলেন , ' বিএনপির মেয়র প্রার্থীর বিজয় ঠেকাতেই আটটি ভোট কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে । সেখানে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মজিবুর রহমানকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জেনিথ কিন্ডারগার্টেন কেন্দ্রে দুই ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি । সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা সরকারদলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল মেরেছে বলে অভিযোগ করেন নজরুল ইসলাম । এদিকে আজ অনুষ্ঠেয় বান্দরবান পৌরসভা নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন , ' আওয়ামী লীগের কর্মীরা সেখানে বিএনপির ভোটারদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে । তারা প্রচার করছে - এক ভোট পেলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিজয়ী হবে । ' লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীতে ক্ষমতাসীনরা প্রশাসনকে প্রভাবিত করে নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় । নোয়াখালীতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর এজেন্ট আশরাফ আলীকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানান নজরুল ইসলাম খান । সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এমএ কাইয়ুম , সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর , যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান , রুহুল কবির রিজভী , যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি , আসাদুল করিম শাহিন , কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শফি বিক্রমপুরী , হাবিবুর রহমান হাবিব , রফিক শিকদার , যুবদলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম আজাদ , স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন - নবী খান সোহেল , ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন । দেশে গণতন্ত্র নেই : মির্জা ফখরুল স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি ' র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন , দেশে আজ গণতন্ত্র নেই । গণতন্ত্রের নামে চলছে আওয়ামী স্বৈরতন্ত্র । গতকাল বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জিয়া সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত জিয়াউর রহমানের ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন । মির্জা ফখরুল বলেন , বর্তমান সরকার তাদের প্রভুদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরকে বিনা শুল্কে দেয়ার চক্রান্ত করছে । তবে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের একজন কর্মী বেঁচে থাকতেও ট্রানজিটের নামে এ আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন । তিনি আরও বলেন , বর্তমানে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের উৎসব চলছে । তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতীয় বিএসএফ সীমান্তে প্রতিদিন পাখির মতো গুলি করে ফেলানীদের মতো অসংখ্য নিরীহ বাংলাদেশীকে হত্যা করছে । অথচ সরকার কোন প্রতিবাদ করছে না । এছাড়া দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ যখন দিশাহারা , সরকার তখন এসবের নিয়ন্ত্রণ না করে মানুষকে ধৈর্য ধরার নামে যেন কৌতুক করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন । বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড . এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেন , বর্তমানে যেভাবে প্রকৃত ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে তাতে সভ্য সমাজ ভীষণ লজ্জাবোধ করছে । তিনি বলেন , গত ৪০ বছরের মধ্যে জিয়াউর রহমানের আমলেই ভারতের সঙ্গে এদেশের সম্পর্ক সবচেয়ে ভাল ছিল । তাই যারা জিয়াউর রহমান সম্পর্কে মিথ্যাও কটূক্তি করে তারা যেন সত্যকে সত্য জেনে মন্তব্য করার আহ্বান জানান তিনি । অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য জিয়া সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষে আটজনকে পদক দেয়া হয় । জিয়া সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আবদুল বাতেন নকীর সভাপত্বিতে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহ আলমের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু , মহিলা দলের সভানেত্রী বেগম নূরে আরা সাফা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন । ভারত - বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক শুরু আজ থেকে স্টাফ রিপোর্টার : ভারত - বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক ও যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু হচ্ছে আজ । বৈঠকে অংশ নিতে ভারতীয় প্রতিনিধি দল গতকাল ঢাকায় পৌঁছেছে । আজ বিকালে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে যুগ্ম সচিব পর্যায়ের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু হবে । আগামীকাল হবে সচিব পর্যায়ের বৈঠক । যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ( রাজনৈতিক ) কামাল উদ্দিন আহমেদ । ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে আলোচনার জন্য তিনটি এজেন্ডা নির্ধারণ করা হয়েছে । এগুলো হলো - সীমান্ত , নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহযোগিতা । এ তিনটি ইস্যু থেকে স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকের আলোচ্যসূচি ( এজেন্ডা ) নির্ধারণ করাই জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের দায়িত্ব । বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লি থেকে আসা ১০ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধি দলে ঢাকা থেকে আরও ৩ জন প্রতিনিধি দলে যোগ দেবেন । জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে অংশ নেবেন ১০ জন এবং স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে ১৩ জন । ডিবি পরিচয়ে ছিনতাইকালে আটক ৫ স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর মগবাজারে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রমনা থানা পুলিশ । গ্রেপ্তারকৃতরা হলো - ফিরোজ আল মামুন , ফাহাদ বিন সিরাজ , আফজাল , হানিফ এবং বায়েজিদ । এ সময় ২ ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয় । উদ্ধারকৃতদের নাম মিজান মোল্লা এবং রাকিবুল । এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের আসামি করে রমনা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে । পুলিশ সূত্র জানায় , গতকাল বেলা ৩টার দিকে মগবাজারস্থ থ্রি - স্টার হোটেলে খাওয়া শেষে মিজান এবং রাকিবুল বের হয়ে যাচ্ছিলেন । এ সময় ৫ - ৬ জন এসে নিজেদেরকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে হোটেলের আন্ডারগ্রাউন্ডে নিয়ে যায় । তাদের কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় । গোপন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করে এবং ভিকটিমদের উদ্ধার করে । গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটি গঠন স্টাফ রিপোর্টার : গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রাক্তন ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করেছে । কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ' ৬৯ - র গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা আবদুর রউফকে । এছাড়া খালেদ মোহাম্মদ আলীকে কো - কনভেনর ও কেএম সাইফুদ্দিন আহমেদকে সদস্য সচিব করা হয়েছে । দিবসটি পালনের জন্য ২৪শে জানুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে । দিবসটি সফলভাবে পালন করতে ২০শে জানুয়ারি বিকাল ৩টায় ফাউন্ডেশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে ( ওয়ালসো টাওয়ার ) প্রস্তুতি কমিটির সভা ডাকা হয়েছে । ঢাবি ' র সূর্যসেন হলের ২২ ছাত্রকে পিটিয়ে বের করে দিলো ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ২২ ছাত্রকে পিটিয়ে বের করে দিয়েছে ছাত্রলীগ । হলের গেস্টরুমে নিয়মিত হাজিরা না দেয়ায় রোববার গভীর রাতে তাদের হল থেকে বের করে দেয় সভাপতি সাঈদ মজুমদারের কর্মীরা । হলের ছাত্ররা জানিয়েছে , হল শাখার ছাত্রলীগ সভাপতি সাইদ মজুমদার , ঢাবির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম ও ছাত্রলীগ নেতা পল্লবের নেতৃত্বে রোববার দিবাগত রাত ২টায় গেস্ট রুমের দরজা বন্ধ করে ওই শিক্ষার্থীদের ব্যাপক মারধর করে । এতে গুরুতর আহত হয় সমাজ বিজ্ঞানের ২য় বর্ষের ছাত্র সফিকুল ইসলাম , বাশার , কামাল , প্রবাস ও হামিদ । ওই ছাত্রদেরকে সাংবাদিকদের সঙ্গে এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কোন প্রকার অভিযোগ করতে নিষেধ করে দেয়া হয় । তবে ছাত্রলীগেরই একটি অংশ সাধারণ ছাত্রদের নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় ঘটনাটি ফাঁস হয়ে যায় । হল সূত্রে জানা যায় , রোববার রাত ২টার দিকে হলের ১ম বর্ষের ছাত্রদের ২২৬ ( ক ) , ২২৭ ( ক ) , ( ৪৪৪ ) নম্বর রুমে হলের সভাপতি পক্ষের অনুসারীরা অভিযান চালায় । এ ৩ রুমের ভেতর যারা একটিভভাবে রাজনীতি করছে না এরকম ২২ ছাত্রকে রুম থেকে ধরে গেস্টরুমে নিয়ে যাওয়া হয় । এদের মধ্যে ১ম বর্ষের ছাত্র শফিক , বাশার , জাহিদ , প্রভাস , সুজন , মনসুর , নাজমূলসহ কয়েকজনের নাম জানা গেছে । গেস্টরুমে সূর্যসেন হলের সভাপতি সাঈদ মজুমদার ও তার অনুসারী পলাশ , হাফিজসহ আরও কয়েকজন হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে তাদের উপর্যুপরি পেটায় । গেস্টরুমের ভেতর থেকে দরজা আটকিয়ে প্রায় ১ ঘণ্টা তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয় । গেস্টরুমেই ৬ জন আহত হয়ে পড়ে । তাদেরকে মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দিতে নিয়ে যাওয়া হয় । পরে বাশার , জাহিদ , প্রভাসসহ কয়েকজনকে মারধর করে রাতেই হল থেকে বের করে দেয় । নির্যাতিত একজন ছাত্র বলে , আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে এসেছি । সেখানে রাজনীতি করব না - না করব সেটা যার যার নিজস্ব ব্যাপার । তারপরও প্রথম দিকে আমরা প্রোগ্রামে ঠিকমত যেতাম কিন্তু এ এক বছরে কারই ভাল রুমে সিট হয়নি । এখনও আমাদের গণরুমে থাকতে হচ্ছে । তাই কিছুদিন নিয়মিত গেস্টরুমে যাইনি । এ বিষয়টি হল প্রোভোস্ট অধ্যাপক খন্দকার আশরাফ হোসেন বলেন , বিষয়টি আমি শুনেছি । প্রেগ্রাম না করায় বড়রা তাদের শাসন করেছে । বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ সাকিব বাদশা বলেন , বিষয়টি হলের । তবে এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে থাকলে তদন্ত করে দেখা হবে । হল সভাপতি সাইদ মজুমদার বলেন , বড় ভাইদের সম্মান না করায় কিছু জুনিয়র কর্মীকে শাসন করা হয়েছে । তিনি বলেন , ওই ছেলেদের আমরা হলে রেখেছি । এখন প্রোগ্রামে না এলে তাদের মারবো না কি করবো ? এর আগে শহীদুল্লাহ হল থেকে ৫০ ছাত্রকে গভীর রাতে বের করে দিয়েছিল ছাত্রলীগ । প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধায় স্মরণ জ্যোতি বসুকে কলকাতা প্রতিনিধি : প্রয়াত জননেতা জ্যোতি বসুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে গতকাল তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় নানা অনুষ্ঠান পালিত হয় । গত বছর এই দিনে তিনি কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন । সিপিআইএম যেহেতু কোন নেতার মৃত্যুদিন আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করে না । তাই ব্যক্তিগতভাবে ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বসুর প্রতি শ্রদ্ধা জানান অগণিত মানুষ । এদিন সল্ট লেকে জ্যোতি বসু যে বাড়িটিতে থাকতেন সেই ইন্দিরা ভবনের দরজা সাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় । সকাল থেকেই সেখানে মানুষ প্রয়াত নেতাকে স্মরণ করেন , শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করেন । এ উপলক্ষে ইন্দিরা ভবনে পথের পাঁচালি সংস্থা অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল । সেখানে বাম রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ হাজির হয়ে বসুর প্রতি শ্রদ্ধা জানান । এসেছিলেন জ্যোতি বসুর অনুরাগী ও লোকসভার সাবেক স্পিকার সোমনাথ চট্টোপধ্যায় । তিনি বসুর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন , রাজ্যের আজকের অসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জ্যোতি বসুর খুবই প্রয়োজনীয়তা ছিল । পথের পাঁচালির প্রধান রমলা চক্রবর্তী ইন্দিরা ভবনে জ্যোতি বসু সংগ্রহশালা গড়ে তোলার দাবি জানান । ইন্দিরা ভবনে জ্যোতি বসুর সব জিনিসপত্র আজও একইভাবে রয়েছে । জ্যোতি বসুর নানা স্মৃতি ছড়িয়ে রয়েছে সেখানে । এদিকে এদিনই জ্যোতি বসুর নামে গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য সিপিআইএমের উদ্যোগে অর্থ অভিযান শুরু হয়েছে । কলকাতার বিভিন্ন টিভি চ্যানেলেও এদিন জ্যোতি বসুকে নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান সমপ্রচার করা হয় । অননুমোদিত আবাসন প্রকল্পের বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধের নির্দেশ স্টাফ রিপোর্টার : অননুমোদিত আবাসন প্রকল্পের বিজ্ঞাপন প্রচার ও বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট । বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো . জাকির হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল এ আদেশ দেয় । বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির ( বেলা ) দায়ের করা এক আবেদনে আদালত এ আদেশ দেয় । বেলার পক্ষে আইনজীবী ইকবাল কবির ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এ বি এম আলতাফ হোসেন শুনানিতে অংশ নেন । এর আগে গত ২৭শে জুলাই হাইকোর্ট অননুমোদিত আবাসন প্রকল্পের প্ল্লট - ফ্ল্যাট বিক্রয়ের বিজ্ঞাপন প্রচার ও মাটি ভরাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল । একই সঙ্গে এসব প্রল্পের কার্যক্রম পরিচালনা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছিল । পরিবেশ আইনবিদ সমিতি ( বেলা ) , আইন ও সালিশ কেন্দ্র ( আসক ) , পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন ( পবা ) , বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন ( বাপা ) এবং বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের ( আইএবি ) দায়ের করা রিট মামলায় ওই আদেশ দেয়া হয়েছিল । ইউকে শিক্ষামেলা ২৬শে জানুয়ারি থেকে স্টাফ রিপোর্টার : আগামী ২৬শে জানুয়ারি থেকে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বসছে ইউকে শিক্ষামেলা । সোনারগাঁওতে ২৬ ও ২৭শে জানুয়ারি ও চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের ইছামতি হলে ২৯শে জানুয়ারি বসবে এ শিক্ষামেলা । বৃটিশ কাউন্সিল আয়োজিত এ মেলায় যুক্তরাজ্যের ৪১টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নিচ্ছে । মেলার প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা । এ উপলক্ষে আজ হোটেল সোনারগাঁওয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বৃটিশ কাউন্সিল । মেলায় উচ্চ শিক্ষার্থে যুক্তরাজ্যে গ্রহণেচ্ছুদের সরাসরি তথ্য সরবরাহ ও ভর্তিতে সাহায্য করা হবে । প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত মেলা চলবে । ২৬শে জানুয়ারি সোনরাগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে মেলার উদ্বোধন করা হবে । এতে দেশের শিক্ষাবিদসহ বিশিষ্টজনরা অংশ নেবেন । এরপর শিক্ষার্থী - অভিভাবকদের জন্য মেলা খুলে দেয়া হবে । ৫০ টাকা প্রবেশমূল্য দিয়ে মেলার টিকিট ঢাকা ও চট্টগ্রামের বৃটিশ কাউন্সিল থেকে সরবরাহ করা যাবে । প্রবেশের সময় একটি ব্যাগ ও ভর্তি তথ্য সংবলিত বুকলেটও পাবেন দর্শনার্থীরা । এছাড়া শিক্ষামেলায় অতিরিক্ত উপহারেরও সুযোগ রাখা হয়েছে । বিনামূল্যে অনলাইনে নিবন্ধন করে গেলে বিশেষ উপহার পাওয়া যাবে । যঃঃঢ় : / / িি . িনৎরঃরংযপড়ঁহপরষ . ড়ৎম / নধহমষধফবংয - বফঁপধঃরড়হ - ংঃঁফু - রহ - ঁশ - ৎবঢ়ং - ভৎড়স - ঁশ . যঃস এই ঠিকানায় গিয়ে নির্ধারিত ফরম পূরণ করলে শিক্ষামেলার গেটে প্রবেশের সময় তাকে ফ্রি উপহার প্রদান করা হবে । উল্লেখ্য , গত কয়েক বছর ঢাকায় হোটেল শেরাটন এবং চট্টগ্রামে পেনিনসুলায় মেলা বসলেও এবার শিক্ষামেলার স্পট পরিবর্তন হয়েছে । এবার ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁও এবং চট্টগ্রামে আগ্রাবাদের ইছামতি হলে শিক্ষামেলা বসবে । এবারের ইউকে শিক্ষামেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো - ব্যাঙ্গল ইউনিভার্সিটি , বেডফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটি , বার্মিংহাম সিটি ইউনিভার্সিটি , ফ্রাডফোর্ড কলেজ , ব্রুনেল ইউনিভার্সিটি , কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি , ডেভিড গেম কলেজ , ডার্বি ইউনিভার্সিটি , ডুর্হাম ইউনিভার্সিটি , ইলং হ্যাম্মারস্মিথ অ্যান্ড ওয়েস্ট লন্ডন কলেজ , ইস্ট অ্যাংলিয়া ইউনিভার্সিটি , ইস্ট লন্ডন ইউনিভার্সিটি , এডিনবার্গ টিলফোর্ড কলেজ , গ্রীনউইচ ইউনিভার্সিটি , হার্টফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটি , হাল ইউনিভার্সিটি , আইকন কলেজ অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট , কেলি ইউনিভার্সিটি , লিডস মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি , লিভারপুল হোপ কলেজ , লায়ান্দ্রিল্লো কলেজ , লন্ডন একাডেমি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস , লন্ডন সাউথ ব্যাংক ইউনিভার্সিটি , ম্যানচেস্টার মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি , ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি , ম্যারিটাইম গ্রীনউইচ কলেজ , মিডলসেস্ক ইউনিভার্সিটি , নটিংহাম ইউনিভার্সিটি , কুইন মার্গারেট ইউনিভার্সিটি , কুইন ম্যারি ইউনিভার্সিটি , শেফিল্ড হাল্লাম ইউনিভার্সিটি , সাউথ লন্ডন কলেজ , সেন্ট প্যাট্রিক কলেজ , স্টিভেনসন কলেজ এডিনবার্গ , সেন্ট্রাল কলেজ অব লন্ডন , ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ল্যাঙ্কশায়ার , ওয়েস্টমিনিস্টার ইউনিভার্সিটি এবং ওরসেস্টার ইউনিভার্সিটি । ইভটিজিং প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অভিযোগ এলেই আইনি ব্যবস্থা স্টাফ রিপোর্টার : ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে । পথে - ঘাটে যেখানেই বখাটেরা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করবে সেখানেই বখাটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে হবে । মেয়েদেরকেও সচেতন থাকতে হবে । উত্ত্যক্ত করলে মেয়েরা তাদের অভিভাবককে বিষয়টি অবগত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে বলবে । গতকাল দুপুরে রাজধানীর টিকাটুলি সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজে ইভটিজিং প্রতিরোধবিষয়ক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন । দুপুর সাড়ে ১২টায় কলেজ অডিটোরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় । সভায় মাদকবিরোধী বিষয় নিয়েও আলোচনা হয় । এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সূত্রাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম । সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ জাহান জেব আক্তার । ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোজাম্মেল হক মুক্তা , মহিলা কাউন্সিলর লাভলী , সূত্রাপুর থানা কমিউনিটি পুলিশের উপদেষ্টা আবু আহমেদ মান্নাজি , সেক্রেটারি কাজী মাসুদ , সাবেক কাউন্সিলরবৃন্দ , অভিভাবক ও কলেজের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন । ওসি বলেন , কলেজ ও প্রাইভেট পড়তে আসা - যাওয়ার পথে কোন বখাটে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে অভিযোগ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে । প্রতিটি স্কুল - কলেজের সামনে অভিযোগ বক্স দেয়া হবে । ওই বক্সে ছাত্রীরা তাদের অভিযোগ জমা দেবে । ওই অভিযোগ অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান । অনুপ চেটিয়াকে হস্তান্তরের আগে আইনি দিক খতিয়ে দেখা হবে নাশরাত চৌধুরী : উলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে ভারতের কাছে হস্তান্তরের আগে আইনি সব দিক খতিয়ে দেখা হবে । তাকে ফেরত দিয়ে সরকার কোন ধরনের সমালোচনার মুখে এবং আইনগত কোন জটিলতার মধ্যে পড়তে চাইছে না । তাকে ফেরত দেয়ার জন্য মন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনার প্রয়োজন হবে । আলোচনা শেষে আইনি কোন ধরনের জটিলতা বা বাধা না থাকলে তাকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা যেতে পারে । আইনি জটিলতা থাকলে বিকল্প ভাবতে হবে । এ তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু । তিনি বলেন , অনুপ চেটিয়ার বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে আলোচনা হবে । তাদের আলোচনায় কি বেরিয়ে আসে তা দেখতে হবে । দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর সেটি উচ্চ পর্যায়ে পাঠানো হবে । উচ্চ পর্যায়ে বিষয়টি বিবেচনা হবে । অনুপ চেটিয়াকে ফেরত দিতে আইনি কোন বাধা আছে কিনা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন , আমাদের কাছে এখনও বিষয়টি আসেনি । আসলে আইনি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে । এখনও তা করা হয়নি । উল্লেখ্য , অনুপ চেটিয়া চারদলীয় জোট সরকারের আমলে এ দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেন । চারদলীয় জোট সরকার , সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও বর্তমান সরকারের আমলেও তার ওই রাজনৈতিক আশ্রয়ের বিষয়টি নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি । বাংলাদেশে অনুপ চেটিয়া কারাজীবন ভোগ করছেন । স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন , তাকে ফেরত দেয়ার ব্যাপারে আলোচনাকালে এ বিষয়টিও প্রাধান্য পাবে । তবে তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়া হবে না - এটা প্রায় নিশ্চিত । তিনি বলেন , বন্দি বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী ইতিমধ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে । অনুপ চেটিয়া বর্তমানে রাজশাহী কারাগারে আছেন । ভারতীয় যেসব বন্দি বাংলাদেশের কারাগারে রয়েছে এরমধ্যে সবচেয়ে আলোচিত উলফা নেতা অনুপ চেটিয়া । তাকে ফেরত নেয়ার জন্য উলফা ও ভারত সরকার অনেকবার চেষ্টা করেছে । আইনি জটিলতার কারণে কোন সরকারের পক্ষেই তাকে ফেরত দেয়া সম্ভব হয়নি । অমর একুশে গ্রন্থমেলার স্টল বরাদ্দ স্টাফ রিপোর্টার : বাংলা একাডেমীর আয়োজনে অমর একুশে গ্রন্থমেলা শুরু হবে আগামী ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে । চলবে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত । ১৯৮৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এ মেলা শুরু হওয়ার পর এই ২৭তম বর্ষে এর ব্যাপ্তি ও আকর্ষণ পেয়েছে এক বিশেষ মাত্রা । এ বছর মেলার প্রধান থিম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । তার ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ঘিরে এই বিশেষ আয়োজন করেছে বাংলা একাডেমী । পুরো বছর ধরে চলবে তাদের রবীন্দ্রচর্চা । এ উপলক্ষে তারা বের করবেন ৩০টি বই । মেলায় বের হবে ৩০টি । এর মধ্যে রয়েছে বাংলা একাডেমীর বিভিন্ন সভা - সেমিনারে পঠিত প্রবন্ধের সঙ্কলন এবং অধ্যাপক আনিসুর রহমানের ' সোস্যাল অ্যান্ড এনভায়রনমেনটাল থিংকিং অভ টেগোর ' । অমর একুশে গ্রন্থমেলার আয়োজন নিয়ে বাংলা একাডেমীতে প্রস্তুতিগত ব্যস্ততা চলছে প্রতিদিনই । গতকাল দুপুরের পর কর্তৃপক্ষ টাঙিয়ে দিয়েছে মেলায় স্টলের বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা । এবার বরাদ্দ পাওয়া ২১৪টি প্রতিষ্ঠানের ২৪টি পাবে তিন ইউনিটের স্টল । দুই ইউনিটের স্টল পাবে ৬৯টি প্রতিষ্ঠান , বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো পাবে এক ইউনিটের স্টল । বরাদ্দপ্রাপ্তদের ভাড়া দিতে হবে তিন ইউনিটের জন্য ২০ হাজার টাকা , দুই ইউনিটের জন্য ১২ হাজার ৫৪০ টাকা , এক ইউনিটের জন্য ৫২২৫ টাকা । এ ভাড়া দিতে হবে ভ্যাট সহ । এর আগে আবেদনপত্রের জন্য স্টল - প্রার্থীদের দিতে হয়েছে ১০০০ টাকা করে । সূত্র জানায় , আরও কিছু স্টল বরাদ্দ করার সম্ভাবনা রয়েছে । উল্লেখ্য , এবার স্টলের জন্য আবেদন করেছিল ৪৩৮টি প্রতিষ্ঠান । গত বছর দুই ইউনিটের স্টল পেয়েছিল ৪৬টি প্রতিষ্ঠান , ১৯টি প্রতিষ্ঠান পেয়েছিল তিন ইউনিটের স্টল । এবারই প্রথম তিন ইউনিটের স্টল পেয়েছে অনিন্দ্য , অন্বেষা , বিজয় , শোভা প্রকাশ , নানন্দা , চারুলিপি , কথাপ্রকাশ , ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশ । ঐতিহ্যবাহী মুক্তধারা পেয়েছে দুই ইউনিটের স্টল । কেরালায় মসজিদ নির্মাণ করছেন হিন্দু ব্যবসায়ী মানবজমিন ডেস্ক : কাতারভিত্তিক এক হিন্দু ব্যবসায়ী ভারতের কেরালায় মুসলমানদের জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করছেন । তার নাম সি কে মেনন । তিনি দুবাইতে ব্যবসা করেন । বেহজাদ গ্রুপ অব কোম্পানির দোহা সদর দপ্তরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যান সি কে মেনন । সমাজ সেবার জন্য ২০০৯ সালে তিনি পেয়েছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার । রাজ্যের বাসিন্দাদের মধ্যে সামপ্রদায়িক সমপ্রীতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন । গতকাল এ খবর দিয়েছে অনলাইন গালফ নিউজ । এতে বলা হয়েছে , সি কে মেনন জানিয়েছেন কোঝিখোদে নির্মিত এ মসজিদটি হবে ওই হিন্দু প্রধান রাজ্যে গত ১২০০ বছরের মধ্যে কোন হিন্দু ব্যক্তির উদ্যোগে নির্মিত প্রথম মসজিদ । মেনন বলেছেন , মসজিদটির নির্মাণ কাজ চলছে । আগামী দুই - তিন মাসের মধ্যেই এর কাজ শেষ হয়ে যাবে । মসজিদটিতে একসঙ্গে ৪০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন । এতোদিন পর্যন্ত অষ্টম শতাব্দীতে নির্মিত ছেরামন মসজিদটি ছিল কেরালায় কোন হিন্দু ব্যক্তির উদ্যোগে নির্মিত একমাত্র মসজিদ । তিনি বলেছেন , মসজিদটি নির্মাণের জন্য তিনি ধর্মীয় নেতা এবং মুসলিম পণ্ডিতদের সঙ্গে পরামর্শ করে অনুমতি নিয়েছেন । অন্য ধর্মের প্রসারের জন্য মানুষকে কাজ করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেছেন । কেরালাতে তিনি একটি গির্জা নির্মাণেরও পরিকল্পনা করছেন বলে জানিয়েছেন । মসজিদটির নির্মাণ শেষ হলেই তিনি গির্জার নির্মাণ কাজ শুরু করবেন ।
Download XML • Download text